মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; দুপুর ০৩:৩৮ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

আনতে হবে দিন বদলের দিন

হাসান টুটুল

সে দিন কখন আসবে, যে দিন মুক্ত এই জাতির স্বাধীনতা স্বপ্ন দেখা বন্ধ হবে। কবে কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন জাতির বিবেকদের বিবেক জাগাবে? দেশের মানুষের স্বপ্ন কবে মুক্তি পাবে? কবে স্বাধীন কলমের খোঁচায় পরাধীন সংকীর্ণ রাজনীতিকরা বন্দী হবে? কে হবেন সেই দেশ বন্ধু, যিনি ঘোষণা করবেন গণতন্ত্রের মুক্তি? কবে কাগজ আর আকাশ সংস্কৃতির নতুন মুখের সন্ধানের লক্ষ্যে হবেন দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক সমাজসেবীরা যারা হবেন প্রকৃত রাজনীতিবীদ? কবে সাংবাদিকরা, ত্যাগের আনন্দ তুলনাহীন বুঝে বন্ধু হবেন জনগণের, আর বন্ধ হবে অর্থহীন লক্ষ্যহীন বাচালদের রাজ বাক্যবাণ সংগ্রহ? কবে সমালোচনা হবে আলোচনা, যা দেবে দিক নির্দেশনা? কবে মৌনতা সম্মতি নয়, বোঝাবে প্রতিবাদ? কবে থেকে মুখ খিঁচিয়ে আঙুল উঁচিয়ে ভয় দেখিয়ে রাজনীতিকরা ‘জ্ঞান’ আর দেবেন না? কবে দেশের টাকা নষ্ট করে হরতাল করে, পরের জিনিস ভেঙে আর রক্তের রঙিন বন্যায় আনন্দ করবে না রাজনীতি? কবে এরা শিক্ষা নিবে হার থেকে, নামবে নতুন উদ্যমে দেশ গড়ার কাজে? কবে জনগণ রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে? কার জনমে রাজনৈতিক সন্ত্রাসে ভীত হবে না জনগণ? কবে শিক্ষার অঙ্গনে থাকবে না অস্ত্রাগার? কেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের নতুন প্রজন্ম, তাদের পরবর্তী এবং তাদেরও পরবর্তী প্রজন্মের মানুষের কাছ থেকে চুরি করে নেয়া হয়েছে সুন্দর ভবিষ্যৎ, সততা, নম্রতা, সহনশীলতা, ইতিহাস এবং রাজনৈতিক অধিকার? এই ব্যর্থতার দায় কি স্বাধীনতা- পরবর্তী সব শাসকের নয়, যারা নিজেরা স্বপ্ন দেখতে জানে না বা দেখাতেও জানে না?

স্বাধীনতা বিরোধী যারা বর্বরতার সাথে লিপ্ত ছিল তাদের মতো যারা দেশের মানুষের সাথে পরবর্তীকালে প্রতারণা করেছে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, তাদের কি দেশের শাসনভার গ্রহণ করার অধিকার আছে? তাদের সবাইকে কি ত্যাগ করা উচিৎ নয়? রাজনৈতিক জঙ্গিবাদ থেকে কি দেশের মুক্তি নেই? নতুন প্রজন্মের নতুন স্বপ্ন নিয়ে কি এ দেশ এবং এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এগিয়ে যেতে পারে না? এ দেশের মানুষ দেশের পুরোভাগে সম্পূর্ন নতুন প্রজন্ম এলে কি তাদের ব্যর্থ হতে দেবে, পুরনোরা কি তাদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং ব্যর্থতার দায়ভারের সত্য ইতিহাস লিখে দেশের মানুষের বিরাট উপকার করাতে পারেন না? চলুন বদলে যাই। চলুন চাইতে শিখি। এ দেশ এ দেশের প্রতিটি মানুষের। কার দায়িত্বে দেশ চলবে তা দেশের মানুষ ঠিক করবে। চলুন রাজনৈতিক সংবাদ দেখা আপাতত বিসর্জন দিই। চলুন এসবের সরব-নীরবে প্রতিবাদ করি। আসুন কলম ধরি। প্রতিবাদের লিপি লিখি। অন্ধ রাজনীতি আর রাজনৈতিক সন্ত্রাস পেছনে ফেলে এগিয়ে যাই। সাংবাদিকদের রাজনীতিকদের মতামতের সাথে দেশে মানুষের স্বপ্নের কথা জানতে বলি। আসুন ভাঙচুরের নীতিকে তীব্রভাবে বর্জন করি, ঘৃণা করি এবং প্রতিবাদ করি।

ছাত্র, সমাজকর্মী এবং সাংবাদিকরাই এ ক্ষেত্রে মুখ্য। ছাত্র সন্ত্রাস মুক্ত শিক্ষাঙ্গন পেতে ছাত্রত্ব কেড়ে নেয়ার কঠোর বিধান চাই। সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও সততার জন্য বিশেষ বার্ষিক প্রশিক্ষণ চাই। সৎ নেতার উত্থান চাই। সমাজকর্মীদের সাহস চাই। দেশের দিশা তারাই দেখাতে পারেন। তারাই পারেন পরিবর্তনের সূচনা করতে। চার দশকের দুঃখের ভারে হতাশায় ডুবে যেতে দিতে পারি না আমাদের এই দেশটিকে। চলুন আগে নিজে বদলে যাই তারপর বদলে দিই। চলুন ‘দিন না বদলের চাবি’ ওদের হাত থেকে কেড়ে নিই। আসুন কোটি কোটি অসাধারণ মানুষের এ দেশটিকে গুটিকয়েক সব বিষয়ে বিজ্ঞ ক্ষমতাধরের হাত থেকে মুক্ত করি। অমর হোক দেশের মুক্ত গণতান্ত্রিক রাজনীতি। ধুঁকে মরুক বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের অনৈতিক রাজনৈতিক জীবন।

hasantutulbd@gmail.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/HasanTutul
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
পল্লবী, ঢাকা থেকে পানবি লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৫১
অসাধারণ প্রাজ্ঞ ও প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা নিবন্ধটি একটি আত্মবিশ্লেষণমূলক অসাধারণ! অসাধারণ!! বেশ কিছু দায়বদ্ধতার লেখা বইয়ের লেখক হাসান টুটুল যদি সেই হন যিনি লিখতে পারেন ‍"‌দ্রোহের ছড়া বিদ্রোহে" কিংবা "ডাক দিয়ে যায়" এর মত সময়পযোগী কালত্তীর্ণ বই তাহলে তাকে আবারো লাল সালাম। যিনি সময় ও কাল নিয়ে যন্ত্রনায় কুঁকড়ে না গিয়ে সময়ের সাহসী ও প্রয়োজনীয় সন্তানদের সাথে নিয়ে এগাতে চান। আমরা আছি আপনার সাথে। লিখুন আপনি, এগিয়ে যািচ্ছ আমরা, বিপন্ন মানুষেরা।
46572
bangkok, thailand থেকে linda gomej লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২৫
excellent
46597
কলকাতা থেকে অদ্বীতিয়া লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:৩৩
সাদামাটা ভাষায় একটি চিরন্তন আবেগে আর কীইবা চাওয়ার থাকতে পারে? এ চাওয়া শ্বাশত ও কালজয়ী। লেখক যে আবেগ দিয়েছেন তাতে নিশ্চিত আরো অনেকেই আপ্লুত হবেন যে, উল্লেখিত ভাবাবেগ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হলে বাংলাদেশের হবে, যদি বিশ্বব্যাপী চিন্তা করি তবে তাই-ই হবে। ধন্যবাদ লেখককে।
46599
সিঙ্গাপুর থেকে মোস্তফা জালাল লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:৫৮
লেখাটার নিজস্ব একটা যন্ত্রণা আছে। স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন আছে। স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার ক্ষমতা আছে। হাসান টুটুলের দুয়েকটি বই আমার পড়ার সুযোগ হয়েছে, অসাধারণ সে লেখা। কী দারুণ আকুতি বিশ্বের মানষকে বাঁচানোর, তাদের উপর পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণকে প্রতিহত করার, অসৎ রাজনীতি দিয়ে সভ্যতাকে ধংশ করার হীণ মানষিকতাকে বর্জন করার, জ্ঞানপাপীদের বাকচাতুর্যতার মুখোশকে ছিড়ে ফেলার অসাধারণ সে আহবান সত্যি হাসান টুটুল আপনার পক্ষেই সম্ভব। আপনিতো প্রমাণ করেছেন তা, সম্মুখ সমরে থেকে সে গুলোকে মোকাবেলা করার দুরন্ত সাহস দেখিয়েছেন। আল্লাহ আপনাকে নিশ্চয় হেফাজত করবেন।
46601
আরাফপুর, ঝিনাইদহ থেকে সেজান লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:৩২
"কী নিয়ে সে ঐক্য হলো শুনলে অবাক হোসনে, ঐক্য হলো সুখ সুবিধা বেতন বাড়ার প্রশ্নে", কিংবা "‍আকাশ ছোয়া দাম বেড়েছে পেঁয়াজ রসুন আদার, মুখের উপর হাত রেখে কই দেশটা বুঝি গাধার" কিংবা "মিথ্যেরা সব সত্যি বলে সত্যটাকে রুখে, চিৎকার কী আর এমনি করি, করি মনের দূঃখে" কিংবা "ধরলে জোঁকে ডরায় লোকে লাফায় কেমন করে, মানুষ রুপি হাজার জোঁকে দেশটা গেছে ভরৈ" কিংবা জোরে, আবার " স্বাস্থ্য পাগল অনেক লেঅকের শিকেয় তোলা হুঁশ, কত খাবার বাদ দিয়েছৈ বাদ দেয়নি ঘুষ"- এমন হাজারো মানবিক সংগ্রামী ছড়া লিখৈ এগিয়ে গেছেন অনেক দুর হাসান টুটুল, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। নিয়মিত সোনার বাংলাদেশ-এ আপনাকে পাব নিয়মিত আশা করছি। পত্রিকায় প্রকাশিত আপনার প্রতিটি কলাম আমার সংগ্রহে আছে। নতুন টাটকা টাটকা লেখাগুলো এই ব্লগেই পাব, বিষয়টা বেশ মজারও বটে। জয়তু হাসান টুটুল।
46618
হাটহাজারি, চট্রগ্রাম থেকে মিল্কি লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:৫০
আরে ভাই লেখার মূল্যায়ন করছেন না লেখকের। নিঃসন্দেহে লেখাটা ভাল হয়েছে কিন্তু সেটার আলোচনা বাদ দিয়ে লেখককে নিয়ে টানপোড়েন? লেখক নিশ্চয় তাদের কারো কারো ব্যক্তিগত পরিচিত বা তার পুরানো লেখার সাথে পরিচিত। সেটাও ঠিক আছে। কিন্তু আমাদের আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত বর্তমান লেকাটা নিয়ে তাই না? হাসান টুটুলের লেখাটার প্রশংসার পাশাপাশি মন্তব্য করতে চাই, তিনি অনৈক বড় মাপের লেখক হলেও তিসন দেখান নি কোন পথে, কিভাবে কোন সময়ে, কার সাথে সেই দিন বদল করতে হবে?
46620
সাহেব বাজার, রাজশাহী থেকে আবু ইব্রাহিম লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:০২
"দেশের মানুষের স্বপ্ন কবে মুক্তি পাবে" এই একটি কথা, একটি প্রশ্নই হাজার লক্ষ কোটি কথা আর প্রশ্নের সমন্বয় করেছে ঠিক ততগুলো মানুষের মনে। কেননা স্বপ্ন বন্দীতো মানুষ, সমাজ রাষ্ট জাতি সকলের সবকিছুই বন্দী। এটাকে মুক্ত করার কোন বিকল্প নেই, যদি কিনা আমরা সামনের দিকে নিজেদের স্বার্বভৌমত্বের স্বপ্নকে আগে বাড়তে দিই। আর এসবের মূলে আছে রাজনীতিকরা যারা কিনা, ড. ইউনুসের ভাষায়,"রাজনীতিকরা রাজনীতি করে শূধু টাকার জন্য" কিন্তু তিনি ভদ্রমানুষ এর চাইতে খারাপ ভাষা ব্যবহার করতে পারেননি। রাজনীতিকদের উপেক্ষা বা এিড়য়ে চললেই একটা বিহিত হতে পারে ছোট্র পরিসরে হলেও। কিন্তু এ বিষয়ে আমার অভিমত, পার্লামেন্টে রি-কল ব্যবস্থা থাকা উচিত, সামনের বৃহত্তর কল্যাণের জন্য, শক্ত গণতন্ত্রের জন্য, ভবিষ্যত বুনিয়াদ মজবুত করার জন্য। সকলের জবাবদিহিতা আছে শুধূমাত্র রাজনীতিবিদ ছাড়া। রাজনীতি করতে লেখাপড়া, জ্ঞান গরিমা রুচির প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন ঠিক তার উল্টোটা।
46622
মিউনিখ, জার্মানী থেকে শরীফ মাহমুদ পৃন্স লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:০৮
তাহলে ডাক শুরু হয়ে গিয়েছে, রোগাক্রান্ত রাজনীতি আর পোকাক্রান্ত রাজনীতিকদের নির্মূল করার জন্য। সুকান্তের ভাষায় বলবো, এ দলে পেছেন আমিও আছি, এদের জন্য আমিও যে মরি বাঁচি, আম যাই তার দিন পঞ্জিকা লিখৈ"
46623
~O) পার্বতীপুর থেকে রাহানুম সৈয়দা লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০০
রাজনীতির ভ্রষ্টতা নিয়ে তো আমাদের পত্রিকায়ালারাও তেমন জোরালো কিছু লিখেছে বলে দেখিনি। শুধু রাজনীতিকদের দোষ দিয়ে কি লাভ? রাজনীতির সাথে নির্বাচন কমিশনও দেশের চারচক্ষু বিশিষ্ট নাগরিক? বিচারকরাও? সম্পাদকরাও?কেউতো টু শব্দটিও করেন না শুধূ মাত্র রাজনীতিকদের কাছে হয় নিজেদের পজিশন ঠিক রাখার জন্য নয়তো, ভয়ে। সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করলেও তারা সেটাকে সমুন্নত(?) রাখার স্বার্থে সোয়োমটো রুল জারী করেন কিন্তু রাজনৈতিক পাপীদের বিরুদ্ধে সেসব কোথায়? আর গোল টেবিল মার্কা বাচালরা? তাদর টিকিটিও কি দেখা অপরাজনীতির বিরুদ্ধে। তারপরেও হাসান টুটুলের লেখাটা অনেক খানি অসম্পূর্ণ।
আমাদের এখন ভরসা শুধুমাত্র আল্লাহ। সারা দেশের মানুষ অপরাজনীতি ও অপরাজনীতিকদের ফাঁদে পড়ে ফেলানি'র মতো পানি পানি করে বাঁচার আকুতি করছে। এই আকুতি কি আল্লাহ'র কাছে পৌঁছাবে নিশ্চয় একদিন। সেদিন হয়তো এই সকল দুষ্কর্মের হোতারা কোন উপায়েই পার পাবার সুযোগ পাবেনা।
46651
১০
কল্যাণপুর, ঢাকা থেকে প্রফেসর ড. আখলাকুুর রহমান লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১২
নীতি-আদর্শ, চরিত্র ত্রবং আত্ম-সচেতনা ক্রয়-বিক্রয় করাই যাদের কাজ তারাই রাজনীতিক। সামান্য কিছু দালালীতে দেশের মান ইজ্জত স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিতে তিলমাত্র চিন্তার আশ্রয় নেয়না, তারা আশ্রয় নেয় বিশেী প্রভূদের। শুধূ মাত্র তাদের উচ্ছিষ্টের আশায় কেউ ওয়াশিংটন পন্থী, কেউ দিল্লি পন্থী েকউ মস্কো পন্থী কেউ ইসলামাবাদ আবার কেউ বা বেইজিং পন্থী। তাহলে দেশ পন্থী কারা। কাদের উপর মানুষ নির্ভর করবে দেশের আর দেশের মানুষের কল্যাণ করার জন্য। রাজনীতি সর্ম্পকে জনগন অনেক-অনেক অবগত ও সজাগ হয়ে উঠেছেন কিন্তু। আমাদের রাজনীতির প্রতারণা আর বিভ্রান্তি, রাজনীতকদের এদেশে ভাতৃত্বহন্তা, রাষ্ট্র-বিচ্ছিন্নতা ত্রবং বিভিন্ন কলঙ্কময় বহু অপরাধী কর্ম-কান্ড চালিয়ে আসছেন আমাদের ত্রই দেশে । মানবতার শান্তি-শৃঙ্খলা ভাংগার অপরাধে রাজনীীতকরা জনগণের কাছে দন্ডিত। ইতিহাসের রায়, এই অপরাজনীতিকদের জমিদারীর শেষ রায় দিছ্ছে, সে দিন বেশী দূরে নয়।
46654
১১
কলারোয়া, সাতক্ষীরা থেকে শিহাব হাসান লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১৯
রাজনীতিকরা এক অপরের দোষ দিয়ে জনগনণর কাছে নিজের সতীত্বের নগ্ন পরিচিত করাচ্ছেন। জণগন কী এতই বোকা যে তারা বুঝবেন না রাজনীতিকদের অপকর্ম কতখানি ভয়ংকর ভয়াবহ । না পারেন দেশের ভাল করতে কিন্তু যা যা খারাপ আছে আর হয়েছে সব কিছূই রাজনীতির জন্য। বর্বর এই সমস্ত দুস্কৃতরাজনীতিকদের কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখলৈ ক্ষতি নেই।
46656
১২
জেদ্দা, সৌদি আরব থেকে শিবলী নোমান সাথী লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৪৯
শুধু রাজনীতিকদের দোষ দিয়ে কী হবে? অভারবর সুযোগ সবাই ই নিতে চায়। তারাও নিচ্ছে।
46659
১৩
বাড্ডা, ঢাকা থেকে আফরিন হৃদয় লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১০:৫৯
কেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের নতুন প্রজন্ম, তাদের পরবর্তী এবং যুদ্ধ করে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মের মানুষের কাছ থেকে চুরি করে নেয়া হয়েছে সুন্দর ভবিষ্যৎ, সততা, নম্রতা, সহনশীলতা, ইতিহাস এবং রাজনৈতিক অধিকার। তাহলে যুদ্ধ করে জনগণ একটি মানচিত্র, একটু ভূখন্ড আর একটি পতাকাই পেল- স্বার্বভৌমত্ব? সেতো দেখছে সবাই! আর স্বাধীনতার ধর্ষিত মূখের দিকে তাকানোই দায়। তাহলে এই ব্যর্থতার দায় কি স্বাধীনতা- পরবর্তী সব শাসকের নয়, যারা নিজেরা স্বপ্ন দেখতে জানে না বা দেখাতেও জানে না? বরং আমজনতার স্বপ্নকে নিজেদের স্বপ্নের সাথে মেশাতে গিয়ে তাদের স্বপ্নকে ধর্ষন করেন আরেক বার। তাদের বুকে কেন আজো ওঠে হাহাকারের শব্দ? গণভবন, বঙ্গভবন দেখে কেউ বলবে এটাই আমার ক্ষত বিক্ষত বাংলাদেশ!
46677
১৪
কোর্টপাড়া, কুষ্টিয়া থেকে চম্পক লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:২৩
ছাত্র, সমাজকর্মী এবং সাংবাদিকরাই এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। নতুন দিনের প্রতিটা আগমনে আপনারাই বদলে দিতে পারেন, লন্ড ভন্ড করে দিতে পারেন এ সমস্ত প্রতারক ঠক ব্যবসা বৃত্তিক রাজনীতিকদের। তাদের ঝেটিয়ে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া মুক্ত করে শুণ্যস্থান পুরণে আপনারাই আগামীর স্বপ্নসিঁড়ি বিনির্মাণে দায়িত্ব নিতে পারেন। এগিয়ে আসুন। প্লিজ! সময় কিন্তু চলে যাচ্ছে।
46691
১৫
বাঙ্গালূর, ভারত থেকে কাঞ্চণজঙ্ঘা লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২৪
ভাঙচুরের রাজনীতিকে তীব্রভাবে বর্জন করি, ঘৃণা করি এবং প্রতিবাদ করি এই কপট রাজনীতিকদের। তবে লেখক হাসান টুটুলকে বলতৈ চাই রাজনীতিকরাই কী দেশের বা বিশ্বের একমাত্র ক্ষতিকারক িজনিষ?
46714
১৬
হাজ্বীগঞ্জ, চাঁদপুর থেকে রাফিক রাহিম লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:৩৬
দিন বদলের দিনের আরো বণর্না ছিল সেটা আলোচনায় আসা উচিত ছিল। শুধূমাত্র রাজনীতিকদের দোষ দেয়া কেন? তারা তো আমাদর সমাজের একজন মানুষ, তারাও ভুল করতে পারে। যেম করে অন্য পেশার মানুষেরা।
46715
১৭
ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া থেকে অগ্রপথিক লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:২১
লিখাটা ভাল লেগেছে। তবে অতৃপ্তি রয়ে গেল। মনে হল ভুমিকাতেই পরিসমাপ্তি। আরো অনেক বিষয় ছিল যেগুলেঅ লেখক তুলে আনতে পারতেন। তবে প্রচন্ড দামী একটি বাক্য, স্বাধীনতা বিরোধী যারা বর্বরতার সাথে লিপ্ত ছিল তাদের মতো যারা দেশের মানুষের সাথে পরবর্তীকালে প্রতারণা করেছে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, তাদের কি দেশের শাসনভার গ্রহণ করার অধিকার আছে? এটা যদি বাংলাদেশী বাঙালীরা বুঝতো তবে আমাদের দেশটা রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা, জীবনানন্দের রূপসী বাংলা আর নজরুলের বাংলাদেশ হতে সময় লাগত না।
46729
১৮
লিিল মোড়, দিনাজপুর থেকে কথা লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:৫২
আমাদের রাজনীতিক ও রাজনীতি নিয়ে বেশী কথা না বলাই ভালেঅ কেননা তারা শূনতে চান না, বলতে জানেন শূধূ। যা বলেন তা নিজেই বোঝেন না, মানেন না। পারেন শূধু নিজের আখের গাছাতে আর মানুষ খূন করতে। সম্মানীয় লোককে অপদস্থ করতে। অর্বাচীন বাচালদের জায়গা করে দিতে উন্মত্ত হয়ে পড়েন।
46731
১৯
চাষাঢ়া, নারায়নগঞ্জ থেকে চন্দ্রবিন্দু লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫০
সময়ের অপদার্থ লোকেরা সবচেয়ে অক্ষম মানুষেরা সুবিধাবাদী চরিত্রহীন লম্পট মানুষেরা, রাজনীতির মুন্ড সেজে বসেন বলেই রাজনীতির এই বিশ্রী চেহারা। কোথাও কোন শান্তি নেই। এই রাজনীতি পারে সুখ-শান্তি কেড়ে নিতে। এরা মানুষের বুকের ভাষা বোঝেনা, বাচাল ও স্তাবকদের চাতুর্যপূর্ণ কথার উপর নির্ভর করে থাকে কারণটা হচ্ছে তাদের নিজস্ব কোন সৃজনশীল ভাবনা নেই, কোথাও কোন দায়বদ্ধতা নেই, নৈতিকতার কোন বালাই নেই।
46759
২০
খান এ সবুর রোড, খুলনা থেকে ডা. খালেক মুর্তজা, এফআর সিএস লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৫
বর্বর আসলে কারা? যারা প্রচলিত রাজনীতি ও রাজনীতিকদের গতানুগতিক ধ্যান ধারণা নিয়ে চলছেন তাদেরকে, নাকি এক আকাশের নীচে বসবাস করছি তাদের সাথে এই আমাদেরকে? দালাল আর রাজনীতিকদের মধ্যে পার্থক্যটা কতখানি নির্ণয় করা সম্ভব? কোন রাজনীতিক আছেন বা তাদের দল-যারা কোন না কোন দেশের, মতের, ব্যাক্তির ভাড়াটে এদেশীয় প্রতিনিধি, সোল ডিস্ট্রিবিউটর। ওদরে বর্বর বলার আগে নিজরা নিজেদের দায়িত্ব কতখানি পালন করছি সেটাও ভাবার বিষয়। কারণ আমরা যদি সচেতন হতাম তরে ওই সমস্ত পরগাছা কবেই গাছের নীতি চাপা পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। আসুন বর্বর কে সেটাই আগে নির্ধারণ কনর।
46763
২১
খান এ সবুর রোড, খুলনা। থেকে ডা. খালেক মুর্তাজা, এফআরসিএস লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:৫৬
এক পিতা তার পাঁচ বছরের ছেলেকে নিয়ে এক পাদ্রীর কাছে নিয়ে গেলেন ছেলেটা বড় হয়ে আসলে কেমন হবে, তার একটা ভবিষ্যত নির্ণয় করা যায় কি না?পাদ্রী ছেলেটাকে দেখে মেঝের উপর একটা চাদর বিছিয়ে সেটার উপর একটা বাইবেল, একটা টয়গান, একটা নগ্ন নারীর ছবি, একটা হুইস্কির বোতল, কিছু মুদ্রা রেখে সেগুলোর মধ্যে থেকে যে কোন একটা তুলে নিতে বললেন। ছেলৈটি দ্রুত পায়ে কোন রকম কালক্ষেপণ না করে চাদরের চারকোণা ধরে পিঠের উপর ঝুলিয়ে দিল। বাবা ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞাসা করলেন, কী বুঝলেন ফাদার? 'ছেলেিট নিশ্চিত রাজনীতিকই হবে' -প্াদ্রী কোন রকম ভণিতা না করে সরাসরিই বললেন।
46772
২২
ভিয়েনা, অটোয়া থেকে লায়েক মাসুদ খন্দকার লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:০৯
রাজনীতি নিয়ে কোন আশা আছে? বাংলাদেশের সামনে কোন ভবিষ্যত আছে? রাজনীতিকদের কোন পরিবর্তনের চিহ্ন আছে? বাদ দিন যত্তোসব ফালতু বকবক।
46773
২৩
বরমচাল, মৌলভী বাজার থেকে টিকলু লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১০:১৭
কাদের কে যেন রাজনীতিক বলা হয়, যারা কখনো মিথ্যে বলেন না, বলেন অসত্য কথা!
46779
২৪
পাপুয়া নিউগিনি. এসএ থেকে ইশতিয়াক রসূল লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২১
আশা ভরসার সবচাইতে বড় আশ্রয়স্থল হওয়ার ভান করে পেছনৈ সবচাইতে বড় মতলব লুকিয়ে রেখে, সময়মত ঝোপ বুঝে কোপ দিয়ে সমস্ত আশা ভরসা নিঃশেষ করে দিতে দ্বিতীয়বার চিন্তা করে না যারা তারাই বুঝি রাজনীতিবিদ। গো হেল!
46813
২৫
জুরিখ, সুইজারল্যান্ড থেকে আলম এম. রাহমান লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:২৫
আসুন একটিবার ভাবি, রাজনীতিকরাই কি সব অপকর্মের মূলে? নাকি অন্য কারো হাত থাকে এসমস্ত অপকর্মের পেছনে?
46821
২৬
পটিয়া, রাজশাহী থেকে লিও লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১২
জুরিখ, সুইজারল্যান্ডের আলম এম রাহমানরে কথার জবাবে বলতে চাচ্ছি, রাজনীতিকদের অপকর্মের সাথে অবশ্যই অন্য কারো হাত থাকে। কেননা রাজনীতিকরা তো মাইক সেটের হর্ণ বিশেষ। কোথায় কে কী বলল সেটাই এই হর্ণে বেজে ওঠে। বিশেষ করে আমাদের দেশের রাজনীতিকরা। যাদের নিজস্ব কোন পজিটিভ চিন্তাধারা নেই, শিক্ষার কোন বালাই নাই, অভিরুচির চিহ্ন মাত্র নেই, মনুষ্যত্বের বিন্দুমাত্র লেশ নাই। আজকে রাজনীতির খাতায় নাম লেখােল কালকেই কোটিপতি হওয়ার জন্য এই রাত্রের মধ্যে এমন কোন অপকর্ম নেই যা তারা করতে পিছু পা হয়।
46835
২৭
নিউ ইয়র্ক, ইউএসএ থেকে দিলীপ সাহা লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:৪৪
ভালো কোন বিষয় নিয়ে লেখা উচিৎ। রাজনীতি এমন এক জিনিষ যা আমরা ইচ্ছে করলেও এর থেেক নিস্কৃতি পাব না।
46854
২৮
েকেশবপুর, যশোর থেকে অিগ্নবীণা লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২২
রাজনীতি থেকৈ হয়তো নিস্কৃতি পাব না, কিন্তু অপরাজনীতি থেকে নিস্কৃতি পেতে পারি, তার জন্য আমাদের মেহনত করতে হবে, পেছনে কোথাও বুদ্ধি বিবেক বন্ধক দিয়ে নয়। সম্মিলিত সৎ নিয়ত অবশ্যই কামিয়াবির সরল পথের দিশা হয়ে দাঁড়াবে।
46866
২৯
পাহাড়কাচ্ঞনপুর, টাঙ্গাইল থেকে লাকী শারমিন লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:৩৫
খুলনা থেকে ডা. খালেক মুর্তাজা, এফআরসিএস যে গল্পটি লিখেছেন তা এক কথায় দারুণ। স্টকে থাকলে আরো ্দেবেন প্লিজ! রাজনীতিকের সংজ্ঞা বুঝি আর হয়না ্এর চাইতে কিছু।
46868
৩০
্আস সাফা, সৌদিআরব থেকে বুগদািদ লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৪১
টুটুল ভাই দেখেছেনতো কেমন লেখা দিলেন ভাই আমরা সকলেই যে প্রায় রাজনীতি বিশেষজ্ঞ হয়ে যাচ্ছি। ভালই জমেছে লেখাগুলো।
এটা দিয়েই বোঝা যায় রাজনীতি বাদ দিতে চাইলেও তা আমাদের আস্টপৃষ্ঠে বেঁধে আছে বলেই হয়তো এগুলোর সাথেই আমাদের বসবাস করতে হবে।
ঠিক একই কারণে রাজনীতিবিদগণ তাদের মত করে আমাদের ভাবছেন। ‍"কত না বোকা এদেশের জনগণ! আমরা যা করছি, যা বলছি ওরা তাই মেনে নিচ্ছে"।
46907
৩১
থানাপাড়া, কুষ্টিয়া থেকে ম্যাডাম সুমি লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৪৯
টুটুল, তুমি চিনতে পারছে আমাকে? চিনলে একটা মতামত দিও। তোমার লেখাটা পড়েছি তবে মতামত দিতে দেরী হলো বটে। কিন্তু পেপারের সব লেখাই আমার পড়া হয়। তোমাকে এখানেও এই ব্লগে পাব বুঝে উঠতে পারিনি, যেটা আমার উচিৎ ছিল, তোমার মত লেখকরাতো গঠণমূলক সকল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সুন্দর আগামির জন্য আজকের আলোক বর্তিকা জ্বেলে যাবেই। অনেক শুভেচ্ছা ও সোনার বাংলাদেশকে। ভাল থাকুক সবাই নিজের মত করে। কারণ তোমার কাছেই শেখা 'ভাল থাকা জানতে হয়"।
46908
৩২
স্টকহোম, ইউকে থেকে পৃন্স লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২৯
রাজনীতি নিয়ে যত বেশী কলচার করা যাবে ততই রাজনীতির উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে। তাই নেতিবাচক বা ইতিবাচক দু'দিক নিয়েই এর সম্মন্ধে আলোচনা করি। এর মধ্যেতো অনেক জ্ঞানী গুণীর বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।
46968
৩৩
মেইন রোড, ফরিদপুর থেকে নীলাঞ্জন লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:১৭
ভালো কোন বিষয় নিয়ে লেখা উচিৎ। রাজনীতি এমন এক জিনিষ যা আমরা ইচ্ছে করলেও এর থেেক নিস্কৃতি পাব না। ইউএসএ'র দিলীপ বাবুর এ মনতব্য মোটেও অপ্রত্যাশিত নয়। এমন অনেক মানুষ পৃথিবীতে আছেন একটা সহমত তৈরির গোড়াতেই বাম হাত ঢুকিয়ে সেটাকে ব্যর্থ করে দিতে সিদ্ধ। তারা যুক্তিতে বলেন, এটা গণতন্ত্র। নিজেরা মানেন না গণতন্ত্র, যখন তাদের সর্ব ব্যর্থতা ঢাকতে গণতন্ত্রের দোহাই দেয়া।
46970
৩৪
স্টেশন রোড. বাগেরহাট থেকে পিলু মমতাজ লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:০৯
হাসান টুটুলের লেখাটি অত্যন্ত আবেগী ও েকামল ভাষায় কঠিন তত্বের বহিঃপ্রকাশ নয়, একটি ভাললাগার কাহিনী। ্আমাদের চিরন্তণ চাওয়ার বহিঃপ্রকাশ। এ লেখাটির সাথে আিম একমত, এক স্বপ্নের আঙিনায় ও একসাথে এগিয়ে যাবার প্রত্যয় ঘোষণা করছি।
46981
৩৫
ইসলামী বিশ্বদ্যিালয়, কুষ্টিয়া থেকে মুনছুর আজিজ লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:১৩
একটি স্বপ্নকে সফল বাস্তবায়নের গল্প। দারুন লেগেছে। এমন আশা, জাগানিয়া ও তার পথে হেঁটে যাবার নির্দেশনা সম্বলিত লেখা লেখকের কাছে আরো প্রত্যাশা করছি।
46982
৩৬
সাতকানিয়া, চট্রগ্রাম থেকে প্রফেসর ড. সাইফ আশরাফী লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০৩:০৭
গভীর চিন্তার ফসল এই লেখাটি, কিন্তু কে শুনবে এমন যুক্তির বিশ্বাসকে নিয়ে যন্ত্রণার কথকতা? খুব ভাল লেগেছে মি. হাসান টুটুল। আপনাকে ধন্যবাদ অনেক অনেক।
46984
৩৭
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লুৎফুল কবীর লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫৭
আমার মনে হয় যথেষ্ট খ্যাতি পাওয়া কলামিস্ট হাসান টুটুলের ব্যাখ্যায়, আমরা আসলে রাজনীতিক বা রাজনীতির বিরুদ্ধে নই, কিন্তু প্রচলিত অর্থে যা চলছে সেটাকে কী রাজনীতি ব রাজনীতকদের কর্ম বলে গণ্য করা যায়? রাজনীতিবিদরা দেশের আন্তর্জাতিকতার সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সর্ম্পকের মাধ্যমে দেশে ও দেশের মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, সুন্দর আগামির জন্য। কিন্তু তারা যা করছেন সেটাকে সুস্থ ও স্বাভাবিক বলে মনে করার কোন নূন্যতম কারণ আছে কী। যা করেন তাহচ্ছে আগে নিজের জন্য, তারপরে দলের জন্য। দেশের জন্য ভাববার সময় হয়ে ওঠেনা। খুব ভাল একটি লেখার জন্য হাসান টুটুলকে অসংখ্যে ধন্যবাদ। আবারো আপনাকে সোনার বাংলাদেশে আশা করছি।
46992
৩৮
কলাবাগান, ঢাকা থেকে মির্জা আফরিন হক লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:২৮
রাজনীতিবিদদের সাথে করে হয়তো এ বিশ্বটা পার করে দেয়া লাগবে, কিন্তু হলফ করে বলা কী সম্ভব পরবর্তী বিশ্বটা রাজনীতি ও রাজনীতিক মুক্ত থাকবে? নতুন জুতা পায়ে দেয়ার সময় একটু লাগে বৈ কি, তারপরে ঠিক সয়ে যায়-আসুন সেভাবেই ওদের অপকর্মগুলো সয়ে নিই।
46998
৩৯
নাগরা বাজার, মাগুরা থেকে রামকৃঞ্চ দয়াল লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১০:৩৯
হাসান টুটুলের লেখা মানেই একটা বক্তব্যর দিক নির্দেশনা পাওয়ার নিশ্চয়তা। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি দেখছি। খুব ভাল লিখৈছৈন তিনি, খুব ভাল করেছেন সোনার বাংলাদেশ ব্লগের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে আর সব চাইতে ভাল হয়েছে ব্লগে তার যোগ্যতম অধিকারে নিজের স্থান করে নেয়াতে। ধন্যবাদ সোনার বাংলাদেশ, ধণ্যবাদ হাসান টুটুল।
47010
৪০
ভার্জিনিয়া, ইউএসএ থেকে সাদা চোখ লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১০:৫০
আসলে আমরা রাজনীতি বিশেষজ্ঞ হচ্ছি মার খেতে খেতে, সভ্যতা ধংস করার মুখে দাড়িয়ে। সৌদিআরবের বুগদাদির বক্তব্য কটাক্ষ মূলক হলেও অপাংতেয় নয়। সোজা কথায় বলতে হলে বলতে হয় ইউএসএ'র দিরীপ সাহার কথার রেশ ধরে রাজনীতি মুক্ত থাকাটা আদের পক্খে আদৌ সম্ভব নয়। ঠিক সে কারণে ঢাকা'র মির্জা আফরিন হকের সাথে গলা মিলিয়ে বলতেই চাই " নতুন জুতা পায়ে দেয়ার সময় একটু লাগে বৈ কি, তারপরে ঠিক সয়ে যায়" কিন্তু এ কোন নরকের জুতা যে কোন মতেই সয়ে যাবার কোন লক্ষণ যা পরিলক্ষণ হতে চাইছেনা?
47011
৪১
ব্যাংকক, থাইল্যান্ড থেকে প্রফেসর ড. লিন্ডা গোমেজ লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৩৪
চার দশকের দুঃখের ভারে হতাশায় ডুবে যেতে দেয়া অর্থই হচ্ছে রক্ত দিয়ে কেনা দেশটাকে নতুন করে হত্যা করার নামান্তর-যেটা হতে দিতে পারি না আমাদের এই দেশকে। রাজনীতি ও রাজনীতিকদের আগে চলুন আগে নিজেরা বদলে গিয়ে তারপর বদলে দিই ঘুণে ধরা এই অব্যবস্থপনাকে। পরবর্তীতে তবেই �দিন না বদলের চাবি� ওদের হাত থেকে কেড়ে নিতে পারবো। আসুন কোটি কোটি অসাধারণ মানুষের এ দেশটিকে গুটিকয়েক অপদার্থ সর্বজ্ঞানে দীক্ষিত ও মহাশক্তিশালী ক্ষমতাবানদের হাত থেকে মুক্ত করি প্রিয় স্বদেশভূমিকে। তখন অবশ্যই অমর হবে দেশের মুক্ত গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও রাজনীতিকরা। ধুঁকে মরবেই বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের অনৈতিক রাজনৈতিক জীবন। হাসান টুটুল, প্রিয় বন্ধু আমার- তোমার প্রিয় স্বপ্ন ও অকৃত্রিম এই আকাশের সমান ইচ্ছার সাথে আমাকে পাবে অবশ্যই। পাবে তোমার মত অ-নে-ক অগুনতি স্বচ্ছ চিন্তার মানুষকে। যারা কিনা তোমার মত ভাবছে দেশটাকে নিয়ে। তুমি এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, এক মুক্তিযোদ্ধার ভাই তোমার চাওয়াটা অনেক বড় হবে এটা খুবই স্বাভাবিক, কিন্তু তোমার চিন্তার সাথে দেশপ্রেমিক আমজনতা তৈরি। আমতো জানি তুমি কোন চিন্তা ও চাওয়া তোমার নাগালের বাইরে করনা। তোমার যন্ত্রণা, আমাদের অনেকেরই যন্ত্রণা। এমন এক যন্ত্রণার ফসলইতো নয় মাসের রক্তাক্ত বাংলাদেশ। একদেশ থেকে মুক্ত হয়েছি অপর কোন দেশের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য নয়।
তুমি ভাল থাকলে বাংলাদেশও অনেকখানি ভাল থাকবে। তাই তোমার জন্য সর্বোচ্চ শুভাশীষ।
47015
৪২
দৌড়ের উপর থেকে সাবেক ফুল নেতার হাফ হাতার চামচা লিখেছেন, ২৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৪৮
হাসান সাহেব, রাজনীতির পোড় খাওয়া জিনিষ নাকি আপনি? রাজনীতি নিয়া আসলে কি লিখছেন ধরতে গিয়াও যেন ধরতে পারতেছিনা। বুইঝাও যেন মাথায় ঢুকতাছেনা। কিন্তু ব্যাবাক মন্তব্যঅলাদের লেখাগুলা পইড়া মাশআল্লাহ বেশ বুঝতাছি আপনি বড় একখান নেক কাজ কইরা ফালাইছেন। মাগার আপনি কি বুঝাইলেন সেইডাতো ফিলিং করতাছি কিন্তু মাথার ঘিলূ নইড়া চইড়া বসতাছে। কািহনীডা কি?
47024
৪৩
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কণিকা লিখেছেন, ২৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:০৯
অসভ্য মানুষকে অসভ্য বললে তাকে অসভ্য মিন করা হয়না। যে অসভ্য বলে বেড়ায় আমার মনে হয় সেইই অসভ্য! কেননা অসভ্যকে অসভ্য বলার কোন গ্রহণযোগ্য যুক্তি আছে কি?
কোন পশুর লেজ যেন একবারই সোজা হয়?
47026
৪৪
ইউএন এভিনিউ, ফিনল্যান্ড থেকে ফারহান কারীম লিখেছেন, ২৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:৪৭
হাসান টুটুলকে ধন্যবাদ তার সাহসী, সময়পযোগী, গঠণমূলক বক্তব্য সম্বলিত একটি প্রাণবন্ত সাবলীল প্রাঞ্জল ভাষার প্রবন্ধের জন্য। ভিন্ন স্বাদের এমন আরো লেখা চাই পরবর্তীতে আপনার কাছে। আমি জানি আপনি ডাকসাইটে একজন কীর্তিমান লেখক। উপন্যাস, ছোট গল্প, কবিতা, ছড়ার অনেক বই বাজারে আছে, প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পত্রিকায় আপনার কলাম প্রকাশ হলেও কলাম বা প্রবন্ধের কোন বই দেখিনি। সেটাও দেখতে চাই আপাতত সোনার বাংলাদেশ ব্লগে দেখলেও আপনার সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকতে পারব সব সময়। বিদেশের মাটিতে আপনাদের খূব মিস করি, নিশ্চয় আর তা হতে দেবেন না। প্লিজ।
47027
৪৫
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্য& থেকে জাবীন লিখেছেন, ২৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:৫৫
একটি লেখা তখনই সার্থক হয়ে ওঠে যখন সেটা সার্বজনীনতা লাভ করে। মরন হয় হাসান টুটুল সে বৈতরণী পার হয়েছেন্। কারণ এত সুন্দর গঠনমূলক প্রাজ্ঞজনের মন্তব্য সত্যি বুকের ছাতি বাড়িয়ে দেয়। লেখাটি অবশ্যই আমারও ভাল লেগেছে, কিন্তু এর ব্যাপ্তি আরো বড় করে সেখানে আরো অনেক অসং্গতি তুলে ধরতে পারতেন লেখক। কারণ রাজনীতি নিয়ে রাজনীতিকদের যে সাপলুডু খেলা-তাতে আমজনতার নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।
47097
৪৬
ভবের পাড়া, মেহেরপুর থেকে আব্রাহাম জন লিখেছেন, ২৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৪৩
রাজনীতি এমন এক জিনিষ যা কিনা দিল্লিকা লাড্ডুর সাথেও তুলনা করা যায়। যে খেল সে পস্তালো যে না খেল সেও পস্তালো। তবে না পস্তানোর পথটা বের করা জরুরি।
47103
৪৭
(বে)আক্কেলপুর, (পরা)জয়পুরহাট থেকে কন্ঠস্বর লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:০০
"চলুন আগে নিজে বদলে যাই তারপর বদলে দিই"- একটি মূল্যবান বাস্তবিক কথা। যুগের পর যুগ ঘুণে ধরা রাজনীতি দ্বারা পরিচালিত হতে হতে আমরাওতো অনেকটা পচনশীলতার মধ্যে আছি। তাই আগে নিজেকে ওই পচন থেকৈ শুদ্ধ হয়ে পরিশুদ্ধ করব পচা রাজনীতি আর রাজনীতিকদের। আসুন এগয়ে যাবার প্রত্যয়ে।
47104
৪৮
ফুলেশ্বর, বরিশাল থেকে অহনা লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৩৬
একটি প্রধান পেশা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে মেধাবী ছাত্র বা ছাত্রীরা রাজনীতিতে আসছেনা, সেকারণে রাজনীীতর গুণগত কোন পরিবর্তন হচ্ছেনা- ইদানীং এই বক্তব্যটি কোন কোন রাজনীতিকরা স্বরবে উচ্চারণ করে যাচ্ছেন। তারা এটা বলছৈন না যে, আমাদের রাজনীতির অঙ্গণটা রাজনীতিকরা খারাপ করে ফেলেছৈন এতটাই যে, সেখান থেকৈ দুগন্ধই বেরুচ্ছে শুধূ। কর্দমাক্ত কোন মানুষকে জড়িয়ে ধরার অর্থইতো নিজেকে কর্দমাক্ত করে ফেলা। তাকে পরিষ্কার করা নয়। নিজের ভাল বুঝে যদি রাজনীতিকরা নিজেরাই শুদ্ধ না হয়, তবে সাম্প্রতিক বিশ্বরাজনীতির দিকে চশমা খূলে তাকিয়ে দেখূন রাজনীতির অশনি সংকেত! সাথে রাজনীতিকরাও!
47158
৪৯
লন্ডন থেকে ব্যরিস্টার জিল্লুর রহমান লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১৭
আমার প্রচন্ড ভাল লেগেছে, লেখাখানি। আমরা প্রবাসীরা অবশ্যই একমত। আমাদের ইচ্ছে এখন দেশে চলে যাই মাটির টানে। দিন বদলের ্অপেক্ষায় পথ পানে দৃষ্টি বিছিয়ে রাখলাম।
47168
৫০
আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা থেকে স্নিগ্ধ লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২৫
মনে হবার কী যথেষ্ট কারণ আছে যে, লেখক হাসান টুটুলই একজন বিপ্লবী?
আমি যতদূর জানি তিনি একজন নিরেট দেশপ্রেমিক মানুষ, যিনি দেশ নিয়ে কোন স্বপ্ন দেখেন না, তিনি দেশকে ভালবাসার সমস্ক উপকরণ নিয়ে থাকেন, তবু দেশকে নিয়ে হাপিত্যেশ করে মরেন নিত্যবেলা।
47211
৫১
সাঁটুরিয়া, মানিকগঞ্জ থেকে প্রকোৗশলী মাহমুদুন্নবী হীরক লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:৪৫
৯৬ সালের সংসদে নাম ভুলে যাওয়া একজন মাননীয় সংসদ সদস্য তার এলাকার জন্য রাস্তার জন্য বরাদ্দ চেয়ে চেয়ে ক্লান্ত ও অপমানিত হয়ে তিনি মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জনাব আনোয়ার হোসেন মন্জু'র কাছে বেশ চাপ দিয়েই প্রশ্নটা করলেন তার অসহায়ত্বের করুণ অভিব্যক্তিতে। "মাননীয় মন্ত্রী, আমাকে আমার এলাকার ভোটাররা নির্বাচিত করেছেন তাদের অভাব অভিযোগের সমাধান করার জন্য, কিন্তু বহুদিন আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করার পর আপনি বলেছিলেন আমার এলাকায় আপনি রাস্তার বরাদ্দ দিবেন। লক্ষ করা গেছে আপনি আমাকেও শুধু আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছেন। এতে আমার এলাকায় সরকার ও আমার ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে, ভোটাররা কটুক্তি করছে, আমাদের গালিগালাজ করছে আর বিরোধীরাতো আছেই বক্রোক্তি করার জন্য।"
জাতীয় সংসদ থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত টেলিিবিশনে আমি সরাসরিই দেখছিলাম। মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জনাব আনোয়ার হোসেন মন্জু তার ফ্লোর নিয়ে বললেন, "মাননীয় সংসদ সদস্য, রাজনীতি করবেন আর জনগণের গালিগালাজ খাবেন না তা হতে পারে না। সময় হলে আপনাকেও ডিও দেয়া হবে আপনি রাস্তা বানিয়ে দেবেন। তখন দেখবেন আপনাকে ফুলের মালা দেয়া হচ্ছে।"
আমি অবশ্য রাজনীতির এমন ভাষা জীবনেও শুনিনি। তার উপর মহান সংসদে দাঁড়িয়ে! তাই আমার কাছে রাজনৈতিক শঠতা সম্বলিত বক্তব্যর অভিধানে এ শব্দটিও সন্নিবেশিত হয়ে আছে।
47230
৫২
বন্দর, নারায়নগঞ্জ থেকে হিমাদ্রী সেন লিখেছেন, ৩১ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:০৬
অভিধান ঘাটলে রাজনীতির যে সংজ্ঞা পাওয়া যবে তা হচ্ছে দেশ জাতির কল্যাণের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে নিরলস কাজ করে যাওয়া। আর আমাদের রাজনীতিকরা কাজ করেন নিজের, স্রেফ নিজের জন্য, শুধুই নিজের। একজন সংসসদ সদস্যেকে তিনি নসিহত করলেন, জনগণের বিপক্ষেই থাকবার জন্য, তাদের গালিগালাজ খাওয়ার জন্য প্রত্যেক রাজনীতিকদের জন্য অবশ্য গ্রহনীয়।
আমরাতো সকলেই জানি যাদের গালিগালাজ দেয়া হয় তারা সৎকর্মের অধিকারী হয়না। স্বৈরাচার এরশাদের হাত ধরে রাজনীতি করতে আসা রাজনীতিকরা বলতেই পারে এমন কথা। যেটা পরম্পরায় চলেই আসছে। থামবার কোনই লক্ষণ নেই।
47232
৫৩
সুপৃম কোর্ট, ঢাকা থেকে এ্যাডভোকেট এলিন জবা লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৩০
একটি কল্যাণকামী লেখা।
হাসান টুটুল, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া দিন বদলের স্বপ্ন কখনো বাস্তবায়ন সম্ভবপর নয়। ক্ষমতায় গিয়ে স্বপ্ন দেখার পালঅ দেখঅ শুরু হয় আর ক্ষমতার বাইরে গিয়ে সেই স্বপ্ন দোষ আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
তাই আপনার সাথে কণ্ঠস্বর মিলিয়ে বলতে চাই, সে স্বপ্ন দেখতে চাইনা আর, যে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভবপর হয় না।
47350
৫৪
পাংশা, রাজবাড়ি থেকে নাজমুস সালেহীন লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৪৩
হাসান টুটুল'র "বদল" ছড়া কবিতাটিই বলে দেবে আমাদের মনের কথাগুলেঅ---
"বদল"
সমাজ বদল করতে হলে নিজের বদল আগে,
সে বদলটা হতে পারে, ঠাট্টা হাসি রাগে।
দিক না দিক করতে সেটা, বাধা দেবে ঠিকি,
প্রথম বাধায় টেরটা পাবে, কাজটা হলে সিকি।
আট আনা কাজ করার আগে জ্বলতে হবে নিজে,
ত্যক্ত হয়ে বলবে সবাই করল শুরু কি যে?
উৎপীড়নটা করবে শূরু বারো আনার পরে,
সাহস নিয়ে বাড়তে হবে- লক্ষটা ঠিক করে।
এবার কিন্তু ষোল আনা-দুপক্ষেরই সমান,
আপোষ নিয়ে বলবে এসে এবার খেলা থামান।
মানেটা তার খুবই সোজা, করতে খেলা শেষ,
পালাবে সব ক্ষেত্র ছেড়ে, থাকবে তখন তুমি বেশ।
বাহানার পর ছলচাতুরি কিংবা চোখ রাঙিয়ে ধমক,
বনধ করতে এগিয়ে চলায় আনবে হাজার চমক।
রুখতে তোমার অগ্রাভিযান নানান ভঙ্গির ছলনা,
ডেকে তাকে তোমার সাথেই চলার কথা বলনা।
দেখবে তখন ছাইপড়া মুখ পুড়ে কেমন খাক,
বাঁধার জন্য বলবে এসে, ঝামেলা সব বন্ধ থাক।
দিন বদল, সমাজ বদল করতে মারবে ওরা কাদা,
দায় মেটাতে ওদের মগজ প্রভূর হাতে থাকে বাঁধা।
লক্ষ্যে তুমি থাকলে সঠিক, ধামকি দেবে এমন শত,
পালিয়ে তারা যাবে সবাই আধার রাতে চোরের মত।
রাখবে মনে খুব জরুরি, এক আঁধারই ক্ষান্ত নয়,
রাতের পরে সকাল এলে পালিয়ে যাবে অশান্ত ভয়।
তোমায় কিন্ত থাকতে হবে, রাখতে সঠিক পাহারায়,
ঝড় ঝন্ঝ্রা বাণ প্লাবণে, কিংবা মরুভুমির সাহারায়।
দেখবে তখন এই তোমাদের চািদ্দক রবে ঠিকঠাক,
বদলে দিয়ে খোঁজ না রেখে, ভিতর হবে গুমর ফাঁক।
বদল দিনাটা অর্জন করে আগলে রাখা খুব জরুরি,
নইলে আবার এদরে মত করবে আবার সিধেঁল চুরি।
47352
৫৫
তাজহাট, দিনাজপুর থেকে আবীর হাসান মামুন লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৪৯
পাংশা, রাজবাড়ি থেকে নাজমুস সালেহীন আপনি হাসান টুটুলের ছড়াখানি দিয়ে আপনার মন্তব্য প্রকাশ করেছেন, তাতে আপনার মাধ্যমেই হাসান টুটুলকে ধন্যবাদ দিতে চাই যে, তিনি শূধূ শুধু কলম কালি ব্যবহার করেন না, করেন একটা সুন্দর বর্তমান তৈরির ক্ষেত্রপট প্রতিস্থাপনের জন্য। তিনি সস্তা জনপ্রিয়তার পরিভাষা দিয়ে সময়কে জয় করছেন না, করছেন যেটা তিনি বিশ্বাস করেন সেটাই সকলকে সাথে নিয়ে টানেলের ওপারে অবশিষ্ট আলোক রেখাকে উজ্জ্বলতম আলোকবর্তিকায় রুপান্তর করার জন্য।
অন্ততঃ আমার কাছে সেটা মনে হয়েছে।
আর সেটা বিশ্বাসে পরিণত হচ্ছে এতগুলো মন্তব্যর সাথে নিজের আকাংখার যেগসূত্র হওয়ায়।
আবারো ধন্যবাদ, উপরের মূল্যবান মন্তব্যদাতাদের, মসানার বাংলাদেশকে সর্বপোরি হাসান টুটুলকে। আপনার লেখা আরো পড়দত চাই।
47409
৫৬
পটিয়া রাজবাড়ি, রাজশাহী থেকে জান্নাতুল ফেরদৌস লুবনা লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫৪
যতই আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ থাকুকনা কেন আমাদের প্রাকৃতিক ও জনসম্পদ আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপে পরিণত হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশের বাস্তব অবস্থাকে পাশ কাটিয়ে দেশের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি কারণে। তার জন্য দায়ি দেশের পলিটিশিয়ানরা। তারা শূধূ ক্ষমতা ও বিত্তের লোভে অন্ধ।
নিজস্ব প্রযুক্তি ও দক্ষতার অভাব এবং বিশ্বায়নের কারণে আমরা এগুতে পারছিনা এ কথা সর্বাংশে সত্য নয় কারণ দেশের নীতি নির্ধারকরা নিজেরাই কোন সুষ্ঠূ নীতির ধার ধারেন না।
অতএব আমাদের সবার উচিত নিজেদের কল্যাণের জন্য সার্বিক ভাবে দক্ষতা বড়িয়ে দেশের জন্য সম্পদ হওয়া এবং দেশকে ভালবাসা ।
বাংলাদেশ সম্ভাবনার দেশ দেশের সাধারণ মানুষ অনেক ভাল মানুষ আমাদের দেশের রাজনীতির মানুষগুলোর মাঝেই দেশপ্রেমের অভাব বেশি মনে হয় আমার ।
47410
৫৭
দীঘিরপাড়, চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ডাঃ আজাদুর রহমান এমবিবিএস লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১১:১৭
আসুন স্বপ্ন দেখি বাস্তবায়নের জন্য, সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য নয় আর এর ব্যতয় যারা ঘটাবে তাদের রুখে দাঁড়াই এক সাথে। সময় কিন্তু সামনে-আমাদের বাস্তবায়ন যোগ্য স্বপ্নগুলোকে নস্যাত করার জন্য।
47431
৫৮
তমালতলা, নরসিংদী থেকে টিউলিপ আখন্দ লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২৯
টানেলের ওপারে অবশিষ্ট আলোক রেখাকে উজ্জ্বলতম আলোকবর্তিকায় রুপান্তর করার জন্য সময় কিন্তু প্রস্তুত, সম্মুখে খাড়া। প্রতিপক্ষও সেই আমাদের চেনা, অতি পরিচিত পুরারো হায়েনা।
কি করা উচিত এখন?
47459
৫৯
আমলা থেকে তাসনিয়া তাবাসসুম টিয়া লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:০১
টেরই পাইনি কবে বাবা অফিসের হিসাবের বাইরেও লেখালেখি শুরু করেছে।তবে আজ যখন বাবার লেখা পড়ি,মনে হয়,সবার বাবাই লেখক কেন হয়না...? all the very best to u.... dad
47482
৬০
কেশবপুর, যশোর থেকে অলোকা ইয়াসমীন অন্ত লিখেছেন, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১০:১০
সনাতনকে দেখে নতুন কিছু করার মধ্যেই আগামির স্বপ্ন তৈরির পটভূমি রচিত হয়।সেখানে কোন বৈপরীত্ব সৃষ্টির সুযোগ নেই।যারা সেটা করেন তারাই অতীতাশ্রয়ী-ভবিষ্যতের জন্য কোন বীজ বপণ করতে পারেন না আগামিকাল সেটা অঙ্কুরিত হবে। তাহলে সৃষ্টির উন্মাদনা নিয়ে নতুন প্রজন্ম কোথায় কিভাবে কখন এগিয়ে যাবে সময় ও কাল? এ সময়কে জয় করতে হবে আগামরি স্বপ্ন সিঁড়ি বিনির্মাণের জন্য।যেখানে বাস ও গ্রহনযোগ্য একটি সুন্দর পৃথিবির আলো উদ্ভাসিত হবে। কিন্তু আশাহত না হয়ে নিরাশ না হয়েও কোন আলোর সৃষ্টিমুখতো দেখা যাচ্ছে না।
তাহলে কী বদল হবে না সনাতনের অনাকাঙ্খিত অনাহুত পঙ্ক্তিগুলো? ঘষে মেজে নতুন বিচ্ছুরণ ঘটবে না নতুন পৃথিবীতে? তাহলে কী আমরা শুধূই সনাতন নিয়ে পড়ে থকবো? সামনে এগুবোনা একটি পা'ও?
না এটা হতে পারে না! হতে দেয়া যায়না!!
দিন বদলের দিনকে আনতেই হবে, যে দিন হবে শুধু সুন্দরের। পরশ্রীকাতর প্রাণী ব্যাতীত।
47502
৬১
পাকুন্দিয়া, ময়মনসিংহ থেকে আবদুল্লাহ আল কাফী শরফুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস আরী আজাদ লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:৩১
দিন বদলের ডাক দিয়েই ক্ষান্তি দিলে চলবে না। সেটাকে সংগঠিত করতে হবে প্রত্যেককে নিজে থেকেই। তবেই এই লেখার মর্মবাণী বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। চারিদিকের দুরাচার-অনাচার-হামবড়া ভাবকারীদের রাজনৈতিক অনৈতিক আচরণ চিরকালের জন্য স্তব্ধ করে দেয়া সম্ভব।
47543
৬২
সাভার, বাংলাদেশ থেকে লূনা গোফরান লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩১
অসাধারণ লেখা মি. হাসান টুটুল।আপনাকে ধন্যবাদ। রাজনীতি যে কত ভয়ংকর ও নোংরা হতে পারে আপনার অসামান্য লেখার মাধ্যমে সচেতন দেশবাসীর মন্তব্যতে সবই বেরিয়ে আসছে।সবার মনের কথাগুলোও প্রকাশ করার সুক্ষ সুতায় টান ধরিয়েছেন। ব্রাভো!
47568
৬৩
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে আজমীর দিরহান লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:২২
হাসান টুটুল তার মুন্সিয়ানার প্রমাণ দিলেন আরো একবার। হয়তো এমন তথা আর উচ্চারণের প্রয়োজন হবে না। কারণ তিনি এখন প্রমাণিত!
থ্যাংকস এ লট!
47570
৬৪
ইবি, কুষ্টিয়া থেকে অবন্তিকা হায়দার লিখেছেন, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:৫৩
সুন্দরের হাত ধরে চলে অবিরাম
অসুন্দরকে সাথে নিয়ে, সাথে করে ডেকে.
হাসান টুটুলই সেই উচ্চারিত নাম,
যাই এগিয়ে, তার হাতে হাতে রেখে।
ক্ষ্যাপার খোঁজটা এই দুনিয়ায় খুঁজতে থাকা
পরশ পাথর বলে যাকে খুঁজি,
টুটুলকে আজ এই দুনিয়ায়
সেই পরশ পাথর বলেই বুঝি।
47572
৬৫
কোটালী পাড়া, গোপালগঞ্জ থেকে সাবধানী সাধু লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০২:১৮
নিজের ক্ষতি মনে করে দেশের ক্ষতিটাকে ঠেকাতে হবে। নইলে আগামি ভবিষ্যত আমাদের নাম লেখাবে ওই সমস্ত গুটিকতক রাজনীতিকের কাতারে যারা কিনা দেশের ক্ষতিটা করেই চলেছেন নিরন্তর, বাধা-বল্গাহীন।আমরা রক্ত দিয়ে স্বাধীন হয়েছি পাকিস্তানী হায়েনাদের কাছ থেকে, বঙ্গোপসাগরে আমেরিকান সপ্তম নৌবহর পাঠানোর পরেও, চীনাদের প্রতিপক্ষতার বেড়াজাল ভেঙ্গে।
মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করে আজকে ভারত-রাশিয়া যেভাবে আমাদের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে চুড়ান্ত সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, সেটার মদদপুষ্ট শেখ হাসিনার সরকার শুধূ মাত্র ক্ষমতায় আসার জন্য মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে বসে দুবছর দেশের ক্ষতি করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে কুড়ি বছর আর বর্তমান বিশ্বের গ্লোবালাইজেশন রাজনীতিতে ভারত ও আমেরিকা একাট্টা হয়ে দেশের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে মাথা বন্ধক নিয়েছে সরকারের।
একথা কেনা জানে জেনারেল মইনুদ্দিন চাকরী জীবনে ভারতে প্রশিক্ষন নিয়েছেন দীর্ঘকাল আর সে থেকৈই তার মাথা বন্ধক রয়ে গেছে সেখানে। সে কারণে ১/১১ সময়ে দিল্লিতে গিয়ে লাল রঙের ঘোড়া উপঢৌকন চেয়ে এনেছিলেন যে গুলো আজ সরকারের বিভিন্ন নামের লীগবাহিনি নাম নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সারাদেশ।
মানুষ কিন্তু বুঝে গেছে দেশ দখল করতে আর কেউ লর্ড ক্লাইভ পাঠায় না, বরং দেশের অভ্যন্তরে মীর জাফর তৈরি করে তাদের ক্ষমতায় মসনদে বসিয়ে স্বল্প ও ঝুকিমুক্ত পুঁজিতে বিনিয়েগেই লাভটা অনেক বেশি। তাইতো শূরু করে দিয়েছে জনগনের বিপক্ষে সেনাবাহিনিকে রুপগঞ্জে দাঁড় করিয়ে দিয়ে, আড়িয়ল বিলে মন্ত্রী এমপি প্রশাসনকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা। সেটা করেও কোন ফায়দা তুলতে না পারার যন্ত্রণায় অস্থির।
তাইতো নিজের ভাল বুঝতে পারাটার মধ্যেই দেশের ভাল লুকিয়ে আছে, সাধারন জনগণ সে ভাল ভালভাবেই জেনে গেছে আর আদায় করার সাহসী সিদ্ধান্তও নিয়ে রেখেছে।
বিধায় সাধু সাবধান। নিজেকে ও নিজেদের পাল্টে ফেলুন, কারণ আপনারা না বুঝলেও আমজনতা বুঝে গেছে 'আনতেই হবে দিন বদলের দিন'।
47585
৬৬
স্কটল্যান্ড থেকে ব্যারিস্টার দিল আফরোজ রোশনী লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০৩:৪৬
একটি সত্যিকারের এগিয়ে যাবার সময়ের কথা।
47591
৬৭
পতেঙ্গা, চট্রগ্রাম থেকে ইন্তেহাদ নিশাত লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১; দুপুর ১২:৪২
শ্বাশত আক্রোশি লেখাটা সাহসের বিরাট উদ্দীপনা। সারা বাংলায় কেন, সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে দিতে হবে শুধূ মঙ্গলের জন্য।
47617
৬৮
গঙ্গা চড়া, রংপুর থেকে মণিকাঞ্চণ লিখেছেন, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৩৯
প্রতিদিনের খবরের কাগজে যে রোমহর্ষক ঘটনাবলির বিবরণ আসে, তার কোনো ক্ষতিগ্রস্ত কি সত্যিকারের বিচার পায়। বিচার এখন সাধারণ মানুষের আয়ত্তের বাইরে। অন্য দিকে তাদের আস্খাও বিচারব্যবস্খার ওপর ক্ষীণতর হচ্ছে। এক দিকে আদালতে জড়ো হচ্ছে হাজার হাজার মামলা, অপর দিকে অভিযোগ আসছে বিচার প্রভাবান্বিত হওয়ার, কেনাবেচার। এমনকি উচ্চতর আদালতের ওপরও তাদের আস্খা কমে যাচ্ছে। আদালতের ওপর জনগণের আস্খাহীনতার প্রভাব কি হয় তার ওপর বিশ্বব্যাপী নানা আলোচনা চলছে।অথচ রাজনীতিকরা রাতের অধারে জামিন নিয়ে যাচ্ছে, আদালত ঘেরাও করা হচ্ছে মন্ত্রীর নেতৃত্বে বাঁশ-লাঠি নিয়ে তখন, বিচারকের বাসভবনে বস্তি বসিয়ে দেয়া হয়, তখন সে দেশের রাজনীতি যে ব্যবসায়ীক পেশা এ কথা অনস্বীকার্য।
47644
৬৯
ফকিরহাট, বাগেরহাট থেকে খুলশী লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৫০
ওরাতো তাল নীতিবাজ। ওদের খেদানোর কোন বিকল্প নেই।
47814
৭০
মেলবোর্ণ, থেকে ফালগুণী লিখেছেন, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১৫
ব্যর্থতার দায়ভারের সত্য ইতিহাস লিখে দেশের মানুষের বিরাট উপকার করার মানসে আসুন রাজনীতিকরা, সত্য ও সুস্থ কথা উচ্চারণের সাহস সঞ্চয় করি। সেদিন কিন্তু সমাগত, রাজনীতিকে সুন্দরের জন্য কথা বলতেই হবে। সেদিন কিন্তু এই কোষ্ঠকাঠিণ্যর রাজনীতি করার সুযোগতো পাবেনই না, বরং কোথাও দাঁড়াবার জায়গা থাকবে কি না সেটাও অনিশ্চিত!
47934
৭১
দুপচাঁচিয়া, বগুড়া থেকে অশ্রু লিখেছেন, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৫৭
মুক্ত গণতান্ত্রিক রাজনীতি ও রাজনীতিকরা এখনও এসে সত্যিকারের নিরঙ্কুশ জনতার কাতারে এসে দাঁড়াতে পারেন যি ্উনিসিয়া, মিশর ইয়েমেন-এর দিকে চোখদুটোর দৃষ্টিটা মেলে ধরেন। পাবলিকের মাইর দুনিয়ার বাইর। যখন বুঝবেন-তখন আর সময় পাইবেন না।
48061
৭২
দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা থেকে নিরব লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:৪৩
উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষকে তার প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করার মানষে যারা কাজ করবেন তারাই কেবল রাজনীতি করার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।
48124
৭৩
কালিঘাট, কলকাতা থেকে মধুছন্দা সাহা লিখেছেন, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১০:২৬
রাজনীতি সব দেশেই একই রকম অবস্থা বিরাজ করছে। শুধূ নিজ নিজ দেশের মানুষেরা নিজেদের মত করে সাফার করছে। আপনাকে ফেসবুকে দেখলাম, লিংক করেছি। এ্যাকসেপ্ট করবেন আশা করি।
48130
৭৪
মাটিকাটা, ঢাকা থেকে জুনায়েদ সিদ্দীকি লিখেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:৩২
লেখাটি আমার ভাল লেগেছে, এর ব্যাপ্তি বাড়িয়ে আরো বিস্তারিত তুলে ধরার সুযোগ ছিল।
48163
৭৫
ভৈরব থেকে নিশা লিখেছেন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:২৩
"ধরলে জোঁকে ডরায় লোকে লাফায় কেমন করে, মানুষ রুপি হাজার জোঁকে দেশটা গেছে ভরে"- সত্যি তাই!
48179
৭৬
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ থেকে মহাজন কবীর লিখেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:০৫
ভালো ও যুক্তিযুক্ত লেখা দিয়েই কলম সৈনিকেরা যুদ্ধ করে যাচ্ছেন ক্রমাগত, এখানে আমাদের ভূমিকা যথাযথ পালনের জন্য আমরা তৈরিতো??????
48238
৭৭
চৌমুহনী, নোয়াখালি থেকে ট্রাই কিউ লিখেছেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১২:০৬
তিউনিসিয়া-মিশর আমাদের জন্য কোন বারতা রেখে গেল কী?
আমাদের জন্য এ ছাড়া কোন পথ খোলা আছে কী?
আমরা তার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি কী?
48420
৭৮
বক্সীবাজার, হবিগঞ্জ থেকে লাজুক লতা লিখেছেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:৪৫
রাজনীতিবিদদের তাদের পেশাগত রাজনৈতিক জীবনে 'ভ্যালেন্টাইন' মনোভাব পোষণ করবেন কী?
48489
৭৯
স্টকহোম, সুইডেন থেকে আরেফিন কাদির লিখেছেন, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:০৭
ধন্যবাদ সুন্দর আবেগময় লেখাটার জন্য।
48675
৮০
সাতকানিয়া, চট্রগ্রাম থেকে সূখন লিখেছেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:২৫
সব সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশটাকে দেশের সাধারণ মানুষ অনেক ভালবাসে কিন্তু সেই সব মানুষের জন্য স্বঘোষিত নেতৃবৃন্দই আমাদের দেশের মানুষগুলোর মাঝে দেশপ্রেমের অভিনয় করে মনুষত্বের অভাব বেশি করে তৈরি করে দেয় বলে মনে হয় আমার । এমন কী দেশের অধিকাংশ জনগণই তাই-ই মনে করে।
49142
৮১
স্মরণখোলা, বাগেরহাট থেকে নিরুদ্দেশ লিখেছেন, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৩৭
মুসলিম দেশগুলোতে যে আগুন শুরু হয়েছে তা কি আমরা আঁচ করতে পারছি? নাকি আগুন ধরার পরই টের পাব?
49353
৮২
কোণাবাড়ি, গাজিপুর থেকে আনোয়ার পাশা লিখেছেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:০৬
মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করে আজকে ভারত-রাশিয়া যেভাবে আমাদের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে চুড়ান্ত সর্বনাশের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে, সেটার মদদপুষ্ট শেখ হাসিনার সরকার শুধূ মাত্র ক্ষমতায় আসার জন্য মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে দুবছর দেশের অপূরনীয় ক্ষতি করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে কুড়ি বছর, আর বর্তমান বিশ্বের গ্লোবালাইজেশন রাজনীতিতে ভারত ও আমেরিকা একাট্টা হয়ে দেশের অভ্যন্তরে মধ্যপ্রাচ্যের আগুণ জ্বেলে দিতে তৎপর। আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় আর কবে হবে?
49397
৮৩
IIUM, MalaysiaAbdul Aziz থেকে Abdul Aziz লিখেছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১৮
This article is self-evaluating as nature which will help for creating patriotism to all. I appreciate you. otherwise there may be raised the question of your patriotism to Bangladesh.
49650
৮৪
Chittagong, Bangladesh থেকে Mohammad Isha লিখেছেন, ০৩ মার্চ ২০১১; রাত ১১:১২
Alhamdulillah for your own expression.expecting more details
49936
৮৫
ঢাকা রোড, ফেণী থেকে কুহেলি লিখেছেন, ০৫ মার্চ ২০১১; রাত ১১:৩৫
পেশায় ঠগবাজ এমন এক লোক নাকি একটা রেস্টুরেন্টে ক্যাশ কাউন্টারের কাছাকাছি বসে চা-নাস্তা খেতে খেতে দেখল, এক কাস্টমার ৫০০ টাকার নোট হাতে নিয়ে বিল পে করার জন্য ২/৩ জনের পরে দাঁড়ানো। এই সুযোগে উক্ত ঠগবাজ ঐ ৫০০ টাকা নোটের সিরিয়াল নাম্বারটা দেখে দেখে টুকিয়ে রাখল এবং বসে বসে প্রায় মুখস্ত করে ফেলল। কিছুক্ষণ পর সে ক্যাশ কাউন্টারের কাছে আসলে বয় ডাক দিয়ে বল্‌ল, ৪০ টাকা নেন। ক্যাশিয়ার টাকা চাইতেই ঠগবাজ রেগে মেগে হৈ হুল্লড়-চেচামেচি শুরু করে দিয়ে উচ্ছস্বরে বলতে লাগলো, ভাইসব দেখেন তো আমি ৫০০ টাকার নোট নিয়ে বাজারে যাচ্ছিলাম। এই দোকানে বসে নাস্তা করতে গিয়েতো আমার সর্বনাশ হয়ে গেল। আমি ক্যাশিয়ারকে ৫০০ টাকার নোটটা দিলাম, এখনতো সে অস্বীকার করতেছে। আমি গরীব মানুষ, এখন আপনারা বলেন আমি কি করব। এমন সময় নেতা গোছের একজন জিজ্ঞেস করলেন তুমি যে ৫০০ টাকার নোট দিয়েছ এর প্রমাণ কি? সে বললো আমি রাস্তায় হাটতে হাটতে ঐ টাকাটা দেখে সিরিয়াল নাম্বারটা মুখস্ত হয়ে গেছে। দেখেন এই নাম্বারের টাকা ডেক্সে আছে কি না। লোকেরা দেখল ঠিকইতো বলছে সে!
পেশায় কী শুধুই ঠগবাজ না রাজনীতিবিদ !!!!!!!!!!!!!
50136
৮৬
গঙ্গাচড়া, রংপুর থেকে দিগ্বিজয় লিখেছেন, ০৫ মার্চ ২০১১; রাত ১১:৫৯
জনগনকে যতখানি উত্তেজিত করে স্বাধীনতার জন্য ব্যাকুল করে তোলা হয়েছিল তার বিপরীতে গঠনমুলক কর্মসুচীর মাধ্যমে দেশকে গড়ে তোলার প্রয়োজন নিয়ে তখনকার নেতারা কোন কথা বলেনি। তারা কোন ধারনাও দেয়নি। রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতি শুনতে শুনতে জনগনের বিরাট একটা অংশ বিশ্বাস করতে শুরু করে যে নেতারা যেসব সুখ সমৃদ্ধির কথা বলছে তা নেতারাই এনে দেবে। স্বাধীনতা অর্জনের পরে তাদের নিজেদের আর কোন দায়ীত্ব নাই! যে দেশের শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষ স্বাক্ষর করতে জানত না তাদেরকে এরকম অলীক স্বপ্ন দেখিয়ে শুধু ভাঙ্গার জন্য উত্তেজিত করে তোলার সাথে প্রতারনার কোন পার্থক্য নাই।
50141
৮৭
আলামপুর, কুষ্টিয়া থেকে সুশান্ত গুহ লিখেছেন, ০৭ মার্চ ২০১১; দুপুর ০১:৪৭
স্যার, আপনার ক্লাস করতে গিয়েতো বুঝিনি আপনি রাজনীতির উপর আপাদমস্তক ক্ষুব্ধ! আপনার ক্লাসে নবী রাসূল(স.) থেকে শুরু করে মাও সে তুং, লেনিন, হাল জামানার রুশদী-তসলিমাদের কোন বিষয়ই বাদ দিতেন না। কিন্তু আপনার লেখাটার অর্থতো আমার ধারণা করা আবেগের চাইতেও অনেক বেশি আবেগের দাবিদার। সত্যি সেলুকাস! আপনি স্যার সাহিত্য নিয়ে যখন বোঝান তখন তো আপনাকে রাজনীতির সাথে কোন সংঘাতে যেতে দেখিনি-তাহলে আপনি কি রাজনীতি বিমূখ না প্রচলিত রাজনীতির প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন। আপনার সাথে রাজপথে হেটেছি, মিছিলে মিছিলে প্রকম্পিত করেছি আকাশ বাতাস, দুর্জেয় ছিলনা আমাদের কাছে কিছুই, যখন আপনি ছিলেন অভয়ারণ্যের প্রতীক। তাহলে আপনি, আর আপনার সাথে আমরা কোন রাজনীতির কাছে সময়ের তরী ভিড়ালাম।
আপনার নিদের্শনায় বদলে দেবার সময় বোধহয় সমাগত!
50347
৮৮
ভেন্ডা, সাভার থেকে যামিনি লিখেছেন, ০৭ মার্চ ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৭
একটি জাতিকে তার কাঙ্খিত মানে পৌঁছানোর জন্য রাজনীতি বাদ দিয়ে, জাতি বিনাশী যে রাজনীতির পথচলা, তাকে কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়? হাসান টুটুল আপনার অনেক লেখাই আর শুধূমাত্র লেখা হয়ে দাঁড়ায়না, যখন আপনি সোজা কথাটি খুব সহজভাবে বলতে পারার সাহস অর্জন করেন, তখন মনে হয় আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে স্বয়ং যীশু। যার প্রতীক্ষায় পৃথিবীর একটা বড় অংশ। আপনিইতো আজকের এই দুঃসময়ের ক্ষুরধার রাহবার। আপনার কষ্টগুলো তখন আর শূধূ আপনার নিজের থাকেনা, হয়ে যায় বিপন্ন মানুষেরও। কারণ আপনি আপনার নিজস্ব অবস্থান থেকে উচ্চারণ করেন ভয়ংকর শব্দমালা- কি কলামে, কি কবিতায় আর ছড়াতো নয় যেন বিচ্ছুপাতা।
বিচ্ছূর মত গুটিয়ে আসছে কিন্তু নিরন্ন নিরুপায় মানুষেরা, আপনার ডাক দেয়ার যথার্থতা প্রমাণের অপেক্ষায়।
50387
৮৯
খালিশপুর, খুলনা থেকে পর্ণা গোস্বামী লিখেছেন, ০৭ মার্চ ২০১১; রাত ০৮:৩১
নির্ঝরের নির্ঘুম রাত, কাল বৈশাখীর দুরন্ত দুপুর,
বর্ষায় নামে কদম ফুলে বৃষ্টি শুধু টাপুর টুপুর-
প্রতিপক্ষ হচ্ছে শুধু সময় ঘিরে চেনা মানুষ গুলো,
এত্ত কিছু হওয়ার কথা, কিন্তু দিচ্ছে চোখে ধুলো।
ওদের কী আর মানুষ বলে, ওরাতো ভাই রাজনীতিক,
মিথ্যে বলে চলে শুধু আসল কাজে উল্টো দিক।

দিলামতো মি. হাসান টুটুল আপনার ছড়া দিয়ে আপনাকেই শ্রদ্ধাঞ্জলি। আমার কী ক্ষমতা বলূন, আপনার লেখা পড়ে যতটুকুন জেনেছি আপনাকে- আমার ভাষায় কুলোবেনা তাই মন্দিরের ফুল দিয়ে দেবতাকে পুজো করা- এই আর কী !!!
50392
৯০
ওবামা, জাপান থেকে মাহিন আহনাফ মাদল লিখেছেন, ০৭ মার্চ ২০১১; রাত ১০:১৫
নাহ্! অসহ্য সময়গুলো কী নিদারুন ভাবে আমাদের ও আমাদের ভবিষ্যতকে ধংশ করতে প্রস্তুত শূধু সর্বসময়কে রাজনীতিকরণ করার মধ্যে দিয়ে! কী করে এত্থেকে রেহাই আর উত্তোরণের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে তার প্রতিউত্তর হাসান টুটুল যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গুছিয়ে গুলিয়ে পান করিয়েছেন, এবার চোখ খুলে বুক টান করে দাঁড়ানোর জন্য সময়টা নির্দ্ধারণ করাই প্রথম কাজ।
50402
৯১
উখিয়া, কক্সবাজার থেকে বিপ্লব লিখেছেন, ০৯ মার্চ ২০১১; সকাল ০৯:২০
এক কথায় বাংলাদেশটাকে রাজনীতিমুক্ত দেখতে চাই !!!
যদি ভালো রাজনীতিক পাওয়া যায় তখন বিবেচনা করা যাবে দেশে রাজনীতি থাকবে কি না ???
দেশে প্রত্যেকটি সামরিক শাসনের সাথেই রাজনীতিকরা জড়িত এটা তো সবাই জানে ।।।
50493
৯২
পরিবাগ. ঢাকা থেকে নক্ষত্র লিখেছেন, ০৯ মার্চ ২০১১; রাত ১০:২৬
আমাদের অনেক কিছু করার আছে, সবাই মিলে আওয়াজ দিন !!!
50563
৯৩
Leningrad. Russia থেকে Rownok Kabir Apon লিখেছেন, ১০ মার্চ ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫৪
হাই টুটুল, তোমার লেখা দেখি নিয়মিত।। তোমার মত যদি আমরাও বিশ্বাস করে দেশটাকে ধারণ করে রাখতে পারতাম বাম পাঁজরে, দেশটাকে কোন পন্থীদের হাতে তুলে না দিয়ে যদি আমরা সকলেই দেশপন্থী হতে পারতাম।।তোমার বিশ্বাসইতো তোমার লেখনীর একমাত্র অবলম্বন-তোমার এই বিশ্বাসকে হ্যাটখোলা স্যালূট!!!
50629
৯৪
ক্যান্ডি, শ্রীলংকা থেকে তমোহর লিখেছেন, ১০ মার্চ ২০১১; রাত ১১:২০
একটু খানি আশার কথা!!!
50650
৯৫
ইন্দরা রোড, ঢাকা থেকে তমালিকা লিখেছেন, ১১ মার্চ ২০১১; দুপুর ০১:৪৬
একটি সুন্দর আগামি নির্মানের জন্য সুস্থ প্রত্যেককের আওয়াজ চাই!!!
50698
৯৬
ঘোড়াশাল, নরসিংদী থেকে ইন্তেখাব দিনার লিখেছেন, ১৪ মার্চ ২০১১; সকাল ০৯:২৭
মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করে আজকে ভারত-রাশিয়া যেভাবে আমাদের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে চুড়ান্ত সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, সেটার মদদপুষ্ট শেখ হাসিনার সরকার শুধূ মাত্র ক্ষমতায় আসার জন্য মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে বসে দুবছর দেশের ক্ষতি করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে কুড়ি বছর আর বর্তমান বিশ্বের গ্লোবালাইজেশন রাজনীতিতে ভারত ও আমেরিকা একাট্টা হয়ে দেশের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে মাথা বন্ধক নিয়েছে সরকারের।
50923
৯৭
ইসলামপুর, জামালপুর থেকে ইসমাইল সিরাজী বাঁধন লিখেছেন, ১৪ মার্চ ২০১১; রাত ১১:১৫
কবে কোথায় দূর্নীতিগ্রস্ত বলতে রাজনীতিকদের বাদ দিয়ে আঙ্গুল তোলা হয়েছে।
50996
৯৮
হিজলতলা, মাদারিপুর থেকে পলাশফুল লিখেছেন, ১৫ মার্চ ২০১১; দুপুর ০১:৪৬
দুরন্ত ষাড়ের চোখে, লাল কাপড় বাঁধা জাতিকে রুখবে কে???
51060
৯৯
তাজহাট রাজবাড়ী, রংপুর থেকে মহারাজা লিখেছেন, ১৮ মার্চ ২০১১; দুপুর ০২:১৬
নতুন প্রজন্মের নতুন স্বপ্ন নিয়ে কি এ দেশ এবং এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এগিয়ে যেতে পারে না? অবশ্যই পারে মি. হাসান টুটুল, যদি আপনার মত নিস্কোলুষ চিন্তার মানুষের সাথে আমরা সকলেই যারা কিনা কথায়, চিন্তায় ও কাজে সততা নিয়ে চলি-তাদের সকলের মধ্যে সমন্বয় ঘটলেই বিষ্ফোরণ হবেই। বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে তাইতো প্রমাণ দিচ্ছে।
নাকি ভুল হলো???
51285
১০০
উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ থেকে ইকবাল হাসান লিখেছেন, ২৩ মার্চ ২০১১; রাত ১১:৫৫
রাষ্ট্রক্ষমতাকে ব্যবহার করে নেতা যদি আরেক নেতার দোষ খুঁজতেই সময় পার করে দেয় তবে দেশের কাজ করবে কখন?
নাকি এটাই আমাদের সর্বজ্ঞানী নেতার কাজ !
ছিঃ !
51864
১০১
ভিয়েনা, অষ্ট্রিয়া থেকে মিশন লিখেছেন, ২৪ মার্চ ২০১১; রাত ১০:২৬
আসুন হরতাল করি, ভাঙচুর করি, অবরোধ করি, জ্বালাও-পোড়াও করি, মানুষ খুন করি, মিথ্যে বলি অনর্গল, দেশকে বিভাজন করে ফেলি নিজেদের স্বার্থে, দূর্নীতি করে ফুলে ফেঁপে উঠে দেশের তলা ফাঁকা করে ফেলি, দখলবাজি-টেন্ডারবাজি-চাকরীবাজি-ভর্তিবাজি-গলাবজি করে দেশের সম্মানকে নষ্ট করি, দেশের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা রটিয়ে দেশটাকে দেশটাকে অকার্যকর করে ফেলি, খুবলে খাই দেশের মানচিত্রকে।
সত্যি বলছি, আসুন আমরা রাজনীতি করি, সবাই রাজনীতিবিদ হয়ে যাই !!!
51919
১০২
উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিম বাংলা থেকে হিমেষ রোহার্দ লিখেছেন, ৩০ মার্চ ২০১১; রাত ০৮:৪৭
মানুষ মানুষকে আঘাত করে ক্ষমতার জন্য। এই অবৈধ ক্ষমতাটা মানুষ অর্জন করে রাজনীতিকদের অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে।
লেখাটা দেরীতে আমার দৃষ্টিতে আসায় আমি সত্যি লজ্জিত।
দারুণ লোখা
52502
১০৩
কুয়াকাটা, পটুয়াখালী থেকে নির্জন চৌধুরী লিখেছেন, ০২ এপ্রিল ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৮
রাজনীতি বাদ দিয়ে কোন গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি পায়নি। তাই রাজনীতিকদের কাছে অনুরোধ আপনাদের ভুলেই অনেকবার গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হযেছে। তাই আপনারা সতর্কতার সাথে আপনাদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করুন, জনগণকে শ্রদ্ধা করে।
52823
১০৪
কাথুলি, মেহেরপুর থেকে ইব্রাহিম মাসুদ লিখেছেন, ০৩ এপ্রিল ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৪৪
কথাটা অত্যন্ত সত্যিকিন্তু রাজনীতিতে যা হচ্ছে তাকে এক কথায় নোংরামি ছাড়া আর কোন শব্দে অভিহিত করা যায়?
52951
১০৫
মহম্মদপুর, ঢাকা থেকে সত্যব্রত চক্রবর্তী লিখেছেন, ০৮ এপ্রিল ২০১১; রাত ১০:৩৪
বিরোধী দলে থাকলে সাংবাদিকদের মিষ্টি লাগে মন্ত্রী সাহেব, কিন্তু ক্ষমতায় গেলে পৃখিবীর সবচাইতে তিতা লাগে? এটা আপনার দোষ না মি. মিনিস্টার ! এটা ক্ষমতার দোষ!
বুঝলেন কি না বুঝলেন???
53565
১০৬
উত্তরা , ঢাকা থেকে বিধু লিখেছেন, ১০ এপ্রিল ২০১১; রাত ১২:৪২
আগে বলতে শুনতাম পাগলে কি-না বলে, ছাগলে কি-না খায়। ক্লাসেও সমাস করেছি এটার। কিন্তু আজকের বাস্তবতায় খুঁজে পাওয়া যায় অনেক কিছুই। পৃথিবীতে আজ এক প্রাণীর উদ্ভব ঘটিয়েছেন সৃষ্টিকর্তা, আর তার না দিয়েছেন রাজনীতিবিদ। এরা সব কিছুই বরে আর সব কিছুই খায়!
53676
১০৭
শ্রীপুর, মাগুরা থেকে হিমাদ্রী লিখেছেন, ১৩ এপ্রিল ২০১১; রাত ১০:৪২
কোন বিষয়টিতে তারা মিথ্যে বলেন না?
54103
১০৮
বাকৃবি, ময়মনসিংহ থেকে তপতি লিখেছেন, ১৬ এপ্রিল ২০১১; রাত ১২:১৬
রাজনীতিকমুক্ত বিশ্ব কল্পনা করা না গেলেও, দুর্নীতিমুক্ত বিশ্ব কী গড়া সম্ভব???
54298
১০৯
সাতক্ষীরা, বাংলাদেশ থেকে রাব্বি লিখেছেন, ২০ এপ্রিল ২০১১; রাত ১০:৩৩
রাজনীতিকরা রাজনীতি করবেন মানুষের পক্ষে, আমাদের রাজনীতিকরা নিজেদের পক্ষে ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারেন না।অস্বাভাবিক দ্রব্যমূল্য, বিদু্যৎ নাই, তবুও আশা দিয়ে যাচ্ছেন ধৈর্য ধরার সবক দিয়ে যাচ্ছেন। ছিঃ!
54841
১১০
অন্দর কিল্লা, চট্রগ্রাম থেকে এস. আলম লিখেছেন, ২৪ এপ্রিল ২০১১; রাত ১১:১৮
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে পুঁজি করে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু'র জুজু বুড়ির ভয় দেখিয়ে ভোটের নামে ক্ষমতায় এস রাজনীতিকরা যে অপকর্ম করে থাকেন, তার বিচার না করা হলে পরবর্তীতে যে সরকার আসবে তারও বিচার করা উচিত।
55242
১১১
ব্যাংকক, থাইল্যান্ড থেকে মহারাণী লিখেছেন, ২৫ এপ্রিল ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৬
আসুন আমরা রাজনীতি করি, সবাই রাজনীতিবিদ হয়ে যাই !!!
অস্ট্রিয়া'র মিশন-আপনি যে ক্রোধের কথা লিখেছেন তা বোধ করি আমরা সবাই রাজনীতিবিদ হয়ে গেলেও ওই ছরিত্রহীন রাজনীতিকদের চরিত্রের কোনই পরিবর্তন হবে না।
বেনিয়া বৃটিশ তাড়িয়েছি-
পাক শাসকদের তাড়িয়েছি-
এথন সবচাইতে বড় শত্রু দেশের রাজনীতিকরা। এখন দেশের এই সর্বভূক ও গ্রাসী রাজনীতিকদের ঝেটিয়ে বিদায় করার সময় কিন্তু এসেই যাচ্ছে। তৈরিও হচ্ছে দেশের মানুষ...গোকুলে বধিবে যে...
55344
১১২
উজিরপুর, বরিশাল থেকে কমল লিখেছেন, ০৩ মে ২০১১; রাত ১২:৩১
আজকের রাজনৈতিক সরকার কুযুক্তি দিয়ে প্রযুক্তিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে।বিদ্যুত বিহীন অবস্থায় পৃখিবীর কোথায় ডিজিটাল দেশ গড়া সম্ভব হয়েছে?
56025
১১৩
মিলপাড়া, কুষ্টিয়া থেকে অর্ণব লিখেছেন, ০৫ মে ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৬
মি. হাসান টুটুল, আপনার প্রতিটা লেখায় যে প্রচন্ড চপেটাঘাতের শব্দ শুনতে পায়, স্বৈরাচারের গালে এক লহমায় অদৃশ্য লালচে দাগ হয়ে যায়, তা থেকে কী কেউ শিক্ষা নেবেনা কোন দিন ও?
এতো সাহস আপনার হয় কী করে? আসে কোত্থেকে? আমি বা আমরা কোন কোন সময় শঙ্কিত হয়ে পড়ি, বর্তমান সরকারের রোষানলে না পড়ে যান! সাধারন ন্যুজ্ব, শীর্ণ, জীর্ণ মানুষের কথা, কোন পক্ষ-বিপক্ষ বাছ-বিচার না করে, নির্বিচারে
ক্ষমতাবান প্রতিটা শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আপনার দীপ্ত অবস্থান, অনেক সময় আমাদের অনেক সাহসী করে তোলে। তাই আপনার প্রতিটা বই, প্রায় প্রতিটা লেকা খুটিয়ে খুটিয়ে পড়ে মনের মাঝে সত্য এবং মিথ্যার, ন্যায় এবং অন্যায়ের তফাতটা মোটা দাগে নির্ণয় করতে শিখি।
আপনার সাহসী প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে আমরা থাকতে চাই।
56180
১১৪
পাঁচবিবি, জয়পুরহাট থেকে লিখন মজুমদার লিখেছেন, ১০ মে ২০১১; রাত ১০:৩০
দেশে বেকার সমস্যা সৃষ্টি করে রাখার কারণ রাজনৈতিক ময়দানে লোক সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য। সবাই যদি কোন কাজ ব্যস্ত থাকে তবে নেতা নেতা বলে পিছু পিছু দৌড়াবে কারা? নিজেদের বিনা পুজির ব্যবসাটাকে ঠিকমত চলমান রাখতে রাজনীতিতে বজায় থাকতে চান তারা। রাখতেও চান একই কারণে। রাজনীতি করতে তো কোন শিক্ষা দীক্ষা আদব কেতাব ভদ্রতার প্রয়োজন পড়ে না।
হাসান টুটুল আপনি আরো এমন ক্ষুরধার লেখা লিখবেন এ কামণা করছি।
56566
১১৫
দেবহাটি, কুমিল্লা থেকে আক্তার জাহান মণি লিখেছেন, ১৩ মে ২০১১; সকাল ০৯:৪১
কথায় কথা বাড়ে। দিন গেলে লাউ'এর ডগাও বাড়ে। আমাদের নেতাদের খায়েশ ও তেমনি বাড়তে থাকে।এটা চাই, ওটা চাই, শুধু চাই চাই আর চাই। দানব আর ডাইনোসরের মত গোগ্রাসে চলছে তাদের অবিরাম চাহিদার পারদ।
আম জনতা ভোটের সময় হয়ে ওঠে এক একটি তুরুপের তাস।যে কোন মওকায় ভোট বাগিয়ে নিতে পারলেই হলো, ব্যস নেতা-যিনি সেবক নামে জনতার কাতারে এসে ভিক্ষা নিলেন দু'হাত ভরে, যাওয়ার সময় সেই ভোটার জনতার অবশিষ্ট নেংটিখানাও খুলে নিয়ে চলে গেলেন।
আম জনতার জনমআন্তরের প্রলাপ নাই নাই-
নেতাদের তথৈবচ, চাই, চাই আরো চাই...।
56733
১১৬
পেড়াবাড়ি টাঙ্গাইল থেকে রঙধনু লিখেছেন, ২১ মে ২০১১; সকাল ১০:৩৬
ধুঁকে মরুক বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের অনৈতিক রাজনৈতিক জীবন। এটা অবশ্যই হবে কেননা আল্লাহপাক তাদের ধংশ করার জন্য তাদের পাপকে আগে বাড়িয়ে নেন। তাদের পাপ ষোল কলায় পূর্ণ হলে কাউকে কিছু করতে হবে না। এমন ইতহাসতো আমাদের নিকট অতীতেই দেখা গিয়েছে।।।।।।
57268
১১৭
তারাগুনিয়া, কুষ্টিয়া থেকে সাথী ইসলাম লিখেছেন, ২১ মে ২০১১; সকাল ১০:৫০
আওয়ামীলীগ সরকারের শাসন জনগণ যত বার প্রত্যক্ষ করেছে ততবারই তারা পরিচিত হয়েছেন তাদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের সাথে। আওয়ামীলীগের ক্ষমতা গ্রহণ মানে বিরোধী দল নিপীড়ন। তারা চায় বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে। সংবিধান নয় সরকারী দলের নেতাদের আজ্ঞা পালন করাকেই প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীরা পবিত্র দায়িত্ব বলে মনে করেন। বিরোধী দলকে ছায়া সরকারের ভূমিকা পালন করতে চাইলে আর রক্ষা নেই, ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফেলে তাদেরকে পাঠানো হয় জেলে। বন্দী নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে মিছিল মিটিং করতে হলে লেলিয়ে দেয়া হয় জনগণের ট্যাক্সের টাকায় লালিতপালিত পুলিশ, র‌্যাব এমন কি প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকেও। দলীয় কার্যালয়ে কিংবা মিলনায়তনে সভা করতে গেলে গোপন বৈঠকের অজুহাতে গ্রেফতার করা হয়। কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে জানতে চাইলে কিংবা গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে কিনা এমন প্রশ্ন করলে পুলিশের কাজে বাধাদানের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা খোঁজার বাড়তি ঝামেলা থেকে ক্ষণিকের জন্য রেহাই পায় পুলিশ। রেডিমেড মামলা পেয়ে যায়। টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, দখলবাজের বাজিকর সরকার কত ভাল তা প্রমাণ করার জন্য গ্রেফতারকৃত জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের চরিত্র হননের আয়োজন চলে থানায় নেয়ার পর। বিস্ফোরক সদৃশ্য কিছু বস্তু টেবিলে রেখে সাংবাদিকদের ডেকে ফটোসেশন করে শোনানো হয় লোমহর্ষক গল্পকাহিনী। যে গল্প শুনলে হয় তো কাজী আনোয়ার হোসেনের মাসুদ রানারও হাসতে হাসেতে বমি হবে। গণতান্ত্রিক সরকারের এমন রূপের সাথে এ দেশের মানুষের পরিচয় বাংলাদেশের জন্মের পর থেকেই। তাই তারা হাসে না, ক্ষোভে দুঃখে মনের ভিতর জমায় বেদনার বিস্ফোরক। ব্যালটের মাধ্যমে সুযোগ পেলেই এর বিস্ফোরণ ঘটায়।
57269
১১৮
Fairly, Stockhome থেকে Imtiaz Kallol লিখেছেন, ০৪ জুন ২০১১; রাত ০৯:০০
সেদিন কলকাতার এক রাজনীতিকের সাথে আলাপ হতে তিনি সহাস্যে বলে উঠলেন, আমি কী আমার রাজনীতি করি। দিল্লি থেকে চায়নার বিরুদ্ধে কথা বলে, কলকাতার বাম নেতারা তাদের গদি হারিয়ে কথায় কথায় এখন চায়নার Reference দিচ্ছেন।তা হলে কী হলো নিজের গদি নাই অপর দেশের গদিকে নিজেদের গদি ভাবতে শুরু করে দিয়েছে।'
আমার মনে পড়ে যায় আমাদের রাজনীতিকরাওতো বিদেশে প্রভূ তোষণ করেন।
তাহলে রাজনীতি বিশ্বময় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে?
58626
১১৯
রোড-২, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রফেসর ড. তৌফিক এলাহী লিখেছেন, ০৫ জুন ২০১১; রাত ১১:০৯
একটি রাজনীতি কখনো কারো বিরুদ্ধে থাকাটা উচিৎ বলে তারাই মনে করেন, যাদের কোন জনভিত্তি থাকে না। শুদ্ধ রাজনীতিবিদ ছাড়া এ গুলো ভাবাও পাপ।
মি. হাসান টুটুল, আপনি যে স্বপ্ন দেখেন তা কি কখনো আপনার জীবদ্দশায় দেখে যেতে পারবেন বলে মনে করেন?
বাংলাদেশ কেন, কোন দেশের রাজনীতিবিদ শতভাগ সৎ নয়। যেখানে যে ক'জন ভালো রাজনীতিবিদ আছেন, তাদের মননশীলতা দিয়ে তাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমাদের অনেক স্বপ্ন ছিল। যে কারণে আমি অনেক মানুষের সাথে জানবাজি রেখে যুদ্ধ করেছি, সেই দেশ আজ শ্বাপদের বাসা। আমাদের আর কী করার আছে? ভয় পাওয়া ছাড়া!
স্বাধীন করে আমরা একটি পতাকার বদল দেখেছি, আর কিছু কী?
আপনার মত স্বপ্ন আমরা ৭১ এ দেখেছিলাম বলে অন্তত দেশটা স্বাধীন হয়েছে। আমি আপনাকে, আপনার স্বপ্নের সাথে অসহায় ভাবে একাত্বতা ঘোষণা করছি।মনে আর কোন জোর নেই-আশা নেই। তবে ভরসা আছে ঝড়ের মুখেপড়া টিমটিমে প্রদীপের মত, আপনার উজ্জ্বীবিত করা যন্ত্রণার কথকতাগুলো একদিন আবার দেশটাকে নতুন ভাবে ভেঙ্গে, গড়ে সাজানোর ক্ষমতা, যোগ্যতা অর্জন করবেন।
আপনার অনেক লেখা আমার পড়া হয়। প্রতিটা লেখায় যন্ত্রণার কথা, তার মাঝেও স্বপ্নের কথা। হতাশার কথা, তার মাঝেও আলোর কথা। কীভাবে দেখেন এই দুঃস্বপ্নগুলো-প্রতিনিয়ত?
আপনার মায়াবী ভাষায় যন্ত্রণাদগ্ধ কথার মাঝে ভবিষ্যৎ কী এতটাই সমুজ্জ্বল?
ধন্যবাদ মি. টুটুল। আবারো আপনার সাথে কথা হবে-সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন। আপনিতো বলেছিলেন, ভাল থাকা জানতে হয়! আপনার সে কথাতেইতো জীবনর এই শেষ বয়সে ভাল থাকার নিরন্তর লড়াই চালিয়ে যচ্ছি।
58730
১২০
ঝিনাইদহ থেকে অনিন্দিতা দাস লিখেছেন, ০৬ জুন ২০১১; সকাল ১১:৪২
বাব্বারে প্রশ্নবাণে তো এক্কেবারে জেরবার করে দিছেন...তারপরেও বেশ জ্বালাময়ী এবং বাস্তব লেখা...অভিনন্দন।...
58760
১২১
চিত্রা নদীর পাড়, নড়াইল থেকে বালি লিখেছেন, ০৬ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৪
টুটুল, তোমার লেখাটা পড়বো নাকি তোমার দিন বদলের সাথীদের মন নিংড়ানো আবেগ উচ্ছাসের কথা গলো পড়বো? এক কথায় অসাধারণ! যেমন তোমার লেখাটা, তেমনি তোমার সহযাত্রীদের। মানুষের মনে এত ক্ষোভ, এত হতাশা--অথচ তুমি কীনা কত্ত সহজে তাদের মনের যন্ত্রণার কথাগুলোকে হৃদয়ে ধারন করে তাদের হয়ে কষে চড় বসিয়েছ, তাদের গালে, যারা সবজান্তা সর্বনাশী।
ধন্যবাদ সকলকে। দেখা হবে দিন বদলের দিনে, প্রয়োজনীয় এক সময়ে।
58793
১২২
শিবচর, মাদারীপুর থেকে নোমান লিখেছেন, ১৪ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১৪
রাজনীতি এতো নোংরামীর স্থান হয়ে পড়েছে যে, টিভি চ্যানেলে তারা কব্জির জোরে এসে একটি অসভ্য তথ্যকে আরো একবার রাজনৈতিক ধর্ষণ করে সেটার বর্বরতাকে প্রতিষ্ঠা করতে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন বল্লেন তারা ক্ষমতায় এলে আর হরতাল করবেন না। কিন্তু যতটুকু সম্ভব দ্রুততর সময়ে আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ সে বক্তব্যকে বাতিল করে দিলেন, এই বলে যে, ওটা নাকি তার নিজের কথা। তার দল বা সরকারের নয়। মন্ত্রীদের কোন কথাটা ব্যাক্তিগত আর কোনটা দলের বা কোনটা সরকারের? অবশ্য শেখ হাসিনা গত টার্মে প্রধান মন্ত্রী হয়ে বলেছিলেন, ক্ষমতার বাইরে গেলেও তারা কখনো আর হরতাল করবেন না!
বাস্তবে আমার কী দেখেছিলাম, লাগাতার, শিথিল, গণ কার্ফ্যু, আর লগি বৈঠার মিছিল দিয়ে বর্বর ভাবে মানুষ হত্যা করার বিকারগ্রস্ত মনোভাব।
সম্ভবত সে সব কথার ভিডিও চিত্র এখনো প্রদর্শণ হয় অনেক জায়গায়, তাতে ওনাদের লাগে। তাই আগে থেকেই অস্বীকার করে গঙ্গার জলে পবিত্র হয়ে আসা আর কী???

তাহলে আমজনতা কী ভাবে বুঝবে
59564
১২৩
পিংনা, সরিষাবাড়ি থেকে দিপালী দাস লিখেছেন, ১৫ জুন ২০১১; রাত ১০:৪৫
ক'দিন ধরে নারীদের উপর আগ্রাসী আক্রমাণ করছে সরকারী বিভিন্ন বাহিনী। সাবেক এক মহিলা এমপিকে রাজপথে মেরে অজ্ঞান করে ফেলে রেখেছে, রাজশাহীতে পিকেটিং'র অপরাধে খ্যাতিমান পুলিশ বাহিনী তার বাড়ির উপর হানা দিয়ে তার গৃহবধু স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে, আবার জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকাকে মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করেছে সরকারের পোষ্যরা।
তাহলে এই সরকার সবাইকেই তার প্রতিপক্ষ মনে করছেন। তিনি মনে করছেন ক্ষমতাটা সারা জীবনের উপভোগ্য বিষয় হয়ে তার পদপ্রান্তে লুটোপুটি খাবে!
এই সরকারের কাছে কেউই নিরাপদ নন। তারা নাকি নারীদের উন্নয়নের ও ক্ষমতায়নের জন্য লাগাতার কাজ করে যাচ্ছেন এটা কী তার ট্রায়াল কেস। কেন নারীদেরকে টার্গেট করছে সরকার?
তিনি কী ভুলে যাচ্ছেন ক্ষমতার মোহে তিনি এখন গভীর আচ্ছন্ন। "আসিতেছে শুভদিন, দিনে দিনে বাড়িতেছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ"।
59666
১২৪
সোনাগাজী, ফেণী থেকে সায়েম ইকবাল লিখেছেন, ১৬ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৫০
রাজনীতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। যেন রুটিন ওয়ার্ক। একটি সরকারের মাঝামাঝি সময়ে এসে শুরু হয় তার বিরুদ্ধে রাজনীতি মড়কর মহোৎসব। এখন থেকে কর্মীদর চাঙ্গা করে রেখে শেষ মুহুর্তে কাল্পনিক বিজয় উল্লাস করার আবিরাম চেষ্টা। যদিও বর্তমান সরকার বিরোধী দলে থাকতে তিনি সরকার গঠনের দিন থেকেই হরতাল অবরোধ জ্বালাও পোড়াও অসহযোগিতার সর্বোচ্চ অবস্থানে তার নীতিকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
বিরোধী দলে থাকলে এক চরিত্র আর সরকারে থাকলে চরিত্রের উল্টো দিক, কী তামাশা দেখায় তারা। তারা এমনই সেয়ানা, চতুর ও ধূর্ত যে, তারা মনে করে তাদের এই অপকর্মগুলো দেশের মানুষ টের পায়না। জনগণের চাইতে আর কে বোঝে বেশি? তাইতো গণেশ উল্টোতে তাদের সময় লাগে পাঁচ বছর।
59695
১২৫
বরকোটা, কুমিল্লা থেকে বাব্বর লিখেছেন, ১৬ জুন ২০১১; রাত ০৯:৪৪
ধুর্তামীর দিন সন্কটাপন্ন। রাজনীতি নিয়ে চললে তাদের নাকি কারো কাছে হিসাব দিতে হয় না? তাহলে ১/১১ এলে যার যার মত ইঁদুরের গর্তে লুকায় কেন তারা? কেন যারা ধরা খেয়েছিলেন তারা আর রজনীতি করবেন না বলে নাক খত দিয় বাইরে এসে আবার সে পথেই যাত্রা!
রাজনীতি দিয়েই মানুষকে মাপবেন না,এর বাইরে সৃষ্টিশীল অনেক মানুষ আছে যারা সৌন্দর্য্য বিনির্মাণ করেন আপনাদের অসভ্য ধ্বংশ স্তুপের উপর!
59726
১২৬
গোহাট্টা, নারান গঞ্জ থেকে নিলয় লিখেছেন, ১৭ জুন ২০১১; বিকেল ০৪:৫১
রাতের পর দিন ঠিকই আসে। দিনের পরও রাত আসে। আর পাঁচটা দেশে মত আমাদেরও। কিন্তু আমাদের দেশের আমজনতার ভাগ্যে এক রকম অদৃশ্য রাত আপাদ মস্তক ঘিরে থাকে, সে রাত ভয়াবহ আর দুর্বিষহে ঢাকা। সে রাত বংশ পরম্পরায় ঢাকা থাকে কুঁকিয়ে যাওয়া যন্ত্রণায়।
কী নেই এই সমস্ত মানুষের? সিরাজদ্দৌলাকে হত্যা করে সেই যে স্বাধীনতাকে লুট করে নিয়ে যাওয়া হলো এর পর আজে সোয়া দু'শ বছর ধরেও তাদের সেই স্বাধীনতা নামক স্পন্দনটি অধরাই থেকে গেল। থেকে গেল আঁধারেই তারা-আমাদের দেশের আমজনতা। স্বাধীন হলো দুবার, অনেক রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে। কেউতো এই আমজনতার কথা ভেবে কোন কাজ করছে এমনটি ভাবার পরিবেশ খুঁজে পাওয়া দুস্কর হয়ে আছে -সেই আঁধারের জন্যই।
এদের চোখে কোন আলো নেই, অদ্ভূত এক আঁধার ঘিরে রেখেছে তাকে করে তাদের জীবন্মৃত। প্রতিদিন তাদের মেরে ফেলা হয় একটু একটু করে। নেই তাদের কোন ভবিষ্যৎ।
অথচ এরা দেশ গড়ে একাগ্রতায়। এরা ফসল ফলায়, গাড়ি চালায়, বেচা-কেনা করে, সভ্যতার জাল বুণে, এরা পরিশ্রমের জীবন্ত দূত! কোন দূর্নীতির তিলক নেই এদের কপালে-কিন্তু কী আশ্চর্য ব্যাপার, দূনীতি করে একটি শ্বপদের দল, তারা সংখ্যায় খুবই নগণ্য, তাদের যাবতীয় অপকর্মের দায় এসে পড়ে সেই সমস্ত সাধসিধে মানুষের উপর যারা কী-না কঠোর পরিশ্রমেরই দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় নিরন্তর! আর কীট-পতঙ্গ ভাগবাটোয়ার দলেরা দেশের তলানি পর্যন্ত চেটে পুটে নিজের ভাগ্যে পরিবর্তনে মরিয়া, সত্যি বলতে কী ঠিক এই, হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন শুধূমাত্র এই কাজটি করার জন্যই তারা রাজনীতি করে যান।
১/১১ কী আমাদের কোন সংকেত রেখে যায়নি?
59782
১২৭
বাইপাস, লাকসাম থেকে মো. বাহাউদ্দিন লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; সকাল ০৯:৩৮
রাজনীতিবিদদের কোন সন্তান কী সন্ত্রাসের কারণে প্রাণ হারিয়েছে? যদি না হারায়তো ভাল কথা। তবে যদি হারিয়ে থাকে তবে সেই সমস্ত রাজনীতিকের কাছে প্রশ্ন; সন্তান হারানোর কষ্ট কতটুকু? যন্ত্রণাটুকু পরিমাপ করেছেন কী?
রাজপথ দখলের লড়াইয়ে কর্মীবাহিনীকে নামিয়ে দু'য়েকজন পিতা-মাতার সন্তানতো প্রায়ই হারিয়ে যায়, পাওয়া যায় লাশ হয়ে চিন্তা করেছেন, ভেবেছেন কী একটি বারও তাদের কষ্ট আর যন্ত্রণা আপনাদের সমান কী-না?
সব কিছু করেন, কিন্তু মানুষ হত্যার কোন সুযোগ সৃষ্টির খেলা খেলবেন না। প্লিজ এটা বন্ধ করুন।
60214
১২৮
বান্ধাবড়ি, গোপালগঞ্জ থেকে আবু মুসা লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; সকাল ০৮:১১
রাজনীতিবিদরা যে শয়তানের প্রতিচ্ছবি সেটা খুটিয়ে খুটিয়ে প্রমান করতে হয়। এ কথাটি বললে প্রমাণ চায় তারা, কোথায় খারাপ কাজ করেছে। কিন্তু অনৈতিক জীবনাচারের নিত্য সঙ্গী এই রাজনীতিবিদরা কখনোই আয়নাতে নিজের মুথ দেখতে চায়না, এ কারণে যে তারা নিজেরাই জানে তারা কতখানি খারাপ কাজের জন্য ইবিলিশ তাদের কাছে লজ্জ্বা পায়!
কিছুদিন আগে দৌলতপুরের আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য জনাব আফাজ উদ্দিনের ভাই রোকন উদ্দিন তার সঙ্গীসহ স্পিরিট পান করে মারা যায়। ঠিক এ ঘটনা আবার ঘটলো কুমার খালিতে সেই রাজনীতিবিদের যোগদর্পনে।
রাজনীতিক রা কতখানি অসুস্থ, মনে-প্রাণে-মানষিকভাবে তার প্রমানের দরকার আবারো হতে পারে। কারণ তারা প্রতিটা ক্ষেত্রেই শুধু প্রমান চায়, আর সেটাকে প্রমাণ করে দেবার পর অস্বীকার করে চলে নিয়মিত।
এটাই নাকি তাদের পথ চলার নিয়ামক!
সেলুকাস!
60484
১২৯
নারিন নগর, বি. বাড়িয়া থেকে খোদা বক্স লিখেছেন, ২৫ জুন ২০১১; রাত ০৮:৪১
বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে...
সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠের ক্ষমতা দেখিয়ে যে কোন বিল পাশ করিয়ে নেয়া যায়, কিন্তু তা যে ধরে রাখা যায় না, তার প্রমাণ কিন্তু বাংলদেশেই ভুরি ভূরি।
টেনে হিঁচড়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দিলেও তাদের মনে হয়না তাদের কখনো অপমান করা হয়েছিল।
বিপ্লব করে রাষ্ট্রিয় আচার থেকে দুরে রাখলেও তাদের আবার ক্ষমতায় গিয়ে সেই বিপ্লব প্রতিষ্ঠার পথকে আবারো সুগম করে তুলতে দেশকে আগুনের দিকে ঠেলে দিতে এতটুকু মনের কাছে দায়বদ্ধতার কথা উঁকি দেয় না।
ক্ষমতায় গিয়ে হরতাল না করার জ্বলন্ত প্রমাণাদী থাকা স্বত্বেও ক্ষমতার বাইরে গিয়ে গিনেস বুকে নাম ওঠানোর মত লাগাতার হরতাল করে দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেবার হীণ মানষিকতার অভাব হয়না।
গ্রামাঞ্চলে কোন সাধারণ মানুষকে সামগ্রিক বিচারে দোষী সাব্যস্ত করলে লজ্জ্বায় সে অঞ্চলে আর তার অবস্থান দেখা না গেলেও আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী হয়েও সর্বোচ্চ আদালত থেকে 'ক্ষ্যাপাটে মস্তিষ্ক' বলে রায় দিলেও তার অবস্থার কোন পরিবর্তন দেশবাসী লক্ষ্য করেনা।
সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে ধর্ষনে সেঞ্চরি উদযাপন করা রতনের 'মানিক'কে শাসন না করে তাকে বাহবা দিয়ে আরেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ে চাকুরি দিয়ে পুরুস্কৃত করেন।
পুলিশ মন্ত্রী ব্যবসা করেন হোটেলে পতিতাবৃত্তির- পুলিশি প্রহরায়, এসমস্ত কিছু বাংলাদেশেই দেখা যাচ্ছে-কোন কিছুর তোয়াক্কা নেই বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি বাণিজ্য, সিট বাণিজ্যের সাথে এ রকম দেহ বাণিজ্যের মত রমরমা অনৈতিক কাজে লিপ্ত করতে বাধ্য করা হচ্ছে বিভিন্ন মহিলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
তারপরেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে---বলতেই হচ্ছে...
60709
১৩০
তেলেগাতি, বাগেরহাট থেকে মাসুম রেজা পাভেল লিখেছেন, ০১ জুলাই ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৪৫
এটা এখন দিবালোকের মত পরিষ্কার যে, দেশটাকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়ে নৈরাজ্যের আরেকটি অধ্যায় শুরু করার নির্মম পাঁয়তারা। সরকারের মূল চাতুরীটা ক্রমেই প্রকাশ পেয়ে যাচ্ছে। ঠিক সে সময়েই মি. মমনমোহন সিং আশংকা প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পাল্টে যাবার বিষয়ে। এখন দুয়ে দুয়ে চার হয়ে যায় কিনা-সিড়ির নীচে বিড়ির দোকানে বসে অপেক্ষায় থাকতে হবে।
কতখানি ভন্ডামী পূর্ণ হলে সংসদে পাস হওয়া বিলের উপর নতুন ফর্মূলা দেবার আহবান জানাতে পারে।
লক্ষ্য ওদের বুঝি নিশ্চিত তাক হয়ে আছে।
61303
১৩১
রামগতি, নোয়াখালী থেকে রাগীব লিখেছেন, ০৬ জুলাই ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৫৬
রাজপথে হরতাল চলছে বিরোধীদলের
আর
সেই রাজপথে পুলিশ দিয়ে পেটানো হচ্ছে তাদের...
এটা
হরতাল ঠেকানোর কৌশল
নাকি
প্রতিহিংসা!
61831
১৩২
নবীনগর, সাভার থেকে পরদেশী লিখেছেন, ১১ জুলাই ২০১১; রাত ০১:৫৫
বিশ্ব বেহায়া এরশাদকে নিয়ে পাল্লা দিয়েছে ধর্ম নিরপেক্ষ হাসিনা এরশাদকে ছাড়িয়ে যাবার জন্য, কারণ নিজেই হতে চায় আন্তর্জাতিকবিশ্ববেহায়া।
62393
১৩৩
Burhimari, Rongpur থেকে Rina Wobayed লিখেছেন, ১৫ জুলাই ২০১১; সকাল ০৯:৫০
একটি বিখ্যাত ফটোর কথা আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই। ওই ছবিতে দেখা যায় হোয়াইট হাউসের বারান্দা দিয়ে প্রেসিডেন্ট ওবামা দ্রুত হাঁটছেন। তার সামনে শিকলে বাঁধা, তার কুকুর, বো, দৌড়াচ্ছে। তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো, আমেরিকা তথা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পুরুষটিকে চালিত করছে একটি ছোট কুকুর, বো।
কিন্তু আমাদের দেশের পলিটিশিয়ানদের যে অনেক আগে থেকেই কুকুর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছেন-সেটা তাদের দৈনন্দিন কার্যকলাপ থেকেই প্রতীয়মান হচ্ছে।
62903
১৩৪
ছাগলনাইয়া, ফেণী থেকে বাসেত কারীম লিখেছেন, ০১ অগাস্ট ২০১১; সকাল ০৮:৫৫
এ দেশে ক্ষমতা হাতে পেয়েও কোনো ব্যক্তি যে সত্ জীবনযাপন করতে পারে, এটা বোধহয় বর্তমান নীতিনির্ধারকদের চিন্তার বাইরে। ব্যাপারটা অনেকটা অতি প্রত্যুষে নদীতে গোসল করতে যাওয়া সেই পুরনো চোর আর সাধুর দেখা হয়ে যাওয়ার গল্পের মতো। এত সকালে একে অপরকে দেখে চোর ভাবে সাধু চোর, আর সাধু ভাবে চোরও সাধু।
সরকারে প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-এমন কী বিরোধী দলীয় নেত্রী নারী হলেও নারীর সম্ভ্রমের কোনো রকম মর্যাদা যে তাদের কাছে আছে, গত দুই বছরে দেশবাসী তার কোনো প্রমাণ পায়নি। বরং উল্টো যে অভিজ্ঞতা এই সময়ে তাদের হয়েছে দেশের প্রায় সর্বক্ষেত্রে, তাতে নারীরা আরো ভীত, সন্ত্রস্ত্র ও লজ্জ্বিত হয়েছে।
64435
১৩৫
খেয়াঘাট, বরগুনা থেকে মৌমিতা দাশ লিখেছেন, ০৬ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১২
দুর্নীতিপরায়ণ ও অকার্যকর বিচার বিভাগ দিয়ে সন্ত্রাসীদের সাজা দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টার পরিবর্তে ক্রসফায়ার অব্যাহত রাখাই উত্তম।
64803
১৩৬
বাঘা, রাজশাহী থেকে পূলক লিখেছেন, ০৭ অগাস্ট ২০১১; রাত ০৮:৫৬
আশা আকাঙ্খাকে ধুলিসাৎ করে, মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে তছনছ করে দেয়া রাষ্ট্রীয় পাপাচারকে বন্ধ করার জন্য কোন দেবদূত আসবেনা ?
64876
১৩৭
মহেশপুর, ঝিনাইদহ থেকে এমদাদুল হক লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; রাত ১২:৫৬
গণ-বিস্ফোরণ হওয়া উচিত। তবে সেটা হবে কিনা আমি জানিনা। কারণ গণ-বিস্ফোরণের জন্য এক ধরণের রাজনৈতিক সচেতন তৎপরতার দরকার পড়ে যেটাকে আমাদের ভাষায় বলা হয় subjective preparation. সেটা বিরোধীদলের নেতৃত্বে হতে পারে। কিন্তু আমাদের বিরোধীদলের যেরকম ম্রিয়মান অবস্থা যা কিছুটা তাদের নিজস্ব দুর্বলতার কারণে এবং সরকারের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার কারণে সৃষ্ট তাই গণবিস্ফোরণের সেই রকম সম্ভাবনা আমি দেখিনা। তবে এই সরকার বাংলাদেশের গরীব মানুষকে ও নিম্ন আয়ের মানুষকে যত ধরণের ভোগান্তির মধ্যে ফেলা সম্ভব সবগুলিই করেছে। কাজেই এইখানে গণবিস্ফোরণ হওয়াই উচিত। আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে যারা এক সময় গণবিস্ফোরণের নেতা ছিলেন তারাই এই আশঙ্কা করছেন। সেইটা হোক কিম্বা না হোক, আমি মনে করি একটা নিবার্চিত সরকারের তার পুরো টার্ম শেষ করা উচিত। এই টার্মের মধ্যে যাতে গণবিস্ফোরণে তাদেরকে ক্ষমতাচ্যুত হতে না হয় বা অন্যকোনো বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে পড়তে না হয় সেই কারণে গত আড়াই বছরে তারা যেসব অন্যায় অপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে করেছে সেইগুলি এখন বাদ দিয়ে বরং মানুষের সেন্টিমেন্টের কথা ভেবে, মানুষের প্রতি তাদের গণতান্ত্রিক কর্তব্যের কথা ভেবে, তাদের নিবার্চনী মেনোফেস্টোর উপর চোখ রেখে এবং মানুষের মৌলিক অধিকারগুলিকে সমুন্নত করার যে সাংবিধানিক দায় তাদের আছে - সেগুলি সব মাথায় রেখে তাদের correction process- এর মধ্যে যাওয়া উচিত এবং যে চারজন মন্ত্রীর কথা সংসদে উচ্চারিত হয়েছে তাদের অবিলম্বে বরখাস্ত করা হোক সর্বাগ্রে । অপরাধ করলে যদি অপরাধীর কোনো শাস্তি না হয় তাহলে আজকে চারজন আছে, পরবর্তীতে এই সংখ্যা আরো বাড়তেই থাকবে। এইটাই নিয়ম। কাজেই এই চারমন্ত্রীকে যদি প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত না করেন তাহলে তিনি নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ হবেন এবং সেইটা আমাদের জন্য কোনো সুখকর বিষয় হবেনা।
66460
১৩৮
রামকৃঞ্চ মিশন রোড, ঢাকা থেকে কাদের শেখ লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; রাত ০১:০৯
একদিন আগে কিন্তু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত দেশের মানুষকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা বলেছেন যে, 'আওয়ামী লীগ নিজেই বিরোধীদল এবং নিজেই সরকারী দল'। কথাটা শুনতে সুন্দর শোনায় কিন্তু এটা খুব বিপজ্জনকও। তার মানে কি উনারা বিরোধীদল চাননা? সংসদ বর্জনের এই ঐতিহ্যপূর্ণ রাজনীতিটা ১৯৯১ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ-ই শুরু করেছিল। আমরা মনে করি যে সংসদ বর্জনের এই রাজনীতিটা অত্যন্ত খারাপ একটা জিনিস।
66461
১৩৯
বাঘুটিয়া, যশোর থেকে লোরা খান লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; দুপুর ০২:০৭
ডঃ কামাল ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীদেরকে মুক্ত করার ঘোষনায় স্বাক্ষর করলেন সেই মহান জগদ্বিখ্যাত আইনজ্ঞ কি করণে মুখে কুলুপ মেরেছেন? যাদেরকে এখন যুদ্ধাপরাধের কারণে আটক রাখা হয়েছে, তারা কি তার করা কোনো তালিকায় ছিলেন? তাদের বিরোদ্ধে কি কোনো মামলা তিনি বা তৎকালীন সরকার অথবা এই সরকারের আগে কেউ করেছেন? কেনো সত্যকে বলছেন না? যেদিন তিনি বললেন যে তিনি সংবিধনা সংশোধনের ব্যাপারে বলবেনই তার পরই মাওঃ আমিনিকে কোর্টে ডাকা হলো, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হলো। কৈ। তিনি কি তাঁর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন? তার কথা অনুযায়ী তার উপর কি এটা অবশ্য কর্তব্য ছিলা যে ঐ ব্যাক্তির উপর জুলুমের বিরোদ্ধ তিনি দাঁড়াবেন?
66507
১৪০
রিকাবি বাজার, মুন্সিগঞ্জ থেকে বরকন্দাজ লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; দুপুর ০২:৩৬
সরকারের ভাব, যারা তার সমালোচনা করছে তারা হয় বিরোধীদলের দালাল নয়তো; ভুল পথে চলছে। তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই যে যারা সমালোচনা করছেন তারা আর যেই হোন জনগন নন, মানুষ। আপনারা যেহেতু জনগন নন কাজেই আপনাদের সমালোচনায় সরকারের কি আসে যায়। আপানারাতো জনপ্রতিনিধিও নন। উনারাই জনপ্রতিনিধি আর জনগনতো সরকারকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছেন। কাজেই উনারা যেটা বলবেন সেটাই জনগনের কথা আর উনারা যা করবেন সেটাই জনগনের ইচ্ছা, তা জনগন চাক বা নাচাক। আর সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ চালু থাকলে কোন মন্ত্রীতো আর এককভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন; সমষ্টিগতভাবে। তাহলে আপানারা দুচারটা মন্ত্রীর আস্তিন ধরে টানাটানি করছেন কেন। এতে তো সরকারের পরিধেয় বস্ত্রেই টান বাড়ছে বেশী। খুলে যাবারও ভয় থাকছে।
আপনারা এভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলবেন না। সরকার সমস্ত ব্যর্থতার দায় কাধে নিয়ে চুড়ান্ত পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতেই প্রস্তুত। তারচে' বরং সরকারের একান্ত অনুগত, বাধ্যগত, গৃহপালিত, শৃংখলিত, মস্তিষ্ক বিক্রিত বুদ্ধিজীবীদের মত চুপ থাকেন নয়তো সরকারের শত ব্যর্থতায় আপনারা সমস্বরে বলতে থাকুন, বাহবা বাহবা তা বটে তা বটে ঠিক! -ঠিক নন্দলালকে জনগন যেভাবে বলেছিল তেমনি করে।
66512
১৪১
ডাকবাংলো , মানিকগঞ্জ থেকে দীপান্বিতা লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; দুপুর ০৩:১২
যোগাযোগ ব্যবস্থা বা রাস্তাঘাট নিয়ে এই যে বিরাট একটা সংকট তৈরী হল এর মধ্যে হঠাৎ করে সরকার ঘোষণা করলেন যে ১২ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ঈদের আগেই ৬৯০ কোটি টাকা অর্থাৎ প্রায় ৭০০ কোটি টাকা খরচ করে সব ঠিকঠাক করে ফেলতে হবে। অথচ এখন বৃষ্টি বাদলার দিন চলছে। তাই এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে যে সত্যিকার অর্থে রাস্তাঘাট ঠিক করবার জন্য এটা কতোটা কাযর্করী হচ্ছে কিম্বা ঈদের আগে দলীয় ঠিকাদারদের এবং বিভিন্ন লোকদেরকে টাকা পয়সা কামানোর জন্য দূর্নীতিমূলক একটা ব্যবস্থা তৈরী করার জন্য এটা কতোটা কাযর্করী করা হচ্ছে? প্রাকটিক্যালী বৃষ্টির দিন ১২ দিনের মধ্যে সমস্ত রাস্তাঘাট ঠিক করা সম্ভব নয়। যদি ঠিক করা হয় তাহলে যেখানে ২ ইঞ্চি পুরো পিচ দেওয়া প্রয়োজন সেখানে দেওয়া হবে ১ ইঞ্চি পুরো। গর্তগুলি কোনোরকমে নানান কিছু ও মাটি-টাটি দিয়ে ভর্তি করে দেওয়া হবে। উপর দিয়ে তারা একটা কসমেটিক ডেভলোপম্যান্টের মত করবে। তার মানে হচ্ছে ৬৯০ কোটি টাকার মধ্যে ৯০ কোটি টাকা খরচ করা হবে আর বাকী ৬০০ কোটি টাকা লুটপাটের একটা ব্যবস্থা করা হবে। মানুষের আশংকা এটাই।

এই আশংকা মানুষের মনে বদ্ধমূল হওয়ার কারণ হচ্ছে এইটার একটা প্যাটার্ণ আমরা অতীতে লক্ষ্য করেছি। এই বাংলাদেশে একটা ক্রিকেট বিশ্বকাপ হয়ে গেলো। চার বছর আগে থেকেই জানা যে এখানে বিশ্বকাপ হবে। কিন্তু দেখা গেল যে ভেন্যুগুলি ঠিক করবার জন্য, শহরের রাস্তাঘাটগুলি ঠিক করবার জন্য ঠিক শেষ মুহূর্তে কয়েকশো কোটি টাকা খরচ করা হলো। এখন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খবর ছাপা হচ্ছে যে, যেই রাস্তাঘাটগুলি ২/৩ বছর lasting করবার কথা সেইগুলি ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়ে গেছে। স্টেডিয়ামগুলির কথাই বলুন বা অপরাপর অবকাঠামোগুলির কথাই বলুন যেগুলির পিছনে শত শত কোটি টাকা খরচ হয়েছিল সেগুলি ইতিমধ্যেই আবার পুরনো রূপে ফিরে এসেছে। অনেক কিছু নষ্ট হয়ে গেছে। শেষ মুহূর্তে টাকা খরচ করবার একটা বাহানা হিসাবে এটাকে কি তাহলে লুটপাট করবার একটা ব্যবস্থা হিসাবে তৈরী করা হয়েছিল?
বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। এই সরকার ক্ষমতায় আসবার পর প্রথম দেড় বছর বিদ্যুৎ খাতের জন্য শুধুমাত্র তার অতীত সরকারগুলিকে গালাগাল করা ছাড়া কোনো ফাইল মুভ করে নাই, একটা কাজকর্মও শুরু করে নাই। এরপর যখন এই সরকার খুব বিপজ্জনক অবস্থায় পড়লো তখন রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরী করা হলো। এখন আমাদেরকে হাজার কোটি টাকা বেশী দিয়ে বিদ্যুৎ কিনতে হবে। এই উপলক্ষে বিদেশী কোম্পানীর কিছু দেশী এজেন্টরা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রক্ষিত ট্যাক্সের পয়সাগুলি খরচ করলো। এরকম আরো অনেক ঘটনা আছে। কাজেই এইসব প্যাটার্ণগুলি দেখলে বোঝা যায় যে সংকটগুলি তৈরী করা হয় এবং আসলে তৈরী করা হয় একটা লুটপাট করবার ব্যবস্থা করবার জন্য। এটা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ।
66515
১৪২
বারইয়া হাট, চট্টগ্রাম থেকে বেলী পন্ডিত লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১৮
সারা দেশে বিভিন্ন মহল থেকে সরকারের কিছু মন্ত্রীর সমালোচনা করা হচ্ছে। তাঁদের অনেকে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তাঁদের মধ্যে নাগরিক সমাজ ও পেশাজীবীরা রয়েছেন, যাঁরা আগে কখনো প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনা করেননি। মাস ছয়েক আগে সংসদে সরকারি সাংসদদের ক্ষোভের প্রথম বড় ধরনের বহিঃপ্রকাশ দেখি আমরা। রাস্তাঘাট মেরামতে চরম ব্যর্থতার সমালোচনা করেছিলেন আওয়ামী লীগের কয়েকজন সিনিয়র নেতা। আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের সাংসদেরা টেবিল চাপড়ে তাঁদের বক্তব্যকে সমর্থন করেছিলেন। কাজেই এটি শুধু পদবঞ্চিত ব্যক্তিদের ক্ষোভ ভাবার কোনো কারণ ছিল না। সাংসদদের সবাইকে কমবেশি নিজের এলাকায় যেতে হয়। তাঁদের প্রত্যেকেই সরেজমিনে ভোগান্তির চিত্র দেখেছিলেন বলেই হয়তো যোগাযোগমন্ত্রীর সমালোচনাকে এভাবে সমর্থন করেছিলেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারপরও যোগাযোগমন্ত্রীকে সমর্থন করেছিলেন, সমালোচনাকারীদের থামিয়ে দিয়েছিলেন। আমরা তখন যোগাযোগমন্ত্রীকে ডেকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো নির্দেশ তাঁকে দিতে দেখিনি।
এরপর সড়কের অবস্থা আরও ভয়ংকর হয়েছে, আরও বহু শিশু, নারীসহ বিভিন্ন মানুষ রাস্তায় প্রাণ হারিয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরের মতো দুই অমিত প্রতিভাধর মানুষ। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য যৌক্তিক কারণে দায়ী করা হয়েছে যোগাযোগমন্ত্রীকে, ভুয়া লাইসেন্সের তদবিরকারী হিসেবে নৌপরিবহনমন্ত্রীকে। গত এক-দেড় বছরে বাণিজ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে এমনিতেই অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল অনেক মানুষ। এখন তারা দাবি করছে অযোগ্য মন্ত্রীদের অপসারণের। মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ‘অদক্ষ-অথর্ব মন্ত্রীদের বাদ দেওয়া হবে জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঈদ উপহার’ এই বক্তব্য দিয়েছেন। বিভিন্ন পত্রিকার অনলাইন জরিপে প্রায় শতভাগ মানুষ তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।
আমার ধারণা, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এই উপহার দিচ্ছেন না দেশের মানুষকে। সমালোচনাকারীদের সঙ্গে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির বিরাট পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেছেন, তাঁর সরকার দু-একটি ক্ষেত্র ছাড়া সব ক্ষেত্রে সফল। তিনি উল্টো সমালোচনাকারীদের সমালোচনা করে শত্রুদের হাতে অস্ত্র তুলে না দিতে বলেছেন। তাঁর বক্তব্যে এটি অনুমান করা যায়, ঈদের উপহার মানুষকে নয়, তিনি দিচ্ছেন অযোগ্য, অথর্ব, অকর্মণ্য মন্ত্রীদের।
66545
১৪৩
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ থেকে রাইসুল ইসলাম রকি লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩০
মুক্তিযুদ্ধে কত লোক শহীদ হয়েছে স্বাধীনতার পর পরই গ্রামে গ্রামে জরিপ করে তার সঠিক সংখ্যা লিপিবদ্ধ করা উচিত ছিল। কিন্তু সেটা করা হয়নি। কোন ‘দেশি-বিদেশি গবেষক’ তিন মিলিয়ন সংখ্যা সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন আমার জানা নেই। আমি দেখেছি সাম্প্রতিককালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক শর্মিলা বোস, যিনি নেতাজী সুভাষ বোসের জ্যেষ্ঠভ্রাতা শরত্ বোসের নানি তাঁর ‘ডেড রেকনিং’ বইতে তিন মিলিয়ন সংখ্যাকে ভয়ানক অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করেছেন; গার্ডিয়ান পত্রিকার বিশিষ্ট কলামিস্ট ইয়ান জ্যাক, যিনি মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রতি সহানুভূতিশীল প্রতিবেদক ছিলেন, এবং আরও সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী সম্মানীত সাপ্তাহিক ইকোনমিস্টও মোটামুটি একই রায় দিয়েছেন। আমি সরকারকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, এখনও গ্রামে গ্রামে নিরপেক্ষ জরিপ হলে একই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে।
সবচেয়ে বড় কথা, তিন মিলিয়ন (৩০ লাখ) না হয়ে শহীদের সংখ্যা যদি তিন লাখ হয় তাহলে কি আমাদের স্বাধীনতা মিথ্যা হয়ে যাবে? একাত্তরে বিশ্ব সমাজের সহানুভূতি লাভের জন্য আমরা বহু অতিরঞ্জিত দাবি করেছি। স্বাধীনতা যখন আমরা অর্জন করেছি তখন কি অতিরঞ্জনগুলোর প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি? আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি, ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি তিন লাখের পরিবর্তে তিন মিলিয়ন কথাটা জাতির পিতার মুখ থেকে অনবধানতাবশত বেরিয়ে এসেছিল। সেদিন সেটা মোটেই অপ্রত্যাশিত ছিল না। পাকিস্তানে অত্যন্ত মর্মান্তিক বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে খুবই উদ্বিগ্ন অবস্থায় সারা রাত জেগে বিমানে তিনি লন্ডনে এলেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝাঁকে ঝাঁকে নতুন স্বাধীন ইউফোরিয়াগ্রস্ত বাংলাদেশী এসে জড়ো হলেন তাঁর হোটেলে। এই অকল্পনীয় অবস্থায় প্রতিটি কথা মেপে বলা কী করে সম্ভব হতে পারে? বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আরও একবার বলেছেন যে নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস শিক্ষা দিতে হবে। কিন্তু কোন ইতিহাস শেখাবেন তাঁরা? সত্যিকারের ইতিহাস, না কল্পনার ইতিহাস?
66548
১৪৪
ফকিরহাট, বাগেরহাট থেকে মাস্টার কফিল উদ্দিন সরদার লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৮
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী যখন রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে দিল্লিতে অবস্থান করছিলেন তখন ড. কামাল হোসেন কোনোদিনই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত্ করেননি কিংবা কোনো ধরনের যোগাযোগ করেননি।’ কিন্তু ড. ওয়াজেদ মিয়ার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা’ বইয়ের ৩০০ পৃষ্ঠায় আমরা দেখতে পাই ১৯৮১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ড. কামাল হোসেন ও আবদুর রাজ্জাক শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। অবশ্য জিল্লুর রহমান, সাজেদা চৌধুরী ও আবদুল মালেক উকিলসহ আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাও সেদিন দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেছিলেন। ড. ওয়াজেদ মিয়ার বইয়ের পরের পৃষ্ঠায় (৩০১) উল্লেখ আছে যে ১ মার্চ রাতে (১৯৮১) ড. কামাল হোসেন ও সাজেদা চৌধুরী ১৭ কিংবা ২৬ মার্চ তারিখে হাসিনার ঢাকা ফেরার প্রস্তাব করেন। ১৯৮১ সাল অনেক দিন আগের কথা। তখন আমরা খবর পেয়েছিলাম যে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দিল্লি যেতে আওয়ামী লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাককে অনুরোধ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে কারও কারও লেখায়ও আমি সে উল্লেখ দেখেছি । ড. কামাল হোসেন কিংবা আবদুর রাজ্জাক প্রতিবাদ করেননি। সৌভাগ্যবশত তারা উভয়েই জীবিত এবং সুস্থ আছেন। তারা কী এখন সত্যি ইতিহাসের সঙ্গী হবেন, না কল্পনার ইতিহাসে।
বিএনপি সরকার জনতা ব্যাংকের তখনকার মতিঝিল সদর দফতরে গচ্ছিত মহামূল্য স্বর্ণালঙ্কার ও মণিমুক্তাসহ মুজিব পরিবারের সব সম্পত্তি শেখ হাসিনাকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তখন কোনো কোনো খবরে বলা হয়েছিল যে, সেসব সম্পত্তির মোট মূল্য ৩৩ কোটি টাকা ছিল। কিন্তু আনুষ্ঠানিক হস্তান্তরের আগে ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে কাউকে ঢুকতে দেওয়া যে উচিত হতো না সেটা সাধারণ বুদ্ধির মানুষও বোঝে।
66550
১৪৫
মালিবাগ, ঢাকা থেকে রনো লিখেছেন, ২৭ অগাস্ট ২০১১; রাত ০৮:০০
আদালতে যা বলেছে ভিকটিম ছাত্রী

ভিকারুন্নিসা নূন স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মামলার ভিকটিম ওই স্কুলের শিক্ষক পরিমল জয়ধরকে অভিযুক্ত করে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। গত ১৭ জুলাই ঢাকার মহানগর হাকিম শামীমা পারভীন এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দিতে ভিকটিম বলেন, স্যার প্রথম আমাদের পড়াতে আসে গত বছরের শেষের দিকে। বাংলা পড়াত, খুব ভাল পড়াত। ক্লাস ক্যাপটেন হিসেবে পরিমল স্যার আমাকে চিনে। আমাকে সে ‘মা’ বলে সম্বোধন করত। ক্লাস টেস্টে ফাস্টটার্ম পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয়পত্রে ভাল নম্বর না পাওয়ায় স্যারকে জিজ্ঞাসা করি ব্যাচে পড়াবে কিনা? স্যার ব্যাচ শুরু করার পর আমি ও আমার বন্ধু মালিহা ব্যাচে পড়তে শুরু করি। সপ্তাহে ৩ দিন সকাল ১০টা থেকে পড়তাম। পড়ার সময় স্যার প্রায়ই বলত ‘তোমাকে সুন্দর লাগছে’। মাথায়ও গালে হাত দিত। অনেক সময় ব্যাচে পড়ার পরে আমার প্রাকটিক্যাল থাকলে আমি কোচিং এ অপেক্ষা করে তারপর স্কুলে যেতাম। স্যার খুব ভাল পড়াত বলে স্যার হিসেবে তাকে খুব পছন্দ করতাম। স্যার অনেক সময় কোচিং এ দেরি করে আসত। আমি স্যারকে ফোন করে তারপর কোচিং এ আসতাম। চলতি বছরের ২৮ মে তারিখে আমি দেরিতে কোচিং এ গিয়ে দেখি ২টা চ্যাপ্টার পড়ানো হয়েছে। আমি গিয়ে শেষ ১টা চ্যাপ্টার পাই। ছুটি হওয়ার পর স্যার বলে বসার জন্য। যে ২টা চ্যাপ্টার মিস হয়েছে তা বুঝিয়ে দিবে। আমি বসি, স্যার আমাকে কিছু পড়ানোর পর আমার গালে হাত দিয়ে বলে ‘তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে।’ তারপর সে দরজা বন্ধ করে দেয়। বইপত্র সামনে থেকে সরিয়ে ওড়না নিয়ে প্যাচ দিয়ে মুখ বেঁধে ফেলে। আমি চিৎকার করার চেষ্টা করি। আমি হাত দিয়ে ছুটা-ছুটি করি। আমার ডান হাত আগে থেকেই ভাঙা। স্যার আমার ডান হাত পেছনে নিয়ে মোচড় দেয়। তারপর ২ হাত পেছনে নিয়ে বেঁধে ফেলে। আমাকে নিচে ফেলে দেয়। এরপর সে আমাকে বিবস্ত্র করে ওই অবস্থায় মোবাইল দিয়ে ছবি তোলে। তারপর আমার ২টি পা চেপে ধরে আমাকে রেপ করে।

হাত খুলে দেয়। আমাকে বসিয়ে বলে ‘পড়া কন্টিনিউ করবা। কেউ জেন কিছু না জানে। জানলে ইন্টারনেটে ছবি দিয়ে দিব। তোর বদনাম হবে, আমার কিছু হবে না।’ বাসায় গিয়ে আমি ভয়ে কিছু বলি নাই। আমার আপু জিজ্ঞাসা করে। আমি ভয়ে বলতে পারি নাই। আমি স্যারের কোচিং এ এরপরও যেতাম। টেবিলের নিচ দিয়ে পা দিয়ে সে আমার পা চাপত। এরপর ১৭ জুন ১১টার সময় পরিমল স্যারের ওখানে যাই। গিয়ে দেখি ১টা ব্যাচ পড়াচ্ছে। আমাকে বিশ্বজিৎ স্যারের রুমে বসতে বলে। ওই রুম থেকে পরিমল স্যারের রুম দেখা যায় না। আমি বসে ছিলাম। স্যার এসে দরজা বন্ধ করে দেয়। আমি না করি। বলে ‘বেশি কথা বলবি না।’ আমি দাঁড়িয়ে বের হতে চাইলে ধাক্কা দেয়। আমি ব্যথা পাই। আমার গালে ও হাতে চড় মারে। হাতে চাপ দেয়। আমার মাথা ঘুরছিল। এরপরও সে আমাকে রেপ করে। আমি বাসায় চলে আসি। ১৭ জুন আমার হালকা ব্লিডিং হয়। আমার আপু হাতে চাপের দাগ দেখে জিজ্ঞাসা করে। আমি ভয়ে কিছু বলি নাই। ১৯ জুন তারিখে স্কুলে যাওয়ার পরে টিচার্স রুমে গেলে স্যার আমাকে একশ টাকা দেয়। বলে ‘বার্থ পিল খেয়ে নিস।’ ১৯ জুন লাস্ট ক্লাসে আমি আমার বান্ধবি মেরিন, মুন্নি ও অন্তরাকে সব ঘটনা বলি। ওরা আমাকে বলে হেড স্যারকে বলার জন্য। ২০ জুন লুৎফর স্যার স্কুলে আসে নাই। ২১ জুন লুৎফর স্যারকে জানাই। স্যার আমাকে জিজ্ঞাসা করলে আমি সব ঘটনা বলি। হেড স্যার বলে ‘আমি দেখব।’ স্যার জিজ্ঞাসা করে বাসায় জানাইছি কিনা? কয়েকবার লুৎফর স্যার আমাকে ডাকে। পরিমল স্যার পরদিন আমাকে ডাকে। হেড স্যারকে কিছু জানাইছি কিনা জিজ্ঞাসা করে আমাকে। আমি অস্বীকার করি। আমাকে বলে ‘বলিস না, এইসব তো এখন সবাই ইচ্ছা করেই করে।’ ২৩ জুন হোসনে আরা আপা প্যারেন্টস মিটিং এ আসে। তাকে লুৎফর স্যার সব জানায়। এরপর আমি ২দিন স্কুলে যাই নাই। ওই ২ দিনে স্কুলে সব জানাজানি হয়ে যায়।
স্কুলে মির্টিং এ হেড আপা জেরিনাকে নিয়া জিজ্ঞাসা করে, অন্য আপারাও ওকে জিজ্ঞাসা করে। আমার বান্ধবী লামিয়ার বাবা-মা আমাদের বাসায় গিয়ে মাকে জানায়। দাদাভাইকে সব জানায়।

পরিমলের স্বীকারোক্তি

ভিকারুন্নিসা নূন স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মামলার প্রধান অভিযুক্ত ওই স্কুলের শিক্ষক পরিমল জয়ধর ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। গত ১১ জুলাই ঢাকার মহানগর সাহাদাত হোসেন এ স্বীকারোক্তিমলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ২০১১ সালের ২৮ মে সকাল ১০ থেকে ১০টা ১৫ ঘটিকার সময় আমার স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী (ভিকটিম) আমার কাছে পড়তে আসে। সে স্কার্ট ও টি-শার্ট পরা ছিল। তার সঙ্গে ওই সময় কেউ না থাকার সুযোগে তার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে তাকে ধর্ষণ করি। পরবর্তীতে ১৭ জুন বেলা ২টা হতে আড়াই ঘটিকার দিকে সে অন্য স্যারের কাছে পড়ে আমার কাছে আসলে আমি আবার তাকে ধর্ষণ করি। এ আমার বক্তব্য।
আ বাংলাদেশের বক্তব্য আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে, এই সমস্ত পরিমলদের দৌরাত্ব বেড়ে যায় আর দেশকে ক্রমাগত ধর্ষন করতে থাকে। গজব আবার আসবে, সেই দিনে প্রতীক্ষায় বাংলাদেশ, সারা বাংলাদেশ।।
66552
১৪৬
mokter@hotmail.com থেকে Abdul Awal Mokter লিখেছেন, ২৮ অগাস্ট ২০১১; সকাল ০৮:৩১
ইন্দিরা গান্ধীর আরেকজন শুভাকাঙ্ক্ষী ছিলেন সর্বোদয় নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণ। তিনি ইন্দিরার পিতা জওয়াহেরলাল নেহরুর বন্ধু ছিলেন এবং একই সমাজতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন।নেহরুর মৃত্যুর পর জয়প্রকাশের রাজনৈতিক ভূমিকার পরিবর্তন ঘটে। তিনি সর্বোদয় নেতা হয়ে ওঠেন। কিন্তু বন্ধু-কন্যা হিসেবে ইন্দিরা গান্ধীকে স্নেহ করতেন এবং তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সময়ে-অসময়ে পরামর্শ দিতেন। সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে যখন ইন্দিরা গান্ধী ভারতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে নিজের হাতে দেশের শাসনভার গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন জয়প্রকাশ নারায়ণ উদ্বিগ্নভাবে তার সঙ্গে দেখা করতে ছুটে আসেন। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি বললেন, 'ইন্দিরা, আমি তোমাকে আজ অযাচিতভাবে কয়েকটি পরামর্শ দিতে ছুটে এসেছি।সমস্যাজর্জরিত দেশ, কংগ্রেসের প্রতি বিমুখ এবং তোমার জনপ্রিয়তা তলানির দিকে। এ সময় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সর্বময় ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়ো না। পুলিশি-নির্যাতন বাড়িয়ো না। গণগ্রেফতারে যেও না। বরং দিলি্লতে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকো। আমিও আসবো। সকলের মিলিত চিন্তাভাবনা দ্বারা কীভাবে দেশকে সংকটমুক্ত করা যায় তার পন্থা নির্ধারণ করো। চাটুকার দ্বারা পূর্ণ বর্তমান কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জরুরি রদবদল ঘটাও। যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মন্ত্রী নিয়োগ করো।'
জয়প্রকাশের মুখের উপরেই বলেছেন, 'আপনি বাজে পরামর্শ দেওয়ার জন্য আমার কাছে ছুটে এসেছেন? আপনি তো আমাকে চেনেন, সুতরাং জানেন, কারো পরামর্শে বা চাপে সিদ্ধান্ত পাল্টাবার মানুষ আমি নই। আমি মন্ত্রিসভায় এখন রদবদল করবো না এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণার সিদ্ধান্ত পাল্টাবো না। আপনি ইচ্ছে করলে বাইরে গিয়ে এ কথা আপনার রাজনৈতিক বন্ধুদের বলতে পারেন এবং ইচ্ছে করলে আন্দোলনে নেমেও দেখতে পারেন আপনারা আমার বিরুদ্ধে কী করতে পারেন?'
ভোটের জোরেই ইন্দিরা গান্ধী ভারতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং এর প্রতিবাদ করায় দেশের প্রথম সারির অনেক নেতার সঙ্গে জয়প্রকাশ নারায়ণকেও গ্রেফতার করে জেলে নিক্ষেপ করেন। জেলে বসে জয়প্রকাশ তার ডায়েরিতে লিখেছেন, 'আমি নেহরু-কন্যা ইন্দিরার পরম শুভাকাঙ্ক্ষী । আমি তাকে বাঁচাতে চেয়েছিলাম। তিনি বাঁচতে চান না। কোনো সুপরামর্শে কান দিতে চান না। হা ঈশ্বর, আমাকে কি তার পতনও দেখে যেতে হবে?' দৃশ্যান্তর এর পরবর্তী ভারতের সাধারণ নির্বাচনের পর। নির্বাচনে কংগ্রেস শুধু পরাজিত ও ক্ষমতাচ্যুত নয়, ইন্দিরা গান্ধী তার এতকালের জয় নিশ্চিত নির্বাচন কেন্দ্রে এক সাধারণ, অখ্যাত প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত। এ রকম অসম্ভব ঘটনা ভারতে ঘটতে পারে তা আগে কেউ কল্পনাও করেনি।
পরাজিত, নিঃসঙ্গ ইন্দিরা তার বাড়িতে বসে আছেন। চারপাশে চাটুকার দল নেই। ক্ষমতার মধুলোভীরা অন্তর্হিত। এটা আমার শোনা কথা নয়। ভারতের সংবাদপত্রেই এ খবরটা বেরিয়েছিল তখন। ইন্দিরা গান্ধী ভাবতেও পারেননি, তার কপালে এমন অবমাননা জুটতে পারে। তার সেই চাটুকারদের কেউ আজ তার পাশে নেই, যারা তার জরুরি অবস্থা ঘোষণা ও সর্বময় ক্ষমতা গ্রহণকে জোর সমর্থন জানিয়েছিল। পিতা নেহরুর ছবির দিকে তাকিয়ে ইন্দিরা নির্বাক-নিশ্চলভাবে বসেছিলেন। এ সময় যে ব্যক্তি প্রথম ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে ছুটে এসেছিলেন তিনি জয়প্রকাশ নারায়ণ। তাকে দেখে তার দুই হাত চেপে ধরে অবুঝ শিশুর মতো ইন্দিরা কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। জয়প্রকাশ তাকে পরম স্নেহে সান্ত্বনা দিয়েছেন, অভয় দিয়েছেন। ইন্দিরা-জয়প্রকাশের এই সাক্ষাৎকারের কথা ছাপতে গিয়ে দিলি্লর একটি কাগজ তাদের রিপোর্টে লিখেছিল, ইন্দিরার মতো লৌহমানবীর চোখে এই প্রথম তারা অশ্রু দেখলেন।
66586
১৪৭
বাবুপুর, বরিশাল থেকে ইঞ্জিনিয়ার আকিকুল হাই লিখেছেন, ২৮ অগাস্ট ২০১১; বিকেল ০৪:৩৪
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর পরিবার সম্পর্কে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এতই বিদ্বেষান্ধ যে, বিশ্বের সব কিছুর জন্যই তিনি তাঁদের দায়ী করতে পারেন। হয়তো এ কারণেই কেউ কেউ সন্দেহ করেন প্রায় ছয় বছর ভারতে অবস্থানকালে তাঁর ‘ব্রেন ওয়াশ’ করা হয়ে থাকতে পারে। শেখ হাসিনার প্রতি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আপাত হৃদয়হীনতার দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রতিবাদে বলা হয়েছে, ‘১৯৮১ সালের ১৫ আগস্ট রাস্তায় তাদের মিলাদের আয়োজন করতে হয়েছে।’ কিন্তু এটা তো বাংলাদেশে সবাই জানে সে তারিখের আড়াই মাস আগে ৩০ মে তারিখে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ ষড়যন্ত্রে নিহত হয়েছিলেন।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২১ জানুয়ারি ইউনিডোর সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে দুই দিনের সফরে দিল্লি গিয়েছিলেন। আমরা তখন খবর পেয়েছিলাম যে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে তিনি ভারত সরকারের সহায়তা চেয়েছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ এই যে, জিয়াউর রহমান শেখ হাসিনা ও তাঁর বোনের বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তনে বাধা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ নানা কারণে সত্য মনে হয় না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত স্বামী বিশিষ্ট পারমাণবিক বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া তাঁর ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা’ বইয়ের ৩০১ পৃষ্ঠায় লিখেছেন : ‘১৯৭৭ সালের গোড়ার দিকে জিয়াউর রহমান সাহেব ভারতে নিযুক্ত তত্কালীন রাষ্ট্রদূত শামসুর রহমানের মাধ্যমে আমাকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক দূতাবাসে শিক্ষা ও বিজ্ঞানবিষয়ক কাউন্সেলর নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।’ এর থেকে মনে হয় শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারের অন্তত কিছু যোগাযোগ ছিল।
66633
১৪৮
Washinton DC, USA থেকে Dr. Atiur Malik Rayhan লিখেছেন, ২৯ অগাস্ট ২০১১; সকাল ০৮:১২
শেখ মুজিবুরের চতুর্থ সংশোধনী
বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগ সরকার ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫-এ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী পার্লামেন্টে পেশ করে। ওই দিনেই উত্থাপিত বিলটি গৃহীত ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি মৌলিক পরিবর্তন করা হয়। যেমন :
এক. চতুর্থ সংশোধনীর ফলে দেশে সংসদীয় শাসন পদ্ধতির বদলে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
দুই. রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করা হয়।
তিন. সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে জাতীয় দল নামে একটি মাত্র দল থাকবে বলে বিধান করা হয়। চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হওয়ার পর সরকার সব দল বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক-আওয়ামী লীগ (সংক্ষেপে বাকশাল) নামে একটি জাতীয় দল গঠন করে।
চার. প্রথম জাতীয় সংসদের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়া হয়।
পাঁচ. এরপর জুন ১৯৭৫-এ মাত্র চারটি সরকারি মালিকানাধীন দৈনিক পত্রিকা চালু রেখে দেশের অন্য সকল দৈনিক পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়।
সংক্ষেপে বলা যায়, একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তক সংবিধানকে পরিবর্তিত করে একটি একদলীয় স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর বদলে রাষ্ট্রপতির শাসন প্রবর্তিত হয়।
এরপর অন্যান্য দলের সঙ্গে দল রূপে আওয়ামী লীগও বিলুপ্ত হয়। অন্যভাবে বলা যায়, সংসদে আওয়ামী লীগের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে শেখ মুজিবুর রহমানই তার দলের বিরুদ্ধে এক ধরনের সংসদীয় ক্যু করেন। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মানুষ সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করেছিল এবং ৪ নভেম্বর ১৯৭২-এ যে সংবিধানের মাধ্যমে তাদের সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়েছিল, সেই সংবিধান গৃহীত হওয়ার মাত্র তিন বছর পরেই তার মূলনীতিগুলো বদলে ফেলা হয়।
এই পরিবর্তনের মাত্র সাড়ে সাত মাস পরে একটি সামরিক অভ্যুত্থানে আগস্ট ১৯৭৫-এ শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হন।

জিয়াউর রহমানের পঞ্চম সংশোধনী

এই ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন বছর পরে ৪ এপৃল ১৯৭৯-তে তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আনা হয়। এ প্রস্তাবটি ৫ এপৃলে গৃহীত এবং ৬ এপৃলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়। এই সংশোধনীর ফলে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র আবার বৈধতা পায়, যদিও প্রধানমন্ত্রীর বদলে রাষ্ট্রপতির শাসন ব্যবস্থা চালু থেকে যায়।
সংক্ষেপে বলা যায়, পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষাকে পুনরুজ্জীবিত এবং বহুদলীয় সংসদ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন।
নিয়তির অদ্ভুত পরিহাস এই যে, একজন নির্বাচিত বেসামরিক নেতা চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সকল নির্বাচনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অংশ নেয়ার পথ রুদ্ধ করে দেন। অন্যদিকে একজন সমরনায়ক (পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি) পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগসহ বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলের অংশ নেয়ার পথ খুলে দেন।
66702
১৪৯
কালিগঞ্জ, নরসিংদি থেকে হাসান ইমাম লিখেছেন, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১; দুপুর ১২:৩৬
এক. ইনডিয়াতে তিনটি বড় হত্যাকাণ্ডের মধ্যে দু’টি হয়েছে সাম্প্রদায়িক কারণে। মহাত্মা গান্ধী নিহত হয়েছিলেন হিন্দুর হাতে। ইন্দিরা গান্ধী নিহত হয়েছিলেন শিখের হাতে। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের দুটি বড় হত্যাকাণ্ড (শেখ মুজিব ও জিয়া) হয়েছিল রাজনৈতিক কারণে।
দুই. বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার মতো কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি।
তিন. গুজরাটে মুসলিম হত্যার মতো কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটেনি। চার. গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো কোনো ঘোর শক্তিশালী সাম্প্রদায়িক নেতা বাংলাদেশে নেই।
67958
১৫০
ভাঙ্গা, ফরিদপুর থেকে এস রহমান লিখেছেন, ১৮ নভেম্বর ২০১১; রাত ০৮:২৭
বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশন যে সরকারের গৃহপালিত একটি সংগঠন, সে সম্পর্কে দেশের খুব বেশি মানুষ সন্দেহ পোষণ করেন না। সে কমিশনও মেয়র নির্বাচন নিয়ে গুরুতর অশান্তি ও অনিয়মের আশঙ্কা করেছিল। সেজন্যই তারা নির্বাচন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে সেনা তলব করেছিল। অবশ্যই সরকারের অঙ্গুলি তাড়নে সেনাবাহিনী সংবিধান লঙ্ঘন করেছে, তারা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে মদত দিতে এগিয়ে আসেনি। সরকারের স্বার্থের কথাও কারও অজানা নয়। তারা চেয়েছিল যে শামিম ওসমান জয়ী হোক এবং অসাধু পন্থায় ছাড়া যে তার বিজয়ের কোনো আশা ছিল না সেটাও সরকার জানত।
একদিকে সরকার ও জাতির মধ্যে বিরাট একটা ব্যবধান গড়ে উঠেছে, অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ভেতরেও একাধিক ফাটল এখন বঙ্গোপসাগরের মতো বিশাল হয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগের একাংশ এখনও ভোটের শক্তির ওপর বিশ্বাসী, অন্য অংশ ফ্যাসিস্ট পদ্ধতিতে সন্ত্রাসের জোরে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। নাসিক নির্বাচন সেটাই প্রমাণ করে। দুজন প্রার্থীই আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। কিন্তু সরকার যাকে মনোনয়ন দিয়েছে তার জনসমর্থন ছিল না, জনমনে তার ইমেজ গডফাদার বলে। সৌভাগ্যবশত বিএনপি প্রার্থী তৈমূর আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান বলে তেমন কোনো সহিংসতা ঘটেনি, তার সমর্থকদের ভোটে আইভি বিপুল গরিষ্ঠতায় জয়ী হয়েছেন।
71882
১৫১
ময়নামতি, কুমিল্লা থেকে মল্লিকা দত্ত লিখেছেন, ১৮ নভেম্বর ২০১১; রাত ০৮:৩৪
সরকার গঠনের প্রথম কয়েক মাস আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা মূলত বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর তৃণমূল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় লিপ্ত ছিল। সে কয় মাসে বহু বিএনপি ও মূলত ছাত্রশিবির কর্মী নিহত হয়েছেন। সেসব সহিংসতার লক্ষ্য ছিল বিরোধী দলগুলোর শক্তি হানি করে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার আসন স্থায়ী করা। শাসক দল এখন মনে করছে, সে যুদ্ধে তাদের জয় হয়েছে। যুদ্ধের নিয়ম-কানুন এবং লক্ষ্য এখন পাল্টে গেছে। ভর্তি বাণিজ্য, টেণ্ডার ও ইজারা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ইত্যাদির ভাগ-বাটোয়ারা বর্তমান পর্যায়ের সন্ত্রাসের বড় কারণ। ঈদের পশু হাটের ইজারা এবং আরও লাভজনক চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মানিকগঞ্জ এবং বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন স্থানে হানাহানিতে যে দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে, এ-ই হচ্ছে তার কারণ। যেহেতু এই দুর্নীতিগুলো শাসক দলের লোকেরাই করছে, সেহেতু এসব বিবাদ-বিসংবাদ কার্যত আওয়ামী লীগের ভেতরে একটা সীমিত আকারের গৃহযুদ্ধ বলা চলে। একই কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই এ দলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হচ্ছে, দু-একজন করে মারা যাওয়ার খবরও বেরুচ্ছে পত্রিকায়।
71883
১৫২
মঙ্গলবাড়িয়া, কুষ্টিয়া থেকে নাসির উদ্দিন লিখেছেন, ১৮ নভেম্বর ২০১১; রাত ০৮:৪৪
নাসিক নির্বাচন আরও একটা অত্যন্ত মারাত্মক প্রবণতার ওপর আলোকপাত করছে। সরকার এখন গণতান্ত্রিক নয়, ফ্যাসিবাদী সহিংসতার পথে গদি দখল করে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নাটোরে গামা হত্যার এবং লক্ষ্মীপুরে অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলামকে হত্যার দায়ে যারা প্রাণদণ্ড পেয়েছিল তাদের সবাইকে ‘রাষ্ট্রপতির ক্ষমায়’ মুক্তি দেয়া হয়েছে। খিলগাঁওয়ে ১৯৯৬ সালে বিএনপি’র মিছিলের ওপর গুলিবর্ষণে চারজন নিহত হয়েছিল। সে ঘটনার বহু আলোকচিত্র পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, যাতে তত্কালীন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য ডা. এইচবিএম ইকবালসহ উদ্যত রিভলবার হাতে আরও কয়েকজনকে পরিষ্কার শনাক্ত করা গিয়েছিল। এ মামলার আসামিদেরও মুক্তি দিয়েছে বর্তমান সরকার। ঢাকা মহানগরীর গডফাদার বলে বর্ণিত মায়া এরই মধ্যে পুনর্বাসিত হয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, ফেনীর গডফাদার জয়নাল হাজারীর পুনর্বাসনের আয়োজনও প্রায় সম্পূর্ণ।
71885
১৫৩
বলিদাগঞ্জ, সাভার থেকে রিতিশ লিখেছেন, ২০ নভেম্বর ২০১১; রাত ০৮:৩২
আমাদের প্রধানমন্ত্রী কৌতুকপ্রিয় মানুষ। তবে তাঁর হাস্যরসে কখনো কখনো কিছুটা আত্মম্ভরিতার প্রকাশ থাকে। তিনি বিদেশে যেতে পছন্দ করেন। সেখানেও তিনি বিরোধী দল ও নেতাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন। নিশ্চয়ই ভক্ত-অনুসারীরা তা উপভোগ করেন এবং তাঁকে উৎসাহিত করেন। আনগার্ডেড বা অনিয়ন্ত্রিত কথাবার্তা সেখানে তিনি আগে বলেছেন, এবার যুক্তরাষ্ট্র সফরেও বললেন। তিনি বললেন: মাসে একবার হরতাল পরিবেশবান্ধব, তাই তা হলে অসুবিধা নেই। তাঁর এই অভিনব বিশ্লেষণে উদারতা থাকতে পারে, কিন্তু তাতে ঝুঁকিও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ বক্তব্যের পর যেসব মন্ত্রী ও ব্যবসায়ী নেতা হরতালের ক্ষতিকর দিক নিয়ে কথা বলেন, তাঁদের এখন থেকে থমকে যেতে হবে। তাঁদের বরং দায়িত্ব হবে হরতালে ক্ষতিকর গ্রিনহাউসের নির্গমন কতটুকু কমে যায়, তা হিসাব কষে বের করা এবং এ জন্য বিরোধী দলকে অভিনন্দন জানানো!
72000
১৫৪
কোতয়ালী, নরসিংদী থেকে বিপুল লিখেছেন, ২০ নভেম্বর ২০১১; রাত ০৮:৪৪
খালেদা জিয়া তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, এবারসহ দুবারের মতো সংসদে বিরোধী দলের নেত্রী। বিপর্যয়কর সর্বশেষ নির্বাচনেও তাঁর দল প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচনসহ বহু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাঁর দলের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঢাকার সর্বশেষ জনসভায় মানুষের ঢল আর নতুন নতুন দলের সংহতিও একই ইঙ্গিত প্রদান করে। তাঁর সঙ্গে আলোচনায় না বসার মানে হচ্ছে দেশের কয়েক কোটি মানুষের নেত্রীকে উপেক্ষা করা; সুষ্ঠু বিচারে দোষ প্রমাণের আগে তাঁকে চোর-বাটপার বলার মানে সেসব মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করা এবং দেশকে আরও হতাশার দিকে ঠেলে দেওয়া।
72003
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy