'বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য ধ্বংশের হাত থেকে রক্ষার জন্য মানবসৃষ্ট বিপর্যয়কর ভারতীয় পদক্ষেপ "টিপাইমুখ বাঁধ" নির্মাণ যে করে হোক রুখতেই হবে।' গত ১৫ই আগষ্ট'০৯ বাংলাদেশ ওয়াচ-এর উদ্যোগে টরোন্টোর রয়াল কানাডিয়ান লিজিয়ন মিলনায়তনে আয়েজিত "টিপাইমুখ বাঁধঃ ভারতীয় এক বিপর্যয়কর পদক্ষেপ" শীর্ষক সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপরোক্ত মত ব্যাক্ত করেন। সেমিনারে মূল প্রব্ন্ধ উপস্থাপন করেন কনকোর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পি এইচ ডি প্রার্থী বিশিষ্ট প্রকৌশলী জনাব আখলাক-এ-রাসুল। তিনি 'টিপাইমুখ বাঁধ'-এর সার্বিক ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে কারিগরী দিকগুলো বিস্তরিতভাবে তাঁর প্রবন্ধে তুলে ধরেন। টরোন্টোতে অবস্থানরত বিভিন্ন স্তরের বহু বাংলাদেশী সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন। 'বাংলাদেশ ওয়াচ' আয়েজিত এই পুরো সেমিনারটি পরিচালনা করেন সংগঠনের টরোন্টো চেপ্টারের পরিচালক ডাঃ সাইফুল ইসলাম। উপস্থাপিত প্রবন্ধের উপর আলোচনা করতে গিয়ে 'টিপাইমুখ বাঁধ' সম্পর্কে অসংখ্য অজানা কাহিনী তুলে ধরেন এবং এর সামাজিক ও রাজxৈতক বিপর্যয়ের নানা দিকের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন ডাওসন কলেজের অধ্যাপক বিশিষ্ট সমাজ গবেষক ডঃ আবিদ বাহার। তিনি বলেন 'টিপাইমুখ বাঁধ' হচ্ছে বাংলাদেশের জন্য একটা ঝুলন্ত স্বাক্ষাৎ 'সুনামী', কোটি কোটি বালাদেশীর জন্য মরণ ফাঁদ। 'টিপাইমুখ বাঁধ'-এর ধ্বংশাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে করুণ চিত্র তুলে ধরে বিশিষ্ট অর্থ-উপদেষ্টা বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অর্থ বিভাগের সাবেক পরিচালক জনাব আবু আশফাক বলেন সর্ব শক্তি দিয়ে, প্রয়োজনে জীবন দিয়ে হলেও 'টিপাইমুখ বাঁধ' নামক ভারতীয় এই বিপর্যয়কর পদক্ষেপ রুখতেই হবে। |