|
বিদ্রোহ, বিপ্লব ও সৌরকলঙ্ক
আলমগীর মহিউদ্দিন |
|
আদিম মানুষ পর্বতের দিকে দৃষ্টিপাত করে বিস্মিত হতো। তাকে পূজো করত। এমনভাবে প্রাকৃতিক সব অনিয়ন্ত্রিত বিশাল বিষয়গুলোও তার উপাসনার বিষয় হলো। এর মাঝে সূর্য অবস্থান করে এক বিশিষ্ট স্থানে। জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রকৃতির একাংশ নিয়ন্ত্রণে সাফল্য লাভ করলেও সূর্যের রহস্যের অপার হাতছানি সবার প্রতি। সূর্যের বুকে কেন কলঙ্ক- এ নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ শতাব্দীতেই চীনারা এর হিসাব রাখা শুরু করে। ১৬০০ সালে টেলিস্কোপের প্রচলনের পরে এর হিসাব আরো শৃঙ্খলায় আসে। ১৮৪৩ সালে জার্মান জোতির্বিজ্ঞানী স্যামুয়েল শোয়াব প্রথম আবিষ্কার করেন সূর্যের কলঙ্কগুলোর জন্ম ও মৃত্যু একটি আবর্তনশীল ঘটনা, যা ১১ বছরের মধ্যে মোটামুটি সীমাবদ্ধ। তবে এর প্রায় এক শতাব্দী আগে থেকেই একাদশ বর্ষব্যাপী এই সৌর কলঙ্কের সংখ্যানিরূপণ শুরু হয়। সে হিসাবে ২০০৮ সালে কলঙ্কের সংখ্যা অর্থাৎ যাকে বলে ‘সোলার সাইকল’ এসে দাঁড়িয়েছে ২৪। এ সংখ্যাটি দেয় বেলজিয়ামে অবস্থিত ‘সোলার ইনফ্লুয়েন্সেস ডাটা অ্যানালাইস সেন্টার’ এবং ‘ইউএস ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমেসফেরিক অ্যাডমিটিস্ট্রেশন (নোয়া)। এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাসাসহ ইউরোপীয় দেশগুলো গভীরভাবে সূর্যের গতি-প্রকৃতি এবং এর কর্মকা পৃথিবীসহ সব গ্রহ-উপগ্রহ ও তারকাপুঞ্জের সাথে তার মিথস্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে থাকে এবং প্রয়োজনে জনসাধারণের জন্য সতর্কবাণীসহ নানা তথ্যও প্রকাশ করে থাকে। গত কয়েক দশক ধরে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী সংস্থাগুলোও এ কর্মকাণ্ডে যোগ দিয়েছে। এমনকি কিছু বিজ্ঞানী এখন সূর্য ও অন্যান্য সৃষ্টি নিয়ে ধর্মীয় বক্তব্যগুলোও আলোচনায় আনছেন।
আসলে জোতির্বিজ্ঞানের বাইরে সূর্য নিয়ে আলোচনার কারণ হিসেবে রুশ বিজ্ঞানী ড. আলেকজান্ডার চিজেভস্কির প্রথম মহাযুদ্ধের কিছু আগের মতবাদকে উল্লেখ করা যায়। ড. চিজেভস্কির গবেষণায় ধরা পড়ে, সৌরকলঙ্কের কারণে যে সৌরঝড় হয়, তা মানুষের মন ও মানসকেও প্রভাবিত করে প্রবলভাবে এবং তার অজান্তে। তিনি খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত অন্তত ৭২ দেশের ওপর নিরীক্ষা চালান। সে নিরীক্ষার মূল প্রতিপাদ্য ছিল সৌরঝড় এসব দেশে সামাজিক-আর্থিক-মানসিক কোনো প্রভাব ফেলেছে কিনা? তিনি অবাক বিস্ময়ে আবিষ্কার করেন এই সৌরকলঙ্ক ও তার কারণে উৎপাদিত ঝড় এসব দেশের বিদ্রোহ-বিপ্লব-আন্দোলন-প্রতিবাদের সাথে যুগপৎ ঘটছে। আরো বিশ্লেষণ করে দেখেন, এই ১১ বছরের সাইকেলের মাঝেই এমন ঘটনাগুলো ঘটছে এবং সে ঘটনাগুলো তিনি সঙ্কলন করে সে সময়ের সৌরকলঙ্কের গতিপ্রকৃতি লক্ষ করে ঘোষণা করেন, রাশিয়ান সম্রাটের পতন ঘটবে এবং কমিউনিস্টদের জয় হবে। তিনি এর জন্য পুরোপুরি সূর্যকলঙ্ককে প্রধান স্বীকৃতি দেন। ক্রুদ্ধ কমিউনিস্ট সরকার এ বক্তব্য ছুড়ে ফেলে দিয়ে দাবি করে, কমিউনিস্ট ডায়ালেকটিকের কারণেই এ পরিবর্তন এসেছে এবং অগ্রহণীয় বক্তব্যের জন্য ড. চিজেভস্কিকে ৩০ বছরের জেল দেন।
ড. চিজেভস্কি ১১ বছর সৌরকলঙ্কের সাইকেলকে চার ভাগে বিভক্ত করেন। (১) প্রথম তিন বছর যখন কলঙ্কগুলো আস্তে আস্তে প্রকাশ ঘটে, তখন জনগণের মাঝে অনৈক্য থাকে, নির্বাচন হলে রক্ষণশীলরা জয়ী হয়। স্বৈরশাসক ও সংখ্যালঘিষ্ঠের শাসন চলে। (২) পরের দুই বছর যখন সৌরকলঙ্কের সংখ্যা বাড়ে এবং সৌরঝড় শুরু হয়, জনগণ উত্তেজিত হয়। নতুন নেতাও জোটের জন্ম হয় এবং ক্ষমতাসীনেরা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। (৩) এর পরের তিন বছর যখন সূর্যকলঙ্ক অত্যন্ত দ্রুততার সাথে কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে এবং প্রলয়ঙ্করী ঝড় পৃথিবীসহ মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেয়। জনগণ চরম উত্তেজনার মাঝে থাকে এবং তারা শুধু রেডিক্যাল বক্তব্য এবং লিবারেল নেতৃত্বের দিকে আকৃষ্ট হয়। প্রতিবাদ, রায়ট, বিপ্লব, যুদ্ধ প্রভৃতির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে। (৪) শেষের চার বছর যখন জনগণকে ক্লান্ত মনে হয়, আর সূর্য তার কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে। জনগণ শান্তি চায় এবং কোনো আন্দোলনের ডাকই তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে না।
ড. চিজেভস্কির এই বক্তব্যের পরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আরো গভীরতর গবেষণায় যোগ দেয় এবং তারা গত ৫০০ বছরের একটি চিত্র নির্মাণ করে, যেখানে এ বক্তব্যের সমর্থন মেলে। তারা দেখায় ১৭৫০-২০০০ সালের মাঝে বোস্টন ম্যাসাকার, ফরাসি বিপ্লব, যুক্তরাষ্ট্রের জন্ম, নেপোলিয়নের ইউরোপ জয়, চিলি-আর্জেন্টিনার স্বাধীনতা, তুরস্ক-মেক্সিকো-বেলজিয়াম-পোল্যান্ড-বিদ্রোহ, মার্কিন গৃহযুদ্ধ, ভারতের সিপাহি বিদ্রোহ, চীনে বিদ্রোহ, ফ্রাঙ্কো-প্রুসিয়ান যুদ্ধ, ইসরায়েলের ফিলিস্তিন দখলসহ সব বিপ্লব-বিদ্রোহ-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডগুলো এই সৌরকলঙ্ক ও সৌরঝড়ের উত্থান এবং থেমে যাওয়ার সাথে মিলে যায়।
তাহলে কি কোনো সংযোগ আছে? ড. বুরিল পেইনের (ডাইরেক্টর ন্যাশনাল কাউন্সিল অব জিওকসমিক রিসার্চ) মতে, সৌরঝড়ের কারণে যে তড়িতারিস্ট অণুকণা মানুষকে আবৃত করে, তা তার মাঝে বেশি টেস্টাটেরন উৎপাদন করে, তাকে অত্যন্ত উত্তেজিত এবং খিটখিটে করে। বিশেষ করে যেসব পুরুষ ৪০ বছরের নিচে। ড. পেইন একজন পদার্থবিদ ও মনোবিজ্ঞানী এবং একাডেমী অব পিস রিসার্চেরও প্রতিষ্ঠাতা। এখানে ২০০ বছরের যুদ্ধ, বিপ্লব ও আন্দোলনের গতিধারা পর্যালোচনা করে তারা মত দেন, এগুলো ঠিক কলঙ্ককে কেন্দ্র করেই হয়ে থাকে। তখন অপরাধ, রায়ট, দুর্ঘটনা, বিভিন্ন মানসিক ভারসাম্যহীনতা, অসুস্থতা এমনকি এমনই ভালো না লাগা ঘটে থাকে।
আসলে সোলার সাইকেল কখনোই একইভাবে চলেনি। যখনই কোনো সৌরঝড় পৃথিবীকে আঘাত হানে, তার ওজন হয় দুই বিলিয়ন টন (প্রায় দুই শ’ কোটি টন)। এর বিরাট অংশ পৃথিবী রক্ষাকারী ম্যাগনেটিক বলয় প্রতিহত করে। কিন্তু কিছু কিছু ঝড় যেমন ১৮৫৯ সালের সৌরঝড় এত বিশাল ছিল যে, টেলিফোন বিকল হয়ে যায় এবং সব ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি স্তব্ধ হয়ে যায়। আর মানুষ খবরের কাগজ সে আলোতে পড়তে পারছিল। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, তেমন ঝড় এখন এলে ক্ষতির পরিমাণ হবে দুই ট্রিলিয়ন ডলার।
গত পাঁচ বছর থেকে বিজ্ঞানীরা সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন এই বলে, এবারের সৌর সাইকেল-২৪ সবচেয়ে রহস্যময়। কারণ এখানে সৌরকলঙ্কের সংখ্যা সবচেয়ে কম। সে হিসাবে মানুষের নিঃশ্বাস ফেলার সময়। কিন্তু তেমনটি হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। কারণ এবারের চিত্রটির সাথে ১৮৫৯ সালের বিশেষ মিল দেখা যাচ্ছে। তখনো কলঙ্কের সংখ্যা ছিল কম (৭৮টির মতো) কিন্তু একটি প্রচ সৌরঝড় সব লণ্ডভণ্ড করে দেয়। তখন ছিল ‘ম্যাক্সিমাম’ পিরিয়ড।
এবারের সোলার সাইকেল-২৪ আগামী ২০১৩ মাঝামাঝি শিখরে পৌঁছবে যখন কলঙ্কের সংখ্যা প্রতিদিন হবে ৬০-৭০টি। এটা অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক কম। আর অন্য সময়ের মতো পরবর্তী সাইকেল (নং-২৫) কোনো চিহ্ন এখনো দেখা যাচ্ছে না। যদিও বর্তমান সাইকেলের বয়সের মাঝেই প্রথমার্ধ পেরিয়ে গেছে।
বিজ্ঞানীরা যে সৌরকলঙ্ক (যা সাধারণত ১২ হাজার মাইল থেকে ৪০ হাজার মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হয় এবং সূর্যের অন্যান্য স্থান থেকে ১০ থেকে ২০ হাজার ডিগ্রি উত্তাপ কম থাকার কারণে সূর্যের বুকে কালো দাগের মতো প্রতিভাত হয়) এখন দেখছেন তার গতি-প্রকৃতি এর আগের গুলোর সাথে একেবারেই মিলছে না। তাই এর রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যস্ত রয়েছে। তবে তারা বলেছেন, ২০১২-১৩ সালে সারা বিশ্বে যুদ্ধ-রায়ট-স্বৈরাচারী বিপ্লবের কর্মকাণ্ড তীব্রতর হবে। এটা ২০০৮-২০১১ পর্যন্ত অনেক নিচুস্তরে ছিল।
তবে তারা বুঝতে পারছেন না, ২০১৩ সালের পরে সেই ‘মাউন্ডার মিনিমাম’ ফিরে আসবে কি না! এই মাউন্ডস মিনিমাম বিস্তৃত ছিল ৭০ বছর ধরে (১৬৪৫-১৭১৫) যখন সৌরকলঙ্ক ছিল না এবং কোনো সৌরঝড়ও হয়নি। এর কারণে জনগণ ছিল নিষ্ক্রিয় আর স্বৈরশাসকেরা নির্বিঘ্নে চালিয়ে গেছে তাদের শোষণ-শাসন-অত্যাচার।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১৩ সাল পর্যন্ত যে শোষণ-শাসন-অত্যাচার চলবে তারপরে আর একটি ‘মাউন্ডার মিনিমাম’ (Maunder Minimum) চলে আসবে। এ সময়ে এই বিপ্লব-আন্দোলনের ফলে যে এলিট শাসকেরা আসবে তারা একই পূর্বনির্ধারিত পথে শোষণ-শাসন চালাবে।
অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, এই সূর্যের গতিপ্রকৃতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিশালী দেশের বিভিন্ন বিজ্ঞানী সংস্থাগুলো এত অত্যুৎসাহী কেন? কেউ কেউ বলেছেন, এরা তাদের সাম্রাজ্যবাদী অ্যাজেন্ডাগুলো এই সৌরকলঙ্কসৃষ্ট জন-উত্তেজনাকে ব্যবহার করে বাস্তবায়ন করে আসছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে। একটু গভীরভাবে দৃকপাত করলে এ দাবির সারবত্তা খুঁজে পাওয়া যায়। সে জন্য নাসা এত গভীরভাবে সৌরকলঙ্ক (সানস স্পট) পর্যালোচনা করছে। অবশ্য তাদের দাবি অন্য। তারা বলছে, আধুনিক বিশ্ব টেকনোলজির ওপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল। এই প্রযুক্তিগুলো সৌরঝড়ের কাছে অত্যন্ত অসহায়। বিশেষ করে স্যাটেলাইটগুলো। এগুলোর অনেকেই আগে অকেজো হয়ে পড়েছে। তবে নাসা লক্ষ করছে, এ সময়ে জনগণকে সহজেই উত্তেজিত করে শক্তি প্রয়োগ করলে, তা সহজেই গ্রহণযোগ্য হয়। যেমন মধ্যপ্রাচ্যে এর ব্যবহার।
নাসা লক্ষ করে সৌরঝড়ের ‘নেগেটিভ আয়োনাইজেশন’ (ঋণাত্মক তড়িতারিস্ট অনুকরণ) ফলে যে জন-উত্তেজনা এবং তার ফলে কর্মকাগুলোকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় তা সংশ্লিষ্ট শক্তির সাথে বণ্টন করে থাকে। যেমন সৌরকলঙ্কের সময় মানুষের মগজে ক্যালসিয়াম ও লিথিয়ামের অভাব ঘটে। ফলে মানুষ ‘মানিয়াক ডিপ্রেশনে’ ভোগে। এই অবস্থাকে বাইরের শক্তি চালাকির সাথে ব্যবহার করে তাদের অ্যাজেন্ডার বাস্তবায়ন করতে পারে।
মায়ান সভ্যতার ক্যালেন্ডার নিয়ে প্রচুর আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমা বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর নিয়ে ভাবনার কিছু নেই। বরং সবচেয়ে কঠিন সময়টি হতে পারে জুনের প্রথমার্ধ। কারণ এই সৌরকলঙ্কের সাথে চাঁদের অবস্থান হবে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে। তখন সাধারণ মানুষের ওপর মানবিক-শারীরিক চাপ পড়বে এবং আন্দোলনের পথ হবে প্রশস্ত।
তবে একটি মজার কথা বলেছেন ড. পেইন। তিনি দেখিয়েছেন ১৯৮৮ সালের জুনে একটি ‘বিশাল’ (প্রায় ২০ লাখ লোকের) প্রার্থনা সভা করা হয়েছিল ‘শান্তি’র জন্য এবং এই সৌরঝড়ের আঘাত থেকে বাঁচার জন্য। দেখা গেল, এর পরে সৌরকর্মকাণ্ড ৩০ শতাংশ কমে গেছে। তার দাবি, যৌথ প্রার্থনায় প্রাকৃতিক কর্মকাণ্ডকেও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তাই তিনি ‘পিস একাডেমি করেছেন’।
তৃতীয় বিশ্ব, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বে এখন যে অশান্তি ও অনুপ্রবেশ চলছে, তা-ও দেখা গেছে এই সৌরকলঙ্কের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে। এটা কি সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে কোনো সিগন্যাল, যা চিন্তাশীল নেতৃবৃন্দ এবং মানুষ বুঝতে পারছে না? তা হলে কি আবার আরেকদফা অনিশ্চয়তায় মানুষ নীত হয়েছে?
[সূত্রঃ নয়া দিগন্ত, ১১/০৩/১২] |
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/AlamgirMohiuddin |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
|