মঙ্গলবার, ২৩ ভাদ্র ১৪১৭; ২৭ রমজান ১৪৩১; ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ১০:৩৬ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: সাফল্যের মুকুটে একটি উজ্জ্বল পালক (১৫/০১/২০১০)
মাকে ছাড়াই পুজো করতে হলো এবার (০১/১০/২০০৯)
এ আপনি কি করলেন আনু মুহাম্মদ (১৬/০৯/২০০৯)
আওয়ামী লীগের শত্রুরা তৎপর, প্রধানমন্ত্রী সাবধান (০১/০৯/২০০৯)
বঙ্গবন্ধুর মহানুভবতা (১৬/০৮/২০০৯)
সরকারের প্রথম ছয় মাসের ছয় সাফল্য (১৬/০৭/২০০৯)
পহেলা বৈশাখ : ছোটবেলা ও বড়বেলায় (১৪/০৪/২০০৯)
আগের লেখা
513


প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: সাফল্যের মুকুটে একটি উজ্জ্বল পালক

সমর কুমার ঘোষ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ ছিল না। বিএনপি-জামায়াত ও তাদের পোষ্যরা এমন একটা রব তুলেছিল যে, প্রধানমন্ত্রী যেন ভারতের কাছে বাংলাদেশকে বিক্রি করতে যাচ্ছেন। তারা ভুলে গিয়েছিল, শেখ হাসিনা সেই দেবতূল্য মহামানবের সন্তান যিনি বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি জাতির পিতার সন্তান। তাঁর হাতে এদেশ যতটা নিরাপদ, অন্য কারো হাতে তা নয়। আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু ভারতের ব্যাপারেও এই মহল থেকে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ভারত শেখ হাসিনাকে দিয়ে ক্ষতিকর অনেক চুক্তি করিয়ে নিবে।

অথচ, বাস্তবে দেখা গেলো ভারত তার বন্ধুত্ব ও সহায়তার দ্বার অবারিত করে দিয়েছে। টিপাইমুখ বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশের কিছু লোকের হৈচৈ এর জবাবে ভারত বাঁধ তৈরীর কাজ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ দিতে রাজী হয়েছে। বাংলাদেশকে একশ' কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ৪৭টি বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয়ারও ঘোষণা দিয়েছে নয়া দিল্লি।

তবে নিন্দুকের মুখ কখনো বন্ধ হবে না। এদেরই একজন ড. মাহবুবউল্লাহ বলেছেন, 'বাংলাদেশ দিয়েছে অনেক কিন্তু পাওয়ার খাতা শূন্য। এ যৌথ ঘোষণা এবং ট্রানজিট দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভারতের অর্থনীতি এবং রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট। সে তুলনায় ২৫০ মেগাওয়াট কিছুই নয়। এর উপর রয়েছে বিদ্যুতের দাম, ট্রান্সমিশন এবং আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়। আবার অবকাঠামো খাতে যে একশ' কোটি ডলারের ঋণ সুবিধা দেয়া হচ্ছে, তার উদ্দেশ্য করিডোর ব্যবহার করার আগেই অতিরিক্ত যান চলাচলের জন্য রাস্তাঘাট প্রস্তুত করে নেয়া। এই ঋণের টাকা বাংলাদেশকে সুদে-আসলে পরিশোধ করতে হবে। টিপাইমুখ বাঁধের ব্যাপারে ভারতের বক্তব্য অস্পষ্ট। আমরা আশা করেছিলাম এবং এদেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল ভারত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধের ঘোষণা দেবে।'

ফরহাদ মজহার বলেছেন, সমগ্র ঘোষণা যদি তন্ন তন্ন করে খুঁজি তাহলে বাংলাদেশ এখানে কি পেল তার কোনো চিহ্ন নেই। আমরা দিলামই কেবল, পেলাম না কিছুই। .. এই ঘোষণা ভারতকে দাসখত লিখে দেয়ারই শামিল এবং বাংলাদেশ যদি ভারতের কাছে দাসখত লিখে দিত তাহলেই ভালো হতো। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে কিছু কিছু গণমাধ্যম ব্যাপারটিকে ফলাও করে যেভাবে মহাকিছু প্রাপ্তি সংবাদের খবর দিচ্ছে তাতে অবাক হতে হয়। ... টিপাইমুখ বাঁধ হলে কি ক্ষতি হবে এটা কে নির্ধারণ করবে। ভারত ফারাক্কার মাধ্যমে বাংলাদেশকে পানিশূন্য করেছে। বাংলাদেশের পরিবেশ এবং প্রাণের সমূহ ক্ষতি করেছে। এরপর ক্ষতিকর কিছু করা হবে না কথাটা বলা কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়ার মতো।

পণ্যের ওপর শুল্ক তুলে নেয়ার বিষয়টি একটি হাস্যকার বিষয়। যেখানে ভারত এবং বাংলাদেশ বিশ্ববাণিজ্য চুক্তির অধীনে অবাধ বাণিজ্যের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সেখানে বাংলাদেশের পণ্য ভারতে প্রবেশ করতে না দেয়াটাই ছিল ভারতের দিক থেকে অন্যায়। এজন্য উচিত ভারতের কাছে জবাব চাওয়া। সেখানে উল্টো বলা হচ্ছে, ভারত বুঝি আমাদের ভারি দয়া করছে।

তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নে ঋণ দেয়ার বিষয়টিও স্পষ্ট। ভারত বাংলাদেশের কাছে তাদের যানবাহন বিক্রি করতে চায়। তারই প্রাথমিক শর্ত তৈরি করার জন্য এই ঋণ। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট চাওয়ার চাপ দীর্ঘদিন ধরেই অব্যাহত ছিল। ট্রানজিট দেয়ার মাধ্যমে ভারত সেটা পেল। এরপরও নগদ প্রাপ্তি ঘটল চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি।

সাবেক সচিব আসাফ উদ দৌলা বলেছেন, ঢাক-ঢোল পেটানো এ সফরে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাপ্তি হচ্ছে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার। অন্য কোনো অর্জন নেই। তিনি বলেন, যে তিনটি চুক্তি হয়েছে, তার সবক'টি নিরাপত্তা সম্পর্কিত। এ চুক্তির দোহাই দিয়ে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইহুদি ও মার্কিন এজেন্টদের বাংলাদেশে সদম্ভ উপস্থিতি না দেখলে আমি বিস্মিত হব।

ভুটান ও নেপালের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যের পরিমাণ মাত্র কয়েক কোটি টাকা। এই দুই দেশের করিডোর পাওয়ার মাঝে কোনো কৃতিত্ব নেই। সরকারের সাহস থাকলে তারা চীনের সঙ্গে করিডোর দাবি করতে পারত ভারতের কাছে। কিন্তু ভারতকে ক্ষেপানোর ঝুঁকি হাসিনার সরকার কখনোই নেবে না।

তিনি টিপাইমুখ ইস্যুতে বলেছেন, ফারাক্কা বাঁধ চালুর আগেও ভারত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা এ বাঁধের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষতি হতে দেবে না। আমার বিশ্বাস, টিপাইমুখ নিয়ে মনমোহন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা স্রেফ দৈববাণী হয়ে ইতিহাসে রেকর্ড হয়ে থাকবে। আর এ বাঁধের প্রভাবে সিলেটসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ মরুকরণ শুরু হবে।

তিনি বলেন, সরকার তিস্তা থেকে এক ফোঁটা পানি আনতে পারেনি। এ সফরে আমরা কিছু দৈববাণীই পেলাম।

এসব কথা শুনলে রাগও হয়, হাসিও পায়। তাদের কথা শুনে মনে হয় বাংলাদেশের ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির পুরোটাই মেটানোর দায় ভারতের। ভারত নিজেই যেখানে পানি পাচ্ছে না, সেখানে তিস্তার পানি দিবে কিভাবে?

এই অত্যন্ত সফল সফর সম্পর্কে যে মিথ্যাচার হচ্ছে, তার দাতভাঙ্গা জবাব সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হবে বলে আশা করি। বিশেষ করে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধের বিষয়ে ভারতীয় কতৃপক্ষ আরও স্পষ্ট ঘোষণা দিবেন যাতে পাকিস্তানপন্থীদের বলার কিছু না থাকে।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/SamarKumarGhosh
পাঠকের মন্তব্য:
ঢাবি থেকে দীপা লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারী ২০১০; দুপুর ১২:২৮
সুন্দর লেখা। স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের দোসরদের এভাবে দাতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে।
6831
কক্সবাজার থেকে আবু লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারী ২০১০; দুপুর ১২:৫৯
সুন্দর !!! ফারাক্কা তো কোন সমস্যা না, বি এস এফ এর মানুষ হত্যা তো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের বন্ধুত্ব পূণর্ সমাধান, তিস্তার পানি/ তা তো দরকার নাই , শুধু দরকার বি ডি আর হত্যার পুরষ্কার!!!!
6834
Cardiff, UK থেকে Imtiaz লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৩২
Bangladesh has signed treaty about its ports
while India only gave promises. -

If this congress govt fails tomorrow, the god like Manmohon sings promises will fall with that, but even after the AL govt the ports will continued to be used by Indians because it is in INK.
6849
ঢাকা থেকে সুশান্ত লিখেছেন, ১৫ জানুয়ারী ২০১০; সকাল ০৮:২৫
ঘোষ দাদা, হাসিনার সাফল্যের মুকুটে একটি উজ্জ্বল পালক হচ্ছে ইন্দিরা গান্ধী পুরষ্কার ও ইন্দিরাকে মা হিসাবে দেখা!
6870
USA থেকে Afzal khan লিখেছেন, ১৫ জানুয়ারী ২০১০; সকাল ০৯:৩৮
Those who thinks Farakkah, 3 Bigha corridor and South Talpotti issue already solved , i wanted to remind them with due respect, please wake up and try to smell the truth. Because only truth can set you free from preoccupied mind.
My common sense is telling me it is to early to comment প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: সাফল্যের মুকুটে একটি উজ্জ্বল পালক because any success depends on proper implementation and preservation. To implement some kind of treaty just signing a piece of paper is not enough. MOU is just a starter not the end. Mutual trust is the main ingredients of implementation. Honestly speaking trust between country to country cannot be build by force or by a specific party. It is not a commodity, through commercial or by sales representative or by beautiful rapping paper can be sale . Honest action from both parties is the key to build trust between the countries. If we look around our close neighbor. We will notice all the neighboring country do not trust each other. India has problem with Srilanka, Napel, China, Pakistan and Maldive .
আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু ভারতের ব্যাপারেও এই মহল থেকে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ভারত শেখ হাসিনাকে দিয়ে ক্ষতিকর অনেক চুক্তি করিয়ে নিবে।
অথচ, বাস্তবে দেখা গেলো ভারত তার বন্ধুত্ব ও সহায়তার দ্বার অবারিত করে দিয়েছে। টিপাইমুখ বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশের কিছু লোকের হৈচৈ এর জবাবে ভারত বাঁধ তৈরীর কাজ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের জন্য বিদ্যুৎ দিতে রাজী হয়েছে। বাংলাদেশকে একশ' কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ৪৭টি বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয়ারও ঘোষণা দিয়েছে নয়া দিল্লি।
The country India did not born yesterday. If all the Bangladeshi people starts cursing India from Tomorrow , India will not feel any pain. Indian foreign policy is not based on charitable organization rather build on national interest. May be we do not have any definition of our own national interest but India has. Those who think India stooped building TIPAI DAM for the sake of loving Bangladesh, actually they goes by fiction not by facts. I wanted to request them to read between the lines of Indian statements regarding TIPAI DAM. In front of INDIAN diplomats our diplomats are SISU. Those who has disagreement regarding Mr. Asaf ud doulah, Dr. Mahbub Ullah and Mr. Farhad Mazhar views and accuse them as তবে নিন্দুকের মুখ কখনো বন্ধ হবে না। i think they have very superficial idea about them. I feel sorry for their shallow understanding. But i wanted to request them please have patience and time will speak.
Following news i am pasting for our readers from Indian news paper to understanding the language of the Indian authority.
Ashok Tuteja
Tribune News service , 11th, January 2010
Reiterating their mutual desire to resolve all bilateral issues through negotiations, the two PMs decided to establish a mechanism for comprehensive cooperation. Sources said the two sides also discussed the challenges posed to their security by terrorists and insurgents. It is understood that the two PMs discussed sharing of river waters, resolution of the maritime border dispute and the promotion of bilateral trade and connectivity. Manmohan Singh assured Sheikh Hasina that India would not do anything on the controversial Tipahimukh project that would affect the interests of Bangladesh. Sources said the visit of the Bangladesh Premier was a path-breaking one and provided both countries an opportunity to build a new and forward-looking partnership.
Again those who are trying to impose their understanding on others not by presenting rational argument or evidence just based on সুন্দর লেখা। স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের দোসরদের এভাবে দাতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। are very superficial. RATIONAL ARGUMENT WITH CLEAR EVIDENCE IS ALWAYS HEALTHY. EMOTION BASED ARGUMENT IS ALWAYS UNPRODUCTIVE CREATES DIVISION AMONG THE CITIZENS.
6875
USA থেকে Afzal khan লিখেছেন, ১৫ জানুয়ারী ২০১০; রাত ০৮:৪১
DEAR WRITER,
WITH DUE RESPECT.
I AM PROVIDING YOU WITH THE EVIDENCE, HIDDEN FACE OF YOUR পরীক্ষিত বন্ধু ভারতে. IF YOU ARE HONEST THEN YOU MUST GOING TO CHANGE YOUR VIEW REGARDING YOUR COMMENT তবে নিন্দুকের মুখ কখনো বন্ধ হবে না। ACCORDING TO YOU THEY ARE নিন্দুকে THEY ARE NOT RACIST.
guardian.co.uk, Saturday 28 March 2009 15.09 GMT
Nehru's great-grandson arrested for inciting anti-Muslim violence
Varun Gandhi arrested after being filmed comparing a rival Muslim politician to Osama bin Laden.
The great-grandson of India's first prime minister was arrested today as police investigated charges against him of making hate speeches and inciting violence against Muslims ahead of next month's national elections. A political furore erupted after Varun Gandhi, 29, was filmed at two political rallies earlier this month comparing a rival Muslim politician to Osama bin Laden and threatening to cut the throats of Muslims.
Gandhi belongs to the powerful Nehru-Gandhi dynasty, which has produced three prime ministers over six decades and has long promoted a secular government and tolerance for religious minorities. He is a member of the opposition Hindu nationalist Bharatiya Janata party, which has refused to drop him as a candidate. Gandhi drove today through the streets of Pilibhit, a town in the state of Uttar Pradesh about 135 miles east of New Delhi. He is seeking a parliamentary seat in the town – a constituency once held by his mother, Maneka Gandhi – and was accompanied by thousands of supporters waving saffron Hindu flags. The chief judicial magistrate, Nitin Kumar, said Gandhi turned himself in at the court where he will remain until Monday, when he can seek release on bail.
If convicted, Gandhi could be disqualified from running for office and imprisoned for up to three years. On 17 March, India's election commission directed officials in Uttar Pradesh state to file a criminal case against Gandhi for promoting hatred.
Gandhi, a descendant of the former prime minister, Jawaharlal Nehru, denied making the comments, saying the video had been tampered with. "I am innocent. I have been falsely implicated in a conspiracy," he told reporters today. The commission said it was "fully convinced and satisfied" that the video "has not been tampered with, doctored or morphed". The footage has been broadcast repeatedly on Indian television channels in the last fortnight. "All the Hindus stay on this side and send the others to Pakistan," he says in the video. "This is the lotus hand," he says, referring to the symbol of his party. "It will cut their throats after elections."
6895
buet থেকে arefin rafi লিখেছেন, ১৭ জানুয়ারী ২০১০; দুপুর ১২:৫০
This writing clearly gives us an idea about the dieheart dalals of india.
6945
ঢাকা থেকে রওশন দিল আফরো লিখেছেন, ১৯ জানুয়ারী ২০১০; সকাল ১০:৪৮
এ ধরনের লেখা লিখে নিজেকে আর ছোট করবেন না । জনগন আজ সচেতন , জনগন বোঝে কোনটা ভাল । এই ভারতই চালের দাম বৃদ্ধির সময় চাল রপ্তানী বন্ধ করার পক্ষে ছিল, তা বাংলাদেশের মানুষ জানে । তাই দেশ বিরুধী কাজে সহায়তা না করে সত্যিকারে ভাল লিখা লিখুন, চাপাবাজি নয় ।
7041
ঢাকা থেকে রওশন দিল আফরো লিখেছেন, ১৯ জানুয়ারী ২০১০; সকাল ১০:৫০
এ ধরনের লেখা লিখে নিজেকে আর ছোট করবেন না । জনগন আজ সচেতন , জনগন বোঝে কোনটা ভাল । এই ভারতই চালের দাম বৃদ্ধির সময় চাল রপ্তানী বন্ধ করার পক্ষে ছিল, তা বাংলাদেশের মানুষ জানে । তাই দেশ বিরুধী কাজে সহায়তা না করে সত্যিকারে ভাল লিখা লিখুন, চাপাবাজি নয় ।
7043
১০
ঢাকা থেকে মিসবাহ উদ্দীন আহমদ লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৪৪
ফাটাফাটি লিখা হইছে বস। আশা করি এরকম আওয়ামী দালালী আপনি অব্যাহত রাখবেন।
7304
১১
Canada থেকে Raza লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারী ২০১০; রাত ০৮:১৮
Dada BDR mere to borde khule die chen chukti kore aro kichu khola hole ar ki baki ache bole dile bhalo hobe
7309
১২
মালয়েশিয়া থেকে আশরাফ লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৪৭
জনাব সমর কুমার, আপনি আপনার শেষ বক্তব্যটুকু ও শেষ করেছেন টিপাইমুখ নিয়ে ভারতের কাছে স্পষ্ট বক্তব্যের আশা নিয়ে! তাহলে বুঝলাম আপনিও আপনার ম্যাডামের মতো বড় আশা করে আছেন যে ভারত সত্যিই আমাদের কিছু দিবে! আমরা বাংলাদেশের মানুষ গত সাড়ে তিন যুগে ভারতের কাছে প্রতারণা ছাড়া আর কি পেয়েছি?? আমরা ইন্দিরা গান্ধি পুরষ্কার দিয়ে কি জমিতে সেচ দিতে পারবো?? কৃষকের মুখে ভাত দিতে পারবো?? জনাব সমর কুমার, জনাবা দীপা আর জনাব সুশান্ত, আপনাদের তথাকথিত সাফল্যের পালক দিয়ে বসে বসে ম্যাডামের কান চুলকানো ছাড়া আমাদের আর কিছুই পাওয়ার নেই। আপনাদের তোষামোদি কথা-তে বাংলাদেশের মানুষকে বোকা বানানোর সেই সু-দিন আর নেই। সেদিন আর বেশি দেরি নেই, আপনাদের মতো দালাল-দের তালিকা তৈরি করবে এদেশের জনগন।।
7329
১৩
ঢাকা থেকে আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারী ২০১০; সকাল ১১:১০
সমর কুমার এতো খোলাখুলি ভাবে দালালি করতে আপনার লজ্জা করেনা ।
7425
১৪
riyadh থেকে salman লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারী ২০১০; রাত ১১:৩৬
chamchamir lojjahin prokash
7520
১৫
লন্ডন থেকে মাহবুব লিখেছেন, ১০ জুন ২০১০; সকাল ০৫:১৯
দালাল আর কাকে বলে!!!!!
22207
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2010. E-mail: editor@sonarbangladesh.com.