রবিবার, ২৩ মাঘ ১৪১৯; ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০৯:৪৭ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
ক্ষমতার যুদ্ধ স্থগিত রাখুন (৩১/০১/২০১২)
ষড়যন্ত্র রুখতে হবে (২৩/০১/২০১২)
রাষ্ট্রপতির কি কিছুই করার নেই! (১৩/০১/২০১২)
অনেক বেশি দেওয়ার কথা ছিল (৩০/১২/২০১১)
গওহর রিজভীর লেখা হতাশ করেছে (২০/১২/২০১১)
যে বিচার করতেই হবে (১৬/১২/২০১১)
টিপাইমুখ: সরকারের ভূমিকা উদ্বেগজনক (২১/১১/২০১১)
এসব প্রশ্নের জবাব কোথায় (১১/১১/২০১১)
আইভীর জয়, মানুষের জয় (৩১/১০/২০১১)
কে জিতবেন, কে হারবেন? (৩০/১০/২০১১)
দাতা হাতেম তায়ি (২২/১০/২০১১)
‘চোর-বাটপারদের’ সঙ্গেই বসুন (৩০/০৯/২০১১)
হরতাল সমস্যা নয়, সমাধানও নয় (২৩/০৯/২০১১)
তিস্তা চুক্তি: বাংলাদেশ কী পাচ্ছে? (০৪/০৯/২০১১)
ব্যর্থ মন্ত্রীদের অপসারণ কেন জরুরি (২৭/০৮/২০১১)
কেন কাঁদি আমি! (১৮/০৮/২০১১)
দুই নেত্রী: বিরোধের শেষ কোথায় (০৬/০৮/২০১১)
নৃশংস খুনির পক্ষ নিয়েছে রাষ্ট্র (!) (২৭/০৭/২০১১)
পঞ্চদশ সংশোধনী: অগণতান্ত্রিক এবং বিপজ্জনক (০৮/০৭/২০১১)
দেশপ্রেমের হরতাল (০৪/০৭/২০১১)
তাঁরা কোথায় যাবেন? (২৪/০৬/২০১১)
বিএনপি: এগোনোর পথ সহজ নয় (১০/০৬/২০১১)
র‌্যাব: বিতর্ক ও কুতর্ক (২৮/০৫/২০১১)
আমরা কোথায় যাচ্ছি? (২৮/০৫/২০১১)
আমিনীর জয় (!) হোক (১০/০৫/২০১১)
বিশেষজ্ঞ নই, তবু মতামত দিচ্ছি (২২/০৪/২০১১)
আসুন, সভ্য হই! (১১/০৪/২০১১)
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিতর্ক (০২/০৪/২০১১)
তাহের, জিয়া এবং আমরা (১৮/০৩/২০১১)
টার্গেট যখন ড. ইউনূস (০৪/০৩/২০১১)
আগের লেখা
1903


ক্ষমতার যুদ্ধ স্থগিত রাখুন

ড. আসিফ নজরুল

হঠাৎ করেই দেশের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিএনপির গণমিছিল কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরে পুলিশের গুলিতে চারজন মারা গেছেন। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আবদুল মান্নান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল

৩০ জানুয়ারি বিএনপির গণমিছিল শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছে আওয়ামী লীগও। এটি যেমন আমাদের স্বস্তি দিয়েছে, তেমনি জোরালো করেছে কিছু প্রশ্নও। সত্যিই কি নাশকতার কোনো আশঙ্কা ছিল ২৯ জানুয়ারির কর্মসূচিতে, যদি ছিলই তাহলে ৩০ তারিখে কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে হলো গণমিছিল? আশঙ্কা যদি নাই ছিল তাহলে কেন পুলিশ হঠাৎ করে ২৯ জানুয়ারি গণমিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল চারটি বড় বিভাগীয় শহরে? আরও যা প্রশ্ন, কেনইবা একই ধরনের কর্মসূচি পালনে বাধা দিতে গিয়ে আগের দিন দেশের অন্যান্য অঞ্চলে গুলি বর্ষণ করল পুলিশ?

২৯ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে (চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরে) প্রাণ হারিয়েছেন চারজন মানুষ, আহত হয়েছেন চার শতাধিক। তাঁরা বিএনপির কর্মী হতে পারেন, নাও হতে পারেন। মূল বিষয় হচ্ছে, পুলিশ এদিন গুলি চালিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বে গণমিছিলের মতো একটি গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনকালে। কর্মসূচি পালনকালে নাশকতা দূরে থাক, বড় ধরনের সহিংসতা হয়েছে, এমন কোনো খবরও ৩০ জানুয়ারির পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। সরকারের পুলিশ তাহলে মাত্রাতিরিক্ত মারমুখী আর নির্মম হয়ে উঠল কেন?

সরকারের এ আচরণ কিছুটা আকস্মিক, তবে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। মাত্র পাঁচ দিন আগে মাহী বি. চৌধুরীর ব্লু ব্যান্ড কল নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের কর্মসূচি লাঠিপেটা করে পন্ড করে দেওয়া হয়। সিপিবিকে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি নির্ধারিত স্থানে। বিএনপির ক্ষেত্রে সরকারের কঠোরতা ছিল আরও খোলামেলা। কর্মসূচির আগের তিন-চার দিন সরকারের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত কিছু মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী নানাভাবে জানিয়ে দেন বিএনপিকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ পূর্বঘোষিত বিএনপির গণমিছিলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেয় ২৯ জানুয়ারি, পুলিশি নিষেধাজ্ঞার কারণে বিএনপি চার বিভাগীয় শহরের গণমিছিল একদিন পিছিয়ে ৩০ জানুয়ারিতে নিয়ে গেলে সেদিনও প্রায় একই স্থান ও সময়ে আবারও কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। ২৯ তারিখে ঘটে গুলিবর্ষণের ঘটনা!

সার্বিকভাবে সরকারের আচরণ ছিল উসকানিমূলক ও দমনমূলক। এর আগে বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ডেও উসকানি ছিল। ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের ডাক, ডিসেম্বরের কিছু কর্মসূচিতে সহিংসতা, খালেদা জিয়া কর্তৃক সেনাবাহিনীতে গুমের অভিযোগ এবং কিছু সেনাসদস্য কর্তৃক সেনা অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা—এসব ঘটনা সরকারের জন্য অবশ্যই উদ্বেগজনক ছিল। কিন্তু সরকারকে মনে রাখতে হবে কোনো আশঙ্কা বা উদ্বেগ থাকলে এর প্রতিকারও আছে সরকারের কাছে। গোয়েন্দা, পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে আশঙ্কামূলক তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সে অনুসারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা, অধিকার ও সুযোগ সরকারের রয়েছে। জনগণের কাছে নাশকতা বা যড়যন্ত্রের কোনো বিশ্বাসযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পেশ না করে বিরোধী দলের এ ধরনের কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করার অধিকার সরকারের নেই। বিশেষ করে ২৯ জানুয়ারি পুলিশ যে নৃশংসতা দেখিয়েছে তা সমর্থন করার মতো কোনো পরিস্থিতি অকুস্থলগুলোতে ছিল না।

সরকারের কাছে আমাদের দাবি থাকবে ২৯ জানুয়ারির ঘটনায় সরকারের ভেতরের কোনো হঠকারী গোষ্ঠীর ভূমিকা ছিল কি না তা খুঁজে বের করা এবং এ ধরনের গোষ্ঠীর প্রাধান্য প্রতিহত করা। ২৯ জানুয়ারি পুলিশ কর্তৃক ডিসপ্রপোরশনেট (অ-সমানুপাতিক) শক্তিপ্রয়োগের যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা।

সরকারের কাছে আবেদন থাকবে তারা কোনো কারণে অতিরিক্ত নার্ভাসনেসে ভুগছে কি না তা খতিয়ে দেখার। জানুয়ারির পর পুরো ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা থাকার কারণে বিএনপির তেমন কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। ফলে ২৯ জানুয়ারি নির্বিঘ্নভাবে কর্মসূচি পালন করতে দিলেও বিএনপি তার শক্তি বা ব্যাপ্তি ফেব্রুয়ারিতে অব্যাহত রাখতে পারত না, সরকারের জন্য বড় কোনো সমস্যাও তৈরি করতে পারত না। ২৯ জানুয়ারি কর্মসূচি প্রতিহত করতে গিয়ে তাহলে সাধারণ মানুষকে হত্যার কলঙ্ক গ্রহণ করার কী প্রয়োজন ছিল সরকারের? মার্চে বিএনপির বড় কর্মসূচি আছে। এ রকম বৃহৎ কর্মসূচি আওয়ামী লীগও গত আমলে পালন করেছে, তাতে সরকারের পতন ঘটে যায়নি, এবারও ঘটবে এমন ভেবে ব্যতিব্যস্ত হওয়ার তেমন কোনো কারণ ঘটেনি।

সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের আসল বিরোধ ক্ষমতা নিয়ে। বিএনপি বদ্ধমূলভাবে বিশ্বাস করে যে আগামী সংসদ নির্বাচনে কারচুপি করার উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় রাজি হচ্ছে না। একই বিশ্বাস থেকে ১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলন করেছিল আওয়ামী লীগ। সেটি যদি যৌক্তিক হয়ে থাকে তাহলে নিয়মতান্ত্রিক পথে গণ-আন্দোলন করার এবং এর মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে চাপ সৃষ্টির অধিকার বর্তমান বিরোধী দলগুলোরও রয়েছে। গণ-আন্দোলনের পাশাপাশি বা এর আড়ালে যদি কোনো যড়যন্ত্রের চেষ্টা করা হয় সেটি প্রতিহত করার বৈধতা অবশ্যই সরকারের রয়েছে। কিন্তু তাই বলে গণ-আন্দোলনের বিকাশকে শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করার কোনো অধিকার সরকারের নেই।

ভালো হয় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতার আগাম যুদ্ধ স্থগিত রাখে। ভালো হয় যদি অন্তত আগামী শীত পর্যন্ত মামলা, হামলা ও ভয়ভীতির মাধ্যমে বিএনপিকে খর্ব ও দুর্বল করার চেষ্টা বন্ধ থাকে, সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আন্দোলনের চেষ্টাও স্থগিত থাকে। মোকাবিলাই যদি অনিবার্য হয়ে পড়ে তাহলে দুই দলের উচিত উপযুক্ত সময়ে জনসমর্থনের জোরে নিয়মতান্ত্রিক পথে তা করা। তবে তার আগে অবশ্যই তাদের কর্তব্য হলো সংসদ ও প্রয়োজনে সংসদের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।
আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
[সূত্র : প্রথম আলো-৩১/০১/১২]
http://www.sonarbangladesh.com/articles/DrAsifNazrul
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
ঢাকা থেকে দেশপ্রেমিক লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; সকাল ০৯:০৭
আসিফ নজরুল----এত সামান্য ধমকের বরফের মত ঠান্ডা হয়ে গেলেন......আপনারা যে , আসলেই কেমন মানুষ, সেটা আবার প্রমান করলেন......আপনাদের স্বভাব হচ্ছে.......একটু ভাব নেয়ার চেষ্টায় সমালোচনা করেন.....কিন্তু ধমক দিলে আবার চুপ..............সত্যিই সেলুকাস...........কি বিচিত্র আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবী শ্রেনী...........আপনাদের জন্য.....
77596
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; সকাল ১০:৪৮
আসিফ স্যার
আমি আমার ছেলে ময়েদের আমার প্রানের থেকে বেশি ভলোবাসি কিনা জানিনা কিন্ত ভালোবাসি. কিন্ত কোনো গলদ করিলে ছাড় দি নাই. মাঝে মধ্যে আমার ছেলে আর মেয়েরা মনেকরে মা সৌতালা হই বাপ কেমন করে হই? কিন্ত হটাত দেখিলাম আমার ছেলে মায়েদের মধ্যে আমূল পরিবর্তন তাহারা মানে আমার ছেলে মেয়েরা আমার সমলোচনা করিতেচেনা. কারণ জানিলাম তাহারা বিয়ে সাদী করার পর নিজের সন্তান হওযার পর বুজিতে পারিতেছে ছেলেমেয়ের মায়া লোক দেখনু হওয়া উচিত নয় তাহাদের শাসন করিলে তাহাদের সামনের রাস্তা কুশুমাস্তিন্ন হই. আপনি সরকারের সমালোচনা করেন , অনেকে করে কিন্ত আমার জানা মতে আপনি দেশের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে . আর আপনার এই দেশের পক্ষকে অনেকেই মনে করে আপনি সরকারের বিপক্ষে রাজাকার হইয়া গিয়াছেন. আর রাজাকারেরা মনে করিতেছে আপনি সরকারের দালালি করিতেছেন. দুইপক্ষয় যাহার সমালোচনা করে সেই নিরেপেক্ষ. আপনি নিরেপেক্ষই আছেন. আপনার ঘরে আগুন কিন্ত সরকার দিয়াছে তাহ কোনো ক্রমেই বিশ্বাস যোগ্য নয়. সরকারের নাম নিয়া অন্য জনেও করিতে পারে. আপনি যেই ভাবে আছেন সেই ভাবেই চলিয়া যান. এইটাই কামনা.
77609
'বিদেশ হইতে' থেকে পরদেশি লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:০৩
' বিএনপি বদ্ধমূলভাবে বিশ্বাস করে যে আগামী সংসদ নির্বাচনে কারচুপি করার উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় রাজি হচ্ছে না।' -
আপনার বিশ্বাস কি সেটা বোঝা হলো না জনাব।
77614
ওল্ড টাউন থেকে ঢাকাইয়া লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:২২
ক্ষমতার যুদ্ধ স্থগিত রাখলে লাভ কার?
বিএনপি না আওয়ামীলীগের?
জনতার লাভ ক্ষতি যারা কেয়ার করেনা,
নিজেগো ক্ষতি মাইনা আপনের অনুরোধ/উপদেশ অরা মাইনা লইবো এইটা আপনে আশা করেন ক্যামনে? আমার তো মনে লয় অরা আপনেরেই উল্টা 'স্থগিত' হইতে কইবো!
77616
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে মোহাম্মদ নোমান লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; দুপুর ০১:৫৯
জনাব আসিফ সাহেব, আপনি যাহা বলার চেষ্টা করিলেন তাহা না বলিলেও চলিত কারণ সরকারের এইসব কান্ড রাখাল ছেলেরাও বুঝে, জনগন আওয়ামী লীগের চরিত্র সম্পর্কে অবগত আছে। চারদলীয় জোঠের রোডমার্চ আবার এরশাদ সাহেবের রোডমার্চের নাটক, আমরা এখন এরশাদ সাহেবের গনমিছিল কবে অনুষ্টিত হচ্ছে তার অপেক্ষায় আছি।

একদিকে যুদ্ধাপরাধের বিচার আবার যারা যুদ্ধাপরাধের বিচার করতেছে তাদেরই সভা সমাবেশ, হাঁস্যকর মানববন্ধন। ট্রাইবুন্যাল বলেছে এইটি ডোমেষ্টিক ট্রাইবুন্যাল আর মিডিয়া ও সরকারের মন্ত্রীরা বলছে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুন্যাল (এরা ডোমেষ্টিক ও ইন্টারন্যাশনালের অর্থ বুঝেনা?)। বিচারালয় বলছে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার হচ্ছে আর সরকার বলছে যুদ্ধাপরাধের বিচার ও ঠেকাতে প্রাণপন চেষ্টা হচ্ছে (আসলে কিশের বিচার হচ্ছে?)। অপরাধীর বিরোদ্ধে হাজার হাজার পৃষ্টার দলীল দস্তাবেজ হাজির করেছে তদন্ত কমিশন আর সাক্ষী হইল চোর বাটপার, দন্ডপ্রাপ্ত ও দাগী আসামীরা আবার সেই সময়ে কারও কারও বয়স ১১/১২ বছর (আসল ঘটনা কি?)। যদি এইটি সরকারী নাটক হয়, বিচারালয় যদি মঞ্চ হয়, আর ওখানে যারা আছেন তারা যদি নায়ক নায়ীকা হয় তাহলে আমরা সরকারকে নাটক করার জন্য টেক্স দিই না। এই নাটকে ব্যয়কৃত হাজার হাজার কোটি টাকার হিসাব দিতে হবে।

সীমান্তে ভারতীরা পাখীর মত নিরহ বাংলাদেশী হত্যা করতেছে আর সরকারের প্রভাশালী নেতা, মন্ত্রী (ইংলেন্ডের পাস পোর্টধারী বাংলাদেশী -------বর) বলছে এইসব ছোটখাট বিষয়ে রাষ্ট্র চিন্তিত নয় (রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র নায়ক কেন? কার জন্য?)। যারা যুদ্ধ করেছে তারা মুক্তিযুদ্ধা নয় (পাকিস্তানের চর) আর যারা কোলকাতায় সূন্দরী নিয়ে মত্ত ছিল তারা আজ দেশপ্রেমী মুক্তিযুদ্ধা। এই রকম হাজারও বিষয় রয়েছে, এইসব নিয়ে কথা না বলে যেইসব বিষয় (রোডমার্চ-গনমিছিল) রাখাল ছেলেরাও বুঝে তাহা নিয়ে সময় নষ্ট করার কারণ বুঝিনা। আসলে কি এক ধাক্কায় সাইজ হয়ে গেছেন?
77624
বাহরাইন থেকে মো:নুর লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:০৯
আমার মনে হয় এ দুই নেত্রী বিশ্ব কেয়ামত নিয়ে আসতেছেন। কানরণ দেশের যে অবস্থা দেখলে চুখ বন্দ্ব হয়ে যায় । নবীর হাদীসের কথা মনে পড়ে , যে দেশে নারী নেত্রীত্ব দিবে সে দেশ ধংশ

মাওলা আমাদের কে বাচাও ।
77655
:-t আটলান্টিক থেকে আঁতেল লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:২৪
77656
কানাডা থেকে সাদাদুল লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; রাত ০৮:৩৮
জোরে কাশতে না পারলে প্লিজ মেউ মেউ করবেন না। এতে আপনার ভিরুতা প্রকাশ পায়। আপনি কিন্তু লেখার মাধ্যমে "তেল মারা ফালতু" হয়ে যাচ্ছেন।
77658
Canada থেকে bipul লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; রাত ০৯:২২
Mr. Asif, if you are so scared of your life, why you are writing political column!? Just stop doing that and be safe! But its shameful to see how scared you are and how you have changed your way of writing. Its much better not to write than be a Coward!
77662
১০
লন্ডন থেকে মোঃ আবু সুফিয়ান মিয়া লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; রাত ০৯:৪১
জনাব এইসব লিখে দুই কুল রক্ষা করার চেস্টা অনর্থক। গ্রামের মানুষেরা বলে পাছা দিয়ে পাহাড় ঠেলতে গেলে নিজেই স্থানচুত্য হয় , সরকারে এখন সেই অবস্থা , তারা নিজেরাই নিজেদের তৈরি ফান্দে পড়িয়াছে। আমার মনে হয় ভারতের সাহায্যে হয়তো মেয়াদ পূর্ণ করতেও পারে কিন্তু আগামি নির্বাচনে খবর আছে । যারা অন্ধ আওয়ামী লিগ করেন তাদের বলি অপেক্ষা করেন দেখতে পাইবেন সময় হলে ।
77664
১১
ফেনী থেকে জুনাইদ লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১২; রাত ১১:৫২
আসিফ নজরুল ১৯৯২সালে ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সদস্য সচিব ২০১২সালে নিজের বিরুদ্ধে রাজাকারের অভিযোগ , এখন মুখে হক কথা
77671
১২
aposPerth, Australia থেকে Soyeb Rahman লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৬:৪৮
Asif Nzrul Sir,
A coward dies many times and a hero dies only once. After reading your article it gives me feeling that you have died once already. In your second life you are sent to apease BAL. That's fine. It's your choice who you apease. However, reaquest to you. Please don't try to kill the truth if you don't have the courage to tell truth.
77683
১৩
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১১:২৩
Dear writer,
With due respect, your observation-----সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের আসল বিরোধ ক্ষমতা নিয়ে।----is lacking clarity and very superficial and will create confusion among the readers regarding neutrality. No doubt to rule the nation administrative power is needed. Besides that, does current crisis between ruling power and opposition indicates any struggle for power? I do not think, creating public awareness against tyrant ruler does not prove opposition party is fighting for power. We have to keep in our mind good governance means solving the crisis with truth and justice. Not with Logi Boytha rather patience and tolerance. How opposition will struggle for power when Mamla hamla is coming from our ruling power on opposition parties from every direction. Opposition parties are in a defensive position. How you are putting them in an offensive position. Please do justice to your honesty. Honestly speaking current national crisis is created by ruling power not by defensive parties. My sincere observation all the parties in our country has lost their credibility to rule the nation.. Now people do not have any choice but to go either with BAL or BNP. So they have decided to go with the lesser evil party until some thing new emerged. I am convinced people wanted to get rid of our current ruling power and they do not care who is coming next. So far we never witnessed good relationship except enmity between BAL and BNP.. Because BAL never accepted BNP as a legitimate party because of their arrogance and ignorance. BAL thinks only they have they privilege to rule the nation. Dear writer, why you do not see BAL mentality is the greatest obstacle for our national unity? After 30 years if BAL thinks they can ignore BNP popularity (what ever may be) than they are dreaming. BAL has to stop hating BNP and has to recognize BNP. For your information ---American Ambassador said ---(চলমান সঙ্কট ও বিরোধ নিরসনে রাজনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই : চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট এবং প্রধান দুই দলের বিরোধ নিরসনের জন্য আবারও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা)--- Question to you sir, this massage for whom? For our ruler or opposition parties? I see Ambassador remarks is for our ruler. Now if you and our ruler does not do get it then I am sorry. বিএনপি বদ্ধমূলভাবে বিশ্বাস করে যে আগামী সংসদ নির্বাচনে কারচুপি করার উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় রাজি হচ্ছে না। --- Sir not only BNP, whole nation including foreigners believe under this regime election will not be free and fair and CTG is a national and international demand. Why you have connected this demand with BNP only? একই বিশ্বাস থেকে ১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গণ-আন্দোলন করেছিল আওয়ামী লীগ। সেটি যদি যৌক্তিক হয়ে থাকে তাহলে নিয়মতান্ত্রিক পথে গণ-আন্দোলন করার এবং এর মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে চাপ সৃষ্টির অধিকার বর্তমান বিরোধী দলগুলোরও রয়েছে। --- It does not matter in 1996 what BAL did against BNP. Matter is for national interest and to solve national crisis decision can be changed based on national consensus. ----গণ-আন্দোলনের পাশাপাশি বা এর আড়ালে যদি কোনো যড়যন্ত্রের চেষ্টা করা হয় সেটি প্রতিহত করার বৈধতা অবশ্যই সরকারের রয়েছে। কিন্তু তাই বলে গণ-আন্দোলনের বিকাশকে শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করার কোনো অধিকার সরকারের নেই। -- Any kind of conspiracy against nation it is not only the responsibility of the government to defuse rather it is our national obligation. Question comes, who will define which one is conspiracy, which one is false flag, which one is to divert the attention of the people from real issue and which one is BDR like incident to destroy our minimum security apparatus? Dear writer, I do not see any power struggle but I do see clear public awareness. May be in the method of public awareness opposition party is making some mistakes but do not forget enemy will always try their best to pollute healthy atmosphere. So I am requesting you to come up with a solution so that you do not see any more power struggle. Thank you.
77696
১৪
mohammadpur, Dhaka থেকে JEWEL লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:২০
Sir,
We could understand, you have lost your voice. Either you are influenced by Prothom Alo or by the incident that Chatra League done recently with you.
If it happened any of the two, we can say " we have lost our voice. You have lost sovinarity of your consciousness as DU teacher.
Again our appeal be our Asif Najrul Sir, but not Prothom Alo's Asif Najrul sir. Please chose one of it.
77698
১৫
ঢাকা থেকে মিন্টু লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:০৫
আমি বুঝলাম না ডঃ আসিফ নজরুল এমন কি খারাপ কথা লিখেছেন যার দরুন তাঁর এই লেখাটি প্রায় ৬০ জনের ভাল লাগেনি। তা ছাড়া কমেন্টও অনেকেই লিখেছেন আজে বাজে।
77706
১৬
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে মোহাম্মদ নোমান লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:০১
১৫ সং কমেন্ট মিঃ মিন্টুকে বলছি।
আসিফ সাহেব ভাল উপদেশ দিয়েছেন। আপনি হয়ত লক্ষ্য করেন নাই যে আমাদের বামপন্থী দলগুলি তাদের নিতি আদর্শের ক্ষেত্রে অতুলনীয়। তাদের কথাবর্তায় দেশ ও মানব প্রেমের বিষয়ে যতটুকুও প্রকাশ পায় তাহা অন্যন্যদের ক্ষেত্রে বিরল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হইল আমাদের এইসব সম্মানিত নেতারা নির্বাচনের মাধ্যম ইউনিয় পরিষদের চেয়াম্যানও হইতে পারেনা, সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বর্তমান এমপি বাদল, ইনু, মিনুকে জিজ্ঞাসা করুন (সম্মানিত এই নেতারা এমপি নন, নৌকার যাত্রী হয়েছেন)। তারা এতা ভাল কাথা বলেন অথচ জনগন তাদেরকে গ্রহন করে না। তার একমাত্র কারণ হইল "মূল" অর্থাৎ দলীয় দর্শন। মানুষ নেতাকে সম্মান করে বটে কিন্তু নেতার দলের দর্শন বাংলাদেশের সমাজে কোনো ভাবেই গ্রহন যোগ্য নয়। -------- ঠিক একই রকম জনাব আসিফ সাহেব সর্বদা ভাল কথা বলেন বটে কিন্তু দেখা যায় কথার মধ্যেই তার আসল পরিচয়টা বাহির হয়ে আসে। আসিফ সাহেব হলেন আন্ডারগ্রাইন্ড বামপন্থী। টক'শো নিয়মিত শুনিলে হয়ত জানেন তিনি একবার বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যারয়ে সেরা ছাত্র যারা আছে সবাই ব্মপন্থী এরা প্রচুর পড়াশুনা করে এবং আদর্শের মধ্যে থাকে, এরা ছাত্রলীগ ছাত্রদল কিংবা ছাত্র শিবিরের মত নয়। সাথে এইও বলেছেন ছাত্রলীগ ছাত্রদল এরা নেতা মন্ত্রী হইলেও রাষ্ট্র পরিচালনায় বামপন্থীরাই গুরুত্ব পূর্ণ দায়ীত্বে রয়েছে অর্থাৎ প্রশাসন তাদের দখলে। এইটি ছিল আসিফ সাহেবের অহংকার এবং বামপন্থীর জন্য উৎসাহ ও পরামর্শ। অর্থাৎ তোমরা কখনও নির্বাচন করে ক্ষমতায় যাইতে পারবেনা বটে কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালার মূল ক্ষমতা মূলত তোমাদের হাতে। আশাকরি বুঝাতে পেরছি।
77719
১৭
Koroitola থেকে Kolpona লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১২:৫৭
Dear Asif,
You better omit rather than commit.
77737
১৮
Rehar Char, Bangladesh থেকে Vulumunsi10 লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:৪৮
দু'চারটা গণমিছিল দিয়ে একনায়ক বা স্বৈরতন্ত্রের পতন ঘটানো গেলেও নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো যায় না, যাবে না_ এ সত্যটি বিরোধী দলেরও জানা আছে। এ সত্য জেনেও বিরোধী দল যে দুটি কারণে রাজপথ উত্তপ্ত করে চলেছে; অস্থির করে তুলেছে দেশের রাজনীতি, তা আজ আর কারও অজানা নয়। এক. যেহেতু তারা প্রায় বিনা কারণে সংসদ বর্জন করে চলেছে; অতএব দল ও দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখতে (ইস্যুবিহীন) রাজপথই একমাত্র ভরসা এবং দুই. কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে রোডমার্চের নামে 'গাড়িমার্চ' আর এ ধরনের গণমিছিল ছাড়া বিকল্প কোনো উপায় না থাকা.
77775
১৯
কমলাপুর থেকে টোকাই লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৩৯
৭১রে রাজাকারদের অধিকাংশই ছিল BALএর, একই অবস্তা বর্তমানেও তাই সেই রাজাকারদের মতই ভারতীয় হানাদার বাহিনীর সাফাই গাইছে। BAL সব সময় স্বাধিনতা বিরোধী।
77784
২০
DHAKA থেকে M.U.AHMED লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১০:৫৩
SO ALL OF COMMENTS IT INDICATES YOU SHOULD KEEP YOUR OWN IDOLOGY UNIFORMELY
77793
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
আসিফ নজরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজ থেকে আন্তর্জাতিক নদী আইনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। জার্মানির এনভায়রনমেন্টাল ল সেন্টার থেকে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আইনে ফেলোশিপ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক। আন্তর্জাতিক নদী আইন বিষয়ে তিনি এডিবি, আইইউসিএন, ইউএনডিপিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy