বৃহস্পতিবার, ২৫ ভাদ্র ১৪১৭; ০১ শাওয়াল ১৪৩১; ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:৪৫ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

মালয়েশিয়ায় 'শোকেস বাংলাদেশ': একটি ব্যর্থ বাণিজ্য মেলা ও প্রবাসীর নিয়তি

গৌতম রায়

'তোমরা ভুলে গেছো মল্লিকাদের নাম, সে এখন কাজল বধূ দূরের কোন গাঁয়। যেদিন গেছে সেদিন কি আর ফিরিয়ে আনা যায়?'
গীতিকবি আবু জাফরের মল্লিকা যেন আজকে বিশ্বের ৭০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশী। এই মল্লিকাদের কথা যেন সবাই ভুলে যায়। শুধু সামনে এলেই বাক বাকুম বাক বাকুম করেন। বিশ্ব অর্থনেতিক মন্দার মধ্যেও যখন দেশে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্সের পরিমাণ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায় তখন সবাই প্রবাসীদের নিয়ে গর্ব করেন। অথচ কত কষ্ট শ্রম দিয়ে এই প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে সেটা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করাও কঠিন। নির্জন জঙ্গলে, তপ্ত মরুভূমিতে বা সাগরের ভয়াল ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করে যা তারা সঞ্চয় করেন সেটাই জমা হচ্ছে ঐ হাজার কোটি ডলারে। তাই প্রবাসীদের কখনো বলা হয় বিদেশে দেশের রাষ্ট্রদূত কখনোবা শুভেচ্ছাদূত। সবকিছুই ঠিক আছে। কিন্তু প্রবাসীদের প্রতি অকৃতজ্ঞতার নির্মম স্বাক্ষর রেখে গেলেন মালয়েশিয়ায় সদ্য সমাপ্ত ‘শোকেস বাংলাদেশ’ এর গর্বিত আয়োজকরা।

প্রায় দর্শকশূন্য একটি বাণিজ্য মেলা করে যখন বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রী (বিএমসিসিআই) ঢাকায় সাংবাদিক সম্মেলন করে মালয়েশিয়া বিজয়ের মিথ্যা কল্পকাহিনী তুলে ধরে দেশের মানুষকে বোকা বানাতে চাচ্ছেন, তখন মালয়েশিয়ায় বসে আর চুপ করে থাকার উপায় নেই। ঐ মেলায় আগত বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাই স্বাক্ষী কেমন হয়েছে সেই একক মেলাটি। এ লজ্জা কাকে কতটুকু স্পর্শ করবে জানি না। কিন্তু আমি মনে করি প্রবাসীদের আড়ালে রেখে যে ব্যর্থ একটি বাণিজ্য মেলা বিএমসিসিআই মালয়েশিয়ায় উপহার দিয়ে গেলেন তার জবাবদিহি তাদের করা প্রয়োজন। এ ব্যর্থতার দায় দায়িত্ব থেকে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনও অব্যহতি পেতে পারে না। যেহেতু তাদেরও দায়িত্ব ছিল এমন একটি চমৎকার উদ্যোগে প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করা। সেটা তারাও এড়িয়ে গেলেন কোন অদৃশ্য কারণে?

বাংলাদেশী ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, বাংলাদেশ কমিউনিটি, মালয়েশিয়ায় একমাত্র বাংলা পত্রিকা প্রবাসীকন্ঠ কাউকেই তারা আমন্ত্রণ জানালেন না। অথচ হাইকমিশনার এ, কে, এম আতিকুর রহমান বললেন, মেলা হচ্ছে সবাই জানেন। তাদের কি উচিত ছিল না এখানে আসা? কথাটার পেছনে আবেগ আছে কিন্তু যুক্তি নেই। তাহলে কি একযোগে সব প্রবাসীরাই মেলাকে প্রত্যাখ্যান করলেন? কেন? বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট বললেন, তারা ৩০ হাজার ব্যবসায়ীকে নাকি চিঠি দিয়ে ইমেইল করে মেলায় আমন্ত্রণ করেছিলেন। কথাটা কতটুকু সত্য সে বিষয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। আর যদি বাংলাদেশে গ্রামে গঞ্জে গিয়ে এই ৩০ হাজার মানুষকে দাওয়াত দেয়া হয় তাহলে ভিন্ন কথা। কিন্তু প্রশ্ন দাওয়াতী ৩০ হাজার মানুষের মধ্যে যদি ১০ ভাগও উপস্থিত হতেন তাহলে কি বাণিজ্য মেলার এই দশা হয়? এ ব্যর্থতা কার? আসলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টায় গর্বিত (?) আয়োজকরা মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছেন। এই অব্যবস্থা নিয়ে লেখালেখি করলে নির্লজ্জের মতো অনেকেই হয়তো বলবেন, সাংবাদিকরা শুধু নেগেটিভ নিউজই করেন। দেশের ভালো কিছু হোক সেটা যেন অনেকেই চান না। কিন্তু আমার প্রশ্ন- দর্শকবিহীন এরকম একটি বাণিজ্য মেলা করে কি দেশের মুখোজ্জ্বল করেছেন বিএমসিসিআই? প্রবাসীদের মেলায় আমন্ত্রণ জানানোর ব্যর্থতা বা আনতে না পারার ব্যর্থতা যা-ই হোক এটা স্পষ্ট হয়ে পড়েছে বর্তমান হাইকমিশনও যথাযথভাবে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্বটুকু পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। জনগণের স্বতঃস্ফুর্ত সমর্থনে গঠিত এই গনতান্ত্রিক সরকারের আমলে হাইকমিশনের এই অযোগ্যতাকে সহজে সহ্য করা যায় না।

শোকেস বাংলাদেশের সেমিনার ডিনার পার্টি ইত্যাদি রাজকীয় অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের আমন্ত্রণ জানানো হোক বা না হোক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে প্রচার করে প্রবাসীদের আনলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যেত? নাকি সেখানে দলাদলি খুনাখুনি হতো? প্রবাসীরা কি দেশের এমন সুন্দর একটি অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না? আয়োজকরা কি এদেশের সব বাংলাদেশীকেই অদক্ষ অশিক্ষিত শ্রমিক মনে করলেন? নাকি বাণিজ্য মেলায় শুধু নেপথ্যের অন্য কোন বাণিজ্য করতেই এসেছিলেন? দেখুন, বাণিজ্য মন্ত্রী কিন্তু ঠিকই তাঁর দায়িত্ব পালন করে গেলেন কি চমৎকারভাবে। খোঁজে খোঁজে দেখা করলেন- কারা দেশের কল্যাণে কাজ করছেন, কারা আমার দেশের পণ্য রপ্তানী করে বিদেশে দেশীয় পণ্য পরিচয় করছেন। কিন্তু লজ্জা লাগে বাণিজ্য মন্ত্রী যাদের কথা ভাবলেন আয়োজকরা তাদেরকেই বাদ দিলেন এই বাণিজ্য মেলায়। হ্যাঁ, কেউ বলতেই পারেন ‘শোকেস বাংলাদেশ’ মূলত করা হয়েছে বিদেশীদের আকৃষ্ট করার জন্য, তাদের কাছে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করার জন্য। আয়োজনের এ উদ্দেশ্য নিয়ে একজন বাংলাদেশী হিসাবে আমি দ্বিমত পোষণ করছি না। কিন্তু আয়োজকরা এরকম ব্যর্থতা আমাকে ভীষণভাবে মর্মাহত হরেছে। কারণ এখানে আমার মাতৃভূমির মর্যাদা জড়িত। কারো কর্মে মাতৃভূমির অসম্মান হলে বোধ হয় কেউ সেটা মেনে নেবেন না। বিএমসিসিআইয়ের ধারণাই হয়তো ছিল না যে, এদেশে প্রবাসীরা অনেক ভালো অবস্থানেও রয়েছেন। এদেশের বহু কোম্পানী চালাচ্ছেন এই বাংলাদেশীরা। কেউ ম্যানেজার, কেউ ব্যাংকার এমনকি বহু প্রবাসীর নিজস্ব কোম্পানী ফ্যাক্টরীও রয়েছে এখানে। একজন বাংলাদেশী যদি কোন আমদানীকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক বা তার পার্টনারকে গর্ব করে ঐ মেলায় আমন্ত্রণ করে নিয়ে যেতেন তাতে কি মেলার উদ্দেশ্য কাজে আসতো না? ঐ প্রবাসীর জন্য কি বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানীতে সুযোগ সৃষ্টি হতে পারতো না? কিন্তু প্রবাসী নিজেই তো জানেন না মেলা হচ্ছে। আমি সবসময়ই বলে থাকি- প্রবাসীরা দেশের মানুষের চেয়েও একটু বেশী দেশপ্রেমিক। কারণ তারা দেশকে শুধু দেয় দেশ থেকে কিছু নেয় না। কিন্তু অকৃতজ্ঞ কিছু মানুষই এ প্রবাসীদের মনে রাখে না। কর্মচঞ্চল প্রবাসীদের প্রবাসে সময় কেটে যায় রেমিটেন্সের চাকা ঘুরাতেই। আত্মবিনোদনের সুযোগও তারা পান না। কিন্তু দেশের এসব অনুষ্ঠানাদির সংবাদ পেলে অনেকেই স্বোৎসাহে ছুটে যান। প্রবাসে দলমত নিয়ে যত বিরোধই থাকুক না কেন, এ রকম অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা অভদ্র আচরণ করেন না। এই প্রবাসীদের প্রতি যদি বিএমসিসিআইয়ের সামান্যতম কৃতজ্ঞতাবোধ থাকতো তাহলে হয়তো তাদের ডাকতেন। মেলায় ঠিকই উপচে পড়া ভীড় হতো। কারণ মেলা চলাকালীন মালয়েশিয়ায় ২ দিন ছুটি ছিল। অথচ ঢাকা বাণিজ্য মেলা যখন লোকে লোকারণ্য তখন মালয়েশিয়ার বাণিজ্য মেলা ছিল তার সম্পূর্ণ বিপরীত। এজন্য চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরাও। তাদের বক্তব্য- এতে সময়, শ্রম, অর্থ সবই বিফলে গেল। তাদের অভিযোগ তারা অনেকে প্রতারিত হয়েছেন। কারণ তাদের যেভাবে বলা হয়েছিল সেভাবে হয়নি। ছোট্ট একটি ষ্টলেও আদায় করা হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা।

প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ছাড়া মেলার কি চেহারা হয়েছে সেটা আর বলার দরকার নেই। কিন্তু এতে লাভ হলো কার আর ক্ষতি হলো কার? যারা লাখ টাকা খরচ করে ষ্টল দিয়েছেন তাদেও ক্ষতি তো যা হবার হয়ে গেছেই। কিন্তু আমার দেশের ভাবমূর্তির ক্ষতি হয়েছে অনেক। কারণ এমনিতেই মালয়েশিয়ায় ইমেজ সংকটে আছে বাংলাদেশ। তার উপর পিডাব্লিইটিসি’র মতো একটি বাণিজ্য তীর্থ স্থানে সম্ভবতঃ এই প্রথম প্রায় দর্শকশূন্য একটি মেলা প্রদর্শন করলো বাংলাদেশ। সামান্য কয়েকজন স্থানীয় লোক যারাও গিয়েছেন তারাও হতভম্ব হয়েছেন এই শ্রীহীন দশা দেখে। অথচ বাংলাদেশের মিডিয়াতে নির্লজ্জের মতো কেউ কেউ বলেছেন, প্রচুর লোক সমাগম ছিল মেলায়। অথচ আমার কাছে প্রমাণ আছে সেটা কতবড় মিথ্যা প্রচারণা করা হয়েছে। দেশবাসী ও বিশ্বের প্রবাসীরা দেখুক, প্রবাসীদের কিভাবে অসম্মান করে গেল বিএমসিসিআই। জানুক ৭০ লাখ প্রবাসী। বাংলাদেশ থেকে যে ব্যাংকগুলো ষ্টল দিয়েছিল তারা মালয়েশিয়ায় ৬/৭ লাখ বাংলাদেশীর জন্য বার্তা নিয়ে এসেছিলেন। তাদের জন্য প্যাকেজ নিয়ে এসেছিলেন অনেকেই। তাদের মূল গ্রাহকই ছিল ঐ প্রবাসীরা। হয়তো এমন অবস্থা জানলে কোন বোকাও অলাভজনক খাতে এরকম বিনিয়োগ করে ষ্টল দিতে আসতেন না। আমার ধারণা তারাও প্রতারিত হয়েছেন যে কোনভাবেই। মল্লিকাদের ভুলে যাবার খেসারত কি আয়োজকরা দেখেছেন। শোকেস বাংলাদেশের নেতারা তো তাদের শুধু ভুলেই যাননি, তাদের ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশটাকে শোকেসের ভেতরে ঢুকিয়ে তালাবদ্ধ করে পকেটে চাবি নিয়ে ভিআইপিদের পেছনেই ব্যস্ত ছিলেন। কুয়ালালামপুরে সামন্য কয়েকটা ফেষ্টুন টাঙ্গিয়ে প্রবাসীদের দাওয়াত করা হয়েছে। কিন্তু সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় ১০ জনের ডিনার টেবিলের দাম ধার্য্য করা হয়েছে আড়াই হাজার রিঙ্গিত বা ৫০ হাজার টাকা। যদিও ঐ ডিনার পার্টি ছিল আরেকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্পন্সর। তাহলে কি মেলার আয়োজকরা মেলার এ সুযোগে অন্য কিছু আশা করেছিলেন? আমাদের লোভটা অবশ্য বেশী। এজন্যই ১/১১ এর পর ড্রেনে, চালের ড্রামে, ডাষ্টবিনে নামী দামী মানুষের টাকা ছড়াছড়ি করেছে। ৮৪ হাজার টাকার বদলে ২ লাখ আড়াই লাখ টাকায় জবলেস কাজে এনে ভাইয়ের গলা কাটতেও আমরা চিন্তা করি না।

এসব কিছু কিন্তু সমাজের গণ্যমান্য উচ্চবিত্তরাই করেন। তারা কোনদিনই বড়লোক হতে পারেন না। কারণ, তাদের চাহিদার আর শেষ নেই। তাদের টাকার ক্ষুধা চিরন্তন। ১৫ কোটির দেশ বাংলাদেশে কতভাগ মানুষ দুর্নীতি করে? এর মধ্যে কতজন কৃষকের ছেলে আর কতজন অশিক্ষিত মানুষ দুর্নীতিবাজ? দেশের দুর্নীতি বা টাকার পাহাড় তো তারাই গড়ে তুলেন যাদের কলমের জোর আছে। না আমি কিন্তু বলছি না ‘শোকেস বাংলাদেশ’ এমন করতে পারে। কিন্তু পোড় খাওয়া গরু যে সিঁদুর দেখলেই ভয় পায়। একজন আয়োজক বললেন শোকেস বাংলাদেশের স্যুভিনর করতেই নাকি ৮ লাখ টাকা লেগেছে। সত্যতা যাচাই করা হয়নি আমার। হতেও তো পারে। কারণ অঙ্কের হিসাবে কতভাবেই লেখা যায়। কে যায় তা দেখতে। এছাড়া আমরা গরিব দেশের মানুষ ঘোড়া রোগ থাকতেই পারে। রাজকীয় পরিবেশে ৮ লাখ টাকার স্যুভিনর যখন প্রচার চলে দেশে কিন্তু তখন শীতবস্ত্রের অভাবে মানুষ মরছে। আজকের প্রসঙ্গ অবশ্য সেসব নয়। আজ আমি প্রতিবাদ করছি কেন প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ছাড়া এমন একটি ব্যর্থ, হাস্যকর মেলা তারা উপহার দিয়ে আমার দেশকে আমার প্রবাসীদের বিদেশের মাটিতে খাটো করা হলো? আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী সবার কাছেই এ অভিযোগ রাখছি। বিএমসিসিআই বাংলাদেশকে বিভোর স্বপ্ন দেখাচ্ছে যে, মালয়েশিয়া এটা করবে ওটা করবে ইত্যাদি। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। ব্যর্থ বাণিজ্য মেলার উদ্যোক্তাদের দিয়ে যেন ভবিষ্যতে আর কোথাও মেলার আয়োজন না করা হয় সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোর দাবী রাখছি। আবারো হাইকমিশনের উদ্দেশ্যে বলা দরকার, বিএমসিসিআই’ এর এই ‘শোকেস বাংলাদেশ’ এর সহযোগী হিসাবে তাদেরকেও ব্যর্থতার দায়ভার বহন করতে হবে। মালয়েশিয়ার এ হাইকমিশনটি বহুদিন যাবত বিতর্কিত। তারা কতটা প্রবাসবান্ধব বার বার তাদের কর্মেই তুলে ধরছেন। মুখে যত অমৃত বচনই বর্ষিত হোক না কেন এখনো অনেকে প্রবাসীদের কাছে প্রভু সেজে আছেন। কিন্তু এর পরিনাম সবসময় সুখের হয় না। অতএব, এই মল্লিকাদের নাম ভুলে যাওয়া আর চলবে না।

লেখকঃ সম্পাদক, সাপ্তাহিক প্রবাসীকন্ঠ। ইমেইলঃ gautammsia@gmail.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/GautamRay
পাঠকের মন্তব্য:
সোবানজায়া, মালোশিয়া, ফোন: ০১৬৬-৫১৫১৯২ থেকে মো: জাহাঙ্গীর হোসেে লিখেছেন, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ১০:৪২
এরা সবাই নিজেদের স্বার্থ দেখে কিন্তু আমরা রেমিটেন্স পাঠাই সেটা দেশের কাজে লাগে অথচ দেশ আমাদের কিছুই দেয় না। কিন্তু নেপালের কোন অনুন্ঠান হলে সবাইকে দাওয়াত করে। নেপাল, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, পাকিস্ষান, ইন্ডিয়া খরচ লাগে ৮৪০০০/= টাকা বাংলাদেশ ২৫০০০০/= জানি না। সরকার বড় চোর.
8981
দ.কোরিয়া থেকে মনির হোসেন লিখেছেন, ০৪ এপ্রিল ২০১০; সকাল ১১:০৫
যারা ত্রহ্র মেলার অায়ঝণ করৈছৈ . শ্যমিক বলৈ মূল্যয়ণ করতৈ চায়ণী.
12360
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2010. E-mail: editor@sonarbangladesh.com.