খুব ছোটবেলায় কোন এক সময় এক বন্ধুর প্রশ্নের জবাবে খুব ভাব নিয়ে বলেছিলাম, ‘বড় হয়ে আমি লিভ টুগেদার করব’। তখন আমার বয়স বার কি তের। ঐ বয়সের একটা মেয়ের পক্ষে এটা ‘কি’ তা জেনে বুঝে বলাটা খুবই অস্বাভাবিক। তবে ধারণাটা আমি পেয়েছিলাম কোন এক গল্পের বইয়ের পাতা থেকে এটা স্পষ্ট মনে আছে।
এখন এই ‘লিভ টুগেদার’ কথাটা শুনলেও আমি বেশ শিউরে উঠি। দু’জন মানুষ একটা সম্পর্কে আবদ্ধ থাকবে শুধুই শরীরের ‘ক্ষুধা’ মেটানোর জন্য আর যখন যার ইচ্ছা সে এই সম্পর্ক থেকে নিজেকে ‘মুক্ত’ করে নিতে পারবে। পশ্চিমা মুভি-গুলোতে এই কনসেপ্টগুলি খুবই জমকালো ফ্যাশনেবল হিসেবে তুলে ধরা হয়। এমনভাবে দেখানো হয় মনে হয় যেন সত্যিকার ‘সুখ’ এভাবেই মিলবে। ভাগ্য ভাল হলে এক সময় ভালবাসার সন্ধানও এভাবেই পাওয়া যাবে। যদিও বাস্তবে সেটা একেবারেই মিথ্যা।
একটু চিন্তা করে দেখলেই এই ধারণাগুলোর খুঁত খুঁজে পাওয়া যায়। এমনকি নিতান্তই বোকাসোকা কেউও সহজেই তা বুঝতে পারবেন।
প্রত্যেক মানুষের মাঝেই দু’টি দিক আছে। তার বুদ্ধি, বিবেক বা চিন্তাশক্তি এবং তার কিছু ইমোশন বা ফিলিংস। এই দু’টি দিক ব্যবহার করেই আমরা যেকোন জিনিস বিবেচনা করি। তবে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে যুক্তির চেয়ে বেশি ইমোশনই প্রাধান্য পায়। আর মনের এই অনুভূতিগুলো যখন কৈশোর, তারুণ্য এবং যৌবনে প্রবল হয়; ঠিক তখনি আমরা পাই লিভ টুগেদারের ধারণা, বিবাহ পূর্বক দায়বদ্ধতাযুক্ত সম্পর্কের পরিবর্তে দায়বদ্ধতাহীন প্রেম বা ভালবাসা টাইপ সম্পর্ক তৈরির অনুমোদন। গান, ম্যাগাজিন, ইন্টারনেট, নাটক, সিনেমায় অতিরিক্ত গ্ল্যামার দিয়ে এটাই বার বার ফুটিয়ে তোলা হয়।
তবে খেয়াল করি, এই প্রত্যেকটি সম্পর্কই শুধুমাত্র মানুষের জৈবিক আকাঙ্ক্ষা এবং ফ্রিডম এর উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। একটা মানুষের কিছু দৈহিক এবং মানসিক চাহিদা থাকে। কিন্তু সমাজ এই চাহিদাকে পূরণের জন্য থিওরেটিকালি বিয়েকে একমাত্র মাধ্যম বললেও, সমাজের মানুষের চিন্তা ভাবনায় তার উন্মেষ ঘটানোর কোন চেষ্টা চালাচ্ছে না। বরং তার উল্টোটাকেই নীরবে সায় দিয়ে চলেছে। বেশির ভাগ ছেলেমেয়েরাই এই ধারণা নিয়ে বড় হচ্ছে, ‘আমার ইচ্ছা হলে আমি সম্পর্ক করব, ইচ্ছা হলে ভেঙ্গে দিব’। মানুষকে বিশ্বাস দেয়া হয় লিমিট নির্ধারণ তার-ই হাতে। কোনটা ঠিক, কতখানি বেঠিক এটা নিজের চাইতে বেশি বুঝার আর কেউ নেই। তাই যা গতকাল ছিল নোংরা, নষ্টামি আর বেহুদাপনা; আজ তাই-ই প্রেমের মুখোশ পরে হাজির হয়। কথা বলা, বন্ধুত্ব একসময় হাত ধরা, কিস করা বা বিছানায় শোয়াতে পরিণত হওয়া।
গল্পের বই এবং উপন্যাসগুলোতেও এগুলোর ছড়াছড়ি। দেশের বিখ্যাত এক লেখকের বই থেকে কয়েকটি লাইন তুলে ধরছিঃ
‘আফসোস, লিভ টুগেদার বাংলাদেশে এখনো চালু হয় নাই। বিবাহ মানে বন্ধন। বন্ধনের ভিতর থেকে কোনো ক্রিয়েটিভ কাজ হয় না।’
গত কয়েক বছরে এই ধারণা প্রবল ভাবে মানুষের মানসিকতায় গেঁথে গিয়েছে। কয়েক বছর আগেও মানুষ ‘প্রেম করি’ বলতে ভয় পেত। লুকিয়ে রাখত। কিন্তু আজকে অনেকগুলি প্রেম করা হল গৌরবের বিষয়। না করলেই তারা ব্যাকডেটেড, ফিলিংসলেস, অ্যাবনরমাল। তাই এখন মানুষ বরং এটা বলতেই লজ্জা পায় যে আমার বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড নাই। আর আমার বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড আছে বলতে পারা মানেই যেন আমি বিশাল কিছু ‘অ্যাচিভ’ করে ফেললাম। একজন ছেলে বা মেয়ের ‘স্ট্যাটাস’ এর মাপকাঠি হয়ে দাঁড়িয়েছে তার সম্পর্ক তৈরি করতে পারার ক্ষমতা। মানুষের আত্মসম্মান বোধ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, ভাল লাগার জন্য আরেকজনের দেয়া মিথ্যা বানোয়াট কিছু মন্তব্যের উপর ভরসা করে থাকতে হয়।
সমাজ শুধু বিবাহ নামক বন্ধন কে বৈধতা দিলেও, প্রেম ভালবাসাকে কিন্তু অবৈধ করে দেয়নি। বরং তার দিকেই provoke করছে। ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিচ্ছে সেটা ভুল নয়। তাই ছেলেমেয়েরাও সমাজের সম্মোহনী শক্তির কাছে হার মেনে প্রেম আর ভালবাসায় জড়িয়ে ‘ফান’ খুঁজে পাচ্ছে। ব্যক্তিস্বাধীনতা, লোভ আর স্বার্থপরতার কাছে আত্মসম্মানকে বিলিয়ে ভাবছে তারা উন্নত। তবে প্রেম ভালবাসা আর লিভ টুগেদারের সময় একজন নারীর সতীত্ব ও একজন পুরুষের ব্যক্তিত্ব কোথায় গিয়ে ঠেকে তার হিসাব সমাজ রাখে না। তখন জন্ম নেয়া একজন শিশুর বাবা-মার দায়িত্ব কে পালন করবে সে কথার উত্তরও সমাজ দেয় না। ওদের সামাজিক অবস্থান কি হবে, ভবিষ্যৎ কি তা নিয়েও সমাজ নির্বিকার।
এক রকম ঝাপসা ধারণা নিয়েই নতুন প্রজন্ম এই ভয়ানক অন্ধকারের দিকে ঝাঁপ দেয়।
তারপর যখন এক সময় তাদের কামনা-বাসনার পেট কিছুটা ভরে ওঠে, তখন নিজেকে আবিষ্কার করে নর্দমার চাইতেও নোংরাতম স্থানে। আর সেখান থেকে ফিরে আসার কোন পথ খুঁজে পায় না। দায়বদ্ধতা থেকে বেঁচে থাকার এই ভ্রান্ত পথ বেছে নিতে গিয়ে কতজনের মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়। মানুষের উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। সবচেয়ে বড় কথা একজন মানুষ শুধু পশুর মত তার দৈহিক আর যৌন চাহিদা মেটানোকেই জীবনের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দিক মনে করতে শুরু করে। কিন্তু মানুষ আর পশুর মধ্যে তাহলে পার্থক্যটা কোথায় থাকল?
একটা মেয়ের জন্য কয়েকটি ছেলের বিছানায় শুতে পারাটা কি লজ্জা নয়?
একটা ছেলের চাহিদা পূরণে বিবাহের বাইরে মেয়েদের নিজের মান সম্মান শরীর মন আত্মা বিকিয়ে দেয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত? একজন নারীর মূল্য কি এতোই কম?
শরীরের একটু আনন্দের জন্য যার-তার সাথে সম্পর্ক তৈরিতে কি করে নিশ্চয়তা পাওয়া যায় যে এটা স্থায়ী সমাধান?
যেই বয়ফ্রেন্ড এর হাত ধরে ঘুরতে এত মজা লাগে তাকে স্বামী হিসেবে কেন গ্রহণ করা যায় না?
এরকম সম্পর্ক কি আসলেই প্রেমের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে কিনা সেটাও একটা বিশাল প্রশ্ন। আজ যে মানুষটি সার্ভিস দিচ্ছে, কাল তার একখানা ভুলের জন্যই সম্পর্ক ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। তখন কি আমরা তার জন্য ভাবি নাকি নিজের জন্য? পুরো সম্পর্কটাই আসলে দাঁড়িয়ে আছে এক ধরনের স্বার্থপরতার উপর ভিত্তি করে, দায়িত্ববোধের ছিঁটেফোটাও সেখানে নেই। এখানে আমরা সবাই ‘ড্যাম কেয়ার’। নিজের জন্য ভাবতেই বেশি আগ্রহী। আমি সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেললে কে কষ্ট পাবে সেটা নিয়ে আমার কিছু আসে-যায় না। শুধু ‘আমার’ ওকে ভাল লাগে, তাই ‘আমি’ ওর সাথে থাকতে চাই। সামনের মানুষটির চেয়ে তখন এই ‘আমি’ কেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। ঠিক একই ভাবে সামনের মানুষটিও কিন্তু নিজেকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ‘গিভ অ্যান্ড টেইক’ এর খেলা। যার ফলাফল শুন্য।
এবার একটি সহজ প্রশ্ন।
রিলেশনে আছেন যারা, আপনারা কি সুখী?
না, আমরা সুখী নই, কারণ যদি আমরা সুখী হতাম তাহলে এক বয়ফ্রেন্ড থাকতে আরেকজন ছেলের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে কথা বলতাম না। সব সময়ই আমাদের মন কাকে যেন খুঁজছে, কি যেন পাচ্ছে না।
তাহলে যে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এত ঠুনকো সেখানে জড়িয়ে থাকার মানে কি?
শুধুই শরীর। মনের দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা। এই শরীরের দাস হয়ে একে ওকে ধর্না দিয়ে যখন কিছুই মেলে না, তখন এক সময় মনে হয় জীবনটা পুরাই বৃথা।
ইসলামে তাই এরকম সম্পর্কের কোন অবস্থান নেই, যেখানে মানুষের সম্মানের চেয়ে বেশি স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়া হয়। যেখানে ভাল লাগাই সব, স্থায়িত্বের প্রসঙ্গ নেই। যেখানে চেতনা লোপ পায় আর শুধুমাত্র দেহের তৃষ্ণা, মনের আকাঙ্ক্ষা মেটাতে মানুষ পশুর মত ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
এরকম সম্পর্কের অনুমোদন দিয়ে আসলে মানুষের পশুবৃত্তিকেই জাগিয়ে তোলা হয়। যখন মানুষ ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে অন্যের স্বাধীনতা খর্ব করে, অন্যের স্বপ্ন ভেঙ্গে দেয়। আমরা কি চাইব কেউ আমার শরীর কে ব্যাবহার করে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দিক? এই কি ভালবাসা? যে সম্পর্কে দুই পক্ষের দৈহিক এবং মানসিক প্রয়োজনের স্থায়ী সমাধান দেয়া হয় না সেই সম্পর্কের কোন মূল্য নেই। কোন সমাজ গড়তে এবং প্রগতির ক্ষেত্রে তা সহায়ক হতে পারে না।
বরং ইসলামে দুইজন মানুষ আল্লাহকে ভয় পেয়ে রাসুল (সা) এর সুন্নাহ পালনের উদ্দেশ্যে বিয়ের মাধ্যমে একত্রে পথ চলার অঙ্গীকার করে। সেখানে প্রেম আছে। ভালবাসা আছে। আছে ফুটফুটে সন্তান। পরস্পরের প্রতি সম্মান, মায়া-মমতা আর দায়িত্ববোধ নিয়ে দু’জনে সুস্থ সুন্দর পারিবারিক জীবন ধারন করার অঙ্গীকার।
ইসলাম মানুষকে শুরুতেই জীবনের উদ্দেশ্য দান করে। মানুষের সুবিধার জন্য সম্পর্ক, সম্পর্কের জন্য মানুষ নয়। তাই সম্পর্কের পিছে পড়ে একজন মুসলিমকে কাতর হতে ইসলাম শেখায় না। কিন্তু আমাদের সেকিউলার সমাজে ব্যক্তি স্বাধীনতা আমাদেরকে বলে আমি যা চাই তাই পেতে পারি। আমার ইচ্ছার কোন সীমা নাই। তারপর সেই ইচ্ছার পিছনে অন্ধভাবে ছুটতে যেয়ে নোংরা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি হোক, হোক সম্পর্ককালীন বা পরবর্তী জটিলতা- তার দায়িত্ব সমাজের নেই। সেকিউলার সমাজ আমাদেরকে লোভী হতে বাঁধা দেয় না। তাই চিন্তাধারা থাকে, ‘আমি এটা বা ওটা চাই’। কিন্তু ইসলাম বলে সংযমের কথা। এখানে একজন ছেলে আর মেয়ে একে অপরের সুবিধার কথা ভাবে। সম্পর্কের এই নোংরা পরিণতির কথা ভেবে ইসলাম প্রথমেই দিয়েছে দৃষ্টির সীমা, হিজাব আর মার্জিত আচরণের নিয়ম। তাই ইসলামিক সমাজব্যবস্থাতে নারী-পুরুষের পক্ষে সম্মান বজায় রেখে পাশাপাশি কাজ করে একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব, আর সেকিউলার ত্রুটিপূর্ণ সমাজে আশা করা যায় শুধুই গ্লানি, হতাশা আর স্বপ্নভঙ্গের কাহিনী।
বোন আনিকা ওয়ার্দাকে ধন্যবাদ ।Islam is code of life.
ইসলাম মানুষকে শুরুতেই জীবনের উদ্দেশ্য দান করে। মানুষের সুবিধার জন্য সম্পর্ক, সম্পর্কের জন্য মানুষ নয়। তাই সম্পর্কের পিছে পড়ে একজন মুসলিমকে কাতর হতে ইসলাম শেখায় না। কিন্তু আমাদের সেকিউলার সমাজে ব্যক্তি স্বাধীনতা আমাদেরকে বলে আমি যা চাই তাই পেতে পারি। আমার ইচ্ছার কোন সীমা নাই। তারপর সেই ইচ্ছার পিছনে অন্ধভাবে ছুটতে যেয়ে নোংরা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি হোক, হোক সম্পর্ককালীন বা পরবর্তী জটিলতা- তার দায়িত্ব সমাজের নেই। সেকিউলার সমাজ আমাদেরকে লোভী হতে বাঁধা দেয় না। তাই চিন্তাধারা থাকে, ‘আমি এটা বা ওটা চাই’। কিন্তু ইসলাম বলে সংযমের কথা। এখানে একজন ছেলে আর মেয়ে একে অপরের সুবিধার কথা ভাবে। সম্পর্কের এই নোংরা পরিণতির কথা ভেবে ইসলাম প্রথমেই দিয়েছে দৃষ্টির সীমা, হিজাব আর মার্জিত আচরণের নিয়ম। তাই ইসলামিক সমাজব্যবস্থাতে নারী-পুরুষের পক্ষে সম্মান বজায় রেখে পাশাপাশি কাজ করে একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব, আর সেকিউলার ত্রুটিপূর্ণ সমাজে আশা করা যায় শুধুই গ্লানি, হতাশা আর স্বপ্নভঙ্গের কাহিনী।
66673
২
tokyo,japan থেকে kazi লিখেছেন,
২৯ অগাস্ট ২০১১; রাত ১২:২৬
thanks to you,continue plz.
66675
৩
্ক্যাল্গেরী থেকে রেহনুমা বিনত আনিস লিখেছেন,
২৯ অগাস্ট ২০১১; রাত ০৩:৫৬
অসাধারন!
66689
৪
London, UK থেকে Abul Hossain Gazi লিখেছেন,
৩০ অগাস্ট ২০১১; রাত ০২:১৩
বোন, আপনাকে অসংখ ধন্যবাদ এই চমৎকার আর্টিকেল টি আমাদরে উপহার দেবার জন্য ।সত্তি ই অসাধারন এবং যুগোপযুগী আপনার এই কথাগুলো...
66782
৫
AL KHOBAR K S A থেকে AHMED লিখেছেন,
৩১ অগাস্ট ২০১১; সকাল ০৭:০২
ধন্যবাদ এই চমৎকার আর্টিকেল টি আমাদরে উপহার দেবার জন্য
66855
৬
রিয়াদ, সৌদি আরব থেকে এম, এ, মান্নান লিখেছেন,
০১ সেপ্টেম্বর ২০১১; রাত ০২:২৪
যুগোপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক লেখার জন্যে প্রবাসী লেখিকা বোন আনিকা ওয়ার্দাকে আমার অন্তরিক ধণ্যবাদ, ভালবাসা এবং দোয়া জানাচ্ছি। বোন আনিকা বিখ্যাত এক লেখকের বই থেকে যে উদ্ধৃতি কোট করেছেন, তাতে দু:খিত বা ব্যথিত হবার কিছুই নেই। কেননা, ঐ সব জ্ঞানপাপী তথা জাহান্নামের কিটরা পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বলেইতো পৃথিবীর বুকে এতো পাপাচার - অনাচার অনুষ্ঠিত হয়েছে,হচ্ছে এবং হবে।
66887
৭
ireland থেকে hossainireland লিখেছেন,
০১ সেপ্টেম্বর ২০১১; সকাল ০৬:০৪
only the islam what's could solve all problem of human faced in there life.
66894
৮
নকীব কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, কেন্দুয়া, নেত্রকোণা, বাংলাদেশ থেকে আনোয়ার হুসাইন খান সোহেল লিখেছেন,
০১ সেপ্টেম্বর ২০১১; বিকেল ০৫:৫০
খুব সুন্দর একটা লেখা। বর্তমান যামানায় এমন লেখা খুবই প্রয়োজন। ধন্যবাদ লেখিকাকে। এরকম যুগ উপযোগী লেখা লেখার জন্য। সকলকে ধন্যবাদ যারা মন্তব্য করেছেন।
66915
৯
পর্তুগাল থেকে পল্লব লিখেছেন,
০২ সেপ্টেম্বর ২০১১; রাত ১২:০৭
নারী হিসাবে আপনার মূল্যবান লেখাকে সম্মান করছি।
66920
১০
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আশিক লিখেছেন,
০২ সেপ্টেম্বর ২০১১; সকাল ০৭:১১
লেখাটি বেশ ভালো, তবে বেশী ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেছেন।
66926
১১
কানাডা থেকে মোহাম্মদ আবদুল খালেক লিখেছেন,
০৩ সেপ্টেম্বর ২০১১; বিকেল ০৫:০৩
অাপনি জেগেছেন, অন্যদের জাগাচ্ছেন সুন্দরের অাহবানে। অাপনার এই অাহবান অাল্লাহতালাহ যেন কবুল করেন। অামিন।
66979
১২
চট্টগ্রাম থেকে মঈনুল চৌধুরী লিখেছেন,
০৩ সেপ্টেম্বর ২০১১; রাত ১১:১৪
অসাধারন!
67001
১৩
SPAIN থেকে KABIR AHMED লিখেছেন,
০৪ সেপ্টেম্বর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:২২
APOKA K ANTORIK DONNOBAD JANAI
67036
১৪
সাভ থেকে আব্দুল হামীদ আল ফয়সাল লিখেছেন,
০৫ সেপ্টেম্বর ২০১১; সকাল ০৫:৩০
পর্তুগালের পল্লব ভাই আমি কি আপনার ইমেইল ঠিকানাটা পেতে পারি।আমার ইমেইল faysal.robel@gmail.com
67059
১৫
বাংলাদেশ থেকে ইফতেখার লিখেছেন,
০৭ সেপ্টেম্বর ২০১১; দুপুর ০২:৩২
অসাধারন লেখা. আশা করি আরও এই ধরনের লেখা পাব ।
67255
১৬
chittagong থেকে Morgina Sultana লিখেছেন,
০৮ সেপ্টেম্বর ২০১১; দুপুর ১২:১০
khub valo hoisa..... thanks a lot........
67310
১৭
u a e থেকে rukian লিখেছেন,
০৮ সেপ্টেম্বর ২০১১; দুপুর ০১:৫০
good
67317
১৮
ঢাকা থেকে খালিদ সাইফুল্লাহ লিখেছেন,
০৮ সেপ্টেম্বর ২০১১; দুপুর ০৩:৫৫
১০ নং মন্তব্যকারীকে, জনাব আশিক তথাকথিত আধুনিকা বা আধুনিক কোন লেখক যদি হাজারে হাজার ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করে তাতে দোষ হয় না আর এক জন ইসলামী মনা বোন যদি কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করেন তাহলে আপনারা সব দোষ খুঁজে পান। পজেটিভ মন মানসিকতার মানুষ হলে অনুরোধ থাকবে। আমাদের বোনদের উতসাহ দেয়া আর যদি কোন পরামর্শ থাকে তাহলে সেটা ইতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করা।
ধন্যবাদ বোন আনিকা। অনুরোধ থাকবে নারী ইস্যুতে নিয়মিত লেখার জন্য।
67326
১৯
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে এম এ শহীদ লিখেছেন,
০৯ সেপ্টেম্বর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৪৩
আর্টিকেলটি লিখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, আসলে আপা আপনার মত সচেতন মহিলারা এগিয়ে আসতে হবে। তথাকথিত আধুনিকতার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে এক জন মুসলিম নারী চিন্তা করছেন না তার এ নারী সত্তার মুল্য কত? কোন মেয়ে
কে বিয়ে করতে হলে বর্তমানে দুই লাখ থেকে বিশ লাখ মহরানা দিতে হয়, সামান্য কচু পাতার পানির মত সন্পর্ক গড়ে মেয়েরা তাদের এ অমুল্য সন্পদ কে বিলিয়ে দিচেছ। তারপর ঐ মেয়ের বিয়ে অন্যের সাতে হলে এত টাকার বিনিময় বিয়ে করে সে কি পায়,,,,,,,,,,,? তাইতো তথাকথিত আধুনিক বাদীদের বিয়ে সাদী টিকে না। তাই তারা সমাজে অবাধ মেলামেশার রেওয়াজ চড়াচেছ। যে ছেলে বয়ফ্রন্ড সেজে ঐ মেয়েকে বিয়ে করে না সে ,,,,,,,,,,তাকে গালি দেয়ার ভাষা আমার নাই।
67400
২০
sylhet,Bangladesh থেকে wahid alam লিখেছেন,
১১ সেপ্টেম্বর ২০১১; দুপুর ০১:০৪
sister anika apner lakha khub valo lagse. Donnobud
67510
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
ইসলাম মানুষকে শুরুতেই জীবনের উদ্দেশ্য দান করে। মানুষের সুবিধার জন্য সম্পর্ক, সম্পর্কের জন্য মানুষ নয়। তাই সম্পর্কের পিছে পড়ে একজন মুসলিমকে কাতর হতে ইসলাম শেখায় না। কিন্তু আমাদের সেকিউলার সমাজে ব্যক্তি স্বাধীনতা আমাদেরকে বলে আমি যা চাই তাই পেতে পারি। আমার ইচ্ছার কোন সীমা নাই। তারপর সেই ইচ্ছার পিছনে অন্ধভাবে ছুটতে যেয়ে নোংরা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি হোক, হোক সম্পর্ককালীন বা পরবর্তী জটিলতা- তার দায়িত্ব সমাজের নেই। সেকিউলার সমাজ আমাদেরকে লোভী হতে বাঁধা দেয় না। তাই চিন্তাধারা থাকে, ‘আমি এটা বা ওটা চাই’। কিন্তু ইসলাম বলে সংযমের কথা। এখানে একজন ছেলে আর মেয়ে একে অপরের সুবিধার কথা ভাবে। সম্পর্কের এই নোংরা পরিণতির কথা ভেবে ইসলাম প্রথমেই দিয়েছে দৃষ্টির সীমা, হিজাব আর মার্জিত আচরণের নিয়ম। তাই ইসলামিক সমাজব্যবস্থাতে নারী-পুরুষের পক্ষে সম্মান বজায় রেখে পাশাপাশি কাজ করে একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব, আর সেকিউলার ত্রুটিপূর্ণ সমাজে আশা করা যায় শুধুই গ্লানি, হতাশা আর স্বপ্নভঙ্গের কাহিনী।