শুক্রবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৮ মে ২০১২; রাত ০২:১৪ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

শহীদ আব্দুল মালেক নিয়ে কিছু কথা

গাজী রাহাত কবির

শহীদ আব্দুল মালেক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগের সেরা ছাত্র। এই দিনটিকে ইসলামী শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করা হয় ।

অসাধারণ মেধাবী আব্দুল মালেকের আলোকোজ্জল শিক্ষাজীবন ছিলো এরকম,

-তিনি জুনিয়র স্কলারশীপ লাভ করেন।
-এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে মেধা তালিকায় একাদশ স্খান অর্জন করেন।-এইচএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ৪র্থ স্খান নিয়ে পাস করেন।
-এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন।
-শাহাদাত বরণ কালে তিনি ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
-তিনি ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে ১২২ নং রুমে থাকতেন।

১৫ আগষ্ট। ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রসেনানী আব্দুল মালেকের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী। ইসলামী শিক্ষার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের হাতে গুরুতর আহত হওয়ার ৩ দিন পর ১৯৬৯ সালের এই দিনে তিনি শহীদী মৃত্যুর অমিয়সুধা পান করেন।

পাকিস্তান আমলে সর্বশেষ শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয় ১৯৬৯ সালে । এতে শিক্ষা ব্যবস্থার আদর্শিক ভিত্তি কি হবে, তা নিয়ে জনমত জরিপের আয়োজন করা হয় । এর অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে ১৯৬৯ সালের ২ আগষ্ট এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় । এই সময়ে বামপন্থী ও ইসলামবিরোধী সংগঠনসমূহ এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ।

এই আলোচনা সভায় বামপন্থীদের বিরোধীতামুলক বক্তব্যের মধ্যে শহীদ আব্দুল মালেক মাত্র ৫ মিনিট বক্তব্য রাখার সুযোগ পান । অসাধারন মেধাবী বাগ্মী আব্দুল মালেকের সেই ৫ মিনিটের যৌক্তিক বক্তব্যে সভার মোটিভ পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়ে যায় । উপস্থিত শ্রোতারা আব্দুল মালেকের বক্তব্যের সাথে ঐক্যমত্য পোষণ করে । আব্দুল মালেকের ত্বত্ত্ব ও যুক্তিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ক্ষিপ্ত করে দেয় ইতোপূর্বে বক্তব্য রাখা ইসলাম বিরোধী বক্তাদের ।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামী শিক্ষার পক্ষের জনমতকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে টি.এস.সি. তে ১২ আগষ্ট আয়োজন করা হয় আরেকটি আলোচনা সভার । বামপন্থী শিক্ষকরা এখানে শহীদ আব্দুল মালেক ও তার সংগীদের আসতে বাধার সৃষ্টি করে । কিন্তু যেভাবেই হোক আব্দুল মালেক সভায় উপস্থিত হন । ডাকসুর সভায় সাধারন ছাত্রের কথা বলার অধিকার আছে । শহীদ আব্দুল মালেকসহ কয়েকজন ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে কথা বলার আবেদন করলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয় ।

একচেটিয়া বক্তব্যমঞ্চ দখল করে ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা বক্তব্যের ভাষা ধীরে ধীরে ইসলামকে আক্রমণ করে দেয়া শুরু করে । এসময় মস্কোপন্থী এক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ইসলাম সম্পর্কে চরম আপত্তিকর বক্তব্য রাখতে শুরু করলে অনুষ্ঠানের উপস্থিত ইসলামপ্রেমী ছাত্ররা প্রতিবাদ জানায় । যুক্তি ও বান্তবতার লড়াইয়ে পরাজিত বাম ও ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠী ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমন চালায় ছাত্রদের ওপর ।

সকল সংগীকে নিরাপদে বিদায় দিয়ে শহীদ আব্দুল মালেক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশ দিয়ে যাবার পথে লোহার রড-হকিষ্টিক নিয়ে তার ওপর ঝাপিয়ে পড়ে পিশাচ বাহিনী ধর্মনিরপেক্ষ ও বাম সন্ত্রাসীরা । রক্তাক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ছাত্র আব্দুল মালেক । তিনদিন পর ১৫ আগষ্টে শাহাদাত বরন করেন ইসলামের এই মহান বক্তা ।

আব্দুল মালেকের জন্ম ১৯৪৭ সালের মে মাসে। জন্ম স্খান বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার খোকসাবাড়ী গ্রামে।

শহীদ আব্দুল মালেকের মধ্যে বিস্ময়করভাবে অনুকরণীয় সব গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। তিনি ছিলেন প্রখর মেধাবী, নিরহংকার, বিনয়ী, মিষ্টভাষী, সঠিক নেতৃত্ব দানের দূর্লভ যোগ্যতার অধিকারী, ভালোবাসা, ত্যাগ ও কুরবানীর উজ্জ্বল ও অনুপম দৃষ্টান্ত।

ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে প্রথম শহীদ , শহীদ আব্দুল মালেক ইসলামী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মীর মনে চিরদিন ভাস্বর হয়ে থাকবেন প্রেরনার এক সুউজ্জ্বল বাতিঘর হয়ে ।

তথ্যসুত্র, ব্লগার ভালো
http://www.sonarbangladesh.com/articles/GaziRahatKabir
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
ফ্রাংফূর্ট, জার্মানী থেকে ত্রস, কোল লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১০; বিকেল ০৪:৩০
স্মরণ আছে ত্রই অপ্রীতিকর, জঘন্যতম চরম অমানষিক ঘটনাটি। আমি তখন ৬ম
শ্রেণীর পড়ুয়া ছাত্র । ত্রকটি মোটা স্মরণিকা সংকলন বের করা হয়েছিল শহীদ
আ: মালেকের উপর । আব্দুল মালেকের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া উচিত নয় সে
দিকে তাহার উত্তরাধীকারিদের লখ্খ রাখিতে হইবে।
31903
ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে রাজামিঞা লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১০; বিকেল ০৪:৫৯
চাই কুরআনের রাজ
31910
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসাদুল্লাহিল গালিব লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১০; বিকেল ০৫:৪৬
শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ধর্মকে তুলে দিয়ে আধুনিক হতে চায় বামেরা। কিন্তু তারা কী বলতে পারবে যে নৈতিকতা আর অনৈতিকতা তফাৎ টা কে শিখিয়েছে। যেখানে কৌটিল্য, কনফুসিয়াস, হার্বার্ট সাইমন, বাট্রান্ড রাসেল ধর্ম শিক্ষাকে অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। সেখানে তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা ইসলামকে কোন মতে দাবিয়ে রাখতে নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করে। ইনশাল্লাহ সবকিছু এক সময় পরাজিত হবেই।
31917
Australia থেকে Ali লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:১২
To add:
Awami League leader Tofayel Ahmed was a student at DU then and he is (not was) directly involved in the killing Abdul Malek.

The point is that it was before '71.He was not anti liberation force!

The reason I used 'is' not 'was' is that we are still waiting for the justice from the Almighty and He is the most powerful.
Mr Tofayel and others, be prepared to face the most powerful
Almighty when you close your eyes 'reciting' Joy Bangla!!
31922
rome থেকে ুুsumon লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৫৯
allah take jannat dan korun amin.
31927
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১০; রাত ০৮:৫০
আল্লার পথে যারা দিয়েছে জীবন
তাদের কে তোমরা মৃত বলো না
বলো না মৃত
আল্লার পথে যারা দিয়েছে জীবন
তাদের কে তোমরা মৃত বলো না
বলো না মৃত
আল্লার পথে যারা দিয়েছে জীবন
তাদের কে তোমরা মৃত বলো না
বলো না মৃত
ওরা আছে চেতনায় আমাদের আমাদের
ওরা আছে প্রেরনায় আমাদের আমাদের
ওরা আছে সংগ্রাম সাধনায়
র্দবার র্দজয় অপরাধি তো
ওরা আছে আলোকে আমাদের
ওরা আছে পলকে আমাদের
ওরা আছে পলকে আমাদের
আল্লার পথে যারা দিয়েছে জীবন
তাদের কে তোমরা মৃত বলো না
বলো না মৃত
ওরা আছে সাহসে আমাদের আমাদের
ওরা আছে মিছিলে মিছিলে আমাদের
আল্লার পথে যারা দিয়েছে জীবন
তাদের কে তোমরা মৃত বলো না
বলো না মৃত
31939
বাংলাদেশ থেকে আক্কাস রফিক লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১০; রাত ০৯:২৫
"সকল সংগীকে নিরাপদে বিদায় দিয়ে শহীদ আব্দুল মালেক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশ দিয়ে যাবার পথে লোহার রড-হকিষ্টিক নিয়ে তার ওপর ঝাপিয়ে পড়ে পিশাচ বাহিনী ধর্মনিরপেক্ষ ও বাম সন্ত্রাসীরা" এখানে একটি শিক্ষনীয় বিষয় আছে : বাতিল সবসময় একতাবদ্ধ থাকে শত্রুর মোকাবিলায়। আর মুমিনরা বিচ্ছিন্ন ভাবে থেকে বোকামী করেছে। যা হবার তা হয়েছে, তবুও ঘটনা পর্যালোচনা করলে ভাবতে ইচ্ছে করে যে, যদি শহীদ আবদুল মালেক ভাইকে একা রেখে তাঁর সঙ্গী সাথীরা চলে না যেতেন, তবে একা পেয়ে যেভাবে শত্রুরা তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁকে ক্ষত-বিক্ষত করেছিল ঠিক তেমনটি পারতনা। দরকার ছিল সম্মিলিত প্রতিরোধ। এখনো দরকার সম্মিলিত প্রতিরোধ। চিরদিন ইসলামের শত্রুরা সুযোগের জন্য উঁৎ পেতে বসে থেকেছে, আর যেই সুযোগ পেয়েছে অমনি সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে দ্বীনের দা'য়ীদের উপর। আর আমরা- যারা ঈমানদার তারা গা বাঁচিয়ে চলতে চেষ্টা করেছি। আর তাতেই বাতিল আরো শক্তিশালী হয়ে দ্বিগুণ উৎসাহে আমাদেরকে নির্মূল করতে মাঠে নেমে পড়েছে। নীতির ক্ষেত্রে তারা কখনোই আমাদেরকে ক্ষমা করেনা। আর আমরা সামান্যতেই তাদেরকে ক্ষমা করে দেই। এ নীতি বদলাতে হবে। আমরা কাউকে আগে আঘাৎ করবনা ঠিক, কিন্তু কেউ আগে আমাদেরকে আঘাৎ করলে তাকে কিছুতেই ছেড়ে দেবনা- এ নীতি অবলম্বন করতে হবে। তাই বলি, সম্মিলিত প্রতিরোধ দরকার। আর তা এখনই। মরলে সবাই মরবো। আর বাঁচলে সবাই বাঁচবো। ধন্যবাদ লেখক জনাব গাজী রাহাত কবিরকে। শহীদ আবদুল মালেক ভাইয়ের আরো কিছু ঘটনা তুলে ধরার জন্য অনুরোধ রইল।
31945
FRANCE থেকে SIDDIK লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; সকাল ০৫:৪৩
তুমি আমাদের চেতনা।আললাহর রাহে জীবন দান বিফলে যায় না।
31993
ঢাকা থেকে আয়নাল হক লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; সকাল ০৮:১০
এই লোকটা বেচে থাকলে নির্ঘাত নারী ধর্ষনকারি রাজাকার হোত । আগেভাগেই অর্কা পেয়ে হাবিয়া দোজকে চলে গেছে , আলহামদুলিল্লাহ ।
32001
১০
ঢাকা থেকে সুফি লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; সকাল ১০:৩৯
গাজী সাহেব,
এই বস্তা পঁচা মাল আবার কোথ্থেকে আবিস্কার করলেন ?
32014
১১
ঢাকা থেকে সুফি লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; সকাল ১০:৪৬
বাংলাদেশ থেকে আক্কাস রফিক ৭ :

দিনকাল যা পরছে তাতে আপনাদের বাচার উপায় নাই । তবে অকালে শহীদ হতে চাইলে আমাদের আপত্তি নাই ।
32016
১২
DHAKA থেকে NURUL ISLAM লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; সকাল ১১:৫১
শহীদ আব্দুল মালেক ভাইয়ের শাহাদাতের নজরানা যেন বাংলাদেশ যতদিন তার মানচিত্র নিয়ে বেচে থাকবে, ততদিন যেন শহীদি কাফেলার সাথীগন তাকে শ্রদ্ধাভরে স্বরণ রাখবে, এবং তার পদচারণার এই সৎ সাহসিকতা আমাদেরকে যেন সর্বদা অনুপ্রেরণা যোগাবে। শত বাধা সত্বেও শহীদি কাফেলার সাথে যারা লিখিয়েছে নাম তারা কখনো যেন হয়না পিছপা, তারা এগিয়ে চলে দূর্লভ কন্ঠে সৎসাহসিকতার সাথে, তারা যেন স্বরণ করে সর্বদা মহান স্রস্টাকে,বিপদে যেন তারা হয়না ভীতু, তারা যেন সত্যের এক মহা প্রতীক! তারা সর্বদা ভয় করে যেন আল্লাহকে, তারা তাদের প্রতিটি পদচারণায় ভরসা রাখে মহান আল্লাহর উপর। আসুক যতই ঝর তুফান, বিপদ মুসিবত, এত সবই যেন মহান আল্লাহর এক পরীক্ষা মাত্র! এ পরীক্ষায় যারা হবে উত্তীর্ণ তারাইতো হবে সফলকাম! এর চেয়ে আর পাওয়ার কি আছে!
32025
১৩
ঢাকা থেকে মোঃ মনিরুল ইসলাম লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; দুপুর ০১:২৫
ঢাকা থেকে আয়নাল হক,
আপনার মা বোন কে জিগ্যস করুন, তারা আপনার বক্তব্যের সাথে একমত কী না।
32036
১৪
USA থেকে Hassan Hafiz লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; বিকেল ০৫:০৫
১৫ ই আগস্ট শহীদ আব্দুক মালেক ভাইয়ের শাহাদাত বারষিকী ছিল । ভূলেই গিয়েছিলাম । সোনার বাংলাদেশ ডট কম-এ না গেলে হয়তোবা মনেই হতোনা ।
আসলে আমি মালেক ভাইকে দেখিনি । তখন ছিলামও ছোট । কত আর বয়স হবে । দশ বা বারো । কিন্ত তার পরও মালেক ভাইয়ের শাহাদাতের কথা উঠলে আমি চোখে পানি রাখতে পারিনা । এই না পারার কারনও কিন্তু আমি জানিনা । তখন আমি পরতাম ঢাকার লালমাটিয়ায় বিবির মসজিদে । বরতমানে যা নাকি জামেয়া ইসলামীয়া নামে পরিচিত । জামাতে ইসলাম বা ইসলামী ছাত্র সঙ্ঘ কি তা আমাদের জানা ছিলনা । আর ঐ সব মাদ্রাসায় পড়া অবস্থায় মিছিলে বের হওয়াই হারাম ছিল । তারপর সদর সাব হুজুর ( মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী ), মাওলানা মুহাম্মাদ উল্লাহ ( হাফেজ্জী হুজুর ), মাওলানা জাফর আহমেদ ওছমানী (রঃ ) র মত জাদ্রেল আলেমদের ছাত্র আমার উস্তাদ জামাত করার প্রশ্নই আসেনা। কিন্তু তার পরও মালেক ভাইয়ের শাহাদাতের পর উনি যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তা আজ ৪২ বছর পরও আমার করণে কুহরে বিদ্যুতের মত ধ্বনিত হচ্ছে । আমার শুধু তার এতটুকু কথা মনে পড়ে---------একটি মুসলিম দেশে নাস্তিক্যবাদের ধ্বজাধারী নামদারী কিছু ছাত্র ইসলামী শিক্ষার পক্ষে বক্তব্য দানের জন্য তাকে মেরে ফেলবে আর আমরা কোরআন হাদীস পড়ে ঘরে চুপ করে বসে থাকব তা হতে পারেনা । তা হলে তো আমাদের ঈমানের পরিচয় কি । অনুমতি দেওয়া হলো পরবরতি যাবতীয় করম সূচীতে অংশ গ্রহন করার জন্য । তখন কি ভাবে অংশ গ্রহন করেছিলাম তাও আজ মনে নেই । তবে এতটুকু মনে আছে, আমদের সকলের, বিশেষ করে ঢাকার গৌরব, মাওলানা সায়্যেদ মুহাম্মাদ মাসুম
সাহেবকে ( মরহুম ) গ্রেফতার করা হয়েছিল । তার মুক্তির পর আমরা তার বাড়ির পাশে মসজিদ রাজাবাজার যাই । উনি ঢাকা জেল গেইট থেকে সোজা মসজিদে আসেন এবং সঙ্খিপ্তাকারে বক্তব্য রাখেন । তার বক্তব্যের একটা উক্তি এখনও আমার মনে দাগ কাটে । উনি বলেছিলেন " আমার মতো হাজার হাজার মাসুম শুধু জেলে কেন প্রয়োজনে জান দিব তবুও শহীদ আব্দুল মালেকের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবেনা । বায়তুল মোকাররাম মসজিদে মালেক ভায়ের জানাযায় ইমামতি করেন দেশ বরেন্য আলেম, আওলাদে রাসুল ( সঃ ) হযরত মাওলানা সায়্যেদ মুস্তফা আল মাদানী ( রঃ )। জানাযার পর দোয়া করতে গিয়ে উনি আল্লাহর কাছে আবেগ আপ্লুত কন্ঠে বলেছিলেন, "ও আল্লাহ তুমি আব্দুল মালেককে কবুল করে নিয়ে গেলে আমার মত বুড়ো মানুষটাকে দেখলেনা ।" আল্লাহ তার দোয়াও কবুল করেছিলেন এবং মাত্র দুই বৎসর পর একই মাসে পবিত্র কোরআন শরীফ সামনে নিয়ে তফসীর করার সময় তাকে গুলি করে শহীদ করা হয় । আর ৪২ বছর আগে বামপন্থি নামক যে সকল নাস্তিক মুরতাদ আল্লাহর দুশমন, রাসুলের দুশমন, কোরআনের দুশমন, ইসলামের দুশমনেরা রেসকোরস ময়দানে মালেক ভাইকে শহীদ করেছিল ঠিক আজও তারাই মালেক ভাইয়ের সাথী সংগীদেরকে জেলে পুরেছে । সে দিন তারা মনে করেছিল যে আব্দুল মালেককে শহীদ করে দিলে ইসলামী আন্দোলন স্তব্ধ হয়ে যাবে । আল্লাহর নূর নীভে যাবে । আর কেউ বাংলার জমীনে ইসলামী আন্দোলনের কথা বলবে না । কিন্তু গত ৪২ বছরের ইতিহাস সাক্ষী শহীদ আব্দুল মালেকের রক্তে রাঙ্গা ইসলামী পতাকা বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে বুক টান করে পত পত করে ঊড়েছে আর আগামীতেও ঊড়বে ইনশা আল্লাহ । এটাই আল্লাহর গ্যারান্টি । এটাই মালেক ভাইয়ের উত্তরসূরী বাংলাদেশের খাব্বাব, খোবায়ের, রাওয়াহা ও বেলালদের শপথ ।
32050
১৫
rome থেকে ুsumon লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:১৪
DHAKA THEKE AINAL KE: TUMI EKTA AWAMI DALAL
KHODAR KACE AKHONI TAUBA PORO.
32056
১৬
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১৮
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন সূরাআছ-ছফ্ এর ৪ নম্বর আয়াতে ( আল্লাহ তাদেরকে বালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধভাবে লড়াই করে, যেন তারা সীসাগালানো প্রাচীর।)
আল্লাহর জমীনে নাস্তিক, খোদাদ্রহী যারা আছে তারা হল জমীনের আগাছা, যে কোন ক্ষেতির মধ্যে যখন আগাছা জন্ম নেয় তখন ক্ষেতির মালিক আগাচা গুলো পরিস্কার করে দেয় যাতে আগাছার কারনে ক্ষেতি নষ্ট না হয়,
নাস্কিত আর খোদদ্রহী যারা আছে তাদের কিছু দিন পরপর জমীন থেকে ফিনিশ করে দিতে হয় যাতে জমীনে মানব জাতী সুন্দর ভাবে বসবাস করে।
সুফী বা সুফীবাদ নামের যে আগাছা জন্ম নেয় তাকে আগে পরিস্কার করে তাদের কে আগে বিনা টিকিটে জাহান্নামে পৌঁছে দিয়ে আল্লাহ যদি আমাদেরকে শহীদের মর্যাদা দিতে চাই তা হলে আমাদের কোন আপত্তি নাই।
যারা বলে বস্তা পঁচা তাদের কে বলব আল্লাহর রাস্তায় দুইটা ফোটা বৃথা যায় না এক : যে চোখ থেকে ফোটা বাহির হয়েছে আল্লাহর ভয়ে। দুই : যে আল্লাহর খুশির জন্য রক্তের ফোটা জরিয়েছে ।
আয়নাল হক একটু দৈনিক পত্রিকা পড়ে দেখুন কে র্ধষন কারি কে মানুষের প্রতি যুলুম কারি ? ওরা শুধু অন্য দলের মানুষ কে হত্যা করে না অন্য দলের মানুষ কে হত্যা করতে না পারলে নিজের দলের মানুষ কে পযন্ত হত্যা করতে দিদাবোধ করে না। উদাহারণ গত দুই দিন আগে এমপি শাওন হাছিনার কলিজার টুকরা নিজ দলের কমিশনার পার্থী ইবরাহিম কে হত্যা করল আর পুলিশ কে র্নিদেশ দেওয়া হল ঘঠনাকে অন্য দিকে প্রবাহিত করতে, মানুষ সব বুঝে কিন্তু মানুষ কে আপনারা বুকা ভাবেন উপযুক্ত সময়ে জনগণ আপনাদের কে উপযুক্ত জবাব দিবে।
মানুষ মরণশীল সবাইকে এক দিন অবশ্যই মৃত্যু স্বাদ গ্রহন করতে হবে, কিন্তু আল্লাহর রাস্তায় যারা শহিদ হয়েছে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেছে সূরা-আল-ইমরানে ১৬৯ নম্বর আয়াতে (( আর যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনর্কতার নিকট জীবিত ও (তারা যখন জীবিত তাদের খাদ্যের প্রয়োজন তাই আল্লাহ বলেছেন) রিজিকপ্রাপ্ত। ))
পৃথীবিতে অনেক প্রমান আছে শহিদদের শরীর মোবারক সাধারণত নষ্ট হয় না কারণ তারা জীবিত ।
যারা আল্লাহর বিধান কে জমিনে প্রতিষ্টা করার জন্য শয়তানি শক্তির বিরোদ্ধে মোকাবেলা করে শহিদ হয়েছে শুধু মাত্র আল্লাহ খুশির জন্য তাদের কে সেই রক্ত মাখা শরিরে কবর দেওয়া হইবে এবং কেয়ামতের দিন তারা সেই রক্তাত্ব শরীর নিয়ে আল্লাহর সামনে হাজির হবে এবং বলবে হে আল্লাহ আমি তোমার রাস্তায় তোমার খুশির জন্য শহিদ হয়েছি, আল্লাহ শহিদ দের কে বিনা হিসাবে জান্নাত দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। আমার কথা গুলো নাস্তিকের জন্য বলি নাই কারন তারা আল্লাহর অস্তিত কে বিশ্বাস করে না পরকাল কে বিশ্বাস করা দূরের কথা ।
আল্লাহ শহিদ মালিক কে জান্নাতুল ফেরদৈস নছিব করুক আমিন।
32063
১৭
ঢাবি থেকে সালাহউদ্দিন লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; রাত ০৯:৫৭
গাজী রাহাত কবির :

এই টা আবার কত নান্বার শিবির ? ১৯৬৯ সালে সবাই যখন স্বাধীনতার জন্য উত্তাল তখন এই শিবির ধর্ম নিয়ে ব্যাবসা করতে চেয়েছিল । যেমন কর্ম তেমন ফল । শিবির সদস্য আবদুল মালেক কে যারা হত্যা করেছে তারা বিড়াট ছাওয়াবের কাজ করেছে । তানা হলে এই লোকটা হানাদার পাকিদের দালালী করে অনেক মানুষ হত্যা করার সুযোগ পেত । পাক আর্মীদের মেয়ে সাপ্লাই দিত ।ওকে জাহান্নামে পাঠিয়ে ঠিক কাজটি করা হয়েছে ।
32075
১৮
Bangladesh থেকে F Ahmed লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; রাত ১০:৩২
The information given here is not sufficient. I urge to open a website giving details of his life, his martyrdom. His writings, his thought should be included duly. Could you plz do it.
32079
১৯
কক্সবাজার থেকে থেকে নুরুল আলম তৌহিদ লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১০; রাত ১১:২২
সত্যের পথে সব সময় মিথ্যার প্রাচীর এসে বাঁধা দেয়। এটা চিরন্তন সত্য কথা। হক ও ইনসাফের আওয়াজ যেখানে সেখানে সুবিধাভোগী, সার্থপর, ক্ষমতালোভীরা এসে বাঁধা দিবে এটা স্বাভাবিক। উদাহরণ স্বরূপ শৃগাল/ শিয়াল দিনের বেলায় মোরগ চুরি করতে পারনো বিধায় দিনকে পছন্দ করে না। রাতকে পছন্দ করে। আর সার্থপর, ক্ষমতা লোভী, ভন্ডামীরা ইসলামের ন্যায় বিচার পছন্দ করে না এই কারণে যে তারা ইচ্ছামত রাষ্ট্রের সম্পদ লুন্টন করতে পারবে না, চুরি করতে পারবে না, ডাকাতি করতে পারবে না। জুলুম-নির্যাতনের মাধ্যমে অন্যের হক নষ্ট করতে পারবে না।
একটি সত্যিকার ও সত্যিকার ইসলামিক দল কোনটি? প্রমাণ করতে হলে দেখতে তাহলে ন্যায়ের চোখে অবলোকন করতে হবে। শুধু মুখে দাবী করে সত্যিকার ইসলামিক দল হওয়া যায় না। যে দলটি সত্যিকারভাবে রাসুল্ুল্লাহর বিপ্লবি দাওয়াত নিয়ে বের হবে। তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সকল বাম তথা ধর্ম নিরেপক্ষ ও কমিনিষ্ট যারা ধর্ম মানে না, ইহুদীদের বন্ধুরা এক হয়ে সত্যিকার দলের উপর ঝাপিয়ে পড়বে। এই হিসাবে বাংলাদেশে দেখা যায় যত সমস্যা বা বাধাঁর সম্মুখীন হতে হয়, কারা বরণ করতে হয়, শহীদ হতে হয় ইসলামী ছাত্রশিবির কিংবা জামায়াতে ইসলামীকে। অন্য যত সব দল আছে তাদের উপর কোন ধরনের বাঁদা আসে না। কারণ তারা দেখানো ইসলাম। বাস্তবে ইসলাম নয়।
32082
২০
Riyadh, Saudi Arabia থেকে Masoud লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; রাত ০১:০৩
অপবাদ দেয়া কিছু না জেনে বড় অপরাধ | যদি কেউ ন্যয়ের পক্কে থাকে বা কথা বলে থাকে আগে যাচাই করে সত্য বলা উচিত | আর না হলে তার থেকে ভালো কিছু আশা করা দুরূহ | সালাহউদ্দিন ভাই ওই সময়ের পত্র পত্রিকা আর সারা বাংলাদেশের সুশীল সমাজ আর শিক্ষকদের বিবৃতি আপনার নজরে কি আসেনা? আপনার শুভ কামনা করছি |
32086
২১
রসায়ন বিভাগ, ঢাবি থেকে কাজল লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; রাত ০১:০৮
৬৯ ৭০ ৭১ ও ৭২ এ এরকম আনেক দালাল কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে । কারন মালেকের মত মৌলবাদী হইনার দল পবিত্র ধর্ম ইসলামের নামে আনেক মানুষ হত্যা করেছে , লুটপাট ও ধর্ষন করেছে । এরা পাকিস্তানের দালাল আলবদর/আলসামস ।এদের স্হান একমাত্র হাবিয়া দোজক এবং মালেকের মত হাইনারা চির জীবন দোজকের আগুনে জ্বলিবে । আমিন ।
32087
২২
Riyadh, Saudi Arabia থেকে Masoud লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; রাত ০১:২৪
কাজল ভাই, ইসলামকে জেনে সত্য কথা বলবেন আশা করি | দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিটে অধ্যয়নরত ছাত্রদের এই ধরনের কথা মানায় না | আপনারা যদি সত্য না জেনে কত বলতে থাকেন তাহলে দেশ আপনাদের কাছ থাকে কিছু আশা করতে পারেনা | আপনার জন্য শুভ কামনা |
32094
২৩
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; রাত ০১:৩৯
রসায়ন বিভাগ, ঢাবি থেকে কাজল
ঢাবি থেকে সালাহউদ্দিন
আপনারা শহীদ আব্দুল মালেকের খারপ দিক আবিস্কার করলেন কিন্তু ওনার যোগ্যতা কি আছে তা তো মনে হয় পড়লেন না।
আচ্ছা ভাই বর্তমান শিক্ষাপ্রতিস্টানে প্রতিদিন হানাহানি মারামারি চলতেছে ওরা নিজেদের মধ্যে যারা নিহত হইতেছে তারা বেহেস্তে যাবে নাকি কোন দোজখে যাবে একটু বলতে পারবেন কি ?
আমি ১৯৯৬ - ২০০১ পর্যন্ত আমি চট্টগ্রামে ছিলাম ছাত্রলীগের যন্ত্রনায় অন্য দলের কোন ছাত্র নিজের ঘড়ে থাকতে পারে নাই তারা জারের শাসের মত যখন যাকে ইচ্ছা তুলে নিয়ে যেত এবং হত্যা করত এক পর্যায়ে দেখেছি চট্টগ্রামের ছাত্রশিবির রা অতিষ্ট হয়ে গিয়েছে, চট্টগ্রামে বহদ্দার হাট মোড়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ছাত্রলীগের বড় বড় নেতা কোথায় যেন যাইতেছে বহদ্দার হাট মোড়ে যখন এসেছে তখন দেখেছি ওদের কে অস্ত্রর বুলেট দিয়ে ঝাঝরা করে পেলেছে যা এ্ইট মাডার নামে প্রসিদ্ব তাদের লাশ কে দেখেছি টলি করে নিয়ে যাইতেছে কই পুলিশ তো দেখলো কিন্তু এগিয়ে এল না কেন ? পুলিশ ও চাইতেছে ওরা মরে যাইলে আমরাও শান্তিতে থাকতে পারবো এর পরে দেখেছিলাম পুরা চট্টগ্রামে হানাহানি বন্ধ হয়ে গেছে পুরা চট্টগ্রামে আওয়ামি সন্ত্রাসী বন্ধ হয়ে গেছে।
আচ্ছা যাদের কে হত্যা করা হল তারা এখন কোন দোজখে আছে একটু বলতে পারবেন ?
তবে এখনো মনে হয় বাংলাদেশ কে ছাত্রলীগের তান্ডব থেকে রক্ষা করার জন্য সেই রকম এইট মাডারের প্রয়োজন আছে ।
জাহেদ
ধন্যবাদ
32097
২৪
লন্ডন থেকে আফজাল লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; রাত ০২:৩৩
কিছু পাঠকের মন্তব্য পড়লে মনে হয়- ইসলাম সম্পর্কে যতেষ্ট ত্বত্ত্ব রাখেন না অথচ মনগড়া বক্তব্য ইসলামের নামে চালিয়ে দিবার অপচেষ্টা করেন। উপদেশ রহিলঃ যে কোন মতবাদের ব্যাপারে মন্তব্য করার আগে সেই মতবাদ সম্পর্কে "মন্তব্য করার যোগ্য যতেষ্ট ত্বত্ত" যেনে নেওয়া ভাল। যারা আল্লাহ ও রাসুলের বিধান মানতে অবহেলা করেন, তাদের হাশর কি হবে আল্লাহই ভাল জানেন, অবশ্য জালিমদের আল্লাহ কি করিবেন, কোর-আন খুলে এক নজর দেখে নিবেন, আর জালেম শব্দের সংঘাও জেনে নিন দয়া করে। ধন্যবাধ
32102
২৫
দাম্মাম সৌদি আরব থেকে নজরুল লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; দুপুর ১২:৫২
মহান আল্লাহ তায়ালা মালেক ভাই সহ যুগে যুগে ইসলামী আন্দোলনের জন্য জীবন দানকারি সকল শহীদকে কবুল করুক, আমিন।
32157
২৬
জেদ্দা থেকে মোঃ আইয়ুব আলী লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; দুপুর ০১:৫৯
৯নং ভাই, আপনার লেখার জবাব ১৩ নং ভাই ভাল দিয়েছে। কি দরকার অন্যকে আঘাত করে লেখার। আপনার কোন মতামত থাকলে ভদ্র ভাবে উপস্থাপন করুন, আমরা পড়ে উপকৃত হই। এই কলামের যারা পাঠক তারা সবাই কিন্তু সক্রিয় ভাবে রাজনীতিতে জড়িত নয়। এমনও হতে পারে আপনার সুন্দর লেখা পড়ে পাঠক আপনার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একাত্বতা পোষন করতে পারে। আসুন যুক্তি এবং তথ্যবহুল আলোচনা করি। ঢাবির ১৭ এবং ২১ কে বলছি, সত্যি কি আপনারা ঢাবির ছাত্র ? নাকি নাম ব্যবহার করছেন? সর্ব উচ্চ বিদ্যাপিঠের একজন ছাত্র কি করে এ জাতীয় মৃতুকে সমর্থন করে। সে যদি আপনার কোন আপনজন হতো পারতেন এ ভাবে লিখতে ? আপনজন হারানোর কষ্ট আমাদের বর্তমান প্রধান মন্ত্রির চেয়ে আর কে বেশী অনুভব করবে। ৩৫ বছর পর এখনো তাঁকে কাদতে দেখি। মালেক ভাইয়ের আপনজনরা এখনো বেচেঁ আছে। আপনার লেখা পড়ে এদের মনের অবস্থা কি হবে একবার ভাবুন। আচ্ছা মালেক ভাইকে যারা মেরে ফেললো, এদের পূর্বসুরী যারা আছে এরা কিন্তু ঢাবিতে একনো মানুষ খুন করে। যারা খুন হয় এরা কোন দোযখে যাবে ?
32162
২৭
International Business Economics,Martin Luther university.Germany থেকে মোহামমদ আশরাফুজজামান(রিপন) লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; বিকেল ০৫:৫৬
Thank you Gazi Rahat for your artical.I'm agree with "23,24 &26.
32190
২৮
লন্ডন থেকে জামলি লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; রাত ০৯:১১
ধন্যবাদ গাজী রাহাত সাহেব , আপনার ইসলাম বিরোধী মানসকতার জন্য.
32215
২৯
New York USA থেকে Probashi লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১০; রাত ১০:২৬
ধন্যবাদ গাজী রাহাতকে ।েকটি গুরুতত পূণ ঘটনা সমরণ করাবার জন্য. ১৫ অাগষটেক শিহদ আবদুল মালেক িদবস হিসাবে পালন করা উচিত. শহিদ চির অমর . আললাহ শহিদ আবদুল মালেককে জাননাত বাসি করুন. আমিন.
32219
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy