রবিবার, ২৩ মাঘ ১৪১৯; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:৫৭ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
শেয়ার মূল্য কতটুকু নামতে পারে? (৩০/০১/২০১২)
কেন বিনিয়োগ হচ্ছে না ভেবে দেখুন (২৩/০১/২০১২)
বাংলাদেশ কি অর্থনীতির সোনালি দিনগুলো পেছনে ফেলে এসেছে? (২৯/১২/২০১১)
ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ নিয়ে ভাবনা (২৬/১২/২০১১)
সুদের নির্যাতন থেকে জনগণকে বাঁচান (২৫/১২/২০১১)
ডাক্তারি পেশা ও হাসপাতাল ব্যবসাকে তদারকির মধ্যে আনুন (১৯/১২/২০১১)
শক্তিশালী ও কার্যকর এসইসি চাই (১৭/১২/২০১১)
আপনারা যাঁদের বৃদ্ধ বলছেন, তাঁদের জন্য ভাবুন (০৫/১২/২০১১)
বাংলাদেশ যেভাবে অর্থনৈতিক সংকটে প্রবেশ করছে (০৩/১২/২০১১)
শেয়ারবাজারের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ এবং প্রসঙ্গ কথা (২৮/১১/২০১১)
সীমিত আয়ের লোকেরা কষ্টে আছেন (২৭/১১/২০১১)
সংকট মোকাবিলার পথ হলো ব্যয় কমানো (২১/১১/২০১১)
বাংলাদেশ না চাইলে ভারত ট্রানজিটের মূল্য দেবে কেন? (১৯/১১/২০১১)
স্বার্থপরতার পুঁজিবাদ শুধু আঘাতই হানবে (১৭/১১/২০১১)
জনগণকে বেশি ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে (১৫/১১/২০১১)
ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য কমছে কেন (০৪/১১/২০১১)
শেয়ারবাজার : রেগুলেটর এসইসি এখনো ভুল করছে (৩১/১০/২০১১)
শেয়ারবাজার : বিনিয়োগকারীরা চরম আস্থাহীনতায় (৩০/১০/২০১১)
অর্থনীতির অবস্থাও ভালো যাচ্ছে না (২৫/১০/২০১১)
যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল ঋণ ও বিশ্বব্যাপী ডলার আতংক (২২/১০/২০১১)
শেয়ারবাজার কার্যকর রাখুন অর্থনীতির উপকার হবে (১২/১০/২০১১)
শেয়ারবাজার যখন পড়ে, তখন কোনো যুক্তি মানে না (১০/১০/২০১১)
বারাক হুসেন ওবামা এক ব্যর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট (০৮/১০/২০১১)
সারা বিশ্ব স্বর্ণের পেছনে ছুটছে কেন (০১/১০/২০১১)
ডাক্তারদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনার পদ্ধতি এটা নয় (২৬/০৯/২০১১)
স্বাস্থ্যসেবা বনাম জবাবদিহিতা (২৬/০৯/২০১১)
শেয়ারবাজার ছিল বলেই ব্যাংক কম্পানির ডিরেক্টররা এত ধনী হতে পেরেছেন (১৯/০৯/২০১১)
আরব বিশ্বের এই পরিবর্তন ঐতিহাসিক (১৭/০৯/২০১১)
ভারত বন্ধু বটে, তবে শক্ত বন্ধু (১৬/০৯/২০১১)
শেয়ারবাজার : রেগুলেটর এসইসি যেসব ক্ষেত্রে ভুল করছে (১২/০৯/২০১১)
আগের লেখা
748


শেয়ার মূল্য কতটুকু নামতে পারে?

আবু আহমেদ

অনেকেই এই প্রশ্নটি আমাকে জিজ্ঞেস করে। আমি বলি নামতে পারে, আবার বাড়তেও পারে। উত্তর শুনে অনেকে বলেন_এটা তো এমন উত্তর হলো, ট্রেন আসতেও পারে, নাও আসতে পারে। আমি বলি হ্যাঁ, অনেকটা সে রকমই। আপনার শেয়ারবাজারে যদি কোনো কারণে অর্থের জোগান বাড়ে, তাহলে শেয়ারের মূল্য বাড়বে, আর একই কারণে যদি অর্থের জোগানের কমতি হয়, তাহলে শেয়ারের মূল্য পড়ে যায়।

২০০৮-২০১০-এ শেয়ারবাজারে যে মূল্য বাড়ল বা বুদ্বুদ তৈরি হয়েছিল তার মূল কারণ ছিল অর্থের বহুগুণে জোগান। এই অর্থ কারা জোগান দিল? ঋণ বিক্রেতারা, ছোট বিনিয়োগকারীরা, ব্যাংকিং কম্পানিগুলো বা আরো অনেকে। একটা ধারণা তৈরি করা হয়েছিল যে শেয়ার কিনলেই লাভ হবে। এর ফলে না বুঝে অনেক লোক শেয়ার ব্যবসায়ী হতে চেষ্টা করেছে। তাদের মধ্যে অতি নগণ্যসংখ্যক লোক জিততে পেরেছে। প্রশ্ন হতে পারে এই লাখ লাখ লোকের অর্থ গেল কই? সেই অর্থ কথিত আইনিভাবে চলে গেছে যারা আইপিও, ডাইরেক্ট লিস্টিং এবং আগে থেকে অধিকারে থাকা লাখ লাখ শেয়ার বাজারে বেচে দিয়েছে, তাদের পকেটে। ওই বুদ্বুদের বাজারে ৩০ টাকার শেয়ারকে ৩০০ টাকায় বেচা হয়েছে। আজকে অনেকে প্রশ্ন তোলেন এবং অতি সংগত কারণেই তোলেন অত চড়া মূল্যে রেগুলেটর এসইসি বড়লোকদের লাখ লাখ শেয়ারকে বেচতে দিল কেন? সেই একই

প্রশ্ন আমারও। তাই তো বলি যে রেগুলেটর শুধু বড় খেলোয়াড়দের পক্ষে কাজ করে, সেই রেগুলেটরের কোনো দরকার নেই। যেদিন দেখবেন আপনার অর্থনীতিতে তিনটি লোক জনপ্রিয় হওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন, তখন বুঝে নেবেন সামনে সমূহ বিপদ আসছে। ওই তিনটি লোকের মধ্যে এক নম্বর হলো দেশের অর্থমন্ত্রী। তিনি যদি সবাইকে খুশি করার নীতি গ্রহণ করেন, তখন বুঝবেন অর্থনীতি ভালো যাবে না।

আর অন্য দুই ব্যক্তি হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এসইসির চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ ল'জ বা শেয়ারবাজারের আইন ও রেগুলেশন্স ভঙ্গ করার কারণে এ পর্যন্ত কারো জেল হয়নি। এর কারণ হলো এসইসি শক্ত হতে পারেনি। এসইসি আজও অতি দুর্বল প্রতিষ্ঠান। শত শত কোটি টাকা লোপাট হওয়ার পর এসইসি একটা উদ্ধার প্যাকেজ দিল বটে, তবে সে প্যাকেজ কত দিনে কতটা বাস্তবায়ন হয়, সে নিয়ে শেয়ারবাজারের লোকজনের মধ্যে সন্দেহ আছে। বাজার অর্থনীতি এবং এর মধ্যে শেয়ারবাজারের ক্ষেত্রে Expeclation বা আশাবাদ একটা বিরাট ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ মুহূর্তে আশাবাদের স্তর অতি নিম্নে। আর শেয়ারবাজারের ক্ষেত্রে আরো তলানিতে। ফলে প্যাকেজ আপাতত কোনো কাজে আসছে না। তবে আমার বিশ্বাস ,বাস্তবায়ন হলে ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। এবার বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যারা ঋণ করে শেয়ার কিনেছে। তাদের মধ্যে অনেকে নিজের পুঁজিটুকুর সম্পূর্ণ হারিয়েছে। এখন ঋণ বিক্রেতা ব্যাংকগুলো তাদের পাওনা ঋণ ফেরত দেওয়ার জন্য ওই সব বিনিয়োগকারীকে তাড়া করছে।

শেয়ারবাজারে একটা কলঙ্কময় অধ্যায় ঘটে গেছে। সে কলঙ্কের মোচন কিভাবে হবে, সেটা ইব্রাহিম খালেদের রিপোর্টে কিছুটা বলা হয়েছে। যাক, অন্য এবং আসল প্রসঙ্গে আসি। বলা হচ্ছে শেয়ারবাজার আর কত নামতে পারে। এই প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর নেই। তবে একটা উত্তর আছে, বর্তমানের ৫০০০-এর সূচকেও কিছু শেয়ার অতিমূল্যায়িত। বলতে পারেন শেয়ারটির মূল্য তো মাত্র ২৪ টাকা, এটা কিভাবে আবার অতি মূল্যায়িত? হ্যাঁ, এই মূল্যেও একটা শেয়ার অতি মূল্যায়িত হতে পারে। আবার ২৫০ টাকারও একটা শেয়ার অতি মূল্যায়িত নয়। শেয়ারের মূল্য কিভাবে নির্ধারিত হয় বা কত মূল্য হওয়া উচিত, সে নিয়ে অনেক অনেক লেখা ও গবেষণা আছে। অনেক লোকই সেগুলো পড়ে এবং ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করে।

আমাদের লাখ লাখ শেয়ার বিনিয়োগকারীর কিন্তু আর্থিক বিবরণী এবং অন্য তথ্য পড়তে জানে না। ফলে অনেকে হুজুগে-গুজবে বেশি মূল্যে শেয়ার কিনেছে এবং আজও কিনছে। মনে রাখবেন অর্থের সুযোগ হার বা Opportunity Cost বলতে একটা কথা আছে। অর্থ যদি অন্য খাতে বার্ষিক ১৫ শতাংশ আয় করতে পারে, তাহলে শেয়ারবাজারে ৮-১০ শতাংশ আয় করার জন্য অবশ্যই আসবে না। আপনার অর্থনীতিতে এখন সুদের হার কত? দুই বছর আগে কত ছিল? এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে তখনই নতুন অর্থ আসবে, যখন শেয়ারবাজার থেকে রিটার্ন আনুপাতিক বর্ধিত হারে পাওয়া যাবে। আপনাদের শেয়ারবাজারে সেই বর্ধিত হারে রিটার্ন পেতে হলে কত মূল্যে শেয়ার কিনতে হবে? অবশ্যই আগের তুলনায় কম মূল্যে। অর্থের জন্য কোনো কোনো বাজার প্রতিযোগিতা করে? বলতে গেলে সব বাজারই। তবে শেয়ারবাজারের লোকদের জন্য বেশি প্রতিযোগিতা করছে টার্ম ডিপোজিট বা মেয়াদি আমানত।

এ অবস্থায় যেকোনো বিবেকবান লোকই অর্থের Opportunity Cost দেখবে। আর কম্পানিগুলো যেসব তথ্য দেয়, তার সবগুলো কি বিশ্বাসযোগ্য? আমরা তো শেয়ারের মূল্যের ক্ষেত্রে EPS বা শেয়ার প্রতি আয়কেই বেশি প্রাধান্য দিই। কিন্তু সব কম্পানির ক্ষেত্রে একই EPS দেখলে একই মূল্যে শেয়ার কেনা কি ঠিক হবে? মোটেই না। এ ক্ষেত্রে সাদামাটা উত্তর হলো কোনো কম্পানির ক্ষেত্রে EPS-এর ১৫ গুণেও শেয়ার কেনা যাবে, আর কোনো কম্পানির ক্ষেত্রে ১০ গুণেও কেনা যাবে না। কেন যাবে না, সে অনেক কথা। সত্যিকার অর্থে যারা প্রফেশনাল, তারা অন্তত জানার কথা কেন যাবে, আর কেন যাবে না।

আমার একটা পরামর্শ হলো, শেয়ারবাজারের অত খুঁটিনাটি বিষয় যদি না জানেন তবুও শেয়ারবাজারে থাকতে চান, তারা 'ভালো' শেয়ার কিনে বাজার আপাতত ত্যাগ করতে পারেন। তবে শেয়ার কেনার জন্য ওয়ারেন বাফেটের নীতিই হলো উত্তম। Warren Buffet বলেছেন, সবাই যখন শেয়ার কেনে, তখন আমি শেয়ার বেচি, আর সবাই যখন বিক্রয় করে, তখন আমি কিনি। অন্যভাবে তিনি বলেছেন, সবাই যখন ভীত, তখন আমি সাহসী, আর সবাই যখন অতিসাহসী, তখন আমি ভীত। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও অনেক অনেক কেলেঙ্কারি সংঘটিত হয়েছে। তবে তারা কেলেঙ্কারি থেকে যে Fall Outহয়, তা নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করে। অনেকের শাস্তিও হয়।

অনেক সংস্থা সেই বাজারেও সংঘটিত হয়েছে। তবুও তাদের অর্থনীতিতে কেলেঙ্কারির শেষ নেই। শেয়ারবাজার মন্দা তাতে কী? তারা কেলেঙ্কারি করছে সাবপ্রাইম বাজারে। আজকে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ঠিক করতে অনেক সময় লাগবে। এখন রিপাবলিকান ধনীদেরও অনেক পছন্দের প্রেসিডেন্ট ওবামা। কারণ তিনি গরিবের স্বার্থকে বিকিয়ে দিয়ে সেখানে ধনী তোষণে ব্যস্ত।
[সূত্র : কালের কণ্ঠ-৩০/০১/১২]
http://www.sonarbangladesh.com/articles/AbuAhmed
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
গাজীপুর থেকে আনিসুর লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১২; দুপুর ০২:১৬
বুঝেছি চাচা মিয়ার কম্পানি এখনও নিরাপদ নয়।
77557
sylhet থেকে pothik লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:২৫
purono kotha notun kore bolchen..
77571
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; রাত ০২:১২
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি (আরটিএনএন ডটনেট)-- পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতনে সর্বস্ব হারিয়ে কাজী লিয়াকত আলী (৪০) নামে এক বিনিয়োগকারী আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার সকালে রাজধানীর গোপীবাগের মিশন রোড এলাকায় বাসার কক্ষে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। নিহতের স্ত্রী শহীদ নবী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা তাহমিনা বেগম সাথী সাংবাদিকদের বলেন, জমি বিক্রি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছিলেন লিয়াকত। পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনে বেশ কিছুদিন ধরেই প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন তিনি (লিয়াকত)। গতকাল রোববারের দরপতনে তার বিনিয়োগকৃত সব পুঁজি শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন নিহতের স্ত্রী সাথী। নিহতের শ্বশুর শামসুল হক মল্লিক জানান, লিয়াকত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা খুইয়েছে। লিয়াকত আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক সিকিউরিটিজ হাউজ ও জয়তু সিকিউরিটিজে লেনদেন করতেন বলেও জানান তিনি। উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে গত বছর থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক দরপতনের জের ধরে গতকাল রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ সূচক ৪ হাজার ২০০ পয়েন্ট নিচে নেমে যায়। এর ফলে বিনিয়োগের প্রায় সব পুঁজি খোয়া যায় নিহত বিনিয়োগকারীর।------
Dear writer,
With due respect, ----শেয়ারবাজারে একটা কলঙ্কময় অধ্যায় ঘটে গেছে-----This kind of looting by our mafia syndicates in the name of stock market (blood sucking concept) is not new rather very old practice. Problem is, those who think, they are trying to educate the people with honest advice, in fact they are inflicting more harm on the people. The concept of share market is totally based on casino structure. In this structure money, local, foreign and ruling power plays fundamental role and rest of us Bolir Phatha. We are all watching in front of our eyes. I do not want to go for details. Let us make our own decision. Let us say no to stock market otherwise there is no exit door. Only door of exit is not to participate in it. I know we all want to earn money easy way? So, it will be very hard for us to ignore this trap (stock market). Nature of casino is to attract people. More people play more they make money. So they need some kind of bate to encourage the people to join. For that, they use as bate free ride to casino, some cases they will provide free hotel to spend night, and facilitating instant loan those who already robed. Same way share market also use bates to encourage people and we know what type of bate they use. In reality the word casino has replaced with the word stock market but objective remain the same (looting people’s wealth and money). Like casino in the share market very few (untouchable and invisible) will rip the fruits and majority will sacrifice their every thing. Those who are promoting and encouraging our innocent people to invest in stock market, in fact they are the part of this casino structure and they are also making money directly or indirectly. Definitely they have their hidden personal interest. They can make money by providing advice, by selling their book make and save guarding the concept of share market. We have to be very careful those who are advising us under the title of economist or economic think tank. They are not my enemy and I respect them. There is a difference, earning respect and buying respect. Only truth is the source to earn respect on the other hand money and power is the source to buy respect. Let our respected think tank decides which source they are looking for to earn their respect truth or money and power???
With due respect, Mr. Warren Buffet did not come from different planet. Is there any difference between X country capitalist and Y country capitalist? Is there any difference between X country blood sucker and Y country blood sucker? Nature of blood suckers are the same only difference is in color and method. Thank you.
77587
ঢাকা থেকে জসিম লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১০:৫৫
স্যার সেই মেয়েটির কি হবে?
তার বাবা কোটিপতি ছিলেন। শেয়ার ব্যবসা করে হয়েছেন ফতুর। ঋণের জালে আটকা পড়ে আত্মহত্যা করে পালিয়েছেন।
77754
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৭:০৬
Dear writer,
For your kind attention. Another BOLI.
শেয়ারবাজার কেড়ে নিল আরও একটি প্রাণ। ঢাকার পর এবার চট্টগ্রামেও আত্মহত্যা করলেন এক বিনিয়োগকারী। অব্যাহত দরপতনে পুঁজির সর্বস্ব হারিয়ে গতকাল সকালে আত্মহত্যা করেন দিলদার হোসেন (৫৫)। নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন শহীদ সাইফুদ্দীন খালেদ সড়কে ভাড়া বাসায় গলায় কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি
77810
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy