শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ১২:৪৩ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
আন্তর্জাতিক নারী দিবস: কিশোরী, তরুণী, বালিকা মিলাও হাত, গড়ে তুল সমৃদ্ধ ভবিষ্যত (১০/০৩/২০১২)
জাতীয় বাজেট: প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীদের নায্য অধিকার (২১/০৫/২০১১)
অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী উন্নয়নে আমরা পণবন্দী হই (০২/০৪/২০১১)
রুখতে হবে প্রতিবন্ধী নারীদের প্রতি যৌন নির্যাতন (১২/০৩/২০১১)
যে জনগোষ্ঠীকে নিয়ে কেউ ভাবেনা (২২/০১/২০১১)
উত্তরবঙ্গের শীতার্ত অসহায় মানুষের জন্য আমাদের করণীয় (১৮/১২/২০১০)
প্রতিবন্ধী নারীদের মূলস্রোতে অন্তর্ভূক্তি ছাড়া এমডিজি অর্জন সম্ভব নয় (১১/১২/২০১০)
প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা আইন '১০ পাসের মাধ্যমে তাদের মূলস্রোতে অন্তর্ভূক্তি (০৪/১২/২০১০)
১৫ অক্টোবরঃ বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবসের ভাবনা (১৬/১০/২০১০)
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের ভাবনা (০২/১০/২০১০)
আগের লেখা
168


আন্তর্জাতিক নারী দিবস: কিশোরী, তরুণী, বালিকা মিলাও হাত, গড়ে তুল সমৃদ্ধ ভবিষ্যত

আজমাল হোসেন মামুন

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীদের মর্যাদা, নারীর অধিকার বাস্তবায়নের জন্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়, “কিশোরী, তরুণী, বালিকা মিলাও হাত, গড়ে তুল সমৃদ্ধ ভবিষ্যত।”

বিশ্বব্যাপী নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ১৮৫৭ সালে ৮ই মার্চ আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে একটি সুঁচ কারখানার নারী শ্রমিকেরা মানবেতর পরিবেশ, অসম মজুরী ও দৈনিক ১২ ঘন্টা কাজের বিরুদ্ধে তাঁদের ন্যায্য অধিকারের দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু করলে পুলিশী নির্যাতন শুরু হয়। গ্রেফতার করা হয় বহু নারী শ্রমিককে। নারী কন্ঠ হয়ে ওঠেছিল সেদিন উত্তপ্ত। সে সময়ে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে ১৫০০০ নারী মিছিলের মাধ্যমে তাঁদের দাবি আদায়ের ব্যাপারে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছিল। পরবর্তীতে ১৮৬০ সালের ৮ই মার্চ নিউইয়র্কের সূঁচ কারখানার নারী শ্রমিকরা “নারী শ্রমিক” ইউনিয়ন” গঠন করে এবং অধিকার আদায়ের জন্যে আন্দোলন চালিয়ে যান। ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত নারী সম্মেলনে নেত্রী কারা জেটকিন ১৯১০ সালে ৮ই মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রথম ঘোষণা দেন। তাঁদের দাবী ছিল-কাজের সময় কমানো, ন্যায্য মুজুরী প্রদান এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ। ১৯১১ সালে প্রথমবারের মতো অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, জার্মান নারী দিবসটি পালন করে। ১৯৮৪ সালে জাতিসংঘ ৮ই মার্চকে “আন্তর্জাতিক নারী দিবস” ঘোষণা করে। (সূত্রঃ ইন্টারনেট)। সেই সময় থেকে দিবসটি বিশ্বব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে।

পৃথিবীর আদি সৃষ্টিকাল থেকেই নারীরা সবদিক থেকে অবহেলার শিকার। আদিম যুগে শিকার করার সময় নারীদের অপহরণ করা হতো যৌন তৃপ্তি উপভোগ করার জন্যে। আইয়্যামে জাহেলিয়াত যুগে কন্যা সন্তান জন্ম দেয়া ছিলো এক লোক লজ্জার ব্যাপার। ফলে লজ্জা থেকে রেহাই পেতে জীবন্ত কবর দিতে কুণ্ঠাবোধ করতো না। ইসলাম ধর্মের প্রচারক হযরত রাসুলুলাহ (সাঃ) সর্ব প্রথম নারীদের মর্যাদা দিয়েছেন। দিয়েছে নারীদের অধিকার। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরানুল কারীমে ইরশাদ করেছেন, “পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের প্রতি যেরূপ অধিকার রয়েছে, তেমনি স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের ওপর।” (সুরা বাক্বারাহ আয়াত:২২৮)

এক সময় আসবাবপত্র বা চতুষ্পদ জীবজন্তুর মত নারীদেরকে বিক্রি করা হতো। এমনকি ইউরোপের যে দেশ সমূহকে আমরা সভ্য দেশ হিসেবে গণ্য করি, সে দেশ সমূহেও নারীর মানব-সত্ত্বাকে স্বীকার করত না। ধর্ম-কর্ম কিছুতেই কোন অংশগ্রহণের সুযোগ ছিলো না নারীদের। ইসলাম প্রথম দিয়েছে নারীদের অধিকার।

আধুনিক যুগে নারীর অধিকার ও মর্যাদার ব্যাপারে বিশ্ববাসী সোচ্চার কণ্ঠ উচ্চারণ করলেও নারীরা সম-অধিকারের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। বিশেষ করে বাংলাদেশের নারীদের জীবন বৈষম্যের শেকলে বাঁধা বললে ভুল হবে না। প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতা উল্টালেই চোখে পড়ে নির্যাতিত নারীদের লোমহর্ষক ঘটনা যা পড়লেই মানুষের কোমল হৃদয় স্পর্শ করে। বিশেষ করে, তৃণমূল গ্রামীণ নারীরা বেশি বৈষম্যের শিকার। কারণ, তাদের ব্যাপারে সরকারি, বে-সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়া হয় না। তারা নারীদের মর্যাদা ও অধিকার রার কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে তারা নারীদের উন্নয়নে কাজ করে থাকে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার উদ্দেশ্যে। তাদের মধ্যে রয়েছে গ্রুপিং। এমনকি এক সংগঠনকে অন্য সংগঠন মোটেই সহ্য করতে পারে না। নারীদের অধিকার ও মর্যাদা রার দাবি আদায়ে একীভূত নয়। এটাই নারী আন্দোলনের ক্ষেত্রে বিরাট বাধা বা অন্তরায়।
বাংলাদেশের সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে উলেখ করা হয়েছে, “জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে (অনুচ্ছেদ-১০)। বলা হয়: “কেবল ধর্ম-গোষ্ঠী-বর্ণ নারী পুরুষ ভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবে না। (ধারা: ২৮(১)।”

নারীদের উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ কর্তৃক সিডও সনদ প্রণীত হয়েছে। সিডও সনদে রয়েছে মোট ৩০টি ধারা রয়েছে। ১ থেকে ১৬ ধারা: নারী পুরুষের সমতা সংক্রান্ত, ১৭ থেকে ২২ ধারা: সিডও’র কর্মপদ্ধতি ও দায়িত্ব সংক্রান্ত এবং ২৩ থেকে ৩০ ধারা সিডও প্রশাসন সংক্রান্ত সিডও সনদের বিবরণ সম্পর্কিত। সেখানেও নারী ও পুরুষের সমতার কথা স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। স্বামী বা আত্মীয় স্বজনদের পরিত্যক্ত সম্পদে নারীর অধিকার একমাত্র ইসলাম ধর্ম দিয়েছে। এখনও হিন্দু আইনে পরিত্যক্ত সম্পদের ক্ষেত্রে হিন্দু নারীরা বৈষম্যের শিকার।

আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের যুগে নারীরা অনেক এগিয়েছে। ফলে নারীদের বিভিন্নভাবে ক্ষমতায়ন ঘটলেও রাজনীতিতে নারীরা এখনও পিছিয়ে রয়েছে। এটাও নারীদের প্রতি এক ধরণের বৈষম্য। “সর্ব ক্ষেত্রেই নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে, পিছিয়ে রাজনীতিতে (দৈনিক প্রথম আলো, ৪ নভেম্বর, ২০০৭)। মহান জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি করে বর্তমান ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকার নারী জাতির প্রতি মর্যাদা প্রদান করেছে যা নারীদের অধিকার আদায়ে মাইলফলক হিসেবে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে। কিন্তু সময় এসেছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। এটি সময়ের দাবি। এছাড়াও নারীদের অবদানকে গুরুত্ব দেয়া হয় না। শিশুর যত্ন, রোগীর সেবা, ঘরের যাবতীয় কাজের দায়িত্ব পালনসহ গৃহস্থালীর সকল কাজ নারীকেই করতে হয়। কিন্তু নারীর এই অবদানকে মূল্যায়ন করা হয় না বললেই চলে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮১% নারী এবং ১.৩% মাত্র পুরুষ সরাসরি গৃহস্থালীর কাজে জড়িত। এতে নারীর গৃহস্থালী কাজের বার্ষিক অর্থমূল্য সর্বোচ্চ ৯১ মিলিয়ন ডলার।

এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়কে বিশ্লেষণ করলে সহজেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, বর্তমানে ইভটিজিং এর হার বেড়েছে। প্রশাসন ইভটিজারদের ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতে বিচার করে শাস্তিও দিচ্ছে। তারপরেও ইভটিজিং সামাজিক ব্যধী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইভটিজারদের কারণে অনেক কিশোরী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়ে। যৌতুক প্রথা আগের চেয়ে কমলেও তৃণমূল পর্যায়ে যৌতুক প্রথা রয়ে গেছে। যৌতুকের কারণে অসংখ্য তরুণীর ঘর ভাঙছে। বালিকারা বাল্য বিবাহের শিকার হচ্ছে। বাল্য বিবাহ বন্ধে বর্তমান সরকারের আমলে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে আগের তুলনায় বাল্য বিবাহ কমে যাচ্ছে। অনেক স্থানে আবার শিক্ষিত নারীরা যৌতুকলোভী স্বামীকে বিয়ের আসরে তালাক দিয়ে যৌতুকের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করছে। পরকীয়ার বলির শিকার হচ্ছে অনেক নারী। এ ছাড়াও তথ্য-প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের ফলে এক শ্রেণির তরুণ কিশোরী এবং তরুণীদের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেট এবং মোবাইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। বর্তমান সরকার সম্প্রতি আইন পাস করেছে। সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর করা হয়েছে।

নারীদের জন্য শিক্ষা-দীক্ষা, রাজনীতি, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক, সামাজিক সুযোগ-সুবিধাসহ সর্বেক্ষেত্র নারীর সম-অধিকার দিতে হবে। কারণ, দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা হচ্ছে নারী। নারী যদি নারী হিসেবে মর্যাদা ও সম-অধিকার পান, তবে বৈষম্যের শেকল ভেঙে বের হতে পারবে। এই জন্য প্রয়োজন সকল মানবাধিকার ও নারী সংগঠন সমূহের সম্মিলিত উদ্যোগ। পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন। আসুন আমরা ”কিশোরী, তরুণী, বালিকা মিলাও হাত, গড়ে তুল সমৃদ্ধ ভবিষ্যত” এই প্রতিপাদ্যকে বাস্তবে রূপ দিতে এগিয়ে আসি। নারীকে নারীর মর্যাদা প্রদান করে দেশকে সমৃদ্ধশীল ও শান্তিময় দেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যায়।

লেখকঃ সমাজ উন্নয়নকর্মী এবং সহকারী শিক্ষক, হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/AzmalHossainMamun
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
নাটোর থেকে ভাদা লিখেছেন, ১৮ মার্চ ২০১২; দুপুর ০৩:০৯
খবর! খবর!! খবর!!!
আইএসআই বিএনপিকে টাকা দিয়েছে বলে দুবাইভিত্তিক খালিজ টাইমসের যে প্রতিবেদন নিয়ে বাংলাদেশে হইচই চলছে সে ব্যাপারে প্রকৃত সূত্র ও তথ্যের সত্যতা মিলছে না। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস'া আইএসআই ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপিকে পাঁচ কোটি রুপি দিয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ বানোয়াট। এ তথ্য পাকিস্তানের কোনো পত্রপত্রিকা কিংবা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি। এমনকি নয়াদিল্লি থেকে প্রকাশিত ভারতের প্রধান কোনো পত্রিকাতেও এ খবর প্রকাশিত হয়নি। ডেইলি মেইলের ভারতীয় অনলাইন সংস্করণ, সাপ্তাহিক ইন্ডিয়া টুডে এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস'া বাংলাদেশ সংবাদ সংস'ার রিপোর্টে যে তথ্যসূত্রের উল্লেখ করা হয়েছে, তা কল্পনানির্ভর। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে পরিচালিত আলোচিত মামলার কার্যবিবরণী পাকিস্তানের পত্রপত্রিকা ও প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ডন ও দ্য নিউজ-এ ছাপা হয়েছে। আইএসআই’র সাবেক প্রধান আসাদ দুররানির যে বক্তব্য স'ানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার কোথাও বাংলাদেশে বিএনপিকে টাকা দেয়ার কথা উল্লেখ নেই। অথচ দুবাই থেকে প্রকাশিত খালিজ টাইমস এবং পরে ব্রিটেনের পত্রিকা ডেইলি মেইল অনলাইনের ভারতীয় সংস্করণে এ তথ্য চালিয়ে দেয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে নয়া দিগন্তের পক্ষ থেকে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রিপোর্টটি গত ৩ মার্চ সর্বপ্রথম খালিজ টাইমসে ছাপা হয়। এর পরদিন ৪ মার্চ একই রিপোর্ট ঢাকার দৈনিক প্রথম আলো ছাপে। ডেইলি মেইলের রিপোর্টটি লিখেছেন দীপাঞ্জন রায়। এই দীপাঞ্জন রায় প্রথম আলোর নয়াদিল্লি প্রতিনিধি। ইনডিয়া টুডেতেও তিনি বাংলাদেশ বিষয়ে লিখে থাকেন। বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বাসস ইন্ডিয়া টু ডের ওই রিপোর্টটি হুবহু প্রচার করেছে। লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, একই ব্যক্তির রিপোর্ট হওয়া সত্ত্বেও টাকার অঙ্ক উল্লেখ কালে কোথাও পাঁচ কোটি, আবার কোথাও ৫০ কোটি উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের দ্য নিউজ ও প্রধান বিজনেস ডেইলি বিজনেস রেকর্ডার এবং ডনের অনলাইন সংস্করণে আদালতে মামলার বিবরণী হুবহু প্রকাশ করা হয়েছে। এর কোথাও আইএসআই কর্তৃক বিএনপিকে টাকা দেয়ার কথা উল্লেখ নেই। আদালতে স্বীকারোক্তি বলে যে কথা চালিয়ে দেয়া হয়েছে তা কোথা থেকে সরবরাহ করা হয়েছে সে তথ্যের কোনো সূত্র নেই।
সূত্র : নয়াদিগন্ত
81430
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
লেখক....

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy