: হ্যালো, প্লিজ ওপেন দ্যা ডোর...
মিষ্টি সুরে কলিং বেল বেজে উঠল। এই অসময়ে মিষ্টি আওয়াজের যান্ত্রিক এই ডাক বিরক্তিকর ঠেকল। প্রিয় উপন্যাসিক শফিউদ্দিন সরদারের সাম্প্রতিক বের হওয়া রাজনৈতিক উপন্যাস ‘দখল’ পড়ছিলাম। প্রিয় লেখকের লেখার ভেতরে এত সুনিপুণ টান রয়েছে, যা পড়া ছাড়া অন্য সবই অসহ্য ঠেকছে এ সময়ে। সাধারণত শিকড় সন্ধানী লেখক হিসেবে পরিচিত তিনি। তাঁর লেখার ভেতরে পাঠককে সম্মোহন করার এমন একটা ব্যাপার আছে, ওনার বইয়ের পাঠক মাত্রই বুঝতে পারে। নিরব-নিবৃত্তে থাকেন তিনি, দেশের অনেক পাঠক তাকে জানেন না, চিনেন না। নাটোরের এক মফস্বলে তার জীবনের শেষ লগ্ন গুলো কাটিয়ে দিচ্ছেন।...
কলিংবেল আবার বেজে উঠতেই পনের সেকেন্ডের এই ভাবনার ইতি ঘটল। অপরিসীম বিরক্তি নিয়ে উঠে দরজা খুলে দিলাম, দরজা খুলে মেহবুব ভাইয়াকে দেখে অবাক হলাম।
:ওয়াও! মেহবুব ভাইয়া তুমি? কি সৌভাগ্য আমাদের আসমান থেকে নাযিল হয়েছ নাকি? কতদিন পর পা পড়েছে এদ্বারে? অবাক করা কান্ড দেখি! সরাসরি ভার্সিটি থেকে না কি ভাইয়া?
: আরে দেখ দেখ কী কান্ড শুরু করলি তুই, ভেতরে ঢুকতে দিবি, নাকি বাইরে দাঁড় করিয়ে একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকবি!
:সরি ভাইয়া ভেতরে আস। তারপর সওয়াল-জওয়াব যা হওয়ার তা হবে।
:থ্যাংকস, আন্টি-আংকেল ওনারা সবাই কোথায়?
:আম্মু, আম্মু ও আম্মু দেখে যাও কে এসেছে?
:কে রে পুষ্পা? কে এসেছে?
:এসেই দেখ না আম্মু, কে এসেছে!
রান্না ঘর থেকে বের হয়ে অবাক হয়ে বললেন- আরে মেহবুব তুমি?
:জ্বী আন্টি আমি, তোমাদের সারপ্রাইজ দিতে কোন খবর না দিয়ে... বিরক্ত করতে চলে এলাম, এই ‘পুষ্প’ আমার ব্যাগ আর ফল ও বিস্কুটের প্যাকেটগুলো ধর। এই বলে পুষ্পার হাতে ব্যাগগুলো ধরিয়ে দিয়ে আন্টিকে পায়ে ধরে সালাম করলো মেহবুব।
:কথাতো ভালই শিখেছো ভাইয়া, আমাদের বিরক্ত করতে আসছো তাই না। তোমাকে স্পেশাল দাওয়াত দিয়েও তো আনা যায় না। এত এত ব্যস্ততা, আর বলছ কিনা.....
কথা শেষ না হতেই আম্মু বলল, হ্যাঁ সেটাই। তুমিতো আসই না। যাক ভাল হয়েছ এসেছ। অনেক খুশি হয়েছি। তোমরা কথা বল, আমি রান্না চাপিয়েছি।
ঐ দিকটা দেখতে হচ্ছে। কাজের মেয়েটাও আজকে বাড়ী গেছে।
:ঠিক আছে আন্টি। পুষ্পা তোর হাতে কি বই ওটা?
:দখল সম্প্রতি বের হওয়া...
:সুপ্রিয় লেখক শফী উদ্দীন সরদারের উপন্যাস।
:বিলকুল ঠিক বলেছ ভাইয়া,
:বাহ! ভালইতো শিখেছ প্রিয় লেখকের লেখা থেকে।
:আচছা পরে কথা হবে ভাইয়া, আগে ফ্রেশ হয়ে নাও।
চল তোমার রুম দেখিয়ে দিই। কয়েকদিন পূর্বে গেষ্ট ছিল মোটামুটি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন আছে রুম। তারপরও সবকিছু ঠিকঠাক করে দিই। তুমি বাথরুমে গিয়ে এর মধ্যে ফ্রেশ হয়ে নাও।
:দ্যাটস অল রাইট, স্নিগ্ধ পুষ্প!
(২)
আসরের প্রার্থনার পর এই রমযানে একটু ঘুম ঘুম ভাব আসে ইদানিং। বিছানায় খানিক পিঠটা লাগাতেই দীর্ঘ জার্নির কান্তিতে কখন যে ঘুম চলে এসেছে মেহবুবের খবর ছিল না। পুষ্পার ডাকে ঘুম ভাঙল।
:কী ভাইয়া, অসময়ে ঘুম। ব্যাপারটা তো ভাল লন নয়। দ্রুত আস পবিত্র হয়ে, ইফতারের সময় হয়ে এসেছে।
:ওকে, আমি রেডী হয়ে আসছি।
:হ্যাঁ, দ্রুত আস।
ডাইনিং রুমে ঢুকে মেহবুব বলল- কি আংকেল এখনও আসেনি আন্টি? বাসায় এসে ইফতার করেন না উনি?
:না সেই সুযোগ আদৌ হয় না।
:শিক্ষা অফিসারের সেই সুযোগ কস্মিনকালে হয়! পুষ্পা একটু ঢং করেই বলল।
:তা তো বটেই! আযান পড়েছে এস আমরা শুরু করি।
(৩)
:কি ভাইয়া নামায শেষ হয়েছে? রুমের দরজায় উকি দিয়ে বলল পুষ্পা।
:আস পুষ্পা, প্রার্থনার পর জায়নামাযে বসে থাকতে সতেজ হালকা আর আরাম লাগে। তুই নামায আদায় করেছিস?
:নাহ ভাইয়া, ভাল লাগছে না।
:এই আমাদের সমস্যা, সহজেরে ছেড়ে কঠিনকে আঁকড়ে ধরি!
:কী রকম ভাইয়া?
:আগে চেয়ারে গিয়ে বস বলছি...
এরপর জায়নামাজ ভাঁজ করে মেহবুব চৌকীতে আয়েশ করে বসে বলল- সারাদিন রোজাতো রেখেছিস, তাই তো?
:হ্যাঁ, তো?
:সারাদিন রোজা রেখে মাত্র আদায় হয়েছে এক ফরজ। আর সারাদিন নামাজ না পড়ে সতের ফরজ তরক করেছিস। এবার বল কোনটা সহজ ছিল, কোনটা কঠিন?
:সরি ভাইয়া, ভুলেই গিয়েছি এদিকটা, যাই নামাজটা পড়ে আসি। তারপর অন্য কথা.....
পুষ্পা চলে যেতেই ডাইরীটা বের করে নিল ব্যাগ থেকে মেহবুব। সামনের বই মেলায় একটা গল্প গ্রন্থ বের করার চিন্তা নিয়ে লেখা-লেখী করছে। অনেক মনোযোগ দিয়ে কাজটা করতে চেষ্টা করছে।
আজ একটা নতুন গল্পের প্লট মাথায় এসেছে। তা দ্রুত নোট করে নিল। বিস্মৃতি তার মাঝে সময় সময় আবার ভর করে। তার থেকে মাথায় ধরা দেয়া আইডিয়াটা নোট করে হারানোর হাত থেকে বাঁচানোর প্রয়াস। নোট করা শেষ হতেই পুষ্পা এসে ঢুকল রুমে।
:কি ভাইয়া কি লিখছো?
:এইতো একটা বিষয় নোট করে রাখছি।
:ভাইয়া, গত ত্রিশ তারিখ সবগুলো টিভি চ্যানেলে তোমাকে দেখলাম ।
:তাই না-কি! হাসতে হাসতে বলল মেহবুব।
: হ্যাঁ দেখলাম উপস্থাপনা করছেন, মঞ্চে দেখলাম, ড.আকবর আলী খান, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, ফাতেমাতুজ জোহরা, বুয়েট আর ঢাবির অধ্যাপকরা। আবার দেখলাম বিটিভির সংবাদ পাঠিকার সাথে বসে আছেন। দারুণ দেখাচ্ছিল আপনাকে...!
: তা দেখি একেবারে ঠিক-ঠাক মনে রাখা হয়েছে দেখছি! ওটা ছিল ‘আগামির বাংলাদেশ’ নামক একটা সংগঠনের প্রোগ্রাম।
:থাকবে না। প্রিয় মানুষটার ব্যাপার-স্যাপার!!
:হয়েছে হয়েছে। এরপর এইতো গত নয় তারিখ বড় ধরনের আর একটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করে আসলাম। খ্যাতিমান ও বরেন্য ব্যক্তিরা মেহমান ছিলেন ওই প্রোগ্রামে।
:যাক, সুপ্রিয় ভাইয়ার ব্যস্ততা আরো বেড়ে যাচ্ছে সামনের দিকে তাকে আর কাছে পাওয়াই কষ্টকর হয়ে পড়বে.....
:হ্যাঁ, তা ঠিক বলেছিস মা। মেহবুব এমনিতেই সময় দিতে পারে না সামনে তো...
:আন্টি, আসেন, আসেন, বসেন। আসার পর থেকেই আপনাকে কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে কথা বলার সুযোগও পাচ্ছি না। আন্টিকে রুমে ঢুকতে দেখে তার কথা কেড়ে নিয়ে মেহবুব বলল।
:না, বসব না। ডাইনিং এ আস, ডিনার করতে করতে কথা বলা যাবে।
: তাই হোক, চলুন আন্টি, পুষ্পা চল...
ডাইনিং টেবিলে বসতে না বসতেই পুষ্পার ফোন বেজে উঠল।
পুষ্পা উঠে রিসিভ করতে গিয়ে দেখল। অচেনা নাম্বার তা দেখে মেহবুব কে বলল- ভাইয়া, তুমি রিসিভ কর?
:কেনরে কি হয়েছে?
:দেখ না অচেনা নাম্বার। আর ওইসব নাম্বার থেকে যা বিরক্ত করে। বকা দিলেও শুনে না।
:আচ্ছা দে... কি বলে শুনি...
মেহবুব রিসিভ করে হ্যালো হ্যালো বলার পরও ওই পাশ থেকে কোন কথা বলে না। চুপচাপ ফোনের ওই প্রান্তে। শেষে ফোন রেখে দিল।
:দেখছ, তুমি ফোন রিসিভ করাতে আর কথা বলছে না যত্তসব, বাজে ছেলের দল...
:ওই সব বাদ দে, আয় খাওয়া শুরু করি। আন্টিও আসল দেখে বলল আন্টি তুমিও বস আমাদের সাথে...
:না না আমি এখন বসব না। তোমার আংকেল সহ এক সাথে খাব, উনি আসুক। হ্যাঁরে পুষ্পা, কার ফোন এসেছে।
:কার আবার বখাটে কোন ছেলের...
:হ্যাঁ এদের জ্বালায়, দিনকাল অসহ্য হয়ে উঠছে...
:আন্টি এ ‘অসহ্য’ দেখার পেছনে আমাদের ইন্ধন আছে...
:ব্যাপারটা বুঝলাম না।
:আসলে ব্যাপারটা হল আমাদের মেয়েরা কি এমনভাবে চলছে কি না, যাতে তাদের বিরক্ত না করে। তা তারা করে না। তারা উগ্রভাবে চলাফেরা করছে। তাতে তো ইন্ধন তারাই দিচ্ছে।
:ভাইয়া, এসব নাম্বার থেকে কল আসলে অনেক বকাবকি করেও কোন লাভ হয় না।
:না না পুষ্প। ঐসব নাম্বার থেকে কল আসলে বকাবকি করিস না। সুন্দর করে বুঝিয়ে বলবি না হয় কল রিসিভ করবি না। রিসিভ করে বকাবকি করলে তারা জিদ করে নতুন উদ্দমে তোকে বিরক্ত করতে থাকবে।
একটু থেমে মেহবুব পুনরায় বললো- আন্টি আমার অপূর্ব সুন্দর বোনের কমনীয় অবয়ব কী ঢেকে দুষ্টুদের আড়াল করে রাখে?
:মেহবুব, বুঝলাম না ব্যাপারটা !...
:মানে ফুল ফুটলে মানুষ তাকাবে, ঘ্রান নিতে চাইবে যা স্বাভাবিক...
(৪)
আজ ভাইয়া বলা পরামর্শ হাতে-নাতে প্রমাণ হল, একটু ধৈর্য্য ধরে কাজ করলেই হয়। সেদিন ভাইয়াকে রাস্তায় বখাটেদের উৎপাতের কথা বলতেই পরামর্শটা দিয়েছিলেন। বলেছিল- রাস্তায় যদি কোথাও দুষ্টুরা পাশ থেকে টিজ করে। সে যতই খারাপ কথা বলুক, তা না শুনার ভান করে সহজভাবে তার দিকে এগিয়ে গিয়ে সুন্দর করে সালাম দিয়ে বলবি- ভাইয়া ভাল আছেন? কিছু বলবেন? আমি তো আপনার ছোট বোনের মতই, যদি কিছু বলতে চান বলুন। সেই ছেলেরা যতই খারাপ হোক আশা করি তোমাকে সেদিনের পর আর বিরক্ত করবে না।
গতকাল টিজ শুনে রাগ অনেক কষ্টে দমন করে ভাইয়ার পরামর্শমতে ওদের সাথে কথা বলতেই আজ হাতে-নাতে প্রমাণ ফেলাম। আজ আর কোন টিজ শুনতে পেলাম না। আজ দিনটা এজন্য ভালই গেছে।
মেহবুব ভাইয়া যে সুদূর প্রসারী চিন্তা করে তা তার কথাবার্তায় প্রকাশ পায়। ভাইয়ার প্রতি আমার হৃদয়ে একটা বিশেষ স্থানে যখন অনেক আকর্ষণ তৈরী হয়ে গিয়েছিল। বুঝতে পেরে তা যাতে আর না বাড়ে তাই সুকৌশলে কথায় কথায় বলেছিল- পুষ্প, আমি কোন আত্মীয়ের সাথে জীবনকে জড়াব না। কারণ আমরা যে রকম নানা বাড়ীর আর নানা-নানুর আদর সোহাগ থেকে বঞ্চিত হয়েছি। ভবিষ্যত প্রজন্মের, তা আর যাতে না হয়।
ভাইয়া আসলে যে এত ভাল লাগে, চলে গেলে হৃদয় শূন্য হয়ে যায়। ভাইয়া চলে যাওয়ার পর হৃদয়ে বেদনা ভালই বাজছে। যদিও সামনের ঈদের পর আসার কথা দিয়েছে।
আমার সুন্দর মনের অধিকারী ভাইয়ার আসার অপেক্ষায় কাটবে ঈদ উৎসব। মনের অতলান্তে তার প্রতি এত ভালবাসা কেন যে সৃষ্টি হয়েছে। জানি, ভাইয়া যা বলে তাই করে। এই জীবনে তাকে পাওয়া সম্ভব নয়। না ফেলেও তবু ভালবাসবো...
লেখকঃ উপস্থাপক, আবৃত্তিকার, সাংগঠনিক, সাংবাদিক, সম্পাদক, মাসিক স্বপ্নিল প্রান্তর ও দ্বিমাসিক নয়া স্বাপ্নিক।
বি এ অনার্স (অধ্যয়নরত), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
shopnilprantor09@gmail.com
সুন্দরতম লেখা। ভাল লেগেছে।
েমহবুব রোজা রাখে, নামাজ পড়ে, সৎ পথে চলে। এইটা তো ভয়ংকর কথা। নামাজ, রোজা, কোরআন শরীফ এখন কার্যত বাংলাদেশে নিশিদ্ধ। যে এগুলো মেনে চলবে সে আর কিছুই না, সে শুধুই "জংগী"। মেহবুব যেন ফজরের নামাজ শেষে একা একা বাসায় না ফেরে। তাহলে কিন্তু জংলী শাসক "জংগী" নামে একেবারে রিমান্ডে নিয়ে যাবে। মেহবুব এর জন্য দোয়া রইল।
এম. আমিরুল ইসলামকে "সুন্দরতম" লিখবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
73874
২
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরিফুল ইসলাম মারুফ লিখেছেন,
১৮ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ১১:৫৩
লেখাটিও সুন্দরতম লেখা । সাবলীল ও মননশীল লেখার জন্য ধন্যবাদ । রাবিতে আসলে দেখা হবে । ভালো থাকবেন ।
73961
৩
চবি থেকে এম আমিরুল ইসলাম লিখেছেন,
১৯ ডিসেম্বর ২০১১; বিকেল ০৪:৩২
ধন্যবাদ
74002
৪
সুইডেন থেকে ফারজানা মাহবুবা লিখেছেন,
১৯ ডিসেম্বর ২০১১; বিকেল ০৫:১৪
"তুমি সুন্দরতম"
অনেক সুন্দর লেগেছে।
74005
৫
গ্রামঃ পোঃ বাইশগাঁও থানাঃ মনোহরগঞ্জ, জেলা ঃ কুমিল্লা থেকে মিজানুর রহমান (সুমন) লিখেছেন,
২৩ ডিসেম্বর ২০১১; সকাল ০৮:২৬
আপনার লেখা অনেক ভাল লেগেছে লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
74287
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
েমহবুব রোজা রাখে, নামাজ পড়ে, সৎ পথে চলে। এইটা তো ভয়ংকর কথা। নামাজ, রোজা, কোরআন শরীফ এখন কার্যত বাংলাদেশে নিশিদ্ধ। যে এগুলো মেনে চলবে সে আর কিছুই না, সে শুধুই "জংগী"। মেহবুব যেন ফজরের নামাজ শেষে একা একা বাসায় না ফেরে। তাহলে কিন্তু জংলী শাসক "জংগী" নামে একেবারে রিমান্ডে নিয়ে যাবে। মেহবুব এর জন্য দোয়া রইল।
এম. আমিরুল ইসলামকে "সুন্দরতম" লিখবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।