মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; বিকেল ০৪:১৮ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
ন্যাটোর আসন্ন বিদায় ও আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ (১৯/০৫/২০১২)
ব্যক্তি ও ব্যষ্টির শালীনতাচর্চাঃ পরিচ্ছন্ন জীবনের প্রথম শর্ত (০৭/০৪/২০১২)
আরব জাগরণের গুণগত চরিত্র ও ভিন্ন দরজায় সাম্রাজ্যবাদ (২৫/০২/২০১২)
সম্ভাবনার দোলাচলে যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান সংলাপের সফলতা (২৮/০১/২০১২)
সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় আলিমদের অংশগ্রহণে যা যা প্রয়োজন (২১/০১/২০১২)
আগের লেখা
147


ন্যাটোর আসন্ন বিদায় ও আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ

খন্দকার মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ্

আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা ও ন্যাটোর বিদায় চূড়ান্ত। অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিদায়ের পর আফগান সৈন্যরা তালিবান ও গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ারের হিজবে ইসলামির মুকাবিলায় টিকতে পারবে তো? সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের আশঙ্কা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুশ্চিন্তাকে বাড়িয়ে তুলেছে। তার মতে মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী চলে যাওয়ার পর তালিবান খুব দ্রুতই পুরো আফগানিস্তানের দখল বুঝে নেবে। অন্যদিকে মার্কিন বাহিনীর বিদায়পরবর্তী শূন্যতাকে একই সঙ্গে ভারত-পাকিস্তান ও ইরানকে ভাবিয়ে তুলেছে। ভারতের উদ্বেগের জায়গাটি হল, ক্ষমতায় তালিবানের অধিষ্ঠান ঘটলে জিহাদি শক্তির উত্থান কাশ্মিরে নতুন ‘অস্থিতিশীলতা’ জন্ম দেবে। স্বাধীনতাকামী কাশ্মিরীদের সশস্ত্র সংগ্রামে যোগ হবে নতুন মাত্রা। আফগানিস্তানে ভারতবৈরী শক্তি ক্ষমতাসীন হবে। তাই সে বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত এবং এই ‘টেনশন’ পাকিস্তানে চালান দেবার যাবতীয় কার্যক্রম পুরোদমে এগিয়ে নিচ্ছে। পাকিস্তানকে অস্থিতিশীল করতে যত সহিংসতার মাল-মসলা দরকার এর সবটাই বেলুচিস্তানে ব্যবহার করতে চায় ভারত। এটা গেল আফগানকেন্দ্রিক ভারতীয় দুর্ভাবনার পশ্চাদপট।

ইরানের মাথাব্যথা হল অন্য জায়গায়। সে আফগানিস্তানে এমন সরকার চায় যা সৌদি আরবের সমর্থক নয় এবং শিয়া-সুন্নি ইস্যুকে উস্কে দেবে না, আবার মার্কিন তোষণনীতিও অনুসরণ করবে না। নইলে ইরানের জন্য বিভিন্ন সমস্যার অবকাশ থেকে যায়। পুরো দুনিয়ায় যত আন্দোলন-সংগ্রামের অভ্যুদয় ঘটছে সবগুলোকে শিয়া-সুন্নি বিভাজনের রঙ চড়ানো আমেরিকার কৌশলগত চিন্তাধারার অংশ। যেখানে এটা সম্ভব হয়ে উঠে না সেখানে আল-কায়েদা জুজুর ভয় হাজির করবে। লিবিয়ায় এ তত্ত্ব কাজে লাগানো হয়েছে। মিসরে আমেরিকার কোনো ফন্দি-ফিকির কাজে আসেনি। সিরিয়া ও বাহরাইনে মার্কিন ঔষুধ কাজ দিচ্ছে। পাকিস্তানে যখন ইসলামি আন্দোলন শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং ক্ষমতার বেশ কাছাকাছি চলে আসবে তখনই আমেরিকা এই প্রোপাগান্ডায় হাওয়া দেবে। এখানে তখন শিয়া-সু্ন্নি সংঘাত ভয়ানক রূপ নেবে। পাকিস্তানে শিয়া-সুন্নি সংঘাতের পেছনে কলকাঠি নাড়ছে আমেরিকাই। দেশটিতে বিশেষভাবে কোয়েটায় ইস্যুটিতে এতো সফলভাবে ইন্ধন যোগানো হয়েছে, আজ যদি একজন শিয়া আলিম নিহত হন তো অনিবার্যভাবে আগামীকাল একজন সুন্নি আলিমের লাশ পড়বে। ইরানি বিপ্লবের পর আমেরিকা অন্তত এই কাজে নিরবচ্ছিন্ন সক্ষমতা দেখিয়ে যাচ্ছে। সে অগ্রসরও হচ্ছে এই পরিকল্পনার পথ ধরে।

পাকিস্তানকে আমেরিকার একাধিকবার ধমকের সুরে বারণ করেছে, সে যেন ইরানের কাছ থেকে গ্যাস ক্রয় এবং এতদসংশ্লিষ্ট পরিকল্পনায় না জড়ায়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন- এতে পাকিস্তানের কল্যাণ নেই। কথাটির অন্য অর্থ হতে পারে- পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠুক এটা আমেরিকা মোটেও পছন্দ করছে না। বক্তৃতা-বিবৃতি ও ঘোষণায় যা-ই বলা হোক না কেন; পাকিস্তান যে, এমন পরিকল্পনার দিকে এগুবে না অনেকটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। এবার দেখার বিষয় হল, তুরস্ক আফগানিস্তানের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেয়। তবে এ পর্যন্ত এটা পরিষ্কার হয়নি যে, সে আফগান বিষয়ে আদৌ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণের কথা সে ভাবছে কি না।

সম্মানিত পাঠক, আফগানিস্তানকেন্দ্রিক সবচেয়ে জটিল সমস্যার আবর্তে আটকা পড়েছে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাগোষ্ঠী। অন্যদিকে পাকিস্তান আরও বেশি সঙ্কটে পর্যুদস্ত। আমেরিকা-তালিবান সংলাপে পাকিস্তানকে কাঁছে ঘেঁষতে দেয়ার ইচ্ছে নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। আমেরিকার ভালো করেই জানা আছে, বন সম্মেলনে পাকিস্তান অংশগ্রহণ না করায় পুরো সম্মেলনটাই ব্যর্থ হয়ে যায়। পাকিস্তানের প্রভাব সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র সম্যক অবগত রয়েছে। কারও মুখের দিকে তাকিয়ে না থেকে পাকিস্তানকে তার নিজের দায়িত্ব পালনে সক্রিয় থাকতে হবে। কারণ এই ‘দায়িত্ব পালন’-এর সঙ্গে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রশ্ন জড়িত।

তালিবানদেরও এই প্রসঙ্গে বর্তমান নীতি-কৌশলের পর্যালোচনা এবং অতীত ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা দরকার। তালিবানকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে তিক্ত যে বাস্তবতাটি মাথায় রাখতে হবে তাহলো, আফগানিস্তানের বর্তমান প্রশাসনে দেশটির সবপক্ষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব দলের রয়েছে সামরিক সামর্থ ও রাজনৈতিক শক্তি। অন্যদিকে গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার আফগানিস্তানে তাঁর বাহিনীসমতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। কারজাই সরকারের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধও রয়েছে। অপরাপর মুজাহিদ গ্রুপগুলো সঙ্গে তাঁর ততো দূরত্ব নেই যতটুকু আছে তালিবানের। সবচেয়ে উত্তম উপায় হতে পারে এই তিনপক্ষ একটি জোটভুক্ত হয়ে ভবিষ্যতের আফগানিস্তানকে গড়ে তুলতে সুবিন্যস্ত পরিকল্পনা তৈরি করবে। এক্ষেত্রে পাকিস্তানও তার অবস্থান থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে পারে। আফগানিস্তানে সক্রিয় পক্ষগুলোকে কাছেও টানতে পারে দেশটি। পাকিস্তানের ধর্মীয় সংগঠনগুলোকে দেশটির ওপর দিয়ে ন্যাটোর সাপ্লাই লাইন চালু রাখার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দখলদার গোষ্ঠীর ঐতিহাসিক পরাজয়ের দ্বার উন্মোচন আর শোচনীয় বিদায়ের জমকালো পর্দাটি উঠার অপেক্ষায় আছে ন্যাটোর সমুদয় সাপ্লাই লাইন বন্ধ করে দেয়ার মধ্য দিয়েই।

সূত্র : ইন্টারনেট (মূল : আমানুল্লাহ শাদ ইয়াযদাই, ফ্রাইডে স্পেশাল, করাচি)
kmhamidullah@gmail.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/KhandkarMdHamidullah
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
india থেকে dirtroad লিখেছেন, ২০ মে ২০১২; সকাল ১১:৪০
US will have another card up the sleeve...the Afghan North. This will be clandestinely supported by BOTH Iran and USA to create the buffer between Pakistan, Afghanistan and Iran.
Baloch nationalism and Shia-Sunni troube will be fermented in Pakistan both by RAW and CIA. This will continue till the Haqqani network in destroyed.

NATO supply line is not impossible to close..but ISI and Pakistan government will prefer not to do so openly but by raising cost by attacks. This unfortunately will keep the drones in the sky.
84551
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২০ মে ২০১২; দুপুর ০৩:৫০
খন্দকার মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ্ সাহেব কে ধন্যবাদ আফগানিস্থান এবং ন্যাটোর পরাজয় কে বিশ্লষেন করার জন্য।
সোভিয়তা ইউনিয়ন খান খান হয়ে যাওয়ার পরে আফগানিস্থানে কোন সরকার শান্তি প্রতিষ্টা করতে পারে নাই, একমাত্র তালেবান সরকার শান্তি প্রতিষ্টা করেছিল, এমেরিকা এবং তার মিত্ররা পালিয়ে যাওয়ার পরে, তালেবান সরকার ফিরে আসলেই একমাত্র শান্তি প্রতিষ্টা হতে পারে, না হলে আবারো গোত্রীয় দাঙ্গা ছড়িয়ে দিতে পারে ইহুদীবাদী মিডিয়া, মিডিয়া তালেবানের বিরোদ্ধে অনেক আজগবী তথ্য হাজির করেছিল, যেমনটা সাদ্দামের বিরোদ্ধে করেছিল, এই সমস্ত মিডিয়া ইহুদি সমর্থিত মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন খবর প্রচার করেছে আফগানিস্থান এবং ইরাক কে মুসলমান নিধনের মাঠ বানানোর জন্য , এখন সময় এসেছে এই সমস্ত মিডিয়া গুলো নাকে খত দিয়ে তালেবান এবং ইরাকের জনগণের কাছে ক্ষমা উচিত।
84567
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২০ মে ২০১২; বিকেল ০৪:১৬
india থেকে dirtroad কে
সত্য কথা কি জানেন ? ইতিহাস বলতেছে আফগান মাটি র্দূজয় ঘাঁটি, এই ঘাঁটিতে কেউ এসে জিতে যাইতে পারে না, সামর্রাজ্যবাদীরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে আফগানিস্থানের মাটিতে আসে এই স্বপ্ন গুলো খন্ড বিখন্ড হয়ে তাদের দেহ কবর রচিত হয়ে যায় আফগানিস্থানের মাটিতে, এইটায় হলো বাস্তব ইতিহাস, পর্যায় ক্রমে দেখুন বৃটিশ যেই দিন আফগানিস্থানের মাটিতে প্রবেশ করেছিল সেইদিন থেকে বৃটিশের পরাজয় শুরু হয়ে গেছে, সোভিয়ত ইউনিয়ন র্দীঘ ১১ বছর যুদ্ধ করে ৫০ হাজার সূণ্যর কবর রচিত হয়েছে আফগানিস্থানের মাটিতে, এবং ততকালের হিসাব অনুযায়ী ৬ লক্ষ ৫৭ হাজার কোটি টাকার সমপরিণাম অর্থ আফগানিস্থানে ব্যায় করে সোভিয়ত ইউনিয়ন অর্থনীতিক ভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে, ইতিহাস দেখুন ? এমেরিকা এবং তার মিত্ররা ইরাক আফগানিস্থানে ৭ ট্রিলিয়ন ডলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমেরিকা ১৫ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণগ্রস্ত, র্জদানী বংশীয় ইরাকী বীরযুদ্ধা শহীদ হওয়ার আগে বলেছিল এমেরিকার ঘাঁটিতে ৮০০ শত গাড়ী বোমা হামলা করে ৪০ হাজার এমেরিকান সূণ্য হত্যা করেছিল, আফগানিস্থানে এমেরিকার কতসূণ্য নিহত হয়েছে তার কোন সঠিক হিসাব মিডিয়া দিবে না।
আমি আফগানিস্থানের মাটি ও জনগণ কে স্যলুট মারি, এবং আফগান বীরদের প্রতি বাংলাদেশের জনগনের আহবান তোমরা তো সেই সুলতান মাহমুদ গজনবীর সন্তান যিনি ভারতে ১৬ বার আক্রমন করে ভারতের শিখদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়েছিলে, আবার তোমরা র্গজে উঠো ভারতের আগ্রাসী হিন্দুদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দাও যাতে এই আগ্রাসী হিন্দুরা বাংলাদেশ ভারত পাকিস্থানের মুসলমানের উপর আক্রমনের চিন্তা বাদ দিয়ে দেয়, হে বীর সেনানীরা যদি পারো তোমরা ভারত কে ইসলামি রাষ্ট্র বানিয়ে ছাড়ো যেই রকম মুহাম্মদ বিন কাসিম ইসলামি রাষ্ট্র বানিয়ে ছেড়েছিল, এবং শাসন করো আওরঙ্গজেব বাদশাহ আলমগীরের মত যিনি সমাজের রোন্দ্রে রোন্দ্রে ন্যায় পরায়ন ইনসাফ কে প্রতিষ্টা করেছিল।
ধন্যবাদ সবাইকে ।
84569
Mauritius থেকে Ram Gopal লিখেছেন, ২০ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৫২
shitroad
Why does CIA need the lousiest intelligent in the world? RAW was snoring during 26/11 Mumbai attack and repeatedly been duped by the maoist.
84577
india থেকে dirtroad লিখেছেন, ২০ মে ২০১২; রাত ০৯:৩২
@Jahed......a little more reading please. There were no Sikhs during Mahmud of Gazni.

40000 US soldiers killed in Iraq? Again a little more education. And to top it...the talebans will fail because of that only....you cannot blow up your own heritage and hope that the world will be impressed.
84585
বীরভূম পশ্চিম বাংলা থেকে ধাতুশ্রী রায় লিখেছেন, ২০ মে ২০১২; রাত ১০:৫২
when muslims will become absolute majority in india & india will be declared islamic country, if we r not checking it now!!!


MUSLIM POPULATION : THE ULTIMATE DANGER AHEAD FOR HINDUS

The below is based on facts and figure! Islamic terrorism is no issue then! hindus' life & death will be at the mercy of muslim!

muslim population is the real danger for hindus!

in 1947-hindu(incl. sikh, budhist,jain etc)-33 crore-90%
-muslim-3 crore-8%
-christian-0.7 crore-2%

in 2008-hindu(incl. sikh, budhist,jain etc)-82crore- 73.9%(growth rate in 61 years 249% @ 4.07% /year)
-muslim-25 crore-22.5%( growth rate in 61 years 833% @13.7% /year)
-christian - 4 crore- 3.6%

from the above, the growth(incl. infiltration around 5 cr.) in 61 years by muslims r more than 580% that of hindus(incl. like hindus)! and hindus reduced by 16.1% in simple arithmetic in 61 years where as muslims increased by 14.5% in terms of population percentage!

in simple calculation, if muslim & hindu maintain same growth rate(i.e 13.5% /year for muslim and 4.07% / year for hindu), after 27 years in 2035, MUSLIM WILL BECOME ABSOLUTE MAJORITY IN INDIA( total population :197.7 crore). Conversion, threatening, rioting, slaughtering, terrorism, intrusion, polygamy, no birth control are being the major tools for muslim to reach that figure within the said period.

in 2035 –muslim-92.5 crore-48.2%
–hindu- 90.2 crore-46.9%
-christian- 9.5 crore-4.9%

by 2040- ALL HINDU FESTIVAL WILL BE STOPPED. MASSIVE CONVERSION AND GENOCIDE OF NON-MUSLIMS WILL BE STARTED.

by 2050-muslim-189.62 crore-63.8%(INDIA WILL BE DECLARED ISLAMIC COUNTRY)
-hindu-95.7 crore-32.2%
- christian-12.0 crore-4.0%

muslim population is like inflation! they breed like mosquetos!!

to check the above, now:

(1) strict prohibition of hindu/like hindu girl marriage to muslim by all hindus/like hindu(1 hindu girl marriage to muslim= 5 to 7 enemies born)
>make ur daughter & son aware of above from childhood about their planning & love jihad!

(2) strict law for muslim for 1 wife, max. 2 child

(3) close 100% border by RCC thick wall(min.8 mtr height x 400mm thick), stop intrusion by any means

(4) make voting compulsory for all citizen, scrap EVM & resume paper ballot voting

5) impose uniform civil code, abolish article 370 & implement army rule in Kashmir

6) strict law like POTA should be implemented immediately to control jihadi terrorists

7) all nature of conversion of hindus to other religion should be banned

(in such real move,public will help)
84587
কাবুল থেকে মকবুল লিখেছেন, ২১ মে ২০১২; দুপুর ১২:২৫
বক্তব্যকার ও মন্তব্যকার কাউকে আমি ধন্যবাদ দিয়ে শুরু করতে চাই না। আমি সরাসরি শুরু করতে চাই সে বাস্তবতার দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করে, যে বাস্তবতাকে মাটি চাপা দেওয়ার জন্য গাদ্দার সাম্রাজ্যবাদী পশ্চিমাবিশ্ব ও তার দুসররা নির্লজ্জভাবে লেগে আছে_ যেভাবে ক্ষুধার্ত মাছিকুল লেগে থাকে রক্ত-পুঁজে।
বক্তব্যকারের বক্তব্য বিশ্বাস করবে না তারাই, যারা শুধু পশ্চিমা মিডিয়াপ্রচারিত জাতগোত্রহীন ডাহা মিথ্যাচারের রক্ত চুষার জন্য মুখিয়ে থাকে।
সুধি পাঠক, আপনি একটু লক্ষ করলে বুঝতে পারবেন, আফগানিস্তানের লৌহকঠিন তালেবান বাহিনী আজকের নতুন-করে গজে-ওঠা খড় কিংবা বন্যার জলে ভেসে-আসা খড়কুটো নয়। যারা তৎকালীন পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নকে জব্বর পিঠুনি দিয়ে শিরদাঁড়া চিরতরের জন্য ভেঙে দিয়েছে এবং যারা সমস্যাজর্জরিত আফগানকে বহুদিন যাবৎ সুশৃঙ্খল ও নিখোঁতভাবে পরিচালনা করেছেন, তাদের কি নিজস্ব কোনো প্রচার মাধ্যম নেই? মুখপত্র নেই? টিভি চ্যানেল নেই? মাসিক পত্রিকা নেই? প্রযুক্তির যুগে নিজস্ব প্রাগ্রসর ইয়েবসাইট নেই?
সবকিছু আছে। শুধু তাই নয়, আমেরিকার প্রযুক্তিগর্বে গর্দানমোটা পায়াভারি কর্তাব্যক্তিগণ সবিস্ময় স্বীকার করেছেন যে, যে খবর প্রচার করতে তাদের লাগে আধঘণ্টা, সে খবর প্রচার করতে তালেবানদের লাগে ২৬ মিনিট। বোঝা যাচ্ছে, তালেবানরা আধুনিক প্রযুক্তিতেও তাদের চেয়ে ৪ মিনিট এগিয়ে আছে। যে আধুনিক প্রযুক্তিতে তারা পৃথিবীর সবাইকে অধম ছাত্র মনে করে নতুন নতুন ছবক শেখাচ্ছে, সে প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও তো তালেবানরা তাদেরকে ফেল করে ছেড়েছে। এমন প্রাগ্রসর শক্তিশালী যুদ্ধবীরদের প্রচারিত খবরগুলোর দিকে আমরা দু�চোখ খুলে তাকাই না কেন?
প্রিয় পাঠক, আপনি জানলে বিস্মিত হবেন যে, তালেবানরা প্রতি বিশ মিনিট থেকে আধঘণ্টার ভেতর তাদের তরতাজা খবরগুলো প্রচার করে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিশ্বাস্যধরনের যুদ্ধাভিযানের ক্ষেত্রে তারা সচিত্র প্রতিবেদনও প্রচার করে। আত্মঘাতি হামলার সচিত্র প্রতিবেদনগুলো পড়লে এবং দেখলে কলজে কেঁপে ওঠে থরথর করে। উপরন্তু চিন্তা করে দেখুন, একদিকে রাতের চুরাসফরে ওবামা পৌঁছলেন কাবুলে, অন্যদিকে বোমার কেয়ামতে কেঁপে ওঠছে পুরো কাবুল। এবং তালেবান যোদ্ধারা ঢুকে পড়লেন মার্কিনিদের সবচেয়ে সংরক্ষিত এলাকা 'গ্রিনজুনে'। তা হলে এবার খোঁজে দেখতে পারেন তালেবানের শক্তি ও সাহসের সীমাসরহদ!
তালেবানদের প্রচারিত খবরের জরিপে দেখা যাচ্ছে, এমন কোনো মাস যায় নি, যে মাসে পাঁচশ থেকে দেড় হাজার শত্রু (ন্যাটো, আমেরিকান, স্থানীয় যোদ্ধা ও এজেন্ট সব মিলে) নিহত হয় নি এবং শত্রুপক্ষের ছয়শ থেকে একুশ'শ পর্যন্ত গাড়ি (মালবাহী ও তেলবাহী ট্রলি, ট্যাংক, রেঞ্জার গাড়ি ইত্যাদি সবমিলে) ধ্বংস হয় নি।
পাঠকদের কৌতূহলকে চাগিয়ে দেওয়ার জন্য আমি শুধু ২০১১ সালের ছয়টি মাস (জুন, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর)-এর জরিপ পেশ করছি :

তালেবানের ক্ষয়ক্ষতি
সর্বমোট নিহত : ৫২৮ (পাঁচ'শ আটাশ জন)
সর্বমোট আহত : ৩৭১ (তিন'শ একাত্তর জন)
গাড়ি ধ্বংস : ০০ (শূন্য)

শত্রুপক্ষের ক্ষয়ক্ষতি
সর্বমোট নিহত : ১৪৯৭১ (চৌদ্দ হাজার নয়'শ একাত্তর জন)
সর্বমোট আহত : ৯৮০৫ (নয় হাজার আট'শ পাঁচ জন)
গাড়ি ধ্বংস : ৪৮৩৯ (চার হাজার আট'শ উনচল্লিশটি)
ড্রোন-যুদ্ধবিমান-হেলিকপ্টার ধ্বংস : ৪২ (বিয়াল্লিশটি)

সাধারণ জনগণ
সর্বমোট নিহত : ৫০৯ (পাঁচ'শ নয় জন)
সর্বমোট আহত : ২৯৬ (দুইশ ছিয়ান্নব্বই জন) (জরিপ দেখার লিংক http://alsomod-iea.info))
সাহস থাকলে মার্কিনিরা এসব তথ্য অস্বীকার করুক। এ পর্যন্ত শোনা যায় নি যে, তালেবানদের ওয়েইবসাইট প্রচারিত এসব তথ্য নিয়ে কেউ বহস-বিতর্ক করেছে। কিংবার এর বিরুদ্ধে কিছু লিখেছে বা বলেছে।

উল্লেখ্য যে, তাদের ওয়েইবসাইট রয়েছে যথাক্রমে : পশতু, ইংরেজি, আরবি, ফার্সি ও উর্দূ ভাষায়। তাদের প্রচারিত বহুলপঠিত চারটি মাসিক পত্রিকা রয়েছে : যথাক্রমে, পশতু ভাষায় তিনটি, আরবিতে একটি এবং সম্প্রতি উর্দূ ভাষায় প্রকাশিত হচ্ছে একটি মাসিক। সত্যসন্ধানে কৌতূহলী পাঠকদের জন্য আমি তাদের ওয়েইবঠিকানা ও পত্রিকারগুলোর লিংক দিয়ে দিচ্ছি :
www.shahamat-english.com
www.shahamat-arabic.com
www.shahamat-urdu.com
www.shahamat-farsi.com
http://119.110.111.118/~alem1com/
http://alsomod-iea.info
84603
বাংলাদেশ থেকে ইবনে রহীম লিখেছেন, ২১ মে ২০১২; দুপুর ০১:০৪
আশ্চর্য কথা! এসব তথ্য কি বাস্তবে সত্য?
কেমন কেমন লাগছে যে!!!
সত্য হলে তো যারপরনেই খুশি। কারণ বিশ্বসন্ত্রাসী আমেরিকার শিরদাঁড়া ভেঙে চুরমার করা উচিত। যেন আফগান তাদের জন্য আজীবন আতঙ্ক হয়ে যায়।
84607
india থেকে dirtroad লিখেছেন, ২১ মে ২০১২; দুপুর ০১:০৭
@Maqbool....good that you mentioned these sites. ike in during Soviet regime the Afgan resistance was nurtured by CIA..the talebans are being nurtured by ISI. It is a travesty of truth to say that the Yaebans drove out Russians...it was done by Hekmatyr, ahmed shah massod and later rashid dostum. The talebans came into being during mid-nineties when the factions were fighting against each other.

In the brief period they rued afganistan south..they endorsed pane hijack, blew up bamiyan buddha, consolidated opium trade and even travelled to US invited by oil giant Unicol. This delegation was led by Talib foreign minister Muttawakil who is now helping US to open the dialogue. Most of the technical and poitical aspects of Taiban was looked after by Pakistan which resulted in the famous Kunduz Airlift which allowed hundreds of ISI officers to escape from Northern Alliance.

The talibans are now being supported still by ISI but the world has changed and drone technology has taken out much sheen from the ground terror troops. Realizing they can never win and trying to buy time or wait for a desparate ruse the talibans are trying to enter into dialogue...not unike what LTTE used to do. However the roots are far stronger this time and Talibans have become more law and order than insurgency today.
84608
১০
কাবুল থেকে মকবুল লিখেছেন, ২১ মে ২০১২; দুপুর ০১:২৩
সুবহানাল্লাহ! কেন আশ্চর্য লাগবে ভাই? কেন বিশ্বাস হবে না। আমি তো মার্কিনিদের মতো জলজ্যান্ত দলীল-দস্তাবিজহীন কথা বলি নি। আমি প্রত্যেকটি কথার জন্য প্রমাণ দিয়েছি।
বিশেষ করে প্রতিদিন যুদ্ধাভিযানে কী কী ক্ষতি হচ্ছে এবং কারা পরাজয়ে জর্জরিত হচ্ছে, তা আপনি পাঁচ ভাষার যেকোনো এক ভাষায় তাদের ওয়েইব দেখতে পারেন। এবং আমার দেয়া ক্ষয়ক্ষতির জরিপের জন্য আরবি পত্রিকার প্রত্যেকটি সংখ্যা দেখতে পারেন। পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যায় আগের মাসের ক্ষয়ক্ষতির জরিপ লিপিবদ্ধ আছে চার্ট আকারে। প্রত্যেক যুদ্ধাভিযানের তারিখ ও স্থানও দেয়া আছে।
কারও সাহস থাকলে, ভিন্ন তথ্য থাকলে, সে দলীল-দস্তাবিজসহ চ্যালেঞ্জ করতে পারে। অসুবিধা কী?
84610
১১
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২১ মে ২০১২; দুপুর ০১:৪০

কাবুল থেকে মকবুল কে
ধন্যবাদ জানাই সুন্দর তথ্য প্রকাশ করার জন্য, অনেক চেষ্টা করলাম উর্দূ আরবী সাইট খুলতেছে না, উর্দূ আরবীর অন্য কোন সাইট থাকলে অনুগ্রহ করে দেওয়ার চেষ্টা করুন।
84613
১২
কাবুল থেকে মকবুল লিখেছেন, ২১ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৩৩
ভাই, খোলার তো কথা। সাময়িক কোনো অসুবিধা হতে পারে, বা আপনার পিসিতে আরবি বা উর্দু সফটের সমস্যা থাকতে পারে। অথবা আপনি গুগুলে এভাবে লিখে সার্চ করতে পারেন।

إ مــارة أ فــغــانـــستــــان الإســــلامــيـــة
اسلامی امارت افغانستان
امارت اسلامی افغانستان
84630
১৩
india থেকে dirtroad লিখেছেন, ২২ মে ২০১২; রাত ০২:১৫
hi rambabu from Mauritius...by your count CIA will be lousiest for 9/11 or say Iran hostage crisis....ISI should fold up for the death-toll in Pakistan every day!!!!!
for others.....please keep visiting and reading and believing in the talib website.....the victory is at hand!!!
84647
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy