শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ১২:০০ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ২০১০, সকল অপরাধের রেকর্ড

আখতার বিন মুস্তফা

আজ ৩১ ডিসেম্বর। ২০১০ সালের শেষ দিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নানা রকম অপকর্ম বিশেষ করে প্রতিপক্ষের উপর হামলা, শিক্ষকদেরকে লাঞ্ছিত, সাংবাদিকদেরকে লাঞ্ছিত করা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ সহ নানা রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনাটি হল আবু বকরের মৃত্যু। ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের বলি মেধাবী ছাত্র আবু বকর। আবু বকরের জন্য এখনো কাঁদছে তার বাবা মা সহপাঠিরা। অন্যন্য সকল হত্যাকান্ডের মতো আবু বকরের হত্যাকান্ডের বিষয়টি ও আস্তে আস্তে ফাইলের নিছে পড়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনাও ঘটেছে এবছর। শিক্ষক লাঞ্ছনার রেকর্ড করেছে ছাত্রলীগ। যার প্রত্যেকটি ঘটনায় নামেমাত্র তদন্ত কমিটি ঘটন করে গুরুদন্ডে লঘু শাস্তি দেয়া হয়েছে। এবছর সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার মধ্যে অন্যতম ছিল পহেলা বৈশাখের কনসার্টে মেয়েদেরকে লাঞ্ছিত করা। নিজেরা তো মেয়েদেরকে লাঞ্ছিত করেছেই। এমনকি যারা এটার প্রতিবাদ করতে গিয়েছে তাদেরকে ও মেরেছে তারা। ছাত্রদলকে কোন ক্রমেই তারা ক্যাম্পাসে স্বাধীনভাবে প্রবেশ করতে দেয়নি। এমনকি শিবির নাম করে প্রায় ৩০ জন সাধারণ শিক্ষার্থীর মোবাইল ও মানিব্যাগ ও ছিনতাই করেছে তারা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গাকে তারা বানিয়েছে নেশার আসর। ইদানিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির বাথরুমে ফেনসিডিলের বোতলের কারণে তা পরিস্কার করতে সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিনা বাধায় তারা চাঁদাবাজি চালিয়েছে। ক্যাম্পাসে সড়ক দুর্ঘটনা আর এর জের ধরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি। ছাত্রলীগের
২০১০ সালের আলোচিত ঘটনাগুলো ক্রমান্বয়ে তুলে ধরা হল-

শিক্ষক লাঞ্ছনার রেকর্ডঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক লাঞ্ছনার রেকর্ড করেছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। গতবছরেই তার প্রায় ১২ জন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছে। প্রত্যেক লাঞ্ছনার ঘটনা পেছনে একটিই কারণ তাদের মনমত কাজ না হওয়া। সর্বশেষ গত ১০ আগষ্ট খেলার মাঠে ছাত্রলীগ লাঞ্ছিত করেছে ৫ শিক্ষককে। এছাড়া এফ রহমান হলে পহেলা বৈশাখের খাবার ছাত্রলীগ ক্যাডারের মন মত না হওয়ার তারা কয়েকজন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে।

ছাত্রদলের ৮১ জন আহতঃ জানুয়ারী থেকে শুরু করে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ছাত্রলীগ ক্যাডাররা বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগের প্রায় ৮১ জন কর্মীকে আহত করে। বিশেষ করে ১৮ জানুয়ারী ছাত্রদল সভাপতি টুকু ও তার সমর্থকদের উপর হামলা অন্যতম। এসময় টুকু মারাত্মকভাবে আহত হন। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম খান ও শাহবাগ থানার ওসি রেজাউল করিমসহ আরও অনেকে আহত হন। এ হামলায় ছাত্রলীগ কর্মীরা প্রকাশ্যে পিস্তল, কিরিচ, রামদা, হকিস্টিক, বোমা, ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে। ছাত্রদলের নতুন কমিটির নেতারা ভিসির সঙ্গে দেখা করার জন্য পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ক্যাম্পাসে গেলে ছাত্রলীগ কর্মীরা টুকুর ওপর এ হামলা চালায়। হামলা তীব্রতর হলে টুকুসহ ছাত্রদল নেতাদের বাঁচাতে লাঠিচার্জ ও কমপক্ষে ৩০টি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

বাংলা বর্ষবরণে অর্ধশত তরুণী লাঞ্ছিতঃ বাংলা বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা প্রায় অর্ধশতাধিক তরুণীকে লাঞ্ছিত করেছে। এসময় তারা অনেক তরুণীর পায়জামা পর্যন্ত খুলে ফেলেছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। সেদিন সন্ধায় টিএসসির কনসার্টের আশপাশ এলাকায় সম্ভ্রম রক্ষায় তরুণীদের চিৎকার ও ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। এক তরুণীকে বিবস্ত্রও করে ফেলা হয়।। দুষ্কৃতিকারীরা চার যুবতীর কামিজ ছিঁড়ে ফেলে, ওড়না টেনে নিয়ে যায় এবং ঝাপটে ধরে। টিএসসির সামনের গেটে নির্যাতনের শিকার হন পাঁচ ছাত্রী। ছাত্রী নির্যাতনকারীরা অধিকাংশই জিয়াউর রহমান হল, মাস্টারদা সূর্যসেন হল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ছাত্রলীগ কর্মী।

ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৬৯ঃ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অথবা তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ছাত্রলীগ প্রতি মাসই সংঘর্ষ বাঁধিয়েছে। এত করে প্রায় ৬৯ জন আহত হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের মধ্যে চেইন অব কমান্ড না থাকায় তারা এ সংঘর্ষ গুলো ঘটিয়েছে বলে অনেক ছাত্রলীগ কর্মী জানায়।

ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৯ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার কোনো ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল এ বছরের প্রথম মাসে। ২১ জানুয়ারি গভীর রাতে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার তিনটি সেটের সবগুলোই ফাঁস করে। ওই রাতেই কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। গোপন তথ্যে মাধ্যমে জানা যায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার নেপথ্যে ছিল ছাত্রলীগ। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পুলিশ মূল হোতাদের আটক করতে না পারলেও তাদের সহযোগী ছাত্রলীগ কর্মী টিটু (রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ) ও সুমন ওরফে নলা সুমন (ম্যানেজমেন্ট ৪র্থ বষ)-কে আটক করে।

ছাত্রলীগের কোন্দলের বলি মেধাবী প্রাণঃ ২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে সিট দখলকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এএফ রহমান হলে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় মারা যান ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তৃতীয়বর্ষের ছাত্র আবু বকর সিদ্দিক। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বলি হতে হয় এই নিরীহ মেধাবী ছাত্রকে। সংঘর্ষের সময় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে দু'দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে মারা যান। আবু বকরের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুরে। মিষ্টভাষী ও বিনয়ী আবু বকর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তিনি সাধারণ ছাত্র হিসেবে হলের ৪০৪ নম্বর কক্ষে থাকতেন। সারাদিন পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। খরচ মেটাতে করতেন টিউশনি। আবু বকর মারা যাওয়ার ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন গণমাধ্যমে 'এটা কোনো ব্যাপার না, এমনটি ঘটতেই পারে। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা' বলে মন্তব্য করেন। এ মন্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ক্যাম্পাসে আবারো বিক্ষোভের ঝড় উঠে। সিন্ডিকেট এই খুনের শাস্তি হিসেবে সাময়িক বহিষ্কারের ব্যবস্থা নেয় মাত্র। গুরু দণ্ডে লঘু শাস্তিতে প্রকারান্তরে পুরস্কৃত হয় ছাত্রলীগ।

ছাত্রীনেত্রীদের চুলাচুলি
ঢাবি ক্যাম্পাসে কেবলমাত্র ছেলারাই নয়। মেয়েরাও একাধিক বার সংঘর্ষ বাঁধিয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৬৪তম জন্মদিন পালন করতে গিয়ে ছাত্রলীগের মহিলা কর্মীরা প্রকাশ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। নেতাকর্মীদের সামনে হামলা, ব্যাপক ধস্তাধস্তি, চুলাচুলিতে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইডেন কলেজ শাখার মেয়েরা। এ হামলা ও সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর ব্যাপক নির্যাতন
পূর্বশত্রু তার জের ধরে প্রায় ৩০ জন সাধারণ শিক্ষার্থীর সর্বস্ব লুটে নিয়েছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের দাবি করে এরা সবাই শিবির। এমনকি মুখে দাড়ি রাখার কারণে শিবির বলে তারা একাধিক নিরিহ ছাত্রকে ব্যাপক মারধর করে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে তাদেরকে ব্যাপক হয়রানি করে। এমনকি ছাত্রলীর ক্যাডারদের কথা না শুনায় এফ এইচ হল, একুশে হল, এসএম হল থেকে তারা বিভিন্ন সময়ে প্রায় শতাধিত শিক্ষার্থীকে গভীর রাতে হল থেকে বের করে দেয়।

অনিয়ন্ত্রিত চাঁদাবাজি
ছাত্রলীগ ক্যাডারদের অনিয়ন্ত্রিত চাঁদাবাজির কারণে ঢাবির বিভিন্ন হলের ক্যান্টিন মালিকদের পালানোর অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যে মহসিন হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল অন্যতম। ব্যাপক ফাও খাওয়া ক্যান্টিন মালিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত চাঁদা নেয়ায় তারা হল থেকে পালিয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়াও ছাত্রলীগের সিট বাণিজ্য অবৈধ ভর্তি টেন্ডার বাজি অব্যাহত রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি হলের শিক্ষার্থীর এখনো ছাত্রলীগের হাতে জিম্মি। ক্ষমতাশীল দলের অংগসংগঠন হওয়াতে প্রশাসন ইচ্ছা বা অনিচ্ছা সত্ত্বে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নিতে এখনো ব্যর্থ হচ্ছে।

সাংবাদিক নির্যাতনে অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গঃ
২০১০ সালে সাংবাদিকদেরকে নির্যাতনের এক মহাউৎসব চালিয়েছে ছাত্রলীগ। ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদেকে লাঞ্ছিত নির্যাতন করে অতীতের সকল রেকর্ড তারা ভঙ্গ করেছে। যে কোন অপরাধ করলে যেহেতু তাদের শাস্তি হচ্ছে না। তাই তারা বীর দর্পে কারণে অকারণে এমনকি তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে। প্রায় পনের জন সাংবাদিককে তারা বিভিন্ন সময়ে লাঞ্ছিত এমনকি শারীরিক নির্যাতন করেছে। সাংবাদিকদের শারীরিক নির্যাতন করার কারণে যদিও তাদের কয়েকজনকে বিশ্ববিদ্যলয় থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। কিন্তু তারা সবাই এখনো ক্লাস করছে এমনকি হলেও থাকছে। কে থামাবে এদের? কার এত বুকের পাটা?
http://www.sonarbangladesh.com/articles/AkhterBinMustafa
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ০২ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:১২
আখতার বিন মুস্তফা কে লাটি বৈঠার যাতানিতে আপনি আক্রান্ত হন নাই, তাই সোনার নিষ্পাপ ছেলেদের সর্ম্পকে এই রকম আজে বাজে কথা লিখেছেন ?
সোনার ছেলে ছাত্রলীগদের কে বলবো বাবারা বেঁছে থাকো.................. তোমরাই হল জাতির ভবিষ্যত
44799
ইউএসএ থেকে রানা লিখেছেন, ০৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৩:১৯
আখতার বিন মুস্তফা এই লেখাটির জন্য আপনাকে মোবারকবাদ জানাই।তবে আমি আশংকা করছি আপনি কি আবার যুদ্বাপরাধী হয়ে যান কি না?কারন অাওয়ামিলীগ এবং তার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের(BAL+CAL) বিরোধ্বে কথা যে বলবে সেই হবে যুদ্বঅপরাধী?ভয় করছি আপনিও কি ট্রাইবুনালের জুলুমের শিকার হন?আললাহ আপনাকে সাহায্য করুন।তবে সাহস হারাবেন না।সত্য কথা লিখে ও বলে যদি জুলুমের শিকার হন তাতে অসুবিধা নেই।মানুষ চিরদিন স্বরন করবে।দেখুন মাহমুদুর রহমানের অবস্থা।এক ব্যক্তিই একটা সংগঠন।
44944
বড়েলখা,মৌলভীবাজার,বাংলাদেশ। থেকে আবুল মাহফুজ লিখেছেন, ০৪ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৬:৩৮
সোনার ছেলেদের ব্যাপারে কিছু লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
44951
sonagazi থেকে mamun লিখেছেন, ০৬ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:০৮
hello, apni ki kokhono akranto hoichilen
45090
জিদ্দা সৌদিয়া থেকে রতন লিখেছেন, ০৬ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৩৩
আখতার বিন মুস্তফা কি যে আজে বাজে লিখেনরে ভাই এমন চরিত্রবান সোনার ছেলেদের নিয়ে এভাবে লিখতে হয় ? তারা ছাত্রী বা তরূনীদের বিবস্ত্র কিংবা ধর্ষনের সেঞ্চুরী করলেও কি হয়েছে এটাতো ডিজিটালের যোগ জানেন না এতে কোন দোষ নেই , এটাতো আর ৭১ সাল না যে যুদ্ধ অপরাধী হয়ে যাবে।
45094
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আকতার বিন মুস্তফা লিখেছেন, ০৭ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:৪৩
সবাইকে ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য। একচুয়াল্লি আমি চেষ্টা করেছি বাস্তব ঘটনাগুলো তুলে ধরার জন্য।
45136
ফেনী থেকে মোবারক হোসাইন লিখেছেন, ০৭ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:৫৭
ভালো লেগেছে ভবিষ্যৎতে আরো খারাফ হবার নজিল দেখা যাচ্ছে
45138
kobbor থেকে ferrari লিখেছেন, ০৭ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ১২:০৪
Mostafa vai, this true history is more & more. but you are written shortly. All the best & thank's.
45151
DU থেকে MS Zahidee লিখেছেন, ০৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১০:১৩
joggo pitar joggo uttorsuri.....72-75 pottrica gulo poren. kosto paben na....
45174
১০
সিডনী, অষ্ট্রেলিয়া। থেকে প্রতিবাদী পথিক .. .. .. লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:১১
শুধু আইন ও পুলিশ দিয়ে সভ্যতা রক্ষা করা সম্ভব নয়। সেই সাথে প্রয়োজন আত্মোন্নয়ন। আর এর জন্য প্রয়োজন সঠিক ধর্মীয় চর্চা। আর এর জন্য ইসলাম-এর কোন বিকল্প নেই। তথাকথিত সুবিধাবাদী ইসলামীক দলের মতো নয়; আসুন আমরা সত্যিকার ইসলাম চর্চা করি...কোরাণ ও সুন্নাহর আলোকে।
45178
১১
রিয়াদ থেকে মজুমদার লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৫৭
আমাদের প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের হাতে যে বই খাতা তুলে দিয়েছেন সেই গুলোর ফলাফল বেরিয়েছে। ছি ছি ছি............
45185
১২
New York থেকে Probashi লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৫:০৩
ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য. BAL এর জমানায় সত্য বলাও পাপ. তাই হামলা মামলা থেকে বেঁচে চলবেন. সোনার ছেলেদের চরিত্র তুলসী পাতা থেকেও পবিত্র.
45190
১৩
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৬:৩৭
This is actually one sided report. The merit of this article will be more creditable if activities of Chatra Dal and shibir high lighted paralelly when they were in govt. The track records of CD and shibir aren't better than CL for that reason activities of CL doesn't bother peoples that much. Every body including AL supporters as well criticise CL but CD or opposition can't get any support from the people as their track records were worse than this. Sadecun Nesa Sony a briliant student of BUET was killed in the cross fire of 2 CD groups in 2002. First 3 years CL couldn't do any political activities in DU. In this article no information or data of CD or shibir from 2001 to 2006. For this reason there is no merit of this one sided article. After reading this article peoples feeling is like that--- yes yes CL is bad but CD or Shibir aren't better than CL.
45191
১৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেলিম রেজা লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৬:৩৯
ছাত্রলীগ আছে বলেই, শিবিরের রগকাটা বাহিনী ঢাবি ছেড়ে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই তো সেদিন, দুই সন্দেহভাজন ছাগলা দাড়িওলা শিবির ক্যাডারকে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে হ্যান্ডোভার করা হয়েছে। ঢাবিতে অছাত্র টুকু চাচাকে উচিত শিক্ষা দেয়া হয়েছে। টুকু আর জীবনে ঢাবিতে যাওয়া তো দুরের কথা ঢাবির নামও উচ্চারন করবে না। ঢাবি এখন ছাত্রদলের গুন্ডা মুক্ত।
ছাত্রলীগ আদর্শের নাম, ছাত্রলীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ছাত্রলীগ স্বাধীনতার প্রতিক। আজকে যারা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করে তারা মুলত শিবিরের পলাতক রগকাটা বাহিনীর সদস্য।
45192
১৫
জামালপুর থেকে আল ইমরান সুজন লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৭:৪৪
আদর্শ, নৈতিকতা ও ধর্মিয় মূল্যবোধ যেখানে অনুপস্থিত সেখানে এটা অসাভাবিক কিছু নয়।
45194
১৬
london থেকে shams লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৮:৪৯
Hey selim i think u r a blind supporter of BAL nd BCL ..chkout ur toilet paper jono khantha ,,somokal,,,kaler khantha ..............
45195
১৭
কবর থেকে মুজিব লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:১১
সোনার ছেলেদের সব অত্যাচার আমি কবর থেকে নীরবে দেখি। প্যাট্রিক সুয়েজের মত Ghost সাজার চেস্টা করেছি-কিনতু পারিনি। তানাহলে কি আর ছাত্রলীগের এই অবস্থা হয়? সবাইকেই শায়েস্তা করতাম। প্যাট্রিক সুয়েজের দেখাও পাইনা যে শিখব কিভাবে আঘাত করা যায়।

আসলে আনিসুর রহমান আর সেলিম রেজাদের মত দালাল, ধান্দাবাজদের জন্যই কখনো আমার সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণ হবে না। এই দালালরা সব খারাপ কাজকেই উৎসাহিত করে।
45199
১৮
ঢাকা থেকে মইন লিখেছেন, ০৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:১৬
ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা চাঁদাবাজি করছে তারা সবাই বিএনপি-জামাতের দলছুট লোকজন। এরা জমাত বিএনপির প্রাক্তন ক্যাডার।
45202
১৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আকতার বিন মুস্তফা লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:০২
আপনাদের মন্তব্যের মাধ্যমে অনেক কিছুই বুঝতে পারলাম। বিশেষ করে দলের প্রতি ভালবাসার কারনে কেহই সত্য স্বীকার করতে রাজি নন। সবাই ভাল থাকবেন।
45256
২০
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৫:০০
১৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেলিম রেজা কে আর্দশের লড়াইয়ে যারা পরাজিত তারাই লাটি বৈঠা খন্তা কিরিছ দিয়ে বিপক্ষ দলের উপর হিংস্র পশুর মত ঝাপিয়ে পড়ে, স্বাধীনতার পড়ে ১০০ জনের উপর ছাত্র নিহত হয়েছে ঢাবিতে এর জন্য আপনাদের ছাত্রলীগই দায়ি শিবির দায়ী নয়, এর পরেও যদি শিবির কে রগকাটা বাহিনি বলেন, আপনাদের ছাত্রলীগকে গলাকাটা বাহিনি বলতে হবে!
ঢাবি এখন ছাত্রদলের গুন্ডা মুক্ত ঠিকই কিন্তু এখনো ছাত্রলীগের গুন্ডা মুক্ত হইতে পারে নাই, ঢাবিকে ছাত্রলীগের গুন্ডা মুক্ত করার জন্য ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধার প্রেরণা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে হবে এবং এই গুন্ডাদের বিরোদ্ধে পবিত্র জিহাদের ডাক দিতে হবে ।
ছাত্রলীগ আদর্শের নাম সেই আর্দশটা হল কি ?
শুনেছি কুচক্রি জ্বীন কে নাকি বোতলে বন্ধি করা হয় যাতে অনিষ্ট করতে না পারে, এই ছাত্রলীগ নামের গুন্ডাবাহিনিকেও আগামি তিন বছর পরে বোতল বন্ধি করা হবে যাতে সাধারণ মানুষ তাদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকতে পারে।
কুরআনে বর্ণিত আছে কেয়ামতের আগে ইয়াজুজ মাজুজ নামে একটা সম্প্রদায় আর্বিভাব হবে যারা জমিনে চরম ত্রাস সৃষ্টি করবে, ছাত্রলীগের র্কমকে দেখার পরে আমার ইয়াজুজ মাজুজ কে দেখার স্বপ্ন পূরণ হয়ে গেছে।
45268
২১
ইবি থেকে থেকে এম.এম.মহিউদ্দীন লিখেছেন, ১১ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:০৫
আখতার বিন মুস্তফা ভাই কে ধন্যবাদ। আমার ব্লগে বেড়াতে আসার জন্য সবার দাওয়াত রইল।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির একটি গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠন। বাংলাদেশের জন্য একটি রহমত স্বরুপ ছাত্র সংগঠন। আমার মনে হয়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির যদি এদেশে জন্ম না নিত তা হলে আরো আগেই বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ নষ্ট হয়ে যেত। অন্যান্য ছাত্র সংগঠন যখন মারামারি, ভাগাভাগি, হল-দখল, সিট-দখল, টেন্ডারবাজি, ছিনতাই, ইভটিজিং নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক সেই মুহুর্তে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গণতান্ত্রিক পন্থায় তাদের দলীয় দায়িত্বশীল নির্বাচন করছে অথচ সেখানে কোনো হানাহানি, মারামারি হচ্ছে না। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার একমাত্র অতন্দ্র প্রহরী। তার কারন আমি যখন এ ব্লগটি লিখছিলাম- তখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মানে ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠন তারা যাত্রা নামে মেয়েদের নিয়ে নাচ গান করছে । ঠিক সেই সময়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির হযরত ইউসুফ আ: এর মত ঈমান নিয়ে ক্যাম্পাসে টিকে থাকা তথা গোটা বিশ্বের হাজার ও পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আল্লাহর কাছে ধরনা দিচ্ছে। তথা শববেদারী করছে তথা নৈশ ইবাদত করছে। তারা তাদের মাতৃভুমি রক্ষার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সাহায্য চাচেছ। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এদেশের ছাত্র সমাজের একমাত্র বন্ধু। হাজারো ষড়যন্ত্র করে ছাত্রশিবিরকে নিশ্চিহৃ করার যে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তা বাস্তবায়িত হবেনা। আর একটি কথা বলতে ভুলে গেলাম- ২৮ শে অক্টোবর ২০০৬ যে সকল নিরিহ ছাত্রকে পিটিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে ঐ সকল ছাত্ররা তো মহান আল্লাহর আদেশ প্রচার করছিল অর্থাৎ তারা মহান আল্লাহ তায়ালার হুকুম পালন করছিল কিন্তু তাদেরকে কার নির্দেশে লগি-বৈঠা দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল এবং কারা করেছিল? তাদের বিচার এই বিশাল আসমানের মালিক, বিস্তৃর্ণ জমিনের মালিক মহান আল্লাহ তায়ালা এই বাংলার মাটিতে করবেন। যেমন বঙ্গবন্ধুর বিচার হয়েছে অনেকদিন পরে,ঠিক সেই রকম বিচার হবে হয়তোবা ২৮ শে অক্টোবরের বিচার। প্রিয় ব্লগার ভাইয়েরা আপনারা বলুন যারা ২৮ শে অক্টোবরে আমাদের প্রিয় ভাইদেরকে যারা আঘাত করেছে শাহাদত বরণ করিয়েছে তাদের বিচারটা কেমন হওয়া উচিত?
ছাত্রলীগের আচরণের জবাব একদিন দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ। তানাহলে- আল্লাহ দিবেন।
45472
২২
ফেনী থেকে থেকে মোঃ আবুল কাশেম লিখেছেন, ১৩ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:০৮
আখতার বিন মুস্তফা ভাই কে ধন্যবাদ। সোনার ছেলেরাইতো দর্শনের চেঞ্জুরী করে । দর্শনের চেঞ্জুরী করে এদেশে মেডেল পাওয়ার আশা করে অন্যায় করেনিতো? তাইতো বলা হয় ছাত্রলীগের ইতিহাস গৌরবের ইতিহাস।
45713
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy