অনেক দিন যাবত লেখালেখি করা হচ্ছে না। কেন লিখছিনা, তার জবাবও নাই। ছোটবেলায় পাঠকের মৃত্যু নামে একটি লেখা পড়েছিলাম যে এক পাঠক একসময় যে বইটি পড়ার জন্য পাগল ছিলেন পরে একদিন সে বইটি হাতে কাছে পেয়েও পড়তে তেমন আগ্রহ বোধ করেন নি কারন তাঁর ভিতরের পাঠকের মৃত্যু হয়েছে।
আমরা পাঠকের মৃত্যুর কথা শুনেছি লেখকের মৃত্যুর কথা শুনিনি। তবে তারপরও লেখকেরও মৃত্যু হতে পারে। আমার সেই লেখক মনের হয়তো মৃত্যু হয়েছে সেটাই হয়তো লেখালেখী বন্ধ করে দেয়ার প্রধান কারণ।
বাংলাদেশে এখন যা চলছে তাতে লেখকের মৃত্যু হলেও কোন মানুষ মৃত থাকতে পারেনা। আমি নিশ্চিত বাংলাদেশে এখন যা চলছে তা যদি কোন মরা মানুষ শুনতে পারেন তাহলে হয়তো কবর থেকে লাফ দিয়ে উঠে আসতে সচেষ্ট হবেন।
না, বিষয়টা এজন্য নয় যে বাংলাদেশে এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, যা ইচ্ছা তা করে যাচ্ছে। জামায়াতকে একহাত দেখানোর চেষ্টা করছে। নিজামী, মুজাহিদ, সাইদীকে জেলে পুরেছে। কয়দিন পর, বি.এন.পিকে বাকি হাত দেখানোর চেষ্টা করবে।
না, এজন্য আমার সামান্যতমও মাথাব্যাথা নাই। আর মাথাব্যাথাটা নাই এজন্যও নয় যে, আমি জামায়াত বিরোধী, কিংবা জামায়াতের প্রতি আমার কোন দরদ নাই।
বিষয়টা সেটা না, বিষয়টা হলো আমার জানি এটাই রাজনীতি। আজ আমার কাল তোমার। আমি পুরনো কাসুন্দি টেনে এসে কারো বিরক্তি আনতে চাইনা যে। আজ আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধী (!) জামায়াত নেতাদেরকে একহাত, দু'হাত কিংবা দশহাত কিংবা এক গজ দশ গজ দেখানোর চেষ্টা করলেও এই সেদিনই জামায়াত আওয়ামী লীগে দহরম মহরম আর পিরিতি ছিল। শুধু ছিল নয়, আমি হলফ করে বলতে পারি অচিরেই আবার এই সেই পিরিতি হবে। এর চে' ঘনিষ্ঠও হতে পারে। কেউ কেউ বিবাহ বন্ধনেও আবদ্ধ হতে পারে। এব্যাপারে আমার পাঠকদের কারো কোন সন্দেহ থাকলেও আমার কিন্তু এক বিন্দুও সন্দেহ নাই।
রাজনীতির এই পিরিত আমার শত শত বইতে পড়েছি, পত্রিকায় দেখেছি আজ রাজনীতির ইতিহাসে সচক্ষে অবলোকন করেছি।
সুতরাং আবার আগের কথায় ফিরে আসি, বাংলাদেশের রাজনীতিতে হাসিনা সরকার জামায়াতের সাথে যে আচরণ করছে সে ব্যাপারে সত্যিই আমার তেমন একটা মাথা ব্যাথা নাই।
জামায়াতের একটু কষ্ট হচ্ছে। কারণ জামায়াত একটু জোরাইয়া গিয়াছে, কিংবা হাসিনার দৃষ্টিতে বেশী বাড়াবাড়ী করিতেছে তাই জামায়াতকে ডান্ডা মেরে ঠান্ডা করার মন্ত্র একটাই সেটা হলে সেই পুরাতন যুদ্ধাপরাধ বড়ি।
এখন প্রশ্ন হলো আওয়ামী লীগ সরকার মাওলানা সাঈদীর মত একজন জবরদস্ত আলেমের সাথে যে বেতমিজি আচরণ সে ব্যাপারে যদি আমার মাথা ব্যাথা না থাকে তাহলে মাথা ব্যাথাটা আসলে কোথায়।
আমার মাথা ব্যাথার কারণটা বলার আগে কবি আল মাহমুদের একটি কবিতার কথা মনে পড়ে গেল। একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যখন অসহনীয়ভাবে সন্ত্রাস এবং খুনাখুনিতে লিপ্ত হলো, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনে দুপুরে ডাকাতি হতো তখন তিনি একটি কবিতায় লিখেছিলেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি তাহলে ডাকাতদের গ্রাম?"
কবি আল মাহমুদই সম্ভবত আরো একজায়গায় লিখেছিলেন, একটা জাতির শিক্ষাব্যাবস্থায় যদি পচন ধরে তাহলে সে জাতির আর কোথায়ও পচন ধরতে বাকি নেই।
সম্মানিত পাঠক, আমার মাথাব্যাথাটা ঠিক সেখানেই। হায়! হায়, সর্বনাশ। ছি! ছি! আমরা কোথায় আছি আর কোথায় যাচ্ছি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় পচন ধরা শুরু হয়েছে অনেক আগে। বুদ্ধিজীবিদের মাথায় পচন চলছে অনেকদিন থেকে। বুদ্ধিজীবিরা নীতি আদর্শ জলাঞ্জলী দিয়ে কলমবাজি করে বিদেশী পয়সার কাছে নিজেদের বিবেককে বিক্রি করে দিয়েছেন।
তারপর যখন একজন আইনজীবিকে দেখলাম বিচারকের দরজায় লাথি মারতে, সুপ্রিম কোর্টের মধ্যে লাঠিয়ালদের মত মারামারি করতে। তারপর দেখি সেই লাথিবাজ আইনজীবিকে বিচারক নিয়োগ দিতে। সেই বিচারকদেরকে আবার যখন দেখি পেশি শক্তি দেখাতে রাজনৈতিক দলের মত আচরণ করতে তখন ভাবি সর্বনাশ!!
শুধু কি তাই! এই বিচারকদের কারনে আদলতের মর্যাদা হয়ে পড়ে ভঙুর, টলটলায়মান। লেখক সাংবাদিকদেরকে জেলে পুরে আদালতের টলটলায়মান মর্যাদা রক্ষা করতে হয়ে। হায়রে সরকার! হায়রে আইনজীবি, হায়রে বিচারপতি! হায়রে টলটলায়মান আদালত অবমাননা।
তবে হ্যাঁ, একটি কথা আমাকে আজ বলতেই হচ্ছে। আমি অনেকটা নিশ্চিত আমাদের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী আমার মত চুনোপুটির এই লেখা পড়ার প্রশ্নই আসেনা। তবুও বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন কল্যাণাকাংখী হিসেবে, মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীকে একটু দোয়া করতে চাই, পরামর্শ দিতে চাই, স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।
আপনাকে তো আমি আরো অনেক অনেক বেশী স্মার্ট মনে করেছিলাম। আপনি এত তাড়াতাড়ী ইতিহাসকে ভুলে যাচ্ছেন কেন!!! তাজ্জবের কথা!!
মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ। আপনার পিতা মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপনার চেয়ে অনেক অনেক বেশী জনপ্রিয় ছিলেন, বি.এন.পি জামায়াত যাই বলুক না কেন, আপনি ভোট ডাকাতি করেছেন কিনা তা আমি জানিনা, যেভাবেই পান না কেন আপনি যা ভোট পেয়েছেন তারচে' অনেক অনেক বেশী ভোট পেয়েছিলেন আপনার বাবা। ৯৭% ভোট নয় শুধু তাঁর জন্য এদেশের মানুষ তাহাজ্জুদ পড়ে দোয়া করেছিলেন। শুধু তাই নয় মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, স্মরণকালের সত্যকথা হলো, আপনার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আপনার চে' অনেক অনেক বড় মাপের রাজনীতিবিদ ছিলেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে মরহুম বঙ্গবন্ধুর কাছে আপনি নস্যি। বঙ্গবন্ধুর শক্ররাও রাজনীতিবিদ হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা করবেন। আপনি তাঁর কন্যা হতে পারেন, তাঁর কন্যা হিসেবে আত্ন অহংকারে গদগদ হতে পারেন; তারপরও চিরন্তন সত্য কথা হলো রাজনীতিবিদ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কাছে আপনি কিছুই না। রাজনীতিবিদ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর কাছে খালেদা জিয়াও কিছু্ই না, এরশাদও না এমনকি জিয়াও নয়।
কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বা আপনারা স্বীকার করুন আর নাই করুন, বুঝুন আর নাই বুঝুন এটাও ঐতিহাসিকভাবে দিবালোকের মত সত্য কথা যে, আপনার সেই মহা ক্ষমতাধর পিতা ১৯৭৫ সালে সপরিবারে করুণভাবে নিহত হবার পর এদের মানুষ ইন্নালিল্লাহ ও পড়েননি। না, পড়েননি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনি স্বীকার না করেন সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু এটাই চরম এবং পরম সত্য।
শুধু তাই নয় মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী, আদর্শিকভাবে যেই বাম গুরুরা আজ আপনার উপর সওয়ার হয়েছে। আমার হাসি আসে, সত্যিই হাসি আসে, এমন হাসি ঠিক এমুহুর্তে আমার ঠোটে হাসি এসে গেল। হায়, হায় আপনার এত বোকা, এত বেকুব।
সমাজতন্ত্র? সত্যি বলছেন, সত্যি বলছেন? এই ২০১০ সালে? ১৯৭১ সালে সেই সমাজতান্ত্রিক মাকাল ফল খুবই সুন্দরী রমনী ছিল, যে কোন যুবককে পাগল করে দিত। সেই সুন্দরী সমাজতান্ত্রিক মাকাল ফলের প্রেমে গদগদ হয়ে কত যুবক প্রাণ দিয়েছে সেটাও কি আবার মনে করিয়ে দিতে বলছেন। সর্বনাশ, না, না, আমি আমার পাঠক এত অশিক্ষিত ভাবি না। ১৯৭১ সালের সময় সমাজতান্ত্রিক সেই বুলির যে জীবন ছিল অনেক, লক্ষ লক্ষ যুবক জীবন দিয়েছিল। সে সময় মেধাবী ছাত্র মানেই মার্কস লেলিনের লাল বই বগলদাবা করতে গর্বিত ছিল। ডায়ালেকটিক মেটেরিয়ালিসম, দ্বান্ধিক বস্তুবাদ, উদয়ন, মস্কো, সোভিয়েত ইউনিয়ন এসবই ছিল মোহনীয়।
আজ সেই সমাজতন্ত্র বস্তাপঁচা ভুল মতবাদ। যেই অর্থনৈতিক মুক্তিই সমাজতন্ত্রের মুল কলেমা, কার্লমার্ক্সের সেই স্বাপ্নিক মতাদর্শ, দাস ক্যাপিটাল একটি পচা পুরনো বই। আর সেই বস্তাপঁচা সমাজতন্ত্রিরা ১৯৭১ সালে আপনার পিতার মত একজন মহান নেতার সর্বনাশ করেছিল। আজ চল্লিশ বছর পর খোদ রাশিয়ায় যে সমাজতন্ত্রের কবর হয়ে গেল সেই সমাজতন্ত্র বাংলাদেশে???!! বাকশাল?? !! কি বললেন বাকশাল??
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আসলে জানেন কি। আজ হঠাৎ করে আমি কলম ধরলাম কেন। আমার এই জজবা আসলো কোথা থেকে। মূল ব্যাপারটা হলো, আজকে ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে আমি এখানকার পাবলিক লাইব্রেরী থেকে পানামার নরিয়েগা সম্পর্কে একটা ডকোমেন্টারী ডিভিডি এনে দেখলাম। বড়ই করুনা হলো বেচারা নরিয়েগার কথা ভেবে। বড় বুশ বদমাশ কিভাবে বডডো বেইমানী করলো নরিয়েগার সাথে। কিভাবে নরিয়েগাকে গর্তে ঢুকিয়ে ফান্দে ফালায়। কিভাবে ১৯৬০ সাল থেকে তাকে বেতন দিয়ে দিয়ে পুষতে থাকে আর শেষে পানামার হাজার হাজার নিরিহ মানুষকে হত্যা করে।
মনে পড়ে গেল বেচারা সাদ্দামের কথা। বুশ বদমাশ কিভাবে তাকে কুয়েত দখলের দিকে এগিয়ে দেয় তারপর গ্যাড়াকলে আটকে দেয়।
না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনি। আপনার পিতার মত একসময়ের এত জনপ্রিয় এত ক্ষমতাধর শাসকও ক্ষমা করেনি।
উপসংহারঃ আপা, আমি আওয়ামী লীগ করিনা। কোনদিন করিনি। ভবিষ্যতেও করবো বলে কোন সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয়না। আওয়ামী লীগ বা আপনার কাছ থেকে কোন লাইসেন্স, বা কোন কিছু বাগিয়ে নেয়ার মতলবও নাই। তবু আপা, আপনার জন্য একটু মায়া হয়। যখন আপনার বাবার ইতিহাস পড়ি, চিন্তা করি, নরিয়েগার কথা ভাবি, সাদ্দামের কথা ভাবি, চেরনেনকোর কথা ভাবি, ইন্দিরা গান্ধির কথা চিন্তা করি আপনার জন্য খুবই ভয় হয় আমার। আপা আমি সরি, আপনাকে অসম্মান করছিনা, তবে সত্য কথা কি তাঁরা সবাই আপনার চেয়ে অনেক অনেক বেশী স্মার্ট ছিল, অনেক অনেক শক্তিশালি ছিল, জনপ্রিয়তা কম ছিলনা। আপা একটু চিন্তা করেন। সত্যি, আপনার জন্য খুব ভয় হয় আমার।
ধন্যবাদ লিখককে এমন একটি সুন্দর, যুক্তিপূর্ণ এবং ঘুম ভাঙানিয়া লিখার জন্য। তবে, যাদের ঘুম ভাংগাতে চাইছেন, তাদের কি ঘুম ভাংবে? আপনার মতো আমারো ভয় হচ্ছে, হাসিনা আপার জন্য। দোয়া করি, আল্লাহ আমাদের সবাইকে সে কঠিন সময়ে হুঁসে জ্ঞানে যাতে রাখেন।
37013
২
কানাডা থেকে সাদাদুল লিখেছেন,
১০ অক্টোবর ২০১০; রাত ০৩:৩৬
আবু সাইদ মাহফুজ এর আপা, হোমো এরশাদের আবার বোন। দেখা যাক তেল ব্যাবসায় দুইজনের মধ্যে কে প্রতিযোগিতায় জেতে।
ভাই মাহফুজ, আপনার আপাকে এমন কচি খুকুমনি কেন ভাবছেন যে "সত্যি তার জন্য আপনার খুব ভয় হচ্ছে"? আপনার ভয় হওয়ার কোনই কারন নাই। ভারত আপনার এই আপার দেখভাল করার দায়িত্ব নিয়েছে।
আপনার এই আপা, খোপার ভেতর, মুখের ভিতর সাপ লুকিয়ে রাখে। আপনি তা জানেন কি?
37087
৩
banani থেকে rohan লিখেছেন,
১০ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৯:১৭
''কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বা আপনারা স্বীকার করুন আর নাই করুন, বুঝুন আর নাই বুঝুন এটাও ঐতিহাসিকভাবে দিবালোকের মত সত্য কথা যে, আপনার সেই মহা ক্ষমতাধর পিতা ১৯৭৫ সালে সপরিবারে করুণভাবে নিহত হবার পর এদের মানুষ ইন্নালিল্লাহ ও পড়েননি।না,পড়েননি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আপনি স্বীকার না করেন সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু এটাই চরম এবং পরম সত্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনি। আপনার পিতার মত একসময়ের এত জনপ্রিয় এত ক্ষমতাধর শাসকও ক্ষমা করেনি। সত্যি, আপনার জন্য খুব ভয় হয় আমার''। এসব সত্যি কথা কেন লিখেছেন ভাই। আপনার খবর আছে।ওরা আপনাকে চিনতে পারলে লগি বৈঠা দিয়ে সাপের মত পিটিয়ে মারবে।
37110
৪
uk থেকে Samad লিখেছেন,
১০ অক্টোবর ২০১০; রাত ১১:৩৩
আমি প্রধানমন্ত্রীর মুখে থুথু নিক্ষেপ করি যে মাওলানা সাইদী কে ১০০% মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে রেখেছে। আমি রাজনীতি কে ঘৃনা করি শুধু এই ধরনের হিংসা বিদ্ধেশ দেখে। যেখানে আইনের শাসন নাই, সেই দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে কিবাবে? প্রতিদিন কত মন্তী এমপি ইংলেন্ড আমেরিকা বেড়াতে যান, তবুও আমার দেশ কে তাদের মত সাজানোর কোন চিন্তা নেই।
37187
৫
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে এম. এইচ উদ্দিন লিখেছেন,
১১ অক্টোবর ২০১০; রাত ১২:৪৯
আস্ সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
জনাব লেখক আপনার লেখাটি আমার ভাল লেগেছে । জানেন বাংলাদেশের মিডিয়াতে যারা কথাবার্তা বলে তাদের ব্যাপারে কোন বিন্ধু পরিমান আস্থা নাই্ আর আর বিশেষ করে আওয়ামীলীগের লোকেরা কি জিনিস তা আমার ভাবতে খুব কষ্ট লাগে যে এরা আসলে কি? কি চায় তারা বাংলাদেশটাকে কি বানাতে চায় ওরা? হাসিনা কি আসলেই ভুলে গেছে যে তাকে একিদিন মরতে হবে আর দুনিয়ার সকল অন্যায় আর অবিচারের হিসাব আল্লাহর কাছে দিতে হবে।
জনাব লেখক আমি খুব চিন্তা লাগে যে পৃথীবি ৩য় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশ সেখানে মুসলমানের এত অপমান আর ইসলামের এত লাঞ্চনা ??????????
হাসিনা বাঙলাদেশের নিরিহ মুসলমানের উপর কেন এত অবিচার করে কনে তারা ইসলামকে মানিয়া নিতে পারে না? সংবিধান থেকে ইসলাম মুছে সাইবোর্ড থেকে ইসলাম মুছে বোরকা পরিধান করতে নিষেধ করে এটা কিসের আলামত?????????
জনাব লেখক এবং সকল পাঠক-পাঠিকাদের দৃষ্ঠি আর্কষণ করে বলছি আওয়ামীলীগের লোকেরা আসলে কি চায় ? তারা সত্যি কি মানুষ যে মানুষকে আল্লাহ তাঁর খলিফা হিসাবে দুনিয়াতে প্রেরণ করে ছিলেন????????
37194
৬
ফ্রাংফূর্ট, জামার্নী থেকে ত্রস,কোল লিখেছেন,
১১ অক্টোবর ২০১০; রাত ১২:৫৫
তথ্য ভিত্তিক, বাস্তব সম্নত, সময় উপযোগী শিখ্খামূলক। ধন্যবাদ আপনাকে।
37195
৭
ওমান থেকে সন্ন্যাসী লিখেছেন,
১১ অক্টোবর ২০১০; রাত ০১:৫৩
আপনারা সবাই আমরা হাসিনা ফুফুর দোষই দেখলেন। আমি একটা বাস্তব কথা বলি .......
মনে করুন লেখক ভাই আছেন এখন দেশের বাইরে। বাড়িতে আপনার পিতা (ক্ষমতাধর ব্যক্তি), মাতা, ভাইবোন ও অন্যান্যরা আছেন। বাড়ির কোন একটা পরিবারের সাথে আপনার বাবার িবরোধ হল, এবং তা চরম আকার ধারন করল। বিরোধী পরিবার আপনাদের পরিবারের সকলকে হত্যা করল। বাড়িতে আরও যারা আছেন তারা ঘটনা দেখলেন। কোন পতিরোধ প্রতিবাদ কিছুই করলো না।
খুনিত খুনি।
বাড়ির আর পরিবার সম্পর্কে আপনার ধারনা কেমন।
আপনার বাড়ির প্রতি আপনার যত ভালোবাসা থাকনা কেন? আপনি কি বাড়ি আর সকলের ভালো চাইবেন। এতে বাড়ি আপনার বিরান ভূমি হউক..............
বাবারা সবসময় নির্দোষই হন।
শেখ মজিবুর রহমানত আমার দাদা। আমার বাবা যাকে বাবা ডাকেন আমিত তা দাদাই ডাকবো.........
37197
৮
italy থেকে shaheed লিখেছেন,
১১ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৬:৪২
amader PM gege gumussen .take keu jagate parbena.
37209
৯
টরোন্ট, কানাডা। থেকে আব্দুস সামাদ লিখেছেন,
১১ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৮:৪৫
জনাব মাহফুজ সাহেব,
দেশে আদালত অবমানার সাজা আছে। শুনেছি জাতীয় পতাক অবমাননারও সাজা আছে। জাতির পিতা, জাতির প্রধান মন্ত্রী,কে অবমাননা বা অহেতু ভয় দেখানোর
কোন সাজা যদি সংবিধানে থেকে থাকে তাহলে আপনার জন্য আমাদের ভয় হয়।
ধন্যবাদ
37217
১০
লন্ডন থেকে জুনাইদ লিখেছেন,
১২ অক্টোবর ২০১০; রাত ১২:১২
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বা আপনারা স্বীকার করুন আর নাই করুন,
মাওলানা সাঈদী ১৯৯৭ সালের ৭ই অক্টোবর দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকায় বলেছিলেন,
বাংলাদেশের সকল গোয়েন্দা বিভাগ, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, কলামিষ্ট, কে আমার পিরোজপুরে আমন্ত্রন করছি যদি কেউ প্রমান করতে পারেন যে আমি রাজাকার। সংসদ থেকে পদত্যেগ করব। এরপর, ২০০০ সালের ডিসেম্বরে তিনি বলেছেন, যেহেতু কেউ ৩ বছরে মধ্যে কিছু পান নাই, এখন থেকে যারা আমাকে বলবে রাজাকার, তারা পিতৃ পরিচয়হীন অবৈধ সন্তান।
37320
১১
কানাডা থেকে শাহীন লিখেছেন,
১৬ অক্টোবর ২০১০; রাত ০২:২১
অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম।
আবারো লিখবেন আশা করি।
37669
১২
লন্ডন থেকে হাফিজ লিখেছেন,
১৬ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৫:৫৬
আবু সাইদ মাহফুজ সাহেব :
আপনার বস্তা পঁচা ইসলাম এখন জংগী/সন্ত্রাসীদের ধর্ম। সমাজতন্ত্রের বেহুদা সমালোচনা করে খামাখা মুখে ফেনা বের করছেন
37690
১৩
riyadh saudi arabia থেকে asaduzzaman bhuiyan azad লিখেছেন,
১৬ অক্টোবর ২০১০; রাত ১১:৪৫
thanks mr abu saied. please beware of awami dog. awami leaders and supporter all are facist arrogant and lair. they does not care about legal and illegal. may allah bless them.
37787
১৪
ডালাস, টেক্সাস থেকে মামুন লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১০; রাত ০২:৪৭
মাহফুজ ভাই,
অনেক দিন পর লিখতে শুরু করেছেন সত্য, লিখা কিন্তু বন্ধ করবেন না। আপনার মত লেখকদের এই দুঃসময়ে প্রতিদিনই লিখা উচিত। না হয় একদিন যে দেশের মাটি ও বাতাস আমাদের বড় করেছে সে মাটি ও বাতাস খমা করবে না। আপনার লেখা শুরু করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবা্দ। আরো এমন েলখা আশা করছি।
38413
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: