|
বিশ্বাসঘাতকদের তালিকায় নতুন নাম
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী |
|
সদ্য অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় আনার ব্যাপারে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে এখন আর সন্দেহের কোনো অবকাশ থাকছে না। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, সংবিধান লঙ্ঘন করে, একটি অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সামনে রেখে জেনারেল মইন কার্যত দেশের নিয়ন্ত্রণ দখল করেন। এসব অপরাধের জন্য তিনি যখন অভিযু্ক্ত ও ঘৃণিত, সেখানে সরকার তার অবসরোত্তর সময়ে তাকে পুরস্কৃত করার চিন্তাভাবনা করছে। ধারণা করা হয়েছিল, এসব অপরাধের জন্য জেনারেল মইনকে বিচারের সম্মুখীন করা হবে। আবার কেউ কেউ এমনো বলেছিলেন, বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় আনার পুরস্কার হিসেবে সেনাবাহিনীপ্রধান হিসেবে জেনারেল মইনের চাকরির মেয়াদ বর্তমান সরকার কমপক্ষে আরো এক বছর বাড়িয়ে দেবে। আবার এমনো খবর ছিল, জেনারেল মইন ইউ আহমেদকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত অথবা নিউইয়র্ক অথবা জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে।
এখন সেসব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। সেনাবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে জেনারেল আবদুল মুবীন দায়িত্বভার নিয়েছেন। ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের জন্য সরকার একজন কূটনীতিকের নাম চূড়ান্ত করেছে। জাতিসঙ্ঘে স্থায়ী প্রতিনিধি নিয়োগের বিষয়টি এখনো উন্মুক্ত আছে এবং আওয়ামী লীগ ও সরকারের মুখপাত্র এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম খুব স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছেন, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। আর জেনারেল মইনের রাষ্ট্রদূত হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। তিনি চাইলে সরকার তা বিবেচনা করবে। ফলে আপাতত ধারণা করা যায়, তাকে রাষ্ট্রদূত করে পুরস্কৃত করার ইচ্ছা সরকারের এখনো আছে। যদিও বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে তার বিচার দাবি করা হচ্ছে, এমনকি আওয়ামী লীগের অনেক সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে বক্তৃতাকালে তার বিচার দাবি করেছেন। তা সত্ত্বেও তাকে যে শেষ পর্যন্ত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হচ্ছে না সেটা এখন খুব স্পষ্ট।
সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর বাংলাদেশবিরোধী চক্রান্তের অংশ হিসেবে দেশে এক-এগারোর ঘটনার আগে এক অসহনীয় অরাজক অবস্থার সৃষ্টি করা হয়। আওয়ামী লীগ ও তার অনুসারীরা এমন সব রাষ্ট্রঘাতী কর্মসূচি নেয়, যাতে গোটা দেশ প্রায় অচল হয়ে যায়। রাজপথ-রেলপথ অবরোধ, বন্দর অচল করে দেয়া, রফতানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পে অগ্নিসংযোগ, রাজপথে প্রকাশ্যে নিরীহ মানুষকে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা, এমনকি শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনের অক্সিজেন পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগ। সাধারণ মানুষের রুটি-রুজির পথ বন্ধ হয়ে যায়। রাজপথের মোড়ে মোড়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কুৎসামূলক অভিযোগ ও খিস্তিখেউর করে সভ্য মানুষের পথ চলাও দায় করে তুলেছিল আওয়ামী লীগ।
এই ষড়যন্ত্রের যাঁতাকলে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। ১৯৯৬ সালের সেনাবাহিনীপ্রধান নাসিম সামরিক অভ্যুৎত্থান করতে গেলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস মেরুদণ্ডের যে জোর দেখিয়েছিলেন সে তুলনায় ইয়াজউদ্দিন ছিলেন এক মেরুদণ্ডহীন প্রাণী। ফলে এসব সন্ত্রাস-বিশৃঙ্খলা দূরীকরণের ক্ষেত্রে তিনি কোনো দৃঢ় ভূমিকাই রাখতে পারেননি। ফলে দেশে ১৫ বছরের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার অবসান ঘটিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করে বন্দুকের নলের মুখে রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করিয়ে ক্ষমতা দখল করে নিয়েছিলেন জেনারেল মইন ইউ আহমেদ। আর সাক্ষীগোপাল হিসেবে ‘বিশ্বব্যাংকের এক কেরানি’ ড. ফখরুদ্দীন আহমদকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ করেছিলেন। এই ‘কেরানির’ চাকরিজীবনের উত্থান এবং তাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ করেছিল বিএনপি সরকারই। প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেয়ার আগে সংবিধান অনুযায়ী তার নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর একটা সমঝোতার প্রয়োজন ছিল। আওয়ামী লীগের সাথে তার কী সমঝোতা হয়েছিল সেটা আমাদের কারো জানা নেই। কিন্তু তার নিয়োগ গ্রহণের আগে তিনি যে বিএনপি’র সাথে কোনোরূপ কথা বলারই প্রয়োজনবোধ করেননি, সেটা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট করেছেন। তার উপদেষ্টা পরিষদে যারা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাদের বেশির ভাগই ছিলেন এই ‘ভদ্রলোকের’ কাছে আত্মীয় এবং বিএনপি সরকারের আমলের বিশেষ সুবিধাভোগী। যখন এই সাক্ষীগোপাল ফখরুদ্দীন ক্ষমতা গ্রহণ করেন, তখন পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে জেনারেল মইনের দাসানুদাস হিসেবে জেহাদ ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু নিজেই তার উপদেষ্টামণ্ডলীতে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম পরিবারতন্ত্র কায়েম করেছিলেন। আবার তিনি যাদের উপদেষ্টামণ্ডলীতে নিয়োগ দিয়েছিলেন তাদের বেশির ভাগই ছিলেন বিএনপি সরকারের সুবিধাভোগী। এখন দেখা যাচ্ছে, বিএনপি সরকার এমন সব লোককে সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদে আসীন করেছিল যারা সবাই চরম বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়েছেন। জেনারেল মইন ইউ আহমেদও তেমনি এক বিশ্বাসঘাতকের নাম। বাংলাদেশের ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে মীরজাফরদের তালিকায় জেনারেল মইনের নামও সংযোজিত হলো।
শেখ হাসিনাই সম্ভবত জেনারেল মইনকে সঠিকভাবে চিনতে পেরেছিলেন। তিনি সম্ভবত বুঝতে পেরেছিলেন কোনো না কোনো সময় জেনারেল মইন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন। বেগম খালেদা জিয়ার আমলে ১৯৯৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি কর্নেল র্যাঙ্ক পান। ১৯৯৫ সালের ১৯ অক্টোবর জেনারেল মইন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পান এবং তাকে সাভারের পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডারের দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৯৬ সালের ১৫ জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তাকে সৈয়দপুরের ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে বদলি করা হয়। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ আমলে তার আর কোনো পদোন্নতি হয়নি এবং ঢাকায়ও কোনো পোস্টিং হয়নি। ২০০০ সালে তাকে পাকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাসে সামরিক উপদেষ্টা পদে বদলি করে দেয় শেখ হাসিনা সরকার। এ ধরনের ‘ডাম্পিং পোস্টিং’কে শাস্তিমূলক বদলি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জেনারেল মইন তার শান্তির স্বপ্নে সময়ের স্মৃতিচারণ বইয়ে এই বদলি সম্পর্কেই লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে আমার পোস্টিং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার আলোকবর্তিকার চেয়ে আমার পথের শেষ বিন্দুকেই প্রকটভাবে নির্দেশ করে।’ অর্থাৎ তিনি তখন ভেবেছিলেন, সেনাবাহিনীতে তার আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
কিন্তু ২০০১ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এলে তার ভাগ্য খুলে যায়। ২০০১ সালের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই তাকে মাস্টার জেনারেল অব অর্ডিন্যান্স হিসেবে বদলি করা হয়। তিনি তার বইয়ে লিখেছেন, ‘আমার সামরিক জীবনে আবার হঠাৎ করেই সম্ভাবনার আলো দেখা গেল। ২০০২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে ফিরে এলাম।’ পাকিস্তান থেকে ফেরার তিন মাস পরই তিনি মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০২ সালের ২৫ মার্চ যোগ দেন ময়মনসিংহের জিওসি হিসেবে। ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার তাকে চট্টগ্রামের জিওসি পদে নিয়োগ দেয়। ২০০৪ সালের জুলাইতে ঢাকায় চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০৫ সালের ৬ জুন তাকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগের কথা জানিয়ে দেয়া হয়। এভাবেই একজন পরিত্যক্ত সেনাকর্মকর্তাকে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে প্রতিষ্ঠিত করে।
যদিও এ কথা ঠিক যে, বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে কুমন্ত্রণা দানকারীদের প্রভাবে এমন সব বিশ্বাসঘাতকদেরই শনৈঃশনৈ উন্নতি হয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভুল লোকেরা পুরস্কৃত হয়েছেন। জেনারেল মইন তার নিকৃষ্টতম উদাহরণ।
জেনারেল মইন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসার পরপরই শেখ হাসিনা তাকে দু’হাত বাড়িয়ে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বলেছেন, এই সরকার যা কিছু করবে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে তাদের সব কাজের বৈধতা দেবে। কারণ ক্ষমতা গ্রহণ করেই জেনারেল মইনের সমর্থিত সরকার বিএনপি’র মন্ত্রী, এমপি, নেতাকর্মীদের ওপর দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের প্ররোচনায় একেবারে হামলে পড়ে। দুর্নীতিমুক্ত করার নামে বা দুর্নীতিবাজ ধরার নামে বিএনপি’র মন্ত্রী-এমপিসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীকে পাইকারি হারে গ্রেফতার ও নির্যাতন শুরু করে। ফলে আওয়ামী লীগের ভেতরে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। তখন শেখ হাসিনা সম্ভবত মনে করেছিলেন, জেনারেল মইন ইউ আহমেদ বিএনপিকে ধ্বংস করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবেন। কিন্তু ক্ষমতার জন্য জেনারেল মইনের যে অপরিমেয় লোভ প্রাথমিকভাবে সেটা সম্ভবত তিনি উপলব্ধি করতে পারেননি। আর পারেননি বলেই অতি বেশি উল্লসিত হয়েছিলেন।
কিন্তু সময় যত যেতে থাকল ততই স্পষ্ট হয়ে উঠল, ক্ষমতার জন্য জেনারেল মইনের সে কী অপরিসীম লোভ! সে লোভের কারণেই তিনি রাজনীতি থেকে বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে বিতাড়নে সর্বশক্তি নিয়োগ করলেন। আওয়ামী লীগেরও অনেক নেতাকে আটক করে বন্দী অবস্থায় নির্যাতনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানা ধরনের কুৎসামূলক বক্তব্য বলিয়ে নিলেন এবং তা ক্যাসেট করে গণমাধ্যমে প্রচার করালেন। শিল্পপতি ব্যবসায়ীদের তাড়া করে হকার উচ্ছেদ, হাটবাজার, দোকানপাট ভেঙে দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়ার নিকৃষ্ট অপপ্রয়াস চালালেন। নতুন করে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে ঠেলে দিলেন দারিদ্র্যসীমার নিচে। আবার নির্বাচন দিতে হলেও কী কৌশলে ক্ষমতা তার হাতে রাখা যায় তার ফর্মুলা বলালেন সাক্ষীগোপাল ফখরুদ্দীনকে দিয়ে। আর ভারতকে তুষ্ট করার জন্য তিনি কী না করলেন? দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও নিরাপত্তা কোনো কিছু আমলে না নিয়ে শুধু তার ক্ষমতা পোক্ত করার জন্যই ভারতকে সব সুবিধা দেয়ার অঙ্গীকার করে বসলেন।
তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও চাপের কারণে তাকে শেষ পর্যন্ত একটা আপস ফর্মুলায় আসতেই হলো, তা হলো নির্বাচন হবে। সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারকে জিতিয়ে আনা হবে আর মহাজোট সরকার তাকে তিরস্কৃত তো করবেই না বরং পুরস্কারের ব্যবস্থা করবে।
সে ভিত্তিতেই দেশে ২৯ ডিসেম্বর, ২০০৮ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট এক অভাবনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয় লাভ করে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার মাত্র দেড় মাসের মাথায় যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে চায় তাদের ষড়যন্ত্রে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে ঘটল ৫৮ জন সেনাকর্মকর্তার নৃশংস হত্যাযজ্ঞ। বিডিআর গেছে। সেনাবাহিনী দুর্বল। সীমান্ত উন্মুক্ত। বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি, নিরাপত্তা বিপন্ন। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল মইনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।
সে রকম একটি পরিস্থিতিতে গত ১৫ জুন বিদায় নিয়েছেন জেনারেল মইন ইউ আহমেদ। এখন তার পুরস্কার গ্রহণের পালা। সরকার তাকে পুরস্কৃত করার প্রক্রিয়া চালালেও বিশ্বাস যে করেনি সে বিষয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। শেখ হাসিনা সত্যি সত্যি উপলব্ধি করেছেন, যে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে কুণ্ঠাবোধ করেনি, সে তার সাথেও যে বিশ্বাস ভঙ্গ করবে না এর গ্যারান্টি কোথায়। সম্ভবত এ কারণে সেনাবাহিনীপ্রধান হিসেবে তার চাকরির মেয়াদ আর বাড়াননি শেখ হাসিনা। তবে সম্ভবত ক্ষমতায় এনে দেয়ার জন্য কিছু না কিছু পুরস্কার তাকে তিনি দেবেন। সেটা ইংরেজরা মীরজাফরকেও দিয়েছিল।
লেখকঃ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক (সুত্র, নয়া দিগন্ত, ২০/০৬/২০০৯)
|
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/DrRezwanSiddiqui |
| |
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
| লেখক পরিচিতি |
| |
|
| |
| |
|
At the same time we have to know who are the out side player.
How come by over night they arranged care taker government team. Looks like the angel ( Care taker Government)) team is just waiting for the right time. As soon as referee ( From the sky) blew the whistle, they landed in the presidential house for oath. What a miracle.
My honest suggestion , some body has to do the research regarding all the care taker government advisers back ground. Why they left the country after their noble job.
Our political leaders must exercise their patience and emotion extreme level.
They have to educate themselves how to play politics.
They must stop playing dirty politics with the innocent peoples lives including countries sovereignty.
They should not involve any foreign power in the countries internal matter. They should stop begging mercy from them. They should not make rooms for the foreign powers to interfere in our internal business.
Top governmental officials should stop playing to much GOLF. If they want to play games , they should start playing cricket or foot ball in the open field..
When each and every political party leaders rush to foreign power for decision then just blaming one general will not solve our core problem. Yes , general has to face accountability, but is there any assurance that another general will not do the same , if we ignore the core problem.
Let us refresh our memory, in 2005, June 30th American ambassador Mr. Tomas made a statement in the Zia airport , before his departure " If two main political parties can not solve their disputes, then third power will come"
Care taker government was manufactured before 2005.
Our opposition political party was in deep sleep. What a first class politician and think tank we got.
Let us be honest. let us not fool ourselves. Time has come to change our way of thinking.
I am requesting , honest people do not hide yourself. Please do some thing for the mother land. Expose the evil plot and plan of the internal and external force. Please come up with the solution. let us organize ourselves for the sake of the national interest not for the foreign interest. Let us stop worshiping leaders and party. let us start worshiping only the idea and the truth. TRUTH WILL MAKE US FREE ONLY. NOT PARTY NOT THE LEADERS.