শুক্রবার, ২৮ মাঘ ১৪১৯; ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:৪৪ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
ছেলের হাতের মোয়াও চাইলেই পাওয়া যায় না (০৭/০২/২০১২)
সেনা অভ্যুত্থানের পর গণ-অভ্যুত্থানের চক্রান্ত, কোনোটাই সফল হচ্ছে না (৩১/০১/২০১২)
কালো বুশ সাহেব কি ইরানের ওপর হামলা করবেনই? (২৮/০১/২০১২)
বাংলাদেশে ব্যর্থ ক্যু এবং পাকিস্তানে 'সফট ক্যু' (২৬/০১/২০১২)
ঢাকায় ব্যর্থ অভ্যুত্থান-প্রচেষ্টা এবং ‘দিল্লির দাদাদের’ প্রতিক্রিয়া (২৩/০১/২০১২)
আবার ক্যু-চক্রান্ত, আবার একজন মেজর জিয়া? (২১/০১/২০১২)
‘প্রতিবেশী শত্রু হলেও তার ঘরপোড়া আলু খেতে নেই’ (১৬/০১/২০১২)
প্রদীপের নিচে অন্ধকার জমে উঠছে (১৪/০১/২০১২)
বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরা নিয়ে কিছু স্মৃতিকথা (১০/০১/২০১২)
বিএনপি-রাজনীতির গতিপ্রকৃতি (০৯/০১/২০১২)
একে একে তিনটি দুর্গের পতন :তারপর? (০৭/০১/২০১২)
২০১২ : হাসিনা সরকারের জন্য বিপজ্জনকভাবে বাঁচার বছর (০৩/০১/২০১২)
আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে কোন সাময়িক সমঝোতাও হতে পারে কি? (৪) (০২/০১/২০১২)
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের আমলনামা (১ম ও ২য় পর্ব) (৩১/১২/২০১১)
'রেখেছ আওয়ামী করে, মানুষ করোনি' (২৭/১২/২০১১)
আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে কোন সাময়িক সমঝোতাও হতে পারে কি? (৩) (২৬/১২/২০১১)
একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের মরণকামড় (২৩/১২/২০১১)
আমরা কি সত্যই বিজয় দেখেছি? (১৭/১২/২০১১)
বাংলাদেশের নাগরিক সমাজে আরেকটি বুদ্বুদ নিয়ে বিতর্ক (১২/১২/২০১১)
ভারতের মন্ত্রী চড় খেলেন :'আম্মোদের' অবস্থা কী হবে? (১০/১২/২০১১)
'বিএনপি নৈবেদ্য সাজিয়েছিল ভালোই কিন্তু গণদেবতা তা গ্রহণ করেনি' (০৬/১২/২০১১)
কুলদীপ নায়ার এবার কাদের বাদ্যি বাজানোর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন? (০৫/১২/২০১১)
ঢাকা সিটি করপোরেশন ভাগের দায় আ'লীগ সহজে এড়াতে পারবে না (০৩/১২/২০১১)
ঢাকা সিটি করপোরেশন ভাগ করা কি মঙ্গল হবে? (২৯/১১/২০১১)
আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে কোন সাময়িক সমঝোতাও হতে পারে কি (২) (২৮/১১/২০১১)
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র মধ্যে কোন সাময়িক সমঝোতাও হতে পারে কি? (২১/১১/২০১১)
এই 'দেবদূতেরা' কাদের আধিপত্যের পাহারাদার সেজেছেন? (১৯/১১/২০১১)
রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ভালো, কিন্তু পন্থাটা কী? (১৫/১১/২০১১)
ফের মোশতাকের প্রেতাত্মার কণ্ঠ :সাধু সাবধান (০৫/১১/২০১১)
বঙ্গবন্ধু ও গাদ্দাফি : একদিনের বৈঠকের স্মৃতিচিত্র (৩১/১০/২০১১)
আগের লেখা
1276


ছেলের হাতের মোয়াও চাইলেই পাওয়া যায় না

আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী

লন্ডনে এখন আমরা একেবারে বরফের সমুদ্রে ডুবে আছি। ফেব্রুয়ারি মাস শুরু হওয়ার আগেই হাড় কাঁপানো শীত ও ঠাণ্ডা বাতাস শুরু হয়েছিল। তারপর হঠাৎ শুরু বরফপাত। রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, চারদিকে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট আর কিছুই চেনা যায় না। মনে হলো, উত্তর মেরুর কোনো বরফের ঘরে বসে আছি। বেশ কিছুকাল ধরে লন্ডন শহরজুড়ে এতটা বরফপাত হয়নি। আচমকা এই বরফপাতে একটু হকচকিয়ে গেছি। সারা দিন গৃহবন্দি ছিলাম, ঘরে বসে সানডে টাইমস পাই। এই রবিবারে তাদের ডেলিভারিম্যানও কাগজ দেয়নি।

গৃহবন্দি অবস্থায় আর কী করব! তাই লন্ডন থেকে প্রকাশিত এ সপ্তাহের বাংলা পত্রিকাগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল, ঢাকায় ৩১ জানুয়ারির ডেটলাইনে একটি বিশাল খবর। শিরোনাম হচ্ছে, 'শ্বাস নেওয়ার সময় থাকতে ক্ষমতা ছাড়ুন।' ঢাকার বিশাল গণমিছিল থেকে শেখ হাসিনার প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছেন খালেদা জিয়া। উৎসুক হয়ে দেশনেত্রীর ভাষণটি পড়লাম।

আমি বিএনপি-রাজনীতির সমর্থক নই। তবু তাদের খবরাখবর নিয়মিত পড়ি। যাচাই করি, তাদের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সুস্থতা ফিরে এসেছে কি না! তা ফিরে এলে দেশের এবং দেশের মানুষের জন্য হবে শুভ সংবাদ। কিন্তু ৩০ জানুয়ারির গণমিছিলে দেওয়া খালেদা জিয়ার উদ্দীপ্ত ভাষণের বিবরণ সংবাদপত্রে পাঠ করে মনে হলো না, বিএনপি-রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সুস্থতা ও স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে। অবশ্য কোনোকালেই এই সুস্থতা বিএনপির রাজনীতিতে ছিল না। কিন্তু এতকাল ধরে কখনো ক্ষমতায়, কখনো বিরোধী দল হিসেবে রাজপথের রাজনীতিতে থাকার পর বিএনপি সামরিক কালচারের রাজনীতির লেগাসি ত্যাগ করে গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বাভাবিক ও সুস্থ ধারায় ফিরে আসবে- এটা আমার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বিএনপি শুধু আমার নয়, দেশবাসীরও এই প্রত্যাশা পূর্ণ করেনি।

ক্ষমতা ছেলের হাতের মোয়া নয় যে চাইলেই তা দিয়ে দিতে হবে। একটি বাচ্চা ছেলেও চাইলেই মোয়া কাউকে দেয় না। বিএনপি ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তাই বর্তমান হাসিনা সরকারকে তাদের ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ পূর্তির আগেই তা ছেড়ে দিতে বলছে। এটা কোনো সুস্থ দাবি নয়। মামাবাড়ির আবদার। এ আবদার পূরণ না হলে তারা কী করবে? খালেদা জিয়া বলেছেন, তিনি গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়ে এই সরকারের পতন ঘটাবেন। খুবই ভালো কথা। গণ-অভ্যুত্থান ঘটানোর ক্ষমতা যদি বিএনপির থাকে, তাহলে তা ঘটিয়ে তারা দেশের মানুষকে দেখান না তাঁদের হিম্মত কতটা? এত হুমকি-ধমকির দরকারটা কী? গোদা পায়ের অধিকারী যে স্বামী রোজই স্ত্রীকে লাথি মারার ভয় দেখায়, একদিন ধরা পড়ে, তার পায়ে লাথি মারার কোনো ক্ষমতাই নেই।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতায় যাওয়া এবং ক্ষমতা ছাড়ার একটা তরিকত আছে। তরিকতটি হলো, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ। যদি কোনো সরকার নির্বাচন না দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চায়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করে, গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সেই সরকারের পতন ঘটাতে হয়। একটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ সরকার (বঙ্গবন্ধু সরকার) মাত্র এক বছরের মাথায় (১৯৭৩ সালে) সাধারণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেশ শাসনে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েছিল। এর দ্বিতীয় উদাহরণ কোনো দেশে নেই।

শেখ হাসিনার সরকার দু'দুবার ক্ষমতায় এসেছে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর মেয়াদের বেশি এক দিনও ক্ষমতায় থাকেনি। শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এবারও ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচন দিয়ে নির্বাচকমণ্ডলীর সম্মুখীন হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এ সরকারের অধীনে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাধারণ নির্বাচনও অবাধ ও সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠিত হবে।

হাসিনা সরকারের দু'দুবারের শাসনামলে কোনো নির্বাচন বা উপনির্বাচনে কারচুপি হয়েছে, তার প্রমাণ বিএনপিও দিতে পারেনি। বরং খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে মাগুরা উপনির্বাচনে জঘন্য কারসাজি করেছিলেন এবং ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভোটারবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠান করে সারা বিশ্বের নিন্দা ও ধিক্কার কুড়িয়েছিলেন। শেখ হাসিনা তা কখনো করেননি এবং খালেদা জিয়ার সরকারের ভোট জালিয়াতির নির্বাচনের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠানের দুর্নাম তাঁর নেই।

তার পরও খালেদা জিয়া আবদার ধরেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা না হলে তাঁরা নির্বাচনে যাবেন না। গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়ে বর্তমান সরকারের পতন ঘটাবেন এবং ক্ষমতায় যাবেন। এটা কুঁজোর চিত হয়ে শুয়ে চাঁদ দেখার শখ করার মতো। খালেদা জিয়া নিশ্চয়ই ভুলে যাননি, শেখ হাসিনা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন এবং নির্বাচনের মাধ্যমেই নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় শান্তিপূর্ণভাবে একবার ক্ষমতা ছেড়েছেন। তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে কখনো গণ-অভ্যুত্থান ঘটেনি।

গণ-অভ্যুত্থান ঘটেছে খালেদা জিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালে প্রচণ্ড গণ-অভ্যুত্থানে তিনি এবং তাঁর মন্ত্রীরা ঘর ছেড়ে বের হতে পারেননি। সংসদের পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে তাঁদের পালাতে হয়েছিল। সুতরাং গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে বড় গলায় কথা বলার সুযোগ ও অধিকার কি তাঁর আছে? তিনি যখন বলেন, 'আমরা সেনা-অভ্যুত্থানে নয়, গণ-অভ্যুত্থানে বিশ্বাসী এবং গণ-অভ্যুত্থানেই এ সরকারের পতন ঘটাব', তখন বাংলাদেশের একটি অবুঝ বালকও সম্ভবত হাসে। নিশ্চয়ই ভাবে এটা প্রলাপোক্তি।

নইলে সেনানিবাসে যে দলের জন্ম, সেনানিবাসে বসে যিনি এতকাল অবৈধভাবে রাজনীতি করেছেন, সেনা-অভ্যুত্থান ঘটিয়ে যে দলের নেতার প্রথম ক্ষমতা দখল, সেই নেতার পত্নী এবং বর্তমান নেত্রীর মুখে 'সেনা-অভ্যুত্থানে বিশ্বাসী নই' কথাটি আদৌ মানায় কি? এই সেদিনও তিনি চট্টগ্রামের জনসভায় দাঁড়িয়ে তাঁর বক্তৃতায় সেনাবাহিনীকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং তার দুদিন পরই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের চক্রান্ত ধরা পড়েছে। এখন খালেদা জিয়া বলছেন, 'ঠাকুর ঘরে কে, আমি কলা খাই না।'

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে আগামী আরো দু'একটি নির্বাচন হলে আপত্তি করার কিছু ছিল না। কিন্তু শেখ হাসিনাকে ঠেকে শিখতে হয়েছে। ১৯৯৬ সালে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবিতে মাঠে নেমেছিল, বিএনপি নেত্রীর জালিয়াতির নির্বাচনের বাড়াবাড়িতে ত্যক্তবিরক্ত হয়ে এবং দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের আশায়। আন্দোলন সফল হয় এবং ১৯৯৬ সালে একটি মোটামুটি সুষ্ঠু নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০০১ সালের নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষপাতিত্ব ছিল। কিন্তু ব্যবস্থাটিকে কলুষিত করা সম্ভব হয়নি। এরপরই শুরু হয় গোটা ব্যবস্থাটিকে কলুষিত করার অভিনব চক্রান্ত।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে তাঁবেদার সরকার ব্যবস্থা করার চেষ্টা অত্যন্ত ধূর্ততার সঙ্গে চালাতে শুরু করে। এ ব্যাপারে বিএনপির সিদ্ধিদাতা গণেশ হয়ে দাঁড়ান ধূর্তকুল চূড়ামণি ব্যারিস্টার মওদুদ। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন যে প্রধান বিচারপতি, তিনি যাতে হাতের মুঠোর লোক হন, সে জন্য বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়স বাড়িয়ে-কমিয়ে তাঁরা যা করতে শুরু করেন, তা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সব 'সতীত্ব' তখনই নষ্ট করে বিএনপি-জামায়াত জোট এবং হাওয়া ভবন।

২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়া এবং তাঁর পুত্রধন তারেক রহমান যেভাবে তাঁদের হাতের পুতুল ব্যক্তিত্বহীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে নির্লজ্জভাবে কলুষিত করেন, তারপরে এ ব্যবস্থার অধীনে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা সুস্থ মাথায় ভাবা চলে কি? সাবেক বুরোক্র্যাট এবং চিন্তাবিদ আকবর আলি খানকে আমি শ্রদ্ধা করি। তিনিও এখন বলছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দরকার। ইয়াজউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে তিনি তো একজন প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন। তাঁকে এবং আরো কয়েকজন সদস্যকে তখন পদত্যাগ করতে হয়েছিল কেন?

ড. কামাল হোসেনের মতো বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দুই নম্বর মানসপুত্রও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জোর দাবি তুলেছেন। (জনান্তিকে বলে রাখি, তার আগে 'গণতন্ত্রের প্রথম মানসপুত্র পাকিস্তানে সামরিক অর্ডিন্যান্স দ্বারা সংবিধান প্রণয়নের দাবি তুলেছিলেন)। অথচ এই ড. কামাল হোসেনই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সব সাংবিধানিক বিধিব্যবস্থা ভেঙে-গুঁড়িয়ে দিয়ে অবৈধভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও প্রধানের পদ দখল করে ইয়াজউদ্দিন যখন অবৈধ ও সংবিধানবিরোধী কার্যকলাপ শুরু করেন, তখন তাঁকে ইমপিচমেন্টযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করেছিলেন।

পরবর্তীকালে ধরা পড়েছে, ইয়াজউদ্দিনের এই ইমপিচমেন্টতুল্য অপরাধের পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন ক্যান্টনমেন্টের বাড়িতে বসে খালেদা জিয়া এবং হাওয়া ভবনে বসে তারেক জিয়া।

নামে মাত্র ক্ষমতায় ছিল অথর্ব ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আসলে তা ছিল বিএনপির তাঁবেদার সরকার। বিএনপির এই অবৈধ তাঁবেদার সরকারকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে দিয়ে মইন-ফখরুদ্দীন (ড. ইউনূসের আশীর্বাদ ও সমর্থন নিয়ে) জুটি দেশে সেনা তাঁবেদার তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি বিএনপির হাতে ধর্ষিত হওয়ার পর আবার মইন-ফখরুদ্দীন জোটের হাতে ধর্ষিত হয়।

ই ধর্ষিত ও কলুষিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি পুনঃপ্রবর্তনের দাবিতে খালেদা জিয়া আন্দোলনে নেমেছেন এবং গণ-অভ্যুত্থান ঘটানোর হুমকি দিচ্ছেন। তাঁর হয়তো মনের আশা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি পুনঃপ্রবর্তিত হলে তিনি আবার একজন সাহাবুদ্দীন অথবা ইয়াজউদ্দিনকে পাবেন এবং আবার ২০০১ ও ২০০৬ সালের খেলা খেলতে পারবেন। একই সঙ্গে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়াটিও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুর আন্দোলন দ্বারা নস্যাৎ করে দেওয়া যাবে। আসলে ওই বিচার প্রক্রিয়া নস্যাৎ করাই তাদের আসল লক্ষ্য।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে দেশে কোনো গণ-অভ্যুত্থান ঘটবে তা আমি মনে করি না। তা বিএনপির গণমিছিলে যত জনসমাগমই ঘটুক না কেন। একটি ব্যর্থ ও কলুষিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় হাসিনা সরকারের ফিরে যাওয়া উচিত হবে না। তবে বিএনপির চক্রান্তের খেলা ভণ্ডুল করার জন্য কোনো ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থায় বর্তমান সরকার যদি আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়, তাহলে তা অন্য কথা।

ঢাকার গণমিছিলে খালেদা জিয়া অনেক হাস্যকর কথা বলেছেন। তার সবটা নিয়ে একটি নিবন্ধে আলোচনার সুযোগ নেই। কেবল তাঁর একটি কথার উল্লেখ করছি। জেনারেল এরশাদ তাঁর জাতীয় পার্টিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের মহাজোটে থাকায় শেখ হাসিনার উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেছেন, 'ওনার সঙ্গে আপনারা জোট করেছেন। খুনিকে সঙ্গে নিয়ে আপনারা আবার খুনের রাজনীতি করছেন।' ম্যাডামের ভাষণ শুনে হাসব, না কাঁদব? এই জেনারেল এরশাদ দুদিন আগে খালেদা জিয়ার জোটে তাঁর পাশেই ছিলেন আর বর্তমানেও একাত্তরের ঘাতক নিজামী ও দেলাওয়ার হোসাইন সাইদীকে সঙ্গে নিয়ে যিনি রাজনীতি করছেন, তিনি কোন মুখে বড় কথা বলেন?
[সূত্র : কালের কণ্ঠ-০৭-০২-২০১২]
http://www.sonarbangladesh.com/articles/AbdulGaffarChowdhury
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
UAE থেকে Monkar লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৭:৩৪
The "bottomline" is;
"Lagathar Hartals, aborodh, Logi Boita, Ekta Lasher Bodoley 10 ta Lash".
78041
ঢাকার ঠিক মাঝখান থেকে কাজী সোলায়মান পাটোয়ারী লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৮:২৬
জনাব আগাচুর মিথ্যার বেসাতি পড়ে, সেই জোক টি না লিখে পারলাম-না।
স্কুল ছুটির পর রাস্থায় ছেলেরা একটি কুকুর ছানা নিয়ে খেলা করছিলো, তাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন স্কুলের-ই টিচার, ছেলেদের আনন্দময় খেলা দেখে স্যার প্রশ্ন করলেন তোমরা কি খেলা করছো?
ছাত্ররা উত্তর দিল স্যার আমাদের মধ্যে যে, সব চাইতে সুন্দর ভাবে সাজিয়ে মিথ্যা বলতে পারবে তাকে কুকুর ছানাটি উপহার দেওয়া হবে!!!
স্যার বল্লেন কি যে বলি, তোমাদেরমতো বয়সেতো আমরা মিথ্যা কি জিনিষ জানঅতাম-ই না!!!
ছাত্রেরা বল্লো স্যার কুকুর ছানাটি আপনি-ই পেলেন।
আমার মনে হচ্ছে আগাচুর আজকের এই মিথ্যার জন্য জনাব আগাচু-কে কুকুর ছানার সাথে বিড়াল ছানাও দেয়া একান্ত প্রয়োজন।
(১) পৃথিবীর ইতিহাস-কে কলংকৃত করে সদ্য স্বাধীন দেশের সব রাজনৈতিক দল বন্দ্ব করে বাকশাল কায়েম করা কি গনতন্ত্র ছিলো নাকি অটোতন্ত্র ছিলো?
(২) সেই বাকশালী এক দল থেকে যিনি বহু দলের অবাধ রাজনীতি করার সুযোগ করে দিলেন, তিনি-ইতো দেশের মানুষের বন্দ্বু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
আমি প্রধানমন্ত্রি হতে চাই!!!
প্রধানমন্ত্রি হলে
স্বাস্থের কোন খতি নাই,
পরকালের ভয় নাই
সম্পদের অভাব নাই,
মূখে কোনো লাগাম নাই
দুনিয়া ঘুরতে বাধা নাই।
78046
স্বদেশ থেকে স্বদেশী লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৯:২৩
পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতন নিয়ে গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এখনই এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আগামী নির্বাচনে জনগণ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে বলে ক্ষমতাসীন দলের সিনিয়র সাংসদরা সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ সাংসদরা খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত প্রতিবেদনে উলি্লখিত অপরাধীদের গ্রেফতার ও তাদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।

সরকারের অভ্যন্তরের কেউ এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকে সরকার থেকে বের করে দেওয়ারও দাবি জানান কয়েক সাংসদ। তারা বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তও কেন বাস্তবায়িত হচ্ছে না তা খতিয়ে দেখতে হবে। তা ছাড়া সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিনের বক্তব্যকেও সমর্থন এবং অর্থমন্ত্রীর অনভিজ্ঞতাকেও দায়ী করেন তারা। মাগরিবের বিরতির পর পুঁজিবাজার বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র
সাংসদ তোফায়েল আহমেদ। পরে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, জাসদের হাসানুল হক ইনু, স্বতন্ত্র সাংসদ মোঃ ফজলুল আজিম এবং আওয়ামী লীগের খান টিপু সুলতান এ বিষয়ে বক্তৃতা করেন। এ সময় অধিবেশন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত উপস্থিত ছিলেন। সাংসদদের বক্তৃতার বিভিন্ন পর্যায়ে অন্যরা টেবিল চাপড়ে তাদের সমর্থন জানান।

এদিকে গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক গতদিনের চেয়ে ২২৯ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৬১৬ পয়েন্ট হয়, যা ২০১০ সালের ডিসেম্বরে দরপতন শুরু হওয়ার পর সবচেয়ে কম। এ পটভূমিতে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করলে ৯ জনকে আটক করে পুলিশ।
এ প্রেক্ষাপটে পয়েন্ট অব অর্ডারে তোফায়েল আহমেদ বলেন, যারা রাষ্ট্র চালায়, জনগণ হয়তো এখনই আমাদের বিচার করতে পারবে না। জনগণের একটি দিন আছে। ভোটের দিন জনগণ বিচার করে দেবে। তিনি বলেন, পুঁজিবাজার যেভাবে চলছে তাতে জাতির কাছে একদিন কৈফিয়ত দিতেই হবে। এখনও যদি অর্থমন্ত্রীর কিছু করার থেকে থাকে তিনি করতে পারেন।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পুঁজিবাজারে বেশকিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এসব সুবিধা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুঁজিবাজার নিয়ে যে অবস্থা চলছে তাতে আর তার পক্ষে নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকা সম্ভব নয় বলেও সংসদকে জানান তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে ধসের পর যুবরাজ নামে এক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আত্মহত্যা করেছেন। তার চার বছরের মেয়ে এবং স্ত্রীর বক্তব্য তাকে নাড়া দিয়েছে উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ৮ হাজার পয়েন্টের বাজার কীভাবে ৩ হাজার পয়েন্টে নেমে এলো? এটা তো মেনে নেওয়া যায় না।

তোফায়েল বলেন, ২০০৯-১০ সালের দিকে প্রচুর মুনাফা, ডিভিডেন্ড দেওয়ার কথা বলে মানুষকে বাজারে আনা হয়েছে। বন্ধ কারখানা থেকে লোভনীয় প্রস্তাব দিয়ে শত শত কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে। একই সময় ব্যাংকগুলোয় এফডিআরসহ অন্যান্য বিনিয়োগের সুদের হার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে সবাই টাকা নিয়ে বাজারে নামে। ব্যাংকগুলো এত মুনাফা করেছে যার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। যখন বাজার আকাশে উঠেছে, উদ্যোক্তারা তাদের সব শেয়ার বিক্রি করে টাকা নিয়ে গেছেন। ফলে নিঃস্ব হন লাখ লাখ মানুষ। তা ছাড়া ২০১০ সালের শেষদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক কেন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নিতে বলল, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনায় ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি প্রশ্ন করেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না সেটি জানতে হবে।

তিনি বলেন, আজ বিনিয়োগকারীদের কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ কথা বললে পুলিশ দিয়ে তাকে পেটানো হচ্ছে। ১ লাখ, ১০ লাখ টাকার সামান্য পুঁজির মানুষেরা আজ অসহায়। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুবা এ জন্য জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের আচরণেও অনেক প্রশ্ন রয়েছে। যখন পরিচালকদের নূ্যনতম দুই শতাংশ শেয়ার রাখার কথা বলা হচ্ছে তার আগে তারা হাজার হাজার কোটি টাকা বের করে নিয়ে গেছেন। বন্ধ কারখানার নামে কোটি কোটি টাকার শেয়ার বাজারে দেওয়া হয়েছে। এখন তারাই আবার চক্রান্ত করে শেয়ারের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এরপরও তারা আবার নামমাত্র মূল্যে শেয়ার কিনতে চাইছেন। তিনি প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি এবং অর্থ মন্ত্রণালয় বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। তারা একেকজন একেক রকম সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তাদের সমন্বয়হীনতা অনেককেই সুযোগ করে দিয়েছে। তারাই ব্যাংকগুলোকে ৩০ শতাংশ পুঁজি বিনিয়োগের সুযোগ দিয়েছিল। পরক্ষণেই বলেছে বিনিয়োগ তুলে নিতে।

তোফায়েল বলেন, যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন তারা এখন কথাও বলতে পারছেন না। পুলিশের লাঠি দিয়ে থামিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবে চলতে পারে না। তোফায়েল বলেন, জনগণ যে আস্থা এবং বিশ্বাসে এ সরকারকে ভোট দিয়েছে, তাদের পক্ষে বলতেই তিনি প্রসঙ্গটি তোলেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে রাশেদ খান মেনন বলেন, পুঁজিবাজার এলাকার অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, মতিঝিল এলাকায় এখন আর তিনজন একসঙ্গেও দাঁড়াতে পারছেন না। সরকারকে বুঝতে হবে, পুলিশ দিয়ে আর যা-ই নিয়ন্ত্রণ করা যাক না কেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্ব বেরিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকিং খাতেও আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। চলমান প্রকল্পেও এখন ব্যাংক আর ঋণ দিচ্ছে না। এটি যে কতটা ভয়াবহ খবর তা সবাইকে বুঝতে হবে। তিনি বলেন, গত এক মাসে মূল্যস্ফীতিও অনেক বেড়ে গেছে। এসব বিষয়ে সংসদে খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন। পুঁজিবাজারসহ সামগ্রিক অর্থনীতি নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য একটি দিন নির্ধারণের জন্য স্পিকারকে পরামর্শ দেন তিনি।
মেনন বলেন, কথা ছিল তিন মাস পরপর বাজেট বাস্তবায়নের প্রতিবেদন সংসদে উত্থাপিত হবে। সে বিষয়ে কোনো অগ্রগতিই দেখা যাচ্ছে না। পরে অন্য একটি প্রসঙ্গে বক্তব্য দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যে অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকের প্রতিবেদন সংসদে উত্থাপন করা হবে।

হাসানুল হক ইনু বলেন, খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত প্রতিবেদনে শেয়ারবাজারে কারসাজির বিষয়ে যাদের চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের গ্রেফতার করে জেলে পুরতে হবে। তিনি বলেন, তারা যদি সরকারের অংশ হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রীর উচিত তাদের অবশ্যই সরকার থেকে বের করে দেওয়া। ইনু বলেন, পুঁজিবাজা%3
78049
চিটাগং থেকে শফিকুর রাহমান লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৯:৩৫
এই লোকটা কেন যে পাঠকের মন্তব্য গুলু পড়েনা,বুঝিনা। বয়স হলে যে মানুসের এই দশাই হয়। ভারতের দালাল আর নব্য রাজাকার, পতনের আওয়াজ শুনতে পাও না ? রয়েছো আওয়ামী হয়ে, মানুস হলে না। আপসোস!
78051
কিশোরগন্জ থেকে সৈয়দ শামীম লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১০:৩২
তোফায়েল, মেনন ও ইনু হয় তারা জানে, জাতির সামনে আই ওয়াশ করার জন্য সংসদে শেয়াল বাজারের আলোচনা এনেছে। আর যদি না জানেন তবে তাদেরকে ধন্যবাদ দিবো। সেই জানা-অজানা বিষয়টি হলো,"শেয়ার বাজার যারা লুট করেছে, তারা তাদের গা বাঁচানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয় তনয়কে লুটের বিশাল অংশ ভাগ দিয়েছে।" প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী বিষয়টি জানে। এই প্রধানমন্ত্রী বলেছে,'আমি শেয়ারবাজার বুঝি না।" অর্থমন্ত্রী ঠেলা খেয়ে বলেছে, ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত রিপোর্ট অনুয়ায়ী অপরাধীদের গ্রেফতার করা সম্ভব নয়। আর এই কারণেই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের রাস্তায় প্রতিবাদ করতেও দেয়া হয় না।
78057
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১১:২৭
Dear A.G.C,
আমি বিএনপি-রাজনীতির সমর্থক নই! যাচাই করি, তাদের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সুস্থতা ফিরে এসেছে কি না!------ You have every right to criticize any kind political decisions made by BNP and at the same time you have absolute right to judge whether BNP is following democratic principals or not? Now question to you, what kind of measuring scale you are going to use to judge BNP is following democratic principals or not? Are you going to use Baksal or BAL measuring scale? For your kind attention, do not use Baksal scale because people of Bangladesh already buried Baksal scale. If you are using BAL scale then result will be very confusing. Because there is no difference between Baksal and current BAL scale. If you are really interest to get the correct result then you have to free your mind from evil thinking. But that will be impossible for you. I know you are an evil genius and you love to attack BNP and Jamat from all the directions to satisfy your personal desire. Some times it is very difficult to count the ways of your attack because it is coming from many directions. Your attack is coming like massive poisonous chemical spraying. So far you have failed to present any solution for our nation rather your article is causing political cancer for the nation. Definitely your attack will not going to neutralize BNP and Jamat popularity but surely will energize your blind followers. On the other hand your attack against BNP and Jamat is not going save your beloved boat from sinking.--
বিএনপি সামরিক কালচারের রাজনীতির লেগাসি ত্যাগ করে গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বাভাবিক ও সুস্থ ধারায় ফিরে আসবে- এটা আমার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বিএনপি শুধু আমার নয়, দেশবাসীরও এই প্রত্যাশা পূর্ণ করেনি।--------Dear A.G.C, it does not matter BNP is a democratic party or nightmare for you, for your kind information BNP is an internationally recognized democratic party. If you are confused you can ask your country of host (UK) to find out BNP is a democratic party or not if you are truthful.
সাবেক বুরোক্র্যাট এবং চিন্তাবিদ আকবর আলি খানকে আমি শ্রদ্ধা করি। তিনিও এখন বলছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দরকার। ইয়াজউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে তিনি তো একজন প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন। তাঁকে এবং আরো কয়েকজন সদস্যকে তখন পদত্যাগ করতে হয়েছিল কেন? ---- What happen? Why you do not want to speak any more about MR. Akbar Ali Khan? Are you scared or he is not a easy target for you?
ড. কামাল হোসেনের মতো বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দুই নম্বর মানসপুত্রও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জোর দাবি তুলেছেন—Now Mr. Kamal is a bad guy for you because you people can not buy him any more but once upon a time he was angle to you. What a self hater? You people can curse your mother if your mother criticize your party opinion. What a political insane? ---- একটি ব্যর্থ ও কলুষিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় হাসিনা সরকারের ফিরে যাওয়া উচিত হবে না। তবে বিএনপির চক্রান্তের খেলা ভণ্ডুল করার জন্য কোনো ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থায় বর্তমান সরকার যদি আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়, তাহলে তা অন্য কথা। My dear it does not matter how you are going to hide your evil desire, at the end of the day it will come out because it is stinks. ম্যাডামের ভাষণ শুনে হাসব, না কাঁদব? At the end do not listen to Madam Zia what she says, just listen what Madam Hasina says and stop dividing the people of Bangladesh. Stop attacking BNP and Jamat falsely. Stop manufacturing lies and accept BNP as a democratic party and at this age do some thing for the unity of this nation. Let people of Bangladesh decide the fate of BNP. I pray sincerely to Almighty for your long life to see the full sinking of your beloved boat.
78060
নোয়াখালী থেকে জাবের লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:৪১
ওরে,,,,,,,,
তোরা সব জয় ধ্বনি কর,
তোরা সব জয় ধ্বনি কর,
ঐ নৌকার মাঝি মারা গেল, আবদুল গাফফার।
78064
ঢাকা থেকে কবি লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০৩:২৯
প্রায় চল্লিশ বছর যাবৎ তুমি বরফের সমুদ্রে ডুবে আছো।তাই তোমার জানা নেই বাংলাদেশে ('যে দেশ তোমার স্বদেশ নয়') এখন চাইলেই শুধু ছেলের নয়,মেয়ের হাতের মোয়াও পাওয়া যায়।তুমি শুধু মুড়ির মোয়ার কথাই জানো,তুমি জানোনা চিড়ার মোয়া, নারকেলের মোয়া,মুড়ি+চিড়া+নারকেলের মোয়ার কথা।অবশ্য তুমি তোমার প্রিয়-ডলার মোয়া,পাউন্ড মোয়া,ইউরো মোয়া, রুপি মোয়া,ইত্যাদি ইত্যাদি ভিন্ন স্বাদের মোয়া খেয়ে তৃপ্ত এখন।আমি অবাক হয়েছি তুমি আকবর আলী খান কে শ্রদ্ধা করো,এটা জেনে। তুমি অবাক হয়েছো তিনি তত্বাবধায়ক সরকার দরকার এমন দাবি করায়।প্রশ্ন করেছো তিনি তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হয়ে পদত্যাগ করেছিলেন কেনো।সহজ উত্তর,মেরুদন্ড।যা তোমার এবং তোমার মতো অনেকেরই নেই,আকবর সাহেবের আছে।ইদানীং তুমি এবং তোমার মতোদের বাহবা পাবার জন্য কথিত 'সর্বজন শ্রদ্ধেয়' বিচারপতি হাবিবুর রহমান বলছেন,অসভ্য জাতির জন্য নাকি এই ব্যাবস্থা।অথচ তিনি যখন এই অসভ্য দের 'সর্দার' হয়ে নব্বই দিন বাংলাদেশের সর্দারী করেছিলেন,তখন সেটা সভ্য ছিলো।বাংলাদেশের সাধারন জনগন এখন নতুন এক মোয়া বানাচ্ছে।সেই মোয়া খাওয়ার আমন্ত্রন জানাচ্ছি তোমাকে।
পূনশ্চ:
ঠাকুর ঘরের তোমাদের স্বাদ গ্রহন করা সেই সুস্বাদু কলার সাথে এখন যুক্ত হয়েছে আরও নানান পদের,নানান জাতের কলা।
যেমন:কাঁচকলা,বিচিকলা,আইট্টাকলা ইত্যাদি বিচিত্র দেশি কলা।
78071
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০৩:৩০
ei porjontyo tottabodhayok sorkarer odhine khaleda je koita nirvachone hariache sob goolike karchoopi boliyache. uni abaaro harile bolibeena granti khoothai?
78072
১০
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে মোহাম্মদ নোমান লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:৩৭
পাগলের সাথে থাকিলে ভাল মানুষও এক সময় আবোল তাবোল কথা বলে পাগলামী করে তবে মাঝে মাঝে এইসব পাগলের মুখেও সত্য ও ভাল উক্তি বাহর হয়ে আসে। যেমন: আগাচৌ বিএনপির সুস্থ রাজনীতির কথা স্বীকার করিল। তবে আগাচৌ ভূলে যাচ্ছে যে বাংলাদেশে বাকশালের পর সুস্থ রাজনীতির একমাত্র জনক হচ্ছে বিএনপি। শুধু সুস্থ রাজনীতি নয় বরং বাকশালের মাধ্যমে বিলুপ্ত আওয়ামী লীগের জনকও বিএনপি। সূতরাং যেই সন্তান পিতাকে সম্মান করে না বা করতে জানেনা সেই সন্তানকে বেয়াদপ বলতে হয় সেই দিক থেকে বিচার করিলে আজকের আওয়ামী লীগ হচ্ছে বিএনপির বেয়াদপ সন্তান।
যুদ্ধাপরধ বিচারের জন্য সরকারের বিরোদ্ধে এখন সরকারের লোকেরাই আন্দোলন করতেছে। আওয়ামী লীগের পুষ্যপুত্র "ঘাদনীর" গরম গরম কথা, পেটুয়া লোভী ও জাতীর শ্রেষ্ট সন্তানদের কলঙ্ক কিছু চেহেরাও রাস্তায় দেখা যায় গরম গরম কথা বলছেন। আওয়মী লীগ যদি প্রকৃত পক্ষে যুদ্ধাপরাধের বিচার করতো তাহলে আজ তাদের নেতা কর্মীরা রাস্তায় নামতে হতোনা। বেগম জিয়া যুদ্ধপরাধ বিচার বাঞ্চাল করার ষড়যন্ত্র করছে গর্ধব আগচৌ এর কথা যদি সত্য হয় তাহলে আজ প্রায় এক বছর ধরে ঘাদানী ও ঐ কলঙ্কিতরা সহ আওয়ামী নেতা কর্মীরা (সন্তান) খোদ তাদের পিতার (সরকার) বিরোদ্ধে আন্দোলন করছে কেন?
78084
১১
কাতার থেকে মূর্ত লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:১৩
সাইদির বিরুদ্ধে গোপা স্বাক্ষী গুলো কাজের না, বাচ্চা পোলাপাইনের মত মিথ্যা বলে ধরা খেয়ে যায়। কেন যে টিপুরা আগাচৌ কে স্বাক্ষী বানাচ্ছেনা বুঝলামনা, স্বাক্ষীদের এই দুর্দিনে জাতি এখন আগাচৌ এর মত কঠিন মিথ্যাবাদী দরকার, উনি থাকলে গোপালদের পড়া মুখস্ত হয়নি বলে স্কুল পালাতে হত না। আরব্য রজনীর মত প্রতিদিন সবাইকে নিত্য নতুন গল্প বানিয়ে শোনাতে পারতেন ............
78086
১২
রিয়াদ থেকে হোছাইন আহমাদ লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:০৯
আগাচৌর মত লেখকের লেখা পড়ার চেয়ে বসে বসে ঝিমানো অনেক ভালো। জাতীয় মিথ্যাবাদী হিসাবে তাকে নোবেল দেয়ার প্রস্তাব করছি।
78090
১৩
London থেকে Lunik লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১০:৩১
সরকার জনপ্রিয়তা হারালেও মেয়াদয়োত্তীর্ণ না হলে কোন নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বলার দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠিত করা ঠিক হবে না, কারণ এই প্রকৃয়া তাহলে পৌণঃপুণিক ভাবে ঘটতে থাকবে এবং দেশে একটি সুস্থ গণতান্ত্রীক রাষ্ট্রব্যবস্তার দৃঢ় প্রচলন বিলম্বিত হবে। যে কোন দায়িত্বশীল বিরোধী দলেরই কর্তব্য হবে সাংবিধানিক প্রকৃয়ার মাধম্যেই প্রতিবাদ জানানো। দেশে অশান্তির মাত্রা বাড়িয়ে কোন পক্ষই লাভবান হবেন না, বরং দেশের ক্ষতি হয়ে যাবে।

অন্য একটি প্রসঙ্গ:
এই নিবন্ধটির কোন এক জায়গায় গফ্ফার সাহেব লিখেছেন: "... এটা কুঁজোর চিত হয়ে শুয়ে চাঁদ দেখার শখ করার মতো"। গফ্ফার সাহেব বিলেতে থাকেন। He should have known better. এ দেশে প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে সকলেই অনুভবনশীলতা দেখিয়ে থাকেন। মনে হচ্ছে যে এখানে এত দিন কাটিয়ে-ও গফ্ফার সাহেব তাঁর চিন্তা-ভাবনার দীণতা কাটিয়ে উঠতে পারেননি।
78101
১৪
london থেকে DR IMTIAJ HOSSAIN লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১১:২২
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন আলেম। সারা বিশ্বের মানুষ তাকে চিনে। তিনি জীবন ভর অন্যায় অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছেন যা বিশ্ববাসী জানে। তিনি জামায়াতে ইসলামী করার কারণে বর্তমান সরকার তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলেছে। বাংলাদেশের মানুষ জানে মাওলানা সাঈদী কখনো মানবতাবিরোধী অপরাধের মত কোন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। সরকার দলীয় কর্মীদের সাক্ষী বানিয়ে মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে শত শত পৃষ্ঠার মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে। যা ইতিহাসের জঘন্যতম মিথ্যাচার। একতরফাভাবে অভিযোগ গঠন করে প্রমাণ করেছে এ ট্রাইব্যুনাল নিরপেক্ষ নয়। এটা দলীয় লোক দিয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের নামে আওয়ামী ট্রাইব্যনাল ।


কুলাংগার শাহরিয়ার কবির আর তাদের প্রেতাত্বরা অচিরেই ধরাশয়ী হবে ইনশাল্লাহ, কারা স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি তা জনগন বুঝতে শুরু করেছে। পাল্টা বিচার তাদেরই হবে। সেই আদালত গঠন সময়ের অপেক্ষায়।
78105
১৫
montreal থেকে farid লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০১:৪৫
I like this. To me Agachou is a very dirty comedian..
78113
১৬
USA থেকে Shaikh Selim লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০২:২৫
আ গা চৌ এর লেখা পড়ে এত মন্তব্য করার কোন মানে হয় না।
78116
১৭
United kingdom থেকে Mohammad khan লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৫:৫১
Mr Chaudhury, We everyone know you are awami leg agent of RAW. we never expect you will write something in favour of BNP and in favour of the Country. you living in the UK but still you are not civilised.
78119
১৮
Switzerland থেকে Mazharul Alam Mollah লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৬:৫৫
বাংলাদেশের মত একটি দরিদ্র দেশের জাতীয় নির্বাচন ব্যয় কত? তা কি আপনারা সকল সচেতন পাঠকেরা জানেন? খালেদা জিয়া বলবে আর শেখ হসিনা ক্ষমতা ছেড়ে দিবে অতঃপর একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে, মধ্যবর্তী নির্বাচন দিবে খালেদা জিয়া পংক্ষীরাজ ঘোড়ায় চড়ে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতার মসনদে আসীন হবে । দুদিন পর আবার শেখ হসিনা বলবে,খলেদা জিয়া ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হবে ।আবারো ইয়াজদ্দিন টাইপ তত্ত্বাবধায়ক সরকার,দাঙ্গা হাঙ্গামা নাটক থিয়েটার অতঃপর মঈনুদ্দিন ফকরুদ্দীন অবশেষে পুনরায় মধ্যবর্তী নির্বাচন ।আবার নতুন সরকার আবারো আন্দোলন,গনঅভ্যুথ্থান,তত্ত্বাবধায়ক,মধ্যবর্তী নির্বাচন!!!!কী দেশটাকে কি আপনারা মঘের মুল্লুক পেয়েছেন?টাকা কি বাংলাদেশে আসমান থেকে পতিত হয়?একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসে পাঁচ বৎসর মেয়াদে।এই পাঁচ বৎসর সরকার ভাল মন্দ যা কিছু করবে জনগন তার বিচার করবে পরবর্তী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে। কিন্তু তার পূর্বেই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সরকারকে পদত্যাগ করতে বলা,গনঅভ্যুথ্থান ঘটিয়ে সরকার পতনের হুমকি দেয়া এগুলি কোন ধরনের গনতান্ত্রিক সংবিধানে লেখা আছে?আঁতেল পাঠকদের কাছে এটা আমার প্রশ্ন এবং খালেদা জিয়ার কাছেও আমার কয়েকটি প্রশ্ন আছে তা হল,ম্যাডাম আপনি জানেন কি??গনঅভ্যুথ্থান কাকে বলে,কত প্রকার ও কি কি????আপনাকে অনেকবার শিখানো হয়েছিল ।হাসিনা ম্যাডামই আপনাকে শিখিয়েছিলেন। এবার কি তার পরীক্ষা দেয়ার চেষ্ঠা করছেন?কিন্তু আপনাদের এই রাজনৈতিক পরীক্ষা পাশের প্রতিযোগীতায় নিরীহ জনগনকে যেভাবে বলীর পাঠা বানাচ্ছেন তার পরিণতি ভালো হবেনা।
78120
১৯
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৯:৩৫
বাজাদল (বিএনপি) ক্ষমতা দিয়ে কি করবো ? কি জন্য তাদের ক্ষমতা দরকার ? আবার কি তারা খাম্বা পুতবো ? বিরুধী দলের উপর বোমা- গ্রানেড মারবো পোষা জংগি দিয়া ? দেশের আনাচ কানাচ জংগি দিয়া ভরাইয়া ফালাইবো আবার সেই সাথে সুসাইড বোমা হামলা প্রগতিশীলদের উপর। আবারো কি হাজার হাজার বাংলা ভাই পয়েদা হইবো ? আবারো কি সেই অস্ত্র চোরাচালান ? আবার কি আরেক ইয়েসউদ্দিন, আরেক ইলেকশন কমিশনার আজিজ অথবা ২ কোটি ভুয়া ভোটারের আমদানি ? আবারো কি হাজার হাজার সুটকেস সৌদি আরবে পাচার। আবারো কি সেই হাওয়াই যুব রাজের লুট পাট অথবা জংগি দিয়ে বিরুধী নেত্রীকে হত্যার চেষ্টা তার পর আরেক জরজ্‌ মিয়া কাহিনী? এই গুলো আবার করার জন্য কি বাজাদল মরিয়া ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ?? দেশকে তালেবানি রাজ্য বানাবার কত শখ তাদের-- আহারে বাজাদল আহারে !!!!!
78122
২০
মাদরাসা মোড়, নাটোর থেকে আবু লাবীব লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১১:৫৭
আগাচৌ. ''লন্ডনে এখন আমরা একেবারে বরফের সমুদ্রে ডুবে আছি।''
ভুলেও দেশে আসার চেষ্টা করবেন না। এলে আপনার যা কর্মকাণ্ড তাতে বরফহীন বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরই ভরসা।
78132
২১
ঢাকা থেকে জাহাঙ্গীর লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০২:৫৮
১৯ নং বালের (বা. আ, লীগ) কর্মী?
জংগী বাহিনী তো আওয়ামীলীগ তৈয়ার করেছিল, বি,এনপিকে বেকায়দায় ফেলার জন্য। জংগী বাহিনীর প্রধান ছিল যুবলীগের সেক্রেটারী মির্জা আযমের দুলাভাই। সেই রহমানকে ইন্ডিয়া থেকে হাসিনাই ট্রেনিং দিয়ে এনেছিল। শায়ক রহমানসহ তার সব সহযোগীকে খালেদা সরকার ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল। সেনাবাহিনীর যে কয়জন সদস্য তাকে ধরেছিল, তাদের প্রতি মির্যা আযম টার্গেট করে রেখেছিল। সেই ক্রোধ মির্যা আযম বিডিয়ার বিদ্রোহের নাম করে দুলাভাইকে আটককারী সেনা কর্মকর্তাসহ ৫৭ জনকে হত্যা করেছে। টুডে-টুমরো এর বিচার হবে।
তোমরা ভবি&
78139
২২
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:২৯
ঢাকা থেকে জাহাঙ্গীর
চট্টগ্রামে একটা কথা প্রচলিত আছে " না পারতে জিউরী বিয়া" বিএনপি জামাত যাহারা এক সময় বলিয়াছিল বাংলা ভাই বলিয়া কিছু নাই .
সব বিরুধী আর মিডিয়ার সৃষ্টি. যাহাদের নিয়া বিএনপি এমপি অস্ত্র নিয়া মিছিল করিয়াছিল . হটাত তাহাদের এমন কি দরকার হইয়াছিল এদের ধরার জন্য? আসলে এদের না ধরিলে ওই সময় বিএনপি এর জারিজুরি বাহির হইবার ভয়ে বিএনপি ওই কাজ করিতে বাধ্য হইয়াছিল. আর মির্জা আজোমের বোনের বিয়া উনার বাবা ইস্কল পড়ুয়া নাবালক পুত্রকে জিজ্ঞাসা করিয়া দেইনাই. আর ভারত আজকাল শয়েক কে ও শিক্ষা দেই নাকি? ভারতের কোন ইস্কললে কত সনে দিয়াছিল একট কুলাসা করা কি দরকার না. ? অনেক অনেক দিন আগের কথা এক দেশে এক বনিক ছিল পদ্য এই জমানায় আর চলেনা.
78145
২৩
সৌদিআরব থেকে মোহাম্মদ আলী লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১০:৩১
এই লেখক পাঠকের যত গালি খায়, আমার মনে হয় আমার জীবনে আর কোন লেখককে এত গালি খাইতে দেখি নাই।
আশাকরা যায় পাঠকরা একটু রহম দিলে গালির পরিমাণ কমিয়ে আনবেন।

তবে মনে হয় উনার চামড়া গন্ডারের চাইতেও শক্ত তাই সহ্য করতে পারছেন। আমরা হলে তো তা পারতাম না।
78163
২৪
cyprus থেকে yakub khan লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১২:৫৬
জনাব, বি এন পি র সমালোচনা করেছেন ধন্যবাদ।বিলেতে এখন প্রচুর শীত বাংলাদেশে গিয়ে একটু বেড়িয়ে আসুন না আরাম পাবেন আপনার পছন্দের ভয়ংকরলীগ তো এখন ক্ষমতায়।আ সলে বাংলাদেশর জন্য কি আপনার মায়া লাগে ন? কি খারাপ কাজ করে দেশ ত্যাগ করেছেন যে আসতে লজ্যা পান।
78173
২৫
Netrokona থেকে Majhimalla লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:২১
Dear Abdul Gaffar Chowdhury, I have some very simple questions to you. These are: 1) Can you explain why was Rokkhi Bahini formed during post liberation war? 2) Why was Baksal established? 3) What were the causes behind emerging underground parties in between 1973-1975? 4) Why was no action taken against India when it constructed Farakka Barrage? 5) Why was Gazi Golam Mostafa the then Red Cross Chairman called "the thief of blankets of relief"? 6) Why did Awami League secretly participate in 1986 election leaving behind other opposition parties alone in the dark? At present 7) What is your comment on India's unilateral decision to construct barrage in Tipaimukh? 8) Why do you not say something on present government's myterious stand while BSF killing & harrasing our people at borders mercilessly without any reason? 9) Why is the govt. keeping on increasing the prices of gas, edible oil, diesel, petrol, electricity, Wasa etc. every now & then? 10) Why are all sorts of procession, demonstration and movement of the opposition parties specially by BNP banned? 11) What is your assessment on current share market which already destroyed us, who took this billions of money (pls don't say BNP took)? 12) What is your opinion on the statements made out of sense by some of the ministers & advisors of the present govt. in various public concerns? Please try to upgrade your mindset andfeel the pain of general mass of Bangladesh. Otherwise people like you will eventually loose credibility of writing articles for people.
78225
২৬
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:৪২
মোহাম্মদ আল
kobita ta ki mone aache? kukurerkaj kure koreche----------. razakar nijei jokhon ekta gali tokhon razakar dhormer onusharider gali ke bhoy paaileki islam rokkh koraa jaai?
78232
২৭
ইউ এ ই থেকে ""বিপ্লব"" লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১০:২০
ছোট মুখে বড় কথা মানায় না।
78242
২৮
new york থেকে manick choudhury লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৫:৪৮
Thank you mr.# 18 and #19 for your writtings.and you mr.abdul g.choudhury for your writting.I think AL should not give any chance to BNP for their Ma Baree's Abdar ( care taker gov.).
78259
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
সাংবাদিক ও কলামিষ্ট

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy