মঙ্গলবার, ২৩ ভাদ্র ১৪১৭; ২৭ রমজান ১৪৩১; ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ১০:৩৮ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
সততায় পারবেন না প্রধানমন্ত্রী (০৮/০২/২০১০)
বাগাড়ম্বর বনাম রাষ্ট্র পরিচালনা (০৩/০২/২০১০)
ছয় ঘোড়া থেকে ইন্দিরা পদক (২০/০১/২০১০)
জয় বাংলা থেকে জয় হিন্দ্ (১৯/০১/২০১০)
একটি মৃত্যু ও কয়েকটি প্রশ্ন (১০/০১/২০১০)
ক্ষমতার অসহিষ্ণু আচরণ (৩১/১২/২০০৯)
সময় পাল্টালে নীতিও পাল্টায় (৩১/১২/২০০৯)
বর্তমান রাজনীতিতে ত্যাগ ও মূল্যায়ন (২৩/১২/২০০৯)
সহকর্মীকে আঘাত কেন আমার সঙ্গে লড়ুন (২১/১২/২০০৯)
আবার ত্রিদেশীয় গ্যাস পাইপের ফাঁদ (১০/১২/২০০৯)
চুক্তি করতে চুক্তিবদ্ধ সরকার (২৬/১১/২০০৯)
বেরুবাড়ী ফেরত আনুন (১৯/১১/২০০৯)
রায় আগে বিচার পরে (০৪/১১/২০০৯)
এজেন্ডা যখন ভিন্নমত দমন (২৯/১০/২০০৯)
এক ‘রাজপরিবারের’ নিরাপত্তা-উন্মত্ততা (২১/১০/২০০৯)
পড়ন্ত বেলায় পেশাবদল (১৬/১০/২০০৯)
এক-এগারোর গরল অমৃতসমান (০১/১০/২০০৯)
ডিজিটাল অর্থনীতির চালচিত্র (৩০/০৯/২০০৯)
নতুন ধাপ্পাবাজি কানেক্টিভিটি (১৬/০৯/২০০৯)
আওয়ামী লীগের ঋণ বাংলাদেশ শোধ করবে কেন? (১৩/০৯/২০০৯)
আগের লেখা
1448


সততায় পারবেন না প্রধানমন্ত্রী

মাহমুদুর রহমান


নানারকম প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সব অর্থে সততা এবং দায়িত্ববোধ নিয়েই আমরা সম্মিলিতভাবে আমার দেশ পত্রিকাটি বের করি। পত্রিকা পরিচালনার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলার ওপর জোর দেয়া হলেও সেটা এখানে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যকার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক এবং সার্বিক পেশাদারিত্বকে অদ্যাবধি প্রভাবিত করতে পারেনি। একাধারে বোর্ড চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দ্বিবিধ দায়িত্ব পালন করলেও সেই বাস্তবতা আমার সঙ্গে সকল স্তরের সাংবাদিক এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিঃসঙ্কোচ মতবিনিময়ে সচরাচর কোনোরকম বাধার সৃষ্টি করে না। তারপরও, ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে একজন সিনিয়র রিপোর্টার টেলিফোনে পেশাদারী সাংবাদিকের ভাষাতেই আমারই বিরুদ্ধে সরকারি অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য চাইলে খানিকটা আশ্চর্য হইনি বললে মিথ্যাচার করা হবে। তার ওপর সাংবাদিকদের ওপর বর্তমান সরকারের নির্যাতনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত রাজশাহীর সভা শেষে গভীর রাতে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার কারণে কিছুটা ক্লান্তও ছিলাম। সহকর্মী সাংবাদিককে বিকালে সরকারি অভিযোগের তথ্য-প্রমাণসহ সংবাদপত্রের অফিসে এসে সাক্ষাত্কার নিতে বলে তখনকার মতো আলোচনায় ইতি টানলাম। বিকাল পর্যন্ত বেশ কৌতূহল নিয়েই কাগজপত্র দেখার জন্য যে অপেক্ষা করছিলাম সেটা বলাই বাহুল্য। যথাসময়ে সহকর্মী সাংবাদিক যে অভিযোগের ফিরিস্তি নিয়ে হাজির হলেনতার মিথ্যাচার, শিষ্টাচারবহির্ভূত বাক্য প্রয়োগ এবং আইনি দুর্বলতার নমুনায় সম্ভবত সম্পূর্ণ অন্ধ আওয়ামী সমর্থকও একাধারে হতাশা এবং কৌতুক অনুভব না করে পারবেন না। আমার অবশ্য স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর জন্য করুণা হচ্ছিল। বেসরকারি খাতে এবং সরকারি দায়িত্ব পালনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় প্রধানমন্ত্রীকে জোরের সঙ্গে বলতে পারি, এই কিসিমের অপদার্থ এবং মূর্খ আমলাশ্রেণী নিয়ে রাষ্ট্র তো দূরের কথা একটা মুদি দোকান চালানোও সম্ভব নয়। বুঝলাম, অন্ধ দলীয়করণের কুপ্রভাব কেমন করে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রযন্ত্রকে এক বছরের মধ্যেই অকার্যকর করে তুলেছে। আরও একটি সন্দেহ আমার মনে ক্রমেই দৃঢ় হচ্ছে। এতদিন আমরা জানতাম জেনারেল মইন তার ভারত সফরকালে ছয়টি ঘোড়া সেখান থেকে উপহার হিসেবে নিয়ে এসেছিলেন। এখন সন্দেহ হচ্ছে, ওগুলো প্রকৃতপক্ষে গাধা ছিল এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এই প্রকার মিথ্যা অভিযোগপত্র দায়েরে সেগুলোই বোধহয় এখন মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। পাঠককে আর কৌতূহলের মধ্যে না রেখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক কথিত উত্তরা ষড়যন্ত্রের পুরনো কাসুন্দি ছাড়া আমার বিরুদ্ধে নতুন করে উত্থাপিত ছয়টি কল্পনাপ্রসূত দুর্নীতির অভিযোগের ফিরিস্তি পেশ করা যাক :

এক. মাহমুদুর রহমান একজন উচ্চাভিলাষী, চতুর ও ধূর্ত প্রকৃতির ব্যক্তি। তিনি তার উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করার জন্য কর্মজীবনের শুরু থেকেই সক্রিয় রয়েছেন।
দুই. মুন্নু সিরামিকে কর্মরত ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুর রহমানকে বেসরকারি খাত থেকে এনে প্রথমে বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পরে জ্বালানি উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেয়া সংক্রান্ত দুর্নীতি।

তিন. বিনিয়োগ বোর্ডের কথিত একটি জরিপ রিপোর্ট পাঁচ মাস বিলম্বে প্রকাশ করায় দুর্নীতি।
চার. ফুলবাড়িয়া কয়লাখনি সংক্রান্ত দুর্নীতি।
পাঁচ. ফিরোজা মাহমুদের মালিকানাধীন ক্ল্যাসিক মেলামাইন ইন্ডাস্ট্রিজের অনুকূলে জনতা ব্যাংক থেকে গৃহীত ঋণের রিশিডিউল করার মাধ্যমে দুর্নীতি।
ছয়. বিনিয়োগ বোর্ডে চেয়ারম্যান থাকাকালীন অবস্থায় সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পাওয়া সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং সেই সময়ের কথিত অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সংক্রান্ত দুর্নীতি।

উপরিল্লিখিত বিশাল দুর্নীতির কাহিনী সংবলিত একটি পত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংস্থাপন সচিব বরাবরে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পরিচালক-২ পদে কর্মরত জনৈক কবির বিন আনোয়ার। পত্রটি ২২.০৯.১.০.০.২৪.২০০৯ (অংশ-৮)-৩৫ স্মারকে ১৯-১-২০১০ তারিখে প্রেরণ করা হয়েছে। কাকতালীয়ভাবে ওই তারিখেই বর্তমান জ্বালানি উপদেষ্টা জনাব তৌফিক-ই-এলাহী সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক আধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতে আমার বিরুদ্ধে একই অভিযোগে ২৫তম মানহানি মামলাটি দায়ের করেছেন এবং বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট সেই মামলা আমলে নিয়ে সমনও জারি করেছেন। বুঝলাম, ওপরের নির্দেশে যে কোনো উপায়ে মাহমুদুর রহমানকে জেলে পোরার জন্যই প্রশাসনের এই প্রকার বালখিল্য আচরণ। আমি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অথবা সংস্থাপন সচিব হলে এই পত্র প্রাপ্তির পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করে শুধু পরিচালক-২ নয়, এই পত্র প্রেরন প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের যেসব কর্মকর্তা জড়িত তাদের চাকরিচ্যুতি তো বটেই, তার সঙ্গে রাষ্ট্রের খরচে মানসিক চিকিত্সা করানোরও পরামর্শ দিতাম। ডিজিটাল সরকারের সচিবদ্বয় কী করবেন সেটি অবশ্য তাদের বিবেচনা।
এবার জনতার আদালতে আমার জবাব দেয়ার পালা। অভিযোগ যেখানে গুরুতর, জবাবও দীর্ঘ না করে উপায় নেই। পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটানোর অপরাধে আগেভাগেই ক্ষমা চেয়ে রাখছি। প্রথম অভিযোগে আমাকে ধূর্ত, চতুর এবং উচ্চাভিলাষীরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। এই অভিযোগের জবাব দিতে আমার রুচিতে বাধে। কুরুচিপূর্ণ গালাগালের জবাব দেয়ার শিক্ষা আমি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, আইবিএ এবং বিদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাভ করিনি। কেবল প্রথম অভিযোগই নয়, প্রকৃতপক্ষে সম্পূর্ণ গোপনীয় প্রতিবেদনটি ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং অশোভন বাক্যে পরিপূর্ণ। অবশ্য, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, সরকারদলীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ সম্প্রতি যে ভাষায় কথা বলছেন তাতে তাদেরই অধস্তনদের কাছ থেকে এর চেয়ে মার্জিত কোনো আচরণ আশা করাটাই অসঙ্গত।

দ্বিতীয় অভিযোগ দিয়েই বরঞ্চ আমার জবাব শুরু করা যাক। মুন্নু সিরামিকে আমার চাকরি, সেই প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের পরিবারের সঙ্গে আমার বিবাহজনিত সম্পর্ক নিয়ে ব্যক্তিগত আলোচনা কেবল অবান্তরই নয়, বর্তমান সরকারের কর্তাব্যক্তিদের নোংরা মানসিকতারই প্রকাশ। বিনিয়োগ বোর্ডে নিযুক্তির সময় আমি মুন্নু সিরামিকে নয়, স্বয়ং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের শাইনপুকুর সিরামিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে কর্মরত ছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই মরহুম শেখ কামালের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সালমান রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপে ১৯৯৩ সাল থেকে সরকারি দায়িত্ব গ্রহণ পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলাম। শাইনপুকুর সিরামিক যে বোন-চায়নার জন্য সারা বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছে, সেই প্রযুক্তি জাপান থেকে আমিই এনেছিলাম। সালমান রহমানের প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার তিনবার সাক্ষাত্ হয়েছে, যা অবশ্য তার স্মরণে থাকার কথা নয়। প্রথমবার প্রবল বর্ষণের মধ্যে তিনি যখন সাভারে বেক্সিমকো ইন্ডািস্ট্রিয়াল পার্ক উদ্বোধন করেছিলেন, দ্বিতীয়বার ঢাকা বাণিজ্য মেলায় শাইনপুকুর সিরামিকের প্যাভিলিয়নে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী যখন পদধূলি দিয়েছিলেন এবং সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইংল্যান্ডের সুবিখ্যাত রয়্যাল ডলটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে শেখ হাসিনা যখন সদয় সাক্ষাত্কার প্রদান করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং এসএসএফের দলিল-দস্তাবেজ ঘাঁটলে এসব তথ্য পেয়ে যাওয়ার কথা। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের যেসব কর্মকর্তা গলদঘর্ম হয়ে আমার বিরুদ্ধে স্বপ্নেপ্রাপ্ত অভিযোগপত্রটি তৈরি করেছেন, তারাও নিশ্চয়ই এসব তথ্য ভালোভাবেই জানেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অনুজপ্রতিম উপদেষ্টার প্রতিষ্ঠান থেকে এনে খালেদা জিয়া আমাকে বিনিয়োগ বোর্ডের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, এটা পরিষ্কার করে উল্লেখ করতে সম্ভবত তারা লজ্জা পেয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে প্রণীত প্রতিবেদনের এক স্থানে বলা হয়েছে১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সালমান রহমানের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে আমি নাকি ছিলাম। সালমান রহমান ১৯৯১ সালে নয়, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন এবং সেই নির্বাচনের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্কই ছিল না। আর ১৯৯১ সালে সালমান রহমানের সঙ্গে আমার পরিচয়ই হয়নি। সেই সময় যুক্তরাজ্যের বহুজাতিক কোম্পানি ডানকান ব্রাদার্সের পরিচালক পদে চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলাম। বর্তমান সরকার মিথ্যাচারের আর কোনো সীমা রাখবে না বলেই মনে হচ্ছে।

যাই হোক, মুন্নু সিরামিক থেকে ১৯৮৯ সালে পদত্যাগ করে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান ডানকান ব্রাদার্সে আমার পরিচালক পদে চাকরির কথা দেশের বেসরকারি খাতের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ মোটামুটি অবগত আছেন। মুন্নু শিল্প গোষ্ঠীতেও ইঞ্জিনিয়ার নয়, মার্কেটিং এবং অপারেশনস্-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক পদেই চাকরি করেছি। আরও একটি কথা। বিনিয়োগ বোর্ড, প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড, এসএমই ফাউন্ডেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান সুচারুরূপে পরিচালনার স্বার্থে সাবেক আমলা নয়, আমার ব্যক্তিগত বিবেচনায় বেসরকারি খাতে সফলতা পাওয়া পেশাজীবীদেরই শীর্ষ পদে থাকা উচিত। বর্তমান সরকারও এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান পদে আমেরিকান চেম্বারের সাবেক সভাপতি আফতাবুল ইসলামকে নিয়োগ দিয়ে সঠিক কাজ করেছে। এছাড়াও সরকারের অন্যান্য পদেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসরকারি খাতের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। জোট সরকারের আমলে আমার নিয়োগ নিয়ে এখন প্রশ্ন তুললে, একই অপরাধে বর্তমান সরকারপ্রধানকেও কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

তৃতীয় অভিযোগ অর্থাত্ বিনিয়োগ বোর্ডের কোনো এক জরিপ কাজে বিলম্ব হওয়াকে যদি দুর্নীতি আখ্যা দেয়া হয় তাহলে স্বাধীনতার পর থেকে দায়িত্ব পালনরত রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই তদন্ত করতে হবে। বাংলাদেশের একশ ভাগ প্রকল্প অথবা তদন্ত রিপোর্ট অথবা জরিপ কার্য সম্পাদনে কোনো না কোনো পর্যায়ে বিলম্ব হয়েই থাকে। পাঠকের আরও অবগত হওয়া দরকার যে, বিনিয়োগ বোর্ডে আমার দায়িত্ব পালনের আগে বিনিয়োগ সংক্রান্ত জরিপের কোনো পদ্ধতি প্রতিষ্ঠানটিতে ছিলই না। সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ পরিমাপের জরিপ পদ্ধতি প্রথমবারের মতো সেখানে চালু করায় জাতিসংঘভুক্ত প্রতিষ্ঠান আঙ্কটাড (টঘঈঞঅউ) বিনিয়োগ বোর্ডের প্রশংসা করে তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে বিশেষ বক্স রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। ২০০২ এবং ২০০৩ সালের ডড়ত্ষফ ওহাবংঃসবহঃ জবঢ়ড়ত্ঃ-এ বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের এই কাজের স্বীকৃতি পাওয়া যাবে। এই জরিপ পদ্ধতি চালু করার ফলেই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিনিয়োগ বোর্ডের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগের প্রকৃত পরিমাণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিতর্ক অনেকাংশে অবসান হয়েছিল। আমার দায়িত্ব গ্রহণের আগে বিনিয়োগ রেজিস্ট্রেশনকেই প্রকৃত বিনিয়োগ হিসেবে দেখানোর একটি সম্পূর্ণ ভুল পদ্ধতি বিনিয়োগ বোর্ডে চালু ছিল। এ ধরনের জরিপ কাজ আমার সময়ে একাধিকবার সম্পন্ন করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, কোনো একটি জরিপ কাজে কয়েক মাস বিলম্ব যদি হয়েও থাকে তবে তার সঙ্গে দুর্নীতির যে কোনো সম্পর্ক নেই, এই সামান্য বিষয়টি যে কর্মকর্তা বোঝেন না তার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় তো দূরের কথা, সরকারের কোথাও চাকরি করার ন্যূনতম যোগ্যতা নেই। আরও একটি তথ্য প্রদান করা আবশ্যক বিবেচনা করছি। বর্তমান সরকার যে ই-গভর্নেন্স নিয়ে এত মাতামাতি করেন, তার প্রথম সফল প্রয়োগ বিনিয়োগ বোর্ডে আমার দায়িত্ব পালনকালীন সময়েই হয়েছিল।

তৃতীয় অভিযোগ ফুলবাড়ী কয়লাখনি সংক্রান্ত। প্রথমেই বলে রাখা ভালো, পত্রে বর্ণিত ফুলবাড়ীয়া নামক কোনো কয়লাখনির অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই। অভিযোগকারী কর্মকর্তা সম্ভবত ফুলবাড়ীকে ফুলবাড়ীয়া উল্লেখ করেছেন। এশিয়া এনার্জি নামক অস্ট্রেলীয় প্রতিষ্ঠানকে মাত্র ৬ শতাংশ রয়্যালটির বিনিময়ে অবাধে কয়লা রফতানির সুযোগ দিয়ে চুক্তি সম্পাদন করা হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২ তারিখে; যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সেই সময় বর্তমানে বহুল আলোচিত জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী জ্বালানি সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জ্বালানি উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে আমিই সর্বপ্রথম মাত্র ৬ শতাংশ রয়্যালটি এবং অবাধ রফতানির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করি। কেবল তাই নয়, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এশিয়া এনার্জির সঙ্গে জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি সম্পাদনে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলেও মন্তব্য করি। এশিয়া এনার্জি এবং তার আগে বিএইচপির সঙ্গে সরকারের ফুলবাড়ী কয়লাখনি সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের কোনো পর্যায়ে আমি কখনও যুক্ত ছিলাম না। এশিয়া এনার্জির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তিতে কোনো দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার সব দায়-দায়িত্ব বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের চুক্তিকালীন মন্ত্রী-সচিবদের ওপর সন্দেহাতীতভাবে বর্তায়। সেই তদন্ত করার সাহস বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আছে কিনা, সেটি দেখার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি।

কেবল ফুলবাড়ী কয়লাখনির তদন্তই বা কেন? আমি তো চাই, মাগুরছড়া অগ্নিকাণ্ডে রাষ্ট্রের বিপুল ক্ষতি হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশি গ্যাস কোম্পানিকে অন্যায়ভাবে যে ছাড় দিয়েছিলেন, তারও তদন্ত হোক। বিনা টেন্ডারে নাইকোকে কেমন করে গ্যাসক্ষেত্র ইজারা দেয়া হয়েছিল, তারও তদন্ত হোক। মাত্র কদিন আগে শেভরনকে বিনা দরপত্রে যে ৩৭০ কোটি টাকার কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে, সেটিরও তদন্ত হওয়া আবশ্যক। এই লেখার মাধ্যমে আমি এসব তদন্তের জন্য দলনিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গণতদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানাচ্ছি। সেই তদন্তে সব তথ্য-প্রমাণসহ হাজির হওয়ার প্রতিশ্রুতি এখনই দিচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার জ্বালানি উপদেষ্টার সেখানে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দেয়ার সত্সাহস আছে তো?

পরবর্তী অভিযোগটি দায়েরের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিশেষ শক্তিসম্পন্ন মাদক সেবন করে নিয়েছিলেন বলেই আমার নিশ্চিত বিশ্বাস। ফিরোজা মাহমুদ আমার স্ত্রী এবং একসময় তার ক্ল্যাসিক মেলামাইন নামে একটি মেলামাইন কারখানা ছিল, এটুকু সত্য। তবে জনতা ব্যাংক থেকে কস্মিনকালে একটি টাকা ঋণও যে সেই মেলামাইন কারখানাটি গ্রহণ করেনি, তার হলফনামা এই লেখার মাধ্যমেই দেশবাসীকে দিলাম। যেহেতু, কোনো ঋণই গ্রহণ করা হয়নি, কাজেই ঋণ পুনঃতফশিলিকরণের প্রশ্নই ওঠে না। ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ হয়ে নীতিনির্ধারকরা হয়তো ভাবছেন এই ক্ষমতা চিরস্থায়ী। ইতিহাস থেকে ফ্যাসিবাদী শাসকরা কোনো শিক্ষাই সচরাচর গ্রহণ করেন না। তবে, আল্লাহ্ চাইলে এসব নির্লজ্জ মিথ্যা অভিযোগ তুলে হয়রানি করার অপরাধের জবাব একদিন তাদের নিশ্চয়ই দিতে হবে। ভালো কথা, এই মেলামাইন কোম্পানিটি এখন আর আমাদের নেই। দীর্ঘদিন আগে সেটি পুরনো ঢাকার এক ব্যবসায়ী কিনে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী জেনে আনন্দিত হবেন, ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে তারই আন্দোলনের ফসল তত্ত্বাবধায়ক সরকার সৃষ্ট শত বাধা ও নানাবিধ সমস্যা মোকাবিলা করে স্বল্প সময়ের মধ্যে রফতানিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ বর্তমানে আর্টিজান সিরামিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজা মাহমুদকে সরকার সিআইপি নির্বাচিত করেছে।

[সুত্র, আমারদেশ, ০৮/০২/২০১০]
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MahmudurRahman
পাঠকের মন্তব্য:
চট্টগ্রাম থেকে আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ০৬:৪৭
যেমন কুকুর তেমন মুগুর না হলে তো আর চলে না! হে বীর পুরুষ, সশ্রদ্ধ সালাম তোমায়।
7982
United Kingdom থেকে M Iqbal লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ০৮:০৯
Wait and see ...... Do'nt worry .....
I think Awamiligue can change day by changing our border............The people of Bangladesh never forget the cruel ruling of Awamiligue after liberation
7988
বাহরাইন থেকে শাহ আলম লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ১১:০৩
আমার িবশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে আওয়ামীলীগে িববেকবান কোন মানুষ আছে িকনা? েদখতে মানুষের মত হলেও এরা আসলে মানুষ কিনা? এ প্রসঙ্গে আমি একটি সত্যি ঘটনা পাঠকের সামনে েপশ করছি: আমার সােথ খুব ভাল সম্পর্ক এবং আমাকে বড় ভাই িহসাবে শ্রদ্ধাও করে এমন একজন আওয়ামী সমর্থককে আিম সৈয়দ আশরাফের অমানুষ সর্ম্পকিত বক্তব্য বর্ননা করে জানতে চাইলাম ভাইজান বলেনতো এব্যপাের আপনার মন্তব্য কি? আমােক তিনি সরাসরি কোন জবান না দিয়ে বললেন এর ব্যাকগ্রাউন্ড কি সেটা আগে জানতে হবে। কোন পরিপেক্ষিতে এ কথা বলা হয়েছে? আমি চুপ হয়ে গেলাম। এরই দু'দিন পর আমি কৌশলে অন্যের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে অমানুষ হিসাবে মন্তব্য করায় উনি ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বললেন কোন অবস্থােতই একজন জাতীয় নেত্রীকে অমানুষ বলা উচিত নয়। এর পর আওয়ামী সমর্থক সম্পর্কে আর কি বলা যায়?
7990
newyork থেকে faruq azam লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ১১:১২
brother I pray to allah for your saifty and carrage. may allah help you.
7991
রিয়াদ থেকে সাঈদ আহমদ লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; দুপুর ০১:৪৪
"পরবর্তী অভিযোগটি দায়েরের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিশেষ শক্তিসম্পন্ন মাদক সেবন করে নিয়েছিলেন বলেই আমার নিশ্চিত বিশ্বাস।" হাহ...হাহ...হাহ......... আমার মনে হয় পুরা BAL সরকারই এই মাদকটি সেবন করেছে, যেভাবে হাছিনা আর তার মন্ত্রী, নেতাদের মুখ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সারাদেশে............তাতে তাই মনে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম থেকে আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব লিখেছেন,
যেমন কুকুর তেমন মুগুর না হলে তো আর চলে না! হে বীর পুরুষ, সশ্রদ্ধ সালাম তোমায়।
সহমত......
সশ্রদ্ধ সালাম তুমায় হে বীর পুরুষ।
7999
Motijheel C/A Dhaka থেকে Amzad H K Chowdhury লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; দুপুর ০১:৫৬
Mr, I pray to allah for your safety . may allah help you.
You are really Great.
8001
Uttara থেকে SAeeF লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; দুপুর ০২:০৭
Honesty is the Best policy but would u please tell me how can we measure the standard of the honesty....whether all of us are now showing the compromising behavior.... ...Go ahead soldier ...we are always with you if stay on truth...
8002
দাম্মাম, সৌদি আরব থেকে আরমান লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; দুপুর ০২:০৯
আমার মতে বাংলাদেশে কিছু সত ও মহৎ ব্যাক্তি যদি থেকে থাকে জনাব মাহমুদুর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম তাই তিনি আওয়ামিলীগের যম।
8003
চট্টগ্রাম বিশশবিদ্যালয় থেকে আরিফ ভুইয়া, লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; দুপুর ০২:১৫
স্যার
আপনার একেকটা শব্দ যেন একেকটা অগ্নিপিন্ড যা আমার কানে, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আমাকে তথা সমগ্র জাতিকে তীব্র বিদ্রোহের বার্তা নিয়ে আসে, এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের জন্য আপনার এই লেখনিই যথেষ্ট, আন্দোলনের কোনো দরকার নাই। আপনার লেখার মাধ্যমে আমরা আমাদের পরবতী দিক নির্দেশনা খুঁজে নেব।
8004
১০
দাম্মাম, সৌদি আরব থেকে আরমান লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; দুপুর ০২:১৭
আমার মতে বাংলাদেশে কিছু সত ও মহত ব্যাক্তি যদি থেকে থাকে জনাব মাহমুদুর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম তাই তিনি আওয়ামিলীগের যম।
8005
১১
টাঙ্গাইল থেকে সবুজ মিয়া লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; বিকেল ০৪:০৮
অনেক সুন্দর লেখা হয়েছে। অসভ্যদের বিরুদ্ধে উচিত জবাব। সালাম এন্ড সালাম।
8012
১২
Bahrain থেকে Mohammad Mostafa লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; বিকেল ০৫:৩০
Bakshali's are like foxes I have ever seen in my boyhood in the village. When a fox used to bark from the north corner of the field in the village then the rest would start barking from the north to the south, "hukka hua, hukka hua". I believe this is the correct example of Awamis with a rare exception.
8016
১৩
Dhaka থেকে jalil লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; বিকেল ০৫:৩৯
Dear,
Asslamu alikum. always speak the truth as a Tiger. may Allah help you.Future is bloom.
8017
১৪
melbourne থেকে rita লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:২৭
If BAL leaders keep going like this, nation will throw them to the rubbish bin very soon.........May ALLAH help Mr. M. Rahman.
8019
১৫
ইতালী থেকে ডাঃ আবুল হাসেম লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৩০
মাহমুদুর রহমান আপনার জন্য আমাদের দোয়া আল্লাহ আপনাকে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার শক্তি দান করুন এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আমার মনে পড়ে ১৯৭২-১৯৭৫ আওয়ামী লীগের অত্যাচার আর নির্যাতনের জাবাবে একটি কথা বলত হে আমাদের প্রভু এই জালিম অধ্যুষিত এলাকা হতে আমাদেরকে বাহির করে নাও অথবা তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য কোন সাহায্য কারী বন্ধু প্রেরণ কর। আজকের দিনেও লাঞ্চিত মানুষের হৃদয়ের আর্তনাথ অনুরুপ ।।
8021
১৬
আবুধাবী থেকে নজরুল ইসলাম টিপু। লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১৮
জনাব মাহমুদুর রহমান, আপনাকে সু-স্বাগতম। গতকালই আমি আপনার বিরুদ্ধে সবকটি প্রশ্ন মনোযোগ সহকারে পড়েছি, একদিন পরই আপনি নিজেই তার সবকটির উত্তর জানালেন। সরকার কিছু করতে যাবার আগেই আপনি আপনার পক্ষ হতে ব্যাখা দেওয়াতে আপনাকে আবারো অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমার কাছে মনে হয়েছে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে মগুর মারা হয়েছে।
ভদ্রতাবোধ যথেষ্ট পরিমানে ঝূড়িতে থাকলে কেউ আওয়ামীলীগ করতে পারেনা। আওয়ামী নেতা হওয়ার মানদন্ডই হল অভদ্রতা। আমরা যাদেরকে ইতিমধ্যে চিনে ফেলেছি তাদের কথা বাদ, যাদের চিনতে পারিনি তারাও এই রোগ থেকে উত্তীর্ণ নয়। আওয়ামী নেতা তিনি কোন দেশে থাকেন এটা বিবেচ্য বিষয় নয়, নির্বাচিত প্রতিটি ব্যক্তিরই ঐ যোগ্যতা থাকতে হবে। অনেকের কাছে এটা একটা বদগুন হলেও তাদের কাছে এটা রাজনৈতিক দক্ষতা। এটা আওয়ামীলীগের প্রতি আমার কোন গোস্বা নয়, তাদের বৈশিষ্ট মাত্র। তারা যে ম্যকিয়াভেলীর তত্বতে বিশ্বাস করে নিরেট শঠ ব্যক্তি না হলে ম্যকিয়াভেলীর যোগ্য উত্তর সুরী হওয়া সম্ভব নয়। মিথ্যাবাদী ব্যক্তি ছাড়া গোয়েবলসয় চাতুর্য কার্যকর করা যায়না। তাই তারা বুঝে চিন্তে এমন কদাকার, নোংরা কথার বেসাতী ছড়ায়। তারা জেনে বুঝেই মৌলভী ব্যক্তির ঘরের সামনে দলের কর্মীদের নগ্ন দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন, যাতে কেউ ভোট দিতে না যায়। ভীত হবার কিছু নাই সৎ ব্যক্তিদের জন্য, আল্লাই বলেছেন মিথ্যার উপর সত্যের বিজয় হবে।
8024
১৭
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে মোহাম্মদ নোমান লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৫৭
জনাব মাহমুদুর রহমান সাহেব, তথ্যমন্ত্রী বলছে মিডিয়ার উপর তাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নাই সাথে সাথে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার জন্যও আহ্বান করেছে। একবার টকশোতে দেখলাম মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান সাহেব নূরুল কবির সাহেবের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন তিনি সেল্ফ সেন্সর করেন তাহলে বুঝা যায় সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সরকারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। আরও একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, "টকশো" উপস্থাপকেরা নিজে যেই দল দর্শনের অনুসারী টকশোতে আমন্ত্রণ করার সময় সরকারের দালাল হিসাবে চিহ্নিত ঐ সমস্ত সম্পাদক কে আমন্ত্রণ করিয়া থাকে। আমি বিশেষ করে বৈশাখী চ্যানেলের কথা বলছি এই চ্যানেলে যে সমস্ত সম্পাদক অংশগ্রহণ করে আমার বিশ্বাস মতে তারা মেরুদন্ডহীন সম্পাদক। পত্রিকার সম্পাদকেরা যখন সরকারের দালাল হয়ে যায় তখন তারা নিজেকে গনমাধ্যম কর্মী হিসাবে পরিচয় দেয় কিভাবে?
বর্তমানে সরকার গরীবদেরকে নিম্ন মূল্যে চাউল দিচ্ছে, নিম্ন মূল্য মানে ২২ টাকা তাহলে বাজারে চাউলের দাম কত? তাছাড়া গরীবেরা কি শুধু ঢাকা শহরে বাস করে? গ্রামে কি গরীব নাই? মানুষ কি শুধু চাউল খাইয়া বাঁচে? শহরের গরীবেরা হয়ত হকারী করে জীবন নির্বাহ করতে পারে কিন্তু গ্রামের গরীবেরা? সরকারী দলের নেতা, মহানেতা, মন্ত্রীরা না হয় পিঠ বাঁচাবার জন্য চাপাবাজী করে, ক্ষমতায় আছে তাই ধাপট দেখায়। (একটি মন্তব্য করি সরকারের নেতা এমপি মন্ত্রীরা নিজেদের কেডার ও পুলিশ বাহীনি ব্যতিরেকে গ্রামে গিয়ে চাঁপাবাজী করুক দেখবেন গ্রামের গরীবেরা ঐ নেতা এমপি মন্ত্রীকে উলঙ্গ করে পোড়া লাল বেত দিয়ে পাঁচায় পিটাবে, পরীক্ষা করে দেখুন) আমার বুঝতে কষ্ট হয় যে গনমাধ্যম কর্মীরা কেন টকশোতে বসে চাঁপাবাজী করে। আমরা আশা করতে চাই সরকার কথা কম বলে কাজ বেশী করবে, কোন ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে সেই ব্যর্থতা শিকার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। নেতা এমপি মন্ত্রীরা প্রয়োজনের বাহিরে কথা বলে তাই সাধারণ মানুষ সরকারের উপর ক্ষেপে আছে। সরকার এইটি ভালভাবে জানে, জনরোষ থেকে বাঁচার জন্য কিছু দালাদ সংবাদপত্র ও সাংবাদিক, সম্পাদক দিয়ে চাঁপাবাজী করায়। সরকার চাইবে বিরোধী দলকে কোন না কোন ভাবে দমিয়ে রাখতে, বিরোধী দলের কর্মী, সমর্থক, শুভানুদ্ধায়ীকে নানা ভাবে হয়রানি করতে, কিন্তু বাংলদেশের ইতিহাসে কখনও প্রকৃত গনমাধ্যমকে দমিয়ে রাখতে পারে নাই ইনশাআল্লাহ পারবেও না। তবে হেঁ, ঐ চাঁপাবাজ সংবাদপত্র, সাংবাদিক, সম্পাদক ব্যতিরেকে এরা মৌসমী গনমাধ্যম কর্মী। আমি নিশ্চিত ভাবে বলব, যেই সমস্ত সংবাদপত্রে সরকারর সমালোচনা করা হয় বাজারে ঐ সংবাদপত্রের চাহিদা অন্যন্যদের তুলনায় ৪০% বেশী এবং এর পাঠক শ্রেনী হইল সরকার পক্ষের লোকেরা। আমার এলায় একজন হকার আছে তার কাছে অন্যন্য সকল সংবাদপত্র থেকে যায় আর "আমারদেশ" পত্রিকার জন্য আগের দিন অর্ডার দিয়ে রাখতে হয়। বিশ্বাস করবেন? ঐ এলাকার ১৭ হাজার ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ সবসময় ১৩ হাজারের উর্ধে ভোট পেয়ে থাকে আর ওখানে "আমারদেশ" পত্রিকার চাহিদা সবচাইতে বেশী। আমি জনাব মাহমুদুর রহমানকে এই জরিপের আলোকে বলব সারা দেশের মানুষ আপনার পত্রিকার সাথে রয়েছে, আপনার সাথে রয়েছে। ধন্যবাদ
8030
১৮
রিয়াদ, সাউদী আরব থেকে হাফেজ মোহাম্মাদ শাহাদাত হুসাইন লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০৮:০৯
ফখরুদ্দীন আর জেনারেল মঈন সাহেব দেশের জন্য কিছু করতে না পারলে ও মাহমুদুর রহমান এর মত সাহসী লেখক তৈরী করে গেছেন অন্তত এর জন্য তাদেরকে একটা ধন্যবাদ দেওয়া যেতে পারে, মাহমুদ স্যারকে বলবো আপনী আপনার সাহসী কলম চালিয়ে যান, কারো রক্ত চক্ষুকে ভয় পাবেননা। সত্যের পক্ষে ন্যায়ের পক্ষে লিখে চলুন হামলা-মামলাকে ভয় পাবেননা, মনে রাখবেন সত্যের কোন মৃত্যু নেই, নেই কোন পরাজয়, সত্যের হবেই জয় ।
8032
১৯
ইউরোপ থেকে কায়েস লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০৮:২৬
স্যার, আসসালামু আলাইকুম। ধন্যবাদ স্যার। আপনি আপনার সততা ও মেধার অপূর্ব সমন্বয় সাধন করে এগিয়ে যান। ইসলামকে সাথে নিয়ে আল্লাহর সাহায্যে সত্যের জয় হবে, ইনশাআল্লাহ। ভাল থাকবেন।
8035
২০
দুবাই থেকে আেনায়ার লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ১০:১১
আপনার লেখা তীরগুলো আমাদের হৃদয়ে এমনভাবে আঘাত হানে মনে হয় এখনই এই জালেম সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদে নেমে পড়ি। আমি আশা করব আপনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন লিখবেন। দোয়া করি আপনাকে মেজর জিয়ার মতো আদর্শীক দেশ গড়ার মানুষ হিসেবে আল্লাহ প্রস্তুত করুন।
8052
২১
Malaysia থেকে Mostofa Rabbani লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ১০:২৪
Really nice and polish answer to BAL governments alleged allegations against Mr. Mahmudur Rahman. Go ahead with your courageous article, In my first opening of internet in a day, i first read AMardesh newspaper, then open others...... so imagine how reliable i am on amardesh news
8053
২২
France থেকে johnny লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ১০:৪১
Now what can we do as a patriotic? I hope u tell us next article;
8059
২৩
U.S.A. থেকে Salim লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ১২:৫০
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রিমান্ডে নেয়া হলে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ও শেখ সেলিম উভয়েই তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছিলেন যে, শেখ হাসিনা হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক, এ সম্পদের বেশীর ভাগ তিনি বিদেশে তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে পুতুল ও বোন রেহানার নামে রেখেছেন। আমেরিকায় ছেলের নামে ব্যাংকে টাকা রাখা ছাড়াও বিপুল সম্পদ করেছেন, মেয়ের নামে ব্যাংকে টাকা রেখেছেন। এছাড়াও তার বোন রেহানার নামে লণ্ডনে বাড়ী গাড়ী ছাড়াও বিভিন্ন সম্পদ এবং ব্যাংক ব্যালেন্স আছে।
বার বার ঘুঘু তুমি
খেয়ে যাও ধান।
ওদেরকে শিক্ষা দাও
হে কলম সৈনিক মাহামুদুর রহমান।
ক'জনের চুরি লুকাইবে ওরা গায়ের
জোরে,ক্ষমতার জোরে ।
দেশের সমপদ করে চুরি
ওরা করে বাহাদুরী।
মুজিব,ফজিলত.হাছিনা,
কামাল,জামাল,রেহানা|
কে নহে ওরা চোর খুজি আমরা নীশি-ভোর।
ওরা ত সবাই খানদানী চোর।
মহাচোর হাছিনা 96এ ক্ষমতা দখল করার পর 17হাজার কোটি টাকা চুরি করে বাংলাদের ইতিহাসে মহাচোর হয়েছিল,মহাচোর হাছিনার ব্যপারে আপনার কোন লেখালেখি আজ পর্যন্ত দেখিনি|মহাচোরনী ও খুনী হাছিনার ও তার ছেলে মহাচোর জয়ের আসল মুখোশ খুলে দিন|পাঠকরা জানেন এখানে সামান্যতম মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া হয়নি।আওয়ামীলীগের এত সত্য কাহীনি চাপা আছে সেগুলো লিখতে গেলে আগামী ৫ বছর লাগবে, বেহুদা কেন মিথ্যার আশ্রয় নিতে হবে।মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের একনম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এবং প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক আমার দেশ-এর সম্পাদক জনাব মাহমুদুর রহমানকে দেখে নেয়ার হুমকি দিলেন|শেখ মজিব জীবিত থাকতেও মানুষের অত্যাচার নির্যাতন করেছিল।মহাঅত্যাচারী শেখ মজিব মরার পরও জাতীর কষ্টের কারন হয়ে আছে|তারদল ও তার মেয়ে মানুষকে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে যাচছে |এই আওয়ামীলীগকে আমরা চারবার ক্ষমতায় আসতে দেখেছি। একবার পাকিস্থান আমলে তিন বার বাংলাদেশ আমলে। প্রত্যেক বারই তারা দেশ ও দেশের জনগনকে চৌচির করে খাওয়ার মহাযজ্ঞে লিপ্ত ছিল। প্রতিবারই তারা এ কর্ম করেছে তাই জনগন তাদের পরপর দ্বিতীয়বার সুযোগ দেয়নি। এবারেও ঐতাহাসিক ভোট ডাকাতি নাহলে, তাদের সম্ভাবনা খুবই ম্রিয়মান ছিল। তারা বি, এন, পির দুর্নিতীর কথা বলে মাঠ গরম করতে চায় তবে আওয়ামীলিগে যে রাজ্যের ডাকাতদের জঠলা একথা লুকাতে তারা শরম পায়না। এই আওয়ামী ডাকাতদের তান্ডবের কারনে শেখ মুজিবের গগনচুম্বি জনপ্রিয়তা ধবংস হয়েছিল মুহুর্তের মধ্যে।ডাকাতিতে আওয়ামীরা অভ্যস্থ ছিল আমরা জানতাম, নতুন সমস্যা হল তারা এখন চুরি ডাকাতির রাজনীতির বানিজ্য শুরু করল।আওয়ামীদের একটা ধারনা কাজ করে, তাহল কাজে নয়, নামেই সকল পরিচয়|
আমরা আওয়ামী চোর ও হায়েনা বিরোধী।আমরা আওয়ামী নরপশুদেরকে ঘৃণা করি।খুনি হাছিনার কাছ থেকে নিরাপদ দুরত্বে থাকুন।
আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ সরকারের সকল নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।দেশবিরোধী কোন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না |১৫ আগস্ট '৭৫-এ হাইজ্যাকড হওয়া জাতিকে হাইজ্যাকারের হাত থেকে মুক্ত করা হয়েছিল।পৃথিবীর জঘন্যতম স্বৈরশাসক মুজিব ও তার পরিবার,আত্মীয়-স্বজনের লুট-সন্ত্রাস থেকে জাতি মুক্ত হয়েছিল।সিকিম হওয়া থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছিল।আজ আবার দেশকে হাসিনা সিকিম বানাতে যাচ্ছে|
সারা বিশ্বের ইতিহাসে যত দুর্ভিক্ষ উল্লেখযোগ্য তার মধ্যে বাংলাদেশের'৭৪-এর দুর্ভিক্ষ অন্যতম।যেটা খাদ্যাভাব নয়, লুটপাটের ফলে হয়েছিল।মাত্র ৭/৮ মিনিটে সংসদে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশালী স্বৈরাচার কায়েম করেছিল মুজিব ও তার দোসররা। সব পত্র-পত্রিকা নিষিদ্ধ করে বাকশালের লিফলেট করা হয়েছিল ৪টি পত্রিকাকে।নতুন প্রজম্ম যারা 72-75 ও 96-01 এর দিনগুলো দেখে নাই বা ছোট থাকার কারনে বুঝে নাই, তারা দেখুক বাল কি জিনিস? কিন্তু প্রশ্ন হল তা দেখার সুযোগ হবে কি না?, তার আগে লাশ হয়ে বাডি ফিরতে হবে বালের সন্তাস,বোমবাজি,ডাকাতি, রাহাজানি, ধরশন, খুন, অবিচার, প্রতিশোধ ও লুটপাটের কারনে....।
আওয়ামী চোরদের একটি সাংকেতিক ফরমুলা পাঠকদের জননো লিখলাম।১৯৯৬-২০০১ সাল এর অনেক প্রচলন ছিল।"মহারাজাফরেকা"(মুজিব,হাসিনা,রাসেল,জামাল,ফজিলত,রেহানা ও কামাল)এ নামে ওরা একটি লুটপাট সমিতি গড়ে তোলে এবং লুটপাট চালায়।
জলিলের জবানবন্দী অনুযায়ী শেখ হাসিনা নিজ হাতে উতকোচের টাকা নিতেন এবং তার মত করে রাখতেন। বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী তাকে বিদেশের ব্যাংক থেকে উতকোচ দিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।তার বক্তব্য অনুযায়ী চেকে নিলে সমস্যা হতে পারে এজন্য তিনি ঘুষের টাকা ব্যাগ, বস্তা বা সুটকেসে করে নিতেন। তিনি আরো বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি বেশীরভাগ ক্ষেত্রে গণভবনে টাকা নিতেন, পরে সুধা সদনে। জলিলের মতে আওয়ামী লীগের শাসনামলে একেকটি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে তিন কোটি টাকা দিতে হতো। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান মঞ্জুর ইলাহী শেখ হাসিনাকে তিন কোটি টাকা দিয়েছিলেন। একইভাবে ডাঃ ইকবালও শেখ হাসিনাকে তিন কোটি টাকা দিয়ে ব্যাংক খোলার অনুমতি সংগ্রহ করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন আবার বসুরা গ্রুপ শেখ হাসিনাকে প্রতিমাসে ১০ লাখ টাকা দিত বলে তিনি জানিয়েছেন। এ ছাড়াও তারা বসুরা সিটিতে তাকে এক বিঘার একটি প্লট উপহার দিয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এই প্লটটি শেখ হাসিনা শেখ রেহানার নামে করিয়ে নিয়েছেন। ''জয়ের সম্পদ ও দুর্নীতি থেকে এখন প্রমাণিত হচ্ছে যে, জলিল ও সেলিম যে জবাববন্দী দিয়েছিলেন তা মিথ্যে নয়। হয়তো এমন একদিন আসবে যে, প্রকৃত সত্য সবার সামনে উন্মোচিত হবে।হাসিনা হলে আওয়ামী জঙ্গিবাদের মহারানী। তার অধিনে আওয়ামী জঙ্গিবাহীনি বেপরোয়া চাঁদা আদায় করা শুরু করছে। কেউ কিছুই বলতে পারছে না। কিছু বললেই শূরু হয়ে যাচ্ছে অত্যাচার। এসব চাঁদার ভাগ পাচ্ছেন হাসিনা এবং বার বার আমেরিকাতে গিয়ে তার তনয় সজিব ওয়াজেদের কাছে দিয়ে আসছে। আওয়ামী জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠিন সংগ্রাম শূরু করতে হবে। দূর্নীতির বরপুত্র জয়ের পতন হবেই হবে।
8070
২৪
kushtia থেকে শাফাত লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০১:০৪
মাহমুদুর আর কত মিথ্যা বলবি?
8077
২৫
kushtia থেকে shafat লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০১:১৫
mahmudur rahman, you are a great lier.people should learn how to tell a lie from you.you have taken many privileges from khaleda zia.so, now you are trying to repay that.you are a bloddy dalal of tarek,khaleda and BNP.
8080
২৬
saudi arab.tabuk থেকে md:liton লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০১:২৭
স্যার, আসসালামু আলাইকুম। ধন্যবাদ স্যার। আপনি আপনার সততা ও মেধার অপূর্ব সমন্বয় সাধন করে এগিয়ে যান। ইসলামকে সাথে নিয়ে আল্লাহর সাহায্যে সত্যের জয় হবে, ইনশাআল্লাহ। ভাল থাকবেন।
8082
২৭
Riyadh থেকে Md. Abdul Matin লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০৩:১৮
Salutable argument. We encourage you to use your pen which is mighter than the sword. Truth can't be irrased by false-hood. True and real democratic characters never be afraid of constructive criticism. In AL's history it was never existed.
8096
২৮
ঢাকা থেকে সুশান্ত লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০৩:৪৬
সরকার বিরোধী পত্রিকাগুলোর মধ্যে আন্যতম হচ্ছে 'দৈনিক আমার দেশ', যার সম্পাদনায় রয়েছেন আপনি। বর্তমানে এই পত্রিকার পাঠক ফোরাম দেখলে মনে হয় এটা একটা যৌন পত্রিকা এবং মন্তব্যগুলো ভদ্রলোকেদের পড়ার যোগ্য নয়। ভদ্রলোকদের 'আমার দেশ' পড়ার জন্য দয়া করে পদক্ষেপ নিন।
8098
২৯
Toronto, Canada থেকে Ekjon লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০৩:৫৬
Dear Writer:

Thanks for the recent article. Please cover top to bottom of their lying leaders such as:

1. Honorable PM Hasina said after visit of Saudi Arabia that they will continue hiring Bangladeshi labor and will resume “Acama” transfer; that is her lie to the people through BAL journalist.

2. Honorable FM Dupu Moni said that Malaysia will accept 50 thousand workers for which they have taken deposit during the previous government; it is also false.

3. Honorable L&MM Mosharaf Hossain said after Libya visit; system has been changed for Bangladeshi, now more worker will be accepted under the present system; a misrepresentation to the people also.

So, what the general people could do? Top to Bottom (Hasina to Gaffar Chowdhury) are lying in the same way.
Ekjon, Toronto
8099
৩০
montreal. canada. থেকে nurul islam runu লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ০৭:৪৯
thank you for your couragous writting. please keep continueing to let bangladeshis know the real truth. lots of conspiracy are going on against people of bangladesh, our true religion, our culture and heritage. we are a nation of 150 millions people ,this manpower will guard bangladesh from any evil country and evil doers.in this moment, we need some patriots like mahmudur rahman. may allah help you. to mr. shafat, you people, are so arrogant, so absurd comment upon mahmudur rahman, are you able to prove it. my advise is to you, read more to find the truth.
8102
৩১
montreal. canada. থেকে nurul islam runu লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ০৮:০৪
thank you for your courageous writing. please keep continuing to let Bangladeshis know the real truth. lots of conspiracy are going on against people of Bangladesh, our true religion, our culture and heritage. we are a nation of 150 millions people ,this manpower will guard Bangladesh from any evil country and evil doers.in this moment, we need some patriots like mahmudur rahman. may Allah help you. to mr. shafat, you people, are so arrogant, so absurd comment upon mahmudur rahman, are you able to prove it. my advise is to you, read more to find the truth.
8103
৩২
ঢাকা থেকে বাল Supporter লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ০৯:৪৩
হাসিনা রে হাসিনা তোর কথায় আর নাচি না তোর বাপের কথায় নাইচা দেশ টা গেসে ভাইসা।
8109
৩৩
CTG থেকে Abu লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; সকাল ১১:৪০
আল্লাহ আমাদেরকে আওয়ামীলীগ এবং মানুষ চিনার তাওফিক দিন।
8114
৩৪
Chittagong থেকে Karim লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ১০:৫৯
Sir Assalamualaikum. Allah apnake dirgojibi korun abong imani sokti besi besi dan korun. Apnar jonno khub voy hoy ai jalem sarkar apnake baste debe kina!
8128
৩৫
USA থেকে Afzal khan লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০১:১৮
Dear Mr. Mahmudur Rahamn,
There is no doubt in our mind that you already conquered the hearts and minds of Bangladeshi and definitely this a great blessing from Allah that your mother gave birth a brave son like you. We are very proud of your parents and you. We salute you and may Allah save you and protect you from all kind of evil power and people. Remember only Allah speaks the truth and HE likes who are with the truth. So, remember Allah is with you all the time. No body will be able to give life guarantee, there is always death after life and this process is very natural. Those who die for the truth are the heroes and those who die for the falsehood are the real culprits.
Those who are inventing lies against you and wanted to humiliate you , in fact they do not have any truth. They totally depend on falsehood. Deceiving people with lies and accusing people falsely is their norm and people of intellect knows about their character. Instead of Allah they depend on propaganda. But Allah warns us with severe warning, those who accuse others with false accusation hell fire will be their ultimate reward.. Please stay with the truth and never compromise with falsehood. Eventually truth will set every body free. NEVER COMPROMISE WITH NATIONAL INTEREST.
Our present ruler is drinking cool aid under the full protection of foreign power. In fact they do not have any support from the people of Bangladesh. Only support and protection they are getting from foreign power. Foreign power is their lord now.
They forgot real power belongs to only Allah. So stay with the truth. Never allow fear, derail you from your objective. YOUR OBJECTIVE IS TO EXPOSE ALL THE HIDDEN AGENDA OF ALL THE MIRJAFORS WORKING IN OUR COUNTRY.
8132
৩৬
ঢাকা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১০; বিকেল ০৪:৫২
"সততা" কি তা শেখ পরিবারের চৌদ্দপুরুষও জাননো।
8147
৩৭
লন্ডন থেকে ফজলুল করীম লিখেছেন, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১০; রাত ০২:০২
কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা- ''যারা নিন্দা করে তারা নিন্দাকে ভালোবাসে বলিয়াই করে, সত্যকে ভালোবাসে বলিয়া নয়। তাই যদি হইল তবে কোন একটি নিন্দা যে সত্য নয় তাহা প্রমান করিবার জন্য ছটফট করিয়া লাভ কী?'' হ্যা দাদু, তাতে হয়তো নিন্দুকের মুখ কিছুতেই বন্ধ হবেনা এটা ঠিক কিন্তু একটা লাভ হয়, সেটা হলো আমাদের মত সরলমনা লোকেরা বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি পায়। কুষ্টিয়ার শাফাতের মত বিবেক প্রতিবন্ধিদের সত্য কথা শুনলে জ্বালা-পোড়া শুরু হওয়াটাই স্বাভাবিক। মিথ্যা শুনতে যারা অভ্যস্ত, মিথ্যাতেই যারা তুষ্ট সত্য পেটে ঢুকলে তাদেরতো বদহজম হবেই; তাতে সত্যের গতি কখনো স্তিমিত হয়না। মাহমুদুর রহমানের মত একজন সত্যের সেনানী এমন লাখো মিথ্যুকের পতন ঘটানোর জন্য যথেষ্ট। আমি গর্বিত যে এমন একজন ব্যক্তিকে অন্তত একদিনের জন্যে হলেও শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলাম। ধন্যবাদ স্যার, সশ্রদ্ধ সালাম আপনাকে। প্রাণ খুলে দোয়া করি আপনার হাত যেন জাতির চুড়ান্ত মুক্তির দুয়ার খুেল দেয়।
9357
৩৮
রিয়াদ-কে,এস,এ থেকে আবু-মাহমুদ লিখেছেন, ১৯ এপ্রিল ২০১০; রাত ১১:১৫
সাবাস মাহমুদুর রহমান সাহেব,সাবাস।আওয়ামি লিগ সরকার যত কিছুই করুক,আপনার কিছুই করতে পারবেনা তারা।কারন,আপনার সততা আর সত সাহসের কাছে তারা পারাজিত।আর সত্য ও ন্যয়ের পথে যারা সংরাম করেন অবশ্যই আললাহ তাদের সাথেই আছেন।আর একটা কথা মনে রাখবেন, যারা অত্যাচারি আর জুলুমবাজ তারা কখনই সত্যের মুখোমুখি হতে পারবেনা।এই সরকার নি:সনদেহে ইতিমধ্যেই পরমান করেছে, তারা অত্যাচার আর জুলুমে ও সেনচুরি করেছে।দেশের মানুষ তাদের এই অত্যাচারের হাত থেকে বাচার পথ খুজছে।আর তাই এই মুহুরতে আপনার তথ্যবহুল,বলিশঠ এবং সাহসি লিখাগুলোর মধ্যেই বাংলার মানুষ খুজে পাবে পথের দিশা, নি:সনদেহে।আমরা আপনার দিরঘায়ু জিবন কামনা করছি।আললাহ যেন আপনাকে সব বিপদ থেকে হেফাজত করেন,আমিন।
14337
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2010. E-mail: editor@sonarbangladesh.com.