শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ১২:৪৮ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের ওপর সরকারি হামলা (১৭/০৫/২০১২)
মন্ত্রিসভা না ঘুষ-দুর্নীতির আখড়া? (১৩/০৫/২০১২)
সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ (১০/০৫/২০১২)
মুরবি্বদের বাংলাদেশ সফর (০৮/০৫/২০১২)
বাংলাদেশে স্বাধীন হয়েছে কারা? (০৬/০৫/২০১২)
কিসের সমুদ্র জয়? (০৩/০৫/২০১২)
বাংলাদেশে পহেলা মে (০১/০৫/২০১২)
গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ‘সরকার পতন’ আন্দোলন (২৬/০৪/২০১২)
উচ্ছৃঙ্খল হরতাল বন্ধ করতে হবে (২৪/০৪/২০১২)
চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড়ে ধরা (১৯/০৪/২০১২)
ইসরায়েলের পারমাণবিক বোমা ও গুন্টার গ্রাসের কবিতা (১৮/০৪/২০১২)
গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পদ্ধতি হিসেবে অনশন ও মানববন্ধন বাতিল করতে হবে (১২/০৪/২০১২)
পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জির ফ্যাসিস্ট শাসন (১০/০৪/২০১২)
মার্কিন কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতদের সফর এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব (০৮/০৪/২০১২)
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ উত্পাদন কেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে আন্দোলন দরকার (০৫/০৪/২০১২)
সাংবাদিকদের আন্দোলনে গণতান্ত্রিক উপাদানের ঘাটতি (০৩/০৪/২০১২)
সভা সমাবেশ মিছিলের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য জনগণকে লড়াই করতে হবে (০১/০৪/২০১২)
আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদ সব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে (২৯/০৩/২০১২)
বাংলাদেশের জনগণই এ দেশের মাটি থেকে পাকিস্তান রাষ্ট্র উচ্ছেদ করেছিল (২৮/০৩/২০১২)
বাংলাদেশের শাসক শ্রেণীর সংসদীয় রাজনীতি (২৫/০৩/২০১২)
সিরিয়ায় সরকারবিরোধী চক্রের মানবতাবিরোধী তত্পরতা (২২/০৩/২০১২)
জাতীয় সংসদ সমাচার (২০/০৩/২০১২)
পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জির দেউলিয়া শাসনে সংকট বাড়ছে (১৮/০৩/২০১২)
আওয়ামী লীগের দ্বারাই আওয়ামী লীগ পরাজিত হয়েছে (১৫/০৩/২০১২)
সিরিয়া দখলের জন্য মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের চক্রান্ত (১৩/০৩/২০১২)
ইসরাইলের পারমাণবিক বোমার বিরুদ্ধে কোন আওয়াজ ও প্রতিরোধ নেই কেন? (১১/০৩/২০১২)
আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা আদালতেরই দায়িত্ব (০৮/০৩/২০১২)
বাংলাদেশে ব্যবসায়ী শ্রেণীর শাসন ও শিক্ষা ব্যবস্থা (০৬/০৩/২০১২)
সরকারের ক্ষমাশীলতার কারণে দেশে অপরাধ বাড়ছে (২৮/০২/২০১২)
সরকার কর্তৃক ভাষা আন্দোলনকারীদের তালিকা প্রকাশ প্রসঙ্গে (২৬/০২/২০১২)
আগের লেখা
780


হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের ওপর সরকারি হামলা

বদরুদ্দীন উমর

কারও মাথা যখন বিগড়ে যায় তখন তার শেষ অবস্থা। মনে হয় আওয়ামী লীগ এখন সেই অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। আজ ১৬ মে সংবাদপত্রে ‘দেয়াল’ নামে হুমায়ূন আহমেদের একটি উপন্যাস প্রকাশের ওপর হাইকোর্টের এক নিষেধাজ্ঞার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে রাসেলের হত্যা বিষয়ক যে কথা উপন্যাসটিতে লেখা হয়েছে সেটা ভুল। এই ভুল সংশোধন না করা পর্যন্ত উপন্যাসটি হুমায়ূন প্রকাশ করবেন না, হাইকোর্ট এটা আশা করেন। তাদের এই ‘আশা’ করার অর্থ হুকুম জারি। কারণ তাদের আশা অনুযায়ী কাজ না করলে আদালত অবমাননার দায়ে দণ্ডিত বা অন্যভাবে বেইজ্জত হতে হবে।

সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল এ বিষয়ে বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী ও জাহাঙ্গীর হোসেনের দ্বারা গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর তারা এই আশা ব্যক্ত করেন (Daily Star-১৬.৫.২০১২)। একটি suo moto রুল জারি করে আদালত এ সম্পর্কিত সব প্রাথমিক দলিলপত্র অর্থাত্ ভাষ্য সংবলিত কাগজপত্র হুমায়ূন আহমেদকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে হুমায়ূন সেগুলোর মাধ্যমে নতুন তথ্য এবং সরকারি ভাষ্য সম্পর্কে অবগত হয়ে অর্থাত্ সত্যের সঙ্গে পরিচিত হয়ে তাঁর বইটিতে বলা কথা পরিবর্তন করতে পারেন। মহামান্য আদালত কর্তৃক মিথ্যার পরিবর্তে সত্য প্রতিষ্ঠার এই প্রচেষ্টা প্রশংসাযোগ্য। কিন্তু এখানে কথা আছে। কথাটি হলো এই যে, ঐতিহাসিক ঘটনাসহ যে কোনো ঘটনার সত্যাসত্য নির্ধারণের মালিকানা কারও নেই। কোনো সরকারের তো নেই-ই। আদালতেরও নেই। ঘটনা বিশ্লেষণের কিছু নিয়মকানুন আছে এবং তার চর্চার মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তির অধিকার আছে নিজের ভাষ্য প্রকাশ করার। এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপের অধিকার কারও নেই। যাই হোক, এ ব্যাপারে পরে আসা যাবে। এখন দেখা যাক হুমায়ূনের এবং সরকারের ভাষ্যে কী বলা হয়েছে।

১১ মে দৈনিক ‘প্রথম আলো’ পত্রিকায় হুমায়ূনের ‘দেয়াল’ নামক উপন্যাসের দুটি পরিচ্ছেদ প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, শেখ মুজিবের দুই পুত্রবধূ ও ছোট ছেলে রাসেল বিছানায় জড়াজড়ি করে থেকে ভয়ে কাঁপছিলেন। যখন ঘাতকরা তাদের কামরায় ঢোকে তখন রাসেল কাপড়ের আলনার পেছনে লুকিয়ে পড়ে ও কাঁদতে কাঁদতে বলে, ‘আমাকে গুলি কোরো না’। ঘাতকরা তাকে সেখান থেকে বের করে হত্যা করে।

অ্যাটর্নি জেনারেল এই বর্ণনার বিরোধিতা করে আদালতকে বলেন যে, দলিলপত্র এবং শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ সামরিক অফিসারদের একটি গ্রুপ শেখ মুজিব ও তার পরিবারের ১৩ জন সদস্যকে হত্যা করে। তারা শেখ রাসেলকে শেখ মুজিবের ব্যক্তিগত সহকারী এএফএম মোহিতুল ইসলামের কাছ থেকে এই বলে ছিনিয়ে নেয় যে, তারা তাকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যাবে। সে সময় রাসেল মোহিতুল ইসলামকে জিজ্ঞেস করে, তারা তাকে মেরে ফেলবে কি-না। মোহিতুল তাকে বলেন, তারা সেটা করবে না। কিন্তু ঘাতকরা রাসেলকে নিচের তলা থেকে দোতলায় নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। (Daily Star-১৬.৫.২০১২)
প্রথমেই বলা দরকার, শেখ মুজিব হত্যার রায়ে যা-ই বলা থাক, অ্যাটর্নি জেনারেল তার ভিত্তিতে যে বর্ণনা দিয়েছেন তা কোনো সাধারণ বুদ্ধিসম্পন্ন সচেতন লোকের পক্ষে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এর অযৌক্তিক চরিত্র পরিষ্কার বোঝা যাবে যদি সেই রাতে শেখ মুজিবের বাড়ির রাত্রিকালীন অবস্থার কথা চিন্তা করা যায়। সবাই যে যার কামরায় ঘুমিয়ে ছিল।

শেখ রাসেলও তার নিজের কামরায় ঘুমিয়ে ছিল। সামরিক বাহিনীর ঘাতকরা বাড়িতে ঢুকে গুলিগালা ও তাণ্ডব শুরু করার পর সবারই ঘুম ভেঙে যায়। সেই অবস্থায় রাসেলের পক্ষে তার দুই ভাবীর কাছে দৌড়ে গিয়ে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা খুব স্বাভাবিক, যখন তার পিতা-মাতাকে এরই মধ্যে হত্যা করা হয়েছে। প্রাণভয়ে কাপড়ের আলনা বা কোনো পর্দার আড়ালে সেই কোমলমতি বালকের আশ্রয় নেয়ার মধ্যে দোষের বা কাপুরুষতার কোনো ব্যাপার নেই। এসব স্বাভাবিক। অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল যে ভাষ্য উপস্থিত করেছেন তা অস্বাভাবিক। বাড়ির অন্যদের যখন হত্যা করা হয়েছে, শেখ মুজিবের লাশ যখন সিঁড়ির ওপর পড়ে আছে, তখন শেখ রাসেল কীভাবে ওপরতলা থেকে মোহিতুল ইসলামের হাত ধরে নিচের তলায় আসতে পারে?

এখানে জোর দিয়ে যা বলা দরকার তা হলো, এ ধরনের ঘটনার কোন ভাষ্য খাঁটি সত্য এটা নির্ধারণের কোনো উপায় নেই। ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের এমন কোনো নির্ধারিত ও সর্বসম্মত নিয়ম নেই, যা দিয়ে কোনো ঘটনার সত্যাসত্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা যায়। তাছাড়া কোনো ঐতিহাসিক বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করাও চলে না। যে কোনো আদালত কোনো মামলার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের ও বিচার পদ্ধতির দ্বারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও রায় প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু সেটা যে সবার মেনে নিতেই হবে, এমন বাধ্যবাধকতা কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নেই।

এক্ষেত্রে অন্য কথার আগে এটা বলা দরকার যে, উপন্যাস ও ইতিহাস এক জিনিস নয়। ঔপন্যাসিক কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বন করে গল্প লেখার সময় ইতিহাস লেখেন না। তাছাড়া ‘দেয়াল’ উপন্যাসের ক্ষেত্রে হুমায়ূন যদি শেখ রাসেলের হত্যাবিষয়ক ঘটনার বর্ণনায় সরকারি ভাষ্য ছাড়া অন্য কিছু বলে থাকেন তাতে এমন কি এসে যায় যাতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে এ নিয়ে হাইকোর্টে নালিশ করতে হবে, অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বাতিল না করে হাইকোর্টকে ‘আশা’ ব্যক্ত করতে হবে যাতে হুমায়ূন তার বর্ণনা পরিবর্তন করে সরকারি ‘সত্য’ ভাষ্য তার উপন্যাসে নতুন করে লেখেন?

অবস্থা দেখে মনে হয়, ১৫ আগস্ট রাতে ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে শেখ মুজিবের হত্যাকাণ্ডের সময় বালক শেখ রাসেল যে ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে ছিল, ঘাতক মিলিটারি অফিসারের বন্দুকের নল দেখে তাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে সাহসী রাসেলের পক্ষে যে পর্দার আড়ালে কাঁপতে থাকা এবং প্রাণ রক্ষার আবেদন করার মতো কিছু ঘটতে পারে না, এটা প্রমাণ করার জন্যই রাসেলের হত্যার সরকারি ভাষ্য তৈরি করা হয়েছে!! ১৯৭২ সাল থেকেই ইতিহাসের ছোট-বড়, গুরুত্বপূর্ণ, এমনকি তুচ্ছ ঘটনার বিকৃত ভাষ্য প্রচার করার যে সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ গায়ের জোরে চালু করেছে—এসব হলো তারই ধারাবাহিকতা।

পরিশেষে এটা বলা দরকার যে, সরকারি অ্যাটর্নি জেনারেলের আবেদনের দ্বারা লেখকের স্বাধীনতায় যেভাবে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ করি। সরকারের এই হস্তক্ষেপ প্রমাণ করে, বাংলাদেশে সরকারের ফ্যাসিবাদী কার্যকলাপ সমাজের কত গভীর দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। জনগণের সভা-সমিতি-মিছিলের অধিকার হরণ থেকে নিয়ে সব রকম রাজনৈতিক কাজের ওপর যেভাবে হাজার রকমভাবে নিষেধাজ্ঞা বলবত্ করে জনগণের টুঁটি টিপে ধরার ব্যবস্থা হয়েছে, হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের ওপর হামলা তার থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো ব্যাপার নয়। লেখকদের স্বাধীনতার ওপর ফ্যাসিস্ট হামলার প্রস্তুতিও যে এগিয়ে চলেছে, এর থেকে সেটাই প্রমাণিত হয়। হুমায়ূন আহমেদ এই পরিস্থিতিতে কি করবেন সেটা তার ব্যাপার। তবে আমি এ কথা অবশ্যই বলতে পারি যে, এই ধরনের হস্তক্ষেপ আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আমি হলে এ নিয়ে আমার ভাষ্য পরিবর্তন তো করতামই না, উপরন্তু প্রয়োজন হলে অবশ্যই পাল্টা মামলা করতাম।

(সূত্র: আমার দেশ,১৬.০৫.২০১২)
http://www.sonarbangladesh.com/articles/BadruddinOmar
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
USA থেকে M.A. TITO লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; সকাল ১০:০৮
"First they came for the Socialists, and I did not speak out
Because I was not a Socialist.
Then the came for the Trade Unionists, and I did not speak out
Because I was not a Trade Unionist.
Then they came for the Jews , and I did not speak out
Because I was not a Jew.
(Then the came for the BNP AND ISLAMIC PARTIES and I did nothing because I do not do BNP and ISLAMIC Plitics)
Then the came for me-and there was no one left to speak for me." Pastor Martin Noemoller about the Nazi regime.
84401
ককসবাজার থেকে সাইফুল ইসলাম লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; সকাল ১০:২১
ঐ গল্পে মুজিব হত্যার চক্রান্তের সাথে জিয়াকেও ইনডাইক্টলি জড়ানো হয়েছে। তা কতটুকু সত্য তাও সুস্পষ্ট হওয়া উচিত।
84403
india থেকে dirtroad লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; সকাল ১০:৩১
In a way Mr Ahmed invited and embraced this controbersy by seralizing the book. Now it is going into very grey waters like court's 'asha' and 'hukum' and contempt of court etc. On the other hand if the entire volume came out at one go..the only thing any government could have done was to ban it. Which going by the looks of it all three parties..AL, BNP, Jamat will be glad to do. A rare ocuurance of national unity in BD. However given the reach of media..such a book published by a foreign publishing house in India,UK,USA would have easily circumvented the ban.

Anyway Mr Ahmed can still publish in an Indian paper and get the equal response. Though mid-way some strange court ruling stopping the writer from writing can be very possible.

The world be very interested if he can with all unbiasedness cover the 71 to 75 period also in this book as flashbacks. Its always difficult to deal with living history esp if one carries a strong sentiment. But notwithanding such factors great novels like And Quiet Flows the Don was written by very involved writers who could astonishing rise above sectarian views in the works.
84404
হাটহাজারী থেকে মামুন লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; সকাল ১১:৩৫
মাহবুবে আলম, শামসুদ্দীন গোষ্ঠী জানে-বুঝে ক্রিমিনাল আর সন্ত্রাস। সাহিত্য আর ইতিহাসে অজ্ঞতার প্রমান তারা বার বার দিয়েছে । এবং সেকথা মানুষকে পুন:পুন: জানিয়ে দিয়ে তারা ণিজেদেরকে অর্ধশিক্ষিত প্রমান করে ছেড়েছে ।
84405
Sweden থেকে Shaheen লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; দুপুর ০১:০৬
Sir,
Thanks so much that you have ponted out again the dictatorial notions that they now found out some errors of a book by Humayan Ahamed as to why he wrote about the killings of Sheikh Mujib's youngest son. Sir, this is a military coup who and how they had killed is not the question the question is they had saved the country from being an absolutism and 90% people of Bangladesh had a deep sigh from Jalim anf so Allah sent Dalim to bridle evil. Now what we are very much regeret as to why such a contaminated kid was narrowly saved as she had been in abroad and we the people of Bangladesh again faces the tyranny of Hasina so what god does does for the best. The country has been facing the same oppression as we had faced in 1974 we are praying to god some one must be coming doen from heaven like those hero military.
84410
p থেকে ahmed লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; দুপুর ০১:১৫
jokhon ak monus mitta bole, shei mitta ke dakar jonno aro onek mittar asroy ney.akjon r ebullition lider ke ku, khuni bani ya dilo mitta bole,
84411
নারায়নগন্জ থেকে মাহবুব লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; দুপুর ০২:১৪
হুমায়ুন আহমেদ এর উপন্যাস 'দেয়াল' আদালতের 'কৌশুলি' নিষেধাজ্ঞায় এখন কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছে।উপন্যাসিক সাহেব এতে গোস্সা হলেন। বললেন,"লেখকের সৃজনশীলতায় হস্তক্ষেপ কাম্য নয়"-তথ্যগত ত্রুটি থাকলে সংশোধন করবেন। একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে আমি তাঁর এ মন্তব্যের আগা-মাথা বুঝতে সক্ষম হলাম না। তিনি আদালত তথা সরকারী হস্তক্ষেপে মাইন্ড করলেন, আবার সংশোধনের কথাও বললেন। তাহলে আমরা কি বুঝবো? তিনি নিশ্চই কল্পনা নির্ভর হয়ে বইটি লিখেছেন, এখন আবার 'পেদানি' খেয়ে কম্প্রোমাইজ করছেন।আর যাদি এটি একটি উপন্যাসই হয়- তাহলে এর তথ্যগত ভুলত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন আসবে কেন?
এ সব কিছুর মধ্যেই একটা ডিজিটাল গন্ডগোল মনে হচ্ছে। আর এ গন্ডগোলের প্রথম ঘোল খাওয়া নায়ক হচ্ছেন স্বয়ং উপন্যাসিক।
84415
dhaka থেকে karim লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; দুপুর ০২:৩১
Mr Ahmed is a beneficiary of the present govt. With due sympathy for his ailment, he received large sums of money from the present administration. He want more. He wanted to please the administration by involving Ziaur Rahman and by depicting killing of Russel in dramatic circumstances.
But unfortunately for him it became counterproductive. Because high-ups in the administration did not like it.
He does not have the moral strength to stick to his gun. He would do whatever administration wants him to do hoping for some more donations.
84418
মঙ্গলপূর থেকে পিয়াস লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; দুপুর ০৩:২৮
এদেশের কবি ও লেখক, যখন মানুষ খুন হয়, তখন তাদের সময় হয় দম দেয়ার, যখন গুলী চলে তাঁদেরকে ওয়াশরুমে যেতে হয়, আর সবাই যখন আতঙ্কে নীরব তাঁদের তখন প্রশান্তি, রমনা বটমূলে প্রণয় বিহারি। উচ্ছিষ্ট ভুগি লেখকদের কাছ থেকে জাতি বড় জোর দুটি অমূলক কবিটার ছন্দ পেতে পারে কোণ ভরসা নয়।
84420
১০
মঙ্গলপূর থেকে পিয়াস লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; বিকেল ০৪:৩৫
এদেশের কবি ও লেখক, যখন মানুষ খুন হয়, তখন তাদের সময় হয় দম দেয়ার, যখন গুলী চলে তাঁদেরকে ওয়াশরুমে যেতে হয়, আর সবাই যখন আতঙ্কে নীরব তাঁদের তখন প্রশান্তি, রমনা বটমূলে প্রণয় বিহারি। উচ্ছিষ্ট ভুগি লেখকদের কাছ থেকে জাতি বড় জোর দুটি অমূলক কবিটার ছন্দ পেতে পারে কোণ ভরসা নয়।
84423
১১
coxsbazar থেকে বেরসিক লিখেছেন, ১৭ মে ২০১২; রাত ০৮:৫০
ছেলেকে মেয়ে আর মেয়েকে ছেলে করা ছাড়া হেন কাজ নেই, যা আওয়মীলীগ পারেনা।
লেখককে ধন্যবাদ বস্তুনিষ্ট লেখার জন্য
84431
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
বদরুদ্দীন উমর বাংলাদেশের সেরা বুদ্ধিজীবিদের একজন। তিনি মূলত একজন মার্ক্সবাদী তাত্বিক। এছাড়া একজন রাজনৈতিক সমালোচক। বদরুদ্দীন উমরের পিতার নাম আবুল হাশিম এবং তাঁর মাতার নাম মাহমুদা আখতার মেহেরবানু বেগম। ১৯৪৮ সালে তিনি বর্ধমানের টাউন স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৫০ সালে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন বর্ধমান রাজ কলেজ থেকে। স্নাতক সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৫ সালে দর্শন বিষয়ে। পি.পি.ই ডিগ্রি লাভ করেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইংল্যান্ড থেকে ১৯৬১ সালে।

কর্মজীবনে প্রথমে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে। বদরুদ্দীন উমর ১৯৬৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগেরও যাত্রা শুরু হয় তার হাত ধরে। ১৯৬৮তে পদত্যাগ করেন। তিনি সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ছিলেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী জোটের। তিনি সভাপতি আছেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের এবং বাংলাদেশ লেখক শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তিনি ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে \'সংস্কৃতি\' নামে একটি রাজনৈতিক সাময়িকী সম্পাদনা করেছেন। তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত কলাম লিখছেন।

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy