মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; দুপুর ০৩:৩৫ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

রাস্তার বেহাল দশা দেখুন আর আবুলের মতো হাসুন!

হারুন ইবনে শাহাদাত

মহাজোট সরকারের প্রভাবশালী নেতা বাবু সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রীর আবুল হোসেন সাহেবের চেহারা যত ফিটফাট দেশের রাস্তাঘাটের অবস্থা ততটাই বেহাল। গত ২৮ আগস্ট দৈনিক প্রথম আলো পরিচালিত জনমত জরিপের প্রশ্ন ছিল ‘‘মহাসড়কগুলোতে এখন আর কোন খানাখন্দক নেই যোগাযোগমন্ত্রীর এ মন্তব্য যথার্থ বলে মনে করনে কি?’’ ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত এ জরিপে মোট ভোট দিয়েছেন ২হাজার ২৩৫ জন। এর মধ্যে ৯৪দশমিক ৩২ জন যোগাযোগমন্ত্রীর বিরোধিতা করেছেন। অর্থাৎ তারা মনে করেন দেশের মহাসড়কগুলো খানাখন্দে ভরা এবং যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। শেখ হাসিনা এরশাদ মেননের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, অদক্ষতা অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের ৭০ভাগ মহাসড়ক যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়ক ও জনপদ সূত্রে জানা যায়, দেশে প্রায় ২৫ হাজার কিলোমিটার সড়ক- মহাসড়কের মধ্যে অন্তত ১৫ হাজার কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের অভাবে যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। ৫০ পয়েন্টের অবস্থা চরম খারাপ। সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের অধীনে সারাদেশে সড়কের পরিমাণ ২১ হাজার ৫৭১ কিলোমিটার। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক ৬ হাজার ৪৪৫ কিলোমিটার, আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪ হাজার ১০৫ কিলোমিটার। জেলা সড়ক রয়েছে ১০ হাজার ৬০৬ কিলোমিটার। প্রতিবছর কি পরিমাণ রাস্তা নষ্ট ও এই রাস্তা মেরামতে কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন তা নির্ধারণ করে সওজের মহাসড়ক উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ। এবছর বর্ষা শুরুর আগে ১২ হাজার ৪২৮ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামতের জন্য খসড়া সুপারিশমালা তৈরি করে সওজ। এর মধ্যে ৮০০ কিলোমিটার রাস্তা পুরোপুরি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। ধারণা জরুরি ভাবে ১৫ হাজার কিলোমিটার রাস্তা এখনই সংস্কার করা দরকার। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, দেশে ৯টি জাতীয় মহাসড়কের দূরত্ব তিন হাজার কিলোমিটার। দেশে ৩৫০ কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক, ৫৩০ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক, এক হাজার ৫০০ কিলোমিটার জেলা সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

সড়ক জনপথ (সওজ) সূত্রে প্রকাশ, গত তিন অর্থ বছরে সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২০ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা। বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে খরচ হয়েছে ১৯ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা। উল্লিখিত ৩ অর্থ বছরে তাদের বরাদ্দ ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা। আর তাদের ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ১২ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। উন্নয়ন ও রাজস্ব খাত মিলে তাদের অর্থ ফেরত যাওয়ার ঘটনা নেই বললেই চলে। এতো বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের পরও বর্ষা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক নাজুক অবস্থায় পৌঁছার পর সড়ক সংস্কারের দাবিতে কয়েকটি রুটে গত কয়েকদিন ধরে বাস ধর্মঘটের মতো ঘটনা ঘটে।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে উন্নয়ন ও রাজস্ব মিলিয়ে তাদের ব্যয় হয়েছিল ১ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। এই বছরে তাদের উন্নয়ন খাতে মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা। আর উন্নয়ন ব্যয় ছিল ১ হাজার ২১৩ কোটি টাকা। পরের বছর অর্থাৎ ২০০৯-১০ অর্থ বছরে দুই খাত মিলিয়ে ব্যয় হয় ২ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা। এ বছর উন্নয়ন খাতের ২ হাজার ৩০৮ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা। আর ২০১০-১১ অর্থ বছরে দুই খাতে ব্যয় দাঁড়ায় ২ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা। এ বছরে উন্নয়ন বরাদ্দ ২ হাজার ৬৩ কোটি টাকার বিপরীতে ব্যয় ছিল ১ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা। সূত্র জানান, রাজস্ব খাতে তাদের বরাদ্দ ও ব্যয়ে তেমন কোন পার্থক্য নেই।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে উন্নয়ন ও রাজস্ব মিলিয়ে তাদের ব্যয় ছিল ৩ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। পরের বছর (২০০৯-১০ অর্থ বছরে) ব্যয় হয় ৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। আর ২০১০-১১ অর্থ বছরে তাদের ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, উভয় বিভাগের এই হিসাবের মধ্যে দাতা ও সরকার প্রদত্ত অর্থ রয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য সংগহের সময় জানা যায়, সওজের ২১ হাজার কিলোমিটার ও এলজিইডির ৮০ হাজার কিলোমিটার (পিচ ও ইটের রাস্তা মিলিয়ে) পাকা সড়ক রয়েছে। সওজ এর আওতাধীন জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক ও জেলা সদরের সঙ্গে উপজেলা গ্রোথ সেন্টারের সংযোগকারী জেলা সড়কগুলোর (ফিডার রোড) অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। সওজের দায়িত্বশীল সূত্র বলেছেন, রক্ষণাবেক্ষণ কাজে আমাদের যে চাহিদা সে অনুযায়ী আমরা বরাদ্দ পাই না। সে কারণে অনেক সময় জরুরী মেরামত কাজেও হাত দেয়া যায় না। গত অর্থ বছরে অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে আমরা উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ দিয়ে রাজস্ব খাতের কাজ করেছি। তাছাড়া আরও দুইটি বিষয় আছে যা রক্ষণাবেক্ষণ বরাদ্দের উপর চাপ সৃষ্টি করে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো বকেয়া বিল। রক্ষণাবেক্ষণ বরাদ্দ ছাড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি বড় অংশ আগের বকেয়া বিল পরিশোধে চলে যায়। এরপর আছে অস্থায়ী কর্মচারী। এই অস্থায়ী কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি যায় রক্ষণাবেক্ষণ তহবিল থেকে। সারাদেশ জুড়েই সড়ক বিভাগে অস্থায়ী কর্মচারী আছে। কিন্তু তাদের মোট সংখ্যাটি কত সে সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

একটি সূত্র জানায়, বরাদ্দকৃত টাকা যথাযথভাবে খরচ না করে লুটপাট হওয়ায়, নতুন নির্মিত সড়ক দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়া। অবশ্য প্রকৌশলীরা ভিন্নমত প্রকাশ করে বলেন, বহন ক্ষমতার অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই ট্রাকের কারণে সড়ক নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশে সাধারণত সিঙ্গেল এক্সেলের ট্রাকই বেশী চলাচল করে। ইদানীং কিছু ডাবল বা মাল্টি এক্সেলের ট্রাক আসছে। কিন্তু তা সংখ্যায় অতি নগণ্য। ডাবল বা মাল্টি এক্সেলের একটি ট্রাক বিদ্যমান সড়ক ব্যবস্থাতেই একসঙ্গে অনেক বেশী পণ্য পরিবহন করতে পারে। এক্ষেত্রে পণ্যের ওজন অনেকটা স্থান জুড়ে ভাগ হয়ে যাওয়ায় সড়কের ক্ষতির সম্ভাবনা কমে যায়। কিন্তু এ ধরনের ট্রাকের দাম অনেক বেশী হওয়ায় বোধগম্য কারণেই পরিবহন ব্যবসায়ীরা ৫ থেকে ৭ টনের সিঙ্গেল এক্সেল ট্রাকে অতিরিক্তি পণ্য বোঝাই করে নিজেদের মুনাফা সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যায়। এরকম একটি ট্রাক অনেক সময় ২১ টন পর্যন্ত পণ্য নিয়েও রাস্তায় চলাচল করে। এই অতিরিক্ত বোঝাই ট্রাকের ভার জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কগুলো কোনরকমে সামলালেও জেলা বা উপজেলা সড়কগুলো তা সামলাতে পারে না সেজন্যই প্রত্যন্ত অঞ্চলে গেলে ব্রীজ, কালভার্ট ভেঙ্গে বা সড়ক ধসে গিয়ে ট্রাক আটকে থাকার দৃশ্য ইদানীং খুব স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। উল্লেখিত তথ্য সম্পর্কে সরকারের মন্ত্রী এপিমদেও রাজনৈতিক বক্তব্যে বিভিন্ন মতপার্থক্য থাকলেও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট তথ্য মিডিয়ায় আসেনি। তাই উল্লেখিত তথ্যের সত্যতা নিয়ে কোন প্রশ্ন আশা করি কারো মনে নেই। অতএব নিঃসন্দেহে বলা যায়, এখাতে ব্যাপক লুটপাটের কারণেই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সংস্কারের নামে এখনো লুটপাট চলছে, সাথে সাথে চলছে ফিটফাট মন্ত্রী মহাদোয়ের চোটপাট গলাবাজি। তার সাথে সুরমিলেয়ে মহামান্য প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ধৈর্যধারণের উপদেশ দিচ্ছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, শহীদবুদ্ধিজীবী মুনির চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র এটিএন নিউজের সিও মিশুক মুনিরের ইন্তেকালের পর সারাদেশে যোগাযোগ মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি উঠে।

যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখান করে বলেন, তিনি কাজ করছেন, পদত্যাগ করলে এ কাজ আরো পিছিয়ে যাবে। মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যেদেশে বাড়িতে ঢুকে রাষ্ট্রপতিকে পরিবার পরিজনসহ হত্যা করা হয়, সেদেশে পরিবর্তন আসতে একটু সময় লাগবে। তিনি আরো বলেন, বাঙালির ধৈর্য় কম।যোগাযোগামন্ত্রী আবুল হোসেন দাবি করেছেন, অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে ভালভাবে এবার মানুষ বাড়ি গিয়ে ঈদ করতে পেরেছে। এটা সম্ভব হয়েছে তার মন্ত্রণালয়ের অসীম দক্ষতা আর যোগ্যতার কারণে।

যারা রাস্তা মেরামতের কাজ দেখেছেন তাদের অভিমত হলো, নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তার খানাখন্দক ভরাট করায় জনগণের কোটি কোটি টাকা নষ্ট হচ্ছে। জনগণের কষ্ট কমছে না। কিন্তু তারপরও আমাদের যোগাযোগমন্ত্রী আছেন আগের মতোই। তিনি বিদেশ থেকে ঋণ করে অর্থের ব্যবস্থা করে, রাস্তা ঠিক করার জন্য অর্থমন্ত্রীর অনুমতি চাচ্ছেন। আহা! কত দরদী মন আমাদের যোগাযোগমন্ত্রীর জজের জন্য নয় দেশের জন্য ঋণ করতে তার মন আনচান করছে। এত ষোল কোটি বিশাল জনগণের ঘাড়ে মাথাপিছু আর কত টাকাই বা ঋণের বোঝা বাড়বে? অবশ্য নিন্দুকরা বলেন, বিদেশী ঋণ আর কমিশন এ শব্দ দুটোর মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্কের্র কারণেই আমাদের দেশের নেতৃবৃন্দের অনেকেরই দেশের টাকার চেয়ে ঋণের টাকার দিকে টান বেশী। বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রীর টান কিসের দিকে সে গুণ লুৎফর রহমান রিটনর ছড়ায় বর্ণনা করেছেন এভাবে,

‘‘দেশের মানুষ কাঁদছে যখন আবুল তখন হাসে
মর্যাদাহীন লোকটা শুধু টাকাই ভালোবাসে!
সড়ক জুড়ে মড়ক তবু আবুল কি তা মানে?
মন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখার মন্ত্র সে ঠিক জানে!
হাসিনাকে ডুবিয়ে দিতে আবুল একাই এক শ
হাপিস করতে পটু আবুল জনগণের ট্যাকশ...
দেশের মানুষ ভোগান্তিতে ফুঁসছে মানুষ রাতদিন
দোহাই লাগে শেখ হাসিনা আবুলটাকে বাদ দিন!

শেখ হাসিনার পাশে
ফাইল বগলে শ্যুটেড-বুটেড
ব্যর্থ আবুল হাসে!’’

দেশের মানুষ যতই ব্যর্থ বলুন না কেন, যতদিন আমাদের মহান নেত্রীর নেকনজর তার প্রতি আছে ততদিন কেউ তাকে টলাতে পারবে না। এ আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান হয়েই তিনি হাসছেন। তার হাসির সাথে তাল মিলিয়ে দেশের প্রত্যেক দেশপ্রেমিক নাগরিকের উচিত প্রাণ ভরে হাসা। সুনির্মল বসুর ভাষায়, হবু চন্দ্র রাজা বলেন,
গবু চন্দ্রে ডেকে-----/ ‘‘ আইন জারি করে দিও রাজ্যে আজ থেকে,/ ------/ কাঁদতে কেহ পারবে না‘ক, যতই মরুক শোকে/ হাসবে আমার যতেক প্রজা, হাসবে যত লোকে। ---’’ অতএব রাস্তায় চলুক কষ্ট পান কিংবা মরুন হাসতে কিন্তু ভুলে যাবেন না? তাহলে খবর আছে।

Email: hiharun@hotmail.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/HarunIbnShahadat
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
জেদ্দা থেকে টুটন আহম্মেদ লিখেছেন, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:২২
আওয়ামীলীগ ও বি এন পি ক্ষমতাতে যেই যাক পকেট নীতি দুই দলের একই।
68489
Long Drive থেকে জাতীয় বেঈমান লিখেছেন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১; দুপুর ১২:৩৬
ছড়াকার লুৎফর রহমান লিটন :- এখন থেকে শুধু ছড়াকার না লিখে ''চাটুকার ছড়াকার'' লিখুন ভালো মানাবে ।কেন না পুড়ো জাতীই জানে হায়েনা কে ডোবানোর জন্য হায়েনা একাই একশো ,সেখানে কোন আবালের দরকার পরেনা ।
68589
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy