শুক্রবার, ২৮ মাঘ ১৪১৯; ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৫৯ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
এ যেন ধ্বংসের উৎসব (০৫/০২/২০১২)
সর্বনাশের ঘণ্টাধ্বনি (২৯/০১/২০১২)
কার কোনটা আহ্লাদ সেটা বোঝা যাচ্ছে না (২২/০১/২০১২)
এ কেমন সাক্ষী-সাবুদ! (০৭/০১/২০১২)
এখন স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই (০১/০১/২০১২)
বাংলাদেশ যেন এক নতুন উপনিবেশ (২৮/১২/২০১১)
এ কেমন বধ্যভূমি বাংলাদেশ! (২১/১২/২০১১)
সেই শিশুটির সন্ধানে... (২১/১২/২০১১)
বিশ্বব্যাংক কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধ করতে চায়? (১৪/১২/২০১১)
বর্ডারের কোনো অর্থই হয় না (১০/১২/২০১১)
দেশকে কোথায় নামিয়ে আনা হচ্ছে? (০৪/১২/২০১১)
ওস্তাদ, ডাইনে কাটেন, বায়ে আবুল (৩০/১১/২০১১)
চার দিকে শুধু রাজাকার! (২৬/১১/২০১১)
ছু মন্তর ছুঃ! (২৩/১১/২০১১)
তারেক রহমানকে কেন এত ভয় (২১/১১/২০১১)
গিনেস বুকে নাম উঠাবেন দীপু মনি! (২০/১১/২০১১)
রাজনীতি হবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে? (১৩/১১/২০১১)
প্রলয় বন্ধ থাকবে না (০৬/১১/২০১১)
হায় সিইসি, হায় হায়, ছিঃ ছিঃ (০২/১১/২০১১)
সূচনাতেই এত ভয় (২৯/১০/২০১১)
বড় এলোমেলো হয়ে গেছে (২৯/১০/২০১১)
শুঁটকির গুদামে বিড়াল চৌকিদার (২২/১০/২০১১)
কার ক্ষমা যে কে করে! (১৫/১০/২০১১)
ঠাটা ঢেঁকির বাদ্যি বড় (০৯/১০/২০১১)
প্রধানমন্ত্রী তাহলে কার সাথে বসবেন? (০২/১০/২০১১)
দেশ এখন বিপন্ন (২৫/০৯/২০১১)
ছারপোকা মারা অব্যর্থ যন্ত্র ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (১৮/০৯/২০১১)
কী শিক্ষা দিয়ে গেলেন মনমোহন সিং (১১/০৯/২০১১)
লিবিয়া : পশ্চিমাদের চিচিংফাঁক (০৩/০৯/২০১১)
ওরা চিরজীবী হোক (২৮/০৮/২০১১)
আগের লেখা
1258


এ যেন ধ্বংসের উৎসব

ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী

কখনো কখনো মনে হয় পুলিশ বাহিনী কিংবা ছাত্রলীগ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দমন-পীড়ন কিংবা হত্যার অধিকার পাকাপোক্তভাবেই পেয়ে গেছে। সরকার হয় হত্যাকারীদের পক্ষে দাঁড়াবে, নয়তো আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষিতদের রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করিয়ে নেবে। বাংলাদেশেই প্রথম দেখা গেল, একজন রাষ্ট্রপতি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ও সরকারদলীয় লোকদের ক্ষমা করে দিচ্ছেন। ভালো বলেছিলেন লক্ষ্মীপুরের বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামের স্ত্রী। রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান তার স্বামীর হত্যাকারীদের ক্ষমা ঘোষণা করার পর ওই বিএনপি নেতার স্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন, এরপর তো আর রাষ্ট্রপতির তার স্ত্রী আইভী রহমানের হত্যাকারীদের বিচার করার ক্ষমতা তার আর থাকে না। বলার অপেক্ষা রাখেন। সরকারের পরামর্শেই অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামের হত্যাকারীকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করে দিলেন, তখন তার উচিত ছিল তার স্ত্রী আইভী রহমানের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করা এবং অভিযুক্তদের ক্ষমা করে দেয়া। রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান তা করেননি। তাতে প্রমাণিত হয়েছে, স্বাধীনভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো ক্ষমতা তিনি রাখেন না। কিন্তু রাষ্ট্রপতি যুক্তির পক্ষে দাঁড়াতে পারতেন। দাঁড়াননি। না দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, তিনি নো বডি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া তার যে কিছুই বলার বা করার ক্ষমতা নেই। আমরা যতই চাই না কেন, নাগরিকেরা তাকে স্বাধীনতা দিতে পারি না। সংবিধান যে বাধা। ফলে রাষ্ট্রপতি সরকারের সাথে পরামর্শক্রমে সরাসরি খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের একের পর এক ক্ষমা ঘোষণা করে যাচ্ছেন এবং তার মহানুভবতায় ক্ষমাপ্রার্থীদের সার্কিট হাউজে নিয়ে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের মন্ত্রীরা সংবর্ধনা দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে এরা দিয়ে দিয়েছেন, ভিন্ন মতাবলম্বী যে যেখানে আছে তাদেরকে শেষ করো। ক্ষমার দরজা খুলে প্রেসিডেন্ট বসে আছেন। ক্ষমা হবেই। কোনো সমস্যা নেই। রাষ্ট্রপতি তো আছেন। তার মাধ্যমে সব কিছু ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হবে। রাষ্ট্রপতির এমন কর্মকাণ্ডে কি প্রশ্ন করা যায়? আসলে রাষ্ট্রপতির এমন কিছুই করা ঠিক নয়, যাতে তার অধিকার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। শেখ হাসিনা যখন মইন ইউ আহমেদের সময় কারাবন্দী ছিলেন, তখন বর্তমান রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ছিলেন আওয়ামী লীগের পথপ্রদর্শক। নেতাকর্মীরা তার বক্তব্যের দিকে চোখ-কান খোলা রেখেছে।

এখন যেন কিছুতেই আর রাষ্ট্রপতির ওপর নির্ভর করা যাচ্ছে না। তিনি একজন আইনজীবীও বটে। ক্ষমতা নেই। কিন্তু মানুষের বিবেকবোধ, শুভাশুভ জ্ঞানও অপরিহার্য। তিনি একজন পরিশীলিত ভদ্রলোক। সাধারণত আওয়ামী লীগারেরা যে ভাষায় কথা বলেন, তেমন ভাষায় কথা বলতে সম্ভবত জিল্লুর রহমানকে কেউ কোনো দিন শোনেনি। ফলে বিরোধী মহলেও তার মর্যাদা ও তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রপতিকে আমরা চাপতে চাপতে একেবারে বোধ হয় মর্যাদাহীন করে ফেলেছি। এক সময় বিধান ছিল, রাষ্ট্রপতি যদি জাতীয় সংসদের কোনো সিদ্ধান্তে অনুমোদন না দেন, তাহলে তা আইনে পরিণত হবে না। সে বিধান বদলে করা হলো যে, পরপর তিনবার সে প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠালে তিনি যদি তার অনুমোদন না দেন, তাহলে বিধানটি আপনাআপনি আইনে পরিণত হবে। এখন তার ভেতরেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো মানে অনুমোদন হয়ে গেল। রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। তার সম্মান সব নাগরিকের ঊর্ধ্বে। তাকে এ রকম অসম্মানজনক অবস্থানে ঠেলে দেয়ার কোনো মানে হয় না। সে ক্ষেত্রে এমন বিধান প্রণয়ন করাই ভালো ছিল যে, সংসদ যা সিদ্ধান্ত নেবে তা-ই আইন। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির সম্মান হয়তো কিছুটা রক্ষা পেত।

কিন্তু আমরা তা করিনি। আমরা রাষ্ট্রপতিও চাই। কিন্তু তার যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করতে চাই না। বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে তার পরিচালিত হওয়ার শক্তি আমরা কেবলই ক্ষুণ্ন করেছি। এতে রাষ্ট্রের মর্যাদা যেমন বাড়েনি। তেমনি বাড়েনি রাষ্ট্রপতির মর্যাদাও। ফলে রাজনৈতিক বিবেচনায় খুনের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুর্ধর্ষ ঘাতকদেরও মুক্তি দিতে বাধ্য হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি।

এর ফলে খুনের মতো ঘটনা প্রতিদিন বাড়ছে। এই জানুয়ারি মাসে দৈনিক গড়ে ১১ জন মানুষ খুন হয়েছে। এখন খুন হলে কেউ আর বিশ্বাস করে না যে, খুনি ধরা পড়বে এবং তার উপযুক্ত শাস্তি হবে। নাগরিকদের এখন আত্মরক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সব পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। খুনের উৎসবে পেশাদার খুনিদের সাথে কোথাও কোথাও যুক্ত হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও। অনেক জরিপকারী প্রতিষ্ঠান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্থ বলে সাব্যস্ত করেছে। এবং তারাও এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। উপরন্তু ক্রসফায়ার নামের অমানবিকতা জারি করার ফলে এখন ক্রসফায়ারের নামে যখন তখন যাকে খুশি হত্যা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। তারই শিকার হয়েছিল কলেজছাত্র রিমন। পুলিশের গুলিতে আহত রিমনের একটি পা কেটে ফেলে দিতে হয়েছে। এই নিরীহ ছাত্রকে অপরাধী সাজানোর জন্য কত কোশেশই না পুলিশ করেছে। সে অমুকের সহযোগী, তমুকের সহযোগী, সে পুলিশকে গুলি করেছিল, এমন সব কল্পকাহিনী সাজানো হয়েছিল। এমনকি পঙ্গু অবস্থায়ও তাকে আদালতে হাজির করে হেনস্তা করা হয়েছে। সে হেনস্তার এখনো অবসান ঘটেনি। জানি না কোনো দিন অবসান ঘটবে কি না। পুলিশকে আত্মরক্ষার্থেই তার বিরুদ্ধে মামলা সাজিয়ে যেতে হবে। কারণ যদি প্রমাণিত হয় যে, রিমন নির্দোষ ছিল, তাহলে তাকে কেন গুলি করা হলো- এ প্রশ্নের জবাব পুলিশকে দিতে হবে। কিংবা সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। দেশে আইনের শাসন থাকলে এ ধরনের পুলিশ সদস্যকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হতো। বাংলাদেশ থেকে সে ব্যবস্থা এখন উধাও। ফলে সব কিছুই চলছে ফ্রি-স্টাইলে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা নেই। সরকার পরিচালনায় জবাবদিহিতা নেই। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জবাবদিহিতা নেই। জবাবদিহিতা নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতেও। তার ওপর আছে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা। সব মিলিয়ে ঘোর দুর্দিনে এখন বাংলাদেশ। যেন এই একবিংশ শতাব্দীর পাদদেশে দাঁড়িয়ে আমরা ফিরে গেছি প্রাগৈতিহাসিক যুগে, যেখানে আইন-বিচার কোনো কিছুরই অস্তিত্ব ছিল না।
দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বেড়ে চলা, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, সঙ্কটাপন্ন স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রের অস্তিত্ব এমন এক ঘোর বিপদের মধ্যে এ দেশের ১৬ কোটি মানুষ। স্বাধীন বাংলাদেশে এমন বিপদ নতুন নয়। আমরা বারবার এমন বিপদ মোকাবেলা করেছি। এ ধরনের সব সঙ্কট এ দেশের লড়াকু মানুষ সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করেছি। একাত্তরে দেখেছি, পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর দেখেছি, নব্বইয়ে এরশাদের পতন দেখেছি। মানুষ একাট্টা হয়ে পরিস্থিতি উত্তরণে সাহসী ভূমিকা রেখেছে। সব স্বৈরাচার, অপশাসন-দুঃশাসন, বিপদ থেকে নিজেরাই নিজেদের উদ্ধার করেছে। এ রকম সময় সাধারণ মানুষ কখনোই সরকার কিংবা রাজনৈতিক নেতৃত্বের মুখ চেয়ে থাকেনি। নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বারবার প্রমাণিত হয়েছে, নাগরিকেরা যথার্থ ছিল। শেষ পর্যন্ত তারাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

এবারের বিপদের মাত্রা ভিন্ন রকম। ষড়যন্ত্রও গভীর। সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তির লোক হরিহর আত্মা হয়ে বাংলাদেশকে পদানত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হয়েছে। সেখানে সাম্রাজ্যবাদীদের বলপ্রয়োগ যেমন আছে, তেমনি আধিপত্যবাদীদের চাণক্যনীতিও আছে। তারই অংশ হিসেবে সমাজের ভেতরে এত বিশৃঙ্খলা, এত অরাজকতা বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচারের নামে জাতিকে বিভক্ত করে রাখা হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনাকর্মকর্তার প্রাণ গেছে। তারপর বহুসংখ্যক কর্মকর্তা বিতাড়িত হয়েছেন। বিডিআরকে বানানো হয়েছে বর্ডার গার্ড। এর চমৎকার পরিভাষা লিখেছেন অগ্রজ কবি, প্রাবন্ধিক, নিবন্ধকার ফরহাদ মজহার- সীমান্ত দারোয়ান। লাঠি হাতে পাহারা দেয়ার ক্ষমতা আছে। চোর ঢুকলে চিৎকার দেয়ার ক্ষমতা আছে। কিন্তু সীমান্ত রক্ষা করতে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা নেই। সমপ্রতি কথিত সেনা অভ্যুত্থানের পেছনে ধর্মান্ধতার তকমা এঁটে বাংলাদেশে বিদেশী হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত করার আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। সংবিধান তছনছ করা হয়েছে। মানুষের প্রতিবাদের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু সরকার বোধ হয় বোঝেইনি যে, বেহুলার নিশ্ছিদ্র বাসরেও দেবী মনসার সাপ গিয়ে হাজির হয়েছিল। এবং সরকার পড়েওনি যে বালির বাঁধ দিয়ে জোয়ারের জল রোধ করা যায় না। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকারের মসনদ জনরোষে ভেসে যাওয়ার পথ তারা নিজেরাই তৈরি প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে। সে গণবিস্ফোরণ এখন অনিবার্য বলেই মনে হয়।
লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
(সূত্র : নয়া দিগন্ত-০৫-০২-২০১২)
http://www.sonarbangladesh.com/articles/DrRezwanSiddiqui
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
montreal থেকে farid লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৮:৩১
most timely,truthful and needful article.
77903
আমেরিকা থেকে দুর্বিনীত লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১০:৩৫
আমি আপনার সাথে একমত। সেদিন বেশী দূরে নয়, যেদিন জনতার জনরোষে বা আ লী এর নেতা কর্মীরা পালাবার পথ পাবে না। যে যেখানেই যাক না কেন, যে যেখানেই থাকুক না কেন সবাইকে জনগণের গণ আদালতে হাজির করে পাথর নিক্ষেপ করে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে প্রতিশোধ নেয়া হবে।
77909
Perth, Australia থেকে Soyeb Rahman লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১১:৩৯
The above article is powerful reflection of the dire human rights violation by the ruling administration in Bangladesh. I sincerely hope that the government will step back from the action which might endanger our independence. Thanks to Dr. Rezwan Siddique for writing this.
77915
USA থেকে Sony লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:১৪
Thank you for informative and effective article. Bakshal and dictator government should be vanished, Inshallah.
77917
নারায়নগন্জ থেকে মাহবুব লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০৩:৪৪
অশেষ ধন্যবাদ। সময়াপুযোগী, অত্যান্ত সুন্দর, ক্ষুরধার লিখনি। আপনার সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।
"সরকারের মসনদ জনরোষে ভেসে যাওয়ার পথ তারা নিজেরাই তৈরি প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে। সে গণবিস্ফোরণ এখন অনিবার্য বলেই মনে হয়।" আমরা সে দৃশ্য অবলোকনের অধীর অপেক্ষায়....।
77927
Dhaka থেকে Sikdar লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০৩:৪৫
The writer's article is very pragmatic and reflection of public concern. Our politicians don't take lesson from the past. They only tend to grab the power using the cunning tools of politics and become wealthiest in short time by sucking people's blood.
77928
Sweden থেকে Shaheen লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:৪৩
Sir,
What an excellent and candid column and people from every corner of the world especially sensible and respected people will appreciate so much than words can describe but bloody baksalist and their goons will disagree with such advisable and commendable column so shame on them for their contaminated blood.May god grant u a long life health and happiness.
77932
Sydney থেকে Coat Hanger লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৫:২৩
Mr R
How dare you say "সমপ্রতি কথিত সেনা অভ্যুত্থানের"? Its not 'so called', you have no right to say it 'so called'. Stay away, don't even think to make derogatory remark about our army.
77934
বাংলাদেশ থেকে আব্ু সাইফ লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৫:৩৪
""...সে গণবিস্ফোরণ এখন অনিবার্য বলেই মনে হয়।"""
এবারের আওয়ামীলীগকে গণবিস্ফোরণের মাধ্যমে তাড়ানো সম্ভব হলে সেটি আধুনিক বিশ্বের অনন্য আশ্চর্যকীর্তি হবে নিঃসন্দেহে।
[সপ্তাশ্চর্যের নিয়ম বিদ্যমান থাকলে এমন ঘটনাকে সেখানেও শীর্ষে রাখা যেতে পারে]
বর্তমান সরকার (সরকারীদল) প্রধান আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে জাতির উপর পিত্ৃহত্যার প্রতিশোধ নিচ্ছেন- এটা প্রায় শেষের পথে। এরপর এ দেশটিকেও তিনি ইতিহাসের পাতায় তুলে দিয়ে যাবেন (সিকিমের মত)- আমার এমনটাই মনে হয়!
77937
১০
রিয়াদ, সৌদী আরব থেকে ইসহাক আলী মাসুম লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:০৯
গণবিস্ফোরণে আওয়ামী লীগকে শুধু তাডানো নয়, এদের মধ্যে যার ভারতীয় দালাল তাদের নাম নিশানা মিটিয়ে ফেলা উচিত বলে আমি মনে করি যেন ভারতীয় দালাল হয়ে আওয়ামী লীেগর হাল কেউ না ধরতে পারে।
77943
১১
U.S.A থেকে Wounded Tiger লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১০:৫৮
This is the true piture of Bangladesh now.respected readers could well imagine in what hell ,the Bangladeshis are in.I would urge all patriotic Bangladeshis not to loose heart,but to look at the ARAB SPRING and act. Inshaallah they would reassert their very hard earned freedom and independence.
77954
১২
মালিবাগ,ঢাকা থেকে ফাজলুল্লাহ হাসান লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০১:২৯
ইহাকে আওয়ামী লীগ বলা হয়।তারা জানেনা অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয়না।জনগণকে তারা বোকা পেয়েছে অথচ লোকে বলে শেখ মুজিবকে জনগন প্রায় শতভাগ ভোট দিয়েছে অথচ তিনি শাহাদাত বরণ করায় কেউ ইন্নালিল্লাহ ও পড়েনি।কথাটা সত্যি কিনা জানিনা।বর্তমান সরকার এ ধরনের অবিশ্বাস্য কথা বিশ্বাস করানোর জন্য যথেষ্ট।বিরোধী দলকে কষ্ট করে বোঝাতে হবেনা।
77962
১৩
ফরিদপুর থেকে মোঃ ইউসুফ হোসাইন লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৭:২৪
প্রথমেই আমি লেথককে ধন্যবাদ জানাই তার সাহসী লেথনীর জন্য. আমি আপনার সঙ্গে একমত. এই সরকার বুঝতে পেরেছে যে তাদের জন সমর্থন নেই. আর সেজন্যই বিরোধীদের উপর নির্জাতন করছে.
77967
১৪
কাতার থেকে শামীম লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১০:৩১
গুরুত্বপূর্ন বিষয় তুলে আনার জনতার পক্ষ্যে
77979
১৫
ঢাকা থেকে নাঈম লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১১:৩১
বেশি চিল্লায়েন না। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠার বলে লেন্দুপ দরজির মতো করলেও তো কিছু করতে পারবেন না।
77989
১৬
ঢাকা থেকে কবি লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০২:৪২
"...আমরা রাষ্ট্রপতিও চাই। কিন্তু তার যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করতে চাই না। বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে তার পরিচালিত হওয়ার শক্তি আমরা কেবলই ক্ষুণ্ন করেছি। এতে রাষ্ট্রের মর্যাদা যেমন বাড়েনি। তেমনি বাড়েনি রাষ্ট্রপতির মর্যাদাও।..."
- হক কথা বলেছেন।
বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে পরিচালিত হওয়া রাষ্ট্রপতির পরিনাম/পরিনতি অমরা দেখেছি।
বিচারপতি সাহাবুদ্দিন হয়েছেন 'বিশ্বাসধাতক'!
বি.চৌধুরী কে করা হয়েছে 'কিক আউট'!
বিশ্বাস-ইয়াজ-জিল্লুর দের মতো 'কাঠের পুতুল' দের কাছে একমাত্র অতি আশাবাদী কিংবা বোকারাই 'গঠনমূলক' কিছু আশা করতে পারেন!
78006
১৭
london থেকে M rahman লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:৩৭
First of all congratulation to Mr Dr R for writing about public concern, we are really concern about our sonar BD. Our govt. party and opposite party making our sonar BD a permanent hell, how do we get out from that hell only beloved creator knows well, anyway you showed their real face in your article, but if we (public) kick them out from the power & get opposite one in will it be sorted, and also what did they (opposite1) do? when they were in power, there were a flood of corruption in every single corner of govt. neither Awameleauge nor BNP for our sonar Bangladesh any more, we need an honest iron man for ruling the corrupted, violent, polluted, society. InshaAllah sai din ar besi dure noy...
78014
১৮
USA থেকে হক-কথা লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১১:৩২
Dizzy-টাল সরকার!
78034
১৯
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৭:২২
Dear writer,
With due respect, no doubt your article is based on reality but missing reason and solution of power abuse by our President and PM. Thank you for your article. Please let me share my thought from another angle regarding your article.--------
This is not the only President we are watching abusing his power. All of the Presidents abused their power. Time has come to look deeply why knowingly our Presidents abuse their power. My honest observation , in our system there is no accountability for our President if he abuses his power. Secondly President always appointed by the mercy of ruling power. Thirdly president always comes from ruling party. When ever President comes from ruling party then it is very natural he can not remain impartial in his decision. When ever any partial decision comes from President that is abuse of power. So to stop President and PM from abusing their power we have to adopt accountability for them in our system? Unfortunately there is no accountability for our President and PM in our system. So far I know there is no accountability for any President in this planet. If my information is correct then what we are trying to achieve by accusing only our President for his abusing of power. On the other hand, we the people made him human god. Is this not pure contradiction? I think time has come to define the power of President , PM and Chief Justice. Honestly speaking, no human born as a culprit rather it is the power makes human culprit. Title of President, PM and C.J is not a problem , it is the unlimited power given by us encouraging them to abuse their power. So problem is not with them rather our stupidity is our real problem. We suppose to hold them accountable, in reality they are holding us accountable. We suppose to curb their power , in reality they are curbing our power. They suppose to be our caretaker, in reality we are taking care of them. They suppose to solve our problem , in reality they become our burden. In true sense we are not electing our care taker rather we are electing our Zamindar. In true sense we are selecting a President for the ruling party, for the elites, for the rich and for the powerful criminals. At the same time we are blaming that President for our own dirty job. We need to change our way of thinking. We need to change our own behavior. We need to get out from our limited box. We need to curb the power of our President, PM and Chief Justice. We have to find out a way to make them accountable for their crime against the nation. We have to stop honoring them with the certificates of holiness. We have to set an example putting them behind the bar if any body found guilty. To punish them for their committed crime , we have to be united based on truth and justice not based on party affiliation. We have to stop worshiping leadership image and party. Let us unite and save our innocent lives not the criminal leaders.
78040
২০
'মা-মাটি-দেশ' থেকে মাটির মানুষ লিখেছেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৫:৫২
নাউ, 'উই ক্যান লুকিং ফর ওয়ান অনেষ্ট আয়রন ম্যান'।
78080
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy