|
নারী শিক্ষা, উন্নয়ন ও বাস্তবতা
মাহফুজুর রহমান মানিক |
|
৮ মার্চ ছিলো বিশ্ব নারী দিবস। অন্যান্য বছরের মত এবারও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পালিত হয় দিবসটি। ২০১০ এ এসে ১৯১০ প্রবর্তিত দিবসটির একশ বছর পূর্ণ হলো। ৮ মার্চই যদি নারী দিবস হয় বাকী দিনগুলো কী? অর্থাৎ অনেকে বলেন বছরের একটি দিন মাত্র নারীর আর বাকী দিনগুলো কী পুরুষের? তাহলে একদিন নারী দিবস নির্ধারণ করে প্রকারান্তরে নারীদের কী খাটো করা হলো। একদিকে চিন্তা করলে এ যুক্তি অমূলক নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো অবহেলিত নারীর ঘুরে দাঁড়ানোর সূচনাটা এ দিন ছিলো বলেই, দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নারী দিবসের অবতারণা। মূলত প্রত্যেকটি দিনই যেমনভাবে পুরুষের তেমনি নারীরও।
মূল বিষয় যাওয়ার প্রয়াসটা হোক একটা ধাঁধাঁ- বাবা আর ছেলে গাড়িতে করে কোথাও যাচ্ছে। পথে গাড়িটি এক্সিডেন্ট করলো। বাবা সাথে সাথেই মারা গেলেন। ছেলে আহত হলো। আহত ছেলেকে হাসপাতালে নেয়া হলো। ডাক্তার দেখানো হলো। রোগি দেখে ডাক্তার বললো, আমি এর চিকিৎসা করতে পারবোনা। এযে আমারই ছেলে। আসলে ছেলের সাথে ডাক্তারের সম্পর্ক কী?। উত্তরটা বলছি। তার আগে বলে নেই, অনেকের কাছে বিষয়টি রহস্য সৃষ্টি করেছে। উত্তর ‘ডাক্তার ছেলেটির মা’। এত সহজ ও স্পষ্ট উত্তরও আমাদের কাছে রহস্য। এটা কেন? যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক বিষয়টি গবেষণা করেছেন। তিনি দায়ী করেছেন অবচেতন মনকে। আমাদের অবচেতন মন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বড় কোন ব্যক্তি বলতেই মনে করেন পুরুষ। যখনই ভাবছি ডাক্তার তখনই অবচেতন মনে আমাদের সামনে একজন পুরুষের চেহারা ভেসে উঠে। এটা আমাদের মানসিক ব্যাপারও বটে।
নারী শিক্ষার ক্ষেত্রে এ মানসিকতা সবসময়ই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। দেশের প্রায় ৭৫ ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করেন। গ্রামের অধিকাংশ মানুষই মনে করেন তাদের মেয়েদের এসএসসির পর পড়ানো মানে বেহুদা খরচ। অনেকেতো তারও আগে মেয়েদের পড়াশোনা বাদ দিয়ে দেন। তাদের ভাবনা বউ, সংসার আর সন্তান উৎপাদনই মেয়েদের প্রধান কাজ। এর জন্য পড়াশোনার প্রয়োজন নেই। ফলে গড়ে ১৫ বছরেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। বউ হয়ে আবার পড়াশোনার সুযোগ কোথায়। ফলে দেশের একটা বড় অংশের মেয়েরা একটা পর্যায়ের পর নিশ্চিতভাবে পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়ছে।
শহরে বাকী যে ২৫ ভাগ মানুষ বাস করেন এর ১০ ভাগই বলা যায় অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করেন। যারা তাদের মেয়ে সন্তান কেনো পুত্র সন্তানদেরই পড়াশোনা করাতে পারেননা। বাকী থাকলো ১৫ ভাগ, যারা মনমানসিকতা, অর্থসম্পদে উচ্চমানের, এদের সন্তানরা ছেলে হোক মেয়ে হোক উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে। অবশ্য গ্রামেও অনেক আধুনিক চিন্তার অধিকারী মানুষ আছেন, সমস্যা হলো অর্থনৈতিক। মেয়েদের পড়াশোনার জন্য একদিকে পর্যাপ্ত প্রতিষ্ঠান নেই আবার দূরে বা শহরে পড়াশোনা করানোর মতো অনেকের সামর্থও নেই।
ধর্মীয় গোড়ামীর কারণেও অনেকে মেয়েদেরকে প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে চাননা। কবি নজরুল পঞ্চাশ বছর আগে এ বিষয়টি বলে গেলেও বাস্তবতা এখনও বলবৎ আছে। তার কবিতার লাইন-
‘বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে/আমরা তখনো বসে
বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজছি/কোরানও ফিকাহ চষে’।
নারী শিক্ষার প্রতিবন্ধকতা যেমন মানসিকতা, অর্থনৈতিক সমস্যা কিংবা গোঁড়ামি একই সাথে নিরাপত্তাও বটে। যেমন আজকের পিংকীরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে মুরাদ নামক নরাধমদের কারণে কিংবা ক্যাম্পাসে ছাত্রের হাতে লাঞ্চিত হচ্ছে ছাত্রী। নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেক অভিভাবক তার মেয়েকে প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে ভয় পায়।
এতসব প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও এ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আমরা বলতে পারবো আমাদের নারীরা এখন আর শিক্ষায় তেমন পিছিয়ে নেই। বেগম রোকেয়ার কাছে যখন শিক্ষা অফিসার গ্রাজুয়েট নারীর তালিকা পেয়েছে, তার সময়ে তিনি ক’জন পেয়েছেন, তার কথা-‘কিন্তু আমি বঙ্গের মাত্র একটি গ্রাজুয়েট এবং আগা মইদুল সাহেবের কন্যাত্রয় ব্যতীত আর কাহারো নাম দিতে পারি নাই। আর এখন শুধু গ্রাজুয়েটই নয় বিসিএস এর ২৮ টি ক্যাডারে পাঁচ হাজারের ও বেশী নারী কাজ করেন। আর গ্রাজুয়েশন করে অন্যান্য চাকরিতে তো নারীরা আছেনই।
আমাদের জাতীয় শিক্ষায় পুরুষের তুলনায় নারীর অনুপাতও একেবারে কম নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০০৫ এর তথ্য মতে, (তার আগে একটু বলে রাখি, অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এখন ২০১০ সাল আর পাঁচ বছর আগের পরিসংখ্যান এখানে দিতে হচ্ছে, শিক্ষামন্ত্রনালয় বা এর অধীনে যে ব্যানবেইজ আছে এরা কী প্রতি দু’বছর অন্তর অন্তর জাতিকে নতুন পরিসংখ্যান দেখাতে পারেনা?) প্রাথমিক স্তরে মোট শিক্ষার্থী ১ কোটি ৬২ লাখ ২৫ হাজার ৬৫৮জন এর মধ্যে ছাত্রী ৮১লাখ ৩৪হাজার ৪৩৭জন। এখানে ছাত্রী অর্ধেকের চেয়ে একটু বেশী। মাধ্যমিকের চিত্র আরেকটু ভালো, মোট শিক্ষার্থী ৭৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫২জন, ছাত্রী ৩৮ লাখ ৬৮ হাজার ১৪জন। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের এ দু’টি পরিসংখ্যান থেকে আরেকটু দেখার বিষয় হলো প্রাথমিকে মোট শিক্ষার্থী ১কোটি ৬২ লাখ হলেও মাধ্যমিকে এ সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র প্রায় ৭৪ লাখ অর্থাৎ অর্ধেকের বেশী ছেলে এবং মেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা হতে ঝরে গেছে। বিষয়টা উদ্বেগেরই বটে।
কলেজ লেভেলে এসে (এইচএসসি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি, স্নাতক, স্নাতকোত্তরসহ) ছাত্রী সংখ্যা কিছুটা কমলেও হতাশ হওয়ার মতো চিত্র নয়, মোট শিক্ষার্থী ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ২৪৬ জন, ছাত্রী ৫লাখ ৬৯ হাজার ৩৩৭ জন। বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবলিক ও প্রাইভেট) এসে অবশ্য আনুপাতিক হারে ছাত্রী বেশ কমে গেছে, মোট শিক্ষার্থী ২লাখ ৭হাজার ৫৭৭ জন, ছাত্রী ৪৯ হাজার ৮৬৭জন। আমাদের নারী শিক্ষার তুলনামূলক চিত্র খুব বেশী খারাপ নয়। ২০০১ এর শেষ ও চতুর্থ আদম শুমারী অনুযায়ী পুরুষ এবং নারীর অনুপাত যথাক্রমে ১০৩.৮:১০০। আবার নারী শিক্ষার এ চিত্র আরো পাঁচ বছর আগের সে হিসেবে বর্তমানে এ সংখ্যা বাড়বে নিঃসন্দেহে।
এ বছরের নারী দিবসের শ্লোগান হলো, Equal rights, equal opportunities: progress for all অর্থাৎ সম অধিকার, সম সুযোগ: সকলের উন্নয়ন। বিশ্বায়ন আর একবিংশ শতককে মাথায় নিয়ে এ শ্লোগান কতোটা প্রাসঙ্গিক। কারণ নারীর অধিকার নিয়ে অনেক অনেক আগ থেকেই বলা হচ্ছে, সুযোগের কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবতা হলো আগ থেকে এগুলো বলা হলেও যথাযথ বাস্তবায়ন কিন্তু এখন ও হয়নি। শ্লোগানটির সার্থকতা হয়তো এখানেই। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের (Declaration of human rights) মানবাধিকার ঘোষণার প্রথম অনুচ্ছেদটিই WUB (All human beings are born free and equal in dignity) নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানবের সমতা নিশ্চিত করেছে। আমাদের সংবিধানের ১৭ নং ধারা নারীর শিক্ষার অধিকার এবং ২৮ নং ধারার চারটি অনুচ্ছেদই নারীর সকল অধিকারকে প্রতিনিধিত্ব করেছে। নারীর অধিকার নিয়ে ১৯৭৯ সালের সিডও (CEDAW) সম্মেলন বেশি আলোচিত। ১৯৯৫ এর বেইজিং সম্মেলন এবং ১৯৯০ এর জমতিয়েনে সকলের জন্য শিক্ষা (EFA) সম্মেলন নারী শিক্ষার মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়।
এসব গেলো নারীর অধিকার কথা। অধিকার দিলেই কেউ কাজ করতে পারেনা। যদিনা তাকে সুযোগ দেয়া হয়। এবারের শ্লোগান তাই একসাথে অধিকার এবং সুযোগের কথা বলেছে। এ সুযোগের বিষয়ে আমাদের রাষ্ট্রের কিছু পদক্ষেপ লক্ষণীয়-যেমন নারীকে শিক্ষায় উৎসাহিত করতে ১৯৯৪ সাল থেকে চালু করেছে ছাত্রী উপবৃত্তি। মাধ্যমিকে এ উপবৃত্তি দেয়ায় বাস্তবে দেখা গেলো ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বেশি স্কুলে যাচ্ছে। এরপর ২০০২ সালে চালু হলো উচ্চমাধ্যমিকে উপবৃত্তি। ছাত্রীদের বেতন মওকুফ করা হলো। আবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষতায় মেয়েদের অগ্রাধিকার দেয়া হলো। মাত্র এসএসসি পাশ করেও অনেক মেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েছে। বর্তমানে সরকারি গেজেটেড চাকরিতে শতকরা ১০ ভাগ এবং নন-গেজেটেড চাকরিতে ১৫ ভাগ নারী কোটা রয়েছে। ১৮ টি জেলা সদরে মেয়েদের জন্য রয়েছে মহিলা কলেজ এছাড়া স্বাতন্ত্র্যভাবে মেয়েদের জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসকল সুযোগ যে মেয়েদের জন্য যথেষ্ট না কিন্তু নয়। তবে এগুলো একটা প্রয়াস।
সমাজের বা দেশের উন্নতির জন্য নারী পুরুষ উভয়কেই ভূমিকা রাখতে হয়। নারীদের বেশি সুযোগ দিলে তারাও আমাদের উন্নতির জন্য সমানভাবে ভূমিকা রাখতে পারে। নারীরা এখনও সে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। দেশের উন্নতিতে অনেক সেক্টরেই নারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। পোশাক শিল্প বর্তমানে দেশের অন্যতম শিল্প, আমাদের নারীরা এ শিল্পে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছেন। নারীদের সুযোগের পাশাপাশি নিরাপত্তা বড় একটি বিষয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি আমরা দেখেছি এ নিরাপত্তার অভাবেই ১৫ নারী শ্রমিকের আগুনে মৃত্যু হয়েছে। অহরহ নারী নির্যাতন, ধর্ষণ আর লাঞ্চনার খবর পত্রিকায় দেখি। কর্মক্ষেত্রে ও এসব ঘটছে নিত্যদিন। অনেক নারী নিজ ঘরেও নির্যাতিত হোন, যেগুলোর সংবাদ গণমাধ্যমে আসেনা। নারীদের বিষয়ে আরো অভিযোগ হলো নারীরা পুরুষদের সমান কাজ করেও সমান মজুরি পাননা। নারীদেরকে দেশের সার্বিক উন্নয়নে এগিয়ে আনতে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আজকে বিশ্বব্যাপী নারীর জাগরণ হয়েছে। বাংলাদেশে ও তার ছোঁয়া লেগেছে। নারীরা উচ্চ শিক্ষিত হয়ে সকল সেক্টরে ভূমিকা রাখছে। তবে অনেক সময় আমরা নিজেরাই সেটা মেনে নেইনা। এ প্রসঙ্গে একটা ঘটনার কথা বলা যেতে পারে। বাংলাদেশি এক শ্রমিক বিদেশে কাজ করতে যাবে। সকল কিছু সেরে বিমান বন্দরে এসেছে। বিমান চড়েই তার যায়যায় অবস্থা। সুস্থ মানুষ হঠাৎ বিমান চড়ে অসুস্থ। সবাই তাকে ধরাধরি করে শুশ্রুষা করছে। শ্রমিকের ভাবটা এমন যেনো সে ভয় পেয়েছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কী সমস্যা, কোন সমস্যা নয়। অবশেষে জানা গেলো বিমান চালক (পাইলট) কে দেখে তার এ অবস্থা। কারণ চালক ছিলো একজন মহিলা। লোকটা ভেবেছে একজন মহিলা কিভাবে বিমান চালাবে, সে তো নির্ঘাৎ অ্যাক্সিডেন্ট করবে। তার ভাবনা বিমান শুধু পুরুষরাই চালাতে পারে, নারীরা নয়।
অবশ্য আমাদের এ মানসিকতারও কারণ আছে। নারীদের অতীত থেকে বিশ্ব সেভাবেই ভেবে আসছে। জার্মানীর স্বৈরাচারী নায়ক হিটলারের নারী ভাবনা women’s place in bed, the kitchen and church. ইতালির মুসোলিনী বলতো- Stay home and breed soldiers. আমেরিকার ধর্মযাজকরা শতাধিক বছর আগেও Women: keep them bare foot and pregnant. অবশ্য আজকের বিশ্ব নারী সম্পর্কে এসব ধারণা থেকে পিছিয়ে আসছে। নারীদের কাজ ঘরে হোক কিংবা বাইরে সেগুলোর স্বীকৃতি দিচ্ছে। নারীর house wife বা গৃহিনীর কাজও এখন বিশ্বে house maker এর কাজ হিসেবে স্বীকৃত।
কবি নজরুল যথার্থই বলেছেন-
বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।
নারী শিক্ষা দিয়ে শুরু করছিলাম। আজকে নারী জাতি যত শিক্ষিত হবে আমাদের উন্নয়নের পথ ততই শানিত হবে। শিক্ষা আর উন্নয়ন দুটি একটি অপরটির পরিপূরক। নারীরা শিক্ষিত হয়ে কোন চাকরি না করলেও তারা উন্নয়নে অনেক ভূমিকা পালন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে নেপোলিয়ানের কথাটি না বললেই নয়। তিনি বলেছেন- তুমি আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি উপহার দেবো। শিক্ষিত জাতি মানেই উন্নত জাতি। বেগম রোকেয়া যেমন নারীদের সমাজের অর্ধাঙ্গী কল্পনা করেছেন, তেমনি প্রত্যেক পুরুষকে তার স্ত্রীকে অর্ধাঙ্গী হিসেবে দেখা উচিত। তাদের মেয়ে সন্তানদের মনে করা উচিত আগামী দিনের যোগ্য নাগরিক।
আমাদেও রাষ্ট্র যদি রাষ্ট্রীয় উন্নতি চায়, সকলের অধিকার নিশ্চিত করতে চায় অবশ্যই নারীদের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। নারীর শিক্ষার সুবিধা আরো বাড়াতে হবে। চীনাদের যে প্রবাদ, ‘যদি একশ বছরের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করো তবে মানুষকে শিক্ষিত করে তোলো। এখানে নারী শিক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে শুধু রাষ্ট্রকেই নয় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদেও দৃষ্টিভঙ্গিও ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। এরপর নারী পুরুষ সকলের প্রচেষ্টায় আমরা দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।
E-mail: - mahfuz.du@yahoo.com
|
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/MahfuzurRahmanManik |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
|
অামাদের নারীরা অাসলেই এিগয়ে..
মানসিকতা অামােদর মূল সমস্যা..