শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ১২:৪৪ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

গ্যাসকামাল (রম্য গল্প)

বি এম বরকতউল্লাহ

কামাল ভাই গতবার পরীক্ষায় ফেল করে শিক্ষকদের বেত্রাঘাত, পরিবারের সদস্যদের গণপিটুনি আর সহপাঠীদের টিটকারী-তিরস্কারে অতিষ্ঠ হয়ে কানে ধরে শপথ করে বলেছিল, ‘সামনের বার দেখে দেব, পরীক্ষায় আমাকে ফেল করায় কীভাবে। যদি খালি বইয়ের পাতা থেকে প্রশ্ন আসে, আমার কলমের কালি বিট্র্রে না করে আর স্যারেরা যদি ঠিকমত কাগজ সাপ্লাই দিতে পারেন তাইলে আমাকে পরীক্ষায় ফেল করায় কে? বইয়ের আগা গোড়া খাড়া মুখস্ত করে ফেলব না!

একই ক্লাশে পড়লেও আমরা কামাল ভাইকে শুধু ‘ভাই‘ বলে যে ডাকি তাই নয়; সম্মানও করি। কারণ তিনি আমাদের অনেক সিনিয়র। বোসকা-মোটা, রাসভারি ধরনের লোক। কম কথা বলেন। সবার সাথে মিশেন না। কখনোই তিনি সামনের বেঞ্চে বসেন না। পড়া না পারার জন্য স্যার যখন তাকে মারেন, তিনি মুখটা খানিক বিকৃত করে নীরবে সুবোধ বালকের মত তা হজম করেন। বেত্রাঘাতের সময় বাধা প্রদান করে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করছেন- এমন অভিযোগ কেউ করতে পারবে না। এবারের পিটুনি আর সাঁটাসাঁটিতে কামাল ভাইয়ের মধ্যে কেমন জানি একটা বিরাট পরিবর্তন লক্ষ করা গেল। ভেতরে ভেতরে কামাল ভাই লেখাপড়ার ব্যাপারে ক্লাশের সব ভালো ছাত্রকে ডিঙ্গিয়ে যাবার জন্য যে কিছু একটা করছেন তা অবশ্য ঠাওর করা গেছে।
কামাল ভাই দুলালপুর স্কুলে পড়ে; ক্লাশ এইট থেকে নাইন-এ উঠবে।
পরীক্ষা হয়ে গেছে।
আজ ফল ঘোষণার দিন।

মাথায় তেল দিয়ে সিতা করে ইস্ত্রী করা জামা পরে মনের আনন্দে ক্লাশে গিয়ে বসল কামাল। মজিদ স্যার রেজাল্ট সীট নিয়ে এলেন ক্লাশে। কামাল ভাই অনেকটা নিশ্চিন্ত মনে ফলের জন্য অধীর আগ্রহে বসে টগবগ করতে লাগল। পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হলো। কামাল ভাইয়ের নাম-গন্ধ নেই। সে ভাবল, স্যার বোধ হয় তার রেজাল্ট নিয়ে রহস্য করছেন। কামাল ভাইয়ের আর তর সয় না। হুট করে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, ’স্যার আমার রেজাল্টটা!‘

স্যার কামাল ভাইয়ের দিকে খানিক ঝিমধরে তাকিয়ে থেকে বল্লেন, ’অ, তাই তো! আসল খবরটাই বাদ পড়ে গেল, আমাদের কামাল মিয়ার রেজাল্টের খবর। আচ্ছা, তুই এদিকে আয় তো বাছা।’ স্যার এ কথা বলতেই কামাল ভাই ডান বাও তাকিয়ে বেঞ্চ ডিঙ্গিয়ে লম্বা পা ফেলে দ্রুত স্যারের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। এবং স্যারের হাতের রেজাল্ট সীটটা মাথা কাৎ করে আগা গোড়া পড়ার চেষ্টা করল। অমনি স্যার কামাল ভাইয়ের কানের কাছে মুখটা নিয়ে ফিসফিসিয়ে বললেন, ’কামাল, তোর ফলাফলটা কী হতে পারে একটু অনুমান করে বল তো, শুনি!’ কামাল সাথে সাথে বিষ্মিত ও উত্তেজিত হয়ে বল্লো, ’কী হতে পারে মানে! রুল নাম্বার থাকবে এক দুইয়ের মধ্যে!’ স্যার মাথা নেড়ে বললেন, ’অ তোর রুল নম্বর এক দুয়ের মধ্যে থাকবে, নাহ? কামাল প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসে মাথা ঝাকিয়ে বলল, জ্বী স্যার।

তার কথা আর মাথা ঝাকানি শেষ হতে না হতেই মজিদ স্যার বিছার মত লাফিয়ে উঠে কামাল ভাইয়ের কান প্যাঁচিয়ে ধরলেন। তারপর যে গতিতে ক্লাশরুম থেকে টেনে নিয়ে গেলেন এতে তার পা মাটি স্পর্শ করেছিল কি না সন্দেহ। স্যার তাকে সোঝা হেড স্যারের কামরায় নিয়ে স্যারের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে হাঁপাতে লাগলেন। আমরা ভয়ে ভয়ে দূর থেকে ফুচকি দিয়ে আমাদের মুরুব্বীর এ ভয়াবহ বিপদ দেখার চেষ্টা করছি। দেখি, কামাল ভাইয়ের অবস্থা বড় খারাপ। বাঘের খপ্পরে পড়া অসহায় হরিণের মত অবস্থা তার। হেড স্যার গভীর মনযোগে কি একটা কাগজ পড়ছিলেন তখন। তিনি মজিদ স্যারের হাঁপানির শব্দ পেয়ে চশমার উপর দিয়ে তাকিয়ে অবাক হয়ে বললেন, ’ব্যাপার কী মজিদ সাব?’ মজিদ স্যার রাগে কাঁপতে কাঁপতে বললেন, ’গাধাটা এবারও ফেল করেছে, খাড়া ফেল। তার মত ছাত্রের কোনো দরকার নেই আমাদের। একটার জন্য দশটার বদনাম। এইবার নিয়ে তিনবার ফেল করেছে! তাকে এখনই টি সি দিয়ে বের করে দিতে হবে স্যার।’ স্যার এ কথা বলে কামাল ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে রাগে কটমট করতে লাগলেন।

স্যারের মুখে এ কথা শোনামাত্র কামাল ভাইয়ের হাত-পা কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেল, সাথে তালে-বেতালে বুক ধড়ফড়ানি। কামাল ভাইকে খুব অসহায়ের মত দেখাচ্ছে। যে-ই কথা বলেন, তাঁর দিকেই কামাল ভাই ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। তার প্রসন্ন মুখটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। জিহ্বাটা বের করে বারবার শুকনো ঠোঁট ভেজাবার চেষ্টা করছে কিন্তু তার জিহ্বাটাও শুকিয়ে ঠন্ঠনা।

হেড স্যার প্রচন্ড মেজাজি মানুষ। কখনো বেশি কথা বলেন না। স্যারের চাহনির মধ্যে বিরাট ভয় ও রহস্য লুকিয়ে থাকে। তিনি ক্লাশের সামনে দিয়ে একবার হেঁটে গেলেই খবর হয়ে যায়। শিক্ষকসহ গোটা ক্লাশ ঠান্ডা। বেয়াদবি, পড়ায় অমনোযোগিতা ইত্যাদি কারণে যাকে একবার ধরেছেন তো তার দফা রফা করে ছেড়েছেন। হয় সে স্কুল ছেড়েছে, নয় তো মানুষের মত মানুষ হয়েছে। স্যারের এসব ভয়ংকর ঘটনা তার মনে যখন বিদ্যুৎ বেগে আসা যাওয়া করছিল, তখন হেড স্যার চোখের চশমাটা টেবিলে রেখে চেয়ারটা গড়গড় আওয়াজ করে সরিয়ে উঠে বললেন, ’টি সি তো পরের কথা, আগে ফেল করার হিসেবটা লই।’ কামাল ভাই তখন শুকনো মুখে ঘনঘন লা ইলাহা ইল্লা আন্‌তা পড়তে লাগল। তারপর হড়ড়ৎ হড়-গড়ড়ৎ গড় শব্দ করে পেটটা মোচড় দিয়ে উঠল তার।

হেড স্যার গম্ভীর স্বরে বল্লেন, ’তিনটা বেত লন।’ মজিদ স্যার তাড়াতাড়ি তিনটা বেত একত্র করে এনে হেড স্যারের হাতে দিলেন। ভয়ে শরীরটা প্রচন্ড ঝাড়া দিয়ে কেমন জানি আবার ঠান্ডা হয়ে গেল কামাল ভাইয়ের।

হেড স্যার বেত নাচাতে নাচাতে কামাল ভাইয়ের সামনে এসে বললেন, ’বাংলাদেশের রাজধানীর নাম কি রে, বল।’ থতমত খেয়ে তড়িঘড়ি জবাব দিল, ’নরসিংদী।’ জবাবটা শুনেই স্যার এক সেকেন্ডও দেরি করলেন না, পাঞ্জাবির হাতা গুটাতে গুটাতে বলেন, ’সোঝা হয়ে দাঁড়া।’ কামাল সোঝা হয়ে দাঁড়াল। মনে হলো এলোমেলো হাড়গোড় একত্র করে কোনোমতে খাড়া করল সে। হেড স্যার মার শুরু করার আগে যাকে মারবেন তার আপাদমস্তক পর্যবেক্ষণ করে নেন, এটা তাঁর রাগন্ত স্বভাব। স্যার রাগে কটমটিয়ে কামালের মাথা থেকে চোখ বুলাতে বুলাতে পায়ের পাতা পর্যন্ত গিয়ে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালেন। চোখ কপালে তুলে সবিস্ময়ে বললেন, ঘটনা কি রে, কামাল! তোর চোখে এক ফোঁটা পানি নেই, অথচ প্যান্টের নিচ দিয়ে কলকলিয়ে পানি বেরোচেছ যে! ‘পিশাব করে দিছি স্যার‘ - নির্বোধ বালকের মত এ কথা বলে কামাল ভাই স্যারের চোখের দিকে অপলক তাকিয়ে রইল।

স্যার আঁৎকে উঠে দু’হাত পিছিয়ে গিয়ে বললেন, ’এ্যা, পিশাব করে দিয়েছিস!’ কামাল বিনয়ের সাথে বলল, ’আমি বহু কষ্টে পায়খানাটা আটকে রেখেছি স্যার। এ মুহূর্তে আমার ওপর সামান্য প্রেসার পড়লেই কিন্তুক আর সামাল দিতে পারব না, কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়ে যেতে পারে স্যার, -বলেই পেছনে হাত চেপে ধরে চিঁ চিঁ করে কান্না জুড়ে দিল। তার কথা আর কান্না শুনে হেড স্যার প্রচন্ড বিরক্ত হলেন। তিনি ডান বাও তাকিয়ে অস্থিরভাবে চিৎকার করে মজিদ স্যারকে ডাকতে লাগলেন- ’অই মজিদ সাব, মজিদ সাব, এদিকে আসেন। বদমাশটা তো সর্বনাশ করে ফেলবে দেখছি। তাড়াতাড়ি ওকে আমার সামনে থেকে নিয়ে যান। তার গায়ে আমি একটা ফুলের টোকাও দিতে পারব না। আমার অফিস সর্বনাশ করে ফেলেছে সে। দেখেন, ফ্লোরের অবস্থাটা, দেখেন!’

মজিদ স্যার ছুটে এসে ধনুকের মত বাঁকা হয়ে সুক্ষ্মভাবে ফ্লোরটা পর্যবেক্ষণ করেই ফট করে কামালের কান চেপে ধরে টেনে টুনে বাইরে নিয়ে যেতে লাগলেন। যাবার সময় পিশাবে ভেজা প্যান্টের খেস-ফেস শব্দের সাথে আরো যে কয়টা অবাঞ্ছিত শব্দ হয়েছিল এতে হেড স্যারের কামরায় বসা অন্যান্য স্যারেরা অস্থির ভাবে ডানে বামে ওয়াক ওয়াক থুতু ফেলে নাকে মুখে পাঞ্জাবির কোণা গুঁজে ভোঁ, ভ্যা করে যা বলেছিলেন, এতে কামালের লাভ বই ক্ষতি হয়নি। সবাই একবাক্যে বললেন, ’বজ্জাতটাকে স্কুলের সীমানার বাইরে রেখে আসেন। বেটা গ্যাস ছেড়েছে, ওয়াক থুঃ!’

মজিদ স্যার কামাল ভাইকে নিয়ে সাংঘাতিক বিপদে পড়ে গেলেন। বিপদমুক্ত দুরত্ব বজায় রেখে এক হাতে স্যারের নাক চেপে আরেক হাতে কামাল ভাইয়ের কানে ধরে দ্রুতপায়ে তাকে নিয়ে স্কুল মাঠ পেরিয়ে সীমানার বাইরে গিয়ে একটা গাট্টা মেরে বল্লেন, ’তুই আজ বাঘের মুখ থেকে নিরাপদে ফিরে এলি। তুই এখন কই যাবি যা, আর কি করবি কর, আর জ্বালাইস না।’

কামাল করুনভাবে বলল, ’বাথরুম করব স্যার!’ স্যার ত্যাজে আঙ্গুল খাড়া করে বললেন, ’যা ইচ্ছা তাই কর গে, কিন্তুক ভুল করেও স্কুলের সীমানায় আর পা রাখবি না তুই, বলে দিলাম। যা ব্যাটা।’

কামাল চলে গেল, সে আর স্কুলের দিকে পা মাড়ায়নি।
পুত্রের ভবিষ্যৎ অমঙ্গল কল্পনা করে তার মা ও বাবা অস্থির হয়ে গেলেন। পরে তাদের নানা প্রতিশ্রুতি ও আবেদন-নিবেদনে হেড স্যার কামাল ভাইকে টিসি না দিয়ে এ স্কুলে পড়ার আরেকটা চান্স দিলেন।
কামাল ভাই নতুন উদ্যমে সুবোধ বালকের মতো স্কুলে যায়-আসে, লেখাপড়া করে।

কিন্তু সেদিনের সেই গ্যাস ছাড়ার ঘটনাটা পাইপমুক্ত গ্যাসের মত চারিদিকে দ্রুত ছড়িয়ে গেল। ক্লাশে ছোট বড় সবাই কামাল ভাইয়ের পরিবর্তে ‘গ্যাসকামাল‘ বলে সম্বোধন করতে লাগল। সারা এলাকায় বাতাসের আগে আগে ঘটনাশুদ্ধ পৌঁছে গেল “গ্যাসকামাল“ নামটি। আনন্দ-কৌতূহলের সাথে ‘গ্যাসকামাল’ এখন মানুষের মুখে মুখে। চলার পথে ডান বাও থেকে ‘গ্যাসকামাল‘ সম্বোধনটি তার ওপর আছাড় খেয়ে পড়ে। কামাল ভাই যদ্দুর শোনে তদ্দুর গতিতে সম্বোধনের গন্ডি ভেদ করে নিজেকে লুকাবার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু যে নামে এত মধু সে নাম কি সহজে ছাড়তে চায়! “গ্যাসকামাল" কামাল ভাইকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে ফেলেছে; এত সহজেই এর থেকে নিষ্কৃতি নেই।

অবশেষে গ্যাসকামাল চিন্তা করে দেখল, এ ‘খ্যাতির বিড়ম্বনা‘ এড়াতে হলে স্কুল বদল করা ছাড়া আর উপায় নেই। অনেক বলে কয়ে টি সি নিল সে। খোদার কি মর্জি, টিসিতেও তার নাম উঠেছে ‘গ্যাসকামাল।‘ এতদিন যা ছিল মানুষের মুখে মুখে, তা এখন কাগজে মুদ্রিত হয়ে স্থায়ী রূপ নিল। গ্যাসীয় বিড়ম্বনা এড়াতে গিয়ে এখন যে সনদপত্রটা তার হাতে এসে উঠেছে এর বিড়ম্বনা তো আরো কঠিন, আরো যন্ত্রণাময়। উপায়হীন কামাল কিংকর্তব্যবিমূঢ়! সে হঠাৎ হাতের টিসিটা ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলে দিল। তারপর সে ছুটে গেল হেড স্যারের কক্ষে। হেড স্যার কিছু বুঝে উঠার আগেই গ্যাসকামাল সোঝা স্যারের পায়ে পড়ে প্রতিজ্ঞা করে বলল, ’আমি স্কুলও ছাড়ব না আর পরীক্ষায়ও ফেল করব না, আমাকে আরেকটা চান্স দিতে হবে স্যার।’ প্রচন্ড রাগী হেড স্যার সেদিন তার প্রতিজ্ঞা-প্রতিশ্রুতিকে অবজ্ঞা ভরে ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারেন নি।
কামাল ভাই অবশ্য বহু চেষ্টা সাধনার বলে তার প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে রক্ষা করে সবার মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/BMBarkatullah
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
Dhaka থেকে মইন খান লিখেছেন, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:২১
গ্যাস কামালের মত অনেকেই আছে, যারা শত চেষ্টা করেও ভালো রেজাল্ট করতে পারে না। এরা কিন্তু খারাপ ছেলে নয়, এজন্য এদেরকে মারধোর করা অন্যায়। দুষ্ট ছেলেদের জন্য শাস্তি, কিন্তু বোকামির শাস্তি হয় না। বোকা বা সরল ধরণের বাচ্চাদের হাতে ধরে শেখালে তারা অনেক ভালো করে, মানুষ হিসেবেও ভালো হয়।
49471
Faridpur থেকে MAHFUZ লিখেছেন, ০৮ মার্চ ২০১১; রাত ০৮:৫৩
moin khan ka thanks
50469
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy