মঙ্গলবার, ২৩ ভাদ্র ১৪১৭; ২৭ রমজান ১৪৩১; ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ০৯:৪৩ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

আওয়ামী লীগের এক বছরঃ আমরা যা পেলাম- আবদুর রহমান

আবদুর রহমান

দীর্ঘ দুই বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছ থেকে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতি আদায় করলো নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে অভাবনীয় ফল লাভ করে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। জনগণ আশায় বুক বেঁধেছিল অতীতের মত শত্রুতার রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে এবার সব রাজনৈতিক দল দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত থাকবে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কথা জাতিকে আরো আশ্বস্ত করেছিল। নির্বাচনোত্তর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি অনেকগুলো আশার কথা জাতিকে শুনিয়েছিলেন। তিনি সেখানে বলেছিলেন, বিরোধী দলকে আসন সংখ্যা দিয়ে বিবেচনা করা হবে না। এমনকি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকারের পদ বিরোধী দলকে দেওয়া হবে। সংখ্যাগরিষ্ট দলের পাশাপাশি একাধিক সংসদীয় কমিটির সভাপতির পদ বিরোধী দলকে দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী কর্তৃক প্রদত্ত ওয়াদা বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পীকার নিয়োগ করা হবে শুনে সমগ্র জাতি আশান্বিত হয়। কিন্তু হতাশ করলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। জাতিকে হয়ত তিনি এটাই বুঝাতে চেয়েছিলেন যে, ওয়াদা দেওয়া সহজ কিন্তু বাস্তবায়ন করাটা অনেক কঠিন। উল্টে গেল আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি। এবার উদ্ভট প্রস্তাব করা হল নতুন আরেকটি ডেপুটি স্পীকারের পদ সৃষ্টি করে একটি বিরোধী দলকে দেওয়া হবে। সর্বশেষ কর্ণেল (অবঃ) শওকত আলীকে সংসদের ডেপুটি স্পীকার হিসেবে নিয়োগ করে সে প্রতিশ্রুতির ইতি ঘটান।

এর পরে শুরু হল জাতীয় সংসদে সামনের সারিতে বিরোধী দলের আসন কেটে নেওয়া। সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে সাবেক স্পীকার জমির উদ্দিন সরকার বিরোধী দলকে অপোজিট বেঞ্চের সব আসন দেন। পরে নতুন স্পীকার আবদুল হামিদ সামনের সারিতে পাঁচটি আসন রেখে বাকি আসন কেটে নেন। এ অজুহাত তুলে সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি চালু রাখবে বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী তাতে আরো আগুন লাগালেন। তিনি বললেন, সিটের দিক দিয়ে তারা সাড়ে তিনটির বেশী আসন সামনের সারিতে পায় না। অথচ তিনি আগেই বলেছিলেন, বিরোধী দলকে সংখ্যা দিয়ে বিবেচনা করবেন না। সংসদের সামনের সারিতে আসন কেড়ে নেওয়ার পিছনে নিশ্চয় আওয়ামী লীগের কোন সৎ উদ্দেশ্য ছিল না।

এরপর শুরু করলেন ক্যান্টনমেন্টে খালেদা জিয়ার বাড়ি কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হল সে বাড়িতে পিলখানায় নিহত আর্মি অফিসারদের পরিবারদের ফ্ল্যাট করে দেওয়া হবে।এ অজুহাতে খালেদা জিয়াকে বাড়িতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হল। আন্দোলন শুরু করে দেয় বিএনপি। এখনও হাইকোর্টে এ বাড়ি নিয়ে মামলা চলছে।

গত এক বছর আওয়ামী লীগ তাদের দলের ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিশৃঙ্খল কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। নির্বাচনে জয় লাভের পর ছাত্রলীগ কর্তৃক হল দখলের উৎসব হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনা অন্য সংগঠনের হলচ্যুৎ নেতাদের ডেকে কক্ষ বুঝিয়ে দিতে নির্দেশ দেয়। ছাত্রলীগের কর্ণ কুহরে এ আদেশ এসে পৌঁছেনি। উল্টো বছর জুড়ে সন্দেহের বশবর্তী হয়েও হাজার ছাত্রকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে হলছাড়া করে। অন্য ছাত্রসংগঠন মুক্ত পরিবেশে চলে ছাত্রলীগের একক আধিপত্য। আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে ছাত্রলীগ নিজেদের নেতাকর্মীদেরও ছেড়ে দেয়নি। ঢাকা, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বেশ কয়েকজন আহত। অস্ত্রের মহড়ায় অবাক হয় দেশবাসী। ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিজ দলের নেতা, রাবিতে শিবির নেতা হত্যা করে। ছাত্রলীগকে থামাতে না পেরে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অন্য অঙ্গ সংগঠনের নেতারা মেতে উঠে চরদখল, বাড়ী দখল, জায়গা দখল, বাসটার্মিনাল দখলের উৎসবে। টেন্ডারবাজি নিয়ে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের টানাটানি এখনও পত্রিকার শিরোনাম হয়।

দিন বদলের কথা বলে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। সে দিন বদলের সুফল জনগণ দেখলো কোথায়। বরং জাতি দেখল দিন বদলের নামে কলুষতার চরম রূপ। আওয়ামী লীগ গত এক বছরে দিন বদলের কোন চমক দেখাতে পারেনি। উল্টো নেমে গেল নাম বদলের কাজে। চীন মৈত্রী সম্মেলনের নাম দিল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র। ভাসানী নভোথিয়েটারের নাম হল বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার। নাম বদলের দরুন আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবের কতটুকু উপকার করতে পেরেছে? বরং তার নামকে বিতর্কিত করে ফেলেছে। বীরশ্রেষ্ঠ রুহল আমিন ও নূর মোহাম্মদ কি অপরাধ করেছে? আওয়ামী লীগ তাদের নামে থাকা স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করেছে। এখন শুনা যাচ্ছে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম শাহজালাল (রাঃ) বিমানবন্দর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রী পরিষদ। এমন সিদ্ধান্তের যদি বাস্তবায়ন ঘটে তাহলে দেশে একটি লঙ্কাকান্ড ঘটে যাবে সন্দেহ নেই।

গত এক বছরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে জনগণের আশা ভরসারস্থল সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। পিলখানা ট্যাজেড়িতে মূহুর্তের মধ্যে নিভে গেল ৫৭ জন সেনা অফিসারের তরতাজা প্রাণ। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবনে সরকারের ব্যর্থতার দরুন এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। আওয়ামী সরকার কিছুতেই এর দায়ভার থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারবে না। এমনকি এ হত্যাকান্ডে শেখ পরিবারের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্য জড়িত বলে গুঞ্জন রয়েছে। সে সময়ে বিদ্রোহী বিডিআরদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হলেও এখন সাধারণ বিডিআর সদস্যদের নির্যাতন করা হচ্ছে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। নতুন সরকারের এ দিকে কোন নজর নেই। উল্টো ভারতকে আরো বেশি সুবিধা প্রদানের দৃশ্যই গত এক বছর জুড়ে দেখা গেছে। সরকারের মন্ত্রীরা দেশের স্বার্থের তুলনায় ভারতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে। বাংলাদেশের কাছ থেকে ট্রানজিট সুবিধা আদায়ের প্রচেষ্টা ভারত দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। সরকার ভারতকে এ সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোসহ নেপালের সাথে বাণিজ্যের জন্য ট্রানজিট সুবিধা আদায়কে চাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারত। সরকার সেদিকে মোটেও নজর দেয়নি।

যে দেশে ফারাক্কা বাঁধের দরুন নদনদী শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। যে দেশের লোকজনের নিকট নতুন করে নদীতে বাঁধ দেওয়ার ক্ষতি সম্পর্কে অজ্ঞ থাকার কথা নয়। অথচ ভারত নতুন করে টিপাইমুখ বাঁধ দেয়ার কাজ এগিয়ে নিলেও আওয়ামী লীগ সরকারের কোন মাথাব্যথা নেই। সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ বাঁধের দরুণ আরো বেশি পানি পাবেন বলে মত প্রকাশ করেছেন! সরকারের টিপাইমুখ বাঁধ পরিদর্শনে প্রেরিত প্রতিনিধিদলের গমন নাটক জনগণের নিকট কৌতুক বলে প্রতীয়মান হয়েছে। ট্রানজিট টিপাইমুখ প্রভৃতিতে আওয়ামী সরকার দেশের স্বার্থকে মারাত্মকভাবে অবহেলা করেছে।

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে প্রয়োজন সঠিক শিক্ষার। আর সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কাঙ্খিত শিক্ষানীতির। অতীব দুঃখের কথা স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশে একটি অনুসরণযোগ্য শিক্ষানীতি নেই। সঠিক শিক্ষানীতির অভাবে জাতির আশানুরূপ অগ্রগতি হচ্ছেনা। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার সে অভাব পূরণে একটি কাঙ্খিত শিক্ষানীতির রূপরেখা দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন শিক্ষানীতি গতানুগতিক ও বিতর্কিত। জাতি গঠনের ব্যবস্থা এতে নেই। দেশের কল্যাণের পরিবর্তে এ শিক্ষানীতি প্রনয়নের ফলে জাতির মধ্যে বিভক্তির সৃষ্টি হয়েছে। যা আদৌ কাম্য ছিলনা।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ওয়াদায় বলেছিল, ক্ষমতায় আসতে পারলে ১০ টাকায় চাল, বিনামূল্য সার প্রদানের ব্যবস্থা করবে। ক্ষমতায় আরোহণের পরও তা করতে পারেনি। সরকারের এক অংশ কোন কোন ক্ষেত্রে এসব ওয়াদার কথা সঠিক নয় বলার চেষ্টা পর্যন্ত করেছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিকে ফলে জনগণের নাভিশ্বাস চরমে উঠেছি। চাল, ডাল, ডিম, সার সবকিছুর দাম জনগণের নাগালের বাইরে।

আওয়ামী লীগের গত এক বছরে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হয়েছে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। নির্লজ্জ দলীয়করণের ফলে জনপ্রশাসনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। লাগামহীন দলীয়করণ জনগণ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে দেখেছে, পাশাপাশি সৎ দক্ষ লোকদের ও এসডি করা হয়েছে গণহারে। কখন কাকে ও এসডি করা হয় এ আতংকে সরকারি কর্মকর্তাদের সর্বদা থাকতে হচ্ছে।
দক্ষ লোকদের ওএসডি করণ এবং দলীয়করণের ফলে প্রশাসনিক কাজকর্মে অচলাবস্থা নেমে এসেছে। এত অধিক সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে এমন দলীয়করণ জনগণ কখনো আশা করেনি।
বিদ্যুৎখাতে গত এক বছরে আওয়ামী লীগ সরকার কোন চমক দেখাতে পারেনি। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ১৯ জুন থেকে ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে আনা হয়েছে। এতে প্রথম থেকেই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। শীতের দিনে আরও চরম দুর্ভোগে পোহাতে হয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে কথিত এ সাশ্রয়ী নীতি তৃনমূল পর্যায়ে সরকারের বিরাগভাজন হতে হয়েছে।

সরকারি প্রচারযন্ত্রকে আওয়ামী লীগ সরকার দলীয় প্রচার যন্ত্রে পরিণত করেছে। রেডিও টেলিভিশনে দলীয় অনুষ্ঠান, কর্মসূচির প্রচার ও বিপক্ষ দলের কুৎসা সরকার মাধ্যমে পরিণত করেছে। গত এক বছরে ভিন্নমত পোষণকারী ব্যক্তি ও সংস্থার উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। অসংখ্য সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী সরকার দলীয় ক্যাডারদের নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের লোকদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। খোদ উপদেষ্টা, মন্ত্রীসহ স্বজনদের ঘুষ গ্রহণের খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। বিগত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল আওয়ামী লীগ। এখন আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের টেন্ডারবাজি দেখলে দুর্নীতির অভিযোগ উঠানোর আর প্রয়োজন হয় না।

এসকল ব্যর্থতার বাইরে আওয়ামী লীগের কিছু ইতিবাচক অর্জন রয়েছে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যার রায় অন্যতম পঁচাত্তরের কালো রাত্রিতে নিহত শেখ মুজিবের খুনি চক্রের বিচার এতদিন পর হলেও আওয়ামী লীগ করতে পেরেছে। এটি নিংসন্দেহে একটি বড় অর্জন।

যানজটে নাকাল পুরো ঢাকাবাসী। জানযট নিরসন কল্পে আওয়ামী লীগ সিগন্যাল বাতি মেনে চলার পদ্ধতি প্রবর্তনসহ লেন মেনে গাড়ি চালানো জানযট কমানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি বলে ধরা যায়।

দ্রব্যমূল্যের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি সত্য। কিন্তু দ্রব্যমূল্য কিছুটি হলেও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নিকট থেকে উত্তম সেবা আদায়ের জন্য তাদের কাঙ্খিত মজুরি দেওয়া প্রয়োজন। এতে করে তারা উত্তম সেবার ক্ষেত্রে মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি অবৈধ পন্থা অবলম্বন থেকে বিরত থাকবে। আওয়ামী লীগ সরকার এ কাজটি সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন করেছে। সৎ প্রতিবেশী হিসেবে বসবাসে যা আবশ্যক। এটিও আওয়ামী লীগ সরকারের একটি বড় সাফল্য।

আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যর্থতার অন্ধকারময় আকাশে সফলতাগুলো মিটিমিটি করে জ্বল জ্বল করার মত। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। তাই আওয়ামী লীগের উচিত অতীতের হানাহানির রাজনৈতিক সংস্কৃতির স্থলে নতুন মাত্রা আনয়ন। এখনো পর্যন্ত আওয়ামী লীগ তার গুণগত পরিবর্তন আনতে পারেনি। অদূর ভবিষ্যতে যদি বাংলাদেশের ঘাড়ে আরেকটি ওয়ান ইলেভেনের সৃষ্টি হয় তার দায়ভার বর্তাবে আওয়ামী লীগের উপর। অন্য কোন দলের উপর নয়। হাতে আর চারটি বছর আছে। এ চারটি বছর বেশি দিন নয়। যেমনি ভাবে একবছর কেটেছে তেমনিভাবে কেটে যাবে বাকি চার বছর। অতএব এখনই সময় আত্মউপলব্ধির। নিজেদের কর্মকান্ডকে মূল্যায়ন করার। এভাবে চলতে থাকলে যেমনি নির্বাচনী জোয়ারে ক্ষমতার মসনদে এসেছে তেমনি নির্বাচনী ভাটায় হারিয়ে যাবে সুদূরে। নৌকার মাঝিদের সতর্ক হয়ে দেশ চালানোর বিকল্প নেই।

লেখকঃ শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইমেইল, arahman _du23@yahoo.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/AbdurRahman
পাঠকের মন্তব্য:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সািব্বর, িরয়াদ, মাহািদ, কামরুল লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারী ২০১০; রাত ১০:১৮
ধন্যবাদ, সুন্দর েলখা েলখার জন্য. সামনে আরো ভাল িলখবেন. এই প্রত্যাশা.
6859
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এহসানুল হক জসীম এবং নাসির উদ্দীন শাহিন লিখেছেন, ১৬ জানুয়ারী ২০১০; দুপুর ০১:৩৭
ধন্যবাদ।
6918
ঢাবি,মুহসীন হল থেকে অাজহার লিখেছেন, ১৭ জানুয়ারী ২০১০; সকাল ১০:৪০
চমৎকার েলখার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক।।।।।
6943
ঈশ্বরদী-পাবনা থেকে বনি লিখেছেন, ১৭ জানুয়ারী ২০১০; রাত ১০:০৮
সত্য কথা েলখার জন্য ধন্যবাদ। সরকার েক এটা বুঝেত হবে তবেই তারা সঠিক ভাবে েদশ পরিচালনা করতে পারবে িকন্তু সরকার িক এটা উপলব্ধি করতে পারবে।
6964
রিয়াদ, সৌদি অারব থেকে জসিম উদ্দিন লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:২৩
অনেক অনেক ধন্যবাদ, সুন্দর েলখা েলখার জন্য. সামনে আরো ভাল িলখবেন. এই প্রত্যাশা রইল.
7279
গাইবান্ধা থেকে সৈয়দ রোকনুজ্জামান লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারী ২০১০; সকাল ০৭:৩৪
লেখক কে অনেক ধন্যবাদ । আগামীতে আরো ভাল লেখা লেখবেন । আল্লাহ আপনার প্রচেষ্টা অব্যহত রাখুন ।
7317
ঢাবি থেকে জসীম, ফরহাদ মাসুম এবং কামারুজ্জামান লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারী ২০১০; দুপুর ১২:১৩
ধন্যবাদ
7347
কাতার থেকে তাে্রক লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারী ২০১০; রাত ০৩:০৮
ধন্যবাদ
7412
fl থেকে mohammed absar লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ১০:৫১
exillant.pls write briefly about their new education system which is very danger in our muslim nation.
7939
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2010. E-mail: editor@sonarbangladesh.com.