|
বিচার না অবিচার হবে?
অমিত হাসান |
|
বর্তমান সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ইতিমধ্যে বেশ প্রস্তুতি নিয়েছে। তৈরী করা হয়েছে বিচারালয়, বিচারের জন্য গঠন করা হয়েছে ট্রাইব্যুনাল। যদিও ইতিমধ্যে সরকার প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয় করে ফেলেছে, এর পরেও সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষার এই প্রয়াসকে আমাদের স্বাগত জানাতেই হয়। আশা করি সরকার মানুষের দুঃখ লাঘবের যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো, ভবিষ্যতে তাও অর্জনে স্বক্ষম হবে।
তবে সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের দুশ্চিন্তা একটু রয়েই যায়। সরকার ইতিমধ্যেই বিচার বিভাগকে যেভাবে প্রহসনের বিচারালয় বানিয়ে ছাড়ছে, তাতে সঠিক বিচারের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীনই থেকে যাচ্ছে। সরকারে এরকম প্রহসনের বিচার দেখে খোদ প্রবীন আইনজীবী ব্যারিষ্টার রফিকুল হক মন্তব্য করেছিলেন 'আল্লাহর পরে উনার (এ্যাটর্নী জেনারেল) কথাই শুনবেন!! একজন প্রবীন আইনজীবী ও প্রাক্তন এ্যাটর্নী জেনারেলের মূখে এরকম কথাই প্রমাণ করে বিচার বিভাগের চরম অপব্যবহার করা ও সরকারের হাতে রাজনৈতিক স্বার্থ-সিদ্ধির হাতিয়ারে পরিণত হওয়া। তা ছাড়াও গত কয়েকদিনের পত্র পত্রিকার সুবাদে যে কেউই বুঝবেন যে বিচার বিভাগের কি পরিমাণ অবনতি ঘটেছে। এ পর্যন্ত রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত কমিটি চার হাজার একশত তেতাল্লিশ (৪১৪৩)টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্টের সুবাদে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজেদা চৌধুরীর দূর্নীতির মামলাও খারিজ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুদকের করা পাঁচটি মামলাও মাত্র আট দিনের মধ্যেই হাইকোর্ট বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করেছে। অপরদিকে বিরোধী দলের অসংখ্য নেতা নেত্রীর বিরুদ্ধে প্রতিদিন নতুন নতুন মামলা করা হচ্ছে। বি এন পি'র সংসদীয় দলের চিফ হুইপ জয়নাল আবেদিন ফারুকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কয়েক হালি মামলা করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনাকে বিষ প্রয়োগে হত্যার চেষ্টায় সাকা চৌধূরীর দায়ের করা মামলা হাইকোর্ট খারিজ করেই দেয়নি, বরং সাকা চৈধূরীর বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেছে। এভাবে সরকারি দলের বিরুদ্ধে করা সকল মামলা খারিজ করা ও বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সকল মামলা গ্রহণ করা এবং তার বিচার কার্য অনতিবিলম্বে শুরু করার প্রয়াসে যে কেউই 'হাইকোর্ট' কে হায় (!!!) কোর্ট বলাতে সাধারণ জনগণের মনে হয় না খুব একটা আপত্তি থাকবে।
যুদ্ধাপরাধের বিচারের বেশ ধুম তুলা হয়েছিলো ইতিপূর্বে। এখন অবশ্য 'যুদ্ধাপরাধ' না বলে নতুন টার্মিনলজি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিচার করা হবে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' এর। হঠাৎ করেই এই শব্দ প্রয়োগের কারণ কি হতে পারে তা একটু খতিয়ে দেখলেই হয়তো আরেকটু স্পষ্ট হবে ভবিষ্যতে বিচার বিভাগ কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।
প্রথমতঃ সরকার যাদের বিচার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে হয়তোবা 'যুদ্ধাপরাধ' সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট অভিযোগ নেই। কারণ 'যুদ্ধাপরাধ' এর সংজ্ঞা এবং 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' এর সংজ্ঞা সম্পূর্ণ ভিন্ন। জাতিসংঘের দেওয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী, যুদ্ধাপরাধ কেবল মাত্র যুদ্ধের সময়ই ঘটতে পারে; অপর দিকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ শুধু যুদ্ধ-বিগ্রহের সময়ই নয়, শান্তিপূর্ণ অবস্থাতেও ঘটতে পারে। এদিক থেকে 'যুদ্ধাপরাধ' এর তুলনায় 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' অনেক বিস্তর। তা ছাড়াও যারা সক্রিয়ভাবে সমর যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে কেবলমাত্র সমর্থনই করেছে, চাই সে সামরিক ব্যক্তি হোক, কিংবা অসুস্থ, আঘাতপ্রাপ্ত, বা কয়েদীই হোক, জাতিসংঘের সংজ্ঞায় তাদেরকে 'যুদ্ধাপরাধী' বিবেচনা করা হয়নি। অপরপক্ষে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' বলতে যা বুঝানো হয়েছে, তা 'যুদ্ধাপরাধ' এর তুলনায় অনেক বেশি বিস্তর। কারণ এই ধরনের অপরাধ যে কোনো সময়েই ঘটতে পারে, তার জন্য যুদ্ধের প্রয়োজন হয়না। এই দৃষ্টিকোণ থেকে কি তাহলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ, সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, আইনজ্ঞ, শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণের যে কেউই যে কোনো সময় হত্যা, গণহত্যা, (enslavement) দাস হিসেবে গ্রহণ করা, দেশত্যাগে বাধ্য করা (deportation), নির্যাতন, ধর্ষণ, গুম, ধর্ম-গোত্র-বর্ণ-রাজনৈতিক ইত্যাদি বৈষম্যে সৃষ্টি করা, অমানবিক আচরণ করে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা, মৈলিক অধিকারের ব্যঘাত ঘটিয়ে অবরোধ করা কিংবা অধিকার থেকে বঞ্চিত করা ইত্যাদি করে থাকলে তাদেরকে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে' অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করা হবেনা? প্রকৃতপক্ষে এতো বিস্তৃত প্রকৃতির অপরাধে অপরাধিদেরকে চিহ্নিত করাও কঠিন। তবে প্রকৃ্তপক্ষেই যদি এই ধরনের অপরাধিদের চিহ্নিত করা হয়, তাতে যে কেউ আওয়ামী লীগের নেতৃস্থানীয় নেতাদের নাম এই তালিকায় নির্দ্বিধায় আশা করতে পারে। শেখ সেলিম নিজেই স্বীকার করেছেন, কিভাবে তিনি এগার (১১) জন জলজ্ব্যন্ত মানুষকে বাসে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মেরেছেন। মতিউর রহমান রেন্টুর বই থেকে জানা যায় শেখ হাসিনা কিভাবে প্রতিদিন লাশ পড়ার আকাঙ্খা করতেন, কিভাবে নির্দেশ দিয়েই এরশাদের সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন ছাত্রকে গুলি করে মারিয়েছে। হয়তবা এরকম আরো অনেক ঘটনা পাঠকদেরই জানা আছে। অতএব, 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' এর বিচার করতে গেলে, আগে আওয়ামী লীগের নেতাদেরই বিচার করা উচিত, যেটা মোটেও আশা করা যায় না। তবে কেনো সরকার এতো টাকা খরচ করে অতি সাধারণ কিছু বিচার কার্যের জন্য এই অসাধারণ ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে? নিশ্চয় অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে এর পেছনে।
পুর্বেই বলা হয়েছিল যে হয়তোবা যাদের বিচার করতে সরকার বদ্ধ পরিকর, তাদের বিরুদ্ধে 'যুদ্ধাপরাধ'এর সুস্পষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। বঙ্গবন্ধুর সময়ে যে ১৯৫ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল, তাও ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছিল। যার কারণে ওই ১৯৫জন যুদ্ধাপরাধীদেরকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তা ছাড়াও বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমার কারণে বাকি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছিল, তাদেরকেও ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এর পরেও বঙ্গবন্ধুর আমলে করা দালাল আঈন টি বাতিল হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত নতুন করে কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। যার কারণে সরকার এতদিন পরে এসে নতুন করে কাউকে যুদ্ধাপরাধি সাব্যস্ত করা আঈনগতভাবে অযৌক্তিক হয়ে পড়ছে। কিন্তু 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' এর আওতায় যে কাউকেই অপরাধি সাব্যস্ত করা অনেক সহজ।
দ্বিতীয়তঃ সরকার ইতিমধ্যে যে আঈনের আওতায় 'যুদ্ধাপরাধ' এর বিচার করার পরিকল্পনা করছিল তাও আন্তর্জাতিক বার এসোসিয়েশন (আই বি এ) এর দেয়া এক ডজন সংশোধনীর কারণে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারানোর সম্ভাবনা বেশি। যার কারণে সরকার 'যুদ্ধাপরাধ' এর বিচার না করে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' এর বিচার করতে ব্যস্ত।
তৃতীয়তঃ আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধাপরাধের বিচারকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে গেলে যে সব তথ্য উপাত্ত প্রয়োজন, তা আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে এতো বছর পর প্রমাণ করাও প্রায় অসম্ভবের মতো। যার কারণে সরকারের জন্য 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' এর বিচার করা তার তুলনায় অনেক সহজ হবে। তা ছাড়াও স্বাক্ষী প্রমাণ গ্রহণের ক্ষেত্রেও সরকার নিজস্ব স্বার্থ সিদ্ধি করতে পারবে।
চতুর্থতঃ ইতিমধ্যেই উল্লেখ করা হয়েছে সরকার কিভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করে নিজস্ব সুবিধা আদায় করছে। অনুরূপভাবে, এখানেও সরকার নিজস্ব স্বার্থ সিদ্ধির জন্য যে কোনোভাবেই হোক, বিচার বিভাগকে কাজে লাগাবে, তা অসম্ভব কিছুই নয়।
পঞ্চমতঃ সরকার ইতিমধ্যেই ট্রাইব্যুনাল এর প্যানেল গঠন করেছে। তবে অত্যন্ত দুখের সাথে বলতে হয়, এই প্যানেলের বেশিরভাগ লোকই কোনো না কোনো সময় সরকারের রাজনৈতিক সমর্থক ছিলেন, কিংবা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে এখনো জড়িত আছেন। যার কারণে এই ট্রাইব্যুনালের নামে সরকার যে প্রহসনের কমিটি গঠন করেছে তার প্রতিবাদ করা বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। সরকারের এই প্যানেলের প্রধান করা হয়েছে জাষ্টিস নিজামুল হককে, যিনি আওয়ামী লীগ আইনজীবী পরিষদ এর সেক্রেটারী ছিলেন। ঠিক অনুরূপভাবেই অপর দুই বিচারপতিও আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ছাড়াও বার (১২) সদস্যের যে আইনজীবী প্যানেল করা হয়েছে, তাতেও অধিকাংশই আওয়ামী লীগ এর সক্রিয় সদস্য বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। যেমন সৈয়দ রেজাউর রহমান আওয়ামী লীগ ঢাকা বার কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান ছিলেন, গোলাম হাসনাইন ও মোশাররফ হোসাইন কাজল ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন, জহিরুল হক ঢাকা সুপ্রিম কোর্টে নেতৃস্থানীয় আওয়ামী পন্থি উকিল, এবং নুরুল ইসলাম সুজন পঞ্চগড় ২ আসন থেকে ও সানজিদা খানম ঢাকা ৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের এম পি নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার এভাবে নিজস্ব লোক দিয়ে ট্রাইব্যুনাল ও প্যানেল গঠন করে বিরোধী দলের বিচার করাটা কোনোমতেই নিরপেক্ষ হতে পারেনা। এতে আন্তর্জাতিকভাবেও সরকারের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের সম্মুখিন হবে।
ষষ্ঠতঃ আওয়ামী লীগ যদি প্রকৃতপক্ষেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়, সে ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যারাই হত্যা, ধর্ষণ, লুট তরাজ, গুম ইত্যাদি বর্নিত অপরাধ করেছে তাদেরই বিচার হওয়া উচিত। এর মধ্যে অবশ্য অনেক মুক্তিবাহিনীও পড়বেন, যারা কিনা বিনা বিচারে কয়েক লক্ষ বিহারিদেরকে হত্যা করেছে। তৎকালিন সময়ের মার্কিন সংবাদসংস্থাগুলোর বরাত থেকে জানা যায় মুক্তিবাহিনীর হাতে প্রায় পাচঁ লক্ষ বিহারি মারা যায়, আরো কয়েক লক্ষ বিহারিকে বাস্তুহারা করা হয়। আদমজি জুট মিলে আশ্রয় নেওয়া ৩০ হাজার বিহারিরই ছিলনা কোনো স্বাধীনতা। তারা অনেকেই জুট মিলের ভেতরেই পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাবে মারা গেছেন। যুদ্ধ চলাকালিন সময়েও মুক্তিবাহিনির অনেক সদস্য এরকম অসংখ্য বিহারিকে হত্যা করেছে, আরো অনেক বাঙ্গালিকে কেবল পাকিস্তানের সাথে ঐক্যমত পোষণ করার দায়েই হত্যা করা হয়েছে। স্বাধীনতার নামে নিশ্চয় কেউ অবৈধ হত্যা, লুট তরাজ, ধর্ষণ চায়নি? জাতিসংঘের দেওয়া সংজ্ঞানুযায়ী যে কেউই যে কোনো পক্ষকেই সমর্থন করতে পারে, কেবলমাত্র সমর্থনের কারনেই কেউ যুদ্ধাপরাধী হয়না। কিন্তু আওয়ামী লীগের এই প্রহসনের বিচারালয় কি এই সব লক্ষ লক্ষ নিরস্ত্র মানুষের হত্যার বিচার করবে??
একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার মনে বার বার বাকশালের ভয় এসে জড়ো হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের কারণে যেভাবে জনপ্রিয় হয়েছিলেন, ঠিক তেমনি বাকশাল গঠন করেই নিজের অবনতি ডেকে এনেছিলেন। আমার ভয় হয়, বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে বর্তমান সরকার শিক্ষা না নিয়ে যদি এরকম প্রহসনের বিচার করে, তাদের পতনও যে কোনো সময় হতে পারে। বাংলাদেশের মানুষেরা যে আশা ভরসা নিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে এই সরকারকে ভোট দিয়ে এনেছিলেন, আবার না হয় তারাই তাদের পতন নিশ্চিত করবে। আশা করি সরকার বিচার বিভাগ ও হাইকোর্টগুলোকে এভাবে হায় (!!!) কোর্ট এ পরিনত করে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুন্ন করবে না। বরং মানুষের গণতান্ত্রিক মর্যাদা রক্ষা করে চলবে। |
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/AmitHasan |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
|