বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়া: প্রেক্ষিত (১) শাবিপ্রবি
ড. নজরুল ইসলাম
‘জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভাল’ এ বাণীটি শুনে, বিশ্বাস করে এর মর্ম অনুযায়ী মানুষ তার জীবনকে পরিচালনা করে। কোথায়, কখন ও কিভাবে জন্মগ্রহণ করবে মানুষ নিজে তা জানেনা। এক কথায় নিজের জন্মের ব্যাপারে মানুষের নিয়ন্ত্রণ নেই। যদিও কর্মের সাথে ভাগ্যের সম্পর্ক রয়েছে তথাপি মানুষ তার কর্মকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। মানুষের মৌলিক অধিকার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্রের এ দায়িত্বটি শিশুর জন্য তার বাবা, মা তথা পরিবার করে থাকে। পরিবারের পক্ষ থেকেই শিশুকে পাঠশালায় পাঠানো হয়।
আমাদের দেশের মোটামুটি চার ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার যে কোন একট ধারায় শিশু তার শিক্ষা জীবন শুরু করে। এ শিক্ষা মাধ্যম গুলি হচ্ছে- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার অধীনে দাখিল ও আলিম, কওমী মাদ্রাসার অধীনে ধর্মীয় শিক্ষা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল শিক্ষা। যেমনি জন্মের ব্যাপারে শিশুর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই তেমনি শিশু কোন মাধ্যমে তার শিক্ষা জীবন শুরু করবে সে ব্যাপারে তার কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। এটি নিয়ন্ত্রিত হয় তার বাবা, মা, পরিবার পরিজন ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার দ্বারা। রাষ্ট্র তার নাগরিকের উচ্চ শিক্ষার সম-অধিকারের জন্য সবগুলো শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত দাখিল ও আলিম এবং ইংরেজি মাধ্যমের ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল প্রচলিত এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষার সমমান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এ সমমানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমুহে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের যোগ্যতা অনুসারে ভর্তি হয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে আসছে।
উল্লেখ্য যে, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরিক্ষার মাধ্যমে বাছাই করে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করে থাকে। এ পদ্ধতিটি বেশ কয়েক বছর যাবৎ সাফল্যের সাথে কার্যকর থাকলেও বিগত দু-তিন বছর যাবৎ ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত শর্তারোপের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগকে সংকুচিত করা হয় এবং তা শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ালে শিক্ষার্থীরা তাদের অনুকূলে রায় পায়।
বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রতিষ্ঠার বিশ বছর পর্যন্ত সাফল্যের সাথে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করলেও ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম বর্ষে ছাত্রছাত্রী ভর্তি সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণী একাডেমিক কাউন্সিলের রায়ে সম্প্রতি অতিরিক্ত শর্তারোপ করে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ সংকোচিত করায় ঐ সভায় বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং পত্রিকার মাধ্যমে এ খবরে সিলেটবাসী সহ সারাদেশের সচেতন মহলে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়। গত বছর (২০১০-১১) শিক্ষাবর্ষের ভর্তির সাক্ষাৎকারের সময় বিষয়টি নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হলেও এটাকে অনাকাংখিত ভুল হিসেবে মনে করা হয়। কিন্তু এ বছর একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিষয়টির বির্তক থেকে বুঝা যায় গতবারের বিষয়টি নিছক ভুল নয়। এটি ছিল সুদুর প্রসারি পরিকল্পনার অংশ।
আলোচ্য বিষয়টি রাজনৈতিক না একাডেমিক তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে একাডেমিক রূপদানের মাধ্যমে। বিতর্কটির অবতারণা ঘটছে মূলত এইচ.এস.সি পরীক্ষার মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে পঠিত ‘অর্থনীতি’ এবং আলিম পরীক্ষায় উক্ত বিভাগের পঠিত ‘ইসলামী অর্থনীতি’ বিষয়ের সমমান নিয়ে। এ বিষয় গুলির মধ্যে সমমান বিবেচনা না করলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ সংকোচিত হবে। যুক্তি বিদ্যা ও মানতিক বিষয়ে আমার অজ্ঞতার কারণে এ বিষয়টি নিয়ে আমি লিখতে পারছিনা। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও শত মত প্রকাশের কেন্দ্র। কথাটি তাত্ত্বিকভাবে যতটুকু সহজ বাস্তবিক ভাবে ততটুকু প্রয়োগ ও প্রকাশে তার প্রতিফলন না ঘটায় একজন সচেতন নাগরিক ও শিক্ষক হিসেবে কলম ধরতে হচ্ছে।
ঘটনাপ্রবাহে দুটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয় পরিস্কার। একটি হচ্ছে ‘অর্থনীতি’ ও ‘ইসলামী অর্থনীতি’ নামকরনের বিষয় এবং অপরটি হচ্ছে শিক্ষার্থী হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীদের তুলনায় পিছিয়ে কিনা। দুটি বিষয়ে একাডেমিক ও রাজনৈতিক বিষয়ের মিশ্রণের কারণে সমস্যার উদ্ভব বলে মনে হয়। প্রথম বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাক।
মাদ্রাসা শিক্ষা ইসলাম ধর্মের সাথে সম্পর্কিত বিধায় অর্থনীতির পূর্বে ইসলাম লিখে এবং কিছু ইসলামী ভাবধারার অর্থনীতির বিষয় অন্তর্ভূক্তির কারণে এর নামকরণ ইসলামী অর্থনীতি করা হয়েছে বলে মনে হয়। নামের পরিবর্তে বিষয়বস্তুর উপর ভিক্তি করে সমমান নির্ধারণ করা উচিত। ইসলামী অর্থনীতি এর বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, এতে মাধ্যমিক শ্রেণীর অর্থনীতির বিষয়বস্তুকে একটু সংক্ষেপ করে অতিরিক্ত করে দুটি অধ্যায় ‘যাকাত’ ও ‘উশর’ অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অর্থনীতি আমার একাডেমিক বিষয় না হলেও ছাত্রাবাস্থায় অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশুনা এবং শিক্ষক অবস্থায় অর্থনীতিক পরিসংখ্যান ও গাণিতিক অর্থনীতি পড়ানোর কারণে এ বিষয়ে আমার প্রাথমিক ধারণা রয়েছে। আমার এ স্বল্প জ্ঞানে দুটি বিষয়ের সমমানে কোন সমস্যা আছে বলে মনে হয়নি। আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের সাথে ইসলামের কোন সংঘর্ষ নেই। ইসলাম জ্ঞান অর্জনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। ইসলামী জ্ঞান অর্জনের প্রধান দুটি উৎস কোরআন ও হাদীসে বিস্তারিত আলোচনা না করে শুধু মূল নীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সুতরাং ইসলামের মূলনীতি অনুসরণ করে আধুনিক অর্থনীতির তত্ত্ব ও প্রয়োগে ইসলামের সাথে আধুনিক অর্থনীতির কোন বিরোধ নেই। ‘পণ্যের চাহিদা ও পণ্যের যোগান’ এর সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা অর্থনীতি ও ইসলামী অর্থনীতি ‘বইয়ে’ একই। পণ্যের ইসলামী চাহিদা ও ইসলামী যোগান নামে আলাদা কোন তত্ত্ব নেই।
এবার দেখা যাক নামকরণের ব্যাপার। “বৃক্ষ তোমার নাম কি?- ফলে পরিচয়” ইহা একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ। বিতর্কের বিষয় নিয়ে ফলের সম্পর্কে ইতিপূর্বে সংক্ষেপে আলোকপাত করা হয়েছে। ফল যতই সুমিষ্ট হোক না কেন নাম যদি পরিচিত না হয় অথবা পছন্দ না হয় তখন পরিচিত ফলও না দেখা পর্যন্ত কেউ গ্রহন করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে না। আমাদের অতি ব্যস্ত যুগে দেখার সময় কোথায়, তাই অনেক ক্ষেত্রে নামের উপর ভিক্তি করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। তর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেই যে, ‘অর্থনীতির’ পূর্বে ‘ইসলামী’ বিশেষণের কারণে এর সমমান একটি সমস্যা তবে এখানে আমাদের কিছু প্রশ্নের কাঙ্খিত উত্তর দিতে হবে।
প্রথমত, সরকারী আলিয়া মাদ্রাসায় ইসলামী অর্থনীতি পড়ানোর জন্য যে শিক্ষক নিয়োগ করা হয় তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে বিসিএস পরিক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। যদি সমমান না হয় তাহলে এভাবে শিক্ষক নিয়োগ কিভাবে সম্ভব?
দ্বিতীয়ত, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে দু’জন সম্মানিত প্রাক্তন বিভার্গীয় প্রধান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘কৃষি অর্থনীতি’ বিষয়ে ডিগ্রী নিয়ে সাফল্যের সাথে বিভাগ পরিচালনা ও ছাত্রদের শিক্ষা দান করেছেন। এক্ষেত্রে তাদের ডিগ্রীতে ‘অর্থনীতির’ পূর্বে ‘কৃষি’ বিশেষণের কোন সমস্যা হয়নি। এ বিষয়ে একটি সঠিক উত্তর প্রয়োজন।
অন্য প্রসঙ্গটি হচ্ছে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সামগ্রিকভাবে অন্যদের থেকে পিছিয়ে কি না? এ প্রশেড়বর উত্তর খুজতে হলে আমাদের ধারণা প্রসূত না হয়ে বাস্তব উদাহরণ ভিত্তিক হতে হবে। বড় পরিসরে না হয়ে স্বল্প পরিসরের মধ্যে বিষয়টি দেখা যাক। একটি বিষয়ে খুব পরিস্কারভাবে খেয়াল রাখা উচিত যে, মাদাস্রার শিক্ষার্থীরা কোনরূপ দয়ার মাধ্যমে নয় একটি প্রতিযোগিতামূলক পরিক্ষার মাধ্যমে অন্য সবার মত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে থাকে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে ডিগ্রী সম্পন্ন করে সাফল্যের সাথে কর্মক্ষেত্রে অবদান রাখছে। আমাদের অনেক সহকর্মী আছেন যারা সাফল্যের সাথে দেশে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে সফল হয়েছেন। যাদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণী শিক্ষালয় হচ্ছে মাদ্রাসা। অতি সম্প্রতি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত তারেক মাসুদের নাম সবারই জানা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে যে কয়েকজন বিশ্বের দরবারে পৌছে দিয়েছেন তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম। তার জীবন ইতিহাস থেকে জানতে পারলাম তার শিক্ষা জীবনের অন্যতম দিনগুলি কেটেছে মাদ্রাসায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে মেধা বিকাশের সুযোগ পেলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে নেই। অতএব, বাস্তবতার নিরিখে এ যুক্তিটিও ধোপে ঠিকে না (!)
অনেক ত্যাগ তীতিক্ষা ও সংগ্রামের ফসল হচ্ছে আজকের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সিলেটবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী সিলেটের কৃতি সন্তান জনাব মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী’র আন্তরিকতায় প্রেসিডেন্ট এরশাদ এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এ আন্দোলনে সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। আন্দোলনের সময় জনাব হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সিলেট আলিয়া মাদ্রাসায় আসেন। এ সময় যে দাবী-ধাওয়া পেশ করা হয় তার মধ্যে অন্যতম দাবী ছিল সিলেটে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা । শিক্ষার দিক থেকে সিলেট অঞ্চল এমনিতেই একটু পিছিয়ে আবার মাদ্রাসা শিক্ষার ব্যাপকতা বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকার চেয়ে এ অঞ্চলে বেশি। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে নতুন এ সিদ্ধান্ত মাদ্রাসা শিক্ষা তথা সিলেটের ছাত্রছাত্রীর উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে।
সময়োপযোগী লেখাটির বহুল প্রচার দরকার। আপনার অনুমতি না নিয়ে ফেসবুকে লিংক করে দিলাম! কিছু মনে করবেন না!
68379
২
নিউ ইয়র্ক থেকে ম.ম.রহমান লিখেছেন,
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১১; সকাল ১০:০০
যতো দিন শাবিপ্রবিতে ডঃ টোনা ও ডঃ টুনি থাকবে ততোদিন সেখানে একটা না একটা প্যাচ লাগিয়ে রাখবে। ইসলাম ধর্ম-বিদ্বেষী ঐ সব মীর জাফরদের ঝাটা দিয়ে পিঠিয়ে শাহজালালের পূণ্য শহরটাকে রক্ষা করুন।
68447
৩
sust থেকে Md.Shamsuddin sumon লিখেছেন,
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১১; বিকেল ০৫:৫৭
This demand not only madrasha student but also all general people of in this country, 'specially sylhet' about admission of maadrasha student.
68485
৪
গাজির পাড়া, দক্ষিন সুরমা, সিলেট থেকে মোহাম্মদ সানা-উল গাজী লিখেছেন,
২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১; রাত ০৪:০৬
------ড: জাফর ইকবাল সাহেবকে আমি সব সময় একজন সৎ অসামপ্রদায়িক ব্যাক্তি মনে করতাম। আল্লাহতাআলা সকলের মাথায় অনেক সেল(কোষ) দিয়েছেন। আর প্রতিটি সেলের আলাদা আলাদা ফাংশন আছে। আমার মনে হয় ইকবাল সাহেবের কোন একটি সেল নষ্ট হয়ে গেছে যার জন্য ইসলামের নাম শুনলেই মাথায় কামড়ায়।
68518
৫
sylhet থেকে Misbah Uddin লিখেছেন,
২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১; রাত ০৯:৩৬
the policy makers of sust now a days do not want to allow madrasha student to do higher study in their university although madrasha student do better in admission test. they introdced pollution in the admission procedure of SUST by keeping reserve seat in some category from last year.
68610
৬
uk থেকে Mansoor লিখেছেন,
০২ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৯:২৮
DU teacher Abul Barakat (discoverer of the fact that Jamat is a growing economic giant of Bangladesh ) yesterday opined that if madrasa student are not properly educated with modern science and technology they will automatically find the way to "jongibad "
Please convey this message to Shahjalal university of Ag & Tech authority to make easy for Madrasa student to get admit into the university and save them from jongibad.
68861
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: