২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল “ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন”। আর এ স্বপ্নের নির্মাতা ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে বিনির্মাণে প্রবাদ পুরুষ শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যৈষ্ঠ কন্যা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ। ক্ষমতা গ্রহণের পর নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিলেন ২টি বছর। দেশের উপর দিয়ে শত ঝড় বয়ে গেলেও সে বাতাস সরকারের গায়ে বিন্দুমাত্র স্পর্শ করেনি। তাই বলা যায় এ সরকার অত্যন্ত সফল। এ জন্য ব্যাপক ধন্যবাদ পাওয়ারযোগ্য।
মহাজোট সরকারের অর্জন আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যা ধরে তার কিছু বলছি। এ সরকার ক্ষমতায় আসার কিছুদিনের মধ্যেই ঘটে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআর’র নৃশংস হত্যাকান্ড, সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশীদের পাখির মত গুলি করে হত্যা; যেন তাদের হাতের নিশানা ঠিক রাখার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকি বিডিআর বিএসএফ এর বৈঠক চলাকালেও তারা অসহায় গ্রামবাসীকে হত্যা করে। একই সময় তারা বাংলাদেশের সাংসদকে পর্যন্ত আটকে রেখেছিল (দহগ্রাম-আঙ্গরপোতায়)। দেশের এক চতুর্থাংশ পার্বত্য চট্টগ্রাম নানা ইস্যুতে এখনো অশান্ত। মনে হচ্ছে এ অঞ্চলটি বুঝি আরেক সরকার চালাচ্ছে। বিচার বিভাগে সরকারের নোংরা হস্তক্ষেপ। নিত্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে বিদ্যুত, গ্যাস ও পানি সংকট। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি, ইতিহাস বিকৃতি, বিভিন্ন মিডিয়া (টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্র) বন্ধ করা সহ সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও প্রাণনাশের অব্যাহত হুমকি। একের পর এক দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠগুলো ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা অভ্যন্তরীণ কোন্দলে (বেশিরভাগ) বন্ধ, তাদের দলীয় কোন্দলে নিহত হচ্ছে নিরীহ মেধাবী শিক্ষার্থী; যাদের দিকে তাকিয়ে ছিল দিনমজুর বাবা-মা। কবে ছেলে শিক্ষাজীবন শেষ করে চাকরি করবে আর তাদের অভাব ঘুচবে। ছাত্রলীগের ভর্তি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব রাজনীতির কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিরাজ করছে চরম অস্থিরতা। দেশব্যাপী ছাত্রলীগের বাড়াবাড়ির কারণে প্রধানমন্ত্রী নিজে বলতে বাধ্য হয়েছেন যে, ছাত্রলীগ সরকারের সফলতাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। ঘোষণা দিয়ে তিনি তাদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ পর্যন্ত করেছেন। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি; যেন তারা অপ্রতিরোধ্য! চোর ডাকাতের হাত থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসীর রাত জেগে পাহারা, পাঁচশত এপি পি ও পিপি নিয়োগে শতভাগ দলীয়করণ, রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে বিগত সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্তদের ওএসডি করণ, ইউএনওকে ন্যাংটা করন, হাত-পা ভাঙ্গা, ওসি অফিস করতে পারেন না, উপায় না পেয়ে এসিল্যান্ড যুবতী মেয়ের ইজ্জত বাঁচাতে স্ত্রীকে রেখেই পলায়ন, ম্যাজিস্ট্রেট দিগম্বর, ইডেন মহিলা কলেজে সাধারণ ছাত্রীদের জোর করে দেহ ব্যবসায় খাটানো ছাত্রলীগ নেত্রী কর্তৃক, ভূমি দখল, টেন্ডার, চাঁদাবাজি, ব্যবসায়ী খুন, যুবলীগের হিন্দু নেতা কর্তৃক মুসলিম মেয়ে ধর্ষিতা, আইনের আশ্রয় নিতে গেলে আরো বেশি হয়রানির শিকার।
ডিজিটাল বাংলাদেশের বিগত দুই বছরের শাসনামলের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা কে ভিত্তি করে ইতিমধ্যে মিডিয়া, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক, বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং সর্বোপরি পর্যবেক্ষক মহলের মতামতের আলোকে বিভিন্ন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টি.আই.বি) বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরাম, অধিকার, আইন ও সালিশী কেন্দ্র (আসক), এ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল, রিপোটার্স সেন্ট ফন্টিয়র্স (আর.এস.এফ) সহ আরো অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ওয়েবসাইট গুলোতে বাংলাদেশের মানবাধিকার লংঘনের জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে। বিগত দিনে মিডিয়া থেকে সল্প মগজে যতটুকু মনে রাখতে পেরেছি এ তারই আংশিক চিত্র। টি.আই.বি সম্প্রতি এক জরিপে বলা হয়েছে বিচার বিভাগ সর্বাধিক দুর্নীতিগস্থ। শুনানি দ্রুত করানো কিংবা শুনানির তারিখ পিছানো, মামলার রায়কে প্রভাবিত করা, ডকুমেন্ট উত্তোলন বা গায়েব করতে ঘুষ বা বিধিবহির্ভূত অর্থ দিতে দুর্নীতির শিকার ৮৮ শতাংশ খানা।
আপিল বিভাগে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বেগম জিয়াকে হয়রানি না করার জন্য প্রধান বিচারপতির নির্দেশনাও আমলে নেয়নি সরকার।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোট ও আপিল বিভাগে মহাজোট ২ বছরে ৪ দফায় ৪৩ জন বিচারপতি নিয়োগ করে রেকর্ড অর্জন (সূত্র: নয়াদিগন্ত ২২ মার্চ’ ১১। যেন শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাস্তবায়ন)
অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতি-বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের বাড়িতে ‘অতিরিক্ত শক্তি’ প্রয়োগ করেছেন র্যাব সদস্যরা (সূত্র: কালের কন্ঠ ৩ জুলাই’ ১০)
বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড ২০০৯ সালে ১৫৪টি ২০১০ সালে ১২৭ টি (সূত্র: আমারদেশ ৮ মার্চ ২০১১)
এম আর টির মানবাধিকার প্রতিবেদন (জানুয়ারী-সেপ্টেম্বর ২০১০) এ বলা হয়েছে; রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত ১৬৭ আহত ১১৯২৮, মোট খুন-২৩১১, প্রতিদিন পড়ে-৯, আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে নিহত ১২৩, ধর্ষণের শিকার ৪১২, সাংবাদিক নিহত ৩ আহত ১৩৩, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ঘটনা ১৯৯৩টি নিহত ১৯২ (সূত্রঃ www.mrtbd.org)
২০১১ সালে জানু-ফেব্র“য়ারী রিপোর্টে বলা হয়েছে; খুন-৪৮৩, আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে নিহত-৩১, সাংবাদিক আহত-২৫, রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত-৪৫, আহত-২৯৫২, ধর্ষণের শিকার-৫৭, ইভটিজিং শিকার-১৯০
অধিকারের মাসিক রিপোর্ট; খালাস পেয়েও হযরত আলী একযুগ কারাগারে (সূত্র: আমারদেশ ২ ডিসেম্বর ২০১০)
এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় র্যাব ও পুলিশের ক্রসফায়ারে মৃতের সংখ্যা ৮০ জন, পুলিশ হেফাজতে প্রায় শতাধিক, হাজত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন প্রায় অর্ধশত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্তে প্রমাণিত আরিফের মৃত্যু ও বাপ্পীর ক্রসফায়ার বিচারবহির্ভূত (সূত্র: আমারদেশ ২৫ নভেম্বর ২০১০)
হয়রানি ও নির্যাতন এড়াতে শিক্ষার্থীরা এখন পকেটে রাখে আওয়ামীলীগের পরিচয় পত্র (সূত্র: আমারদেশ ১০ মার্চ ২০১০)। এক্ষেত্রে শেখ হাসিনা সফল।
বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করতে চুক্তি বহির্ভূতভাবে ঘন্টায় ঘন্টায় সূতার দাম বৃদ্ধি করছে ভারত।
ভারতীয় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেছেন, ‘সেদিন খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন চট্টগ্রামকে আপনাদের একটি পোর্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। (সূত্র: যায়যায়দিন ২১ আগষ্ট ০৯)
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বেগম খালেদা জিয়াকে কুটনীবুড়ি মাইমুনার সঙ্গে তুলনা, জিয়ার মাজারে লাশ নেই কলাগাছ দাফন করা হয়েছে, তারেক রহমানের ডিএনএ টেস্ট করার কথা পর্যন্ত বলেছে এবং জিয়ার মাজার সরানোর প্রস্তাব কি সফল প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বা উক্তি? এটাই কি ডিজাটাল পরিকল্পনা, ডিজিটাল স্বপ্ন!
জিয়া পাকিস্তানের চর হিসেবেই মুক্তিযুদ্ধ করেছে-আইন প্রতিমন্ত্রী এড.কামরুল ইসলাম (সূত্র: আর টি এন এন ১৬ এপ্রিল ১০)
আমরা যারা মুক্তিযোদ্ধা তারা দেখেছি জিয়া কোনো সেক্টরে যুদ্ধ করেননি। প্রশ্ন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা নাকি পাকিস্তানের এজেন্ট ছিলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী (সূত্র: আমারদেশ ৫ এপ্রিল’ ১০)
জিয়া ও এরশাদের শাসনামল নষ্ট প্রজন্ম। আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী-সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। (চোর সবাইকে চোর ভাববে এটাই কি স্বাভাবিক?) তাহলে এরশাদ কি মহাজোটে নেই?
ড. ইউনুস নয়, শেখ হাসিনাই শান্তিতে নোবেল পাওয়ার যোগ্য: এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলামের উক্তি এক্ষেত্রে কোনটি চিরন্তন সত্য; তিনি রাষ্ট্রের সর্ব্বোচ্চ সেবা খাতের একজন এটর্নি জেনারেল বা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিএস অথবা আন্তর্জাতিক নোবেল পুরস্কার সিলেকশন বোর্ডের কেউ?
ড.ইউনুসের উপর হয়রানি ও মানবতাবিরোধী আচরণের কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা যে, যুদ্ধাপরাধী ইস্যু ও শেখ হাসিনার শান্তিতে নোবেল প্রত্যাশা এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক লবিং ইস্যুতে ড.ইউনুসকে কাজে লাগাতে ব্যর্থতাই মূল বিষয়।
বিগত দুই বছরে সরকারের ভূমিকা ও কাজের পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে; প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীপরিষদ ও জাতীয় সংসদের সম্মিলিত মৌলিক দায়িত্বে পরিণত হয়েছে একজন কিংবা দুইজন ব্যক্তিকে শায়েস্তা করা। ২০০৯-২০১০ সাল দুইটি বছর কাটিয়ে দিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রীর বাড়ি উচ্ছেদ কর্মসূচীতে। ধারণা করা যায় হয়তোবা ২০১১ সাল কাটিয়ে দিবেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড.ইউনুস উচ্ছেদ কর্মসূচী। এটাই ডিজিটাল সরকারের কাজ!
বিশ্বের সাথে তুলনা করলে শেখ হাসিনা সরকারের মানবাধিকার লংঘনকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। বিশ্বে উন্নত দেশগুলো যেখানে মানবাধিকার উন্নয়ন ও সংরক্ষণের জন্য কাজ করে মানবাধিকারের চারুনভূমিতে পরিণত হচ্ছে। বর্তমান প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশ আজ মানবাধিকার লংঘনের চরমভূমিতে পরিণত হয়েছে।
২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (বাংলাদেশ) কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত এ সংস্থার কোনো ওয়েবসাইট নেই। অথচ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করতে প্রায় ১৪ শত কোটি রাষ্ট্রীয় অর্থ খরচ হয়েছে। আরো ২১৫ টি প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করা হবে (প্রধানমন্ত্রীর উক্তি)।
আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে বর্তমান সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ এজন্য যে, এখনো ৭২-৭৫এর আওয়ামীলীগের মত বর্তমান আওয়ামীলীগ তাদের পছন্দের বাইরে অন্যসব মিডিয়া বন্ধ করে দেয়নি। এখন পর্যন্ত দেশের খবর কিছু প্রকাশ হচ্ছে। সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যা, টক শো বন্ধ, সরকারের সমালোচনামূলক সংবাদ প্রচার না করার নির্দেশ কে না হয় ছোট করেই দেখলাম। মিডিয়া লব্ধ জ্ঞানে যৎসামান্য যা উল্লেখ করেছি, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এর সবগুলোই প্রধান বিরোধীদল ও ৪ দলীয় জোট পরোক্ষ সমর্থন করে যাচ্ছে। আমার ক্ষুদ্র চিন্তায় তাই বলে। কারণ এসবের জোড়ালো কোন-ই প্রতিবাদ হচ্ছে না, অথচ সরকারের অংশ ওয়ার্কাস পার্টির নেতা রাশেদ খান মেনন সরকারের কাজে অতীষ্ঠ হয়ে বলেছেন, আওয়ামীলীগের দখল, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির দায় ওয়ার্কাস পার্টি নেবে না।
সরকারের সর্বশেষ জনপ্রিয়তা জানতে পড়ুন- “পরাজয়ে বিপর্যস্ত সরকারের জনপ্রিয়তা” (সূত্র: আমারদেশ-২৮ মার্চ ২০১১)
যদি সরকারের সফলতা ও জনপ্রিয়তা বাংলাদেশের উন্নয়ন, সাধারন মানুষের মৌলিক অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে তাহলে এর বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা প্রতিটি সুনাগরিক ও তরুণ প্রজন্মের কর্তব্য বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
দেশে-প্রবাসে সবার একটাই প্রত্যাশা ডিজিটাল বাংলাদেশ নয় ডেভেলপ বাংলাদেশ চাই। মানবাধিকার সংরক্ষণ, মানুষের মৌলিক অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা চাই।
লেখক: সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।
kazihabibdu@yahoo.com
Btroman Sarkarer Bastub charitu tai Lekhok Tule Darechen. Amar khob Bhalo Legeche.
53788
২
Prithibir ulto pith theke থেকে Wzaman লিখেছেন,
১১ এপ্রিল ২০১১; সকাল ০৫:১০
Bapok obosta ! Go ahead But very carefull !
53790
৩
ঢাকা থেকে নিজাম উদ্দিন মাহমুদ লিখেছেন,
১১ এপ্রিল ২০১১; সকাল ১১:২২
কাজী হাবিব ভাই সালাম। লন্ডনে কেমন আছেন।আপনার ইমেইল /মোবাইল/ জানাবেন।
53810
৪
england থেকে tonoy লিখেছেন,
১৪ এপ্রিল ২০১১; বিকেল ০৪:৫৭
jhakkas my big bro. at least u made a comment on the present situation of Bangladeshi politics and the turmoil occurred by it.thank u very much for this kind information.may Allah bless u.
54173
৫
France, Paris থেকে Mohammad Mahbub Hossain লিখেছেন,
১৫ এপ্রিল ২০১১; রাত ১২:৫০
Dear Br
Good Writing , We should good luck......................
54216
৬
Saint Martin Island থেকে Mir লিখেছেন,
১৭ এপ্রিল ২০১১; বিকেল ০৪:৪১
Thank u for giving readers a clear picture of the present Hippocratic govt. of BD.
We expect more informative writings from a journalist cum Human Rights activist like you.
We want writings on HR and social security issue.
best of luck
54513
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: