শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ০১:১৪ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
প্রবাসীর ভাবনাঃ বাংলাদেশীদের আত্মসম্মান ও লজ্জাবোধ কবে তৈরী হবে? (২২/১০/২০১১)
সিরাজুর রহমান ও আ. গা. চৌধুরীঃ কে শুদ্ধভাবে মিথ্যা বলায় পারদর্শী? (২৩/০৭/২০১১)
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গোপন মিশনঃ প্রসঙ্গ রোড এক্সিডেন্ট (০৭/০৫/২০১১)
প্রবাসীর ভাবনাঃ দেশহীন মানুষের সমস্যা ও দেশপ্রেম (১২/০৩/২০১১)
ওরা আমাদের ভূমিহীন করতে চায় : প্রসঙ্গ ইট ভাটা ও দূষণ (০১/০১/২০১১)
ওরা আমাদের পানিতে মারতে চায় (১৭/০৭/২০১০)
মোবাইল টাওয়ার কি পরিবেশের জন্য নিরাপদ? (১৮/০৩/২০১০)
কোচিং ব্যবসার কবলে মূলধারার শিক্ষা প্রক্রিয়া (১৩/০২/২০১০)
শিক্ষা বিষয়ক টিভি চ্যানেল ও মেধাবীদের নিয়ে অনুষ্ঠান চাই (১৫/১২/২০০৯)
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে শিক্ষার হালচাল (১৫/১১/২০০৯)
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০৯ এর অসঙ্গতিসমূহ (১৬/১০/২০০৯)
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব কেমন নিয়ম? (১৬/০৯/২০০৯)
বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কার ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা (১৬/০৮/২০০৯)
ডাক্তারদের ডাকাতি রুখবে কে? (১৬/০৭/২০০৯)
মাশরুমকে নিকৃষ্ট উদ্ভিদ বলবেন না প্লিজ (১৭/০৬/২০০৯)
মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্যে কয়েকটি প্রস্তাব (১৫/০৫/২০০৯)
জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা ও সমাধান (১৪/০৪/২০০৯)
শিক্ষকদের শেয়ার ব্যবসা, নেশা ও ৫৪৪ এর অভিশাপে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৫/০১/২০০৯)
শিক্ষা অফিসারদের ক্ষমতার দৌরাত্মঃ একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা (১৬/০৯/২০০৮)
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাঃ বিদ্বেষ নয়, প্রয়োজন আধুনিকতার পরশ (০১/০৮/২০০৮)
প্রবাসী বাবার ভাবনা- ফ্লোযেম, তোমার আব্বু খুবই সরি বাবা (০১/০৭/২০০৮)
আগের লেখা
1150


প্রবাসীর ভাবনাঃ বাংলাদেশীদের আত্মসম্মান ও লজ্জাবোধ কবে তৈরী হবে?

ড. আহমেদ ইমতিয়াজ

স্বনামধন্য কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ-এর ‘তাঁরা ফেরেন নাই’ লেখাটি আমার পড়ার সুযোগ হয়েছে (প্রথম আলো, ৪/১০/২০১১)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যাঁরা বিদেশে ডিগ্রী করতে গিয়ে আর ফেরেননি তাঁদের নিয়েই মূলত লেখা। দৈনিকটির ওই লেখায় ১১ জন পাঠকের মন্তব্য আছে। বিষয়বস্তুর পক্ষে বিপক্ষে পাঠক মতামত প্রায় সমান। কলামটি সোনারবাংলাদেশ ডটকমও প্রচার করেছে। সেখানে ২৯ জন প্লাস এবং ৪ জন মাইনাস রেটিং করেছেন। মোট ১২টি মন্তব্য আছে যা পড়ে বোঝা যায়নি পাঠকরা লেখককে সমর্থন না অসমর্থন করেছেন। তবে বিদেশে থেকে যাওয়া মোট ১৩৯ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০৪ জনের কাছে ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা (গড়ে জন প্রতি ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৩ শত ৯৪ টাকা) অনাদায়ী রয়ে গেছে। অনেক পাঠকরা শিক্ষকের দ্বারা টাকা খাওয়ার বিষয়টি মোটেও স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারেননি। অবশ্য কোনো কোনো পাঠকের মতে পুকুর বা নদী চুরি নয় শেয়ার বাজার বা পদ্মা সেতুর মত অতিকায় দুর্নীতিতে ভরপুর সমুদ্র চুরির দেশে ১০৪ জন শিক্ষকের দ্বারা মাত্র এক/দেড় কোটি টাকা ফেরত না দেওয়া মোটেও খবর হওয়ার মত বিষয় নয়। তবুও জনাব মকসুদ বিষয়টিকে জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয়তে তুলে ধরেছেন। একজন সামান্য লেখক ও পাঠক হিসাবে লেখাটি পর্যালোচনা করছি।

আমাদের আত্মসম্মান ও লজ্জাবোধ কতটুকু?
আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও সম্মানিত মানুষের জন্য জব স্যাটিসফ্যাকশন খুবই গুরুত্বপূর্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পৃথিবীর যে কোনো দেশেই অতি মর্যাদা ও সম্মানের। কিন্তু শিক্ষকরা বিদেশে পার-টাইম কর্ম করতে গিয়ে অনেক সময়ই তাঁদের মর্যাদা ধুলোয় মিশিয়ে দেন। অনেক শিক্ষককে অর্থের লোভে আত্মসম্মান ও লজ্জাবোধ ছুড়ে ফেলে নিম্ন শ্রেণীর কাজ ও জীবিকা গ্রহণে কুরুচি দেখে স্তম্ভিত হতে হয়। জনাব মকসুদ লিখেছেন ‘তাঁদের (শিক্ষকদের) কোনো রেস্তোরাঁয় কিচেনে বসে তরকারি কুটতে, পেঁয়াজের খোসা ছাড়াতে, রাস্তায় গাড়ি মুছতে, কোনো বদমেজাজি বুড়ির বাগানের ঘাস সাফ করতে, কোনো সাহেবের ঘোড়ার ঘাস কাটতে, সপ্তায় ৫ বাড়িতে ৫ দিন গিয়ে কাপড় ইস্তিরি করতে, কোনো নিঃসঙ্গ বুড়ির ৪/৫টি কুকুরকে সকালে-বিকেলে পায়খানা করিয়ে হাওয়া খাইয়ে আনতে, কোনো ডিপার্টমেন্ট স্টোরে লরি থেকে মাল নামিয়ে ট্রলিতে করে ঠেলতে’ অরুচি নেই। এই যদি সম্মানিত শিক্ষকদের রুচি হয় তবে জাতীয় রুচি ও মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।

যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ায় গর্ববোধ করে, নিজেকে অ্যারিসটোক্র্যাট বা এলিট সোসাইটির সদস্য ফলায় অথচ গভীর রাতে অন্ধকারে হকার সেজে বাড়ি বাড়ি পত্রিকা দিতে, কুলি হয়ে ট্রাক লোড/আনলোড করতে, কোনো জিমে/স্টেডিয়ামে কিনারের কাজ বা চেয়ার-টেবিল গোজগাছ করতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে তাদের জাতিশ্রেণী বা পারিবারিক বড়াই বেমানান। এই বিষয়ে কলামিস্ট জনাব মকসুদ এর সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। অবশ্য এই মর্যাদাহানী আত্মঘাতী অপকর্মে শুধু যে শিক্ষক আছে তা কিন্তু নয়, আছে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং বিসিএস ক্যাডার। এমনকি জনগণের কাছে ব্যাম্বু দণ্ডের প্রতীক হিসাবে পরিচিত ধবল ও শুভ্র গোত্রের ম্যাজিষ্ট্রেট-পুলিশও। অনেকেই বলতে পারেন কোনো কাজই ছোট না। আমিও তাদের সাথে একমত। একজন প্রফেসর বা প্রকৌশলী তার নিজের গাড়ি নিজে চালানোতে মোটেও দোষ নাই কিন্তু তাঁদের দ্বারা ট্যাক্সি চালানো এক ধরনের অপচয়। অপকর্মও। অবসরে নিজের বাগানের ঘাস নিজে পরিস্কার করে ফুলগাছে পানি দেওয়া গেলেও অন্যের বাগানে মালীর চাকরি করা যায় না। যারা বিদেশে উল্লেখিত কাজগুলো করেন তারা কিন্তু নিজ দেশে গেলে তা গোপন করবেন। যে কর্মের কথা অন্যকে বলা যায় না তাই এক ধরনের অপকর্ম। এই লুকোচুরির মধ্যেই বিচ্যুতি ও অবিচারের গন্ধ। মানুষের কর্মমতা যদি সীমাহীন না হয়ে থাকে তাহলে রাত জেগে আয়মূখ্য বাড়তি কর্মযজ্ঞের তিকর প্রভাব দিনের প্রধান দায়িত্ব-কর্তব্যকে কোনো না কোনো ভাবে তিগ্রস্থ করবেই। তাই শিক্ষক বা অন্যান্য সম্মানজনক দায়িত্বশীল পদে কর্মরত (দেশে বা বিদেশে) মানুষের আত্মসম্মান ও লজ্জাবোধ যথার্থভাবে জাগ্রত হবে সেটাই দেশবাসীর কাম্য।

মেধা না টাকা চাই?
বাংলাদেশ দুই ধরনের সম্পদ হারিয়েছে। প্রথমত মহামূল্যবান মেধা-সৃষ্টিশীলতা এবং দ্বিতীয়ত সামান্য কিছু টাকা। শুধু এক/দেড় কোটি টাকা নয় বরং আরও শত কোটি টাকা খরচ করেও যদি মেধা প্রাচার বন্ধ করা যেত, মেধা ফেরত আনা যেত তাতেই দেশ ও জাতির মঙ্গল হত। অথচ জনাব মকসুদ তাঁর লেখায় কেবল টাকা ফেরত পাওয়াকেই গুরুত্ব দিয়েছেন যা খুবই ক্ষীণচিন্তার বহিপ্রকাশ। এমনকি টাকার জন্য তাঁদের উদ্দেশ্যে ঘৃণা প্রস্তাবও করেছেন। যত কম টাকাই হোক না কেনো তা ফেরত না দেওয়াটা অবশ্যই অন্যায় কিন্তু টাকা পেলেই কি দেশ তার তি কাটিয়ে উঠতে পারবে? না। একটি দেশের জন্য এক/দেড় কোটি টাকা কোনো বড় অর্থ নয়। অথচ ১৩৯ জন মেধাবী সুশিক্ষিত মানুষ দেশের জন্য অনেক বড় সম্পদ। আপনি যদি সরকারকে মেধা ফেরত আনা, মেধা প্রাচার বন্ধ করা এবং মেধা সংরক্ষণ ও পরিচর্চা করার সঠিক দিক নির্দেশনা দিতেন তাতে দেশ-জাতি উপকৃত হত। কিন্তু আপনি যা করেছেন তা যেন চোখ হারিয়ে চশমা ফেরত পাওয়ার সান্তনা। আপনার মত এত বড় মাপের লেখকের কাছে আমাদের আশা আরও অনেক বেশি ছিল। হাজারো সম্ভাবনা আর চাকচিক্য নিরাপদ বিলাস বহুল জীবনের নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও যারা অহি-নকুল সমস্যা জর্জরিত বাংলাদেশে ফিরে আসে তাঁদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা আছে কিন্তু যারা ফিরতে চায় না তাঁদের প্রতি অভিযোগ নয় অভিমান থাকতে পারে।

তাঁরা ফিরবে কেন?
ড. মু. শহীদুল্লাহ, স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, ড. মু. কুদরাত-এ খুদা, আচার্য্য প্রফুল্ল রায় প্রমূখরা বিদেশে ডিগ্রী করে ক্ষণকাল বিলম্ব না করে স্বদেশে স্বপদে ফিরেছেন। কারণ, বর্তমান বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডকে নিয়ে তখনও স্বপ্ন দেখার প্রোপট ও সুযোগ ছিল। সম্ভাব্য ভবিষ্যতের স্বপ্নচারী হয়েই তাই তাঁরা দেশে ফিরেছিলেন। কিন্তু যে বাংলাদেশে রাজনৈতিক নিপীড়ন, অর্থনৈতিক শোষণ, মুমূর্ষু মানবাধিকার, অনিশ্চিত ভবিষ্যত, নির্মম মৃত্যু, নিরাপত্তাহীন জীবন, শৃঙ্খলাহীন প্রশাসন, বিধ্বস্ত অবকাঠামো, দুঃস্থ মানুষের আহাজারি, অরতি শিক্ষাঙ্গন, মেধার অবমুল্যায়ন, বখাটেদের দৌরাত্ম্য, মিথ্যা-গলাবাজির প্রাচুর্যতা সহ হাজারো অন্যায়-অপকর্ম রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয়ে লালিত পালিত সে দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা যায় না। যে দেশে ১৫ মামলার আসামী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ৪ মামলাধারী সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ভেঙ্গচি কেটে ভৎসনা করতে লজ্জাবোধ করেনা, যে দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যাঞ্চেলরকে রাজনৈতিক পাতি নেতার ইশারায় চলতে হয়, ভিসির সাথে সাক্ষাত করতে একজন প্রফেসরকে ২/৩ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হলেও সামান্য ওয়ার্ড কমিশনাররা কোনো পূর্বানুমতি ছাড়াই বীরদর্পে আসা যাওয়া করে, যে দেশে শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও সৃজনশীলতার পরিবর্তে আত্মীয় বা দলীয় সমর্থনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, যে দেশে রাজনীতির গুণ্ডারা তাদের ভাই-ভাতিজা-ভাগ্নের রোল নম্বর লেখা কাগজ ধরিয়ে প্রফেসরদের শাসিয়ে যেতে পারে সে দেশে ফিরবে কেন? পুলিশ, বিজিবি বা আর্মিতে তাদের ঊর্ধ্বতনকে সম্বোধন করার অফিসিয়াল টার্ম/ভাষা আছে। বিসিএস কর্মকর্তারাও তাঁর সিনিয়রকে নির্দিষ্ট শব্দ প্রয়োগে ডাকে অথচ সর্বোচ্চ শিক্ষিত ও পদাধিকারী একজন প্রফেসর/শিক্ষককে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লার্ক (সেকশন অফিসার) বা কর্মচারীরা ভাই/চাচা বলে সম্বোধন করে সে দেশে ফিরবে কেন? যে দেশে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, টিভি, মোবাইল কোম্পানি, ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল ও বাস মালিকরা রমরমা ব্যবসা নিয়ে তরতর করে এগিয়ে চলছে অথচ দেশ ও জনগণের সম্পদ গরীব মেধাবী ছাত্রদের আশ্রয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় মতাসীনদের দাপটে ধ্বংস প্রায়, বিটিভি আজও বাইচস্কোপের যুগে, বিটিটিবি-বিটিআরসি অবৈধ ভিওআইপি কানেকশনে বিনাশময়, ব্যাংক বেসামাল, পাবলিক হাসপাতালে যন্ত্রপাতি-ঔষধ চুরি সহ বেসরকারী হাসপাতালে রোগী প্রেরণের কেন্দ্র। যে দেশে ৫০ সিটের বাস কোনো সময়ই ১৫০ জন যাত্রী ছাড়া চলেনা সেখানে বিআটিসি লুটপাটে লোকসান গুণে সে দেশে ফিরবে কেন?

রং বদলানোর স্বপ্ন
স্বদেশে ফিরে আসার কাঙ্খিত স্বপ্ন নিয়েই প্রত্যেক বিদেশগামী ভিনদেশে পাড়ি জমায়। বিদেশ বিভুঁইয়ে অতঃপর তারা নিজেকে, নিজের দেশকে এমনকি আমাদের আচার-আচরণকে অন্যের সাথে তুলনা করতে শেখে। তাতে আমাদের হীনতা, দীনতা, নষ্টামি, ভ্রষ্টামি তথা সীমাহীন অবয়-অধঃপতনই ধরা পড়ে। সবুজ রং এর পাসপোর্টটি অসহনীয় বিড়ম্বনা ও গ্লানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সভ্য সমাজে পদে পদে নিজেকে অসভ্য-বর্বর সমাজের উপাদান মনে হয়। সেই উপো থেকেই মনের গহীনে জন্ম নেয় রং বদলানোর স্বপ্ন। সেই স্বপ্নে স্বেচ্ছাচারিতা নেই বরং স্বাধীনতা আছে। প্রতিটি মানুষ/জীব তার নিরাপত্তার জন্য স্বাচ্ছন্দের পরিবেশে যেতে চায়। তাতে কোনো অন্যায় দেখি না। তাঁদের না ফেরার বিপক্ষে রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা নাই, আইনও নাই। বরং আছে শাসক শ্রেণীর সীমাহীন অজ্ঞতা, অদূরদর্শিতা আর ব্যর্থতা। যে মানুষ বিদেশে অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে কাজ করতে পারে সে দেশে গিয়ে অচল অকেজো হয়ে যায়। এটা চলার দোষ নয়, চালকের দোষ। সুতরাং যোগ্য চালক ও কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ পেলে স্বদেশে ফেরার হার বাড়বে। সেই কাঙ্খিত সুদিনের অপেক্ষায় আছে অনেকেই।

লেখকঃ ফুকুওকা, জাপান থেকে- শিক্ষক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, রা.বি.।
E-mail: imtiaz269@yahoo.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/DrAhmedImtiaj
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
সুইডেন থেকে রিঙ্কু লিখেছেন, ২৩ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৫:২৭
হা.হা.হা....ওসব মান ইজ্জত কবে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। তবুও রিমাইনডার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
70370
London থেকে Nilkontho লিখেছেন, ২৩ অক্টোবর ২০১১; রাত ১১:২০
Bitter Truth!! we have experienced these feelings. Thanks for writing about our emptiness. we need morality to uplift the nation.
70412
বঙ্গদেশ থেকে বঙ্গসন্তান লিখেছেন, ২৪ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৭:৫৫
বঙ্গবীরদের শীর উচু করতে চাই টাকা। তা সেটা যেভাবেই আসুক না কেন? ডলারে টাকার হিসাবটা বড়ই প্রেরণাদায়ক। ইয়েনের মান আরো ঊর্ধ্বমূখী। ইজ্জত বিকিয়েও যদি এই সুযোগে কিছুটা ......। সমস্যা হলো মাথা ওয়ালারা মাথার কাজ না করে হাত-পা-শরীরের কাজ করলে মাথা ক্রমেই ছোট হবে। হাত-পা-শরীরটা স্থূল হবে। ঊচু হয়ে অনবরত গাছের পাতা খাওয়ার কারণে জিরাফের গলাটা যেমন হয়েছে আর কি!!!!
70435
রেঙ্গুন থেকে ফেলুনাথ লিখেছেন, ২৪ অক্টোবর ২০১১; সকাল ১১:২২
আমাদের হীনতা, দীনতা, নষ্টামি, ভ্রষ্টামি তথা সীমাহীন অবয়-অধঃপতনই ধরা পড়ে - খাটি কথা. বিদেশে উচ্চ শিখ্যা নিতে এসে যারা অন্যের পারিবারিক কলহের কারণ, সুপ্ত বাসনা পূর্ণ না হওয়ায়া পর নারীর চরিত্র হননে নোংরা ভাবে লিপ্ত, আর যাই হোক তাদের মুখে এইসব নীতিকথা মানায়না.
70448
নেদারল্যান্ড থেকে গিয়াস আল মাহমুদ লিখেছেন, ২৪ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৪:৪৬
ইমতিয়াজ ভাই সব খানেই একই অবস্থা। আমি সৈয়দ আ. মকসুদের লেখাও পড়েছি। এসব বলে বা লিখে লাভ নাই। উপলদ্ধি করার সামর্থ ও সদিচ্ছা থাকতে হবে। আপনি নিজেও শিক্ষক অথচ স্বগোত্রের সমালোচনা করছেন। দেখবেন একটা গ্রুপ এটাকে নরমাল ভাবে নিতে পারবে না। তারা আপনার পরিবার, রাজনীতি, ধর্ম, চাকরি সব জায়গায় ওঁৎ পেতে থাকবে। যাইহোক, সুভকামনা রইল।
70470
ঢাকা থেকে নাজনীন সুমা লিখেছেন, ২৪ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৪:৪৮
যে মানুষ বিদেশে অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে কাজ করতে পারে সে দেশে গিয়ে অচল অকেজো হয়ে যায়। এটা চলার দোষ নয়, চালকের দোষ। সুতরাং যোগ্য চালক ও কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ পেলে স্বদেশে ফেরার হার বাড়বে। সেই কাঙ্খিত সুদিনের অপেক্ষায় আছে অনেকেই. . . . এক্সাক্টলি।
70471
ঢাবি থেকে শিপন লিখেছেন, ২৪ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৫:২১
আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও সম্মানিত মানুষের জন্য জব স্যাটিসফ্যাকশন খুবই গুরুত্বপূর্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা পৃথিবীর যে কোনো দেশেই অতি মর্যাদা ও সম্মানের। কিন্তু শিক্ষকরা বিদেশে পার-টাইম কর্ম করতে গিয়ে অনেক সময়ই তাঁদের মর্যাদা ধুলোয় মিশিয়ে দেন। অনেক শিক্ষককে অর্থের লোভে আত্মসম্মান ও লজ্জাবোধ ছুড়ে ফেলে নিম্ন শ্রেণীর কাজ ও জীবিকা গ্রহণে কুরুচি দেখে স্তম্ভিত হতে হয়। জনাব মকসুদ লিখেছেন ‘তাঁদের (শিক্ষকদের) কোনো রেস্তোরাঁয় কিচেনে বসে তরকারি কুটতে, পেঁয়াজের খোসা ছাড়াতে, রাস্তায় গাড়ি মুছতে, কোনো বদমেজাজি বুড়ির বাগানের ঘাস সাফ করতে, কোনো সাহেবের ঘোড়ার ঘাস কাটতে, সপ্তায় ৫ বাড়িতে ৫ দিন গিয়ে কাপড় ইস্তিরি করতে, কোনো নিঃসঙ্গ বুড়ির ৪/৫টি কুকুরকে সকালে-বিকেলে পায়খানা করিয়ে হাওয়া খাইয়ে আনতে, কোনো ডিপার্টমেন্ট স্টোরে লরি থেকে মাল নামিয়ে ট্রলিতে করে ঠেলতে’ অরুচি নেই। এই যদি সম্মানিত শিক্ষকদের রুচি হয় তবে জাতীয় রুচি ও মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য
70475
Chittagong থেকে Parvez Elahi Lemon লিখেছেন, ২৬ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৭:১০
Dear Writer
This is an important issue to point out about our teacher's community. There are a few teachers are still very much sincere about their duty and profession. But, most of them are very greedy to present their activity. Even it was beyond of my belief that our respected teachers are doing very bad work while abroad. I learnt a lot from you and mr. Maksud's article. I feel seriously shame. I don’t know how I can respect them when meet....Thanks both of you for your contribution to update us.
70580
দুবাই, A A intertional school থেকে হেফাজত লিখেছেন, ২৬ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০১:৫৪
ধন্যবাদ, সুন্দর উপস্থাপনার জন্য। এটাই বাস্তব.............
70612
১০
Toronto, Canada থেকে Zaman লিখেছেন, ২৭ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৬:৩৫
Dear Writer,
It is an important issue, However, I personally donot see any problem when a teacher have to do any odd job while studying in abroad. It is possible that the scholarship money is not enough for them to run family. Besides, in abroad, especially in the west, it is very common that students work as a taxi driver or any other work to maintain their living. Nothing is wrong with this. I know couple of Bangladeshi University teachers were doing their PhD in Canada without having good scholarship, therefore, working odd job were necessary for them.
In fact, we need to change out mentality toward work while studying.
70663
১১
Fukuoka, Japan. থেকে Abu Sayed লিখেছেন, ২৭ অক্টোবর ২০১১; সকাল ১০:০৯
Dear Imtiaz Sir,
Assalamuwalikum...
After hearing from one of my friend, I red through whole of your writing. It seems very nice and interesting... topic too to me. I think you have thought a lot about Bangladesh and Bangladeshi in abroad. So,I can^t but to say something about it.

My comment is that, ^prestiage^ or ^personality^ is not an ordinary thing as like water or potato sales in the super market, it must be attain after passing a sucessive step of test, experiment or struggle in any one^s life. You or any one can^t change it by such a simple writing or comment.
But, you should be show up your persionality/ prestiage by your performance. is n^t it ???
Anyway, I congratulate your positive thinking about Bangladesh and bangladeshi. Good luck...
Abu Sayed.
Fukuoka, Japan.
70672
১২
জাপান থেকে আহমেদ ইমতিয়াজ লিখেছেন, ২৭ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ১২:৩৯
প্রিয় পাঠক
আমি আমার লেখায় কাউকে আঘাত করতে চাইনি। বরং একজন বরেণ্য কলামিস্টের লেখার পর্যালোচনা/সমালোচনা করেছি মাত্র। কিন্তু এই লেখাটি কিছুটা বিতর্ক তৈরী করেছে। তাই আমার অবস্থানের প্েয আরো কিছু যুক্তি তুলে ধরছি।

১. পড়ালেখা-গবেষণার স্বার্থে বিকল্প বা পার-টাইম কাজ আর মূল দায়িত্বে ফাঁকি দিয়ে শুধু টাকার জন্য অতিরিক্ত কর্ম এক কথা নয়। যে কারো কাজের পিছনে যদি যথার্থ যুক্তি তথা সেল্ফ কিয়ারেন্স থাকে তবে কেউ তাকে অন্য ভাবে নেওয়ার কথা না। সুতরাং কেনো বাড়তি কাজের প্রয়োজন তার ল্য-উদ্দেশ্য দেখতে হবে।
২. শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ফিল্ডে দ জনশক্তি তৈরীর জন্যই বাংলাদেশ সরকার একজন শিক/কর্মকর্তাকে শিাছুটি দেয়। বিদেশে থাকলেও অন্তত ৪/৫ বছর দেশে সে পূর্ণ বেতন পেতে থাকে। অধিকাংশ েেত্র বিদেশে ওই দেশের সরকারও তাকে স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে স্কলারশিপ/ফেলোশিপ দেয় যা তার চলার জন্য যথেষ্ট। সুতরাং একজন শিক যখন প্রফেশনাল কাজের বাহিরে টাকার জন্য অন্য কাজ করে তখন যে কারণে নিজ দেশ তাকে পাঠিয়েছে সেটা ব্যহত হয় এবং স্কলারশিপ/ফেলোশিপ দাতা দেশের উদ্দেশ্যও ভীষণ ভাবে ূন্ন হয়।
৩. একজন রাষ্ট্রপতি সাধারনত তার পূর্বের কর্মস্থলে ফিরতে পারে না। এমনকি মন্ত্রীপরিষদ সচিব হলেও না। কিন্তু শিকতায় ফেরা যায়। ভারতের রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালাম তার উদাহরণ। কারন, শিকতা একটি মহান পেশা। শিক সেজে এই মহান পেশার মর্যাদা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা অনুচিত বলেই মনে করি।
৪. অনেকে বলছেন শিকরা বিদেশে কিছু বাড়তি টাকা আয় করতে পারলে সেটাতো দেশেরই উপকার। না। নিজ দেশ বা বিদেশ কোনো দেশেরই এমন উদ্দেশ্য নাই। টাকা আয়ের চিন্তা থেকেই বিচ্যুতি জন্ম নিবে। সময়পেণ, দায়িত্বে অবহেলা, আরো টাকা আয়ের নেশা, অকাজে প্রাণশক্তি য় সহ নানা সমস্যা হতে পারে। বরং ওই মেধা, প্রাণশক্তি ও সময় আসল কাজে ব্যয় করলে কাঙ্খিত ফল পাওয়ার সম্ভবনা বেশি। অর্থাৎ যার যে কাজ তাকে সেটাই করতে হবে। একজন ইঞ্জিনিয়ার বা ডাক্তার আরো ভালো ইঞ্জিনিয়ার ও ডাক্তার হয়ে ফিরবে সেটাই মূল উদ্দেশ্য।

ইঞ্জিনিয়ারের কাজ ডাক্তার কিংবা ডাক্তারের কাজ ইঞ্জিনিয়ার করবে তা যেমন মোটেও কাম্য নয়। তেমন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক শেয়ার ব্যবসা করবে কিংবা মুদি বা জুতার দোকান দিয়ে বসবে তার ভবিষতও কিন্তু ভালো না।

সবাইকে ধন্যবাদ।
70685
১৩
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ লিখেছেন, ২৭ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০১:৫৬
ধন্যবাদ মনের কথাগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে বলার জন্যে.
ভাল থাকবেন, খুব ভালো
70695
১৪
কোরিয়া থেকে তাহের লিখেছেন, ২৮ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০১:০৪
আমাদের দেশের অনেকই আছেন যারা বিদেশে অনেক ভালো কিছু করছেন তাদের সাথে কথা বলে দেখেছি তারা দেশে কাজ করতে চান না। তারা বলেন দেশে কাজ করার ভালো পরিবেশ নাই। আমিও এ ব্যাপারে তাদের সাথে একমত। যেমন- একজন বললেন একটা ক্যামিকেলের অরডার (order) দিয়া ৬ মাসে ও পাননি। এমন হাজার ও সমস্যা। আমি মনে করি এই সকল সমস্যা সমাধান করতে শুধু সকারের একার পক্ষে সম্ভব না আমাদের ব্যক্তি মানষিকতার পরিবর্তন করতে হবে, সমস্যা সমাধান করতে সকলকে একত্রে কাজ করতে হবে।
70771
১৫
সৌদিআরব (বাতহা) থেকে সানাউল হক্ লিখেছেন, ২৮ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০১:৫৬
দেশদ্রোহী বাংলাদেশীদের শত্রু কুখ্যাত ডাকাতদের থেকে সাবধান...!!!!!

(২২
রিয়াদ, সৌদিআরব থেকে মোহাম্মদ আলী লিখেছেন, ২৭ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০১:০৮
রিয়াদে কয়েকটি ফ্যামিলি বাসায় ডাকাতির অন্যতম আসামী কুখ্যাত ডাকাত নাম-মোহাম্মদ শামীম(জানা গিয়েছে সে দেশের বাড়িতে তার ব্যাক্তিগত তিনতলা বাড়ী করেছে) ,জগন্নাথপুর গ্রাম, মৌলভীবাজার (সংগ্রহকৃত তথ্য মোতাবেক মৌলভীবাজার শহর ও আশপাশে তাদের কয়েক কোটি টাকার জায়গা সম্পত্তি রয়েছে এবং তার দুই ভাই সাজন ও জাহাঙ্গীর রিয়াদে বর্তমানে এসি ম্যাকানিকস ও সরেজমিনে তথ্য নিয়ে দেখেছি তাদের বার্ষিক ইনকাম দুই ভাইয়ের কমপক্ষে ১ লক্ষ রিয়াল। তাদের ভাই বিখ্যাত ডাকাত শামীম সৌদি সিআইডি পুলিশ কাষ্টডিতে দেয়া তথ্য মোতাবেক বাংলাদেশে আউটপাসে পলাতক নারায়ণগঞ্জের শাহীন ডাকাত গ্রুপের বিখ্যাত ডাকাত এবং যার সাথে আমি সংগ্রহকৃত টেলিফোনে কনটাক্ট করতে সক্ষম হয়েছি। শামীমের দেয়া তথ্য মোতাবেক ডাকাতির সাথে জড়িত ও আউটপাস নিয়ে সৌদিআরব থেকে পলাতক "খলিল" জানা যায় সিলেট সুনামগঞ্জের পাগলা বাজার মসজিদের পশ্চিমে ব্রাম্মনগাওঁ বড়বাড়ী। এছাড়া আরো অনেকে। এই গং ডাকাতরা প্রবাসে বাংলাদেশীদের মান সম্মান তথা বাংলাদেশ সরকারের ভাবমুর্তি মাটির সাথে ধুলিস্যাত করে দিয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের দেয়া লোমহর্ষক আরোও অনেক ডাকাতি কাহিনীর আলামত জবানব্ন্দী থেকে বুঝা যায় ৮ জন বাংলাদেশীর শির:চ্ছেদ সৌদি সরকারের সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।
কিছু সংখ্যক বাংলাদেশীর দিবালোকে ডাকাতির মাত্রারিক্ত সাহস সৌদি হুকুমাকে হতবাক করে দিয়েছে।
প্রিয় পাঠক আপনারাই বলুন সৌদিআরবে বা পৃথিবীর যে কোন দেশের সরকারের জন্য "ল' এন্ড অর্ডার" বলতে যা বুঝায়, তার বিরুদ্ধে কি ধরণের চ্যালেঞ্জ হতে পারে?????!!!!!!
আমাদের যতটুকু জানা বাংলাদেশেও ডাকাতি হয়, দিনের বেলায় ঘরের মালিককে ধ্বাক্কা দিয়ে ঘরে ঢুকে ডাকাতরা ডাকাতি করে কি-না সন্দেহ হয়...!!
আমরা আশা করছি বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা শুধু দেশ থেকে আসা মন্ত্রী মহোদয়দের ফাইভষ্টার হোটেলে ফেয়ারওয়েল নিয়ে ব্যস্ত না থেকে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় সঠিক পদক্ষেপ বা ভূমিকা নেবেন।)

সৌদি প্রবাসী গৃহীনীরা খুবই সতর্ক থাকবেন..! কারণ বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের দাম বাড়াতে ঐ ডাকাতদের লালস্ হয়ে গেছে এই ধাতু বর্তমানে হটকেক্। এবং সৌদিতে যে কোন ঘরে ডুকলেই ৩০/৪০ ভরি স্বর্ণ মিনিমাম পাওয়া যাবে। শোনা যাচ্ছে এই সমস্ত ডাকাতদের ভদ্রবেশী কিছু গড্ফাদার রয়েছে, যারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার জন্য ডাকাতদের বিপদে-আপদে তাদের বাঁচিয়ে রাখে।
70773
১৬
কুয়ালালামপু থেকে মো: মিলটন লিখেছেন, ২৮ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০২:৪৯
বেশ সুন্দর লেখা- ধন্যবাদ লেখককে। যেই দেশে ভাল কাজের সিকৃতি নেই আর মন্দ কাজের তিরস্কার নেই, যেখানে অনিয়মই যেন নিয়ম- সেই দেশে ভদ্র লোকেরা যেতে চাইবে না, এটাই স্বাভাবিক। সবকিছুকে (যেমন মেধা, শিক্ষা, যোগ্যতা) টাকার হিসেবে বিচার করা উচিত নয়। তবে হ্যা, মি: মকসুদ নিশ্চই এটা বলতে পারেন যে- "সংশ্লিস্ট শিক্ষক বা আমলা বা যেকোন সরকারী কর্মকর্তা বিদেশ থেকে ফিরে আসলে তারপরেই কেবল তার বেতনাদি তুলতে পারবেন আর ফেরত না আসলে তা তুলতে পারবেন না।" তবে আমি বেশ কিছু ভদ্র লোককে চিনি যারা বিদেশ থেকে পিএইচডি করে দেশে এসে কর্মস্থলে (বিশ্ববিদ্যালয় নয়) যোগ দিলেন। কিন্ত আমরা এতোটাই সভ্য (পড়ুন অসভ্য) যে এইসব মেধাবী অফিসারদেরকে উটতে-বসতে-প্রমোশনে সর্বক্ষেত্রে এমনভাবে অপমান করতে দেখলাম যে তারা অভিমান করে দেশ ছেড়ে চলে গেলেন। এবং এভাবে অপমান করাটাই এ দেশের রীতি। তাই জনাব মকসুদ কে বলবো সমালোচনা করার আগে ভাল কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করুন।

এবার টাকার হিসাব করি। ধরলাম একজন লোক দেশ থেকে ২০ লাখ টাকা নিয়ে তা আর সরাসরি সরকারী কোষাগারে জমা দিল না। কিন্তু এই লোকটি বেশ কয়েক উপায়ে পরোক্ষভাবে ২০ কেটি টাকা দেশকে দিচেছ- ১. রেমিট্যানস, ২. পরিবারের সদস্যদেরকে বিদেশে সেটেল করাতে দেশের জনসংখ্যার চাপ কমিয়ে মানব সম্পদে পরিণত করছে, ৩. দেশের শূন্য পদে নতুন লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে, ৪. বিদেশে এই লোকগুলো বিনা পয়সায় এম্বাসেডার (আনঅফিসিয়ালী) হিসাবে কাজ করছে।

তাই আসুন সবাই মিলে দেশে ভাল কাজ কারার পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করি।
70776
১৭
টোকিও থেকে তানভীর লিখেছেন, ০২ নভেম্বর ২০১১; দুপুর ০১:৫৮
ইঞ্জিনিয়ারের কাজ ডাক্তার কিংবা ডাক্তারের কাজ ইঞ্জিনিয়ার করবে তা যেমন মোটেও কাম্য নয়। তেমন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেয়ার ব্যবসা করবে কিংবা মুদি/জুতার দোকান দিয়ে বসবে তার ভবিষ্যতও কিন্তু ভালো না.........ভবিষ্যতের ভবিষ্যত খুব খারাপ।
71096
১৮
Fukuoka, Japan থেকে Nadif লিখেছেন, ০৪ নভেম্বর ২০১১; সকাল ০৮:৫২
লেখক ইমতিয়াজ ভাই আপনার কাছে নিচের প্রশ্ন গুলি রইল-
১। আমরা জানি আপনার ওয়াইফ একজন শিক্ষক এবং উনি জাপানে একটি ফ্যাকটরি তে বিভিননর কাজের সাথে টয়ইলেট ক্লিনিং ও করেন, এবং আপনি নিজে উনাকে আনা নেওয়া করেন। মনে হই এটা আপনার কাছে বেটার জব হিসাবে বিবেচিত? অব্শ্য ওয়াইফ মান সন্মান গেলে আপনার তো কিছু যাই আশেনা!!!!!!!!!!
২। আপনি ফুকুওকা একটা বিবাহিত মেয়ের শম্মধে যে কুরুচিপুনন মন্থব্য আপনার বিশিসট লেখনির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন, তা তুলে ধরার মত রুচি আমার নাই। অবশ্য আপনি অবলিলায় এটা অশিকার করে চলেছেন, তাও ধন্যবাদ যে আপনি নিজের লোকেদের কাছে ভুল শিকার করেছেন। আর কত মিথ্যার আছ্রয় নিবেন লেকক ভাই
৩। আপনি দ়কোরিয়া এবং জাপানে গবেষনার নামে যে অপোকরমো গুলি করে বেরাছেন তার ফিরিস্তি আর দিতে চাই না, আমার শুধু কামনা মানুস কে এবং সব জবকে শ্রদধা করতে শিখেন আর নিজেকে নিজের আইনায় দেখেন আপনি কি ধররেন মানুষ, আপনি কি উরোত্ত লেখাটির জন্য নিজেকে যোগ্য মনে করেন?
71197
১৯
Fukuoka থেকে Afsar লিখেছেন, ০৭ নভেম্বর ২০১১; সকাল ০৭:১৪
ভাই নাদিফ আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সত্য কথা গুলি তুলে ধরার জন্য, ফুকুওকা আমরা সোবাই উনার আসল রুপটা দেখেছি। একজন মিথুক এবং ভনড মানুস কিভাবে সমাজে ইন্তেল্লুচতুয়াল মানুস হিসাবে নিজেকে দাবি করে আমি বুঝিনা। আসুন আমরা এই ভন্দ মানুসতার আসল রুপ্টা সবাইকে জানাই।আমরা এই লেখক কে ঘ্ৃনা করি, আসাকরি সম্পাদক সাহেক আসল সত্যটা বুঝবেন/জানবেন। পাঠক ফুকুওকা যে কেউকে আস্ক করলেই আপনারা সব সত্য জানতে পারবেন।
71353
২০
বাংলাদেশ থেকে সাবেক ফুকুওকাবাসী লিখেছেন, ০৯ নভেম্বর ২০১১; সকাল ০৯:২৮
ইমতিয়াজ ভাই
আপনার সাথে আমার পরিচয় নাই। ক'দিন আগে ফুকুওকা থেকে এক সেনিয়র বন্ধু ফোন করেছিল। তার কাছে কিছু বিষয় শুনে আপনার লেখাটা পড়লাম। মন্তব্যগুলোও দেখেছি। মনে হচ্ছে আপনার অনেক শত্রু তৈরী হয়েছে সেখানে। বিশেষ করে দিন মুজুর শ্রমিক শ্রেণিরা খুব মারমুখি। ওরা সব পারে। আমি নিজেও এক সময় ভিকটিম ছিলাম। তারা প্রতি রাতে পেপার দিতে গিয়ে এবং স্টেডিয়ামের কােজর ফাঁকে একত্র হয়; মন্ত্র আঁটে, কুমতলব করে, কুকথা রটায়। অপকর্ম করে। অথচ বললেই ওদের রক্ত মাথায় ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এই কাজ করে। এমনকি কাজটা যেন হাত ছাড়া না হয় তার জন্য লেবার সর্দারকে চোখ বন্ধ করে তেল মারে, জুতা-স্যান্ডেল-ব্যাগ বহন করে, ড্রিেক্সর বতল আগায় দেয়। হায়রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক!!!

লেখাটার বিষয় ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যারা বিদেশে গিয়ে কুরুচিরপূর্ণ কাজ করে। অথচ ওরা আপনার ভাই, চাচা,মামা, কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না। যাইহোক, ইমতিয়াজ ভাই! প্লিজ বি কেয়ারফ্ুল। মনে রাখবেন কুকুরকে পা দিয়ে লাথি মারাটা অন্যায়। কারণ, তাতে পায়ে কামড় দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আপনাকে একটা ই-মেইল করেছি। আমার পরিচয়টা সেখানে বিস্তারিত দিয়েছি।
71429
২১
ফুকুওকা থেকে বামগোত্র লিখেছেন, ১৫ নভেম্বর ২০১১; সকাল ০৯:১৯
হায়রে খবর!
ফুকুওকায় দুই গ্রুপ। ডান আর বাম। আমরা নাকি বাম। তারা (ক্ষমতাসীনরা) ডান। তথাকথিত ডানের প্রধান defensive voice হলো মিস্টার ইমতিয়াজ। এবার ডানে ডানে লাইগ্যা গেছে। ভালই লাগতাছে। আমরা কিচ্ছু জানতাম না।
71721
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
লেখক পরিচিতি

ড. আহমেদ ইমতিয়াজ, সহকারী অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচের ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন।
http://www.linkedin.com/profile/view?id=75824140&trk=tab_pro
http://www.aimtiajbd.webs.com/

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy