|
হঠাৎ কেন উত্থিত পরিমলরা
ডাঃ মুহিব্বুর রহমান রাফে |
|
পবিত্র হাদীসে সেসব ব্যক্তির জন্য চুড়ান্ত সফলতা বা জান্নাতের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে যে তার দুটি অঙ্গ এই নশ্বর পৃথিবীতে সামলে রাখবে, সেটি হচ্ছে তার জিহবা আর লজ্জাস্থান। বোঝাই যাচ্ছে পৃথিবীতে সংকট সৃষ্টি করার জন্য এই দুটো জিনিস ব্যাপক ভাবে দায়ী। জিহবা সামলে না রাখার জন্য সৃষ্টির আদি থেকেই পৃথিবীতে কত যে যুদ্ধ বিগ্রহ আর ধ্বংস লীলা চালানো হয়েছে, তার কোন ইয়ত্তা নেই। আযাযিলের অহমিকা বশত জিহবা সঞ্চালন তার পতনের কাল হয়েছিল। আমাদের দেশের কোন এক প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে তার প্রধান পরামর্শক আ·গা·চৌ বলেছিলেন,তার জিহবাটাই নাকি তার সবচেয়ে বড় শত্রু, ওটাকে তিনি যত সামলে রাখবেন, দেশ ও দলের জন্য ততই মঙ্গল। কারনও ছিল, আদালতেও সেই অঙ্গটির জন্য তাকে ‘মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ’ উপাধি পেতে হয়েছিল। যদিও তার কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা বা পরবর্তীতে উন্নতি আজ পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। তার দলের অবশ্য কম বেশি সর্বস্তরের নেতাদের এই অঙ্গটির স্বতঃ সঞ্চালন, তাদের জাতীয় চরিত্র। সুতরাং এ নিয়ে কিছু বলার নেই। বিশেষ অন্য অঙ্গটি সম্পর্কেও কিছু বলার নেই। পৃথিবীতে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকবার পরেও একটি বিশেষ কারনে মানুষ যে পরিমাণ ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয় করে, তা এককভাবে কোন অসুস্থতার জন্য বিক্রয় হয়না। এটির একমাত্র কারণ হচ্ছে ব্যাপকভাবে । তার দলের সাথে গাটছড়া বেধেছেন এমন একজন পঁচাশি বছরের সুপুরুষ সাবেক প্রেসিডেন্টও ক্ষমতায় থাকাকালীন ভিন্ন মাত্রায় সঞ্চালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ করে নিজেকে বিখ্যাত করেছিলেন। যদিও তার অব্যাহত সঞ্চালনের তথ্য তার সাবেক স্ত্রীর লেখা বইয়ে পাওয়া যায়।
বিকার গ্রস্থ সঞ্চালকদের পরিচালিত এই দেশে হঠাৎ করেই কেন যেন নব নব বাংলাদেশে হঠাৎ করে সঞ্চালকের আবির্ভাব ঘটেছে। বিশেষ লক্ষণীয় হচ্ছে তারা আবার সবাই একটি বিশেষ ধর্মের। সারা দেশ আলোড়িত করা ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের সম্মান ধুলায় লুটিয়ে, তাদের সন্দেহের বস্তুতে পরিণত করে পরিমল জয়ধরের ধিকৃত ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পরিমলের জ্ঞাতি ভাইয়েরা কেন যেন অরাজকতা সৃষ্টির জন্য খবরের শিরোনাম হতে চাইছেন? কেউ তার জিহবা আবার কেউবা নির্লজ্জতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে শান্তিপ্রিয় মানুষকে অশান্ত করে তুলছেন। অবশ্য ইতিহাস বলে বর্তমান সরকারে থাকা দলটি অনেক আগে থেকেই বিশেষ ধর্মের মানুষের আস্থাভাজন। তারা ক্ষমতায় এলেই কেন জানি আকাশে বাতাসে ধুপময় সুবাস অনুভূত হয়। এদেশের মুক্তিযুদ্ধে ঐ সম্প্রদায়ের লোকজনের অবদান ছিল খুবই নগন্য, নিজেদের জ্ঞাতি ভাইদের দেশে গিয়ে আত্মরক্ষাই ছিল শ্রেয়তর। স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাব প্রাপ্তদের তালিকায় নজর বুলালেই এটি ষ্পষ্ট হয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্ট বলে দাবী করলেও দলটির আজ্ঞাবহ ও বিশ্বস্ত মনে করে বিভিন্ন পদে তাদেরকেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন করা হয়। সকলেই জানেন পঞ্চদশ সংশোধনী বিল পাশের আগে সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও আল্লাহর নাম থাকবে কী থাকবে না, সে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে। বি বিচিত্র! পশ্চিমবঙ্গে এখনও মুসলমানরা শুধুমাত্র সরকারি স্ড়্গুলের চাকরি ছাড়া অন্য কোন ভাল সরকারি চাকরি পায় না। অপরদিকে আমাদের দেশে এক তৃতীয়াংশেরও বেশি সচিব নাকি বিশেষ ধর্মের। গত বছর রাজধানী ঢাকায় পদায়নকৃত ওসিদের প্রায় অর্ধেকই ছিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। পুলিশ, আর্মি, প্রশাসন, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়- কোথায় নেই মহা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা? দেশের সর্বোচ্চ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিএসএমএমইউর ভিসি থেকে শূরু করে বহু ডিপার্টমেন্ট এর প্রধান এখন বিশেষ সম্প্রদায়ের। কিছু দিন পূর্বে নিয়োগ প্রাপ্ত এসিস্টেন্ট প্রফেসর আর মেডিকেল অফিসারদের প্রায় অর্ধেকই একটি বিশেষ ধর্মের। এমনকী এমনও ঘটনা ঘটেছে কোন কোন বিভাগে নিয়োগ প্রাপ্তদের চারজনের তিনজনই ঐ সম্প্রদায়ের। সম্প্রতি ভিকারুন্নেসা স্ড়্গুলে বরুণচন্দ্র বর্মণ, বাবুল কর্মকার, প্রণব ঘোষ, বিশ্বজিৎ ও বিষনু চন্দ্র নামে যে আরও পাঁচজন পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, তারা সকলেই ছিলেন পরিমলের জ্ঞাতি ভাই। ব্যাপার খানা এমন যেন সারা দেশে হঠাৎ করেই কেন যেন অশিক্ষিত(?), ্লেচ্ছ(?), অজ্ঞাত কুলশীল(?), যবন(?) মুসলিমদের মধ্যে যোগ্য প্রার্থীর এমনই সংকট পড়েছে। যে প্রসঙ্গে কথা বলা, এবার সেটায় আসা যাক। তার আগে চলুন দেখি পরিমলদের কিছু কান্ড কীর্তি।
১· “চট্টগ্রামের সিটি কর্পোরেশনের জেনারেল মিটিং এ জানানো হয়েছে- চট্টগ্রামের কৃষ্ণকুমারী স্ড়্গুলে ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শিক্ষক সুমন কান্তি শীল নিজের বাসায় নিয়ে শ্লীলতাহানি করে। ওইদিন শিক্ষকের বাসায় তার পরিবারের কেউ ছিল না।
২· অপরদিকে চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ শৈলবালা স্ড়্গুলের ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রী কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেয়া অভিযোগে স্ড়্গুল শিক্ষক আশীষ বরণ রাহার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনেন। অভিযোগের পর এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে যৌন হয়রানির প্রমাণ পায় গঠিত কমিটি।
৩· এছাড়া ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার শহীদনগর স্ড়্গুলের সহকারী শিক্ষক প্রাণধীর দাশকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে স্ড়্গুলের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের।
৪· অন্যদিকে চট্টগ্রাম নগরীর নন্দনকানন অপর্নাচরণ স্ড়্গুলের রিটন মুৎসুদ্দির বিরুদ্ধে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ করেছে ছাত্রীর অভিভাবক।” (শীর্ষ নিউজ ডটকম/২৬ জুলাই ২০১১)
৫· টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দাড়িয়াপুর মেজর জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন কুমার সাহা (৬০) দীর্ঘদিন নানা ভয় ভীতি প্রদশন করেও অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের পর গর্ভধারন করার পর ৮ম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৩) কে নিয়া উধাও হয়ে ৫ দিন পর তাকে বিয়ে করে এলাকায় ফিরেছেন। ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওমর ফারুক জানায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর ছাত্রীদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে আসছিলো। এই ঘটনার জের ধরে বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী এবং এলাকাবাসী প্রতিবাদ ও মিছিল বের করলে প্রধান শিক্ষক রতন কুমার বাদী হয়ে বিভিন্ন সময় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে হয়রানী করেন।পরবর্তীতে মামলার ভয়ে প্রধান শিক্ষকের এই অপ্রীতিকর এইসব ঘটনায় কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস করতো না। এজন্য সে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
৬· তেজগাঁও সিভিল এভিয়েশন হাই স্ড়্গুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক রতন কুমার পাল ছাত্রী, শিক্ষিকা এবং মহিলা অভিভাবকদের যৌন হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ওই স্ড়্গুলের শিক্ষকরা। শিক্ষকরা জানান, অশালীন কথাবার্তার মাধ্যমে তিনি মেয়েদের উত্ত্যক্ত করেন। নানা অজুহাতে মেয়েদের গায়ে হাত দেয়ার কারণে এরই মধ্যে তাকে মেয়েদের শিফ্ট থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি মহিলা শিক্ষকদেরও নানাভাবে যৌন হয়রানি করেন। মহিলা শিক্ষকরা তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। অপর এক অভিযোগে বলা হয়েছে, রতন পাল বেশ কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গে কখনও কৌশলে বা জোরপূর্বক দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। কৌশলের মধ্যে রয়েছে- প্রশ্নপত্র ফাঁস, বিনা পয়সায় কোচিংয়ে পড়ানো, পরীক্ষায় ফেল করানোর ভয়, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রভৃতি। অনেক ছাত্রী লজ্জায় বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও কেউ কেউ রতন পালের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে বাধ্য হচ্ছে।
উপরে ঘটনাগুলোর শিক্ষকগুলোর নাম এবং ধর্ষিত ছাত্রীদের নাম দেখুন। এতো গেল ব্যক্তিগত বিকৃতি চরিতার্থ করার বিষয়। ধৃষ্টতা কতখানি গেলে সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাসকে নিয়ে কটুক্তি করা যায়? পাঠকের নিশ্চয়ই ভুলে যাবার কথা নয় কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্রের কথা। ইসলামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় গত ১ আগস্ট ২০১০ হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম তিনি, হযরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম নয় বরং হযরত ইসহাক আলাইহিস সালাম উনাকে কুরবানী করতে নিয়ে গেছেন বলে দাবি করে এর সঠিক ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে কথিত বিশ্বশান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্ট দেব নারায়ণ(!!)। বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিয়া এবং বিচারপতি রেজাউল হককে নিয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রিট আবেদনের শুনানি শেষে দায়ের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়ে একই সাথে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আদেশে আদালত আরো জানান, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে এবং ষড়যন্ত্রের জন্য এ রিট করা হয়েছে।
সেখানেও দেব নারায়নরাও থেমে নেই। ১৫ জুলাই গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার জিটি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক শঙ্কর বিশ্বাস মণ্ডল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স·)-কে নিয়ে কটূক্তি করে। দশম শ্রেণীর ক্লাসে শিক্ষক শঙ্কর মণ্ডল বিশ্বাস দাড়ি রাখা নিয়ে হজরত মুহাম্মদ (স·)-কে ছাগলের সঙ্গে তুলনা করেছিল। ওই ঘটনায় পুরো গোপালগঞ্জে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।
সম্প্রতি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স·) এবং পবিত্র হজ নিয়ে কটূক্তি করার দুঃসাহস দেখায় ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মদন মোহন দাস। ২৬ জুলাই তার সহকর্মী শিক্ষকদের এক সভায় সে মন্তব্য করে, ‘এক লোক সুন্দরী মহিলা দেখলেই বিয়ে করে। এভাবে বিয়ে করতে করতে ১৫-১৬টি বিয়ে করে। মুহাম্মদও ১৫-১৬টি বিয়ে করেছে। তাহলে মুসলমানরা মুহাম্মদের হজ করা স্থান মক্কায় গিয়ে হজ না করে ওই ১৫-১৬টি বিয়ে করা লোকের বাড়িয়ে গিয়ে হজ করলেই তো হয়।’ অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগ এবং কলেজের শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এমন কটূক্তির সত্যতা মিলেছে। এমন মন্তব্যে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রতিবাদে গতকাল দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভকালে শিক্ষক মদন মোহন দাসকে চাকরি থেকে অপসারণ ও তার বিচার দাবি করা হয়। কলেজ প্রশাসনের সহায়তায় প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিভাবকরাও দুপুরে ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কলেজ গেটে এক ঘণ্টারও বেশি সময় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয় এর আগে বিদ্যালয়ে এই মদন মোহন দাস আরও অনেক অনৈতিক কার্যকলাপ করেছে। কোনো ছাত্র দাড়ি রাখলে তাকে ছাগল বলে ডাকে এবং মারধর করে। মদন মোহন মুসলিম ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারী, অভিভাবক সবার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করে। বিশেষ করে মুসলিম শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সঙ্গে কুকুরের মতো আচরণ করে।
এসব পড়ে যে কোন বিশ্বাসী পাঠকের নিশ্চয়ই ক্ষোভে ফেটে পড়ার কথা। ক্ষোভ হওয়াটাই স্বাভাবিক কিন্তু ‘ফেটে’ পড়াটাও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলেই বিপদ। ভিন্ন একটি সম্প্রদায়ের প্রতি ক্ষোভ সৃষ্টি করা আমার লেখার উদ্দেশ্য নয়। আমরা জানিনা, পরিমলদের আশু উত্থিত অঙ্গের পেছনে কারও সুড়সুড়ি আছে কিনা? পরাশক্তির ক্রীড়ানকরা এই পরিমলদেরকে উজ্জীবিত করে কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে কিনা, সেটাও ভেবে দেখার সময় এসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিমলদের ব্যবহার করে কি দাঙ্গার দেশ ভাবতের ন্যায় শান্তি প্রিয় বাংলাদেশী মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগাবার চেষ্টা করা হচ্ছে ? অজ্ঞাত কোন সূদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার ভয়ংকর চেষ্টা চলছে কি? শুধু বলব, কারও পাতা ফাঁদে পা নয় বরং সতর্ক থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন। |
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/DrMohibburRahmanRafe |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
| লেখক পরিচিতি |
| |
|
| |
| |
|
এসব প্রশ্ন কেবল আপনার না, এদেশের অসংখ্য দেশপ্রেমীর প্রশ্ন এসব। নিশ্চয়ই সুদূরপ্রসারী কোন পরিকল্পনার আলোকে এসব করানো হচ্ছে। এদের ব্যাপারে সরকার যথোপযুক্ত পদক্ষেপ না নেয়ার সন্দেহ আরো বেড়ে যাচ্ছে।