রবিবার, ২৩ মাঘ ১৪১৯; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০৯:৩৭ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর সাফল্য-ব্যর্থতা এবং ভবিষ্যৎ

আনিসুর রহমান

বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে অর্ধ শতাব্দীরও বেশী সময় ধরে। দলটি কখনো ক্ষমতায় না যেতে পারলেও (২০০১-২০০৬ মেয়াদে ক্ষমতার ২ শতাংশেরও কম ভাগ পেয়েছিল) সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেছে এবং দেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগামীতেও তার ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয় না। তাই বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সাথে দলটির একটা সম্পর্ক আমাদের নিয়তির মতই হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে দলটি সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

সাফল্য:

ক. পৃথিবীর যে কয়েকটি হাতে গোনা ইসলামী আন্দোলন নিষিদ্ধ না হয়ে নিজ নামে কাজ করতে পারছে জামায়াতে ইসলামী তার অন্যতম। শুধু তাই নয়, চরম বিরূপ বিশ্ব পরিস্থিতিতেও (২০০১ এর ৯/১১ এর পর) দলটি সরকারের অংশীদার হিসাবে পাঁচ বছর ক্ষমতায় ছিল এবং গণতান্ত্রিক দল হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্টিফিকেট পেয়েছিল।

খ. অন্যান্য মুসলিম জনগণ থেকে বাংলাদেশের জনগণের সাংস্কৃতিক ও ধর্মচিন্তার কিছু পার্থক্য রয়েছে যা একটি ইসলামী আন্দোলনের জন্য অতিরিক্ত প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে। বাংলাদেশে ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটেছিল সুফীবাদে প্রভাবিত ইসলাম প্রচারকগণের মাধ্যমে। তারা ইসলামের মরমী রূপটিকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন। অপরদিকে দীর্ঘদিন ইংরোজ ও এদেশী হিন্দু জমিদারদের অধীনে থাকার কারণে আমাদের ধর্মবিশ্বাসের মধ্যে পৌত্তলিকতার বীজ ব্যাপকভাবে বপন করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রেই হিন্দু ধর্মের ছাচে ফেলে ইসলামের একটা সংস্করণ তৈরী করা হয়েছিল, যা জনগণ বিশ্বাস করতো। জামায়াতে ইসলামীকে তার কর্মকান্ডের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় করতে হয়েছে ইসলামের সঠিক ধারণার বিস্তার ঘটাতে। এ ক্ষেত্রে সংগঠনটিকে যথেষ্ট সফল বলা যেতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইসলাম যে একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান সে সম্পর্কে তেমন কোন দ্বিমত নেই।

গ. অন্যান্য অনেক ইসলামী আন্দোলন থেকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে জামায়াতের সাফল্য বেশী। আরব বিশ্বে ইসলামী আন্দোলনের দাওয়াতের সব থেকে বড় হাতিয়ার হচ্ছে কোরআন। মহান আল্লাহর নিজের কথা মানুষের মনে যেভাবে আলোড়ন তুলতে পারে, অন্য কিছু সেভাবে পারে না। কিন্তু তার পরও ইখওয়ানুল মুসলিমীনের মত সংগঠন তেমন কোন গণভিত্তি অর্জন করতে পারেনি। বিভিন্ন সময়ে তারা সন্ত্রাসবাদের সাথে জড়িত হয়ে গেছে। মিসরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত হত্যার সাথে তারা জড়িত ছিল। মিসরের মত দেশে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আগ্রাসন তারা রুখতে পারেনি। খোদ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু আগেই মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে।

ঘ. শিবির বিগত তিন দশক ধরে ইসলামী আন্দোলনের প্রচুর সংখ্যক নেতা, কর্মী ও সমর্থক তৈরী করেছে। বর্তমানে সমাজের সকল সেক্টরে তারা রয়েছে।

ঙ. বাংলাদেশের ডানপন্থী বুদ্ধিজীবি মহলের উপর জামায়াতের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। বস্তুত: ডানপন্থী বুদ্ধিজীবিদের অধিকাংশই ইসলামী আন্দোলনের সমর্থক।

চ. আর্থিক, শিক্ষা ও সেবা খাত এবং মিডিয়াতে দলটি যথেষ্ট অগ্রসর হতে পেরেছে।

ছ. নারীদের মধ্যে কাজের ক্ষেত্রে দলটির অগ্রগতি দুনিয়ার অনেক ইসলামী আন্দোলন থেকে বেশী। যেখানে আরব বিশ্বের কিছু ইসলামী আন্দোলন নারীদের ভোটাধিকারের বিরোধিতা করছে, সেখানে জামায়াতে ইসলামী নিজ দলেও নারীদের নেতৃত্বকে উৎসাহ দিচ্ছে।

জ. সমাজ সেবামূলক কাজেও জামায়াতের অগ্রগতি প্রশংসনীয়।

ঝ. সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের শ্লোগানটি জামায়াতই প্রথমে চালু করে এবং দীর্ঘদিন ধরে একমাত্র এই দলটিই সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের জন্য জনমত গঠন করে আসছিল। একথা বললে অতুক্তি হবে না যে, জামায়াতের কারণেই জনগণকে এ কথা বিশ্বাস করানো গেছে যে, সৎ লোকেরাও নেতা হতে পারে।

সীমাবদ্ধতা:

ক. গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি না হওয়া:
জামায়াতে ইসলামী শুধু যে রাষ্ট্রব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সমর্থন অর্জন করতে পারেনি তাই নয়, বরং দলটি সাধারণ জনগণের নিকট তেমন কোন গ্রহণযোগ্যতাও পায় নি। সবথেকে আশংকার কথা হচ্ছে, জামায়াত ঠেকাও এখন নির্বাচনে জেতার আকর্ষণীয় শ্লোগানে পরিণত হয়েছে। জামায়াতের কারণে ২০০৮ এর নির্বাচনে চারদলীয় জোটের বিরুদ্ধে তরুণ ভোটারদের একটি বিরাট অংশ ভোট দিয়েছে। বাংলাদেশে জনসমর্থনহীন প্রচুর বাম দল রয়েছে। তাদের জনসমর্থন না থাকলেও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। কোন ব্যক্তি বা ছাত্র উক্ত দলভূক্ত হওয়ার কারণে তাকে প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হয় না। এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র ইসলামের বিরুদ্ধে বাতিলের প্রতিরোধ হিসাবে দেখলে ভুল হবে।

খ. জামায়াতকে গণমানুষের দল হিসাবে গড়তে না পারা:
জামায়াতের কর্মী সংখ্যা বড় দলগুলোর তুলনায় খুব একটা কম না হলেও সাধারণ জনগণের মধ্যে সমর্থন খুব একটা বেশী নয়। অভিযোগ রয়েছে যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নেতারা জনগণের সাথে মেশেন না এবং তাদের দু:খ কষ্টে এগিয়ে আসেন না। সরকারী কর্মকর্তাদের মত অফিস করতেই তারা বেশী সাচ্ছ্যন্দ বোধ করেন। নেতারা যদি জনগণের বিপদ-আপদে তাদের পাশে না দাঁড়ান, তাহলে জনগণ কেন তাদেরকে সমর্থন করবে? শুধুমাত্র আদর্শিক কারণে রাজনৈতিক সমর্থন পাওয়া খুব কঠিন এবং ব্যাপক জনগণের ক্ষেত্রে তা অনেকটাই অসম্ভব। জামায়াত নেতাদের গণবিচ্ছিন্নতার কারণে একই ব্যক্তি একাধিকবার এমপি হওয়ার ঘটনা খুব বেশী দেখা যায় না।

গ. ইসলামী শক্তির মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি না হওয়া:
অধ্যাপক গোলাম আযম একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তাঁর জীবনের সবথেকে বড় ব্যর্থতা হচ্ছে বাংলাদেশের ইসলামী শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি করতে না পারা। এ ক্ষেত্রে ছোট ছোট ইসলামী দলগুলোর সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গী, ক্ষমতার লোভ ইত্যাদি দায়ী থাকলেও, জামায়াত বড় দল হিসাবে তার দায়িত্ব ঠিকমত পালন করেনি। চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকাকালে জামায়াতে ইসলামীর সাথে ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের বিরোধ চরমে পৌঁছে যা অনেক সময়ই প্রকাশ্য রূপ ধারণ করেছে। এর মূল কারণ ছিল উক্ত দলগুলো থেকে কোন মন্ত্রী না বানানো। জামায়াতের বক্তব্য ছিল, এটি তাদের সাথে বিএনপির সমস্যা। কথাটি হয়তো মিথ্যা নয়। কিন্তু, এই সমস্যা দূর করতে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোন উদ্যোগ নেয়া হয় নি। বস্তুত: চারদলীয় জোটের পুরো সময়ে ইসলামী দলগুলোকে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসার বিষয়ে কোন উদ্যোগ জামায়াত নেয় নি। এর ফলে এক পর্যায়ে শায়খুল হাদীসের মত নেতা, যিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে প্রত্যক্ষভাবে নির্যাতিত হয়েছিলেন, তিনিও আওয়ামী লীগের সাথে জোট বাঁধেন।

ঘ. ইসলামী স্কলার তৈরী না হওয়া:
প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোন বড় মাপের ইসলামী স্কলার তৈরী হয়নি যারা আমাদের ধর্মচিন্তার ক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারেন। এমন কোন ইসলামী চিন্তাবিদ আমাদের নেই যার রচিত বই-পত্র বাংলাদেশের বাইরে আদৃত হচ্ছে। এ ধরণের স্কলারগণ সাধারণ মানুষের মননশীলতার উপরে প্রভাব বিস্তার করেন এবং তাদেরকে ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তোলেন। দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, ইসলামী দলগুলোর নিজেদের মধ্যকার সমস্যা - ইত্যাদি নিরসনে তারা ভূমিকা রাখতে পারেন। আন্তর্জাতিক (অন্তত: ইসলামী বিশ্বে) গ্রহণযোগ্যতা থাকায় দেশে ইসলামী আন্দোলন নির্যাতনের শিকার হলে তারা বহির্বিশ্বের সমথর্ন যোগাড় করতে পারেন।

সাফল্য ও সীমাবদ্ধতাকে যে বাইরের ফ্যাক্টরগুলো প্রভাবিত করেছে:

ক. দীর্ঘদিন পরাধীন থাকার কারণে এ অঞ্চলের জনগণের মধ্যে নেতৃত্ব এবং শাসক সমার্থক হিসাবে রয়েছে। জনগণ তাদেরকেই ভোট দেয় বা রাজনৈতিকভাবে সমর্থন করে যাদের সরকার গঠনের সম্ভাবনা থাকে। শাসক শ্রেণীই রং পাল্টে বিভিন্ন দলের নামে দেশ শাসন করেছে। ইংরেজরা চলে যাওয়ার সময় মুসলমানদের মধ্যে তখন যারা শাসক শ্রেণীতে ছিলেন, তারাই মুসলিম লীগের নেতৃত্ব দেন। মুসলিম লীগ থেকেই প্রথমে আওয়ামী মুসলিম লীগ ও পরে আওয়ামী লীগ তৈরী হয়। ৭৫এর পট পরিবর্তনের পর ক্ষমতায় বসে জিয়াউর রহমান বিএনপি তৈরী করেন যাতে আওয়ামী লীগ, মুসলিম লীগ ও অন্যান্য দলের নেতারা যোগ দেন। এখনও এমপি নির্বাচন করতে গেলে জনগণ এলাকার প্রতিষ্ঠিত ও আর্থিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরকেই সাধারণত ভোট দেয়। জামায়াতে যেহেতু প্রচলিত নেতাদের রং বদলে নেতা হবার সুযোগ নেই, তাই জামায়াত নেতাদের পক্ষে ভোট পাওয়া কষ্টসাধ্য। আদর্শিক কারণে ভোট দেয়া, দল করা ইত্যাদি বাংলাদেশে খুব একটা প্রচলিত নয়। তবে এর ব্যতিক্রম যে নেই তা নয়। সরকার গঠন করতে পারবে না, কিন্তু সব সময় জনগণের পাশে থাকে - এ ধরণের নেতৃত্বকেও জনগণ সমর্থন দিয়ে থাকে।

খ. বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলন ভূ-রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘদিন আমেরিকার সুদৃষ্টি পেয়েছে। স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে আমেরিকা চেয়েছে রাশিয়া ও ভারতের প্রভাব খর্ব করতে। ৭৫এর পট পরিবর্তনে তাই আমেরিকার একটি শক্তিশালী ভূমিকা ছিল বলে ধারণা করা হয়। এমনকি বর্তমানেও আমেরিকা চাইবে না জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। কেননা, তাতে ইসলামী ঐক্যজোটের মত কট্টর দলগুলি শক্তিশালী হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া বাংলাদেশ নিয়ে আমেরিকা ও ভারতের স্বার্থ কাছাকাছি থাকলেও তা পুরোপুরি এক নয়। আমেরিকা সম্ভবত: চাইবে না, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুরোপুরি হারিয়ে যাক। জামায়াতের আমীর মওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ভাষায়, বনসাই হিসাবে জামায়াতকে দেখতে চায় আমেরিকা এবং পশ্চিমা বিশ্ব।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/AnisurRahman
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
জেদ্দা থেকে রশিদ লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১০:৫৯
আমার মতে, অনেক সত্য কথা নিরপেক্ষ ভাবে তুলে এনেছেন। ধন্যবাদ।
7605
ঢাবি থেকে সোহেল লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১১:৪০
আপনি খুব কৌশলগতভাবে স্বাধীনতার সময়ে জামায়াত যে বিরোধীতা করেছিলো তা এড়িয়ে গেছেন। সে জন্য এ লিখাটিকে আমি নিরপেক্ষ লেখা বলতে পারি না। আর আপনাকেও নিরপেক্ষ লেখক বলে মেনে নিতে পারছিনা। প্রকারান্তে আপনি জামায়াতের প্রচারণাই চালালেন এবং নিজেকে জামায়াতের কর্মী বলে স্বীকার করলেন। আমার মন্তব্যটা পড়ে থাকলে উত্তর দিবেন আশা করি।
7607
Bd থেকে Reza লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০১:৫৫
I agree
7610
USA থেকে হক-কথা লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০২:৩৯
আমাদের দেশের বেশীরভাগ রাজনৈতিক মনে করেন ধর্ম ও রাজনীতি দু'টি আলাদা জিনিস। সেটা সঠিক হতে পারে অন্যান্য ধর্মের বেলায়। কিন্তু ইসলাম হচ্ছে Complet Code of Life বা পুর্ণাংগ জীবন ব্যবস্থা। আপনার মতে, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ মানুষের মধ্যে এই ধারণা দিতে সক্ষম হয়েছে। আমিও আপনার সাথে কিছুটা একমত এব্যপারে। কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে এরা পুরোপুরি গ্রহন যোগ্য হতে না পারার আসল কারন কিন্তু আপনি উল্যেখ করেননি। তা হল 'রাজাকার' বা 'যুদ্ধাপরাধী' -এর প্রলেপ। জামায়াতের গায়ের এই দাগটা সরালে বা সরাতে পারলে অতি দ্রুত তারা মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য হতে পারবে।

ধন্যবাদ।
7611
saudi arabia থেকে saif লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৩:৩৬
good information.thanks
7613
Rampura থেকে Nowrose Rahman লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৬:৩৬
গত ত্রক বছরে কিন্তু সরকার কিছু করতে পারেনি 'রাজাকার' বা 'যুদ্ধাপরাধী' দের ,তাই অার মনে হয়না ত্রই মেযাদে কিছু হবে । আওয়ামী লীগ অাগামীতে অাবার অাসতে চাইবে 'রাজাকার' বা 'যুদ্ধাপরাধী' বিচার হবে ত্রটা বলে । ত্রটা ত্রকটা ফালতু ব্যাপার হযে গেছে । অার লেখাটা অামার খুব ভালো লেগেছে । ধন্যবাদ ।
7620
মিরপুর, ঢাকা থেকে নেওয়াজ লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ১০:৪৩
ধন্যবাদ, লেখাটা অামার খুব ভালো লেগেছে । আরও লিখবেন, তাতে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা অনুপ্রেরণা পাবে।
7633
usa থেকে ৃৃawlad লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ১১:০৩
Thanks to wrighter i think thats a good observetion report about jamayat.
7635
মেহেরপুর থেকে রাশেদ লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ১১:০৫
লেখাটি সুন্দর। নিরপেক্ষ হওয়ায় ধন্যবাদ। আমরা অনেক সময় অন্যের মাথায় চিন্তুা করি । তাই অনেক সত্য দেখতে পাইনা। বাংলাদশে আদর্শিক রাজনীতিতে জামায়াতের অবদান অনেক। বিশেষ করে দেশের সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব, ইসলামী মূল্যবোধ ইত্যাদি ক্ষেত্রে অবদান অনস্বীকার্য। সারাবিশ্বে ইসলামী শক্তিগুলো সন্ত্রাসী হিসাবে আখ্যায়িত হলেও দলটি সে অপবাদ মূক্ত। সেদিক দিয়ে নিঃসন্দেেহ প্রশংসার দাবী রাখে। এর বিপরীতদিকের ব্যর্থতার যে দিকগুলো দিয়েছেন তাও বাস্তব। সচেতন নাগরিক হিসাবে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের বিশ্লেষণ করা আমাদের দরকার। বিভিন্ন দলের দেশ, জাতি, জাতীয়তা, ধর্ম, উন্নয়ন, দেশপ্রেম, ফাকাবুলির রাজনীতির বেড়াজালে আমরা প্রতারিত হয়েছি।
জামায়াতের নেতাদের সামাজিক কর্মকান্ডে অনীহা প্রকট। জামায়াত তার অর্থের যে বিশাল পরিমাণ বই ও যাতায়াত খাতে ব্যয় করে তার নুন্যতম একটি অংশ যদি সাধারণ গরীব মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যয় করত তাহলেও সাধারণ মানুষের থেকে এত দুরে থাকত না। দলটির উচিত জনকল্যাণে একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যয় করা।
লেখকের নিকট থেকে আরো গঠণমূলক লেখা আশা করছি। ধন্যবাদ।
7636
১০
চট্টগ্রাম থেকে সাজেদুল ইসলাম লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ১২:৩৯
লেখক নিরপেক্ষতার মুখোস পরে আসলে জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
7641
১১
ঢাকা থেকে আবদুল জলিল সিরাজী লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০২:২৩
ভালই লিখেছেন,তবে একটি দল কে সবাই পছন্দ করবে এটা ভাবা যায় না। সবাই মিলে ইসলামী শাসন কায়েমের সংগ্রামই জামায়াতের আন্দোলন। এ কাজ করা সবার জন্য ফরজ।
7644
১২
ঢাকা থেকে আনিসুর রহমান লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; বিকেল ০৪:০২
জনাব সোহেল,

আপনার প্রশ্ন ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

স্বাধীনতার সময়ে জামায়াতের ভূমিকার বিষয়টি আসেনি কেননা, বাংলাদেশে জামায়াতের সাফল্য ব্যর্থতা নিয়ে লিখেছি। তবে আমি মনে করি স্বাধীনতা যুদ্ধে সঠিক ভূমিকা নিতে জামায়াত ব্যর্থ হয়েছে।

জামায়াতের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণা যেমন চালাতে চেষ্টা করিনি, বরং দলটির ভালো মন্দ দুটোই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
7652
১৩
ঢাকা থেকে এইচ এম রহমান লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:২০
সফলতা:
০১.দলীয় অান্ত েকান্দল মুক্ত
০২.সচ্ছতা
০৩.জবাবদিিহতা
০৪.সততা এ ধারায় জামায়াত অপ্রিতদ্বন্ধী । ।
ব্যর্থতা:
০১.সুদূর প্রসারী পিরকল্পনায় কাজ না করা
০২.সাংগঠিনক িবষেয় অাত্ম সমােলাচনার অভাব
০৩.গতানুগিতক
০৪.জনমেতর গুরূত্ব না েদয়া
০৫.িসদ্ধােন্ত অামলাতািন্ত্রকতা
০৬.িসদ্ধান্ত, করমসূচী প্রণয়েণ িতরণমূল গেবষণার অভাব ।
এ িবষয় গুেলা অাসেল ভােলা হত
7666
১৪
ঢাকা থেকে ইমতিয়াজ ভূইয়া লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৮:২৬
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দেশ বিরোধী কোন কাজ করেছে বলে কোন প্রমান কি মিলে?
7676
১৫
Dhaka থেকে Jadu লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:০৬
It's your big wrong, It could near big sin. মহান আল্লাহর নিজের কথা মানুষের মনে যেভাবে আলোড়ন তুলতে পারে, অন্য কিছু সেভাবে পারে না। মত সংগঠন তেমন কোন গণভিত্তি অর্জন করতে পারেনি।
7678
১৬
কানাডা থেকে চিন্তিত লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:১০
ধন্যবাদ লেখক আপনাকে। সামু ব্লগ থেকে লিঙ্ক পেয়ে এই আর্টিকেলটা পড়লাম।
জামাতের জন্য দ্বীন প্রতিষ্ঠার চেষ্টাটা আসলে একটু জটিলঃ
১। নির্বাচন কমিশন ঝামেলা পাকায় - 'আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠায় জামাত কাজ করবে', এ ধরণের কথা বলা যাবে না, আবার আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইটে দেখা যায়- 'আল্লাহ সর্বশক্তিমান'। সর্বশক্তিমান মানবেন অথচ মানুষের আইন মানবেন, তাইলে সর্বশক্তিমানকে কি মেনে চলা হল?
২। শেখ হাসিনা ইমামদের সম্মেলনে বলেন - 'জামাত মদের লাইসেন্স যারা দিয়েছে, তাদের সাথে জোট করে' , দুর্জনেরা বলে - 'ক্ষমতার জন্য নারী নেতৃত্বকে জামাত মেনে নেয়'। কিন্তু কেউ বলে না - আওয়ামীলীগ কবে মদের লাইসেন্স বাতিল করবে, নারী নেতৃত্ব বাতিল করবে।

মোট কথা জামাতের প্রধান শত্রু অপপ্রচার।

জামাত যদি তাদের নেগেটিভ স্টেরিওটাইপ ভেঙ্গে আম-জনতার কাছে যেতে পারে, আর কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারণ জামাতের মানুষরা যে পরিমাণ সৎ আর কোন দলে তা নেই। তাই চলছে চর্তুমুখী অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র। জামাতকে এগুলো ট্যাকেল দিতে হবে।
7679
১৭
উত্তরা, ঢাকা থেকে মাহফুজ ইবেন হাবিব লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:২৭
জামায়াতে ইসলামী- এ দলটির পরিচালনায় কিছু ভুল রেয়েছে।
7680
১৮
রাবি থেকে ণঞ লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:৫৬
আজব! ব্যর্থতার বদলে সীমাবদ্ধতা ব্যবহার করেছেন। এখানে শিবিরের পৈশাচিক কার্যকলাপের ব্যাপারে কোন তথ্যই নাই। আমার নিজের কথা বলছি।
রাবি তে আমার নিজের রুম দখল করে আছে শিবিরের এক হল সভাপতি। সেল্যুকাস! এই না হলে ইসলাম চর্চা? শিবির যেখানেই পাওয়ার পেয়েছে সেখানেই তাদের আসল রুপ পাওয়া গিয়েছে। মনে রাখাবেন, যে ই যায় লঙ্কা- সে ই হয় রাবণ।
7681
১৯
ঢাকা থেকে খালেদ লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১০:৫০
যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আল বদর, ধর্ম ব্যবসায়ী, মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক এবং সক্রিয় বিরোধিতাকারি, ইসলামের মওদুদীবাদি সংস্করণ, শিবির নামক ক্যাডার বাহিনীর গুরু--- এসব গুনাবলি থাকলেও জামাত সৎ। বাহ, কি যুক্তি! সততার মানে তাহলে কি?
7684
২০
ঢাকা থেকে ইয়াছিন লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:০৫
যুদ্ধ অপরাধ নিয়ে জামায়াতের কোন স্পষ্ট স্ট্যাটেজি নেই। যদি কোন (যুদ্ধ)অপরাধী থেকেই থাকে, তাহলে জামায়াতের সাথে এদের সম্পৃক্ততা থাকার দরকার কি? আর যদি না থাকে তাহলে এব্যাপারে তাদের চ্যালেঞ্জ করা দরকার। এবং জামায়াতের মধ্যে থেকেই যুদ্ধ (অপরাধীর) বিচার দাবী করা উচিত।
7693
২১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাজিদ মাহমুদ লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৭:২৯
বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী জনগণের ইসলামপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ক্ষমতায় যাবার রাজনীতি করছে। ইসলামকে নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করা এদের নিয়মিত কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত ইসলামের প্র্যাকটিস কমে গিয়ে অতিরাজনীতিকরণ শুরু হয়েছে।

জামায়াত একটি ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের কথা বলে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় যেধরণের ইসলামী স্কলার প্রয়োজন, তা জামায়াতের নেই। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সাথে সংগঠনটির সম্পর্ক ভালো নয়। এছাড়াও আলেম তৈরির কোনো উদ্যোগও নেই সংগঠনটির। মাদরাসা স্থাপনের পরিবর্তে স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠায় তাদের বেশি উদ্যোগী দেখা যায়। নিজেরা মাদরাসা শিক্ষার পক্ষে বললেও নিজেদের সন্তানদের মাদরাসা পড়ান না।

মোটকথা, পুঁজিবাদ আর বস্তুবাদ দারুণভাবে গ্রাস করেছে জামায়াতকে। আদর্শিক দল কখনোই তার আদর্শে অবিচল থাকতে পারে না পুঁজিবাদের সাথে নিজেকে মিলিয়ে নিলে। জামায়াতও তার আদর্শে অবিচল নেই আর। কণ্ঠে ইসলামের সুর তুলে এখন আর এই সংগঠনের পতন ঠেকানো যাবে না।
7710
২২
Loughborough UK থেকে Maruf Dewan লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৭:৩১
Jamat is doing much better compare with other organisation ..
7712
২৩
Singapore থেকে Joy লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৫০
Jamat collaborated with West Pakistanis in 1971 though they were the Jalims and East Pakistanis were majlums.

Jamat never explained to the nation why they did this and never apologized for their blunders in 1971.

Till they come out clean about their role in 1971 and get rid of the leaders who made those blunders, they will not have any acceptability among Bangladeshi citizens.

Majority of the practicing muslims in Bangladesh do not like Jamat, it is the biggest failure of the Jamat leadership.

I am sure nobody from Jamat leadership are modern enough to read online forums, but they should correct their mistakes for the sake of Islam.
7751
২৪
নবীনগর, িব-বাড়ীয়া থেকে বাংলার রাখাল লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৩৮
জামায়ােত ইসলামী মুেখ ইসলােমর কথা বলে িঠক িকন্তু তােদর িভতর ইসলাম েনই ।
7755
২৫
নবীনগর, িব-বাড়ীয়া থেকে খালেদ লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৪৮
জামাত যে ইসলামী দল নয়, এ দেশের হক্কানী আলেম ওলামার মাধ্যমে জাতি জেনে গেছে ।
7756
২৬
Chittagong থেকে afgani লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৮:৫৯
Thank you brother Anis vai. Good job
7764
২৭
ঢাকা থেকে সালমান লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:৫৮
প্রবন্ধটিতে লেখক জামায়াতের সাফল্য-ব্যর্থতা দেখেছেন একটি রাজনৈতিক দল বা ইসলামী রাজনৈতিক দলের দৃষ্টিকোণ থেকে। বাংলাদেশের স্বার্থের দিক থেকে আরেকটু দেখলে ভালো হতো। জামায়াতকে আমরা জাতির স্বার্থে খুব বেশী কিছু করতে দেখি না। অবশ্য অন্য কোন দলও যে কিছু করে তা নয়। জামায়াতের নেতাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তার কিছু কিছু লেখক এবং পাঠকগণ উল্লেখ করেছেন। তবে এই সীমাবদ্ধতা অন্য দলের নেতাদের মধ্যে অনেক বেশী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ব্যাপারে জামায়াত যতটুকু আপোষহীন, অন্য দল তা নয়। হয়তো দলটি মন্দের ভালো।
7768
২৮
italy থেকে kristina লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১০:০৬
৮৬--৯৩ নিজ চোখে যা দেখেছি এব% আজ পরযনত যা দেখছি তাতে ছাএদল ও ছাএলিগ কে ক ী খুব ভাল মনে হয় আপনার-৮(রাবির-ণএ) ?এদুদলের ছাতরোদের বরবরতা আপনার মনে efect করে না ?
7770
২৯
Rampura থেকে Nowrose Rahman লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:০৮
ঢাকা থেকে খালেদ সাহেবকে - জামায়াত যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আল বদর ত্রর প্রমান কি কারো কাছে অাছে ? অাওয়ামী লীগ তো ছয় বছর সরকারে ছিল ত্রখনও অাছে কিছু কি করেছে জামায়াতের বিরুদ্ধে ? জামায়াত যদি যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, আল বদর হত তাহলে শেখ মুজিব বিচার করল না কেন ?
7777
৩০
রিয়াদ, সাউদী আরব থেকে হাফেজ মোহাম্মাদ শাহাদাত হুসাইন লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:২৫
লেখক কৌশলে সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করেছেন, জামাতের সাথে ঐক্য না হওয়ার জন্য অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর উপর দোষ চাপিয়েছেন, জামাতের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মওদুদীর ভ্রান্ত আক্বিদার জন্য যে জামাতকে প্রশ্রয় দেননা এটা তিনি বলেন্নী, তা ছাড়া অন্য একটি ইসলামী দলের মরহুম আমীর তাদের প্রতি চ্যালেন্জ ছুড়েছিলেন যে," জামায়াত কোন ইসলামী দল নয় " ( জামায়াত ) ইসলামী দল হিসেবে প্রমান করতে পারলে তাদের কর্মী হিসেবে কাজ করার ঘোষনা ও দিয়েছিলেন । কিন্তু এ চ্যালেন্জ গ্রহন করার সাহস জামাত দেখাতে পারেন্নী ঐ ইসলামী দলটির পক্ষ থেকে চ্যালেন্জটি এখনো আছে এবং প্রায়ই সভা-সমাবেশে তারা বলে থাকেন যা জাতীয় পত্রিকার পাতায় ছাঁপা হয় ।
7778
৩১
ক্যানাডা থেকে পাঠক লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০২:১২
"আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।" (সুরা আলে ইমরান, আয়াত ১০৪)

আল্লাহর কাছে আমাদের প্রার্থনা, তিনি যেন তাঁর এই আহ্বানে যারা সাড়া দিয়েছে, তাদের ভুল-ত্রুটিগুলো সংশোধন করে দিয়ে, তাদেরকে ইসলামের খেদমতে কবুল করে নিন।
7779
৩২
Switzerland থেকে George লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০২:৪১
Very nice discussion need to addition later.
7781
৩৩
q্ইটালি থেকে মাহমুড আলি লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৪:৪৮
ভালো লেখা।জাজাকাললাহ
7788
৩৪
surry university. uk থেকে saimon khan লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৬:০৯
Well, I support some aspect of jamat as I have seen some of my jamati friends are honest. While I used to study in college then I have seen shibeer activist used to invite me to go to mosque for the prayer but that time being in a Muslim country and a Muslim I did not feel to go what I am feeling at that moment being in a non-Muslim country. I do agree with their activities along with that I hate when they are fighting with other Muslim brother in the name of Islam. If they really want to claim them perfect Muslim organization then they should show more patience to other party no matter how they are criticized. On the other hand I don’t think jamat was wrong in 1971 by supporting Pakistan, I know people going to think that I am anti independence. If you guys want to know why I support now what jamat supported in 1971 then I need to write an article contains more than 5,000 words. Why do I think like that? Well, after getting admission in Surrey University in U.K in aerospace department I had to analyze different country’s defiance strategy because when you have to study military aircraft and missile technology then the defense strategy becomes its part and parcel to take into account. After analyzing the defense strategy I can conclude that Muslim world is really far away from the modern defense system. We are a part of Muslim world and I realized that not while I was in BD but in abroad. Any way that’s a long story, if you look widely then you will be cleared why we shouldn’t have fight with our Muslim brother in 1971 and then Pakistani army should not have fought with us as well. Among the all Muslim country Pakistan is the only one power who can cope with modern tech-world. They are improving their missile range by their own engineer while we Bangladeshi people still fighting in the name of SHADHINATAR PAKHO-BIPAKHO SHAKTI. India helped us In 1971 for their strategic sake not to favor us. India is the only one country in the world who is hated by its neighbor country because of its narrow mentality. If there is any political power in BD in the sense of protecting from India then it is only jamat. I think IN 1971 JAMAT predicted –after the freedom fight we BD will be state of India but thank Bangh-Bondhu who rescued the country from being Indian state by asking Indira to withdraw Indian force. I apologize that I could not write properly what I wanted to due to short time but hope will explain in future. Finally, what I wanted to say- we will have to move on. Please don’t be divided in the name of SHADHINATAR PAKHO-BIPAKHO SHAKTI because it will stick the nation in the dark hole. We should concentrate on our development in that sense I like jamat because I have seen them helping poor brilliant student what the other party never does. Furthermore, I think jamat will never be able to create government on its own but it will remain as influence power in BD politices.
7789
৩৫
Bahrain থেকে Mohd Mofiz লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ১২:০১
Very nice article indeed. It is really surprising that so worst criticism comes when the truth go against us. The honourable writer has used sincere his thought that gives a sense and morality. Dear readers please keep in mind that Allah is your Creator and He only brought you up and made you educated. If at any times any writer writes an article by supporting the Islam or Islamic Party or any contribution and good signs of the party is highlighted, so worst criticism comes; so clearly the division is made. If Jammat is not that much good then please try to appreciate other Islamic Party being the supporter/activist of it and thus please be grateful to Allah and His Prophet (SM).

Dear readers why do you undermine the supporters of Jamaat? How do you know that they are less in number of online forum? Brother Mr. Joy as you are the member of the online Forum, I admit that you are modern but your comments are not in line of modernity. Please refresh your thoughts and be in line with modernity and do noble works so that you may avail an opportunity to think good and do the best.

A good society needs honesty and justice to uphold its standard and it would come only from the sincere slaves of Allah who are having patience and mind of appreciating others and the aim would be to please Allah.

Now through this online could I ask the readers to specify a party which can fulfil our aims in life and will give us guidance for the happy, Islamic and prosperous life so that we could reach our goal and conquer the world?

As we know that now the society is facing serious problems and they are many in numbers, the time has come to be united to face the difficulty in quest of peace and tranquillity with the clear intentions and specific route. All of us know that it needs commitments to ourselves, to our community and to the whole nation and above all to our Almighty Allah.

Criticism makes thing better only when you show an alternative way but if you leave it without any alternative then it leads to doubts which is the root cause of a huge loss of morality and the developments of the society and it is against the Imaan.

Dears readers please come and join hand to hand to form a good and faithful online forum by specifying the bad things and good things as well and be a partner of the civilized world so that we could show the world that we are Bangladehi and a part of the great Ummah of the Great Prophet Mohammed (SM).
7798
৩৬
চট্টগ্রাম থেকে মুহাম্মদ তসলিম লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০২:১০
ধন্যবাদ
7805
৩৭
Riyadh থেকে habib লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০২:৪২
Thank you.
7807
৩৮
sharjah,Uae থেকে ৃalam লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:১৪
what a real analisys ! thank to writer,we are waiting for his next continution.
7824
৩৯
রিয়াদ থেকে থেকে ইকবাল লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১১:৩৫
খালেদ ভাইকে যিনি বলছেন তাকে বলছি..........
সাফল্য: (১) জামায়াত েদশের সম্পদের অামানতদারী যা গত সরকারের সময় েদখা গেছে।
(২) জামায়াত কর্মীেদর মধ্যে নেতৃত্বের জন্য মারামারী নেই যা বিগত কখনো দেখা যায় নাই।
অার অন্য দলের মধ্যে সম্পুর্ন উল্টা । এইটা দেখে যুদ্দোপরাধী নামটা অাসলো।
7825
৪০
দারাইয়া, িরয়াদ থেকে মু. অাব্দুল হািকম লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:৩০
জামায়ােত ইসলামীর ব্যাপাের অাপনার মতামেতর জন্য অাপনােক অসংখ্য ধন্যবাদ । অাগামীেত সমস্যা উেত্তারেনর উপায়সমূহ িলখার অামন্ত্রন রইল ।
7828
৪১
ওমান থেকে আবু জাবের লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:৩৪
জামাতে ইসলামীর নাম সুনলে যাদের খারাফ লাগে তাদেরকে একটু বলতে চাই দুর্নিতি মুক্ত মন্ত্রনালয় উপহার দিয়েছেন যারা তাদের নাম সুনলে আপনাদের মাতা খারাফ হবেই কারন উনারা সরকারে আসলে দুর্নিতির সব দরজা বন্দ হয়ে যাবে । সন্ত্রাস কে করে তা আজ সকলের কাছে পরিসকার বাংলাদেশে যত দল আছে তার মধ্ধে সবচেয়ে বেসি বিরুদিতা করা হয় জামাতের এত কিচুর পরেও সামনের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে। অশান্তি চায় এমন কোন মানুস পৃথিবীতে নায় এর পরও আজ শান্তি কোথাও নায় কেন? আসুন আল্লার আইন মেনে চলি এবং সত লোকের সাসন কায়েম করি সব অশান্তি দুর হয়ে যাবে ।আল্লাহ বলেন ফা মান তাবিয়া হোদায়া ফালা খওফুন আলাইহিম ওলা হুম ইয়াহ জানুন।
7829
৪২
আবুধাবী, সংযুক্ত আরব আমীরাত থেকে নজরুল ইসলাম টিপু লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০২:২২
অভিনন্দন আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ভাল-খারাপ দুটোই যুক্তিযুক্ত হয়েছে কিছুটার সাথে আমার নিকট অন্য ব্যাখা আছে, তারপরও আপনার সাথে একমত অনেক বিষয়ে।

১. বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মুসলমান পৌত্তলীকতা তথা মাজার ব্যবসায়ে বিশ্বাসী, আবার তারা সবাই আওয়ামীলীগ। সঙ্গত কারনে তারা জামায়াতের চিন্তাধারার সাথে একমত হতে পারেনা। আওয়ামীলীগ তাদের ইসলামের দুষমন হিসেবে ব্যাখা দাঁড় করায়, এতে পৌত্তলিকেরা তাদের প্রতি আগ্রহী কিংবা জামায়াতও তাদের আশ্বস্থ করতে পারেনা।
২. বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মিডিয়া আওয়ামীলীগের অনুগত। এসব মিডিয়া কোন না কোন ভাবে ভারতের অনুগত। আর ভারতের একমাত্র-শুধুমাত্র দুষমন জামায়াত, তারা সর্বোচ্চ বিরোধীতার সকল সুযোগ গ্রহন করে।
৩. জামায়াতের নিজস্ব প্রচারনায় যত খরছ হয়, তাদের বিরোধীতায় খরছ হয় তা চাইতে শতগুন বেশী, যার সিংহ ভাগ আসে ভারত থেকে।
৪. জামায়াতের বিরোধীতায় মিডিয়াগুলোর বিরুদ্ধে ভারতীয় অর্থলগ্নির যথেষ্ট কেচ্ছা কাহীনি বাজারে আছে। যেমন: প্রথম আলো, অবজারভার ভারতের পশ্চিম বঙ্গের অর্থে পালিত, জনকন্ঠ, কালের কন্ঠ, সমকাল উলফাদের মজুদ অর্থ দ্বারা পরিচালিত ইত্যাদি।
৫. আওয়ামীলীগের কর্মীরা সামাজিক কর্মকান্ডে অনেক এগিয়ে জামায়াতের তুলনায়। সামাজিক কর্মকান্ডের দুদলের উদ্দেশ্য ভিন্ন তাই ফলও ভিন্ন হচ্ছে। আওয়ামীলীগ সমাজিক কর্মকান্ডে অর্থ বিনিয়োগ করে সওয়াবের উদ্দেশ্যে নয়, ভোটের উদ্দেশ্যে। তারা তা গোপন রাখেনা, সরাসরি বলেন, যিনি সুবিধাভোগী তিনি নিশ্চত হয়েই সুবিধা নেন তাকে ভোট দিতেই হবে। জামায়াত সওয়াবের উদ্দেশ্যে করে বিধায় সুবিধাভোগী ধরে নেন, তার সওয়াবতো তিনি পেয়েই যাবেন। ভোট তাকে না দিয়ে আওয়ামীলীগে দিলে দুবার সুবিধা নেয়া যাবে। দেশে যদি নির্বাচনে খরছের ব্যবস্থা না থাকত তাহলে জামায়াত প্রচুর সুবিধা ভোগ করতে পারত।
৬. জাতীয় পার্টি ভোটারদের নিকটে যায় গামছা নিয়ে, বি, এন, পি যায় লূঙ্গি নিয়ে, আওয়ামীলীগ যায় শাড়ি নিয়ে আর জামায়াত যায় জাহান্নামের ভয় নিয়ে। ভিখারীর দেশের মানুষের নিকট এ মুহুর্তে জাহান্নামের ভয়ের চাইতে, পেটের খিদের ভয় বেশী। ফলে জামায়াত এক্ষেত্রে সুবিধা পায়নি-পায়না।
৭. বাংলাদেশের বামপন্থি দলগুলোতে দু প্রকারের তথা দু-সেট রাজনীতিবিধ তৈরী করা হয়। এক সেট দলে থাকবে, অন্য সেটকে বর্গা পাঠাবে। তারা মনে প্রানে বাম থাকবে মুখে থাকবে রাম। শফিক আহমেদ, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মুন্নুজান সুফিয়ান, মতিয়া চৌধুরী'রা হল বর্গা যাওয়া রাজনীতিবিধ। বিগত তিরিশ বছর পর মতিয়া একটি বার সুযোগ পেয়েই বর্গা মার্কা সকল বামদের আওয়ামী বোতলে ঢুকাতে পেরেছেন, স্বার্থসিদ্ধি করছেন। এখন কোনটা বামের কর্ম, কোনটা রামের কর্ম বুঝা দায় হচ্ছে। কারন মতিয়ারা মুখে রাম আর চিন্তায় চিরকাল বাম। ফলে এধরনের রাজনীতিবিধ দের নিয়ে মানুষের কৌতুহল ও নাই পেরেশান ও নাই, যেমনটি আছে জামায়াতের বেলায়।
৮. ছাত্রশিবিরের ছেলেদের নিয়ে জামায়াত পরিপূর্ন লাভবান হতে আরো বিশ বছর লাগবে। বিগত ৭ বছর ছাত্রশিবির খুবই সুবিধাজনক দিন পার করেছে, বর্তমানেও পুরো দেশে ছাত্রশিবিরের অবস্থা ছাত্রলীগের চাইতে অনেক ভাল। এর বেনিফিট জামায়াত হয়ত পাবে তখন বর্তমান জামায়াতের কেউ বেঁচে থাকবেনা বা বুড়ো হয়ে যাবেন।
৯. বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের অবস্থা পূর্বের যেকোন সময়ের চাইতে ভাল। তারা ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের মধ্যে বিলীন হয়ে আছে, তাদের চিনে মাত্র ছাত্রশিবিরের নেতারা। প্রতিটি বিভাগেই প্রথম দিকে শিবিরের অবস্থান ভাল, তারা লিখাপড়ায়ও ভাল। ছাত্রলীগ-ছাত্রদল মদের বোতলে মাতাল হয় বলে তাদের চিনতে পারেনা। সবচেয়ে আশঙ্খাজনক ব্যাপার হল, দেশের চাকুরীর প্রায় ৬০% ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা দখল করে, তারমধ্য থেকে ছাত্রশিবিরের অঘোষিত ছেলেরা ৮০% চাকুরী পেয়ে যায় ওদিকে ছাত্রলীগ ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির নির্মূল হয়েছে, কারন তারা দৃশ্যমান নয়। ছাত্রলীগ আজ ভর্তি বানিজ্য করছে, কারন তাদের হাতে মেধাশূন্য ছাত্রদের আনাঘোনা বাড়ছে। আগামী ২০ বছর পর ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামীলীগ কোন বেনিফিট পাবেনা, পাবে কিছু সার্টিফিকেট ধারী মূর্খের জঠলা। সেক্ষেত্রে জামায়াত সুবিধা পাবে কারন এখনও তারা শিক্ষাকে প্রধান্য দিচ্ছে।
১০. সর্বোপরি জামায়াতের যে জনশক্তি আছে তা দিয়ে যদি সামাজিক কর্মকান্ডে তুরস্কের ধরনে নিজেদের আত্বনিয়োগ করতে পারে তাহলে আগামী নির্বাচনেও তারা ফ্যাক্টর হবে। যদি নাও পারে ২০ বছর পর বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যধরনের হবে। এগুলো ইতিপূর্বেকার সরকারের নজরদারীতে ছিল বলেই ক্ষমতায় গেলে সকল সরকার জামায়াত-শিবিরের উপর ক্ষুদ্ধ হয়, হচ্ছে। দিন দিন তার মাত্রা কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে। উপরোক্ত পরিসংখ্যান বর্তমান সরকার ও ভারতীয় লবির জন্য খুবই দুঃচিন্তাকর। তাই ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধের নামে জামায়াতের রাজনীতি কোনঠাসা করার পাঁয়তারা করছে সরকার। ভাল খারাপ মিলিয়ে জামায়াতের অবস্থা অত খারাপ অবস্থায় নাই, যত লিখছে জামায়াত বিরোধী মিডিয়াগুলো।
7830
৪৩
কানাডা থেকে থেকে আরেক পাঠক লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৯:১১
জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান নেতাদের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতের ভবিষ্যত অন্ধকার। দুরদৃষ্টিবিহীন সীমাবদ্ব চিন্তাধারার লোকদের দিয়ে কিছু আশাকরা যায় না। জামাতের উচিৎ নারী নেতুত্বকে সামনে নিয়ে অাশা। মৌলানা আব্দুর রহিমের পরামর্শ অনুসারে কাজ করলে জমায়াত আজ অনেক দূর অগ্রসর হতে পারত। আগামি দশবছরের জামাত কোথায় পৌছতে চায় সে পরিকল্পনা এখন থেকে করতে হবে এবং এ সময়ে জামাত রাজনীতিতে বেশী সময় নষ্ট না করে ইসলামী স্কলার তৈরী করতে সময় ব্যয় করা উচিত ।
7842
৪৪
chittagong থেকে shibli noman লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ১০:৪১
Very nice discussion need to addition later thank you.welcom
7843
৪৫
Dhaka University থেকে fahim reyad লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ১২:৫৬
the present leadership of jamaat is classical. they can not understand the attitude of present generation. so they can not run properly. they interfered on dynamic thought of ex sibir secretary Shisir Mohammad Monir.
7850
৪৬
Sylhet থেকে Dr Nazrul Islam লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১১:৫৪
what the writer tried to make sense is partially right. I am a busy doctor, have no enough time to analyze politics, but what i understand Shibir produces some good quality doctors who are now jamaat activist/supporters, are honest in practice and are trying to help the society which may help Jamaat in future.
7873
৪৭
USA থেকে Mohammad Gani লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ১০:৩৯
First thing first! “Politically Correct” decision for JAMAT is to publicly apologize to this nation (not to Awami League) for its collective role in 1971 and regret it. It is now long overdue!

Having said that, JAMAT’s future is still “bleak” in Bangladesh and “they” were actually lucky to be in the Government with BNP. That was it! People of Bangladesh are “Pro-Muslim” in their heads and “Pro-Western” in their hearts and it is the true ground reality. Despite being an Islamic Republic, Pakistani JAMAT -E- ISLAMI PARTY never made any political victory in Pakistan since 1947. But why?
7894
৪৮
canada থেকে karnafullyparer chele লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০২:০২
islam er name jara 1971 e khun o dhorson er moto kaj e sohayota koreche tara agami 100 bochoreo khomotai aste parbe na. jamat BNP/ Al er kono bikolpo noi. tara jodi 71 er bhul er jonno khoma chai, judhdhaporadhider dol theke ber kore dei tobe tara hoito election e bhalo korbe. 7 bochor Ctg Unibversity porsi. konodin dekhi nai desh er kono jatio dibosh e shibir kono program koreche !!! shibir hall dokhol kore ache. CUCSU nirbachon hote dichchena. Tomader jodi etoi jonopriyota thake CUCSU election hote daona keno ? ar Rajshahi Univ 'r Professor hottai shibir neta salehi jorito bole obhijog ache. jamat er uchit eder ke prosroy na diye dol theke ber kore deya. ta na hole BAL/ BNP'r sathe tader parthokko kothai !!!!!!!!!!!!!! ar jamat ke nari nettrito er proti sohonsil hote hobe. mone rakte hobe eta ekbingso shotabdi. juger sathe positive bhabe taal milate na parle harie jete hoi.
nari leadership er proti netibachok dharona thakle adhunik narira keno jamat ke bhot dibe ?????
7901
৪৯
ঢাকা থেকে মোঃ নাজমুল হক লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০৩:৩০
প্রথমে লেখককে ধন্যবাদ জানাই তার সুচিিন্তত ও খোলামেলা মতামতের জন্য। কিন্তুু জামায়াত ও অন্যান্য দলের মধ্যে যে বিশেষ পার্থ্ক্য আছে সেটা উল্লেখ করলে আরও ভাল হত, তাছাড়া জামায়াত নেতাদের ঘরমূখো মনোভাব ও নিজেদেরকে সমাজবিমুখী করার জন্য অব্শ্য সমালোচনা করা দরকার। কারন একটি দল ৭০ বছর পরও কেন সমাজের সাধারন মানুষের সমার্থন লাভে ব্যার্থ হয়।
7906
৫০
ঢাকা থেকে মোঃ নাজমুল হক লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০৩:৩৮
প্রথমে লেখককে ধন্যবাদ জানাই তার সুচিিন্তত ও খোলামেলা মতামতের জন্য। কিন্তুু জামায়াত ও অন্যান্য দলের মধ্যে যে বিশেষ পার্থ্ক্য আছে সেটা উল্লেখ করলে আরও ভাল হত, তাছাড়া জামায়াত নেতাদের ঘরমূখো মনোভাব ও নিজেদেরকে সমাজবিমুখী করার জন্য অব্শ্য সমালোচনা করা দরকার। কারন একটি দল ৭০ বছর পরও কেন সমাজের সাধারন মানুষের সমার্থন লাভে ব্যার্থ হয়।
7907
৫১
গ্রীস থেকে গাজীরিপন লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০১:৪১
৭১ রে জামায়াতের ভূমিকা সঠিক ছিল বলে আমি মনে করি। কারন একটি ইসলামি দল হিসাবে জামায়াত কখনো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী এবং সমাজতন্ত্রের মত নাস্তিকতাবাদীদের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করেত পারে নাই। এর প্রমান দেশ স্বাধীনের পর দেশের সংবিধান হয়েছিল, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও সমাজন্ত্রের সমন্বয়ে।
7929
৫২
টরেন্টা, ক্যানাডা থেকে নুরুল ইসলাম লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৮:৩১
বিশ্লেষণ মোটামোটি ভাল হয়েছে। কিন্তু জামাতে ইসলামী জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্যতা পায়নি কেন? তার কারণ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা প্রযয়াজন ছিল।
স্বাধিনতা যুদ্ধে তাদের মত ও ভূমিকা ভূল প্রমাণিত হয়েছে। সেই ভূল স্বীকার করে ৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধিনতাযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামাত নেতারা জামাতের নেতত্বি েথকে সরে দাড়ালেই ভাল হত। নেতাদের ৭১ সালের ভুলের প্রায়চিত্ব দিতেই জামাতের ৭৫০% ক্ষমতা ব্যয় হচ্ছে এবং হতে থাকিবে। যতদিন পূরানো নেতারা জামাতের নেতৃত্ব দিতে থাকিবে ততদিন আওয়ামীলীগ উপকৃত হতে থাকিবে।
7937
৫৩
চ, বি থেকে হুমায়ুুন লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০১:১২
সত্য
7944
৫৪
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে মোহাম্মদ নোমান লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১৮
রাজনীতিতে যতদিন আওয়ামী লীগ থাকবে ততদিন জামাতের রাজনীতি নিরাপদ। গরম গরম চাপাবাজীতে স্থানীয় কর্মীরা বোকা হয় কিন্ত নিরপেক্ষ ভোটারেরা কখনও বোকা বনেনা। ৪ দলীয় জোঠ ভাঙ্গার জন্য আওয়ামী লীগের এত গরম চাপাবাজী চলে মাত্র। তাদের নজরে নিজামীরা যুদ্ধাপরাধী অথচ ক্ষমতার চেয়রে বসলে তখন সূর পাল্টাইয়া ফেলে যে তারা আগে বলেছিল যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবে এখন বলতেছে শুরু করবে তহলে শেষ কবে? এই সমস্ত চাপাবাজী দিয়ে রাজনীতি করা যায় কিন্ত কর্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়া যায় না কারণ বাবা আমিরিকা বসে আছে মধ্যপ্রাচ্য নামের একটি লাঠি হাতে নিয়ে একটু এদিক ওদিক হলে আওয়ামী লীগের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেবে তাই বাবা আমিরিকার সাথে আওয়ামী লীগের দহরম মহরম ইদানিং একটু বেশী দেখা যাচ্ছে। যাই হউক ইমার নিজের একটি ধারণা উপসাথাপন করলাম একবার বিশ্লেষণ করে দেখুন।

যুদ্ধাপরাধীর বিচার কেয়ামত পর্যন্ত হবেনা। যাদের বিচার হবে তারা গ্রাম গণ্জের খুবই সাধারণ মানুষ বর্তমানে যাদের বয়স হয়ত ৬৫/৭০ এর উর্ধে। সেই সময়ে হয়ত লোভে পড়ে, চাপে পড়ে অথবা জীবন বাঁচাতে কিংবা বউ/বেটির ইজ্জত রক্ষায় রাজাকার আল বদর হয়েছিল উপরের নির্দেশে অনেক অপকর্ম করেছিল না করলে জীবন দিতে হত (একটি ঘটনা বলি:- যুদ্ধের সময় আমার বয়স ১২ বছর, আমি দেখেছি হানাদার বাহিনীর এক অফিসার একটি ছাগল ধরার জন্য নির্দেশ দিয়ে ছিল এক রাজাকারকে সে ছাগল ধরে নাই বরং ছাগল তাড়িয়ে দিয়েছে কারণ ঐ ছাগলটি তার এলাকার ছিল হানাদার অফিসার ঘটনাটি দেখে সাথে সাথে ২টি গুলি করে রাজাকারকে মাটিতে লুটিয়ে দিয়েছে এটি আমার চোখের দেখা ঘটনা) । ঐ সময় যারা ভিকটিম ছিল তারা এখন প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। সাহারা বিবি বলেছে এলাকা ভিত্তিক তালিকা বানানো হবে এবং তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে অর্থাৎ স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর আজ সমাজে নতুন করে প্রতিহিংসার আগুন জ্বালাইয়া দিচ্ছে। সরকার কখনও প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীর ধারে কাছেও যেতে পারবেনা কারণ দেশের বৃহত্তর স্বার্থ চিন্তা করে শেখ মুজিবুর রহমান/জিয়াউর রহমান এই কাজটি করে নাই। অপরদিকে যুদ্ধাপরাধী ইস্যু আওয়ামী লীগের রাজনীতির হাতিয়ার তারা নিজেদের পায়ে কুড়াল মারবেনা। তবে নিজের দলের স্থানীয় নেতা কর্মীদের সন্তোষ্ট করার জন্য যুদ্ধাপরাধী নামে গ্রামের ঐ নিরহ লোকদেরকে হেনস্থ করবে এবং প্রতিশোধ নেয়া রাস্তা উম্মুক্ত করে দেবে। এই কাজটি যদি করে তখন প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আরেকটি শ্রেনীর সৃষ্টি হবে এই ভাবেই চলতে থাকবে আর এইগুলিকে ইস্যু বানিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে। নির্বাচনের আগে নাসিম সাহেব বলেছিলেন ক্ষমতায় গেলে জামাতের/শিবিরের রাজনীতি বন্ধ করে দিবেন। ক্ষমতায় গিয়ে ছাত্রলীগের নেতাদের প্রশ্নের উত্তরে বলে ছিলেন কিছু সাংবিধানিক সমস্যা আছে তাই হচ্ছেনা। তাহলে আসল বিষয় কি তারা কর্মীদের থেকে প্রকৃত ঘটনা লুকায় কেন? বর্তমানে জমাত নেতাদের উক্তি বক্তব্য থেকে স্থানীয় আওয়ামী কর্মীরা বুঝে নিতে হবে তাদের দল আসলে কি করে, নেতাদের চেহেরা দুইটি কেন।
7955
৫৫
London থেকে Md abu sufian mia লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১০:৩৩
Thank you very much. I request those guys who do not like jamat please try to learn about jamat i think they are really blind.
7972
৫৬
কায়রো, মিশর থেকে শাহীন লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৬:৫২
সুন্দর লেখা,, কিন্তু ছোট দু'টি সংশোধনী,,,,,
১.ইখওয়ানকে আপনি গনভিত্তিহীন বলেছেন..অথচ বাস্তবতা হচ্ছে তাদের গনভিত্তি মিশরের সরকারের চেয়েও বেশী....হাজার রকমের বাধা উপেক্ষা করেও তারা সংসদে ৮৮ টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে কাজ করছে আর এখন ও মিশরে যদি নিরপেক্ষ আর সুষ্ঠ নির্বাচন হয় তাহলে তারা ৮৫% আসন নিয়ে সরকার গঠন করার ক্ষমতা রাখে সুতরাং এ দিক থেকে তারা জামাতের চেয়ে অনেক বেশী এগিয়ে।
২. আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে মূর্তি স্থাপনের কথা আপনি বলেছেন,,,,অথচ বাস্তবতা হলো আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ক্যাম্পাসেই মূর্তি থাক দূরের কথা একটা দাড়ানো পাথর ও কেউ দেখাতে পারবেনা...বর্তমান বিশ্বে এখনো যে কয়েকজন ইসলামিক স্কলার যারা সমসাময়িক পেক্ষাপটে ইসলামের যে গ্রহণযোগ্য সমাধান দিচ্ছে এরা মুলত আল আজহারের ই স্কলার............অত্যন্ত নিরবিচ্ছিন্নভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্কলার তৈরি করে চলছে...আর সবচেয়ে বড় কথা আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে আমাদের জানার অনেক অভাব রয়েছে যেটা আমিও বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় মনে করতাম.........তার চেয়েও বড় কথা হচ্ছে আল আজহারের ব্যাপারে বিধর্মীদের নানা ধরনের প্রপাগান্ডা রয়েছে যেগুলো আমরা খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলি.....আশ্া করি সামনে এ সব ব্যাপার গুলো নিয়ে লেখালেখির ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহের ব্যপারে আরো আন্তরিকতার পরিচয় পাবো।
আপনাকে ধন্যবাদ
7983
৫৭
আমেরিকা থেকে আশিক লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ১২:০৭
জামায়েতের প্রধান শত্রু অপপ্রচার। জামায়েতের বিরুদ্ধে দেশের পত্রিকাগুলো যেভাবে নিকৃষ্টভাবে অপপ্রচার করে তার কোন তুলনা বিশ্বে নেই। এই সমস্ত সাংবাদিক নামধারী মিথ্যাবাদীদের বিচার আল্লাহ তা'য়ালা করবেনই। আরেকটি সমস্যা হল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেমন গ্রহনযোগ্যতা নেই। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনকে বাদ দিয়ে কোন দেশে কোন দলই রাজনীতি করতে পারে না।
7995
৫৮
রিয়াদ, সৌদি অারব থেকে কামরুল ইসলম লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০৩:০০
গঠনমূলক লেখার জন্য ধন্যবাদ। আরও লেখার অনুরোধ রইলো।
8010
৫৯
ঢাকা থেকে রাজু লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:৫০
সুন্দর লেখা
আরো যোগ করলাম
১.চাঁদাবাজ মুক্ত
২.দুর্নীতিমুক্ত(বিগত সরকারের আমলে মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র দিয়েও দুটি মন্ত্রনালয়ে কোন দুর্নীতি খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই চরম সত্যাকে অস্বীকার করে জামাতবিরোধীরা বলে এরা দুর্নীতি করেছে অত্যান্ত সুক্ষ্ণভাবে। এই জন্য কেউ ধরতে পারেনি।)
৩.নারীস্ক্যান্ডালমুক্ত(মাঝে মধ্যে কিছু পত্রিকা কলঙ্ক আরোপ করেও সাড়া জাগাতে পারেনি। অন্যদলের এটা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার)
৪.মদখোরমুক্ত
৬.চোরমুক্ত
৮.ডাকাতমুক্ত(ইদানিং অন্যদলে ডাকাতও দেখা যাচ্ছে)
৯.সুদখোরমুক্ত(সুদ শোষনের হাতিয়ার-এইটা বাম আন্দোলনকারীরাও স্বীকার করে। তারাও এই সুদের সাথে জড়িত। সুদের সাথে জড়িত কাউকে জামাতের রোকন বানানো হয়না)
১০.টেন্ডারবাজমুক্ত


কিছু ব্যর্থতা
১.ব্যাপকভাবে জনসমর্থন পায়নি ( বাংলাদেশের সাধারণ ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানেনা। ইসলাম ও রাজনীতি আলাদা -এমন ধারণা বিদ্যমান থাকায় জনসমর্থন কম। এছাড়া অন্যন্য দল নির্বাচনের সময় ব্যাপকভাবে অর্থ ছিটানো, সিগারেট বিতরণ করে থাকে। জামাত এগুলো করেন না।
২. শিক্ষিত মহলে একটা নেতিবাচক ধারণা আছে। কারণ দুইটি ক. শিক্ষা ব্যবস্থায় পাশ্চত্যকরণ। খ. গণমাধ্যমের ব্যপক অপপ্রচার( যেহেতু শিক্ষিত শ্রেনী নিয়মিত গণমাধম্যের সাথে থাকেন। তবে জামাতের মধ্যে এখন সকল শ্রেনী আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক,আইনজীবী,সাংবাদিক,ইঞ্জিনিয়ার,ডাক্তার,শিল্পপতি,বুদ্ধিজীবী,অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, আমলা---ইত্যাদি।
8050
৬০
USA থেকে Mohammad Gani লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০২:২৭
And under no circumstances, a "JAMAT" government shall accept any finacial helps/aid/donations (Zakat) from any non-Muslim nation and shall not comsume state loans/credits from native and/or foreign Banks with INTERESTS for implementing government projects and/or programs. During natural crisis like massive floods, cyclone etc,, helps from non-Muslim nation will be declined........
8092
৬১
লন্ডন থেকে রহমত অালী লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৯:০৬
েহ িববেকবান ভাইেয়রা!অাপনারা িক ভূেল গেেছন অাত্তয়ামী লীগ িকভােব গিিঠত হয় এবং মুসলীম িলগ েকন েভেঙ্গ যায়.কার েগালামী করার ফােদ েশখ মুিজব পা িদয়েিছল ।েকনইবা েশখ মুিজব েক সপিরবাের খুন হোেলন ।যারা যুদ্ধাপরাধী সম্পর্েক কথা বেেলন তারা অাল্লাহে িবশ্বাসী যিিদ হন তাহ েল েকান যুিক্তেত অাত্তয়ামী িলেগর বাকশালী িহম্মত বৃিদ্ধ কর েছন.এটা তােদর ঘৃনার েলপন ।েশখ হািসনা েয েদশ িবিিক্্র মত চুিক্ত করেেছ এটার জন্য েতা িকছু বলেছন না। এটা িক যুদ্ধাপরাধীর চাইেত মারাত্মক নয়।
8105
৬২
du থেকে tawhed লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ১১:২৫
Thank you Anis vi
8111
৬৩
ঢাকা থেকে অর্ণব লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ১০:০৬
নিজামী ঠিকই বলেছেন, জামায়াত বনসাই হয়েই থাকবে।
8137
৬৪
খুলনা থেকে ্নাইম ইসলাম লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ১২:০৬
লেখাটি পড়ে আমার খুব ভাল লেগেছে। আপনাকে আল্লাহ আরও তৌফিক দান করুন। ইসলামী আন্দোলনের জন্য আল্লাহ আপনাকে কবুল করুন। যে সমস্ত ব্যক্তিরা শিবিরকে বিরোধীতা করে তাদেরকে আমি শিবিরের দাওয়াত দিচ্ছি, আসুন, দেখুন, শিবির করুন। নিশ্চই আপনাদের ভুল ভেঙ্গে যাবে। কেন আপনারা বিরোধীতার খাতিরে বিরোধীতা করেন? সত্য বলতে জিহবা বাধে কেন?
8142
৬৫
Uppsala University, Sweden থেকে Asad লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১০:৪৫
long live islamic movement, long live the Ummah..
8158
৬৬
gulshan থেকে nowme লিখেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:১৯
JAMAAT IS THE ONLY PARTY WHO CAN CHANGE OUR NATION IF THEY GO TO THE POWER ALONE
8160
৬৭
ক্যানাডা থেকে পাঠক লিখেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৩:০৭
হে আল্লাহ! তুমি ইসলামের পক্ষের লোকেদের বুকে সাহস, বাহুতে বল, মস্তিষ্কে তীক্ষ্ণতা ও পদযুগলে দৃঢ়তা দাও।
তাদের সিদ্ধান্তগুলো যেন সঠিক হয়, তারা যেন ভুল না করে। তুমি তাদেরকে সাহায্য কর। তাদের ঈমান বাড়িয়ে দাও।
8162
৬৮
Dhaka থেকে Md.Saifur Rahman লিখেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ১২:৩৬
Thank you. I think Jamaet not a terrorist party.It is only party who can be change our country to become successful.
8181
৬৯
Dhaka থেকে Md.Saifur Rahman লিখেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ১২:৪০
Thank you.I JAMAAT Is the best political party in our country.
8183
৭০
ঢাকা থেকে রিমন লিখেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৮:৪২
লেখক কে ধন্যবাদ। যারা বিরোধিতা করেছেন তাদের বলছি, জামায়াতের ফলপ্রসু সমালোচনার জন্য জামায়াতের কার্যক্রম বেশিনা একমাস চর্চা করুন তাহলে আরও পরিস্কার হবে বিষয়টি।
8208
৭১
Loughborough UK থেকে Rahol লিখেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৬:১৮
May Allah accept Jamaat Islami and make its every steep succesfull ..
8219
৭২
Malaysia থেকে Abdulla Al Jobayer লিখেছেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০১:৪৫
Thank you. I belive Jamaet islami not a terrorist party.It is only party who can be change our country to become successful.
May Allah long live jamaet islami and accept there all activitise with tsuccesfull .. jamaet try to change our society
8255
৭৩
চট্রগ্রাম থেকে আমিন খান লিখেছেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০১:৩৫
লেখককে ধন্যবাদ, বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের কর্ণধার সংগঠন সম্পর্কে তার নিরপেক্ষ, সুচিন্তিত মতামত দেওয়ার জন্য। তবে, লিখাটিতে সীমাবদ্ধত রয়েছে বলে আমি মনে করি । যেমন:

১। একটি দল কতটা গণতান্ত্রকি বা আদৌ গনতান্তকি কিনা,তার মাপকাঠি কখনো আমিরকিার সাটফিকেট হতে পারে না।

২। বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবি মহলে জামায়াতের তেমন কোন প্রভাব নেই বলল্ই চলে, দেশে ডানপন্থী বুদ্ধিজীবি তেমন একটা নেই বলল্ই চলে ।

৩। লেখক স্কলার তৈরীর ব্যার্থতার কথা বলেছেন তবে ব্যর্থতার কারণ চিন্হিত করনেনি।

৪। সত ও যোগ্য নেতৃত্বর শ্লোগান শুরুতেই জন প্রিয়তা পেলেও তাদের সব নের্তৃত্ব নিজেদের কে এভাবে সত ও যোগ্য হিসেবে তুলে ধরতে বা বিতর্কর উর্ধ্ব উঠতে পারেনি। যা লেখকরে লিখায় উঠে আসিনি।

৫। প্রতিপক্ষের একতরফা প্রচারণার বিপরীতে ১৯৭১ তাদের প্রকৃত অবস্থান কি ছিল তা জনসাধারণের কাছে আদৈৗ ৩৮ বছরে ও পরিস্কার করতে পারেনি। তাই নতুন প্রজম্মের কাছে তা একটি বিরাট ফ্যাক্টর যা তার আলোচনায় ব্্যাপকভাবে আসার দরকার ছিল।

এছাড়া বাকী দিকগুলো প্রায় এসেছে। তবে পাঠক মন্তব্য দেখে লিখাটি এডিট করলে ভাল হয়।

ধন্যবাদ।
8330
৭৪
Birmingham UK থেকে রাসেল মাহমুদ লিখেছেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৫:১৪
জামায়াতে ইসলামি ও শিবির যে কি জিনিস তা লেখক সঠিক ভাবে জানেন না। জানলে আতংকিত হতো যে কোন সচেতন মানুষ। আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত উভয়ই আমাদের দেশের জন্য ..........। জামায়াত ও শিবির সম্পকে জানতে মেইল করুন raselmasum@gmail.com
8333
৭৫
ইটালি থেকে বাবু লিখেছেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সকাল ০৬:৪২
ঢাকার খালেদকে বলছি,সততার মানে হল লীগ বাহিনির মত মেয়ে নিয়ে রাত কাটানো,সাত দিনে জুমার দিনে মসজিদে যাওয়া,চাঁদাবািজ করা।
8335
৭৬
Virginia থেকে Kamal লিখেছেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৫৪
জামাত দল হিসাবে ভালো কি মনদ সে বিবেচনা পরে কিনতু যা আমাকে wonder করলো তা হলো যখন জামাতের নামে কোন কিছু লেখা হয় তখন যে মতামত আসে from all over the World তা আসলেই বিবেচনার দাবি রাখে।
আমার মনে হয় জামাতকে বুঝতে হলে ্তার Principle কি তা জানা দরকার ।
জনাব আনিস সাহেব যা লিখেছেন তা একেবারেই তার নিজের মতামত । এর সব কিছুই ঠিক হতে হবে বা সব কিছুই জামাতকে মানতে হবে এটা জরুর্ী না। এতে কোন সনদেহ নাই যে জামাতের মাঝে বিপুল সনখা all rounder scholars রয়েছেন । তাদের সামনে আমাদের মতো চিনতা চেতনা আবশ্যয় আছে । তারা নিশচয় শুধো আলু খেয়ে বড় হননি । সুতরাং সথান- কাল- পাএ সামনে রেখেই
তারা করম পনথা নিয়ে থাকেন বলেই আমার ধারনা । তাই তাদের সিধানতটা
ামাদের কয়েক জনের চেয়ে ভালো হওয়া ই শাভাবিক । Are they not well educated ? Are they not living in Bangladesh ? Are they not aware about the local people needs and deemands ? Surely and no doubt . If we are cincere, our mentalities are nutral and if we are not blind then there is no hasitation to say that the jamat is one of the socio-political parties in Bangladesh which works accordingly.
Now the question of about their position in 1971 war which makes confusion to our new generation. To understand or to find out the answer of this question we have to know about the whole political situation of Pakistan and India through 1965 to 1970 . Please keep in mind, politicians know the game of politics. Usually general public are not aware about what is happening in this game. If you see by your political sight then I'm sure you will find nothing wrong in jamat political leaders in '71. But if you want to oppress them or politically humilite them before the innocent and uneducated people like us then you can say whatever you want. But in my opinion " jamat position in 71 was same as their position of today against the present Govt. of AL towards the agreement with India. To undrestand this, you have to wait a few more years when you will be stateless (freedom less ) in your own state.
8395
৭৭
uk থেকে robin লিখেছেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:৪০
jamat sibir bangladasher ohongkar.aoamiligechatro ligue bangladesher kolongko.sibirka poramorso daoa jai kintu chatroligue ar aga gora sob e kharaf
8415
৭৮
brom bahrain থেকে raju ahmed mintu লিখেছেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:১৭
VOLUME 2.
RAJU AHMED MINTU Date : 18/02/2010
FROM BAHRAIN
Bangladesh Jamaat- e- Islami for the long time doing better politics in the country, they are doing politics for the peoples, for the nation, for the Islam. They are trying to established the Islam in the country, they are trusting only Islam can bring the peace for the mankind.
Islam is complete code of life.What Prophet Mohamed (s) was Established in Madina. Jamaat e Islami always following the ideology of Prophet Mohamed (s) and Holy Quran’s. But other political parties they can not accept Jamaat's politics.Why ???

So far I study about Jamaat’s politics, Jamaat is only one political party in the country, always they are victim by others political parties. Similarly when prophet Mohamed (s) was start to pass the message of Holy Quran’s to Mocca peoples, at the begging maximum Mocca peoples against him, although before he become prophet, everybody said Mohamed (s) is very truthful, honest and faithful like he is very good man. In the main time when he was start to call them to enter Islam, but maximum peoples was not accept this.


Jamaat-e-Islami always try to pass the message of Holy Quran very Honestly, they are doing good performance in the country.isn’t it ???


They are said Jamaat-e-Islami was involve in war criminal. Absolutely I have deny them, nobody can give the prove Jamaat’s was involve in war criminals. it is plot against of them. It is very true nearly 40 years overcome, nobody can proves even single of Jamaat’s kurmi was involve in war criminal. Just it was political slogan mass peoples known that. Because they are afraid of Jamaat’s politics. They are using the black Media against Jamaat’s. This is one type of information terrorist against of Jamaal’s. What I believe nobody can stop Jamaat’s politics, because Jamaat politics only for the peoples welfare and Allah’s helps there always with them.
8876
৭৯
চৌদ্দ্গ্রাম , কুমিল্লা থেকে মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দীক চৌধুরী লিখেছেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ০৯:২৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যা বলা হয়েছে এ সম্পর্কে আমি কয়েকটি কথা যোগ করতে চাই। জামায়াত সম্পর্কে মন্তব্য করার আগে অবশ্যই আমাদের জানা দরকার জামায়াতের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। যে সকল মন্তব্যকারীরা জামায়াতের বিভিন্ন ইস্যুতে কড়া ভাষায় মন্তব্য করেছেন আমি বলতে চাই আপনার জানার দিগন্তকে আরো প্রসারিত করুন।মন্তব্য করার নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাকে বিবেচনা করুন। লেখক এখানে জামায়াতের সীমাবদ্ধতার আরো একটি কথা তুলে ধরলে ভালো হতো তা হচ্ছে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জামায়াত একটি বড় ফ্যাক্টর। আর এজন্যই ভারত চায়না যে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী দেশপ্রেমিক ইসলামী দল থাকুক। বিষয়টি বিবেচনা পূর্বক মন্তব্যকারী ও লেখককে সুচিন্তিত মতামত জানাতে অনুরোধ করছি।
8881
৮০
iraq mahmusiah camp থেকে ismail hossain siraji লিখেছেন, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১০; রাত ১২:১৮
sobai kay salam janay vhai amar khotata hoyto kharap lagba jara jamat shibir ka bolay ja rajakar rajakar jodi unadar wposondo hoy monay koran unar dar bon ar biya tokhon to rajakar sara ae kaj bibaho porar kaj to rajakar are kuw kor ba NA abar unar baba marajilay rajakar sara are ku jai namaj porabana bangladesh gunda lig jokhon bipod a apora tokhon bap dakay alam dakhlay rajakar dari tupi daklay rajakar ai rajakar sara unara ak kodom hattay parana jamat say ai desh ka islami mullo bod huk are unara say hindu rajatto jamat 5 bsor sorkar silo 2 jon montri silo kono durniti paynay abar judi khomota asae amar dergo bissas ai desh sonar desh hisaba pori siti hobay tay unara aj jamat ka soyjjo kortay parana hasina akta nostomaya say por purus sar satay rat katay kopalay sidur da ata tar jonno soba pay manoniyo prodan montre ganar abab asa tay uni unar ak hijlay montri kota dora aj desh ar niriho manus kay nirjaton koray ami boli manoniyo hijla montri monay rakh ban are 4 bsor por jono gon aponakay lagtay korbay sarbay amra nissit tay somoy taktay balo hoban islam kay balo basban allar dor baray khoma san
8938
৮১
লন্ড্ন থেকে েমা: আব্দুল্লাহ আল মামু্ন লিখেছেন, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১০; বিকেল ০৫:০৭
খুব সুন্দর।
9024
৮২
িমরপুর, ঢাকা থেকে প্রকৌ অািতক লিখেছেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০১:১৭
জামাতেক জানুন তারপর িবরোধীতা করুন। না েজনে কথা বলা মূর্খতা ছাড়া অার িকছুই না।
9181
৮৩
malaysia থেকে শমশের আলাম(সামাদ) লিখেছেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০১:৫৯
আপনি আমার মনের কথাটাই লিখছেন খুব ভাল লাগলো ।আমিও এমন ভাবতাম কিন্তু আজ আপনি আমার মনের কথা গুলা লিখলেন । আল্লাহ আপনার ভালকরুক।
9239
৮৪
দাম্মাম সৌদি আরব থেকে নজরুল লিখেছেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০; দুপুর ০১:০৮
"নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভাল
যুগ জনমের বন্ধু আমার অাঁধার ঘরের আলো"
সমালোচনা করা ভাল, সমালোচনা না করলে ভুল সংশোধন হয়না, তাইতো জামায়াত এবং চাত্রশিবির তাদের ব্যক্তিগত রিপোর্টে আত্নসমালোচনার কলামটি রাখতে ভুল করেনি; কিন্তু আত্নসমালোচনার সাথে সাথে সাংগঠনিক সমালোচনা তথা ভুল ক্রুটিগুলো যদি আলোচনা করা হয় তাহলে সংগঠন আরো মজবুত হবে।
আমি ভাল হলে জগৎ ভাল এমন কথা ইসলাম সমর্থন করে কিনা আমার জানা নাই। তাইতো আমাদের সংগঠিত হতে হয়। সমালোচনার যারা করে তাদের সমালোচনার জবাব দেয়ার সাথে সাথে নিজেদের ভুলগুলো সংশোধন করাই সবার উচিত।
লেখককে ধন্যবাদ সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরার জন্য।
9277
৮৫
ইটালী থেকে জন্ম থেকে আবু জেহেল লিখেছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৫৯
আজকের ফোরামের সবাইকে সালাম
বা,জা,ইসলামী এবং ই,ছাএ শিবির সম্পর্কে অনেকে লিখেছেন।আলহামদুলিল্লাহ্ ভাল ।যারা ভাল লিখেছেন।আর যারা বিপরীত লিখেছেন তাদের উওর
১।আমরা যারা ব্যক্তি,সমাজ,রাষ্ট,আশে পাশের সব মিলিয়ে যতটুকু জানি ততটুকু কি ইসলাম সম্পর্কে জানি?
২।আমি কি শুধু নামে মুসলমান নাকি আল্লাহর কুরআন মোতাবেক মুসলমান?
৩।আমার জীবন কি কুরআন হাদীস অনুযায়ী পরিচালিত না অন্য কোন মতাদর্শ
অনুযায়ী পরিচালিত?
৪।হক্কানী আলেম কারা,হক্কানী আলেমের উপর আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ঈমান আনতে বলেছেন?
৫।মওদুদী ভ্রান্ত না সঠিক সেটা কি আলেমদের কথানুযায়ী না কোরআন হাদীস দ্বারা প্রমান করব?
৬।আপনারা কি কোন ইসলামী দলের সদস্য?
এগুলোর উওর যদি না হয় তাহলে ধরে নিতে হবে আপনারা আবু জেহেলের দলে আছেন।আর যদি উম্মতে মুহাম্মাদী হতে চান তাহলে তাওবা করে উপরোক্ত(কুরআন হাদীসের) কাজগুলো নিজ,সমাজ,রাষ্টে বাস্তবায়িত করুন।আমীন।আর আল্লাহ কুরআনে ঘোষনা করেন যারা আমার কুরআন অনুযায়ী জীবন পরিচালিত করেনা তারা কাফের।তো আমলীগ,জামলীগ,মুক্তীলীগ,পীরলীগ,তাবলীগ,ভূয়াদল,জুয়াদল এগুলো ফেলে দিয়ে ইসলামী দলে যোগ দেই।যেই দল কুরআন হাদীস দ্বারা পরিচালিত।
আমরা যারা অন্যর দোষ খুজি তদের কাছে প্রশ্ন-আপনী নিজে কতটুকু সমাজ,দেশের ও ইসলামের জন্য কজ করেন?
ধন্যবাদ সবাইকে আল্লাহ হাফেজ।
9467
৮৬
জিরৃুুসি থেকে রৃনাপ লিখেছেন, ১৫ এপ্রিল ২০১০; রাত ০২:৩৪
অভিনন্দন আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ভাল-খারাপ দুটোই যুক্তিযুক্ত হয়েছে কিছুটার সাথে আমার নিকট অন্য ব্যাখা আছে, তারপরও আপনার সাথে একমত অনেক বিষয়ে।

১. বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মুসলমান পৌত্তলীকতা তথা মাজার ব্যবসায়ে বিশ্বাসী, আবার তারা সবাই আওয়ামীলীগ। সঙ্গত কারনে তারা জামায়াতের চিন্তাধারার সাথে একমত হতে পারেনা। আওয়ামীলীগ তাদের ইসলামের দুষমন হিসেবে ব্যাখা দাঁড় করায়, এতে পৌত্তলিকেরা তাদের প্রতি আগ্রহী কিংবা জামায়াতও তাদের আশ্বস্থ করতে পারেনা।
২. বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মিডিয়া আওয়ামীলীগের অনুগত। এসব মিডিয়া কোন না কোন ভাবে ভারতের অনুগত। আর ভারতের একমাত্র-শুধুমাত্র দুষমন জামায়াত, তারা সর্বোচ্চ বিরোধীতার সকল সুযোগ গ্রহন করে।
৩. জামায়াতের নিজস্ব প্রচারনায় যত খরছ হয়, তাদের বিরোধীতায় খরছ হয় তা চাইতে শতগুন বেশী, যার সিংহ ভাগ আসে ভারত থেকে।
৪. জামায়াতের বিরোধীতায় মিডিয়াগুলোর বিরুদ্ধে ভারতীয় অর্থলগ্নির যথেষ্ট কেচ্ছা কাহীনি বাজারে আছে। যেমন: প্রথম আলো, অবজারভার ভারতের পশ্চিম বঙ্গের অর্থে পালিত, জনকন্ঠ, কালের কন্ঠ, সমকাল উলফাদের মজুদ অর্থ দ্বারা পরিচালিত ইত্যাদি।
৫. আওয়ামীলীগের কর্মীরা সামাজিক কর্মকান্ডে অনেক এগিয়ে জামায়াতের তুলনায়। সামাজিক কর্মকান্ডের দুদলের উদ্দেশ্য ভিন্ন তাই ফলও ভিন্ন হচ্ছে। আওয়ামীলীগ সমাজিক কর্মকান্ডে অর্থ বিনিয়োগ করে সওয়াবের উদ্দেশ্যে নয়, ভোটের উদ্দেশ্যে। তারা তা গোপন রাখেনা, সরাসরি বলেন, যিনি সুবিধাভোগী তিনি নিশ্চত হয়েই সুবিধা নেন তাকে ভোট দিতেই হবে। জামায়াত সওয়াবের উদ্দেশ্যে করে বিধায় সুবিধাভোগী ধরে নেন, তার সওয়াবতো তিনি পেয়েই যাবেন। ভোট তাকে না দিয়ে আওয়ামীলীগে দিলে দুবার সুবিধা নেয়া যাবে। দেশে যদি নির্বাচনে খরছের ব্যবস্থা না থাকত তাহলে জামায়াত প্রচুর সুবিধা ভোগ করতে পারত।
৬. জাতীয় পার্টি ভোটারদের নিকটে যায় গামছা নিয়ে, বি, এন, পি যায় লূঙ্গি নিয়ে, আওয়ামীলীগ যায় শাড়ি নিয়ে আর জামায়াত যায় জাহান্নামের ভয় নিয়ে। ভিখারীর দেশের মানুষের নিকট এ মুহুর্তে জাহান্নামের ভয়ের চাইতে, পেটের খিদের ভয় বেশী। ফলে জামায়াত এক্ষেত্রে সুবিধা পায়নি-পায়না।
৭. বাংলাদেশের বামপন্থি দলগুলোতে দু প্রকারের তথা দু-সেট রাজনীতিবিধ তৈরী করা হয়। এক সেট দলে থাকবে, অন্য সেটকে বর্গা পাঠাবে। তারা মনে প্রানে বাম থাকবে মুখে থাকবে রাম। শফিক আহমেদ, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মুন্নুজান সুফিয়ান, মতিয়া চৌধুরী'রা হল বর্গা যাওয়া রাজনীতিবিধ। বিগত তিরিশ বছর পর মতিয়া একটি বার সুযোগ পেয়েই বর্গা মার্কা সকল বামদের আওয়ামী বোতলে ঢুকাতে পেরেছেন, স্বার্থসিদ্ধি করছেন। এখন কোনটা বামের কর্ম, কোনটা রামের কর্ম বুঝা দায় হচ্ছে। কারন মতিয়ারা মুখে রাম আর চিন্তায় চিরকাল বাম। ফলে এধরনের রাজনীতিবিধ দের নিয়ে মানুষের কৌতুহল ও নাই পেরেশান ও নাই, যেমনটি আছে জামায়াতের বেলায়।
৮. ছাত্রশিবিরের ছেলেদের নিয়ে জামায়াত পরিপূর্ন লাভবান হতে আরো বিশ বছর লাগবে। বিগত ৭ বছর ছাত্রশিবির খুবই সুবিধাজনক দিন পার করেছে, বর্তমানেও পুরো দেশে ছাত্রশিবিরের অবস্থা ছাত্রলীগের চাইতে অনেক ভাল। এর বেনিফিট জামায়াত হয়ত পাবে তখন বর্তমান জামায়াতের কেউ বেঁচে থাকবেনা বা বুড়ো হয়ে যাবেন।
৯. বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের অবস্থা পূর্বের যেকোন সময়ের চাইতে ভাল। তারা ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের মধ্যে বিলীন হয়ে আছে, তাদের চিনে মাত্র ছাত্রশিবিরের নেতারা। প্রতিটি বিভাগেই প্রথম দিকে শিবিরের অবস্থান ভাল, তারা লিখাপড়ায়ও ভাল। ছাত্রলীগ-ছাত্রদল মদের বোতলে মাতাল হয় বলে তাদের চিনতে পারেনা। সবচেয়ে আশঙ্খাজনক ব্যাপার হল, দেশের চাকুরীর প্রায় ৬০% ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা দখল করে, তারমধ্য থেকে ছাত্রশিবিরের অঘোষিত ছেলেরা ৮০% চাকুরী পেয়ে যায় ওদিকে ছাত্রলীগ ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির নির্মূল হয়েছে, কারন তারা দৃশ্যমান নয়। ছাত্রলীগ আজ ভর্তি বানিজ্য করছে, কারন তাদের হাতে মেধাশূন্য ছাত্রদের আনাঘোনা বাড়ছে। আগামী ২০ বছর পর ছাত্রলীগ থেকে আওয়ামীলীগ কোন বেনিফিট পাবেনা, পাবে কিছু সার্টিফিকেট ধারী মূর্খের জঠলা। সেক্ষেত্রে জামায়াত সুবিধা পাবে কারন এখনও তারা শিক্ষাকে প্রধান্য দিচ্ছে।
১০. সর্বোপরি জামায়াতের যে জনশক্তি আছে তা দিয়ে যদি সামাজিক কর্মকান্ডে তুরস্কের ধরনে নিজেদের আত্বনিয়োগ করতে পারে তাহলে আগামী নির্বাচনেও তারা ফ্যাক্টর হবে। যদি নাও পারে ২০ বছর পর বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যধরনের হবে। এগুলো ইতিপূর্বেকার সরকারের নজরদারীতে ছিল বলেই ক্ষমতায় গেলে সকল সরকার জামায়াত-শিবিরের উপর ক্ষুদ্ধ হয়, হচ্ছে। দিন দিন তার মাত্রা কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছে। উপরোক্ত পরিসংখ্যান বর্তমান সরকার ও ভারতীয় লবির জন্য খুবই দুঃচিন্তাকর। তাই ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধের নামে জামায়াতের রাজনীতি কোনঠাসা করার পাঁয়তারা করছে সরকার। ভাল খারাপ মিলিয়ে জামায়াতের অবস্থা অত খারাপ অবস্থায় নাই, যত লিখছে জামায়াত বিরোধী মিডিয়াগুলো।
13756
৮৭
েজদ্দা সৌিদ অারব থেকে এম এইচ উিদ্দন লিখেছেন, ১৫ এপ্রিল ২০১০; রাত ০২:৫৮
অাস্ সালামু অালাইকুম পাঠক ও েলখক সবাইেক।
এমন এক িট কলােম মতামত েপশ করার সুেযাগ েপেয় খুশী হলাম।
জনাব ভাই েবশী কের িলখেবন অামার ভাল েলেগেছ।
অার এক ভাই িলখেছন েয জামায়াত
ইসলামী দল নয়
কথা িট িঠক নয়
তারপর ও উনােক ধন্যবাদ।
13760
৮৮
U.S.A. থেকে Rana লিখেছেন, ১৫ এপ্রিল ২০১০; রাত ০৪:৪৫
Br.khalid I am writing to you ,Please don,t write like this.all over the world poeple alim ulama are ceirtyfi that Bangladesh jamat e Islami is astrong Islamic party.In bangladesh all ulama do not say like you?who do not like Jamat e Islami they saidand becose of their haitrism.If someone say about any party it is not aohhi?Jamat e Islami following Quranand Sunnah.Quran is and Sunnah is our belance for juges.Please look at to the country. do not make anymore division in ulamas ok!!!Thank you.
13766
৮৯
LOUGHBOROUGH,UK থেকে MAHBUBUR RAHMAN লিখেছেন, ১৫ এপ্রিল ২০১০; সকাল ০৫:৪৫
I agree with writer.because Islam is the complete code of life.Jamat is giving the people in this education.In the above all jamat is the moderate islami organization.
13769
৯০
রায়পুর, লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রাম্য পোলা মু. জহির রহমান লিখেছেন, ২৫ এপ্রিল ২০১০; রাত ১২:৩৯
আসসালামু আলাইকুম!
গঠনমুলক লেখা জন্য লেখক কে এবং গঠনমুলক সমালোচনার জন্য পাঠককে ধন্যবাদ জানাই। আসলে আমাদের মাঝে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলমী কিংবা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সম্পর্কে খুব একটা জ্ঞান রাখি না। তাদের কি লক্ষ্য আর কি উদ্দেশ্যে আমরা তা ভালোভাবে জানিনা। আমাদের উচিৎ তাদের গঠনতন্ত্র পড়া এবং ভালোভাবে অনুধাবন করা।
আমরা অনেকেই মনে করে ধর্ম আর রাজনৈতি আলাদা জিনিষ যা সম্পূর্ণ ভূল ধারণা। কেননা ইসলাম একমাত্র পুর্ণাঙ্গ জীবন ব্যাবস্থা।
আজকে এখানে আমার চাইতেও জ্ঞানী গুণীরা মতামত ব্যক্ত করেছে আমি তাদের কে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই। যারা সত্যর বিরোধীতা করেছেন তাদেরও মোবারক বাদ জানাই, আশা করি তারা একদিন তাদের ভুল বুঝবে।

সবশেষে আমি বলতে চাই, একজন ছাত্রশিবিরের সাধারন কর্মীর পাশাপাশি একজন ছাত্রলীগের জেলা প্রর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মী, একজন জেলা প্রর্যায়ের ছাত্রদলের দায়িত্বশীল কর্মী একত্র করেন। তারপর তাদের আচার-আচরণ লক্ষ্য করেন। তেমনি ভাবে জামায়াত, বিএনপি, আওয়ামীলীগ, জাতীয়পার্টি সহকারে সবদল গুলোর লোকদের প্রতি নজর দেন, আচার-আচরণ লক্ষ করেন। সত্য জানতে পারবেন। দেখবেন যে আদব-কায়দা, নীতি-নৈতিকত, ঈমান-আখলাক, সমাজগঠনমূলক কর্মকান্ড সব দিক দিয়ে জামায়াত কিংবা শিবিরের কর্মীরা এগিয়ে। তাদের মাঝে কোনো হানা-হানি নেই। দায়িত্বর প্রতি লোভ-লালসা নেই। স্বচ্ছ জবাবদিহিতা। সবই পাবেন।
লেখকে আবারো ধন্যবাদ এইরকম একটি লেখা লেখার জন্য কেননা এতে আমরা অনেক কিছু জানতে পারলাম। আল্লাহ হাফেজ!!
14990
৯১
dhaka থেকে biddut লিখেছেন, ০৪ মে ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১৫
dear vai thanks alot for this kind of topic .We will wating for this types of topic. Thanks everybody.
16318
৯২
পাঁচলাইশ থেকে রিপন লিখেছেন, ১৮ মে ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৪৪
'গণতান্ত্রিক দল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সার্টিফিকেট পাওয়া' কিভাবে জামায়াতের এক নম্বর সাফল্য(!) হতে পারে?
কেউ খোলাসা করে বলুক আর না বলুক - বাংলাদেশের অনেক মানুষই জামায়াতকে ভালবাসে - অবশ্যই তা তাদের কোন ক্রেডিট না - বরং এর ১০০% ক্রেডিট মহান আল্লাহর, ইসলাম ও শাশ্বত কুরআনের।
তবে '৭১ ইস্যুটা জামায়াতের অগ্রযাত্রায় শয়তান কর্তৃক সৃষ্ট একটা অনেক বড় বাধা।
এব্যাপারে অনেক আগেই একগুঁইয়েমী মনোবৃত্তি থেকে বের হয়ে এসে সময়োপযোগী ও শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের দৃষ্টিকোণ থেকে জামায়াতের ব্যাখ্যা প্রদান ও অবস্থান জোড়ালোভাবে সুস্পষ্ট করা উচিৎ ছিল।
তাহলে এ সংগঠন এতদিনে মানুষের অন্তরের আরো অনেক কাছাকাছি চলে যেতে পারতো।
যা জামায়াতের একটা অন্যতম বড় ব্যর্থতা।
There is nothing to be disheartened, go ahead.
There should be a high level functioning research cell composed of scholars from different corners.
Edit, re-edit, re-adjust conformed to the situation (but, of course, no compromise to follow the principles of Islam).
This is the real movement in the Way of Allah subhaanahuu wata'la - there is no doubt.
It will succeed Insha’Allah.
18353
৯৩
মিরপুর থেকে মোর্শেদ লিখেছেন, ১২ জুলাই ২০১০; দুপুর ০৩:৩৬
আসুন আমরা সবাই কোরআনের পথে চলি।
26641
৯৪
dhamrai hazipur থেকে khan লিখেছেন, ২৩ জুলাই ২০১০; সকাল ১১:২২
toi to sekh nastik der dalal
28404
৯৫
bangadesh থেকে sakib লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫২
thanks mr anisor rhman apnake,,
45328
৯৬
বাংলাদেশ থেকে মাহমুদ লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১৬
আমার কথা হলো জামাতকে যে এমেরিকা গনতান্ত্রিক দলবলে সার্টিফিকেট দিছিলো এ কথা আপনি যেমন প্রথমেই আনছেন জামাতো সেভাবেই বলে থাকে। এই এমেরিকান সার্টিফিকেটের কি প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করেন? এমেরিকা কি সত্যিকার কোন আন্দোলনকে এভাবে সাপোর্ট দেয় ? যেমন ধরুন হামাস-হিজবুল্লাহেরাও গনতান্ত্রিক উপায়ে রাজনীতি করে কিন্তু তাদেরকে সার্টিফিকেট দেয় না কেন? নাকি গনতান্ত্রিক যেই ব্যাখা এমেরিকা দেয় সেই একই ব্যাখা জামাতো দেয় বলে? আর জামাত যদি গনতান্ত্রিক সেই ব্যাখাকে ইসলামী মনে করে তাহলে কি তারপরো তাকে একটি ইসলামী দল বলা যায়?
45333
৯৭
রিয়াদ থেকে মজুমদার লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১০:৩৩
ধন্যবাদ লেখককে একটি গঠনমুলক কলাম এর জন্য আর কলাম এর শেষের দিকে যে বনসাই শব্দটা আছে তার মানে বুঝি নাই কেউ কি বনসাই শব্দের ব্যাখ্যা করবেন।
45350
৯৮
ঝিকরগাছা, যশোর থেকে আনিসুর রহমান লিখেছেন, ০৪ জুলাই ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৪৭
আপনাকে ধন্যবাদ, সফলতা-ব্যার্থতা, সিমাবদ্ধতা তো সবার ক্ষেত্রে থাকবেই।তবে আপনার লেখার মধ্যে সিমাবদ্ধতা ও ব্যার্থতা থেকে পরিত্রানের পন্থা বাতলে দিলে ভাল হতো।কারণ এ দায়িত্বটা আপনি এড়াতে পারেন না।
61618
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy