শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ০২:০০ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
বছরে ৫ হাজার বৃটিশ নাগরিকের ইসলাম গ্রহণ: নতুন এক চ্যালেঞ্জ (০৮/০১/২০১১)
সৈয়দ আবুল মকসুদের সাথে মতবিনিময় (২৫/১২/২০১০)
রীতা আমাকে ক্ষমা করো (১৯/০৬/২০১০)
ইউরোপে ইসলাম ও মুসলমান-২ (১২/০৬/২০১০)
ইউরোপে ইসলাম ও মুসলমান-১ (০৫/০৬/২০১০)
ওরা কারা বলে ভোট দেয়া হারাম? (২২/০৫/২০১০)
বৃটিশ পার্লামেন্টে বাঙালি প্রতিনিধি (২৪/০৪/২০১০)
বৃটেনের ক্রিসমাস (১৫/১২/২০০৯)
প্রাইমারি স্কুলে সেক্স এডুকেশনের লাভক্ষতি: বিলেতের প্রেক্ষিত (১৬/১০/২০০৯)
রোজা, ঈদ, ফিতরাঃ বিলেতে যেমন (১৬/০৯/২০০৯)
রাজপথ জনপদ (০১/০৯/২০০৯)
আগের লেখা
1617


বছরে ৫ হাজার বৃটিশ নাগরিকের ইসলাম গ্রহণ: নতুন এক চ্যালেঞ্জ

ফরীদ আহমদ রেজা

গত ৫ জানুয়ারী লন্ডনের ডেইলি মেইল পত্রিকার একটি সংবাদ শিরোনাম ছিল, হাও হান্ড্রেড থাউজেন্ড ব্রাইটন হ্যাভ চোউজেন টু বিকাম মুসলিম। বিলাতের অন্যান্য পত্রিকাও বিভিন্ন শিরোনামে খবরটি প্রকাশ করেছে। এ খবরের উৎস হচ্ছে সম্প্রতি সোয়ানসি ইউনিভির্সিটি পরিচালিত এক অনুসন্ধানী রিপোর্ট। এ রিপোর্টে বলা হয়, দশ বছর আগের অনুমান ছিল বৃটিশ জনগোষ্ঠীর ৬০ হাজার মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু বর্তমানে প্রায় একশ হাজার বৃটিশ মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছেন। প্রতি বছর ৫ হাজার ২ মানুষ মুসলমান হচ্ছেন বলে সেখানে অনুমান করা হয়। এ সকল বৃটিশ নওমুসলিমদের মধ্যে দুই তৃতীয়াংশই মহিলা এবং তাদের অধিকাংশের বয়স ২৮ বছর থেকে কম। সোয়ানসি ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে কেভিন ব্রাইস এ জরিপটি পরিচালনা করেন। কেভিন ব্রাইস কিছু বৃটিশ নওমুসলিমের কাছে প্রশ্ন রাখেন, কেন তারা ইসলাম গ্রহণ করছেন? এর জবাবে অনেকে বৃটিশ কালচারের নেতিবাচক দিকগুলোর কথা উল্লেখ করেন। এর মধ্যে রয়েছে নৈতিকতাহীনতা, মদ্যপান, মাতলামি, অবাধ যৌনাচার, নিয়ন্ত্রণহীন ভোগবাদ ইত্যাদি।

আমরা জানি ৯ সেপ্টেম্বর ২০০১ সালে টুইন টাওয়ার ধ্বংস এবং ৭ জুলাই ২০০৫ লন্ডনে বোমা হামলার পর গোটা পৃথিবীর প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া মুসলমানদের বর্বর, প্রতিক্রিয়াশীল, পশ্চাদপদ হিসেবে চিত্রিত করার নিয়ন্ত্রণহীন প্রয়াস চালাচ্ছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে মিডিয়াযুদ্ধ আগেও ছিল, কিন্তু এ দুটো দুঃখজনক ঘটনার পর এর মাত্রা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। মুসলমানদের অশিক্ষা, দারিদ্র্য এবং অনগ্রসর চিন্তার সাথে ইসলামের বিরুদ্ধে মিডিয়াযুদ্ধ যোগ হবার কারণে ইসলাম সম্পর্কে ভালো ধারণা সৃষ্টি বা নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের পরিবেশ পাশ্চাত্য সমাজে প্রায় অনুপস্থিত। এমনি পরিস্থিতিতে বছরে ৫ হাজার ২শ বৃটিশ ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণ অবশ্যই বিস্ময়কর ঘটনা। কেন প্রতি বছর হাজার হাজার বৃটিশ নাগরিক ইসলাম গ্রহণ করছেন, যাদের মধ্যে অল্পবয়স্ক মহিলারা সংখ্যায় অধিক, অবশ্যই অনুসন্ধানের দাবি রাখে। বৃটিশ সমাজবিজ্ঞানী এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা এ নিয়ে ইতোমধ্যে গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন। এ কাজ প্রধানতঃ অমুসলমানরা শুরু করছেন। ইসলাম বা মুসলমানদের ব্যাপারে আগ্রহের কারণে নয়, বৃটিশ সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণে তারা এ কাজে ব্রতী হয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ ধর্মান্তরিত হবার কারণে বৃটিশ সমাজে যে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এর তাত্ত্বিক এবং প্রায়োগিক বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা কোন সচেতন সমাজ উপেক্ষা করতে পারে না। তাদের গবেষণা এবং বিশ্লেষণ থেকে আমরা অনেক তথ্য এবং তত্ত্বকথা জানতে পারবো এতে কোন সন্দেহ নেই।

এ দিকে হাজার হাজার বৃটিশ নাগরিকের ইসলাম গ্রহণের খবর আবার অনেকের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। যে সকল বৃটিশ প্রত্রিকায় আলোচ্য প্রতিবেদনের খবর প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোতে অনলাইনে মন্তব্য করার সুযোগ রয়েছে। সেখানে বৃটিশ নাগরিকদের ইসলাম গ্রহণ প্রসঙ্গে অনেক পাঠক পক্ষে- বিপক্ষে মন্তব্য করছেন। যুক্তিপূর্ণ এবং রুচিসম্মত মন্তব্যের পাশাপাশি সেখানে নানা ধরণের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যও রয়েছে। ইসলামের প্রতি যাদের বিদ্বেষ রয়েছে এবং যারা - ইসলাম নয় - ধর্মকেই সকল অশান্তির কারণ হিসেবে বিবেচনা করেন তারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করবে, এটাই স্বাভাবিক। এটা নিয়ে চিন্তিত বা বিব্রত হবার কোন কারণ নেই। এটা স্মরণাতিত কাল থেকে চলে আসছে এবং কোন দিন তা বন্ধ হবে না। পক্ষান্তরে যারা মানব সমাজের সত্যিকার কল্যাণ চায় তাদের মধ্যে রুচিবোধ এবং সততা রয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, তাদের অনুসন্ধিৎসু মন অবশ্যই একদিন সত্যকে খুঁজে পাবে।

বৃটিশ সমাজের যারা ইসলাম গ্রহণ করছেন তারা সবাই না হলেও অধিকাংশই উচ্চশিক্ষিত এবং অনুসন্ধিৎসু মনের অধিকারী। বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা আরব বিশ্ব থেকে যারা ইমিগ্রেন্ট হিসেবে বৃটেন এসেছেন তাদের সংস্পর্শে এসেই তারা ইসলামের সৌন্দর্য দেখে আকৃষ্ট হয়েছেন এমনটি ভাবার দর্শনযোগ্য কোন কারণ আমাদের সামনে নেই। অত্যন্ত ব্যতিক্রম কিছু দৃষ্টান্ত বাদ দিলে সামাজিক আচরণ, জীবন-যাপন এবং আলাপচারিতার মাধ্যমে আমরা ইসলাম বা মুসলমানের যে ইমেজ উপস্থাপন করছি সেটা মোটেই সুখকর নয়। সত্যি কথা হচ্ছে, ইসলামের বিরুদ্ধে মিডিয়া যুদ্ধের কারণে অমুসলিমদের অনেকে ইসলামের ব্যাপারে জানার প্রতি উৎসাহিত হয়েছেন। অনেকে বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সংস্পর্শে আসার কারণে ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। আবার অনেকে নিছক নিজের অনুসন্ধিৎসু মনের তাগিদে ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করেছেন। বৃটিশ সমাজের নৈতিকতাহীনতা, অবাধ যৌনাচার, পারিবারিক বা সামাজিক বিশৃঙ্খলা এর সাথে যোগ হয়ে ক্যাটালিস্টের ভূমিকা পালন করেছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, কেউ কাউকে হেদায়াতের রাস্তা দেখাতে পারে না; যারা হেদায়াতের অন্বেষণ করে আল্লাহ তাদের সত্যপথ প্রদর্শন করেন।

আমাদের মতে এ সকল বৃটিশ নওমুসলিম আমরা যারা জন্মসূত্রে মুসলমান তাদের সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। কেন তারা ইসলাম গ্রহণ করছেন এ প্রশ্নের জবাবে কেভিন ব্রাইসের কাছে তারা বলেছেন, বৃটিশ সমাজের নৈতিকতাহীনতা, মদ্যপান, মাতলামি, অবাধ যৌনাচার, নিয়ন্ত্রণহীন ভোগবাদ ইত্যাদির কারণে তারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। কিন্তু এ দেশের ইমিগ্র্যান্ট মুসলমান - তারা যে দেশেরই হোন না কেন - তারা কি এ সকল দোষ থেকে মুক্ত? আদর্শবাদিতা, সততা, নীতিনৈতিকতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি ভালো ভালো গুণের কথা বই-পুস্তকে পড়ে তারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। মুসলিম সমাজে এসে যদি তারা এর বিপরীত চিত্র প্রত্যক্ষ করেন তা হলে তাদের দুঃখবোধ এবং অনুশোচনার কোন সীমা থাকবে না। আমরা তাদের সে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো কি পারবো না, আজকের দিনে সেটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আরো আমরা দেখেছি, বিলাতের নওমুসলমানরা মুসলমান হওয়ার পর প্রথম যে কাজটি শুরু করেন তা হচ্ছে অর্থসহ কুরআন অধ্যয়ন। প্রথমেই তারা বুঝতে চেষ্টা করেন কুরআনে আল্লাহ কি বলেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে এক ইসলামী অনুষ্ঠানে একজন বৃটিশ অমুসলমানের সাথে আমার দেখা হয়। তিনি ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে সে সমাবেশে আসেন। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনাদের ছেলেমেয়েকে আরবী কুরআনের পাশাপাশি এর ইংরেজি অর্থও শিক্ষা দেয়া দরকার। যে কুরআনে তারা ঈমান এনেছে সেখানে কি লেখা আছে তা তাদের বোঝা দরকার। আমরা বিলাতের মুসলমানরা অনেক কিছু নতুন করে শিখছি, অনেক নতুন কর্মদক্ষতা অর্জন করছি। আল্লাহর ওয়াস্তে টাকা-পয়সা খরচের ব্যাপারেও আমরা পিছিয়ে নেই। কিন্তু আল্লাহর সর্বশেষ গ্রন্থ কুরআন, যার উপর আমরা ঈমান এনেছি, সেই গ্রন্থটি বুঝেশোনে অধ্যয়ন করার ব্যাপারে আমাদের তেমন আগ্রহ দেখা যায় না।

বর্তমানে আমরা এমন একটা সময় অতিক্রম করছি যখন এক দল লোক সর্বশক্তি দিয়ে চিৎকার করে ঘোষণা দিচ্ছে, ইসলাম পশ্চাদপদ ধর্ম এবং তাদের মধ্যে অনেক জন্মসূত্রে মুসলমানও রয়েছেন। অনেকে আবার ইসলামের দোহাই দিয়ে বলছে, বৃটিশ সমাজের সাথে ইসলাম চলনসই নয়। এমনি মুহুর্তে বৃটিশ নাগরিকদের ব্যাপকহারে ইসলাম গ্রহণ আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বৃটিশ সমাজের সাথে ইসলামের যোগসূত্র প্রতিষ্ঠা করা। এটা প্রমাণ করা যে, ইসলামের মৌলিক নীতির সাথে কোন আপোস না করে বৃটিশ সমাজে বসবাস করা যায়। খাঁটি মুসলমান হবার পরও বৃটেনের সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় কর্মতৎপরতায় অংশ নেয়া যায়। ইসলামের মধ্যে সকল যুগে এবং সকল স্থানে চলার মতো ব্যাপকতা রয়েছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া বা আরব দেশের সংস্কৃতি এবং ইসলাম এক জিনিস নয়। বিভিন্ন দেশে যখন ইসলাম গিয়েছে তখন সে সকল দেশের অনেক দেশজ জিনিস মুসলমানদের মধ্যে অনুপবেশ করেছে। ইসলামের মৌলিক নীতির সাথে সাংঘর্ষিক না হলে এগুলো গ্রহণ করার মধ্যে দোষের কিছু নেই। বৃটিশ সংস্কৃতির ব্যাপারেও আমাদের একই দৃষ্টিভঙ্গী পোষণ করতে হবে। বৃটিশ সংস্কৃতির সব কিছু খারাপ, এ ধরণের কথার মধ্যে কোন সত্যতা নেই। এ দেশে বসবাসের কারণে আমরা বৃটিশ সংস্কৃতির অনেক কিছু এমনিতেই গ্রহণ করে নিয়েছি। সময়ের প্রয়োজনে এবং অবস্থার তাগিদে আগামীতে আরো অনেক কিছু গ্রহণ করবো। প্রাগ্রসর মুসলিম চিন্তাবিদদের এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা দরকার। আমাদের আলেম সমাজ যদি পাকিস্তান, বাংলাদেশ বা আরবের চশমা চোখে দিয়ে বৃটিশ সমাজকে বিশ্লেষণ করেন তা হলে তারা ভুল করবেন। বৃটিশ সমাজের কেন্দ্রভূমিতে ইসলামের আলো নিয়ে আসতে হলে প্রথমে বৃটিশ সমাজকে জানতে হবে এবং বুঝতে হবে।

ইসলাম গ্রহণের পর একজন বৃটিশ নাগরিককে কি কি অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয় তা আমাদের অনুধাবন করা দরকার। মুসলমান হবার পর যদি তাদেরকে মুসলিম সমাজের সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন হিসেবে থাকতে হয় তাহলে এর চেয়ে পরিতাপের বিষয় আর কি হতে পারে? আবিসিনিয়ার গোলাম বেলাল, রোমের অভিজাত সুহাইব এবং কুরাইশ নেতা আবু বকরকে ইসলাম এক কাতারে এনে দাঁড় করিয়েছে। ইসলামের একত্ববাদ, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা, মানবিকতা এবং উদারতার বাণী বৃটিশ জনগণকে ইসলাম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে। আমরা জন্মগত মুসলমানরা যদি এর বাস্তব নমুনা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হই তা হলে এর দায় আমাদেরই ভোগ করতে হবে।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/FaridAhmedReza
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
টোরন্টো থেকে কুয়াশা লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৪:০৭
চমৎকার লেখা, আমার মনে হয়, জন্মসুত্রে মুসলমানদের দায়িত্ব আরো বেড়ে গেলো। আমাদেরকে আমাদের আচারে, চলনে, বলনে শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসাবে প্রতিপন্ন হতে হবে, যা ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে।
45267
বানিয়াচং, হবিগঞ্জ থেকে এ,বি,এম, আল-আমীন চৌধুরী লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:২২
ইসলাম মহান আল্লাহ তাআলার নিকট একমাত্র মনোনীত ধর্ম। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম যে সুন্দরতম দিক নির্দেশনা দিয়েছে তা কোথাও খোজে পাওয়া যাবে না। এর দ্বিতীয় কোন উপমা নেই পৃথিবীতে।
আমরা মুসলমানদের প্রথমেই মনে রাখতে হবে যে, ইসলামের সৌন্দর্য্য ও এর মহিমান্বিত রূপ মুসলমানদের আচরণের মাধ্যমেই সকলের নিকট প্রকাশ করতে হবে বা প্রকাশ পাবে। কবি কতই না সুন্দর বলেছেন-‍

"ইসলাম সে তো পরশ মণি, কে পেয়েছে তাহারে খুঁজি;
পরশে তাহার সোনা হল যারা তাহাদের আমরা বুঝি!"

বাস্তবতা কিন্তু তাই........
বিশেষ করে অমুসলিরা মুসলমানদের সার্বিক আচরণ এবং মূল্যবোধের উৎকৃষ্টতা দেখেই কিন্তু ইসলামী বিষয়ে পড়া-শোনায় আগ্রহী হয় এবং ধীরে ধীরে তার নিজস্ব চিন্তাধার, ধর্ম ও মূল্যবোধের সাথে ইসলামী মূলবোধকে তুলনা করতে থাকে। যখন সে তার চিন্তার চুড়ান্ত স্বরূপ ইসলামে অতি উত্তম ভাবে ইসলামে বিবৃত হয়েছে দেখতে পায় এবং ইসলামের সৌন্দর্য্য তার ভিতরকে আলোকিত করে দেয়, তখন সে পার্থিব ভোগ-বিলাসের সকল বিষয়েকে লাত্থি মেরে ইসলামের সুশীতল ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করে। নিজেকে সমর্পণ করে মহাপরাক্রমাশালী, অতি দয়াবান, মেহেরবান আল্লাহ তাআলার দরবারে।
মুসলমানদের সাথে নওমুসলিমরা মিশে কিন্তু প্রথওমেই হোচট খান। মুসলমানদের আচরণে তারা দুঃখও পান ব্যাপক। আমাদের অধপতন দেখে তারা আশ্চর্য হন। আমরা যারা মুসলমান, আমরা নিজেরাই নিজেদের মূল্যবোধের জলাঞ্জলি দিয়ে অতি নিকৃষ্ট মূলবোধ গ্রহণ করতে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যাই। নও মুসলিমরা তখন কিন্তু খুবই আশ্চর্য হন আমাদের অপরিনামদর্শী প্রতিযোগিতা দেখে।
এ বিষয়ে জনৈক নও মুসলিমের উক্তিটি প্রাণিধান যোগ্য- তিনি বলেনঃ "আলহামদু লিল্লাহ! আল্লাহ তাআলা দরবারে হাজার শোকরিয়া যে, তিনি আমাকে মুসলমানদের সাথে মিলিত হওয়ার আগেই ইসলাম গ্রহণের তৌফিক দিয়েছেন। কারণ মুসলমানদের আচরণ এবং ইসলামের মধ্যে যে ব্যাপক তফাৎ।"
এই নও মুসলিমের কথাতে কি আমাদের ভাবনার খোরাক নেই!!
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামী আদর্শে আদর্শবান হওয়ার তৌফিক দান করুণ।

সুন্দর ও চিন্তাশীল প্রবন্ধের জন্য জনাব ফরীদ আহমদ রেজা সাহেবকে অসংখ্য অগণিত মোবারকবাদ। ভাল থাকুন। আল্লাহ হাফেয।
45295
আবুধাবী, ইউ.এ.ই থেকে মোহাম্মদ লোকমান লিখেছেন, ০৯ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৩১
রেজা ভাই, সালাম েনেবেন। আপনার সাথে পরিচয় সেই ৮০'র দশকে চট্রগ্রামে। খুব পান চিবোতেন, এখনো চলে কি?

আপনার লেখাটা বেশ ভাল লাগলো। একদিকে যেমন খুশীর খবর অন্যদিকে দ্বায়িত্ব্ও বেড়ে গেছে মুসলমানদের।

ভাল থাকুন ধন্যবাদ।
45314
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১০ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:১০
ফরীদ আহমদ রেজা সাহেব কে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর কলম দেওয়ার জন্য।
রাসূল (সাঃ) যখন মক্কায় ইসলাম ধর্ম প্রচার করা শুরু করেছে তখন ইসলাম বিদ্বেষিরা হজ্বের সময় ভিবিন্ন দেশ থেকে আগত মানুষদের কে বলতো মক্কায় একজন পাগলের আর্বিভাব হয়েছে তার নাম হল মুহাম্মদ খবরদার ওর কাছেও যাবে না, তখন সাধারণ মানুষ রা এই অদ্ভুদ মানুষ সর্ম্পকে জানার জন্য আগ্রহ বেড়ে গেল এবং দলে দলে রাসূল (সাঃ) এর বাণী শুনে ইসলাম কবুল করতে লাগলো। যতই ইসলামের বিরোদ্ধে প্রচারোনা বেশি হবে ততই ইসলাম বিস্তার লাভ করবে।
যেই সত্য পথে আসার চেষ্টা করবে এবং আল্লাহ যাকে পছন্দ করবে সেই একমাত্র হেদায়ত পাবে, রাসূল (সাঃ) নিজের চাচা আবু তালেব কে হেদায়ত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেও হেদায়ত করতে পারে নাই সেই জন্য আল্লাহ বলেছেন সূরা কছ্ছ এর ৫৭ নম্বর আয়াতে إنك لا تهدي من أحببت ولكن الله يهدي من يشاء
যাকে তুমি পছন্দ করো তাকে তুমি হেদায়ত করতে পারবে না আল্লাহ যাকে পছন্দ করে তিনিই হেদায়াত প্রাপ্ত হবে।
হুদাইবিয়ার সন্ধি যদি পড়ি তা হলে বুঝা যাবে রাসূল (সাঃ) নন-মুসলিমের অনেক অযুক্তিক দাবিও মেনে নিয়েছে, তাতে অনেক সাহাবিরা পর্যন্ত রাসূল (সাঃ) উপর প্রশ্ন করতে বাধ্য হয়েছে, কুরআন বলতেছে إنا فتحنا لك فتحاً مبياً (সন্ধির পড়ে) আমি তোমাদের কে বড় বিজয় দান করেছি, বড় বিজয়টা কেমন করে একটু দেখি হুদাইবিয়ার সন্ধির আগে নন-মুসলিমরা পৃথীবির ভিতর মুসলিম জাতির অস্তিস্থ কে মেনে নিতে পারে নাই, সন্ধির মাধ্যেমে ওরা মুসলিম জাতির অস্তিস্থ কে স্বীকার করে নিয়েছে।
45365
salalah.oman থেকে zobaerhazari লিখেছেন, ১০ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:৩৬
ফরীদ আহমদ রেজা সাহেব কে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর কলম দেওয়ার জন্য।
**********************************************
ইসলাম মহান আল্লাহ তাআলার নিকট একমাত্র মনোনীত ধর্ম। ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম যে সুন্দরতম দিক নির্দেশনা দিয়েছে তা কোথাও খোজে পাওয়া যাবে না। এর দ্বিতীয় কোন উপমা নেই পৃথিবীতে।
45391
বরিশাল থেকে কায়েস লিখেছেন, ১১ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:২৫
ধন্যবাদ আপনার যুগোপযোগী বক্তব্য পেশ করার জন্য । আসলে আমরা মুসলমানরাই অনেকে ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারনা পোষন করি না। অনেকেই বিভিন্ন ব্যক্তির লেখা ইসলামী বই পড়েন, অথচ কুরআন শরীফ পড়ার প্রতি তাদের কোন আগ্রহ নেই। আল্লাহ তায়ালা কুরআন শরীফকে সবচেয়ে সহজ ভাষায় প্রেরন করেছেন।
45447
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ১১ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:৩২
sikkito lok musalman hoylee musal maan der maan sormaan takibee. aar talibani lokera musal maan hoylee islam dubibee.
45481
ফ্লোরিডা থেকে কামরুল লিখেছেন, ১১ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:০৩
জনাব ফরীদ আহমদ রেজা,

বছরে ৫ হাজার বৃটিশ নাগরিকের ইসলাম গ্রহন!!! আন্যদিকে কত ডজন পাঁচ হাজার ইসলামকে তালাক দেয় সে খবর আছে?? বৃটেনে বসবাসরত ইরানীদের খবর নিয়ে দেখেন। উত্তর পেয়ে যাবেন। আমার আফিসের ইরানি কলিগ "মেহেদি কাজেমি" এখন মাইক কাইজার নামে পরিচিত। ধন্যবাদ।
45484
রাজশাহী থেকে জি. কে. ফেরদৌস লিখেছেন, ১১ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৫০
অনেক ধন্যবাদ, সুন্দর লেখা উপস্হাপনের জন্য। আমরা এক মিশনারী জাতি, একটা মিশন দিয়েই আল্লাহ আমাদের পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, কিন্তু আমরা তা ভুলে ভিন্ন এক মিশনে নিজেদেরকে ব্যস্ত রেখেছি। আর এটাই স্বাভাবিক, না হলে শয়তান বসে বসে কী করবে। আর এটাও মনে হয় যাদের ভিত্তি মজবুত তারা আবার ফিরে আসবে।
মুসলিম হওয়াটা খুব বড় কিছু নয়, মুসলিমত্ব ধরে রাখাটা আসল ব্যাপার। আসুন আমরা যারা মুসলিম বলে দাবি করি, তারা আমলে, আখলাকে তা প্রমান করি।
45501
১০
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১২ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:৫২

ফ্লোরিডা থেকে কামরুল কে আপনিও মনে হয় ধর্ম ত্যাগ করেছেন ? ধর্ম ত্যাগ করে অন্য কোন ধর্ম গ্রহণ করেছেন ? আমরা পাঠক সমাজ একটু জানতে চাই। আত্নীয় স্বজন কে বলে রাখিবেন কেউ যেন ভুলেও ইসলামি জানাযা না দেয়, মৃত ব্যাক্তির জানাযা দেওয়ার জন্য মুসলমান হওয়া শর্ত।
45544
১১
ফ্লোরিডা থেকে কামরুল লিখেছেন, ১২ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৩:১০
জনাব ফরীদ আহমদ রেজা ও অন্যান্ন ব্লগার,

অন্তসারশুন্য দেউলিয়া জাতি, যাদের কোন প্রাপ্তি নেই তারাই কাজগ কলমে সংখ্যা গননা করে তৃপ্তি পায়। কনভারশনের কথা বলা হছ্ছে , আসলে এ ধরনের কনভারশন সব ধর্মে আছে। মুসলিম দেশ সুদানের দিকে তাকান। আজকে দক্ষিন সুদানের খোদ মুসলমানরা তাদের ধর্ম ত্যাগ করে রেফারেন্ডামে স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিছ্ছে। এটা আমার কথা না, এমেরিকা/কানাডা/বৃটেন এ বসবাসকারী দক্ষিন সুদানের মুসলমানরাই এ কথা বলছে। সিএনএন, বিবিসি তে প্রতিদিন এ ধরনের খবর প্রচার হছ্ছে। ইসলামের পরশ পাথরের প্রপ্তি টনি ব্লেয়ারে শ্যালিকার মধ্যে পাওয়া গেলেও জ্ঞান, বিজ্ঞান, আবিস্কার, লেখা পড়ার ক্ষেত্র ঐ পরশ পাথর এখনো কালো পাথরই রয়ে গেছে। জ্ঞান বিজ্ঞানে আগ্রসর ইউরোপ, আমেরিকার চ্যালেঞ্জ মুসলমানরা নয়, মোটেও না। আজকের চ্যালেঞ্জ ক্ষুদা মুক্ত পৃথিবী, রোগ ব্যাধি চিকিৎসা, মঙ্গল গ্রহ ইত্যাদি। টনি ব্লেয়ারে শ্যালিকার মাঝে কোন প্রপ্তি বা চ্যালেঞ্জ নেই।
45545
১২
সৌদীয়া আরাবীয়। থেকে মুহাম্মদ ইলিয়াছ লিখেছেন, ১২ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:৪১
ফ্লোরিডার কামরুলকে,
আল্লাহ পাক যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দিয়ে তাকেন, হেদায়াত পাওয়ার সৌভাগ্য সবার হয়না, এর প্রমাণ রাসূলের চাচা হয়ে আবু তালেবের ইসলাম কপালে জুটেনি, ফেরআউনের স্ত্রীহয়ে আছিয়ার দ্বীন লাভের সৌভাগ্য হয়েছে। তাইতো দেখি ব্রিটেনের অমুসলিমরা ইসলাম গ্রহন করছে, অন্যদিকে আমাদের দেশে তাসলিমা নাসরিন, আহমদ শরীফ, শামসুর রহমান,( স্বগোষিত মুরতাদ ) হয়তো ( নিশ্চিত না )আপনি তাদের পদযাত্রী মুসলিম পিতা মাতা থেকে জন্মগ্রহণ করেও ইসলামের কথা শুনলে কলিজা জ্বলে ।
45575
১৩
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১২ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:২৮
১১
ফ্লোরিডা থেকে কামরুল কে মানুষের এখন গড় আয়ু ৬০ থেকে ৭০ বছর যা আমাদের নবী বলে গেছেন,এই সামান্য জীবনের জন্য যদি এত চিন্তা করতে হয়, পরকালের জীবন যার কোন শেষ নাই যেই জীবনে কোন মৃত্যু নাই তার জন্য কতটুকু করতে হবে ? মৃত্যুর পরে কেউ যদি হাজার বার চেষ্টা করে ঈমান আনতে পারবে না।
দক্ষিন সুদানের কথা বলেছেন আপনাকে কে খবর দিয়েছে দক্ষিণ সুদান মুসলমান মিথ্যা কথা বলার একটা সিমা আছে, দক্ষিণ সুদানে মুসলমান নাই ৯৫% খৃষ্টান উত্তর সুদানে সবাই মুসলিম, আপনি দেখি মিথ্যা কথা বলে আনন্দ পান ?
মুসলমান উদার মানসিকতার পরিচয় বহন করে সেই জন্য গণভোটের মাধ্যেমে তাদের কে স্বাধীন দিতেছে গণভোটের মাধ্যেমে পূর্ব তিমুর কে ইন্দোনেশিয়া স্বাধীন দিয়েছে, কিন্তু নন-মুসলিমরা পিলিস্থিন কে স্বাধীন দিতে পারে না কাশ্মীর কে স্বাধীন দিতে পারে না চেচেনিয়া, মিন্দানেওয়া কে স্বাধীন দিতে পারে না, এর পরেও বলবো ইসলামের আলো তারা যে নিবাইতে চাই তাদের দেশে এই আলো জ্বলে উঠবে।
( সিএনএন, বিবিসি ) রাখেন আপনার সিএনএন, বিবিসি, এই গুলোত তো অনেক পুরানো ইহুদিদের মিডিয়া এই গুলো নিয়ে আপনি এত নাচানাচি করেন কেন ?
এই সমস্ত মিডিয়া সাদ্দাম হোছেনের কাছে অনেক মরণ অস্ত্রর সন্ধান দিয়েছিল ইরাক দখল করার পরে কোন মরণ অস্ত্র পেল না কেন ?
ক্ষুদা দারিদ্র মুসলিম দেশে যেই রকম আছে ওমুসলিম দেশে আরো বেশি আছে। টাইমস পত্রিকায় একবার দিয়েছে ভারতে ৩৫ কোটি মানুষ চরম ক্ষুদা নিয়ে রাত্রে ঘুমাইতে যায়, যেই খানে মানুষ ক্ষুদার জ্বালা মিটাতে মাটি খেতে হয়। যারা ভারত সর্ম্পকে অবগত আছে তারা অবশ্যই বলতে বাধ্য হবে ভারতের সাধারণ জনগণের চাইতে পাকিস্থান বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের আর্থিক অবস্থা অনেক ভাল।
ইসলামি চিন্তাবিদ মরহুম আবুল হাছান নদভী ইসলাম কে সূর্যর সাথে তুলনা করেছেন সূর্য এক দেশে ডুবলে আর এক দেশে উদিত হয় কেউ এই সূর্য কে চিরদিনের জন্য ডুবিয়ে দিতে পারবে না ।
৪/১০/২০১০ ইনকিলাব পত্রিকায় দিয়েছে জার্মানের চ্যান্সলর এঙ্গেলা মার্কেল বলেছে জার্মান একদিন ইসলামী রাষ্ট্র পরিণত হবে বর্তমান জার্মানিতে মুসলমানের সংখ্যা ৫০ লাখ।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক কে প্রশ্ন করা হয়েছে ফ্রান্সে যেই হারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতেছে একদিন ফ্রান্সের অধিবাসি সবাই মুসলিম হয়ে যাবে সেই দিন আপনি কি করবেন জ্যাক শিরাক উত্তর দিয়েছে সেই দিন আমিও মুসলিম হয়ে যাবো।
আল্লাহ তায়ালা সূরা আল-আনআমের ১২৫ নম্বর আয়াতে বলেছেন فمن يرد الله أن يهديه يشرح صدره للإسلام ومن يرد أن يضله يجعل صدره ضيقاً حرجاً الخ
অর্থ যাকে আল্লাহ চাই তাকে হেদায়ত দান করে ইসলামের জন্য তার অন্তর কে প্রশস্ত করে দেয় যাকে আল্লাহ চাই পথভ্রষ্ট করে দেয় তাদের অন্তর কে সংর্কিণ করে দেয়।
45612
১৪
milan থেকে abdur rob লিখেছেন, ১২ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:৫৭
a fly likes to be in shit instead of sweets. there are some people in every society as bengali in england who never find something as sweets, instead shits. i wonder if you are that kind. it seems that you are a "" dudhe dhoa tulshi pata" if you are true lover of islam, then i may say that i see your beard longer than what it is now. more over, i guess you are " Jamayte Islami" and who is just selling islam for personal gain..
45637
১৫
কামলাপুর, ঢাকা থেকে আবুল লিখেছেন, ১২ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৩২
milan থেকে abdur rob/ 14
It seems that you tend to guess or preoccupied with shit like a fly all the time.
45644
১৬
Belfast থেকে LONG DONG SILVER লিখেছেন, ১৩ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৪৫
A survey done by Trojan condom UK shows 73% of divorced Indian expatriate women in UK remarry a Muslim man from sub continental India. It is alarming that nearly 3 out of 4 divorced Indian women leave their spouse for Muslim man.
45645
১৭
কানাডা থেকে আবু সাইদ মোল্লা লিখেছেন, ১৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:০৪
ফ্লরিডার কামরুলকে ধন্যবাদ।
পাঁচহাজার বৃটিশ নাগরিকের ইসলাম গ্রহন করার মাঝে মুসলমানদের কোন প্রাপ্তি নেই। প্লাস মাইনাস করলে দেখা যাবে আরো অধিক সংখ্যক মুসলান ধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্মে চলে যায়। মুসলমানদের প্রাপ্তি হবে নোবেল পুরুস্কার পাওয়া, মাক্রোসফ/গুগুলের প্যারালাল কিছু আবিস্কার করা, চাঁদে/মঙ্গলে স্পেস সাটেল নিক্ষেপ করা । কিন্তু দুঃজনক হলেও সত্য এ ধরনের আবিস্কার মুসলমানদের বেলায় এখনো কৌতুক(জোক) মাত্র।
45669
১৮
ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান লিখেছেন, ১৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:৫৯
ইসলাম হলো একমাত্র আল্লাহ তালার মনোনীত র্ধম। এ র্ধম গ্রহন করে ইসলামে উপর জীবনযাপন করে মৃত্যু বরণ করলে আল্লাহ তাহাকে জান্নাত দান করবেন। তাই আমরা সকলেই ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী জীবন যাপন করার জন্য একান্ত চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ। আমাদের সকলকে আল্লাহর আদেশ মেনে চলব আল্লাহ আমার তৈফিক দান করুন।
45673
১৯
সিংগাপুর থেকে মো রাসেল লিখেছেন, ১৩ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫১
প্রথমে লেখকক জানাই "আস সালামু আলাইকুম" । আপনার সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ । ফ্লোরিডার কামরুল কি লিখছে দেখি নাই । কিন্তু কানাডা থেকে আবু সাইদ ভাইয়ের লেখা দেখে খুব কষ্ট পাইলাম । ভাই আপনি হয়ত জানেন না বৈগ্গানিক এইসব কথা ১৪০০ বছরের পুরানো মহা গ্রন্থ আল কুরআন এ ভালো করেই উল্লেখ আছে । আপনি কি ভূলে গেছেন চাঁদে যাওয়ার পর দুজন খ্রীষ্টান মুসলিম হয়েছিল । কারন আল কুরআনে উল্লেখ্য চাঁদের গায়ের দাগ তাদের কাছে ফাটল বলে প্রমানিত হয়েছে এবং ঐ দাগ ১৪০০ বছরের পুরানো বলেও তারা প্রমান পাইছে , যা কিনা আল কুরআনেও একইরকম বর্ননা দেয়া । তাই বলি যা আমাদের জানা , তা জানতে কেন মুসলমানদের মহাকাশ প্রেরন করতে হবে বলতে পারেন । আমরা তো এগুলি আল কুরআন থেকেই জানতে পারি । তাছাড়া বড় কথা হইল দুনিয়া তো নন মুসলিমের আর মুসলিমদের জন্য আছে আখেরাত ।
45717
২০
মালয়েশিয়া থেকে আরিফ লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:৫১
ননমুসলীম রা ইসলাম বুঝল ঠিকই কিন্তু জন্মসূত্রে মুসলিম হয়েও আমরা ইসলাম বুঝলাম না
45752
২১
কানাডা থেকে সেলিম ভুঞা লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ১২:৩০
@১৯,সিংগাপুর থেকে মো রাসেল,

এত আখেরাত বুঝেন, কিন্তু তারপরও সিংগাপুরে কেন? তার চেয়ে ভাল আরব দেশে চলে যন, সেখানে বালির উপর খেজুর পাটি বিছিয়ে তজভিহ জপেন। আখেরাত পাকাপক্ত হবে। ধন্যবাদ
45759
২২
কানাডা থেকে সেলিম ভুঞা লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ১২:৩৬
@ ১৯ সিংগাপুর থেকে মো রাসেল,

ভাই আপনার মত মুসলমানরাই অন্যের বাড়া ভাত খেতে পছন্দ করে। সবই জানেন, কিন্তু সামান্য ব্লাড প্রেসার চেক করার জন্য সিংগাপুরে চিকিৎসা করাতে হয়। ধন্যবাদ।
45760
২৩
সৌদি আরব। থেকে মুহাম্মদ ইলিয়াছ লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৫১
ইসলাম কারো মুখাপেক্ষী না, বরং ইসলামের খেদমত করতে পারাটাই সৌভাগ্য, ইসলামের প্রচারে, দাওয়াতে আপনার চেষ্টা থাকলে আপনি সফল, অন্যতায় শতকোটি টাকার মালিক হলেও আপনি অকৃতকার্য, তাই নিজেকে ইসলাম জানার জন্য, বোঝার জন্য আত্মনিযোগ করুন, মা বাপ মুসলমান হলেই ছেলে মুসলমান হবে এরকম কোন কথা নেই। আল্লাহ পাক আমাদের ইসলাম জানার বুঝার তৌফিক দান করুন।
45775
২৪
সিংগাপুর থেকে মো রাসেল লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১৮
@20 , 21 কানাডার সেলিম ভাই । আপনার নামের শেষে ভূঞ্ঝা কথাটি আপনার জন্য ভালই মানায়ছে । যাই হোক আপনাকে অপমান করার ইচ্ছা আমার নেই । তবে শুনুন শুধু আরব দেশেই মুসলিম থাকে না । সিংগাপুরে আমার আপনার থেকে অনেকাংশে ভাল মুসলিম আছে । তাছাড়া এখানে হালাল উপায়ে কাজ করে অর্থ নেই , চুরি করে না বা ভিক্ষা করে নয় । আরব দেশে গেলেই মানুষ দ্বীনধার হয়না । আপনাদের দোয়াতে আর আল্লাহর রহমতে সিংগাপুর থেকেও ৫ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরতে পারি , যা কিনা সৌদি আরব থেকেও অনেক মুসলিমের নসিফে হয়না । তাই বলব ভাই সহজ কুরআনের কঠিন ব্যাক্ষা করে ইসলাম কে ভূল বূজবেন না দয়াকরে । আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুক ।
45789
২৫
America থেকে jibon লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৪৯
আবু সাইদ মোল্লা from Canada,and Qumrul,both are same person. What kinds of job do you have in US. All iranis are Shia,Most of Shia became christan in US. there is not single Shia mosque in USA. you are christan or hindu.
For your information http://www.youtube.com/watch?v=2GpDN7Wsq4A
45793
২৬
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:০৭
২১
কানাডা থেকে সেলিম ভুঞা কে আপনি ঐ সমস্ত জাতি কে নিয়ে গর্ভ করতেছেন যেই সমস্ত জাতি আরব তথা মুসলিম জাহানের সম্পদ ডাকাতি করতে সব সময় অব্যস্ত, মুসলমানরা আল্লাহ কে সেজদা করে আর আপনার গর্বিত জাতি সকাল বিকাল আরবের পেট্রোল কে সেজদা করে, এবং আরবের নেতাদের কে তৈল মালিশ করে যাতে পেট্রোল যেন বন্ধ না করে।
পশ্চিমা জাতিরা এতই কাবিল তাদের কে একটু বলেন, আরবের পেট্রোল ডাকাতি করা বন্ধ করুন।
45794
২৭
ঢাকা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ১৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:৪৮
আল্লাহপাক যার ভাগ্যে হেদায়াত রেখেছে সে-ই হেদায়াত পায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের জীবনেই মৃত্যুর পূর্বে ধর্মের ব্যাপারে একটা চেতনা উদিত হয় (আল্লাহর পক্ষ থেকে), যে সঠিক সময়ে সাড়া দিতে পারে, সে হেদায়াত প্রাপ্ত হয় (যে সাড়া দিতে পারেনা সে অমুসলমানই থেকে যায়)। মুসলমানের ঔরসে জন্ম নিয়ে মুসলমানি নাম রাখলেই মুসলমান হয়ে যাবে এমন কোন শর্ত নাই। তাইতো আল্লাহপাক বলেছেন, "ইন্নাল্লাজিনা কাফারু মেন আহালিল কিতাবে ওয়াল মুসরেকিনা ফি নারে জাহান্নামা খালেদুনা ফিহা, উলায়কাহুম শার্রুল বারিইয়া।" অর্থাৎ অবশ্যই কিতাবধারিদের মধ্য হইতে কাফিররা ও মুসরিকরা জাহান্নামে যাবে এবং চিরকাল সেখানে থাকবে, তারাই হইল সবচেয়ে নিকৃষ্ট সৃষ্ট। সারা দুনিয়ার মানুষও যদি মুসলমান হয়ে যায় তাতে আল্লাহপাকের কিছু যায়-আসে না, আবার সারা দুনিয়ার মানুষ যদি অমুসলমান হয়ে যায় তাতেও আল্লাহর কিছু যায়-আসবে না। মানুষকে আপন ফয়দার জন্য মুসলমান হতে হয়। আর যারা কাফির হয় তারা ইসলাম ধর্মের সমলোচনা করে থাকে সেই আদিকাল থেকেই। পারলে ক্ষতি করারও চেষ্টা করে। তাতে কি ধর্ম ইসলাম কি পিছিয়ে পরেছে? নাকি ধর্ম ইসলামের প্রভাব কমে যাচ্ছে? না, এর কোনটাই নয়। আল্লাহপাক তার মনোনীত ধর্মকে হেফাজত করবেনই শেষ ক্ষণ পর্যন্ত। কিন্তু আমরা মুসলমানরা ধর্মকে ঠিক ভাবে আঁকড়ে না ধরার কারনে পিছিয়ে পড়ছি। এটা ধর্মের দোষ নয়, দোষ আমাদের মুসলমানদের। যাক, ধন্যবাদ সকলকে।
45800
২৮
উত্তর এমেরিকা থেকে যাযাবর লিখেছেন, ১৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:৪৮
রং বে রংগের কৃর্তীমান মুসলমান,

ব্লগার ১৯, রাসেল; বলেছেন সব কিছুই নাকি কোরানে বয়ান করা আছে। তাই চন্দ্র অভিযানের কৌশল মুসলমানদের কাছে মামুলি ব্যাপার, এই সমান্য বিষয়ে মুসলমানরা চাঁদে যাবে কেন? কিন্তু এই চন্দ্র বিজয়ী অসামান্য অমুসলিম বৈজ্ঞানিকদের নিজ দলে ভিড়ানোর দুরহ কৌশল মুসলনামরা ভালকরেই রপ্ত করেছে। জনাব রাসেল@১৯ আরো বলেছেন, নন মুসলিমদের দুনিয়া আর মুসলিমের জন্য আখেরাত। অথচ ঐ তিনি, দুনিয়ার লোভ সামলাতে না পেরে সয়ং সিংগাপুরে হাজির।

@২০ আরিফ; আপনার সাথে সহমত। সর্বহারা মুসলমানরা এখন ইহুদী-নাসারাদের নিয়ে টানাটানি শুরু করছেন। যদি শেষ রক্ষা হয়।

@ ২৭ আনোয়ার; দুঃখ কেন? মুসলমানদের পড়ালেখা, শিক্ষা, জ্ঞান বুদ্ধি কিছ্ছু নেই, তাতে কি হয়েছে? প্রতি বছর পাঁচ হাজার নতুন মুসলামান ঠিকই পয়দা হছ্ছে। আলমাদুলিল্লাহ।

@ ২৩ মুহাম্মদ ইলিয়াছ; ইসলাম কারো মুখাপেক্ষী না, শুধু আমেরিকার মুখপেক্ষী।

@ ১৩ জাহেদ; সবুরে মেওয়া ফলে। তাজবিহ নিয়ে চ্যান্সলর এঙ্গেলা মার্কেলের নাম জপতে শুরু করেন।
45815
২৯
ঢাকা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ১৫ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৩৫
যাযাবর সাহেব,
আমার কোন দূঃখ নাই এবং আমি আমার মন্তব্যে তা প্রকাশও করি নাই। তারপরও আপনি আমার দূঃখ আবিস্কার করলেন কি ভাবে? "প্রতি বছর পাঁচ হাজার নতুন মুসলামান ঠিকই পয়দা হছ্ছে"--এতে আমি কোন আনন্দ-উল্লাস দেখাই নাই। আমার মন্তব্যটি আবার একটু পড়ে দেখুন ভাল করে তারপর যাচাই করুন আপনার বিদ্যার বহরকে। "মুসলমানদের পড়ালেখা, শিক্ষা, জ্ঞান বুদ্ধি কিছ্ছু নেই" এতটা শক্ত কথা বলতে আমি নারাজ। আমি মনে করি, আমাদের মুসলমানদের মাঝে অনেক উচ্চ শিক্ষিত জ্ঞানী-গুনী, বিজ্ঞ জন বিদ্যমান। ইয়াহুদি বা খৃস্টানদের তুলনায় সংখ্যা বা শতকরা হিসাবে অবশ্যই কম। বর্তমান যুগেও এইসব মুসলমান বিজ্ঞজনদের অবদান সামান্য হলেও আছে। হয়তো ইয়াহুদি বা খৃস্টানদের অবদানের সাথে তুলনার তুলনার যোগ্য নয়। মুসলমান জ্ঞানী-গুনীজনদের মধ্য থেকে যারা ধর্মের (ইসলাম) লেবাস খুলে ফেলেছেন তারা আগাতে পারছেন না জ্ঞানের পূর্ণতার অভাবে। আর যারা ধর্মকে আঁকড়ে আছেন তারা আগাতে পারছেন না সুযোগের অভাবে।
মুসলমান যতদিন আল্লাহর রশিকে শক্ত হাতে ধরে রেখেছিল ততদিন তারা উন্নত ও শক্তিশালী জাতি হিসাবে বিবেচিত ছিল। শিক্ষা-দিক্ষা, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে অগ্রগামি ছিল, সারা দুনিয়ার মানুষ মুসলমানদের কাছে আসত উন্নত শিক্ষা লাভের জন্য; যেমন কর্ডোভা। প্রয়োজনে ইতিহাস পড়ে নিন।

আর এখন আমরা ইসলাম থেকে অনেক দুরে সরে গিয়ে মেরুদন্ডহীন জাতীতে পরিণত হয়েছি। তাইতো আপনাদের মত লোকদের মন্তব্য করার সুযোগ হয়েছে। আর ইয়াহুদি-খৃস্টানরা বিভিন্ন ফন্দি-ফিকিরের মাধ্যমে মুসলমানদের সম্পদ হাতিয়ে যাচ্ছে আমাদের মুসলমান নামধারী কাফের/মোনাফেক শাসক গোষ্ঠি ওদের সহযোগিতার কারনে।

বিভিন্নজনের মন্তব্যের জবাব আপনি দিয়েছেন; তা পড়ে মনে হলো উন্নত ইয়াহুদ-খৃস্টান জাতির সাথে বসবাস করেও নিজকে উন্নত করতে পারেন নাই। ধন্যবাদ।
45851
৩০
North America থেকে Hamid লিখেছেন, ১৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:০৬
যাযাবর, সাইদ মোল্লা and Qumrul,
these are same people. one man is writing same thing in diffrence face. I think. he is the Kafar . all the time, he is against Islam. I believe, you are Hindu or jew or christan.
You come here , fight with Islam. Nobody tell you stay Islam. If you do not like, Go other religions. For your information, I put a link.http://www.youtube.co/watch?v=dOZSrPF5GNo
45869
৩১
Bricklane, London. থেকে Ruman B Chowdhury লিখেছেন, ১৬ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:২৭
Whatever written in Al-quran and Al-hadith is not in our daily practice even in upper level of muslim community. We all should welcome warmly and feel them happy those who are Neo-muslim.
45942
৩২
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:১১
২৮
উত্তর এমেরিকা থেকে যাযাবর কে যারা সব সময় লাল পানি দিয়ে পিপাসা নিবারন করে তারা জমজমের পানির মর্যাদা এবং সাধারণ পানি ও জমজমের পানির মধ্যে প্রাতক্য কি বুঝবে ?
এমেরিকার সাবেক বন্ধু বিন লাদেন এমেরিকার পেট্রোল ডাকাতি কে প্রকাশ করার দরুন এখন মহা শত্রু হয়ে গেছে।
যাযাবর সাহেব পশ্চিমাদের কে একটু বলেন মুসলমানের সাথে গুতাগুতি বন্ধ করেন, এমেরিকার বৃহত্তম গোপন ঘাঁটি যেইগুলো ইসরাইলে ভিতর আছে সেই গুলো যেন ফিরিয়ে নিয়ে যায়, হিটলারের দেশের ইহুদিদের কে যেন হিটলারের দেশেই নিয়ে যায়।
45962
৩৩
Bangladesh থেকে Md. Mosheur rahman লিখেছেন, ১৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:৪৮
nice writing! just one thing i wanna say that we should learn from those new comers and want to become a true muslim and muslima.
45964
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
Poet and columnist Farid Ahmed Reza lives in London. He taught English language in Bangladesh, and worked as an editor and assistant editor in various weekly and daily newspapers in Sylhet and Dhaka. Since arriving in the UK in 1991 he has been playing a positive role for the development of Bengali community, Bengali language and literature. He speaks for his motherland and for the people who live there, but he is not confined in any geographical boundary. He is the editor of Bengali poetry magazine 'Kobita' publishes from London.

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy