লেখাটি শুরু করতে চাই আওয়ামী সরকারের উন্নয়নের মুখপাত্র দৈনিক জনকণ্ঠের একটি প্রতিবেদন দিয়ে। প্রতিবেদনটি শুরু হয়েছে এভাবে ‘ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ। শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা বন্ধে কর্তৃপক্ষ, দল এমনকি সংগঠনটির কেন্দ্র থেকে বার বার কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিলেও তা কাজে আসছে না। কোনভাবেই থামছে না ছাত্রলীগ। তাদের কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পর কিছুদিন শান্ত থাকলেও নতুন বছরে শুরু থেকেই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা রীতিমত বেসামাল হয়ে পড়েছে। গত দু‘দিনে জামায়াতের প্রতিক্রিয়াশীল সংগঠন ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষ ছাড়াও প্রতিটি ক্ষেত্রেই হত্যা, সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে নিজেরাই। কেবল গত ১৫ দিনেই ৯টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ হয়েছে। নিহত হয়েছেন একজন এবং আহত শতাধিক।....
(বিভাষ বাড়ৈ, জনকণ্ঠ, ১৩.০১.২০১২) জনকণ্ঠ পত্রিকার ০৩ জানুয়ারি‘১২ তারিখের খবরে জানা যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে ছাত্র লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সেলিম ও নয়ন নামের দুই ছাত্র লীগ কর্মী আহত হয়। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উপস্থিতিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি পিস্তল উদ্ধার এবং এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাহ আমানত হলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়েছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য একটি ঘটনায় ছাত্রলীগের এক গ্রুপ অপর গ্রুপের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদকব্যবসা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। তারা তাদের গ্রেফতার ও শাস্তিও দাবি করেছ। একই দিনের পত্রিকায় প্রকাশ বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৬ ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠানে সিনিয়র ছাত্রকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করার অপরাধে ছাত্রলীগের সুজিত সাহা ও সাইফুল্লাহ শিকদার মিঠুনকে বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অন্যদিকে সাধারণ ছাত্রদের টাকায় ছাত্রলীগ পরিবেশিত খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও সাধারণ ছাত্রদের পিটিয়ে আহত করেছে। চুয়াডাঙ্গার দামুরহুদায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে কয়েকজন ছাত্রদল কর্মী আহত করেছে। এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর ছাত্রলীগের আক্রমণ চালানোর খবরতো আছেই।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত জনকণ্ঠ পত্রিকায় একই দিনের রিপোর্টে উল্লিখিত সংবাদসমুহ প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া ছাত্রলীগের অনেক অপকর্ম পর্দার অন্তরালেই থেকেই গেছে। এর পর দিন অর্থাৎ ০৪ জানুযারি তারিখে ছাত্রলীগের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী পালিত হয়। প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন করতে ছাত্রলীগ ২৯ স্থানে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে জনকণ্ঠসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। এতে পিরোজপুরে পুলিশসহ অনেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়। অধিকন্তু সাতক্ষীরায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা পলাশ প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন করেছে কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের মাধ্যমে মর্মে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানা যায়, সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বাষির্কী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হযে খুলনা থেকে আগত নৃত্যশিল্পীকে বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেছে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া ৫ জানুয়ারি তারিখে নাটোরে ডা. সুভাস চন্দ্র ভৌমিকের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা নেয়ার সময় জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুজ্জামান আশরাফ ও কর্মী প্রিন্স হাতেনাতে আটক হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে।
ছাত্রলীগের এমন সন্ত্রাস-অপকর্ম জানা সত্ত্বেও ৭ জানুয়ারি তারিখে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গণভবনে ডেকে এনে প্রতিষ্ঠাবাষির্কীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। এ অনুষ্ঠানে তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের শাসনের পরিবর্তে বিরোধীদলীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে বিষোধাগার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তীব্র বিরোধীতা করেছেন। অধিকন্তু বিরোধীদলীয় নেত্রীকে জেলে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। জানিনা প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে উৎসাহিত হয়ে নাকি অন্য কোন কারণে পরদিনই ছাত্রলীগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে প্রতিপক্ষের জুবায়ের নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়। আবার এর দুইদিন পরই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে প্রায় অর্ধশত শিবির নেতাকর্মীকে আহত এবং তাদের কম্পিউটারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র লুটপাট করে ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। এছাড়া তারা আগুণে জ্বালিয়ে দেয় ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের নামে বরাদ্দ করা প্রায় অর্ধশত রুম।
ছাত্রলীগের অভিযোগ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা তাদের মিছিলে আক্রমণ করেছে! তাদের এ অভিযোগ কতটা হাস্যকর ও ভিত্তিহীন তা অল্পজ্ঞান সম্পন্ন মানুষের বুঝতেও কষ্ট হয় না। কারণ সারা দেশে ছাত্রশিবিরের উপর সরকারের অঘোষিত নিষেধাজ্ঞার ফলে তারা একসাথে বসে চা খেলে কিংবা কোন ধরনের আলোচনা করলে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাদেরকে পিটিয়ে আহত করে জঙ্গি আখ্যা দিয়ে কিংবা নাশকতার অভিযোগে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগের মিছিলে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের হামলা করার অভিযোগ কোন সুস্থ মানুষ বিশ্বাস করতে পারে না। বর্তমান সময়ে ছাত্রলীগের মিছিলে হামলা করা আর সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে একদল রয়েল বেঙ্গল টাইগারের উপর কোন মানুষের হামলা করা সমান অস্বাভাবিক ও অলৌকিক ব্যাপার। অথচ জাতিকে সে অলৌকিকতাকেই বিশ্বাস করতে হচ্ছে বর্তমান সরকারের বাকশালী আচরণে। আর এ সুযোগে ছাত্রলীগ সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হত্যা-খুন-ধর্ষণ, চাঁদাবাজি-টেণ্ডারাজি-মাদকব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধকর্মে লিপ্ত হচ্ছে আরও উৎসাহী হয়ে। তাদের এ অপরাধকর্মের প্রতিবাদে বামপন্থী বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন একজোট হয়ে আন্দোলন করলেও সরকারি মদদে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-অপরাধ অব্যাহত আছে।
ছাত্রলীগের অব্যাহত অপকর্মের প্রতিবাদে সাধারণ ছাত্রদরে চাপে বাধ্য হয়ে ছাত্রদল কর্মসূচি দিয়েছে। ছাত্রলীগের এ বেপরোয়া সন্ত্রাস-অপরাধকর্ম দেশের সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সভাপতি এবং আওয়ামী ঘরনার বুদ্ধিজীবী সুলতানা কামাল এক প্রেস কনফারেন্সে ছাত্রলীগের অপকর্মের প্রতিবাদ করেছেন। জনকণ্ঠের মতো পত্রিকায় (১৩.০১.২০১২,বিভাষ বাড়ৈ) ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কুকর্মের কিছু ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রতিবেদনও প্রকশিত হয়েছে। শুধু তাই নয় ছাত্রলীগের অপকর্মে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে ছাত্রলীগের মদদ-পরামর্শদাতা বুদ্ধিজীবীরাও ছাত্রলীগের কুকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। ইতোপূর্বে তারা নেকাবে মুখ ঢেকে সমালোচনা করলেও এবার নেকাব খুলেই ছাত্রলীগের সমালোচনা করছেন। তাদেরই একজন অধ্যাপক মুনতাসির মামুন ১৫ জানুয়ারি‘১২ তারিখে জনকণ্ঠে এক নিবন্ধে সাম্প্রতিককালের ছাত্রলীগের নানা অপকর্মের সংক্ষিপ্ত খতিয়ান উল্লেখ করে মৃদু ভৎসনা করেছেন। পত্রিকায় তিনি যতটুকু ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রকৃতপক্ষে তার অন্তরের জ্বালা আরও বেশী। হয়তো লোক লজ্জা কিংবা তার সোনার (!) ছেলেদের ভয়ে পত্রিকায় তার অন্ত:ব্যথা প্রকাশ করতে পারেননি। ইতোপূর্বে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ, ওবায়দুল কাদের, মাহমুদুর রহমান মান্না বিভিন্ন আলোচনা সভায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী-অপরাধকর্মের সমালোচনা করলেও ছাত্রলীগ ও সরকার তা আমলে নেয়নি। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান ছাত্রলীগের বিভিন্ন কুকর্মের সমালোচনা করে প্রবন্ধ লিখলেও বর্তমানের ছাত্রলীগ তা ভালো মনে করেনি। এজন্য তারা তাদের সংশোধনের পরিবর্তে কুকর্মে আরও বেপরোয়া হয়েছে হয়েছে। ছাত্রলীগ এ ধারা অব্যাহত রাখলে সরকারের কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে মুনতাসির মামুনসহ আওয়ামী ঘরনার বুদ্ধিজীবীরা ইতোমধ্যেই আশংকা প্রকাশ করেছেন।
প্রকৃতপক্ষে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ছাত্রলীগ সন্ত্রাসে বেপরোয়া হয়ে উঠে। ২০০৮ সালের ২৮ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দিনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরকে মার-ধর করে বের করে দেয় ছাত্রলীগ। এর পর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা। এতে তাদের কয়েকজন দলীয় নেতা-কর্মীও নিহত হয়। সারা দেশের এমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাই যেখানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী তাণ্ডবলীলা চলে নাই। ছাত্রলীগের বেপরোয়া সন্ত্রাসে অতিষ্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাস্তির ভয় দেখিয়েছিলেন। কিন্তু এতেও তাদের সন্ত্রাস কমে নাই বরং এর সাথে নতুন করে যোগ হয় ভর্তি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি খুন-ধর্ষণ, মাদকব্যবসা ইত্যাদি। মেধাবীদের বাদ দিয়ে ছাত্রলীগের তালিকা অনূযায়ী ভর্তি করতে বাধ্য করা হয় দেশের নামী-দামী বিভিন্ন কলেজ প্রশাসনকে। ছাত্রলীগের এসব অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধের জন্য সরকার বারবার ঘোষণা দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয় নাই। বরং সরকারি মদদেই তাদের সন্ত্রাস বেড়ে যায় বহু গুণে। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্রলীগের এ অবস্থা এবং বিভাষ বাড়ৈ, মুনতাসীর মামুনদের হতাশা। অবশ্য এ হতাশা শুধু তাদেরই বাংলাদেশের সব মানুষের। তবে পার্থক্য হলো সাধারণ মানুষেরা বুঝেছে অনেক আগেই আর বিভাষ বাড়ৈ ও মুনতাসীর মামুনরা বুঝেছেন তিন বছর পরে।
সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-অপকর্মের মুলে রয়েছে সরকারি মদদ। সরকার ইচ্ছা করলে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী-অপরাধকর্ম নিয়ন্ত্রণ করা কোন ব্যাপারই না। যে সরকার ৪০ বছর পর কথিত যুদ্ধাপরাধের অপরাধে রাজনৈতিক হিংসার কারণে দেশের প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে আটকিয়ে রাখতে পারে সে সরকার ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না সাধারণ মানুষ তা মানতে চায় না। যে সরকারপ্রধান দেশের প্রায় সব মানুষের মতামত উপেক্ষা করে ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করতে পারে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তার অনিচ্ছায় কোন অপকর্ম করতে পারে বলে জনগণ বিশ্বাস করে না। অভিযোগ আছে সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এবং বিরোধীদলকে মোকাবিলা করতে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করছে। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস এবং ভারতঅনুগত সরকারকে দীর্ঘায়িত করতে ভারত কৌশলে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করছে বলে সচেতন মহলের ধারণা। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বিশ্বাস এ কৌশল যারই হোক দেশপ্রেমিক জনতা ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-অপকর্ম কোনভাবেই সহ্য করবে না।
লেখকঃ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও আহবায়ক, ডক্টরস এসোসিয়েশন অব নন-গবর্নমেন্ট টিচার্স (ড্যাঙ্গট)। ংড়নঁৎ১৯৭৮@ুধযড়ড়.পড়স প্রয়োজনেঃ ০১৭১২-১৮২২১১।
কুকুর এমন এক প্রাণী যা কামড়া কামড়িতে অভ্যস্ত। এবং স্বভাবগতভাবেই হিংস্র। হিংস্রতা এ প্রাণীটির চেষ্টাকৃত বা সাধনালব্ধ নয়। কিন্তু মানুষের হিংস্রতা বিভিন্ন স্বার্থের প্রয়োজনে চেষ্টাকৃত বা সাধনালব্ধ! তাই, মানুষ যখন হিংস্র হয় তখন কুকুরও লজ্জা পায়-পাশবিকতার রূপ দেখে। আর বর্তমান ছাত্রলীগের 'সোনার' ছাত্রদের পেশাদারিত্বের প্রথম ছবক- হিংস্রতার হাতেখড়ি হয় মন্ত্রীদের কাছে। আর নেত্রী তাদের রক্ষাকবচ!!
77066
২
মৌ. বাজার থেকে রহমান লিখেছেন,
২৩ জানুয়ারি ২০১২; রাত ১১:৪২
লেখায় ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডের যে খন্ড চিত্র তুলে ধরা হয়েছে তাতে শাবিপ্রবি'র ছাত্রলীগের নারকীয় তান্ডবের কিছু নমুনা তুলে ধরলে আরো ভাল হত!
77067
৩
ফেনী থেকে মোঃ আবুল কাশেম লিখেছেন,
২৫ জানুয়ারি ২০১২; সকাল ১১:১৬
ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা সোনার বাংলাদেশে এধরনের আচরন এটা কি আমাদের জন্য গর্ব নয়??
77192
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: