শরীরে আনবে ঝিম ঝিম ভাব—অত তেজ নেই গাঁজার,
তাই চলো খুঁজি ঘুরে আসি দেখি ফেন্সিডিলের বাজার—
যুবসমাজের মধ্যে এ নেশা বসেছে ব্যাপক জেঁকে;
ফেন্সিডিলের বাজারের মাল আসে কোন দেশ থেকে?
একুশ আটের গ্রেনেডগুলোতে ছিলো কোন দেশী মোহর?
যে-গ্রেনেড এই দেশে ঢুকিয়েছে ভয়ভীতি আটপ্রহর!
ধুতি পায়জামা শর্ট কামিসের কাটতি এখন অনেক!
হিন্দি চ্যানেলে দেখে সিরিয়াল,
এদেশী মেয়েরা দেয় বড় ফাল।
আচ্ছা!
ভারতীয়রা কি পরেছে কখনো আপনার সাজ ক্ষণেক?
ভারত সকল থ্রিপিসে-শাড়িতে!
ভারত সকল গ্যাসের গাড়িতে!
ট্রাকের বাজারে শুধু বেডফোর্ড হিন্দুস্তান টাটা!
আর—
এদেশী মাল তো ভারতে গেলেই খেতে হয় শত ঝাঁটা!
এদেশী চ্যানেল বন্ধ ভারতে,
ভারতী এদেশে চালু!
দেশীয় চ্যানেল চালাবেন না কি?
কারাগারে যান ফালু।
কিনতে যাবেন শার্ট-প্যান্ট পিস?
ভারতী কাপড় করে গিজগিজ!
তবে
খাবার বেলায় ভালোই বুঝি—
চাল ডাল তেল শুধু দেশী খুঁজি।
বুঝে আসছে না কেন তবে কারো—
ভারতীয় মানে নেই কোনো মান?
তাই মনোভাব আজি বদলান,
দেশী ভালোতেই মন দিন আরো।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাহফুজুর রহমান আখন্দ লিখেছেন,
০৩ মার্চ ২০১১; বিকেল ০৪:১৮
বাহ
খুব ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ আপনাকে
49892
২
ঢাকা থেকে জসিম লিখেছেন,
০৯ মার্চ ২০১১; বিকেল ০৫:২৭
হাবিব আপনাকে ধন্যবাদ। কিন্তু এখন মানুষ আর আগের মতো নেই। তাদের চামড়া এখন গন্ডারের মতো। ভারতের বহুমুখি আগ্রাসনের কাছে তারা পরাজিত। তারা মেনে নিয়েছে। রাষ্ট্র যেখানে ফেলানিদের ঝুলিয়ে রাখার বিপক্ষে কিছু বলে না। দেশীয় সব সংবাদমাধ্যম আপনার খেয়ে তাদের গল্প করে। তরুন প্রতিবেদক যখন অফিসে গিয়ে বলে, "বস, সীমান্তে মানুষ মরছে"। বস তাকে ঝারি মেরে বলে, "বেটা এটা কোনো নিউজ হইল। তোরে দিয়া সাংবাদিকতা হইব না।" সেদিন থেকে সাংবাদিক হতে আগ্রহী সেই নবিশ ধীরে ধীরে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিতে থকে। একদিন সে নিউজ এডিটর হয়। সেও নবীন সাংবাদিক কে একই কারনে ঝারি মারে। এরপর হয় সম্পাদক। ভারত সফর করে। দেশে ফিরে ভারতের বন্দনায় খই ফুটিয়ে মন্তব্য প্রতিবেদন লিখে। আমাদের ফেলানীরা গুলি খেয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাতারের বেড়ায় আটকে থাকে। সম্পাদকের তখন কেবলি ভারতের শনৈই শনৈই পরাশক্তি হওয়ার দিকে ধাবমান কিচ্ছা কাহিনীর গল্প মনে আসে।
50543
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
খুব ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ আপনাকে