খৃষ্টানদের অপতৎপরতা প্রতিরোধে সদা জাগ্রত তিন লক্ষ প্রহরী
গাজী মোহাম্মাদ সানাউল্লাহ
খৃষ্টানদের অপতৎপরতার ভয়াবহতা নিয়ে হয়ত অনেকেই লিখবেন তাই আমি আর সেদিকে যাব না। আমি যেটা বলব তা হলো তাদের প্রচার ও প্রসার নিয়ে। আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত একটি বাক্য হল প্রচারেই প্রসার। এটি কিসের প্রসার সে কথা কিন্তু বলা নেই। তার মানে আপনি একটি সত্য কথা যদি বেশি বেশি প্রচার করেন তবে সেটার প্রচারে যেমনি প্রসার হবে, তেমনি যদি মিথ্যার প্রচার ও বেশি করেন তবে সেটারও কিন্তু প্রসার ঘটবে। আজকে সমাজে কিন্তু সেটাই হচ্ছে।
আমরা প্রতিদিন নিজেদের জীবন যাপনের জন্য নানা পন্য কিনছি। গোসলের সাবান থেকে নিয়ে রান্নার মসলা পযর্ন্ত সব কিছু আমাদের প্রায় কিনতে হয়। যে জিনিসের যত বেশি প্রচার তার তত বেশি চাহিদা। আর আমরাও পণ্য ক্রয় করার ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রচারের জিনিসটিই কিনছি। অথচ আমরা কিন্তু কখনো লক্ষ করিনা যে জিনিসটি আমি কিনছি সেটি মুসলমানের প্রস্তুতকৃত নাকি অমুসলমানের। কারণ যদি আমার ক্রয়কৃত পণ্যটি কাফেরদের তৈরী পন্য হয় তবে আমার রক্তঝরা পয়সা দিয়ে কেনা এ পন্যের লভ্যাংশ দিয়ে হয়ত আমারি আরেক মুসলমান ভাই এর রক্ত ঝরানো হচ্ছে। আমার অজান্তে। আমরা এ ক্ষেত্রে কতটুকু সচেতনতার পরিচয় দিচ্ছি। এ বিষয়ে আমি ফিকহি মাসায়েলের কথা বিস্তারিত জানিনা না বরং আমি ঈমানদীপ্ত অনুভূতির কথাটি বলছি।
এসকল বিষয়ে যখন আমাদের মাঝে প্রচুর উদাসীনতা ঠিক এমনি সময় আবনাউ জামিয়াতুল আসাদ নামের ভিন্নধারার সংস্থার ব্যানারে খৃষ্টানদের অপতৎপরতা প্রতিরোধে আমাদের সজাগ ও সচেতন করার যে আয়োজন করা হলো তা নিঃসেন্দেহে প্রশংসার দাবী রাখে। পাশাপাশি এ আয়োজনটি আমাদের মন ও মননে অবশ্যই ঈমানের দোলা দিয়েছে। বিশেষ করে এ আয়োজনে আমার দেখা মতে ঢাকার ওলামায়ে কেরামের প্রায় সকল প্রান্তের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সম্পূর্ণ পরকালীন মুক্তির লক্ষে আয়োজিত এ উদ্যোগের সাথে প্রতিটি ঈমানদারের সমর্থন ও সহযোগীতা ছিল বলে মনে করি।
খৃষ্টানদের অপতৎপরতার যেমন হাজারো ধরণ। তাদের দৃশ্যত শক্তিরও নানা প্রদর্শনী। আবার অপতৎপরতার নানা কৌশল। তারা যদি মনে করে ছলে বলে কলে কৌশলে, নানা প্রলোভনে এদেশকে আস্তে আস্তে খৃস্ট রাজ্যে পরিণত করবে, তবে আমি মন করি তারা ভুলের রাজ্যে বসবাস করছে। একথা সঠিক যে খৃষ্টানদের অপতৎপরতার মোকাবেলায় ওলামায়ে কেরাম ও তাওহিদী জনতার যে সচেতনতা ও বেগবান আন্দোলন হওয়া সময়ের অপরিহার্য দাবী ছিল তা হচ্ছে না, কিন্তু হাজারো ওলি আওলিয়া ও পির মাসায়েখের পদভারে ধন্য এ বাংলাদেশের ইতিহাস প্রমাণ করে এ জাতি দীর্ঘ সময় ঘুমিয়ে থাকলেও যখন জাগ্রত হয় তখন শত্রু পক্ষের পালাবার পথ থাকে না।
বাংলাদেশ সরকারের ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর হিসাব মতে এদেশ মসজিদের সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ। বেসরকারী একাধিক সংস্থার হিসোব এর পরিমান আরো অনেক বেশি। আমরা যদি সরকারী হিসেবকেই গ্রহণ করি তবেও এ দেশে খৃষ্টানদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সদা জাগ্রত প্রহরীর সংখ্যা কমপক্ষে ৩ লক্ষ। তারা হলেন দেশের এই ৩ লক্ষ মসজিদের ইমাম বা খতিবগণ। আর খৃষ্টানদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতি সপ্তাহে জুমার পূর্বে বিক্ষোভ সমাবেশের সংখ্যাও ৩ লক্ষ। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী তাওহিদী জনতার সংখ্যা না হয় নাই উল্লেখ করলাম।
তবে আমাদের যেটা করতে হবে তা হলো এই ৩ লক্ষ ঈমানের পাহারাদারদেরকে খৃষ্টানদের অপতৎপরতার বিষয়ে আরো বেশি অবগত করানো। এবং সাথে সাথে প্রতিটি সমাজের ইসলামপ্রিয় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ইসলামের শান্তি, সম্পৃতি ও আন্তরিকতার বাণী পৌছে দেয়া।
পরধর্ম-বিদ্বেষ ইসলাম ধর্মের শিক্ষা নয়। ধর্ম-ব্যবসায়ীদের যুগ এখন অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। অযথা আপনার নিজের মানসিক সঙ্কীর্ণতা প্রকাশ করে মহান ইসলাম ধর্মের অবমাননা করবেন না।
78805
২
বাংলাদেশ থেকে আক্কাস রফিক লিখেছেন,
২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ০৭:০১
খৃষ্টান-ইহুদী-মুশরিক চক্রের সাম্প্রতিক একটি জঘন্য ষড়যন্ত্র হলো জনগণের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী- যেমন শুকনো মরিচ, হলুদ, সরিষা, ধনিয়া থেকে শুরু করে সব রকম মশলা জাতীয় দ্রব্য বাজার থেকে একচেটিয়া কিনে নিয়ে গুদামজাত করা এবং পরে এসব প্যাকেটজাত করে ৮-১০ গুণ বেশী দামে বিক্রি করা। এদের মজুতদারীর কারণে বাজারে এই সমস্ত জিনিষ পত্রের ঘাটতি দেখা দেয় এবং হু হু করে দাম এমন বেড়ে যায়, যা সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকেনা। সম্প্রতি দেশী শুকনো মরিচের দাম প্রতি কিলো ৩৮০ টাকা হয়েছে। সিলেটি মরিচ নামে পরিচিত শুকনো মরিচের দাম প্রতি কিলো ১৮০ টাকা। তবে অতিরিক্ত ঝালের কারণে অধিকাংশ লোক এগুলি খেতে পারেননা। বিভিন্ন নামে কারখানা খুলে মুনাফা খোর ইহুদী চক্রের দোসর বহুজাতিক কোম্পানী গুলো এভাবে জনগণের জীবনে দারিদ্রতা এনে তাদের মুখাপেক্ষী করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
সরকারগুলো জনগণ জনগণ বলে জিগির করে মুখে ফেনা উঠালেও বহুজাতিক কোম্পানী গুলো ছলে বলে কৌশলে জনগণের পকেটের টাকা হাতিয়ে নিয়ে দেশের যে তেরোটা বাজিয়ে দিচ্ছে সেদিকে কোন খেয়াল নেই। ওরা থাকে কেমনে ক্ষমতায় যেতে পারবে, আর ক্ষমতায় গেলে কেমনে কোটি কোটি টাকা বানানো যাবে, কী করলে ক্ষমতায় বেশী দিন টিকে থাকতে পারবে এবং কি কি উপায় অবলম্বণ করলে আবার ক্ষমতায় যাওয়া যাবে- তার নীল নক্সা তৈরীর কাজে ব্যস্ত। জনগণের ভালো-মন্দ ভাবনার সময় তাদের কই? তবে ফাঁকে ফাঁকে জনগণের দরদে কুম্ভিরাশ্রু বর্ষণ করে নতুন নতুন মুলা সম্বলিত প্রতিশ্রুতির মেন্যু নিয়ে মাঠে ময়দানে ও মিডিয়ায় হাজির হওয়ার রুটিন ওয়ার্ক নির্ভুল ভাবে মঞ্চস্থ করতে কিন্তু মোটেও ভুল করেননা।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বাংলাদেশ একটা অদ্ভুত দেশ। কিন্তু এই দেশে উনারা যে কী অদ্ভুত মাল এবং চীজ- তা কে বলবে?
78811
৩
বাংলাদেশ,ভোলা। থেকে এম এম নুর হোসাইন লিখেছেন,
২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১০:৫০
তবে আমাদের যেটা করতে হবে তা হলো এই ৩ লক্ষ ঈমানের পাহারাদারদেরকে খৃষ্টানদের অপতৎপরতার বিষয়ে আরো বেশি অবগত করানো।
সচেতন মূলক লেখা।সত্যিই আমাদের দেশের ঈমামগন এব্যাপারে অসচেতন।আসুন আমরা সকলে সচেতন হই।সোচ্ছার হই।
78890
৪
চট্টগ্রাম থেকে খন্দকার মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ লিখেছেন,
২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১১:২৭
অচেতন, অর্ধচেতন মুসলমানদের জাগাতে একটি জরুরি লেখা। ভালো লাগলো। London থেকে Lunik কে বলি, পরধর্ম বিদ্বেষ পেলেন কোথায় ? দারিদ্রের ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাবের সুযোগ নিয়ে ইসলামের অনুসারী এবং মুসলিম দেশ দখল এর খ্রিস্টীয় তৎপরতা দেখে স্বধর্ম অনুসারীদের সতর্ক করলে এত ধর্মব্যবসার কী দেখলেন ? আসলে প্রভুদের শেখানো বুলিগুলো না কপচালে বুঝি পারা যায় না ?
78913
৫
London থেকে Lunik লিখেছেন,
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০১:৪৫
@ (4) ...Christianity and Islam are both proselytising religions. You cannot change the evangelising spirit of the preachers of these two abrahamic faiths. What I had objected to was the tenor of the article and the spirit in which it was written - not very pleasant at all. I did not mean to offend anyone.
78917
৬
U.S.A. থেকে Wounded Tiger.U.S.A লিখেছেন,
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০২:০৫
The exaples are east Timur,South Sudan,division of the muslim majority Bosnia and the next is Chittagong Hill Tract.
78919
৭
Dhaka থেকে Evergreen লিখেছেন,
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; সকাল ১১:১২
Thanks Gazi vai to write up for a important issue.
I want to add something for our realization.
1) 1st of all product boycott is not the solution
2)We Muslim should also involved in good business as we muslim can purchase our beloved brothers product.Many times we donot find any muslim owners product.
3) Many muslim also have not any sense to purchase any muslim owners product.We muslim should come forward to do good business also as we economically strong & can also contribute for suffered muslim.
4) if we muslim has the Imani sense we should realize it.
5) Also Muslim Ngo/Imam deligation goes to hill tracts & like this area where many christian NGO doing intention/wrong activities.
Last of all we who realized the situation should share & make awareness other muslime/people to sincere in future.
5)
78933
৮
SAHAPUR, BARURA, COMILLA, BANGLADESH থেকে OSMAN লিখেছেন,
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:৪৫
SURELY......., B ALERT AGAINST CHRISTIAN, Christianity AND EVIL WORKS OF THEM.........
80090
৯
Dhaka থেকে Rana Polash লিখেছেন,
০২ মার্চ ২০১২; সকাল ১০:২৩
What a bad preaching against a very nominal percent of people whereas only 0.003% christian in this country. Do you know all middle east people are purchasing those Christian's commodities? What would you say about the European and USA muslims? Have they converted to Christianity? Also this internet, computer, mobile phone ....etc.... who invented these? What do you think, all users of internet, computer, mobile phone became Christian? Please stop these kind of ill thoughts. Think all global as a family now-a-day.
80393
১০
লন্ডন থেকে মো আবু সুফিয়ান মিয়া লিখেছেন,
০৩ মার্চ ২০১২; সকাল ০৭:৪৭
Mrv Lunik আপনি মনে করবেনা যে লন্ডনে থকার কারনে আপনি খুব বেশি জানেন। পবিত্র কুরানে কাদের পথভ্রস্ট বলা হয়েছে ? একবার ভাবুন । আপনারা তো চান বাংলদেশের মুসলমানদের এই দেশের মানুষদের মতো পশুর মতো জীবন যাপনের অভ্যাস করাতে।
80436
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: