রবিবার, ২৩ মাঘ ১৪১৯; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:৪০ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
বাঙালি মুসলমানের বাংলাপ্রীতি (০১/০২/২০১২)
অভ্যুত্থান অপচেষ্টা অথবা অশান্তি সৃষ্টির অপপ্রয়াস (২৭/০১/২০১২)
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের কথকতা (২৩/১২/২০১১)
বাঙালির সংগ্রামে-সমরে বিদেশি গণমাধ্যম (১৪/১২/২০১১)
রাজনৈতিক দলকে কী বার্তা পাঠাল নারায়ণগঞ্জবাসী (০২/১১/২০১১)
দলের দোহাই শামীমের, নেত্রীর দোয়া আইভীর (২৪/১০/২০১১)
নারায়ণগঞ্জে গণভোট ও কমিশনের অগ্নিপরীক্ষা (১০/১০/২০১১)
চাওয়া-পাওয়ার হিসাব-নিকাশ (১৫/০৯/২০১১)
এদ্দিনে হ্যারা জাগছে (২৫/০৮/২০১১)
কতখানি ‘পবিত্র’ আমাদের সংবিধান (১১/০৮/২০১১)
রাষ্ট্রপতির ‘বৈপ্লবিক’ মার্জনা (০৪/০৮/২০১১)
গণপিটুনি নয়, গণহত্যা (২১/০৭/২০১১)
অসাম্প্রদায়িক সরকারের ধর্মাশ্রয়ী রাষ্ট্রনীতি (১৪/০৭/২০১১)
আরও ভালো নয়, আরও মন্দ চাই না (০৭/০৭/২০১১)
তত্ত্বাবধায়ক বিলুপ্তি নিয়ে বিচিত্র কথন (০৯/০৬/২০১১)
পা খোয়ানো লিমনকে নিয়ে সরকারের বিড়ম্বনা (২৬/০৫/২০১১)
বিএনপি-আওয়ামী লীগে কিছু মিল, অনেক গরমিল (০৫/০৫/২০১১)
সংবিধান সংশোধন নিয়ে অলীক ভাবনা (২৮/০৪/২০১১)
বাঙালিত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুর্ভাবনা (২১/০৪/২০১১)
লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন, তীরটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা (০৭/০৪/২০১১)
শজারু ওগরানো যায় না, গেলাও যায় না (২৪/০৩/২০১১)
স্বদেশে পূজ্যতেঃ রাজা, বিদ্বান সর্বত্র পূজ্যতেঃ (১৭/০৩/২০১১)
ষড়যন্ত্রকারীরা আশপাশেই আছে (১০/০২/২০১১)
বিচার বিভাগের ওপর সাঁড়াশি আক্রমণ (০৩/০২/২০১১)
একটি ‘মধ্যবর্তী নির্বাচন’ ও কমিশনের মূল্যায়ন (২০/০১/২০১১)
টিআইবির জরিপ ও বিচারপতির বিচার (০৬/০১/২০১১)
একাত্তরের মিডিয়া সেন্টার (১৬/১২/২০১০)
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়লক্ষ্মীর মুখোমুখি (১৬/১২/২০১০)
হরতালের কার্যকারণ ও সময়-অসময় (০২/১২/২০১০)
বিচিত্র সংকটের আবর্তে একটি বাড়ি (২৫/১১/২০১০)
আগের লেখা
467


বাঙালি মুসলমানের বাংলাপ্রীতি

এবিএম মুসা

সপ্তদশ শতাব্দীতে একজন বাঙালি মুসলমান কবি লিখেছিলেন, ‘যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি’ কবি আবদুল হাকিম যখন এই পঙিক্তটি লেখেন তখন ভারতবর্ষে মোগল রাজত্ব, ফার্সি ও উর্দুর ব্যবহার ছিল দাফতরিক, সরকারি ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে। মাদ্রাসা আর মক্তবে আরবি চর্চা, হিন্দুদের টোলে সংস্কৃত। পালি ভাষার প্রচলন ছিল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ে। বাংলা ছিল পতিত, চাষাভুষোদের ভাষা। সেই ভাষা নিয়ে এখন বাঙালি গর্ব করে। প্রাণ দিয়েছে ভাষাকে মর্যাদাপূর্ণ আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে।

বস্তুত সমগ্র বঙ্গ দেশে নয়, চাষাভুষা, জেলে-মাঝিদের মাঝেই কয়েক শতাব্দী বাংলা ভাষা আপন অস্তিত্ব রক্ষা করেছে। এদের বসতি ছিল প্রধানত বাংলার পূর্বাংশে, যা এখন স্বাধীন বাংলাদেশ যা একসময়ে গৌড়-বাংলা বলে পরিচিত ছিল।

প্রাসঙ্গিকভাবে বলতে হয় এই গৌড়-বাংলার নবাব হোসেন শাহ পূর্ব বাংলার বাঙালিদের ভাষাকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। এই অঞ্চলে বাংলার ব্যবহার ও প্রচলনের আরেকটি বাহন ছিল পুঁথিসাহিত্য। গ্রাম্য কবিরা মুখে মুখে কবিতা রচনা করতেন। নানা কাহিনী, রূপকথা ও কল্পকথা বাংলা ভাষায় ছন্দোবদ্ধ করে সাধারণ্যেও প্রসারিত করেছিলেন। সেই সব পুঁথিসাহিত্যই পরে সংগ্রহ করেছিলেন আলাওল ও আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ।

এই পুঁথিসাহিত্যের মাধ্যমেই কয়েক শতাব্দী মোগল আমলের ফার্সি আর ব্রিটিশ শাসনামলের ইংরেজির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে টিকিয়ে রেখেছিলেন পূর্ব বাংলার মুসলমান ভাষাপ্রেমী কবি-সাহিত্যিকরা। এই প্রেক্ষাপটেই বলতে হচ্ছে, ভারত বিভক্তির পর পূর্ব বাংলার মুসলিম শিক্ষিত শ্রেণী অতীতের ধারা অনুসরণেই ভাষাপ্রেমে উদ্বেলিত হয়েছিল।

এক বছর আগে যারা উর্দু ভাষায় ‘লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান’ আওয়াজ তুলেছিল, তারাই এই কারণে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ বলে রেসকোর্স ময়দানে মৃদু গর্জন করেছিল। অতঃপর তারা বিশ্ব ইতিহাস সৃষ্টি করল একটি ভাষাকে জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। সেই ভাষাটিই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বাংলা।

এ প্রসঙ্গে সমগ্র ভারতের অন্য ভাষাভাষীর ভাষা সম্পর্কীয় চিন্তাভাবনার সঙ্গে বাঙালির তথা পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমানদের ভাবাবেগের পার্থক্যটি আলোচ্য হতে পারে। ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর ভারতীয় মুসলমানরা এক ধরনের আত্ম গরিমায় প্রভাবান্বিত হয়ে ইংরেজিকে বর্জন করেছিল। মজার ব্যাপার হল ভারতের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের মুসলমানরা ফার্সি-উর্দু চর্চা বজায় রাখলেও পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে বঙ্গীয় হিন্দু-মুসলমান মাতৃভাষা বাংলার ব্যবহার অব্যাহত রাখে।

এর প্রথম কারণ হতে পারে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল অথবা ভারতের স্থানীয় অধিবাসীদের একক কোনো মাতৃভাষা ছিল না, অন্যদিকে উত্তর ভারতে ফার্সি-উর্দুতে কাব্যগাথা ও গজল-গানের চর্চা সাধারণভাবে একক চর্চার বাহনরূপে স্বীকৃতি লাভ করে। মোগল আমলে শাহী দরবারে অথবা সম্রাটের পৃষ্ঠপোষকতা লাভে এ দুটি ভাষা প্রকাশ পায়।

পূর্ব-উত্তর ভারতে সংস্কৃত, পালি ও প্রাকৃত ভাষা আপন মহিমায় বিস্তৃতি লাভ করে। ইংরেজ আমলের শুরু হয়েছিল পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলা আসাম-বিহারে। তাই এই অঞ্চলে ইংরেজির প্রচলনে কোনো সংস্কারের বাধা ছিল না। ইংরেজের শাসন পোক্ত করার জন্য ইংরেজি জানা কেরানি-কুল তৈরি হয় এই অঞ্চলে।

এরই মধ্যে ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণকারী অভিজাত সম্প্রদায় মাতৃভাষা বাংলা চর্চায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। বিদ্যাসাগর, রামমোহন, প্যারীচাঁদ ও বঙ্কিমচন্দ্র ইংরেজি বিদ্যার প্রভাবেই শেকসপিয়র, কিটস, কোলরিজদের ভাষারীতির অনুসরণে মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করায় ব্রতী হন। তাদের কর্মের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলা ভাষায় মোশাররফ হোসেন ইসলামাবাদী আর সিরাজী মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে বাংলাপ্রীতির সূচনা করেন।

ভাষার ব্যবহারের সঙ্গে গবেষণারও যে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তা বাংলা চর্চার সূচনাকালেই পণ্ডিতবর্গ অনুধাবন করেন। এই তথ্যটি প্রথম আবিষ্কার করেন ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের ব্যুত্পত্তি অনুসরণ করে। অন্যদিকে আদিতে সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়, মোহিত লাল মজুমদার, নীহাররঞ্জন দত্ত, পরে আবদুল হাই প্রমুখ শিক্ষাবিদ বাংলা ভাষাকে শৈলী ও পরিশোধিত রূপ দিয়েছেন।

পরবর্তীকালে এই রূপান্তরই বাংলা ভাষা মধ্যবিত্ত বাঙালির কাছে অমূল্য একটি সম্পদরূপে গৃহীত হয়। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, হেমচন্দ্র ও শরত্চন্দ্র থেকে সুনীল, শক্তি, শামসুর রাহমান...যে সাধারণ মানুষের মাঝে বাংলাকে সহজপাঠ্য করে একটি মধুর রূপে রূপান্তরিত করেন। এইভাবে গড়ে ওঠে বাঙালির বাংলাপ্রীতি। তবে ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানে প্রীতি বিভক্ত বাংলায় ভারতীয় বাঙালিরা অন্তরে ধারণ করে রাখতে পারেননি।

হিন্দির আধিপত্যে ভারতীয় বাংলাভাষী অঞ্চল থেকে বাংলা হারিয়ে গেছে। অপরদিকে ‘মায়ের ভাষা-প্রাণের ভাষা’ বাংলা আপন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত রয়েছে স্বাধীন দেশে, যা পুরোপুরি বাংলা ভাষা। যদিও আকাশ অপসংস্কৃতির বিস্তারের কারণে বাংলাদেশের বাঙালি নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভাষার বিকৃতি ঘটেছে, তবুও নিঃসন্দেহে বলা যায় বায়ান্নতে ভাষার জন্য প্রাণ উত্সর্গের মাহাত্ম্য বাংলাদেশে বাংলা ভাষা আপন গরিমায় বিস্তৃতি লাভ করবে।

অবাক করা ব্যাপার নয় কি? আদিতে বাংলা চর্চায় উল্লেখযোগ্য অবদান যারা রাখেনি, সেই বাঙালি মুসলমানরা আজ বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্থানে আসীন করেছে। অথচ আদ্যিকালে যারা বাংলাকে বলত বিধর্মীদের ভাষা, আজ তারাই সেই বাংলাকে অন্তরে লালন-পালন করছেন। বাংলা এখন প্রধানত বাঙালি মুসলমানের ভাষা।
[সূত্র : সকালের খবর-০১/০২/২০১২]
http://www.sonarbangladesh.com/articles/ABMMusa
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
London থেকে Lunik লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:৫৪
== এই অকারণ আত্নতৃপ্তি আমাদের পিছনের দিকেই ঠেলে দেবে ===
বাংলাভাষার চর্চা কী পশ্চিমবঙ্গ থেকে একেবারেই উঠে গেছে? এর প্রমান কী কেউ দিতে পারবেন? না কি এটাও একটা ঢালাও প্রচার যে কাজটিতে আমরা সিদ্ধহস্ত। সারা ভারতে বাণিজ্যিক ভাষা হিসাবে ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিরও প্রচলন বেড়েছে এবং একারণেই কোলকাতার দোকানপাটে হিন্দি শোনা যায় - এর মানে এই নয় যে ভারতীয় বাঙালিরা বাংলা ভুলে যাচ্ছেন। মনে রাখতে হবে যে উন্নতমানের বাংলা সাহিত্য এখনো পশ্চিমবঙ্গেই লেখা হয়। আমাদের এই অকারণ আত্নতৃপ্তি আমাদেরকে ক্রমশঃ পিছনের দিকেই নিয়ে যাবে।
77718
Canada থেকে ৃAnirudhdho Alo লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৮:৪৪
লন্ডন এর লুনিক কে বলছি, "বাঙালি মুসলমানরা আজ বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্থানে আসীন করেছে। অথচ আদ্যিকালে যারা বাংলাকে বলত বিধর্মীদের ভাষা, আজ তারাই সেই বাংলাকে অন্তরে লালন-পালন করছেন। বাংলা এখন প্রধানত বাঙালি মুসলমানের ভাষা" এই statement টি গ্রহণ করতে আপনাত এত কার্পন্য কেন? আপনি পশ্চিম বঙ্গের কথা বলছেন? এই তথ্য আপনি কোথায় পেলেন যে কেবল মাত্র কলকাতার দোকান পাট এই হিন্দী শোনা যায়? সেটা যদি সত্তিও হয় , একটা প্রমান দেখান তো যে পশ্চিম বাংলার বাঙালী রা ( বা আরো সরাসরি বলতে গেলে হিন্দু বাঙ্গালীরা) গদ্য সাহিত্য রচনার বাইরে এই ভাষাকে একটা আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আর কোনো অবদান রেখেছে মুসলমান বাঙ্গালীদের মত? আরো একটু আপনার চোখ খুলে দেই, আপনি তো লন্ডন থাকেন, সেখানে ভারতীয় বাঙালি (হিন্দু বাঙালি) দের কে দিয়ে পরিচিত একটা একটা জায়গা দেখান তো যা ওল্ড গেট এর মত বাঙালী (যা আসলে জনাব মুসা'র ভাষায় বাঙালি মসলমান বাঙালি) পারা হিসেবে পরিচিত?
আসলে আপনাদের একটা এলার্জি আছে মুসলমান নাম এর সাথে. মুসলমান শব্দ থাকলেই আপনাদের মনে হয় জাত গেল, মুসলমান মানেই ম্লেচ্ছ, তাই না?
Shame on people like you!
77815
লনডন থেকে ত্রিলোচন বন্দোপাধ্যায় লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৯:২২
আসলে বাঙালি মুসলমানরে কোন নির্দিষ্ট ভাষা নেই। এদের ভাষা হলো উর্দু হিন্দি মিশ্রিত একধরণের সংকর ভাষা। বাঙালি মুসলমানেরা প্রধানত নিম্নবর্গের অহিনদু ম্লেচ্ছ সমপ্রদায় এদের কোন নিজস্ব সঙকৃতি নেই। এরা নিম্নবর্গের ব্রাত্যজন। এটার সত্যতা বুঝা যায় তাদের জাতির জনক শেখ মজিবের বাংলা উচ্চারণ দেখলে এবং এবি এম মুসা সাহেবের নাকের গঠন দেখলে। শেখ সাহেব 'ফৌজদারি' কে বলতেন 'ফৈজদেরি' আর এবিএম মুসা সাহেব নন-আর্জ দ্রাবিঢ় বংশউদভূত, তা তাঁর নাকের দিকে তাকালেই বুঝা যায়।সুতরাং রবীন্দ্রনাথ এদের সমপর্কে তার বিশাল সাহিত্য ভানডারে কিছু উল্লেখ করেননি। কারণ তিনি মনে মনে নিজেকে একজন অভিজাত আর্জ ভাবতেন। সুতরাং বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনা করলেও বাঙালি মুসলিমদের নিয়ে কিছু লেখেননি এর কারণ তিনি বাঙালি মুসলমানদের নিম্নবর্গের ম্লেচ্ছ বংশউদভুত ভাবতেন। সুতরাং স্বল্প শিক্ষিত বাঙালি মুসলমানের অকারণে গর্ব করার কিছু নেই। বাংলা ভাষায় তাদের দ্বিতীয় অবস্থানটি অবশ্য সব সময় অক্ষুন্ন থাকবে। ১. পশ্চিশ বঙগের বাঙালি(হিন্দু) ২. বাংলাদেশের বাঙালি(মুসলিম) ৩. আসামের বাঙালি ৪. ত্রিপুরার বাঙালি। ২য় অবস্থান নিয়েই
সুন্তুষ্ট থাকুন।
77858
Canada থেকে anirudhdho alo লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৮:৪৭
To Mr Trilochon

সত্তি আপনার অজ্ঞানতা প্রসূত বেখ্খা পরে দুখ্খ হয়. আপনারা যে কত বড় racist তা আপনার ভাষা থেকেই বোঝা যায়. আপনি সংকর ভাষা বলতে কি বোঝাতে চাচ্ছেন জানি না, তবে মশাই, আজকে যে লন্ডনে বসে ইলিশ খেতে পারছেন সেটা কিন্তু এই ম্লেচ্ছদের কারণেই. সংকর বলেন আর ভয়ঙ্কর বলেন, বাংলা ভাষা কে পৃতিবীতে প্রতিষ্ঠ্তিত করেছে কিন্তু এই ম্লেচ্ছ রাই.
77904
মুরশিদাবাদ, পশ্চিম বঙগ থেকে আলী মিয়া লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৯:০৭
বাঙালি মুসলিমদের সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ কিছু লেখেননি তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। কারণ আমরা বাঙালি নই, বাঙলাভাষী ভারতীয় বা বাংলাদেশি। শুধু ভাষার পরিচয়ে পৃথিবীতে কোন জাতি নেই। আমেরিকানরা ইংলিশে কথা বলেন কিন্তু তারা ইঙরেজ নয়।
কানাডিয়ান রা ইংলিশে কথা বললেও তারা ইংলিশ নয় কানাডিয়ান। এখন ভাষায় কোন জাতি পরিচয় নির্ধারিত হয় না। এখন হয় সার্বভৌম জাতি রাষ্ট্র দিয়ে।সুতরাং আমরা বাংলাভাষী ভারতীয় বা বাংলাদেশি। বাঙালি নই। দ্বিতীয় কথা হলো রবীন্দ্রনাথ একজন ভারতীয় হতে চেয়েছিলেন বাঙালি নয়। তিনি সর্বভারতীয় রাজনীতির সমর্থক ছিলেন।
তিনি বাঙলাভাষী মুসলিমের বন্ধুও ছিলেন না, দুশমনও ছিলেন না। তিনি ছিলেন এমন একজন প্রতিবেশি যিনি তার সংখ্যাগরিষ্ট প্রতিবেশিদের প্রতি ছিলেন নিস্পৃহ(বাংলায় হিন্দুর চেয়ে বেশি মুসলিম কথা বলে)।
77905
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:৪০
Dear Writer,
With due respect, your article ---বাঙালি মুসলমানের বাংলাপ্রীতি----at this moment of national crisis is a sleeping pill to keep people in deep sleep so that they can remain in dark . Uncle very nice trick indeed? Let us call it our uncle tricks. Your article proves to me, you are having sound sleep under current regime, now you are asking us to fall in sleep like you, by taking your generic brand sleeping pill ----বাঙালি মুসলমানের বাংলাপ্রীতি-- . Thank you and wish you good luck. Uncle, honestly speaking you can not send hungry and oppressed people in bed with your generic brand pill ---বাঙালি মুসলমানের বাংলাপ্রীতি -----.To do so, first provide them with brand name pill after that offer them generic pill. Meaning first provide them food and security pill than offer your pill and believe me people will love you. Please do not waste your and our time, producing unrealistic pill. If you think it gives you personal benefit then it is your business. It is very unfortunate, as a nation we got huge population but lack of quality intellectuals. . We have to keep in our mind quality and quantity are not the same? There is a huge difference between quality and quantity. In another way there is a huge difference between brand name and generic brand. Now a day rich and elites are capable to buy quality thinker. On the other hand thinking is a natural process each and every human being posses. To think we do not need language but to explain what comes out of thinking we need language. To become a Muslim, first we have to have conviction in unseen God based on rationality the way Qur’an demand from us. To understand Qur’an we need Quranic language which is Arabic. Now based on requirement different language can be use to transliterate Arabic Qur’an. To become a Bengali I have to speak and know that language. But to become a Muslim knowing and speaking Arabic is not mandatory. To become a Muslim believing in unseen Allah and His books, angel, Day of Judgment and all the Prophets is good enough. We never say Bengali capitalist, Bengali communist or Bengali atheist rather we say capitalist, communist and atheist. Question, writer why you are using Bengali Muslim? Are you trying to creating another sect in the name of Bengali Muslim? Is it not wise to introduce our self to others a Bangladeshi Muslim? Are you trying to create more division among us? Please stop this madness. I am proud to be a Muslim, Bangladeshi and my mother tongue. At the same time I do respect all the human being and religion. I also respect all the languages. There should be no discrimination regarding any language. Honestly speaking Bengali is my mother language so definitely I will have little weakness. Implementing truth and justice in the society should be our prime objective and if we can achieve that then we should feel proud. Now we are implementing injustice every where, corruption every where, practicing evil every where and robbing people left and right and feeling proud for Bengali. Is this not coming out purely from slavery mentality? Do not get me wrong. I am not ignoring language rather i am trying to understand the role of a language in a nation building. I do not worship language rather I do worship truth and justice. Role of a language is to communicate each other. To understand each other. To understand the idea. At the end Bengali is an entity based on specific ideology and Muslim is an entity based on specific ideology. Same as capitalism and communism. ARE YOU TRYING TO SAY A CAPITALIST CAN BE A COMMUNIST AT THE SAME TIME? Thank you and I demand an answer.
77919
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০১:২৫
বাংলা ভাষা কে নিয়ে যেই হৈ হোল্লা দেখা যায়, আমার মনে হয় আমরা কুকুরের লেজ কে তৈল মারার কাজে ব্যস্থ ? আমাদের দেশের মানুষ যেই ভাবে ভাষা আন্দোলন , মুক্তিযুদ্ধ কে নিয়ে উতসব করে পৃথীবির অন্য কোন দেশে দেখা যায় না, অপ্রয়োজনী বিষয় নিয়ে যারা বেশি লাফালাফি করে তাদের কে পাগল বলা ছাড়া কোন উপায় দেখতেছি না।
77922
Netrokona থেকে Majhimalla লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০৩:১৩
To Trilochon of London, your comments prove that what type of person you are. What the writer Mr ABM Musa said here could have been argued with proper logic but you directly hit into the heart of Bengali muslim people of Bangladesh. For your information (though you are aware of) Indian Bengali people never fought for their own mother tongue rather they silently accepted the influence of Hindi language in their life. Even no Hindi speaking person talks to a Bengali person in Bangla rather Hindi or English is forced to communicate. We are the only Bangla speaking people of the then East Pakistan regardless of any religious barriers but in absolute Muslim majority struggled for our mother tongue "Bangla" since 1948 which promted the Liberation War of 1971 and got independence. We may still have mixed culture in our daily life due to the facts dated back when the Muslim conquers started rulling Indian sub-continent since 12th century but we still preserve our mother tongue "Bangla" proudly which is not possible in India. This is reality whether you agree or dispute. I hope you will realize from my example not just by your racism-like logics. Thank you.
77925
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy