সম্প্রতি সৌদি আরবে খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আট বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রকাশিত খবরে জানা যায় এ আটজন বাংলাদেশী সৌদি আরবে একটি গুদামে ডাকাতি করতে গেলে সেখানে পাহারারত মিশরীয় নাগরিককে খুন করে। এ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা তারা আদালতে স্বীকার করে। আদালতে তাদের কথা ভালোভাবে তুলে ধরার জন্য দোভাষীর ব্যবস্থা করে। সর্বশেষ আদালত তাদেরকে হত্যার শাস্তিস্বরূপ হত্যা করার রায় প্রদান করে। সর্বশেষ প্রকাশ্যে তাদের শিরচ্ছেদ করে। যা কিসাস আইন নামে পরিচিত।
শিরচ্ছেদের ঘটনায় বাংলাদেশের প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবি ও মানবাধিকার কর্মীরা তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা এ রায়ের শাস্তি ও শাস্তির ধরনকে বর্বোরোচিত, ন্যাক্কারজনক ও মধ্যযুগীয় আচরণ বলে অভিহিত করে। তারা মনে করেন একজন লোককে হতার কারণে আটজন লোককে হত্যা ও হত্যার ধরণ সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এমনকি এ শাস্তি থেকে বাংলাদেশের লোকজনকে রক্ষা করতে না পারার কারণে আদালতে রিট প্রিটিশন আবেদন করে। আদালত ও সরকারের প্রতি রুল জারি করে। মোটকথা বাংলাদেশে এখন এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।
আমরা যদি এ দেশের প্রেক্ষাপট সামনে আনি তাহলে দেখতে পাই যে এ ধরনের শাস্তির প্রয়োজন কতটুকু আছে। এদেশে প্রতিনিয়ত খুন হচ্ছে। তাও আবার বিভৎস কায়দায়। লাশকে সমানে টুকরো টুকরো করা হচ্ছে। এর প্রধানতম কারণ হল হত্যার বিচার না হওয়া। এদেশে বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে। কোন ক্ষেত্রে যদি বিচার হয় তাও দেখা যায় যে নিম্ন আদালতে দেয়া রায় হাইকোর্টে বাতিল হয়ে যাচ্ছে। আবার হাইকোর্ট সাজার রায় বহাল রাখলেও রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় অপরাধী পার পেয়ে যাচ্ছে। ফলে খুন করতে খুনীরা দ্বিধাবোধ করছে না। এমতাবস্থায় যদি কিছু লোকের শাস্তির বিনিময়ে অন্য সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় তাহলে সমস্যা থাকার কথা নেই। আর প্রকাশ্যে ভয়ানক শাস্তি প্রদানের উদ্দেশ্য হল সবাই যেন এ ধরনের শাস্তি কার্যকর হওয়া থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সংযত রাখে। তাহলে এ আইনকে বর্বর আইন বলার কোন যৌক্তিকতা থাকতে পারে না।
এখন দেখা যাক, সৌদি আরব কিসের উপর ভিত্তি করে এ আইন প্রণয়ন ও বিচারকার্য করেছে। সৌদি আরবে এ বিচারকার্যের ভিত্তি ছিল শরীয়া আইন। যার উৎস হচ্ছে আল কুরআন। আল কুরআনে এ ধরনের শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে ,‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য নরহত্যার ব্যাপারে কেসাস এর আইন লিখে দেয়া হয়েছে, স্বাধীন ব্যক্তি কাউকে হত্যা করলে তাকে হত্যা করে কেসাস কেসাস নেয়া হবে। ক্রীতদাস হত্যাকারী হলে এ হত্যার বিনিময়ে তাকেই হত্যা করা হবে। কোন নারী এ অপরাধ করলে তাকেই হত্যা করে কিসাস নেয়া হবে। অবশ্য কোন হত্যাকারীর প্রতি তার (নিহতের) ভাই যদি কিছু নম্র ব্যবহার (ক্ষমা) করতে প্রস্তুত হয় তবে প্রচলিত ন্যায়নীতি অনুযায়ী রক্তপাতের প্রতিবিধান হওয়া আবশ্যক এবং নিষ্ঠাও সততার সাথে রক্তপাতের বিনিময় আদায় করা হত্যাকারীর অবশ্য কর্তব্য......। (সূরা আল –বাকারা:১৭৮)
বাংলাদেশের প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবিরা সরকার দন্ডপ্রাপ্ত লোকজনকে রক্ষা করতে সৌদি আরবের বাদশাহের নিকট কেন আবেদন জানায়নি সেজন্য ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে। অবশ্য সরকার আবেদন জানিয়েছে। তবে শরীয়া আইনে আমরা দেখে এর কোন অধিকার সরকারকে প্রদান করা হয়নি। প্রদান করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির আত্মীয়দেরকে। যা এ আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্যও বটে। বাংলাদেশে আমরা দেখি যে রাষ্ট্রপতি কিছুদিন আগে আবু তাহেরের ছেলে বিপ্লবকে খুনের দন্ড থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার তাদের মর্মবেদনার কথা প্রকাশ করেছে। সে মতে সৌদি আরবের সরকার নিহত ব্যক্তির পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা ক্ষমা প্রদান করতে রাজি হয়নি। সেজন্য তাদের কোন কিছু করার অধিকার ছিল না।
সেজন্য কিসাসের আইন কোনোভাবেই বর্বর আইন বা মধ্যযুগীয় আইন বলা যায় না। বরং কিসাসের আইনের মধ্যে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা রয়েছে। একটি উদাহরণ দিয়ে তা পরিষ্কার করব। নাটোরে গামা হত্যার সাথে জড়িত ২২ জনকে আদালত দন্ড প্রদান করে। কিন্তু তারা রাষ্ট্রপতির নিকট থেকে ক্ষমা পেয়ে যায়। এর কিছুদিন পরেই সেখানে খুন হয় বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবু। যাকে সেসময় মানুষ আগের দন্ডের থেকে লোকজনের ক্ষমা পাওয়ার ফল বলে অভিহিত করে। অতএব যে কোনো বিচারে কিসাসের আইন বর্বর আইনের আওতায় পড়ে না। বরং মানুষের জীবনের রক্ষাকবচ বলে বিবেচিত হয়। কুরআনও তাই বলেছে, হে জ্ঞানীরা! আর কিসাসের আইনের মধ্যে তোমাদের জন্য জীবন নিহিত রয়েছে। (বাকারা:১৭৯)
মানবাধিকার কর্মী আর বুদ্ধিজীবিদের কাছে এটা অজানার বিষয় নেই। তারা কেবল কুরআনের বিধান বলে এর বিরোধিতা করছে। যার কোন ভিত্তি নেই। কিছু সংখ্যক লোককে বাঁচানোর জন্য অতি উৎসাহ দেখালেও মানবতাকে রক্ষা করতে এদের কোন প্রচেষ্টা কিংবা সাধ্য নেই।
টিকা: কিসাসের আইনে যাদের শাস্তি হয়েছে তাদের পাপের শাস্তি হয়ে গেছে। তারা এজন্য পরকালে কোন সাজা ভোগ করবে না। তারা পবিত্র।
জীবন দিয়ে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন করায় পরকালে তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে।
Thanks Mr.Abdur Rahman for presented a nice article, which are based on facts and figure. Keep writing.....
From Sonarbangladesh, dated on 01.04.2010
২০০৭ সালে এক মিশরীয় লোককে পিটিয়ে হত্যা করেছিল ১০/১২ জন বাংলাদেশীরা, তার পিছনেও ছিল বৈদ্যুতিক তার চুরি সংক্রান্ত বিবাদ। সেই থেকেই আরব সংবাদ মাধ্যমে এর প্রচার হতে থাকে, বিশেষ করে সৌদী আরব ও মিশরের পত্র পত্রিকা ও টেলিভিশন মাধ্যম।
কিছু বাংলাদেশী অন্যায় করে তা সত্যি, কিন্তু প্রচার মাধ্যম সমস্ত বাংলাদেশীদের অন্যায় ভাবে অপরাধী বলে চিহ্নিত করতে থাকে। এমনকি ২০০৮ এর প্রথম দিকে বাংলাদেশ বিরোধী ওয়েব সাইট খুলে যা তিন/চার সপ্তাহে আশি হাজার আরববাসী বাংলাদেশী বিরোধী মন্তব্য বা অপকর্মের বর্ণনা ঐ ওয়েব সাইটে আসে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালে সৌদী শ্রম মন্ত্রী ঐ দেশের মজলিশে সুরা বা সংসদের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশীদের কিছু পেশার ভিসা বন্ধ করে দেন। আসলে তারপর থেকে অঘোষিত ভাবে আর কোনো ভিসাই হচ্ছেনা।
আমাদের জাতির দুর্ভাগ্য কিছু সংখ্যক লোকের পাপের প্রাশ্চিত্ত আমরা ২০/২৫ লক্ষ লোক আজ এদের দৃষ্টিতে অপরাধী। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কোন সরকারি কর্মকর্তা সৌদী আরবে আসেনি। পত্র পত্রিকা, টেলিভিশন ও ওয়েব সাইটের এই ঢালাও সমালোচনা এক প্রকার বিনা প্রতিবাদে চলছে। বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে একটি হালকা প্রতিবাদ সৌদী গেজেটে এসেছিল।
আমি নিজের বিবেকের তাড়নায় উজ্জীবিত হয়ে সৌদী গেজেট তাং ৮-২-২০০৮ এবং আরব নিউজ তাং ৯-২-০৮ এবং মি. মেজবাউদ্দিন জওহের আরব নিউজ তাং ৪.৩.০৮ প্রথম প্রতিবাদ বা আত্মরক্ষা যাই বলুন লেখা পাঠাই এবং পত্রিকা আমাদের লেখা হুবহু প্রকাশ করেছে। আমাদের এই সামান্য চেষ্টার মাধ্যমে অন্তত এই দুটো পত্রিকার মিলিয়ন পাঠককে আমাদের বক্তব্য পৌঁছে দিতে পেরেছি। পর্যায়ক্রমে আমাদের পক্ষে কিছু লেখা এসেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আরব নিউজের সুলেখক মি. তারিক এ. আল মায়েনা এক উপসম্পাদকীয় লিখেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে অগাধ ধারণা না থাকলে এমন অপূর্ব প্রতিবেদন লেখা সম্ভব নয়, যা প্রকাশিত হয় ১২.৪.০৮ তাং।
These are the few lines from my article at SONARBANGLADESH, which was published on 01.04.2010.
I am going to write the real fact about the unfortunate beheaded 8 persons in Saudi Arabia very soon. Our some media & some intellectuals are given some short of negative information about this misfortune accident. We have to accept the reality, not to be emotional. Now some printing media became very friendly for expatriates, but actuality are some thing else, like when we some expatriates tried to write the problems of expats in some Bengali papers in Bangladesh to get the kind attention of our goverment, we always ignored or rejected. Please do not try to show too sympathy for us, which will be worst in other way around. We must respect the law of the host country.
69875
২
Jeddah থেকে Abdul Kader লিখেছেন,
১৮ অক্টোবর ২০১১; রাত ০২:১৪
Thanks Mr.Abdur Rahman for writing a nice article, even you are living in our motherland, far away from us. Your sympathy is really an excellent example for our so called political leaders, which are their duty towards us. We expatriates are allways expect
that from our so called leaders but nothing happened so far.
69938
৩
Jeddah থেকে Abdul Kader লিখেছেন,
১৮ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০২:০৬
Comm:-1
Dear Mir bhai,
I am a regular reader of your articles. I became a reader, because your brave writing at Saudi Gazette and Arab News about the expatriates Bangladeshi, which were really affective writing for those days, when we were almost guardianless in a foreign country. On behalf of Bangladeshi you play a wonderful,excellent and charismatic role, which must be play by our embassy or government, but you did first that job, and we some follow you as a ommentators or writers. I salute Sonarbangladesh to give us a space to express our oppinion. Once again I salute Mir bhai as well to show us the road. We are always waiting some things from you for the welfare of the Bangladeshi communities in this Holy land,Saudi Arabia. We always with you Inshallah, Allah will solve our suffering brothers..
I thak Mr. Abdur Rahman bhai as well for his contribution for our communities.
69965
৪
ঢাকা থেকে শিকদার দস্তগীর লিখেছেন,
১৯ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৪:২৫
বাংলাদেশের তথাকথিত বুদ্ধি ব্যবসায়ীরা যেভাবে কথা বলছেন, তাতে আমার আশংকা- সৌদি আরবের এত বড় শ্রম বাজার শেষ পর্যন্ত হারাতে হতে পারে বাংলাদেশকে । উনারা এখন কেন এত কথা বলছেন ? ৫ বছর ধরে বিচার চলছিল। ১ জনকে মারতে যদি ৮ জনই দোষী না হবে, তখন আপনারা কেন তাদের হয়ে কথা বলেন নি ? কেন যুক্তি সহ প্রমাণ করতে পারেন নি- যে তারা নির্দোষ ? বিচারের রায় হয়ে যাবার পর কেন এখন নাকে কান্না ? এসব নাটকের মানে কি ? মানে কি এটাই, যে এখনো আরো আট লাখ বাংলাদেশী শ্রমিক সেখানে জীবিকার্জন করছেন, তাদেরকে সৌদি আরব ফেরত পাঠিয়ে বাংলাদেশকে আরো পংগু করে দিক? কেউ কি ভাবছেন সে কথা একবারও ? যদি ফেরত পাঠিয়ে দেয় তখন উনারা কি করবেন ? তখন কি উনারা এই বেকার লোকদের পূণর্বাসন করতে পারবেন ? ছাল নাই কুত্তার, বাঘা তার নাম। দেশটাকে এভাবে নির্বেধের মত পংগুত্বের দিকে ঠেলে দেবেন না দয়া করে । এমনিতেই কি যে হতে যাচ্ছে- তা কে জানে ?
70052
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
From Sonarbangladesh, dated on 01.04.2010
২০০৭ সালে এক মিশরীয় লোককে পিটিয়ে হত্যা করেছিল ১০/১২ জন বাংলাদেশীরা, তার পিছনেও ছিল বৈদ্যুতিক তার চুরি সংক্রান্ত বিবাদ। সেই থেকেই আরব সংবাদ মাধ্যমে এর প্রচার হতে থাকে, বিশেষ করে সৌদী আরব ও মিশরের পত্র পত্রিকা ও টেলিভিশন মাধ্যম।
কিছু বাংলাদেশী অন্যায় করে তা সত্যি, কিন্তু প্রচার মাধ্যম সমস্ত বাংলাদেশীদের অন্যায় ভাবে অপরাধী বলে চিহ্নিত করতে থাকে। এমনকি ২০০৮ এর প্রথম দিকে বাংলাদেশ বিরোধী ওয়েব সাইট খুলে যা তিন/চার সপ্তাহে আশি হাজার আরববাসী বাংলাদেশী বিরোধী মন্তব্য বা অপকর্মের বর্ণনা ঐ ওয়েব সাইটে আসে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালে সৌদী শ্রম মন্ত্রী ঐ দেশের মজলিশে সুরা বা সংসদের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশীদের কিছু পেশার ভিসা বন্ধ করে দেন। আসলে তারপর থেকে অঘোষিত ভাবে আর কোনো ভিসাই হচ্ছেনা।
আমাদের জাতির দুর্ভাগ্য কিছু সংখ্যক লোকের পাপের প্রাশ্চিত্ত আমরা ২০/২৫ লক্ষ লোক আজ এদের দৃষ্টিতে অপরাধী। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কোন সরকারি কর্মকর্তা সৌদী আরবে আসেনি। পত্র পত্রিকা, টেলিভিশন ও ওয়েব সাইটের এই ঢালাও সমালোচনা এক প্রকার বিনা প্রতিবাদে চলছে। বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে একটি হালকা প্রতিবাদ সৌদী গেজেটে এসেছিল।
আমি নিজের বিবেকের তাড়নায় উজ্জীবিত হয়ে সৌদী গেজেট তাং ৮-২-২০০৮ এবং আরব নিউজ তাং ৯-২-০৮ এবং মি. মেজবাউদ্দিন জওহের আরব নিউজ তাং ৪.৩.০৮ প্রথম প্রতিবাদ বা আত্মরক্ষা যাই বলুন লেখা পাঠাই এবং পত্রিকা আমাদের লেখা হুবহু প্রকাশ করেছে। আমাদের এই সামান্য চেষ্টার মাধ্যমে অন্তত এই দুটো পত্রিকার মিলিয়ন পাঠককে আমাদের বক্তব্য পৌঁছে দিতে পেরেছি। পর্যায়ক্রমে আমাদের পক্ষে কিছু লেখা এসেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আরব নিউজের সুলেখক মি. তারিক এ. আল মায়েনা এক উপসম্পাদকীয় লিখেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে অগাধ ধারণা না থাকলে এমন অপূর্ব প্রতিবেদন লেখা সম্ভব নয়, যা প্রকাশিত হয় ১২.৪.০৮ তাং।
These are the few lines from my article at SONARBANGLADESH, which was published on 01.04.2010.
I am going to write the real fact about the unfortunate beheaded 8 persons in Saudi Arabia very soon. Our some media & some intellectuals are given some short of negative information about this misfortune accident. We have to accept the reality, not to be emotional. Now some printing media became very friendly for expatriates, but actuality are some thing else, like when we some expatriates tried to write the problems of expats in some Bengali papers in Bangladesh to get the kind attention of our goverment, we always ignored or rejected. Please do not try to show too sympathy for us, which will be worst in other way around. We must respect the law of the host country.