মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; দুপুর ০৩:৪২ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

চট্রগ্রাম সিটি নির্বাচনঃ বিএনপি, জামাতের জন্য কি বার্তা

হাসিব মীর

১। রবার্ট ব্রাউনিং। ভিক্টরিয়ান যুগের ইংরেজ কবি। তার একটি বিখ্যাত কবিতা ‘প্যাট্রিয়ট’।একজন ভাগ্য বিড়ম্বিত রাজনীতীবীদ কত সহজেই জনতার কাছে দেশপ্রেমিক থেকে বিশ্বাসঘাতক, নায়ক থেকে খল নায়ক হয়ে যেতে পারে তার অনবদ্য বর্ননা এই কবিতা।যার আগমনে একদিন নগরের সব কটি পথ ফুলে ফুলে ভরে গিয়েছিল জনতার আবেগময় অভিবাদনে, মাত্র এক বছর পরই তীব্র ঘৃনায় জনতা তাকে ফাসী কাস্টে ঝুলায়।সমুদ্রের জোয়ার ভাটা ঘড়ির কাটা মেপে চলে। রাজনীতির জোয়ার ভাটা সুনামির মত। বিপদ সংকেত আসার আগেই প্রবল বিধংশী বেগে তার আগমন।

২।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের নির্বাচনে সম্প্রতি রাজনীতির বর্নালী উথ্বান পতনের একটি ছোট অধ্যায় মঞ্স্থ হল । টানা তিন বারের বিজয়ী বিগত ১৭ বছর যাবত মেয়র হিশাবে দায়িত্ব পালন করা চট্টগ্রামের বিগ নেইম মহিউদ্দীন চৌধুরী হেরে গেছেন নবাগত প্রার্থী মঞ্জুর আলম এর কাছে।হেরে গিয়ে তার নিজ দলেও মহিউদ্দিন চৌধুরী ভিলেন হয়ে গেছেন । আর নতুন নায়ক মঞ্জুরের বর্নালী রাজনৈতিক জীবনের শুরু হল জায়ান্ট কিলিং এর মধ্য দিয়ে।

৩।ব্রিটেনে ১৯৭৯ সালের সাধারন নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টি জয়লাভ করেছিল। প্রধান মন্ত্রী হয়েছিলেন মার্গারেট থ্যাচার। এরপর টানা ১৮ বছর ছিল তাদের যুগ।লেবার পার্টির অমাবস্যার সময়।৭৯ থেকে ৯৩ পর্যন্ত থ্যাচার, আর ৯৩ থেকে ৯৭ জন মেজর। লেবার পার্টি যখন কিছুতেই ফিরে আসতে পারছিল না তখন ১৯৯৪ সালে টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে দলের পুনর্গঠন শুরু হয়।পার্টির মেনিফেস্টো পরিমার্জন করা হয়, ‘নিউ লেবার পার্টি’ নামে নতুন ব্রান্ডিং হয়। এক ঝাক তরুন আসে পার্টির নেতৃত্বে।কাজ হয় এই পরিবর্তনে। ১৯৯৭ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ফিরে আসে টনি ব্লেয়ারের নিউ লেবার পার্টি।

৪।২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি জামাতের চার দলীয় জোট ভুমিধবস পরাজয়ের সম্মুখীন হয়।সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের সময় জোটের নেতা কর্মীরাও ব্যাপক নির্যাতনের স্বীকার হয়।বিএনপির সাংগঠনিক স্ট্রাকচার প্রায় ভেঙ্গে পরে।দুর্নীতির অভিযোগ আর প্রপাগান্ডার কারনে জনমত ও তাদের বিপক্ষে ছিল অনেকটাই।সব মিলেয়ে একটি কঠিন সময়।নির্বাচনে হারার পর দল পুনর্গঠনের প্রচেস্টায় বিএনপি পুরোপুরি সফল না হলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের নির্বাচনে ব্যাপক ভাবে ফিরে আসে দলটি।সিটি কর্পোরশনের নির্বাচন কাগজে কলমে নির্দলীয় হলেও বাস্তবিক পক্ষে দলীয় আভরনেই হয়।এই নির্বাচন গত জাতীয় নির্বাচনের পর জনমতের নতুন অরিয়েন্টেশান হচ্ছে বলেই আমাদের ধারনা দিচ্ছে।এই নির্বাচন থেকে যে কয়টি বিষয় পরিস্কার হল সেগুলো (১)৪ দলীয় জোটের ভোটের গানিতিক হিশাব এখন ও ফাংশনেবল। একক দল হিশাবে আওয়ামীলীগ শক্তিশালী হলেও সব দল মিলে আওয়ামী বিরোধী ভোটারই বাংলাদেশে বেশী।(২) সিসিসি নির্বাচনের পরাজয় মহিউদ্দিন চোধুরীর একক পরাজয় নয়। কারন কমিশনার নির্বাচনেও আওয়ামীলীগ খারাপ করেছে, বিএনপি জামাত ভাল করেছে।(৩) আওয়ামীলীগ বিএনপির বাইরে কেবল জামাতেরই পার্থী কমিশনার হিশাবে নির্বাচিত হয়েছে। অর্থাৎ ছোট হলেও ৩য় ব্রহত্তম দল হিশাবে জামাত নিজেদেরকে প্রায় প্রতিস্টা করে চলেছে।(৪) মুক্তিযুদ্ধ আর যুদ্ধপরাধীদের বিচারের আবেগকে ব্যবহার করে সব সময় আওয়ামীলীগের নির্বাচন জেতা সম্ভব নাও হতে পারে।(৫) ক্লিন ইমেজের নতুন প্রার্থীর পক্ষে অভিজ্ঞ পুরোনো রাজনীতিবিদরা একসাথে বিভেদ ভুলে কাজ করতে পারলে বিএনপির পুনর্গঠন সম্ভব।

৫।১৭ বছর পর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের পরিচালনার সুযোগ পেল বিএনপি,জামাত জোট। এর আগে ২০০২ এর এপ্রিল থেকে ঢাকার মেয়র পদেও আছেন বিএনপির সাদেক হোসেন খোকা।ঢাকা সিটি কর্পোরশন পরিচালনায় আমরা খোকার আহামরি কোনো পারফরম্যান্স দেখতে পাইনি।মঞ্জুর আলম খোকার মত এমন সাদামাটা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করলে জনমতের যে নতুন অরিয়েন্টাশান শুরু হয়েছে তা নিশ্চিত ধাক্কা খাবে।বিপরিতে সিসিসিতে মঞ্জুরের চমক লাগানো স্বল্পমেয়াদী ভাল পারফরম্যান্স হলে তা ঢাকার আসন্ন নির্বাচনে নিশ্চিত ভাবেই বিএনপিকে এগিয়ে দিবে অনেক খানি।

৬। স্থানীয় সরকার মুলত সেবাধর্মী প্রতিস্টান। রাজনীতির চাইতে ‘পাবলিক সার্ভিস’ ধরনটাই এখানে মুখ্য।মেয়র হিশাবে ভাল পারফরম্যান্স বা স্থানীয় সরকার পরিচালনায় সফলতা ব্যাক্তি বা দলের ইমেজ কে অনেকগুনে বাড়িয়ে তুলতে পারে।বর্তমান দুনিয়ার আলোচিত রাস্ট্রনায়ক ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ বা তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী তায়েপ এরদোগান এর ভাল উধাহরন।

৭। মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ইরানের ‘University of Science and Technology’ থেকে ‘Transport Engineering and Planing’ এ পিএইচডি।২০০৩ সালে তিনি তেহরান শহরের মেয়র নিযুক্ত হন।২০০৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মেয়র হিশাবে দায়িত্ব পালন করেন।খুব সাধাসিধে আর সৎ জীবন যাপন করা এই মানুশটি তেহরানের মেয়র হিশাবে আশাধারন সফলতা দেখান।সরকারী বিলাস বহুল বাড়ী ছেড়ে তিনি তার নিজ পৈত্রিক বাড়ীতেই থাকেন।তেহরানের রাস্তায় পরিছন্নতা কর্মীদের সাথে কাজ করতে দেখা যেত তাকে।‘World Mayor’ প্রতিযগিতায় শ্রেস্ট মেয়র নির্বাচনে ফাইনাল রাউন্ডের ৬৫ জনের চুড়ান্ত তালিকায় ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রতিযোগিতা শেষ হয়ার আগেই তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নেমে পরেন।তেহরানের মেয়র হিশাবে তার অসাধারন জনমুখি কার্যক্রমই তাকে ২০০৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী করে। এই নির্বাচনে তিনি ৬৫% ভোট পেয়ে হারান হেভিওয়েট প্রার্থী আকবার হাশেমী রাফসা্নজামীকে।

৮।রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তুরস্কের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।‘Marmara University’ থেকে ‘Business Administration’ এ গ্রাজুয়েশান করেন।১৯৯৪ সালে ইস্তানবুলের মেয়র নির্বাচিত হন।নির্বাচিত হয়েই ইস্তানবুল শহরের জলাবদ্ধতা, পরিবেশ দূষন আর ট্রাফিক সমস্যা নিয়ে কাজ করেন । তার প্রচেস্টায় আর উদ্যোগে ইস্তানবুল শহরের অভাবিত উন্নতি হয়।জাতিসংঘের ‘Human settlement program’ তাকে মেয়র হিশাবে বিশেষ এওয়ার্ড দেয়।২০০১ সালে তিনি ‘জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট’ গঠন করেন।২০০৩ সালের নির্বাচনে তার দল বিজয়ী হয় এবং তিনি প্রধান্মন্ত্রী হন।
৯।সিসিসি নির্বাচন ৪ দলীয় জোট পুনর্গঠনের এক অশাধারন সুজোগ এনে দিয়েছে।সিসিসির পর সামনে ডিসিসির নির্বাচন অপেক্ষা করছে। চট্টগ্রামে যদি মনজুর আলম ভাল করেন, আর ঢাকায় একজন ক্লিন ইমেজের নতুন ব্যক্তিকে সামনে নিয়ে আসতে পারে বিএনপি, তাহলে ঢাকার নির্বাচনে জোট এর ভাল করার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে অনেকগুন।ঢাকা আর চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বড় দূইটি শহর। এই দুই শহরের মেয়র হিশাবে ভাল ভুমিকা পালন করতে পারলে , জনগনকে ভাল কিছু দিতে পারলে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগনের আস্থা ফিরে পাবে জোট।ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের নেগাটিভ রাজনীতির বিপক্ষে এটি হতে পারে বিএনপি ও জামাতের পজিটিভ রাজনীতির স্ট্রাটেজী।হরতাল অবরোধের পুরাতন রাজনীতির পরিবর্তে প্রতিযোগীতা আর কাজের এই পজিটিভ রাজনীতি নতুন প্রজন্মের ভোটারদেরকে অনেক বেশি আকর্ষন করবে।

১০।সিসির নব নির্বাচিত মেয়র একটি টেকনিক্যাল টিম গঠন করতে পারেন এক্সপার্টদের নিয়ে। এই টিম সল্প মেয়াদী আর দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করবে।সল্প মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় নগরীর প্রধান সমস্যাগুল অতি দ্রুত কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য পদক্ষেপ থাকবে।জনমত কনভিন্স করার জন্য চমকপ্রদ কিছু করাই থাকবে এর মুল লক্ষ্য। আর দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক বানিজ্যিক শহরে পরিনত করার জন্য বিশদ পরিকল্পনা থাকবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কেবল সরকারী অর্থের উপর নির্ভর করলেই হবে না। বরং একটি ফান্ড রেইজিং কমিটিও গঠন করা প্রয়োজন। ৪ দলীয় জোটের প্রতি সহানুভুতিশীল ব্যবসায়ী,মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী, দাতা সংস্থার কাছ থেকে ফানড কালেকশানের উদ্যোগ নিতে হবে। সিসিসির নিজস্ব আয় বাড়ানোর ও পরিকল্পনা নিতে হবে।একই সাথে ঢাকার নির্বাচনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত ক্লিন ইমেজের প্রার্থী নির্ধারন প্রয়োজন। জিয়াউর রহমানের বিএনপি গঠনের প্রথম দিকে প্রচুর প্রফেশনাল লোকদের রাজনীতিতে এনে সফলতা পেয়েছিলেন। এখনকার বিএনপি নতুন করে সেই স্ট্রাটেজী ভেবে দেখতে পারেন।বিএনপির পাশাপাশি জামাত ও ভেবে দেখতে পারে একঝাক আধুনিক শিক্ষিত, প্রানচঞ্চল, কর্মক্ষম নতুন প্রজন্মের। পুরনো অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের সাথে নতুন তারুন্যের মিশেল একটি চমকপ্রদ ব্রেক থ্রু হতে পারে বিএনপি জামাত উভয়ের জন্য।

১১।ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে এখন ও পরিবার কেন্দ্রিকতা আছে বেশ ভালভাবেই। থাকবে আরো বহুদিন। রাহুল গান্ধি যেমন একটু একটু করে কংগ্রেসের পরবর্তী নেতা হয়ে উঠছেন, তেমনি বিএনপির রাজনীতিতে তারেক জিয়াও আসবেন নিশ্চিত। তারেক জিয়ার রাজনীতিতে অভিষেক হয়েছে আরো আগেই। ইতমধ্যে তিনি তার ইমেজ হারিয়েছেন অনেকখানি।কিভাবে তিনি তার ইমেজ পুনুরুদ্ধার করবেন, আগামি দিনে সেটাই হবে বিএনপির স্পর্শকাতর স্ট্রাটেজি। চট্টগ্রাম আর ঢাকা সিটি কর্পরেশানকে কেন্দ্র করে তারেক জিয়ার রাজনীতির নতুন অরিয়ান্টাশান হতে পারে।একটি ছোট রাজনৈতিক আর আর একটি টেকনিক্যাল কমিটির মাধ্যমে সরাসরি মনিটর করতে পারেন এই দুটি সিটি কর্পোরশনের উন্নয়নের মডেল।হোম ওয়ার্ক শুরু করতে পারেন এখনই। ইস্তানবুল ঘুরে আসা আর এরদোগানের সাথে দেখা করে,কথা বলে শুরু করতে পারেন নতুন রাজনীতির প্রজেক্ট। তারেক জিয়া চ্যালেঞ্জটা নিবেন কি? সফল হলে বাংলাদেশের রাজনিতির আধুনিক অধ্যায়ের শুরু হবে কিন্তু।

লেখকঃ গবেষক, কানাডা
http://www.sonarbangladesh.com/articles/HasibMir
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
কানাডা থেকে থেকে দেশ প্রেমিক লিখেছেন, ২৭ জুন ২০১০; রাত ০১:০৫
বাংলাদেশের রাজনিতিতে আধুনিক অধ্যায়ের শুরু না হলে বর্তমান স্থবিরা কখনই লোপ পবেনা। যাদের বয়সপন্চাশ পেরিয়েছে তাদরে হয়তবা স্মরন আছে পাকস্থিান আমলে আ্ইয়ুব খানের শাসনকালে পশ্চিমপাকিস্তানি এক লোক নাম অাজম খান হয়েছিলনে ইষ্ট পাকিস্তানের গর্বনর । অবাঙ্গালী হওয়া স্বত্তেও গর্বনর হিসাবে তখন তিনি পুর্ব পাকিস্তানী জনগনরে কাছে এত জন প্রিয় হয়ে যান যে আইয়ুব খান ভয় পেয়ে যায় এবং তাকে সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়। তার পর কি হয়েছে ইতিহাস স্বাক্ষী। এ প্রসঙ্গে আমি জামাতের কথা কিছু বলব। বিএনপি আমলে দুজন মন্ত্রী হবার সুযুগ পেয়ে তারা যাদেরকে পাঠিয়েছিল তারা কি সক্ষম হয়েছিল সামান্যতম জনপ্রিয়তা অর্জন করতে? তাদের কাজের সফলতার এমন কোন একটি উদাহরন দেয়া যাবে যে তারা জনপ্রয়িতা পেয়েছিলেন? লেখকের আবগতির জন্য লিখছি জোট সরকার যখন ক্ষমতায় তখন জামাতের এ কন্দ্রেীয় নেতা এসে ছিলেন কানাডায় তাকে প্রশ্ন আপনা শিল্প উন্নয়নে নতুন কি ব্যবস্থা নিয়েছেন যা আমরা মানুষকে বলে গর্ব করতে পারি যে ইসলামী চরিত্রের দাবীদার মন্ত্রী করেছেন? জবাবে তি নি বলে ছিলেন, কানাডার মত উন্নত দেশে থেকে জানেননা মন্ত্রীর কি কাজ? সে জন্য শুরুতেই বলেছলিাম বাংলাদেশের রাজনিতিতে আধুনিক অধ্যায়ের শুরু না হলে বর্তমান স্থবিরা কখনই লোপ পবেনা।
আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ কিন্তু এসব কি ওরা পড়েন?
24160
Qatar থেকে desh premic লিখেছেন, ২৭ জুন ২০১০; সকাল ০৫:০৬
Good thinking good writting.
Go ahead.
May Allah bless you.
24176
চট্টলা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ২৭ জুন ২০১০; দুপুর ০১:০৪
মরুভূমির কাছে জল চাওয়া আর জামাতের কাছে ভাল কিছু আশা করা সমান কথা।বি এন পি'র সবচেয়ে বড় বেকুবি যে এদের কে তাদের ঘাড়ে সওয়ার হওয়ার সুযোগ দেয়া। বি এন পি কে শেষ করার জন্য এরাই যথেষ্ট। বি এন পি যত দেরীতে এই কথা বুঝবে ততই তাদের অমংগল বারতে থাকবে। এমন দিন আশবে যখন বি এন পি হবে জামাতের বি টিম। বি এন পির সকল ভাল নষ্ট করার জন্য জামাতই যথেষ্ট। আশা করি বি এন পি'র কর্ণধারগণ দ্রুত বিষটি অনুধাবন করবে। জামাত যে বি এন পি'র কতটা বন্ধু সেটা বিগত জাতীয় নির্বাচনে, ভোলা উপনিরবাচনে, চট্টগ্রাম সিসি নির্বাচনে ভালই টের পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য ২০০৮ নির্বাচনে জামাতের চাপে পড়েই বি এন পে কে অপ্রস্তুত অবস্থায় নির্বাচন করতে হয়ে ছিলো। সিসিসি নিরবাচনে জামাত ছাড়াই মনজুর একই ব্যবধানে জয় লাভ করত।জামাতের মত স্বারথপর দল কে সাথে রাখা কোনভাবেই মংগলজনক নয়।স্বার্থপরতার বিবেচনায় জামাত আর আওয়ামী লীগ
একই সমান। বি এন পি'র শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
24219
জেদ্দা থেকে মিনার মজুমদার লিখেছেন, ২৭ জুন ২০১০; দুপুর ০১:৪১
আপনার সৃষ্টিশীল লিখার জন্য ধ্নন্যবাদ। একজন সিটি মেয়র এধরনের সাফল্যর জন্য লোভহীন কর্মীবাহীনি দারকার। প্রথমত, মেয়র মঞ্জুরকে নিৎস্বার্থভাকে সহযোগীতা কি নোমান, খসরু, মির নাসিরেরর করবেন? এ সকল নেতাদের বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কাজ করিয়ে না দিলেই সমস্যা শুরু হয়। তখন বিষয়টিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিয়ে ন্রত্রীর কাছে তাকে দলের একজন বরিুদ্ধবাদী হিসিবে দাড় করানো হয়। প্রয়োজনে নিজের স্বার্থের জন্য স্থানীয় দলীয় নেতারা বিরোধী দলের সাথে হাত মিলাতে কুন্ঠিত হয়না। আমি আমাার নির্বাচী এলাকায় দেখেছে জামাতের প্রাাথী বি এনপির কর্মীদের ঘোষ বা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা না দেয়া বিগত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সাথে কাজ করেছে। সুতরা যে সকল দেশে একজন্ মেয়র প্রধান মন্ত্রী হয়েছেন, সে দেশে দলের নেতা কর্মীরাও ছিল নিৎস্বার্থ।

খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে আমরা তারেক রহমানকে কন্টোল করতে দেখিনি। আওয়ামী লীগ বিএনপি দু দলের কমীরাই অনেকেই দল ক্ষমতায় থাকলে অপকর্মে লিপ্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এক্ষেত্রে নেতা নেত্রীরা যদি যে কোন্ স্থানে ভিজিট করতে গেলে কর্মীরা কোন গিফট দিলে গ্রহন না করাউ উত্তম। কারন এ সকল উঃকোচের পথ ধরেই কিন্তু অপরাধ জগতের চেইন তৈরী হয়। অযোগ্য লোকদের ক্ষমতায় যাবার পথ খুলে যায়। উদাহরন স্বরুপ বর্তমানে যে সকল ব্যবসায়ী অযোগ্য নেতা দলের বিভিন্ন শিরা উপশিরায় বসে আছে এরা কিন্তু এটারই ফসল, জেদ্দা শহরে শেখ হাসিনা হাজী রহিমুল্লাহ হতে স্বর্নের নৌকা নিয়ে কোন মুখে তাকে জেদ্দা নেতা হতে বারন করবেন। এতে ফলাফল কি আমরা সবাই দেখছি। তেমনি ভাবে বি এনপিতেও তাই। কাজেই দেশেও একই ধারা অব্যাহত।

তাই এসকল দল হতে তুরস্কের এরোদগান বা টনি ব্লোয়ারের মত নেতা তৈরী করতে হলে নেত্রীকে অপকর্মের ছিদ্র হতে মুক্ত থাকতে হবে। তার জণ্য নৈতিক ও যোগ্যতার যে
গুনটি থাকা দরকার সে টি কি আমাদের নেত্রীদের মাঝে আছে?
দুজন নেত্রীকে জাতি এখনো কোন টকশোতে দেখেনি, সাবাদিক সম্মেলনে খোলাখুলি আলাপ করতে দেখেনি। দেখলে হয়তো আসল চেহারা জানতে পারতাম। তবুও আমরা আমায় বাধ বেধে বসে আছি ।
জেদ্দায় কর্মরত জনৈক টেলিফোন অপারেটর বলেছিল, ভাই চাকরিতো করিনা ইজ্জত বিক্রী করে পয়সা কামাই। পরিস্থতির স্বীকার। উত্তর জানতে চাইলে বললো, রাতে মালিক মদ খেয়ে ফোন করে, ইংরোজীতে আমার মাকে গালাগালি করে। আর আমি শুধু চাকরির ভয়ে ইয়েস স্যার করি। কারন আমি যে বড় অসহায়.....

তেমনি আমরা যারা হাসিনাকে পছন্দ করিনা তারা বাধ্য হয়ে অনিচ্ছা স্বাত্তে খালেদাকে ভোট দেই। ৫ বছরে পর হতাশ হয়ে আবারও আশায় বুক বেধে উত্তপ্ত আগুন হতে জ্বলন্ত কড়াইয়ে লাফ দিই। এমনি করেইতো স্বাধীনতার ৩৩ বছরে গ্লানিকে গানের ভাষায় হায়দার আলী বলেছেন,
দেখার কথা কি দেখছি, শোনার কথা কি শুনছি
তিরিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খজছি।

সমুদ্র পাড়ে যাদের বসত বাড়ী, নদীর একুল ভেঙ্গে ওকুল গড়ার সাথে ভাসমান হয়ে বাসতে অভ্যস্ত মানুষগুলোকে দয়া পরবশ হয়ে মহান প্রভুই একমাত্র পারেন তীরে জায়গা করতে, সে প্রতীক্ষায় আহত হ্রদয় নিয়ে প্রবাসীদের প্রসব বেদনার পর স্বস্তি আসবে সে প্রত্যাশায় মিনার মজুমদার, জেদ্দা। lets.know.thyself@gmail.com
24225
UK থেকে SAVEBD00 লিখেছেন, ২৭ জুন ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:০১
A special thx goes to Hasib Mir for your precious writing. It should be done, otherwise we will lose again in near future. However, fact is, how much unity can we form for sustaining this win in Chittagong? This win, in Chittagong, it should be turned into the Dhaka and finally whole country in next nation election. We should be united.We hope we will get better writing from you.

@ to anowar from chittagong: thx for your thinking. But your thinking is so poor that i have to make some comments on your comment. Jamat is a potential political party in our country. They ruled our country with four-party-alliance during 2001-2006 with corruption free in two different area industrial and social welfare. Nobody couldn't make any wrong comment about their task. They got huge support from public for their honesty. In Chittagong city corporation election, it was a success of four-party-alliance behind a huge movement from Jamat and shibir. They support monjor to be mayor in many different ways. Nobody can deny it.
24261
london থেকে belal rashid লিখেছেন, ২৮ জুন ২০১০; বিকেল ০৫:৪৮
1.i wonder how he writer comparing between monjur alam and iranian/turkish leaders as hey have a huse difference in personal life and activities.
everyone should know monjur alam is a biproduct of awami leage,does he have any idology?he already was accused of corruption as a councilor.this is just typical our politics .
on the other hand mr ahmadinezad and mr.ergadan have a high quality education,clean and profound personal life,morality and ethics.
they both are proven leaders for thier own countries.
to b honest this article does not make any diffrence,our political culture must be changed.remeber personal integrity is must for a big change.
2.how long jamaat will remain as third kid? they are wasting a huge potentials in terms of manpoer and own strenght.should come out now from shadow of failed BNP.
24363
দুবাই থেকে টিটু লিখেছেন, ২৮ জুন ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:১৯
েযৗক্তিক লেখার জন্য ধন্যবাদ
24371
london থেকে belal rashid লিখেছেন, ২৮ জুন ২০১০; রাত ০৮:৩৫
1.i wonder how he writer comparing between monjur alam and iranian/turkish leaders as hey have a huse difference in personal life and activities.
everyone should know monjur alam is a biproduct of awami leage,does he have any idology?he already was accused of corruption as a councilor.this is just typical our politics .
on the other hand mr ahmadinezad and mr.ergadan have a high quality education,clean and profound personal life,morality and ethics.
they both are proven leaders for thier own countries.
to b honest this article does not make any diffrence,our political culture must be changed.remeber personal integrity is must for a big change.
2.how long jamaat will remain as third kid? they are wasting a huge potentials in terms of manpoer and own strenght.should come out now from shadow of failed BNP.
24385
কক্সবাজার চকরিয়া থেকে থেকে মোহাম্মদ নুরুল আলম তৌহিদ লিখেছেন, ২৮ জুন ২০১০; রাত ১১:০২
আহমদিনেজাদ ও এরদোগান এর চেয়ে প্রশংসিত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। যিনি নিজেও ছদ্মাবেশে জাতির সেবা করেছেন, দেশের জনগণকে পরিশ্রমী হতে উপদেশ দিতেন। নিজেও পরিশ্রমী ছিলেন। তিনি দেশের ইসলামী মূল্যবোধের ব্যক্তিদের পছন্দ করতেন। যাকে আমি নিজেই দেখেছি চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলার চুনতির শাহ সাহেব হুজুরে চুনতি সিরাত মাহফিলে। বাংলাদেশের বুকে সফল রাষ্ট্রনায়ক হতে হলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অনুসরণ করতে হবে। দূনীর্তি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তুমুল বিরুদীতা ও শিষ্টের পালন করতে হবে। সাথে সাথে স্বনির্ভর দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। তবেই হবে দেশের উন্নয়ন ও সফল। তৈরী হবে সত্যিকার রাজনীতিবিদ।
24405
১০
চট্টলা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ০১ জুলাই ২০১০; দুপুর ০১:১০
ধর্মদ্রোহী জামাত কে বয়কট করুন।
24704
১১
u থেকে Abdullah লিখেছেন, ০৩ জুলাই ২০১০; রাত ১২:১৮
Thank you for the writing. I will tell BNP leaders to read this article and get some ideas. Now, I think Taruq Zia needs some higher degree to get some maturity than he can be an educated person with the combination of both. Because the Iranian president and Turkish Prim-minister they have heights degree and they are morally educated. That’s why they are successful. But Taruq Zia is missing both. So, I have DOUBT about his successful. I mean practicing ISLAM in proper way is the ultimate SOLUTION.
24825
১২
সৌদি আরব রিয়াদ থেকে চট্টগ্রামের সন্তান জাহেদ লিখেছেন, ০৩ জুলাই ২০১০; দুপুর ০৩:২৫
চট্টলা থেকে আনোয়ার লিখেছেন,
ধর্মদ্রোহী জামাত কে বয়কট করুন।
উত্তর :
আনোয়ার বানোয়াট কথা বলেন কেন ?
24919
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy