শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ০১:৫২ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

এটি মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা

ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

১৯৯৭ সালের জাতিসঙ্ঘ পানি কনভেনশন তোয়াক্কা না করে ভারত ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তে বরাক নদীর উপর টিপাইমুখি বাঁধ নির্মাণ শুরু করেছে।সিলেটের দুই বৃহত নদী সুরমা ও কুশিয়ারার উৎস এই বরাক নদী।
কিছুকাল পুর্বে নদীর উপর বাঁধ নির্মাণের সুফল গুলোকেই বিবেচনাই আনা হতো।কিন্তু অব্যহত পরিবেশ বিপর্য্যয়ের ফলে বাঁধ নির্মাণ জনিত কারণে পরিবেশের উপর যে সকল নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে বিবেচনায় এনে বাঁধ নির্মাণকে অণুৎসাহিত করা হচ্ছে সারা বিশ্বেই ।

বাংলাদেশ সীমান্তের সন্নিকটে উভয় দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করার প্রাক্কালে যৌথ ভাবে যে সকল প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্যতা যাচাই করার কথা ভারত তার একটিও না করে নিজেই জরিপ কাজ সম্পাদন করে বাঁধ নির্মাণের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহন করেছে।এমন কি নির্মাণ কাজের প্রাথমিক কাজ শুরু করে দিয়েছে।ভারতের এহেন কার্যাদি জাতিসংঘের উল্লেখিত কনভেনশন পরিপন্থি তো বটেই তদুপরি এটা মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ এবং পরিবেশ ভারসম্যের অন্তরায়।এই বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশ ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে নিপতিত হবে এবং পরিবেশ বিপর্য্যয়ের ফলে ১৫ কোটি অধ্যুষিত এই দেশটি পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকা হবে প্রায় অসম্ভব।

বৃহত্তর সিলেট জেলা বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল।বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিপুল পরিমান অবদান রেখে চলেছে।ধান,মাছ ,নির্মাণ সামগ্রী (পাথর,বালু), গ্যাস এবং এই পাঁচটি ক্ষেত্রে এই অঞ্চল সারাদেশের চাহিদার বিপুল অংশের যোগান দিয়ে চলেছে নিরন্তর ।দারিদ্র পীড়িত দেশটি টিকে থাকার এই বৃহত্তর অবলম্বনকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে সাম্রাজ্যবাদি ভারত টিপাইমুখি বাঁধের পরিকল্পনা আটে-যা এখন বাস্তবে পরিণত হতে যাচ্ছে।ভারতীয় আগ্রাসনের এই নব নীতিতে সিলেট অঞ্চল প্রথমেই তিনটি ক্ষেত্রে সরাসরি ভাবে আক্রান্ত হবে।ধান উৎপাদন হ্রাস পাবে বিপুলভাবে ।মাছের এই মাইগ্রেশন বাধা গ্রস্থ হয়ে এর উৎপাদন পরিমান ক্রমান্নয়ে হ্রাস পাবে এবং নির্মাণ সামগ্রী (পাথর,বালু) সংগ্রহের সরবারহ পথ ক্রমেই হয়ে উঠবে ব্যয়বহুল ।ফলে অর্থনৈতিক ধ্বংসের সাথে সাথে পরিবেশ বিপর্যয়ের এক ভয়াবহ রুপ দেখতে পাবে দেশের উত্তর পুরবাঞ্চলিও জনগোষ্ঠী।
বলা হচ্ছে নির্মানাধীন বাঁধটি পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হবে।বিরাট এক জলাধার তৈরী করে সেখান থেকে পানির উচ্চতা তৈরী করে প্রথমত পানি ছেড়ে দেয়া হবে-টারবাইন ঘুরানোর কাজে ব্যবহার করার জন্যে।বছরের সকল সময়ই একী পরিমান পানি ছেড়ে দেয়া হবে।সাধারনত শুষ্ক মওসুমে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি হ্রাস পাওয়ায় হাওর এলাকার আশে পাশের বিরাট আবাদী জমি জেগে উঠার ফলে ধান চাষের এক মহা সুযোগ সৃষ্টি হয় যা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে ধান উৎপাদন শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ কমিয়ে দিবে এই অঞ্চলটিতে।

বাংলাদেশের নদীগুলোর নাব্যতা হ্রাস পেয়েছে মুলত ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মানের কারণে।পদ্মা ,যমুনাতে শুষ্ক মওসুমে পানির স্তর এতটাই নীচে নেমে যায় যে,নৈ পথে মালামাল পরিবহন প্রায় অসম্ভব হয়ে পরে।দেশের উত্তর অঞ্চলে অয়েল ট্যংকার দ্বারা তেল পরিবহন শুষ্ক মওসুমে একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে।মেঘনার নাব্যতা কমে গেলেও সিলেট ,কিশোরগঞ্জ এলাকা থাকে মালামাল পরিবহন এর সিংহভাগি হয়ে থাকে নৌ পথে।টিপাইমুখি বাঁধ দেয়ার ফলে যে পরিমান পানি ছাড়া হবে তা কোন মতেই নদীর বহতা ধরে রাখতে সক্ষম হবে না। রাজধানী গামী যে প্রচুর পরিমান নির্মাণ সামগ্রী বাহী কার্গো পরিবহন আছে তা কোনভাবেই আর কার্যকর থাকবে না।ফলে মালামাল পরিবহন খরচ প্রায় তিন গুন বেড়ে যাবে।

মেঘনার পানি দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় ভনডুল হয়ে যাবে ঢাকা ওয়াসার ওয়াটার ট্রীট্ মেন্ট প্লান্টের কাজও।আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয় কুলিং ওয়াটার পাওয়া হবে দুঃসাধ্য।ফলে মেঘনা ঘাট ও আশুগঞ্জ এর বিদ্যুৎ কেন্দ্র পড়ে যাবে মহা হুমকির মুখে।সিলেট অঞ্চলের মাটির স্তর বিন্যাস এমনি যে শুধুমাত্র শ্রীমংগল অঞ্চল ছাড়া অন্য কোন এলাকাই গভীর নলকুপ খনন করে সহজে পানি পাওয়া খুবই ব্যয়সাধ্য।অপরদিকে অপ্রতুল পানির জন্য পানির স্তর নীচে নেমে যাবে যার ফলে বর্তমানে খননকৃত গভীর নলকুপ থেকে যে পান শ্রীমংগল এলাকার চা বাগান গুলোতে সরবারহ করা হয় তা করা যাবে না এবং একমাত্র রপ্তানী যোগ্য ফসল চা এর উৎপাদন হ্রাস পাবে আশংকাজনক ভাবে।

চুনারুঘাট হবিগ্ণগজ এলাকায় প্রচুর পরিমান লেবু ও মওসুমি সব্জী উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল একটি জনগোষ্ঠী একেবারেই বেকার হয়ে পড়বে।বেকার হবে পাথর ও বালু উত্তোলন ও সরবারহ গোষ্ঠী যারা বারকা নৌকা (আঞ্চলিক নাম) ব্যবহার করে নদীর উৎস মুখে প্রচুর পরিমানে পাথর(বোল্ডার,সিংগেলস,গ্রেভেল,মোটা বালু) আহরণ করে সারাদেশের নির্মাণ শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
রাজধানীসহ পুর্ব দক্ষিণ অঞ্চল এবং সিলেটের নির্মাণ শিল্প একেবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে।বাংলাদেশে উচ্চ দালান নির্মাণ ও পাকা রাস্তা ও ব্রীজ নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত পাথর ও মোটা বালুর উৎস স্থল সিলেট থেকে এসব মালামাল আহরন ও সরবারহ তীব্রভাবে হ্রাস পাওয়ায় ভারতের পাকুর থেকে এইসব পাথর আমদানী করা ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় থাকবে না।মালামাল আহরন কাজের সাথে কয়েক লাখ শ্রমিক ,সংশ্লিষ্ট বযবসায়ীরা কাজ হারায়ে বিরাট সামাজিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি করবে।
সিলেট হাওড় অঞ্চলে ধান কাটার মওসুমে হাজার হাজার শ্রমিক পাশ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ ,জামালপুর এমনকি কুড়িগ্রাম ,গাইবান্ধা থেকে এই অঞ্চলে গিয়ে ধান কেটে শ্রমের বিনিময়ে যে ধান পায় তাই তাদের বৎসরের অর্ধেক কাল নাগাদ খাদ্যের যোগান দেয়।দরিদ্র শ্রমজীবীদের এই পথটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

মাছের মাইগ্রেশন বন্ধ হয়ে যাবার ফলে হাওর অঞ্চলে উৎপাদিত বিপুল পরিমান মাছ যার বিরাট একটি অংশ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোতে রফতানি করা হয় তা বন্ধ হয়ে যাবে।
অর্থনৈতিক বিবেচনায় উল্লেখিত ক্ষতির পর পরিবেশের উপর যে ভয়াবহ ক্ষতির সমুহ সম্ভাবনা দেখা দিবে তাই বিবেচনার বড় বিষয়বস্তু ।১৫০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট বৃহদায়তনের জলাধার নির্মাণের ফলে এর ভাটিতে অর্থাৎ বাংলাদেশ এলাকায় নানামুখী পরিবেশ বিপর্যয় হবে।

এতটা উচ্চতা বিশিষ্ট জলাধারের যে চাপ মাটির উপর পড়বে তাতে মাটির সোয়েলিং প্রপার্টি বেড়ে যাবে এবং ভাটি এলাকায় ভুমি ধ্বস হতে থাকবে ও বসবাসের জন্য কোনরকম উচ্চ ভবনাদি নির্মাণ হবে অত্যন্ত ঝুকিপুর্ণ ।নির্মিত পাকা রাস্তার ফাটল দেখা দিবে।যা চলাচলের অনুপযোগী হবে। অর্থাৎ পরবর্তী প্রজন্মের লোকদের ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও সীমান্ত এলাকায় কোন পাকা বাড়ী ঘর নির্মাণ করতে পারবে না বা রাস্তাঘাট নির্মাণ হুমকির মুখে পড়বে। মেঘনার পানি হ্রাস পাওয়ায় উপকুল অঞ্চলে জোয়ারের সময় অত্যাধিক পরিমান লোনা পানি কৃষি জমিতে ঢুকে পড়বে। এই অঞ্চলে ধানের আবাদ ক্ষতিগ্রস্থ হবে।গাছপালা ধ্বংস হয়ে পরিবেশের উপর এক বিরাট নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বৃষ্টিপাতের পরিমান কমে যাবে ,তাপমাত্রা অনুভুত হবে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশী। ফলে সম্পুর্ণ উত্তর পুর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ পুর্বাঞ্চলে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল ক্রমবর্ধমান ।নদীবাহিত পলি দ্বারা বঙ্গপোসাগরের কিয়দংশ প্রতি বছরই কিছু কিছু মুল ভুমির সাথে যুক্ত হচ্ছে।বাংলাদেশ এই প্রকারের সুযোগ থেকে চিরতরে বঞ্চিত হয়ে যাবে।

সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য এমনি এক হুমকির সম্মুখীন হবে যে , কোটি কোটি মানুষের পদচারনায় যে দেশটি মুখরিত তা জনমানুষহীন এক মরুময় অঞ্চলে পরিণত হবে।সারা বিশ্ব যখন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য সোচ্চার ঠিক তখনি সাম্রাজ্যবাদী ও মানবতার শত্রু ভারত তার নিজের স্বার্থে আনবিক বোমার চেয়েও ক্ষতিকারক এই বাঁধ নামক অস্ত্রটি প্রয়োগ করছে প্রতিবেশী দুর্বল দেশটির উপর।প্রয়োজন প্রতিবাদের ।প্রয়োজন প্রতিরোধের।

লেখকঃ প্রকৌশলী, ইমেইল, saifulislam3@yahoo.com, Concern for Global Environment, Canada
http://www.sonarbangladesh.com/articles/EngrMuhammadSaiful
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
Chittagong থেকে Hossain লিখেছেন, ১৩ জুলাই ২০০৯; রাত ১২:৩৩
We general people do not have any enough knowledge and not engineer, we have to believe to our national (so called) expert and our leader. Our water resources minister says this dam or barrage will be benefit for Bangladesh and our Economic minster says it was a dream of Sk.Mujib, whom do we believe?
2112
Zinzirabazar,Keraniganj,Dhaka. থেকে Hemayet Hossain লিখেছেন, ১৩ জুলাই ২০০৯; দুপুর ০১:১৬
The Tipaimkh Kahini makes our heart beat more serious and we become frightened thinking the future.if the barrage is completed we will left in the domain of uncertainity.There will be no way to rescue us from the severe worst effect that may come.So,we should not spare any time to raise the issue with the Indian Authority without wasting anymore time.And none should make politics over the isue.Evary one is to come forward and cooperate with the government of Bangladesh.we hopefully can not allow India to make the Dam and leave the great chunk of our country to be desert and millions tobe unemployed and die without food and water.
2117
jeddah থেকে abu jarir লিখেছেন, ২০ জুলাই ২০০৯; সন্ধ্যা ০৬:৫৩
আওয়ামিলীগ সমর্থকরা বোবা, বধির, এদের নেতা নেত্রিরা ভুল করতে পারে এটা তাদের ধারনার অতিত। নেতা নেত্রীরা যে সিদ্ধান্তই নিকনা কেন সেটা ভুল হোক আর সুদ্ধ হোক কেউ কোন সমালোচনা করতে রাজি নয় কারন পাছে নেতা আবার রগ করে না ফেলেন। তাই তারা গুরু বাক্য শীর ধার্য যেমন অলংগনীয় বেদ বাক্য। তাই নেত্রির ভুল সংসোধনের সুযোগ থাকেনা। বিরোধি দল তাদের ভুল ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে তারা তাতে কোন দিনও কর্ন পাত করেনা। খালেদা জিয়া হাচিনাকে যতই সহযোগীতা করতে চাননা কেন হচিনা কোন দিনও তা গ্রহন করবেনা। দেশ ভারতের হাতে তুলে দেয়াই আওয়ামিলীগের প্রধান এজেন্ডা। এ ওয়াদা আব্দু জলিল 2005 সালে ভারতের মন্ত্রীর ছফরের সময় নিজে করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন ক্ষমতায় যেতে পারলে ভরতের সকল চাহিদা পুরন করা হবে। আতএব খালেদা জিয়া যদি ভারতের চাহিদা মত বাংলাদেশকে ভারতের হাতে তুলে দিতে সহযোগীতা করে তাহলেই কেবল আওয়ামিলীগ খালেদা জিয়ার সহযোগীতা গ্রহন করতে পারে। দেশ বিক্রির জন্য দেশ বাচানর জন্য নয়। এই সত্য টুকু দেশবাসীর বু্ঝা উচিত।
2307
Canada থেকে Abid Bahar, Ph.D. লিখেছেন, ২২ জুলাই ২০০৯; রাত ১২:১৬
Hasina is only Her Master's Voice
----------------------------------------
This is a very informative essay. Thanks to the enlightened author for his contribution.
To Hossain from Chittagong:
I think it would be the Commerce Minister (not the Economic Minister) who said it was Sk Mujib's dream. My research directs not directly to Sheikh Mujib but to the AL government. I came across an Indian writer's article where he recently mentioned that in 1974 it was the AL government that proposed to the socalled friendly India(Dada) to built a dam in Tipaimukh to stop flood in Bangladesh. Bangladesh's top expert Ainur confirms this unfortunate pro-Indian blind AL created event. If this is true,
it was as if the proverbial saying, asking the crocodile to babysit children.
Don't forget, like today's Hasina, Sk Mujib also hired nonexpert parliamantarians, ignorant ministers to deal with the counterpart expert crook Indian planners. Mujib's shallowness in intellectuality was well known to the Indians. It is said that Indians almost always preferred to deal with the demogogue "Father of the nation" than the experts dealing with a particular issue. It is possible that it was the Indian plan but Indian insider hands in the AL party put it as an AL proposal and the neo-mirjaffors in the AL today are even using it as their father Mujib's dream!
Mujib's short nonintellectual rule doomed Bangladesh with the title: "the bottomless case." If this non-intellectual AL trend and the Indian government of Bangladesh continues, I am worried Bangladesh as an entity will not survive. But ofcourse, we know it lost its independence on 1/11.
The point is, we can not afford to lose our nation. If there is the history repeating again, like Moin U Hasina will also be given shelter in several countries. But the peasant in the poor Bangladesh will not have anywhere to go but suffer in silence. All we have to do is to pressure on the Hasina government through nonviolent methods that pro-Indian Dalali and Indian water aggressin through deceptions by the puppet govt. was not tolerated and will not be tolerated by the independent-minded Bangladeshis.

One measure that I suggest is Bangladeshis should start boycotting Indian goods. We would not be needing rotten eggs. Please observe the week of August 16-23 as the Boycotting of Indian goods week. Let's start it as a symbolic event. Bangladeshis as the consumers paying money to buy commodities, ethically speaking they have the right to boycott Indian goods in Bangladesh. No seminar, demonstration will work. Boycotting would be an exercise in making a nonviolent choice. After all Bangladeshis are a nonviolent people. Only when the pocket hurts, India will listen to Bangladesh. Don't you see it considers Bangladesh it liberated from Pakistan as the "Murga (Chicken") in its hand. So boycott it, do it now or shut up for ever!
2342
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy