স্বাধীনতার ঘোষক তুমি, তুমি মুক্তিযুদ্ধের প্রাণ,
একাত্তরে উত্থান তোমার, নিয়া মুক্তিযুদ্ধের গান।
হানাদারদের বুলেট যখন, কাড়ছে শত প্রাণ,
মেজর জিয়ার আবির্ভাব, তখন মহান আল্লাহর দান।
কালুর ঘাটের দিপ্ত কণ্ঠে আসল সমাধান,
দিশেহারা জাতি তাইত ফিরে পেল প্রাণ।
ঝাঁপিয়ে পড়ল গোটাজাতি, করল হানাদার খতম,
সোনার বাংলা মুক্ত হলো, তুমি হইলে বীর উত্তম।
মুখোশধারী তাঁবেদাররা, চড়েই জাতির ঘাড়ে,
ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করতে, লাগল উঠেপড়ে।
ব্যাংক ডাকাতি আর আত্মসাৎ-এ দেশটি একাকার,
হত্যা, ধর্ষণ, রাহাজানির নাই কোন বিচার।
লুটে পুটে খাইল ওরা, ভরল তাদের ভুঁড়ি,
সোনার বাংলা খেতাব পেল, “তলা বিহীন ঝুড়ি”।
গাছের পাতাও পায়নি লোকে, ক্ষুধা মিটাতে,
কলা পাতা পায়নি খুজে, কাফন পরাতে।
খোদার গজব নাজিল হল, দেশে আসল আকাল,
বাসন্তিরা ঢাকল লজ্জ্বা দিয়া মাছের জাল।
কৌশলেতে তাঁবেদাররা, খেলল ঘৃণ্য চাল,
গণতন্ত্রের মুখোশ খুলে, লাগাইল বাকশাল।
অরাজকতা আর হানাহানি, দিল অনেক মন্দ,
বিভিষীকাময় অবস্থাতে, মানুষ হয়ে গেল অন্ধ।
বেরিয়ে পরল সিপাই জনতা, পাইতে উপায়,
অবশেষে সবাই মিলে তোমায় খুঁজে পায়।
ব্যারেক থেকে বেরিয়ে এলে, দিয়ে জাতির ডাকে সাড়া,
গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিলে, করলে তাঁবেদারদের তাড়া।
খ্যাতি তোমার ছড়িয়ে পরল দেশ দেশান্তরে,
আসন তুমি করে নিলে মানুষের অন্তরে।
দেশের মানুষ মুগ্ধ হল, পাইল “রাখাল রাজা”,
কুচক্রীদের শিকার হলে, পেলে শহিদী দরজা।
এতিম হলো দেশের মানুষ, কাঁদল জাতির প্রাণ,
বাংলার মানুষ খেতাব দিল তোমায়, “শান্তিউর রহমান ”।
মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র।
|