বৃহস্পতিবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৭ মে ২০১২; রাত ১১:৫৭ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
নারী নির্যাতনের হঠাৎ মহামারীর কারণ কি? (০৬/১১/২০১০)
বিরোধী দল নির্মুল অভিযান : সরকারের পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ পরিণাম (১৭/০৭/২০১০)
শাসকগোষ্ঠীর মৃগয়ার নেশা ও আখ ক্ষেতের গল্প (১৪/০৪/২০১০)
লাশ দিয়ে লাশ ঢাকা এবং বাকশালের ফিল্ড টেস্ট (১৫/০২/২০১০)
বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির এপিঠ ওপিঠ (১৫/১২/২০০৯)
কাউন্সিলে খালেদা জিয়ার বক্তৃতা: বিএনপির রাজনৈতিক দর্শন পরিবর্তনের ইঙ্গিত (০৯/১২/২০০৯)
ডিজিটাল টাইমের দুর্ভোগ থেকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি (০১/১১/২০০৯)
অসহিষ্ণুতার মহামারী এবং দুই নেত্রীর সাক্ষাৎস্থান সংকট (০১/১০/২০০৯)
দিন বদলের এক ডজন প্রমাণ (০১/০৮/২০০৯)
বাজেটের সহজ পাঠ (০১/০৬/২০০৯)
জেল জুলুমের ভয়ে চুপসে থাকলে দেশ বাঁচানো যাবে না (১৫/০৫/২০০৯)
দুই সরকারের প্রথম ১০০ দিন (০১/০৫/২০০৯)
একটি প্রোটোটাইপ যুদ্ধ এবং ভবিষ্যতের দুর্ভাবনা (১৫/০৩/২০০৯)
প্রমিত বাংলা কীবোর্ড প্রচলনে সরকারের কি কোন দায়িত্ব নেই? (১৩/০২/২০০৯)
নির্বাচনে কারচুপির সম্ভাব্য পরিকল্পনা এবং তা প্রতিরোধের উপায় (১৫/১২/২০০৮)
নির্বাচন নিয়ে কি কি নীল-নকসা অপেক্ষা করছে? (০১/১২/২০০৮)
৬০ আসনের দলকে জিতিয়ে আনা এবং আগামী পর্বের তৃতীয় শক্তি (১৫/১১/২০০৮)
২৮ অক্টোবর স্মরণ শক্তিমত্ততা ও হিংস্রতার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ (২৮/১০/২০০৮)
নির্বাচনকে ঘিরে কে কি পরিকল্পনা করছে? (৩০/০৯/২০০৮)
খালেদা জিয়ার সামনে তিন চ্যালেঞ্জ (১৬/০৯/২০০৮)
সিটি নির্বাচন রাজনীতিতে কি প্রভাব ফেলবে? (১৬/০৮/২০০৮)
প্রমিত বাংলা কীবোর্ড ছাড়াই কি ফেব্রুয়ারী চলে যাবে? (০৪/০২/২০০৬)
আয়কর ফাঁকি রোধঃ কয়েকটি পরামর্শ (২৭/০১/২০০৬)
ছোঁয়া না ছোঁয়া (গল্প) (১৫/০৭/২০০৮)
রং পেন্সিল হাতে যে মেয়েটি আসবে না (১৬/০৬/২০০৮)
আগের লেখা
1445


নারী নির্যাতনের হঠাৎ মহামারীর কারণ কি?

আহসান মোহাম্মদ

১.

গত মাসখানেকের পত্রিকার দিকে তাকালে মনে হবে হঠাৎ করেই কোন একটা বর্বর বাহিনী তাদের সকল শক্তি ও লাম্পট্য নিয়ে আমাদের মেয়েদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে। পাড়ায় পাড়ায় শুরু হয়েছে ইভ-টিজিং এর মহোৎসব। শত শত মানুষের সামনে জোর করে স্কুলগামী একটা মেয়েকে চুমু দেয়া, রাস্তায় গাছের সাথে প্রকাশ্য দিবালোকে বেধে রেখে বিবস্ত্র করা, বখাটেপনায় বাধা দিলে শিক্ষক কিংবা মেয়েটির মাকে হত্যা করা – এই ধরণের কোন না কোন খবর প্রতিদিনই পত্রিকাতে আসছে।

সকলের মনেই প্রশ্ন উঠছে, মেয়েদেরকে উত্যক্ত ও নির্যাতন করা হঠাৎ করে মহামারী আকার ধারণ করলো কেন?

এই ধরণের দুই-একটি ঘটনা বিশ্লেষণ করলেই প্রশ্নটির উত্তর পাওয়া যাবে।

ত্রিশে অক্টোবরে প্রথম আলোর একটি রিপোর্টে আওয়ামী লীগের একজন সংসদ সদস্য ও প্রথম আলোর রিপোর্টারের মহানুভবতার কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে,

“বখাটেদের উৎপাতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাভার ব্যাংক কলোনির বাসিন্দা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আবদুর রশীদ। কিন্তু বিয়ের এক দিন আগে গত বৃহস্পতিবার অন্তত ৩০ জন সন্ত্রাসী ওই বাসায় হানা দিয়ে আবদুর রশীদের মেয়ে সাহিরা শাওলিন শৈলীকে অপহরণের চেষ্টা চালায়।

কথা ছিল শুক্রবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন হবে। সকাল থেকেই বখাটে সোহাগ কনের বাবা ও বরকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। হুমকির মুখে বরের বাড়ির লোকজন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। দুপুর ১২টায় বিয়েতে অপারগতা প্রকাশ করে খবর পাঠানো হয় কনের বাসায়। তখন ওই বাসায় বিয়ের আয়োজন চলছিল।”

খবরের এই অংশটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়লে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে পড়ে:

ক. একজন সরকারী কর্মকর্তা, অফিসার্স কোয়ার্টারে থেকেও তার মেয়েকে বখাটেদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারছেন না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার সাহায্যে এগিয়ে আসছে না।

খ. বখাটেরা অফিসার্স কোয়ার্টারে এসেও হামলা করার সাহস পাচ্ছে।

রিপোর্টের পরের অংশ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ।

“প্রতিবেদক বিষয়টি জানান সাভারের সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদকে। সঙ্গে সঙ্গে সাড়া পাওয়া যায় তাঁর কাছ থেকে। সাংসদের নির্দেশে একে একে কনের বাসায় উপস্থিত হন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) সাভার থানার একাধিক কর্মকর্তা। গ্রেপ্তার করা হয় বখাটে যুবক সোহাগের বাবা মজিবর রহমানকে।”

এই অংশ পড়ে বোঝা গেলো জাদুর কাঠি কোথায়। সংসদ সদস্য নির্দেশ দেয়া মাত্র ওসি এসে মেয়েটির বাসায় হাজির, সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার বখাটে যুবক সোহাগের বাবা।

প্রশ্ন হচ্ছে, ওসি সাহেব এতোদিন কেন বখাটে বা তার বাবাকে গ্রেফতার করেননি? উত্যক্ত করার ঘটনা ঘটছিল বেশ কিছুদিন ধরে, কোনভাবেই কিছু না হওয়ায় একজন প্রকৌশলী তার মেয়ের লেখাপড়া বন্ধ করে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি বহুবার পুলিশের দরজায় ধর্ণা দিয়েছেলেন। পুলিশ তখন কিছু করেনি কেন? বখাটেরা মেয়েটাকে অপহরণ করতে তার বাসায় হামলা চালায়। পুলিশ তখন বখাটে বা তার বাবাকে গ্রেফতার করেনি কেন?

উত্তরটা সহজ। পুলিশ তখন কিছুই করতে পারেনি, কেননা, এমপি সাহেব তাদেরকে কোন কিছু করার নির্দেশ দেননি।

ওসি সাহেবেরা সব সময়েই এমপি মহোদয়দের তোয়াজ করে চলেন। রাজনৈতিক সরকারের সময়ে এটি হয়তো একেবারে দূর করা কষ্টকর। এমপি বললে গ্রেফতার করা হয়, এমপি বললে ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু, এমপির নির্দেশ না পেলে কোন কিছুই করা হয় না – এটি বাংলাদেশে হয়তো এই প্রথম।

২.

এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারদলীয় কর্মীদের দ্বারা সরকারী কর্মকর্তাদের অপদস্ত হওয়ার নানা খবর প্রায়ই প্রকাশিত হচ্ছে। বলা দরকার যে, সরকার যাদেরকে কোন না কোনভাবে আওয়ামী লীগের প্রতি অতি বিশ্বস্ত মনে করছে না, তাদেরকে ওএসডি করে রাখা হচ্ছে। দলীয় বিশ্বস্ততার সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই কেবলমাত্র ডিসি, এসপি, ওসি – এই সব পদে থাকতে পারছেন। ফলে, তারাও সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন, সরকারী দলকে সন্তষ্ট রাখতে।

কিন্তু, পাবনার ডিসি কোনভাবেই কুল রক্ষা করতে পারলেন না। সেখানে ক্ষমতাসীন দলের হামলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা ভণ্ডুল হয়ে যায়। চরমভাবে লাঞ্ছিত হন জেলা প্রশাসক মনজুর কাদিরসহ অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তারা। দৈহিক নির্যাতনের শিকার হন নারী কর্মকর্তারাও।

সরকার সমর্থক পত্রিকা সমকালের রিপোর্টে বলা হয়েছে,

“প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত ফারজানা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি আমার ছোট সন্তানকে নিয়ে পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলাম। ৩ বছরের শিশুকে নিচে রেখে তৃতীয় তলায় হলে ছিলাম। এ সময় দেড়-দুইশ' যুবক লাঠিসোটা নিয়ে স্কুলের গেট ভেঙে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালায়। তারা আমার সামনে সদরের ইউএনও আবদুল হালিমকে মারতে মারতে নিচে নামায়। আমাকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে গায়ে হাত তোলে।”

বিষয়টি মিডিয়াতে আসলে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা এই ঘটনায় তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তখন বিদেশে ছিলেন। সকলেই আশা করছিলেন, তিনি এবার লাগামহীন দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিবেন।

কিন্তু, তিনি প্রশাসনকে একটা উল্টো বার্তা পাঠালেন। প্রকাশ্যে বললেন, একহাতে তালি বাজে না। যারা সরকারী কর্মকর্তাদের মারধোর করলো, প্রথম শ্রেনীর নারী ম্যাজিস্ট্রেটের গায়ে হাত তুললো, তাদেরকে সাজা দেয়ার বদলে লাঞ্ছিত, নির্যাতিত সরকারী কর্মকর্তাদের ওএসডি করা হলো। সরকারী কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তাটি ছিল স্পষ্ট ও কঠোর। তিনি বলে দিলেন, সরকারী দলের যে কেউ যা কিছু ইচ্ছা করতে পারবে, কোন ধরণের বাধা দিলে চাকরী থাকবে না।

এই সময়েই ঘটে আরো কয়েকটি পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ঘটনা।

ক. রাষ্ট্রপতি ফাসির দন্ডপ্রাপ্ত ২০ জন খুনের আসামীকে ক্ষমা করে দেন। তাদেরকে আবার ফুলের মালা দিয়ে সম্বর্ধনা জানান একজন মন্ত্রী।

খ. প্রকাশ্য দিবালোকে সাংবাদিক ও টিভি ক্যামেরার সামনে আওয়ামী লীগের নেতারা পিটিয়ে হত্যা করে নাটোরের উপজেলা চেয়ারম্যানকে। সকল দৈনিক পত্রিকায় এই হত্যাকান্ডের ছবি ছাপা হয় এবং সকল টিভি চ্যানেলে পিটিয়ে মারার ভিডিও প্রচারিত হয়। ছবি এবং ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, জেলা আওয়ামী লীগের নেতা জাকির হোসেনের নেতৃত্বে পিটিয়ে ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এইবার সবথেকে মারাত্মক বার্তাটি পাঠান। তিনি প্রকাশ্যে বলেন যে, এটি যে বিএনপির অন্ত:কলহের ফল নয়, তা কে বলবে! ফলে, আওয়ামী লীগের কর্মীরা বুঝে গেলো, যত বড় অপরাধই তারা করুক, এমনকি টিভি ক্যামেরার সামনে কাউকে পিটিয়ে হত্যা করা হলেও তাদের কেশাগ্র কেউ স্পর্শ করতে পারবে না।

৩.

মানবদেহের যেমন নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে, তেমনি প্রতিটি সমাজেরও অপরাধ প্রতিরোধে অন্তনির্হিত শক্তি থাকে। বাংলাদেশের জন্য সেটি ছিল ধর্মীয় শক্তি। পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে কাজ করেছে। স্বাধীন বাংলাদেশে তরুনদের মধ্যে ধর্মপ্রবনতা বেড়েছে এবং তারা একটি সামাজিক প্রতিরোধ শক্তি হিসাবে কাজ করেছে।

কিন্তু, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই ইসলাম ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত সব কিছুর বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। ধার্মিক তরুনদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বর্তমানে কারাগারে। কোরআন শরীফের তাফসীর, ইসলাম ধর্মের উপর বিভিন্ন বই-পত্র রাখার অপরাধে প্রায়ই গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং এই সকল বইগুলোকে জেহাদী বই হিসাবে দাবী করছেন আমাদের পুলিশ কর্মকর্তারা। আসলেই এখন মানুষ কোরআন শরীফ লুকিয়ে রাখছে। যেহেতু সমাজের এই ধর্মপ্রবণ অংশটি এখন দিন কাটাচ্ছে চরম ভীতির মধ্যে, তাই তাদের পক্ষ থেকে সামাজিক অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ আসতো, তা আসতে পারছে না।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/AhsanMohammed
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
ireland থেকে Masud লিখেছেন, ০৬ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০১:৪২
Thanks writer.
39613
জেদ্দা থেকে শওকত লিখেছেন, ০৬ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৩২
ইভ টিজিং এর জন্য যে মূলত দায়ী প্রধানমন্ত্রীর আসকারা, তা স্পষ্ট। তাকেই এর দায়িত্ব নিতে হবে।
39628
Larnaca, Cyprus থেকে Nibir Sarker লিখেছেন, ০৬ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:০২
exellent.thanks for ur nice article.its clear-where is the main problem........
39649
কানাডা থেকে মোহাম্মদ আবদুল খালেক লিখেছেন, ০৬ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:৪১
একহাতে তালি কি বাজে? এমনই একটি বাজে মন্তব্য করে "অবৈধ বাড়ীওয়ালী" তার কনডমলীগের গুন্ডাদের একটু সুযোগ করে দিয়েছে এই আর কি।
39666
ঢাকা থেকে নাজনীন ইলিয়াস লিখেছেন, ০৬ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:৫৯
বিশ্লেষনটি চমত্কার হয়ছে। নারী নির্যাতন আগেও ছিল কিন্তু এতো মহামারী আকারে ছিলোনা। এর একটাই কারণ মহাজোট সরকারের নির্লিপ্ততা,উদাসীনতা এবং তাদের অঙ্গসংগঠন গুলির বাড়াবাড়ি রকমের কূকান্ড। এখন এসিড ছুঁড়ে মারার ব্যাপারটা একটু কমলেও বেড়েছে নূতন উৎপাত 'ইভটিজিং'।
39667
ঢাকা থেকে পল্লব লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:৪৭
ঈভটিজিংয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে স্হপতি জাতীর ভ্রাতা প্রয়াত শেখ কামাল। এথ্যালেট সুলতানা'কে তুলে নিয়ে সুলতানার বাবার অমতে বিয়ে করে তিনিই প্রথম সফলভাবে ঈভটিজিংয়ের গোড়াপত্তন করেন।
ঈভটিজিংয়ের গোড়াপত্তনকারী হিসাবে তাকে আমরা মরণোত্তর দেশের সর্বোত্তম উপাধীতে ভূষিত করতে পারি।
39677
জাহান্নামের কাছাকাছি। থেকে একদিন ঠিকই জানবেন। লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০১:৩৪
লেখাটি পড়ে খুব ভাল লাগলো। কিন্তু আমাদের নেত্রীর চৌদ্দিটি ভূয়া ডিগ্রীর ফসল এসব আজেবাঝে কথা। কেননা কোন ঘটনার সময় কি বলতে হবে। এ বিষয়টি নিয়ে তিনি খুবই সন্দিহান। বিশ্বর শ্রেষ্ঠ লেখক গুলো আওয়ামী সরকারের গুন্ডামির কথা লিখে তাহলে ও কোন লাভ হবে না। কারন বিষয়টি এখন অনেকের কাছেই স্পষ্ট শেখ হাসিনা শেখ মুজিবের চেয়ে ও জগন্য প্রকিতীর। কেননা প্রকাশ্য মানুষ খুন করা বাবা মার সামনে তার মেয়েকে করা তার কাছে খুবি নগন্য। ছি ছি ছি অপেক্ষা কর ডায়নি সময় আর বেশি দিন নেই। পাপ খুব বেশি ভারি হলে দুলিয়াতেই শাস্থি পেতে হয়। একটু ধৈর্য ধর । তোমার পাপের অন্যতম ফসল পিলখানা, নিমতলী ট্রাজেডি, ইভটিজিং, প্রকাশ্য ধষর্ণ, বসুন্ধরা সিটিতে আগুন, ট্রেনের নিচে তোমার বিলাসিতার কারনে মানুষের অকাল মৃতু্য।
39680
Cardiff, UK থেকে Imtiaz লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৩:০৫
support পল্লব of Dhaka.
শেখ কামাল is the father of "Eve Teasing" in Bangladesh
39684
ঢাকা থেকে ইবনে হাসেম লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৬:৫১
ঢাকা থেকে পল্লব লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:৪৭
ঈভটিজিংয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে স্হপতি জাতীর ভ্রাতা প্রয়াত শেখ কামাল। এথ্যালেট সুলতানা'কে তুলে নিয়ে সুলতানার বাবার অমতে বিয়ে করে তিনিই প্রথম সফলভাবে ঈভটিজিংয়ের গোড়াপত্তন করেন।
ঈভটিজিংয়ের গোড়াপত্তনকারী হিসাবে তাকে আমরা মরণোত্তর দেশের সর্বোত্তম উপাধীতে ভূষিত করতে পারি।

জয় শেখ কামাল কি জয়। জয় শেখ হাসিনার জয়
39694
১০
বগুড়া থেকে রুমঝুম লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:০৪
পল্লব আপনি সত্যি দরুন বলেছেন ভাই।বাংলাদেশে ইভটিজিং এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভাই শেখ কামাল।
39701
১১
রিয়াদ, সাউদীআরব থেকে ফরিদ মাহবুব লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:০৩
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মেয়ে স্বরাস্ট্র - প্ররাস্ট্রমন্ত্রী মেয়ে হওয়ার পরও ইভটিজিং বন্ধ করা যাচ্ছেনা, এতে করে কি তারা লজ্জাও পায়না। কারন ইভটিজিং এক প্রকার নারী নিরযাতন। এতগুলী মহিলা দেশের বড় পাওয়ারে থাকার পরও ইভটিজিং নামক নারী নিরযাতন বন্ধ না করার কারন কি ?
কারন আমার মনে হয় ইবটিজিংকে তারা খারাপ কিছু মনে করেননা। একটা সুন্দরী মেয়েকে একটা ছেলে টিজিং করবে এটাইতো স্বাধীনতা, এটাইতো ইনজয়
তারা বাংলাদেশটাকে বেহায়া দেশ গুলীর মত বেহায়া দেশে পরিনত করতে চায়
ফ্রি সেক্সি দেশ বানাতে চায়। কিন্তু আমাদের দেশের ইসলাম প্রিয় মেয়েরা এগুলী পছন্দ করেনা। তাই রাস্তা ঘাটে তাদের কেউ টিজিং করলে তারা বিচার না পেয়ে আত্নহত্যার পথ বেছে নেয়। এই আত্নহত্যার দায়বার সব প্রধানমন্ত্রিরকেই বহন করতে হবে। একদিন আসবে যেদিন তাকে সব হিসাব দিতে হবে।
39722
১২
ঢাকা থেকে ঘটক পাখি ভাই লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:১৩
হঠাৎ না আগে থেকেই ছিল কিন্তু তখন মিডিয়াতে আসে নাই এখন আসতেছে বলে মহামারি মনে হচ্ছে।
39723
১৩
Khulna থেকে Mizanur Rahman লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৪৮
ইভ টিজিং এর জন্য দায়ী 'ভালবাসা দিবস' আর এই ভালবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে -এর জন্য দায়ী শফিক রেহমান।
39726
১৪
ফ্রাংফূর্ট, জামার্নী থেকে ত্রস, কোল লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩৬
অপরাধী রাষ্ট্র-ব্যবস্হা হচ্ছে, অপরাধের জন্মদাএী । সরকার ভাল হলে অপরাধ প্রবনতাও কমে যাবে কিন্তু আমাদের দেশে সরকার নিজেই খারাপ সুতরাং ভাল হওয়ার পদখ্খেপ নিজেদের নেওয়া ছাড়া উপায় কোথায় ?

যাহাদের ধর্মীয় শিখ্খার প্রতি কোন শ্রদ্বদাবোধ নাই, তাহারা ত্রকটি ধর্মীয় দেশে কি করে
রাষ্ট্রীয় আসনে অধিষ্ঠিত হলো ? দেশের মানুষের মধ্যে আদো ধর্ম ও বিবেক বলে কি কিছুই নেই ??

ধর্ম যখন জনগণকে মুক্ত করিতে ব্যর্থ হয়, তখন ধর্মের প্রতি বিশ্বাস মানুষের হারিয়ে যায়। ধর্মীয় চিন্তাবিধগণসহকারে ধর্মবিশ্বাসী জনগণকে প্রমান করিতে হইবে যে, বাংলাদেশের মানুষকে আমাদের ধর্ম, পশুত্ততা ও বর্বরতার হাত থেকে মুক্ত করে ত্রকটি যথাযোগ্য পদখ্খেপ রাখিতে সমর্থ হয়েছে ত্রবং তা'তে বিশ্বাসহীন লোকজনের মধ্যে ভাল ধারণা সৃষ্টি হবে। ধর্ম একটি সামাজিক বিধান সেহেতু, রাষ্ট্রীয় বিধানও বটে ত্রই কথা আমাদেরকে ভুলে গেলে চলবেনা ।
39734
১৫
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে মোহাম্মদ নোমান লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৫২
লেখক যাহা বলেছেন তাহা নতুন কিছু নয়। তবে বিষয়টি শুধুমাত্র এলাকার এমপি ভিত্তিক নয় বরং গোটা সরকার ভিত্তিক। যদি আনন্দ মোহনের ঘটনার হত, যদি ইডেন কলেজের ছাত্রীদেরকে যারা সাপ্লাই করত ও সাপ্লাই নিত তাদের বিচার হত, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকের বিচার হত তাহলে আজ কথাকতিত বখাটেরা সাহস করত না। আসলে এরা কি বখাটে? নাকি বখাটে শব্দ ব্যবহার করে অন্য কাউকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে।

বর্তমান সরকার তিন চতুর্থাংশ সাংসদ নিয়ে সরকার গঠন করেছে। তারা দাবী করে গোটা জাতী তাদেরকে ভোট দিয়েছে। যদি তাহা সত্য হয় তবে সত্যই ধরে নিলাম তাহলে জাতী জেনে শুনে আওয়ামী লীগকে আজকের কর্মকান্ড গুলি করার জন্যই ভোট দিয়েছে সূতরাং আজ আমাদের যুবতী মেয়েরা যদি আওয়ামী নেতাদের ভোগ্যপণ্য হয় তাতে আফসোস করার কিছু নাই।

আনন্দ মোহন কলেজে খোদ শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত ছিল, ইডেন কলেজে যারা সাপ্লাই করত তারা আওয়ামী লীগের সোনার মেয়েরা যারা সাপ্লাই নিত তারা দলের সোনার নেতারা, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের উপর যারা যৌন নির্যাতন চালিয়েছে তারা আওয়ামী লীগের কর্ণধার বুদ্ধিজিবী সূতরাং রাস্তার কথাকতিত বখাটে নিয়ে উদ্দিগ্ন হাওয়ার কিছু নাই।

খোদ প্রধান মন্ত্রী বলেছেন নারী পুরুষ এক সাথে কাজ করলে আনন্দ পাওয়া যায়, কাজের গতি বাড়ে। ৯৬ সালে ডজনে ডজনে পিএইচডি ডিগ্রী প্রাপ্তা আমাদের প্রধানমন্ত্রী এত হালকা কথা নয় সূতরাং বহিঃবিশ্ব থেকে যেই সকল বিষয়ের উপর ডজনে ডজনে পিএইচডি ডিগ্রী তিনি হাসিল করেছেন তাহা তিনি স্বীয় জাতীর উপর চর্চা করতেছেন। আগামীতে আরো বেশী ভোট দিবেন যাতে সংসদে বিরোধী কোন শক্তি না থাকে এবং আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, নেতা কর্মীরা আনন্দ বিনোদন করে কাজে গতি বাড়ানোর জন্য জাতী এখন যুবতী মেয়েদেরকে দিচ্ছে আগামীতে ক্ষমতায় বসিয়ে মাঝ বয়সী বউদেরকেও উপহার দিতে পারবে।

একটি উপদেশ:- লাল, রক্ষী, জামাল কামাল বাহিনীর ন্যয় আজকের আওয়ামী বাহিনীর তান্ডবে থানা পুলিশ, আইন আদালত যেহেতু বিকল হয়ে গেছে সেহেতেু ওদের দুঁয়ারে গিয়ে আর কোনো লাভ নাই। সূতরাং স্যার আইজ্যাক নিউটনে দ্বিতীয় সূত্র (প্রত্যক ক্রিয়ার বিপরী প্রতিক্রিয়) চর্চা করাই উত্তম। এই রকম দুই চারজন হাত পা, পুরুষাঙ্গ হীন হয়ে গেলে দেখবেন রাতে রাতে সবই ঠিক হয়ে গেছে, এই ক্ষেত্রে বিকল পুলিশ বাহিনী থেকে নিশ্চ্যই কেউ দৌড়ে আসবেনা কারণ তারাতো আগে থেকেই নারীত্ব বরন করে আছে।
39737
১৬
নকীব কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, কেন্দুয়া থেকে আনোয়ার হুসাইন খান সোহেল লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:১৯
ধন্যবাদ ভাই, খুব সুন্দর একটি লিখা উপহার দিয়েছেন। ভবিষ্যতে আরও ভাল ভাল লিখা আশা করছি। বাস্তব সত্য কথা তোলে ধরেছেন। আওয়ামীলীগের কোন মন্ত্রী এমপি লিখাটি পড়লে আপনাকে ইভটিজিং করতে পারে! তাই সাবধান।
39761
১৭
গোরস্তান থেকে ভূত লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:০১
জাতি জেনে শুনে আওয়ামী লীগকে আজকের কর্মকান্ড গুলি করার জন্যই ভোট দিয়েছে, সুতরাং এইসব কর্ম দেখেও বোধকরি কারো কোন মাথাব্যাথা নেই।
39767
১৮
বরিশাল থেকে কায়েস লিখেছেন, ০৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৪:০৯
Thank you very much.....for your excellent writting.
39779
১৯
ঢাকা থেকে নাজনীন ইলিয়াস লিখেছেন, ০৮ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৩৯
ইভটিজিং প্রসঙ্গে হাসান হাফিজ তাঁর 'চিরতা ও মধু' কলামে চমত্কার কয়েকটি কথা লিখেছেন--''কই ইভটিজারদের তো ক্রসফায়ারে ফেলার কথা শুনিনা!গরু-বাছুর বাঁচানোর জন্য সাড়ম্বরে রেড অ্যালার্ট ঘোষিত হয় অথচ অবলা,দুর্বল নারী- তরুণীদের বাঁচানোর ব্যাপারে নির্লজ্জ কার্পণ্য। কই, ইভটিজারদের তো রিমান্ডে নিয়ে বাঁশডলা ও ছ্যাঁচা দেওয়ার কথা শুনিনা''!
39817
২০
ঢাকা থেকে আল আমিন লিখেছেন, ০৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ১০:২৮
সুন্দর লেখেছেন।

আওয়ামীলীগের আশকারার কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।
39828
২১
Ireland থেকে Masud লিখেছেন, ০৯ নভেম্বর ২০১০; রাত ০১:১৮
Bakshal AL is the maker of Ivtiging(S. Kamal).
That's why they like it. It spread all over the Bangladesh.
39846
২২
রাজশাহী থেকে রিফাত লিখেছেন, ০৯ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:৩০
চমৎকার বিশ্লেষণ। তবে একটা বিষয় বাদ পড়ে গেছে। ইন্টারনেট ও মোবাইল প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের কারণে পর্ণোগ্রাফী সবার ঘরে ঘরে পৌছে গেছে। তার একটি ভূমিকা রয়েছে নারী নির্যাতন বৃদ্ধিতে।
39861
২৩
সৌদি আরব জেদ্দা থেকে থেকে মাঈন উদ্দিন লিখেছেন, ০৯ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:৪৯
এই সংবাদটি লিখার জন্য লেখুকে সুশিক্ষিত মানব হিসাবে অবিহিত করছি।
39939
২৪
ঢাকা থেকে মো. শাহজাহান লিখেছেন, ১২ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৮:২৩
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে মোহাম্মদ নোমান লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৫২
লেখক যাহা বলেছেন তাহা নতুন কিছু নয়। তবে বিষয়টি শুধুমাত্র এলাকার এমপি ভিত্তিক নয় বরং গোটা সরকার ভিত্তিক। যদি আনন্দ মোহনের ঘটনার হত, যদি ইডেন কলেজের ছাত্রীদেরকে যারা সাপ্লাই করত ও সাপ্লাই নিত তাদের বিচার হত, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকের বিচার হত তাহলে আজ কথাকতিত বখাটেরা সাহস করত না। আসলে এরা কি বখাটে? নাকি বখাটে শব্দ ব্যবহার করে অন্য কাউকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে।

বর্তমান সরকার তিন চতুর্থাংশ সাংসদ নিয়ে সরকার গঠন করেছে। তারা দাবী করে গোটা জাতী তাদেরকে ভোট দিয়েছে। যদি তাহা সত্য হয় তবে সত্যই ধরে নিলাম তাহলে জাতী জেনে শুনে আওয়ামী লীগকে আজকের কর্মকান্ড গুলি করার জন্যই ভোট দিয়েছে সূতরাং আজ আমাদের যুবতী মেয়েরা যদি আওয়ামী নেতাদের ভোগ্যপণ্য হয় তাতে আফসোস করার কিছু নাই।

আনন্দ মোহন কলেজে খোদ শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত ছিল, ইডেন কলেজে যারা সাপ্লাই করত তারা আওয়ামী লীগের সোনার মেয়েরা যারা সাপ্লাই নিত তারা দলের সোনার নেতারা, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের উপর যারা যৌন নির্যাতন চালিয়েছে তারা আওয়ামী লীগের কর্ণধার বুদ্ধিজিবী সূতরাং রাস্তার কথাকতিত বখাটে নিয়ে উদ্দিগ্ন হাওয়ার কিছু নাই।

খোদ প্রধান মন্ত্রী বলেছেন নারী পুরুষ এক সাথে কাজ করলে আনন্দ পাওয়া যায়, কাজের গতি বাড়ে। ৯৬ সালে ডজনে ডজনে পিএইচডি ডিগ্রী প্রাপ্তা আমাদের প্রধানমন্ত্রী এত হালকা কথা নয় সূতরাং বহিঃবিশ্ব থেকে যেই সকল বিষয়ের উপর ডজনে ডজনে পিএইচডি ডিগ্রী তিনি হাসিল করেছেন তাহা তিনি স্বীয় জাতীর উপর চর্চা করতেছেন। আগামীতে আরো বেশী ভোট দিবেন যাতে সংসদে বিরোধী কোন শক্তি না থাকে এবং আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, নেতা কর্মীরা আনন্দ বিনোদন করে কাজে গতি বাড়ানোর জন্য জাতী এখন যুবতী মেয়েদেরকে দিচ্ছে আগামীতে ক্ষমতায় বসিয়ে মাঝ বয়সী বউদেরকেও উপহার দিতে পারবে।

একটি উপদেশ:- লাল, রক্ষী, জামাল কামাল বাহিনীর ন্যয় আজকের আওয়ামী বাহিনীর তান্ডবে থানা পুলিশ, আইন আদালত যেহেতু বিকল হয়ে গেছে সেহেতেু ওদের দুঁয়ারে গিয়ে আর কোনো লাভ নাই। সূতরাং স্যার আইজ্যাক নিউটনে দ্বিতীয় সূত্র (প্রত্যক ক্রিয়ার বিপরী প্রতিক্রিয়) চর্চা করাই উত্তম। এই রকম দুই চারজন হাত পা, পুরুষাঙ্গ হীন হয়ে গেলে দেখবেন রাতে রাতে সবই ঠিক হয়ে গেছে, এই ক্ষেত্রে বিকল পুলিশ বাহিনী থেকে নিশ্চ্যই কেউ দৌড়ে আসবেনা কারণ তারাতো আগে থেকেই নারীত্ব বরন করে আছে।

নোমান সাহেবের লেখাটিতে বানান বিভ্রাট থাকলেও অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ব্যাঙ্গাক্ত ভাষায় উঠে এসেছে, তাই পাঠককুলের মনোযোগ আকর্ষণার্থে তাঁর মন্তব্যটি আবার কপি পেস্ট করে দিলাম।
40144
২৫
জেদ্দা সৌদি আরব থেকে এম এইচ উদ্দিন লিখেছেন, ১৪ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:৫০
নারীরা এত দূর্বল কেন? কেন নির্যাতিত হয় তারা এর প্রতিবাদ করে না কেন? না তারাই চায় নির্যাতিত হতে?
কলেজ ইউনির্ভাসিটির নারীরা এ পরিবেশ তৈরী করে চলেছে ।
40364
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy