প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের সময় ১১ জানুয়ারি হায়দারাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর প্রকাশিত ৫০ দফার যৌথ ইশতেহার বাস্তবায়ন অনেকটা ঝড়ের গতিতে চলছে। এই বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া সমন্বয় করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমানকে নিযুক্ত করা হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের চুক্তিনামা কিংবা ইশতেহার বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়ার সমন্বয় করার দায়িত্ব পালন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ বানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার মাধ্যমে চলছে এই বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথ ইশতেহার বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া সমন্বয়ের দায়িত্বই কেবল হারায়নি, বরং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোটা ভারত সফর এবং এই সফরের সময় সই হওয়া চুক্তি ও গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে যৌথ ইশতেহার প্রণয়ন-প্রক্রিয়াতেও সেগুনবাগিচার এই মন্ত্রণালয়ের তেমন কোনো কাজ ছিল না। বরং ভারতে রাজনৈতিক বিবেচনায় চুক্তি ভিত্তিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার বিশিষ্ট কূটনীতিক আহমেদ তারেক করিম সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে এই ইশতেহার প্রণয়নে বাংলাদেশের ইনপুট দিয়েছেন। যৌথ ইশতেহার চূড়ান্ত করার সময় তা দেখে দিয়েছেন ড. মশিউর রহমান। ফলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিকদের দরকষাকষি দূরে থাক যৌথ ইশতেহারের দাঁড়ি-কমা পর্যন্ত ঠিক করার কোনো দায়িত্ব ছিল না। লক্ষণীয়, যৌথ ইশতেহারের মোটা দাগের ইস্যুগুলো ভারতের উদ্বেগ নিরসন করতে দিল্লির প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে এ রকম ইস্যুকে ভারতের এজেন্ডা হিসেবে অভিহিত করা যায়। যদিও যে কোনো ইস্যু নিষ্পত্তি হলে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষার উপাদান তাতে থাকে। বাংলাদেশের উদ্বেগ নিরসনে যেসব প্রস্তাব ঢাকা করেছে সেগুলো দিল্লির এজেন্ডার তুলনায় নিতান্তই নগণ্য। এই প্রেক্ষিতে বলা যায়, গোটা যৌথ ইশতেহার ছিল অনেকটাই একতরফা। দিল্লির স্বার্থ রক্ষা হয়েছে সেখানে বেশি। ঢাকার যে গুটিকয়েক ছোটখাটো এজেন্ডা যৌথ ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, দিল্লির এজেন্ডাগুলোর তুলনায় যেগুলো নিতান্তই সামান্য, সেগুলোর বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়াও একেবারে থেমে আছে কিংবা নানা কারিগরি জটিল শর্তে আটকে দিয়ে বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় নিক্ষেপ করা হয়েছে।
যৌথ ইশতেহারে দিল্লির সবচেয়ে বড় উদ্বেগ নিরসন করা হয়েছে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে তাদের পণ্য পরিবহনের সুযোগ হিসেবে ট্রানজিট প্রদানের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। আশুগঞ্জকে ‘পোর্ট অব কল’ ঘোষণা করে এবং চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরকে ভারতীয় পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহার করতে উন্মুক্ত করে দিয়ে দিল্লির দীর্ঘদিনের দাবি করা একটি উদ্বেগ নিরসন করেছে ঢাকা। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিগত বিএনপি সরকারের আমল থেকেই ভারত আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করে ত্রিপুরার পালাটানা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ভারী সরঞ্জামের চালান (ওভার ডাইমেনশনাল কনসাইনমেন্ট-ওডিসি) পরিবহনের অনুমতি চেয়ে আসছে। ভারতের বক্তব্য, এই ওডিসি অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ত্রিপুরায় পরিবহন সম্ভব নয়। অর্থাৎ ভারত চায়, আশুগঞ্জ পর্যন্ত নদীপথে ওডিসি পরিবহন করে অবশিষ্ট অংশ সড়কপথে ত্রিপুরায় নিয়ে যেতে। বিএনপি সরকার ভারতকে ট্রানজিট প্রদানে বিরোধী ছিল বলে এই চালান পরিবহনে অনুমতি দিতে রাজি হয়নি। এই ভারী সরঞ্জামের চালান ত্রিপুরায় নিয়ে যেতে পারলে সহজেই প্রমাণ হয়ে যেত, বাংলাদেশ ইচ্ছা করলেই ভারতকে আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করে ট্রানজিট দিতে পারে। ফলে ভারতের ট্রানজিট পাওয়ার দাবি যৌক্তিক বলে প্রমাণ হতে পারে এমন আশঙ্কাতেই বেগম জিয়ার সরকার ওডিসি পরিবহনে অনুমতি দেয়নি।
ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং অবকাঠামোসুবিধার অভাবই শুধু বাধা এমন নয়। বরং বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনে ভারতের কাছ থেকে বাণিজ্যসুবিধা আদায় এবং অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানি বণ্টনে চুক্তি করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দরকষাকষির হাতিয়ারও ছিল এই ট্রানজিট ইস্যু। যদিও বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে, ভারতকে ট্রানজিটসুবিধা দিলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে, কিন্তু সেই লাভ-ক্ষতির হিসাব করার জন্য স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কোনো পরীক্ষা বা গবেষণা না করেই আশুগঞ্জ নদীবন্দর এবং চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনে ভারতকে ট্রানজিট দেওয়া হয়েছে।
যৌথ ইশতেহারের ২২ নম্বর দফায় আশুগঞ্জ বন্দরকে শুধু ওডিসি পরিবহনের জন্যই নয়, বরং ‘পোর্ট অব কল’ ঘোষণা করে সার্বক্ষণিক পণ্য পরিবহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেই আলোকে এই দফার বাস্তবায়ন করতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান নদীপথে ট্রানজিটের প্রটোকল সংশোধন করা হয়েছে খুবই দ্রততার সঙ্গে। এখন ওডিসি পরিবহনের লক্ষ্যে আশুগঞ্জ থেকে ত্রিপুরা পর্যন্ত সড়কপথ প্রস্ত্তত করা হচ্ছে। ওডিসি পরিবহনের পর থেকেই সব ধরনের পণ্য ট্রানজিটের লক্ষ্যে এই পথ খুলে দেওয়া হবে।
যৌথ ইশতেহারের ২৩ নম্বর দফায় ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহারে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই দুটি বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করতে ভারতকে সড়ক ও রেলপথ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথাও এই দফায় বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে ভারত যাতে ট্রানজিট কার্যকর করতে পারে তার বাস্তবায়নে কোনো প্রকার বিলম্ব না করে কারিগরি সব প্রস্ত্ততি সম্পাদন করছে বাংলাদেশ। যেমন ট্রানজিট কিংবা ট্রানশিপমেন্ট চালু হলে তার জন্য বাংলাদেশকে ভাড়া বাবদ যে রাজস্ব দেবে ভারত তার হার নির্ধারণ করে সদ্য ঘোষিত বাজেটের পর পরই এসআরও জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই ঘোষণায় প্রতি টন পণ্য ট্রানজিট কিংবা ট্রানশিপমেন্টের জন্য রাজস্ব হার নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার টাকা। এক্ষেত্রে এক টন লোহা পরিবহনের জন্যও এক হাজার আবার এক টন সোনা পরিবহনের জন্যও এক হাজার টাকা রাজস্ব দিলেই চলবে!
এনবিআর ঘোষিত এসআরও মোতাবেক, ভারত তাদের দেশের যানবাহন ব্যবহার করে পণ্য আনা-নেওয়া করলে তাকে ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের যানবাহন ব্যবহার করলে সেটাকে ট্রানশিপমেন্ট বলা হবে। উভয় ক্ষেত্রেই রাজস্বের পরিমাণ একই অর্থাৎ প্রতি টনে এক হাজার টাকা। তবে রাজনৈতিক মহলে বহুল আলোচিত করিডোরের কোনো সংজ্ঞা এনবিআর না দিলেও বলা যায়, বাংলাদেশ যদি ভারতকে কোনো একটি রাস্তা ব্যবহারে অনির্দিষ্টকাল কিংবা নির্ধারিত সময়ের জন্য লিজ দিয়ে দেয় যার ওপর বাংলাদেশের কোনো সার্বভৌম অধিকার থাকে না কিংবা বাংলাদেশের যানবাহনও ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারে না সেটাকেই করিডোর বলা হবে। সুতরাং এটা স্পষ্ট, যৌথ ইশতেহারের মাধ্যমে ভারতকে কোনোভাবেই করিডোর দেওয়া হচ্ছে না। ট্রানজিট কিংবা ট্রানশিপমেন্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে বাস্তবে মনে হচ্ছে, চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহার করে ভারত কার্যত তাদের পণ্য ট্রানশিপমেন্টই করতে পারবে।
যৌথ ইশতেহারের ২৪ নম্বর দফার আলোকে আখাউড়া ও আগরতলার মধ্যে ট্রেন চালুর বিষয়ে রাজি হয়েছে উভয় পক্ষ। রেলওয়ে খাতে সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভারতের রেলমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি শিগগিরই বাংলাদেশে আসছেন। আখাউড়া-আগরতলা রেল চালু হলে সেটার মাধ্যমে কন্টেইনার সার্ভিস চালু হবে। ফলে ট্রানশিপমেন্ট পয়েন্ট হিসেবে আশুগঞ্জ অনেক বেশি কার্যকর হবে। যদিও যৌথ ইশতেহারের ৪০ নম্বর ধারা মোতাবেক, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী দুই দেশ যৌথভাবে উদযাপনের অংশ হিসেবে ‘সোনার তরী’ নামে একটি স্মারক ট্রেন ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে চালুর বিষয়টি উদ্বোধন করতেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ঢাকা আসছেন, তবুও রেলওয়ে খাতে কন্টেইনার সার্ভিস চালুর সামগ্রিক বিষয়টিও এই সুযোগে তিনি আলোচনা করবেন। অনেকটা কালচারাল ডিপ্লোম্যাসি ব্যবহার করে সহযোগিতা জোরদার করাই লক্ষ্য।
এ ছাড়াও, যৌথ ইশতেহারে সাবরুম-রামগড় এবং দেমাগিরি-তেগামুখে শুল্ক স্টেশন, সীমান্তের কয়েকটি স্থানে বর্ডার হাট স্থাপনের মতো ইস্যু অন্তর্ভুক্ত হয়েছে দিল্লির প্রস্তাবিত এজেন্ডা হিসেবে। এগুলো বাস্তবায়নে যথেষ্ট অগ্রগতি আছে। নিরাপত্তা খাতে সই হওয়া তিনটি চুক্তিই হয়েছে ভারতের প্রস্তাবে। এগুলো হলো অপরাধ বিষয়ে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির হস্তান্তর চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অবৈধ মাদক প্রতিরোধ চুক্তি। নিরাপত্তা পরিষদে ভারতকে সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকারও করা হয়েছে দিল্লির প্রস্তাবে।
বাংলাদেশের উদ্বেগ নিরসনে ঢাকার এজেন্ডা হিসেবে যৌথ ইশতেহারে যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তার মধ্যে ‘একক সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ’ ইস্যু হলো তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়। যৌথ ইশতেহারের ২৭ নম্বর দফায় উভয় প্রধানমন্ত্রী দ্রুত তিস্তার পানি বণ্টনে আলোচনা শেষ করে চুক্তি করার কথা বলেছেন। কিন্তু এই আলোচনা এখন ক্রমেই জটিলতার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। খুব শিগগিরই তিস্তার পানি বণ্টনে কোনো চুক্তি সই হবে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ, কারিগরি দিক থেকে ভারত দীর্ঘমেয়াদে তিস্তার পানির প্রবাহ পর্যবেক্ষণ করতে চাইছে। পানি বণ্টনে অভিন্ন কোনো ফর্মুলাও হয়নি।
বাংলাদেশের এজেন্ডা হিসেবে আরেকটি ইস্যু অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যৌথ ইশতেহারের ২৬ নম্বর দফায়। সেখানে বলা হয়েছে, নেপালে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহারের জন্য রোহনপুর-সিঙ্গাবাদ ব্রডগেজ রেলওয়ে লাইন ব্যবহার করা হবে। এ বিষয়ে ভারতও সম্মত কিন্তু বাস্তবায়নে অগ্রগতি নেই। যৌথ ইশতেহারের ৩৮ নম্বর দফায় বাংলাদেশকে রেলওয়ে, নদীপথ ও সড়কপথে অবকাঠামো উন্নয়নে ভারতের ১০০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে। এটা একক কোনো দেশকে ভারতের সর্বোচ্চ পরিমাণ ঋণসহায়তা। এ বিষয়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে যাতে কিছু অগ্রগতি আছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বিষয়টি নিজে তদারক করছেন। এ নিয়ে আলোচনা করতে তিনি ভারত সফরও করছেন। ভারত থেকে আড়াই শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনা যাবে বলে যৌথ ইশতেহারের ৩১ নম্বর দফায় বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এখনো চলছে। তবে এরই মধ্যে যৌথ ইশতেহারের বাইরে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় ঠিক করা হয়েছে, কয়লাভিত্তিক ১৩০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র ভারতীয় সহায়তায় নির্মিত হবে।
যৌথ ইশতেহারে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করে ঢাকা অভিন্ন সব নদীর পানি বণ্টনে একটি আমব্রেলা চুক্তি উপস্থাপন করতে পারত। এক্ষেত্রে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিকে মডেল হিসেবে ধরা যায়। বিপুল পরিমাণ বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনে এবং অশুল্ক বাধা অপসারণে সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ যৌথ ইশতেহারে নেই। এসব বিষয়ে দুই দেশের মান নির্ধারণী সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সনদ গ্রহণের অঙ্গীকারসংবলিত একটি চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও সেটা হয়নি। বাংলাদেশের তরফে বাণিজ্য ও পানি বণ্টন ইস্যুটি বড় উদ্বেগ আকারে থাকলেও যৌথ ইশতেহারে এ দুটি ইস্যু এসেছে গতানুগতিকভাবে, বরফ গলার কোনো উপাদান তাতে নেই, যেমন বরফ গলেছে ভারতকে ট্রানজিট দেওয়ার ক্ষেত্রে। এমনকি সড়কপথে ভুটানে পণ্য পরিবহনের লক্ষ্যে চ্যাংড়াবান্ধা থেকে জয়গাঁ পর্যন্ত ১৩২ কিলোমিটার ট্রানজিট নিয়ে কোনো কথা যৌথ ইশতেহারে নেই। নেই নেপালে সড়কপথে ট্রানজিটের কথাও।
(সুত্র, সাপ্তাহিক বুধবার, ৮/০৭/২০১০)
this is my advice:1. kicked out indian embassy. [No 2. deleted by moderator] 3.make a fence with all along the border so no indian can come to our land and can"t kill our people. no import from india. 5.ask for return $billions property the indian army steals in 71 war.6. you can"t expect any thing from india.
25970
২
kuwait থেকে hussain লিখেছেন,
০৯ জুলাই ২০১০; রাত ০২:৩৬
awami league is doing good by giving transit to india, because india is friend country. bnp jamati people have no knowledge about forgein relation so they against tarnsit to india. all bnp jamati are illiterate. but awami league is talent and hasina has many phd on foreign relation.
25971
৩
London থেকে M. Hussain লিখেছেন,
০৯ জুলাই ২০১০; রাত ০৩:৩২
It seems that this Awami League came in power to fulfil India's demand and desire. So they are busy to make their masters of India happy. Even though Bangladesh's interest & sovereignty is stamped. It also shows that Awami League is careless & not bothering about the interests of the country.
25977
৪
finland থেকে saiful লিখেছেন,
০৯ জুলাই ২০১০; সকাল ০৬:৫২
PM forgot add that whether the people of Bangladesh, cow slaughter in Delhi india, yes, PM Hasina, the way how the transactions are automatically, or confused, Bangladesh, independence, continue in the same way, monmonsig, helped you,
26000
৫
dhaka থেকে azam লিখেছেন,
০৯ জুলাই ২০১০; সকাল ০৯:৩৭
Only Indian razakar minded people like Hussain wants to give transit to India unconditionally. He also wants presence of Indian security force at Dhaka airport unconditionally. Real freedom fighter can not agree on these type sensitive matters unconditionally. What Bangladesh will gain from transit? Big carrot! India never gives anything to any of its neighbor. India only takes. What India has done good to any of its neighbor? Do any of India�s neighbors like her? Hasina gave blind check to India to stay in power. She cares less about the country. She will retire in USA. No way will she live in Bangladesh when she is not prime minister.
26010
৬
kuwait থেকে husaain লিখেছেন,
০৯ জুলাই ২০১০; দুপুর ০১:৩৮
Dear readers
I always reading base less comments of many fool bnp jamaat supporter and answering continuously but seeing same comments next days with out getting any logical answer from those peoples. its means they make mind they will write this even these right or wrong as bnp trying to make zia main stream of our independence war which started immediate after Pakistani independence in 1949.
Many always claiming awami are agent of India and come in power by Indians vote. I asking one question from them. If India is so helpful to awami how zia and bnp was in power longest time after killing bangabandhu? Why awami lose the election in 2001 election? Is India was lose their capacity for keeping awami out of power for that time only? Or bnp was win heart of India or they are supported by anti congress power like bjp and siv shena as bnp also same ideological power means fundamentalist. I know no bnp supporter have any logic answer except using bad word or take diversion by ignoring this question.
26039
৭
কক্স বাজার থেকে বেরসিক লিখেছেন,
০৯ জুলাই ২০১০; রাত ০৯:৪৮
৬
kuwait এর husaain কে সহ সকল ডিজিটাল ওরফে ডিফিকাল্ট বন্ধুদের বলছি
ইতিহাস কিন্তু বড়ই নিষ্ঠুর।
26102
৮
kuwait থেকে hussain লিখেছেন,
১০ জুলাই ২০১০; রাত ১২:১৬
Berosik from Coxs bazar
you did not reply my logic. now talking about history. but you should know history is cruel with bnp jamati. because they are illiterate and no knowledge with no university. but history with awami league is not cruel. because hasina has many phd on history. you can not answer my logic with history.
26122
৯
saudi থেকে momin লিখেছেন,
১০ জুলাই ২০১০; রাত ১২:৫৩
hey hussein, I m sure that u r a Indian brammonor Indian rajakar.
26126
১০
USA থেকে Ananya Parvin লিখেছেন,
১০ জুলাই ২০১০; রাত ০২:৩৯
BAL is an Indian instrument to transform Bangladesh into a vassal state....
26130
১১
kuwait থেকে hussain লিখেছেন,
১০ জুলাই ২০১০; সকাল ০৫:২১
momin
you bnp jamati supporter can not reply my logic and only say against india. because all bnp jamati and their supporters are illiterate with no knowledge university. I am not indian, but I support awami league and hasina as she has many phd.
Ananya Parvin
you are wrong. awami league is not do vejal in bangladesh...bnp jamati do all vejal.. because bnp jamati are illiterate and awami league is very literate with hasina many phd.
26142
১২
kuwait থেকে hussain লিখেছেন,
১০ জুলাই ২০১০; সকাল ১১:০০
Dear moderator
Why editor not providing any password and proper mail requirement for posting comments? Now I am seeing any name or any false e-mail number also excepting by your system which not happening in others news paper.
From 4-5 days I am seeing some one writing in my name which is not matching with my view and idea (i.e. comments # 8 and 11) because no one is eating his trash comments even by his party supporters. So he is hiding him behind my name. So I hope you will provide some restriction for not make the forum basket of offal. Thanks
26168
১৩
কক্স বাজার থেকে বেরসিক লিখেছেন,
১০ জুলাই ২০১০; রাত ০৮:১৩
িমঃহোসাইন কুয়েত কে
ইতিহাসের উপর আমার কোন সনদ নেই আপনার নেত্রীর মত।
তবে সামান্য যে ইতিহাস পড়েছি তাতে ১৯৭৫ সালটা খুবই নিষ্ঠুর মনে হয়েছে।
আপনার সাথে বিতর্কের ইচ্ছাও আমার নাই,কারন আপনার চোখে আওয়ামী চশমা।
আপনার নেত্রীর ডক্টরেট ডিগ্রীর কথা লছেন ? শুনেন
মরা গরুর গোশত যদি কিনে খাওয়া লাগত শকূনের তাহলে কতটুকু সম্ভব হতো আর আপনার নেত্রীর যদি পড়া লেখা করেই উক্ত ডিগ্রী নিতে হতো তাহলে আদৌ সম্ভব হতো কিনা ,একটু ভেবে দেখবেন?
ভাই আর একটু আবদার,কিছু মনে করবেননা
আচছা ভাই আপনার ইতিহাসে সেঞ্চুরী(মানিক ভাইয়ের মত ধর্ষনের)কয়টা আছে ?
এছাড়াও ধন্যবাদ, শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি ভিক্টোরিয়া, বিসি থেকে এ.কে. আজাদ, ঢাকা থেকে আযম, কক্সবাজার থেকে বেরসিক এর সুচিন্তিত যথার্থ মন্তব্যর জন্য।
ধিক্কার জানাই হিন্দুস্তানের তাঁবেদারদের ভুয়া নাম ব্যাবহার করে মুমিন মজলুম জনতার মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি করার অপচেষ্টা কে। কেউ হয়তো বলবেন, তাদের দোষ কি? তাদের কে ভাড়া করা হয়েছেই এ কাজের জন্য।
তাদের ("কুয়েত" থেকে "হুসেইন" নামক হিন্দুস্তানী তাঁ্বেদার, কানাডা থেকে "প্রিন্স" নামক মালুদা, আরো বিভিন্ন নামধারী হিন্দুস্তানী কিছু সং এর কর্মকান্ড উল্লেখযোগ্য) যোগ্যতায় তারা সঠিক কাজটাই করছে। তাহলে বলতে হবে জগত শেঠ উঁমিচাদ মীর জাফর রাও সঠিক কাজ ই করেছিলো।
"আওয়ামি" ঊর্দু শব্দ। "লীগ" ইংরেজিতে ব্যবহৃত শব্দ। "আওয়ামী লীগ" বাংলাদেশের পক্ষে কাজ না করে হিন্দুস্তান ও ইংগ-মার্কিনি ইয়াহুদীবাদি লবীর তালে তালে নাচবে এতে অবাক হবার কিছু নাই।
এখন যে অবস্থা ১৯০৫ সালের বংগ-ভংগের পরে আবার নতুন করে মুমিন বাংগালীর জন্য জমিন ভিটে মাটি আলাদা দেশ এর দরকার হয়ে পড়েছে।
ইয়াহুদিবাদি ও হিন্দুস্তানী শকুন এর কুনজর পড়েছে মুমিন বান্দার আবাসস্থল বাংলাদেশের ওপর। মুসলিম বাংলাদেশীরাই এখন মুসলিমদের আবাসভুমি বাংলাদেশে নিগৃহীত।
আওয়ামী আমলে, আর ফখরু মঈনু এর কেয়ারটেকার আমলেই যতো মালু দাদাদের খোশ রাখার প্রচেষ্টা চলেছে, চলে আসছে এখনো। ইসলাম এর বিরুদ্ধে অনেক রকম জঘন্য কাজ কর্ম যা ভাষায় বর্ণনা করতেও সভ্য সচেতন ব্যাক্তির বিবেকে লাগে তাই তারা নির্দ্বিধায় চালু রেখেছে।
ধর্ম নিরপেক্ষ সাদ্দাম হোসেন যেমন মার্কিনিদের তালে তালে চলে লাভ করতে পারে নাই, বরং নিজের ও নিজের পরিবারের তো করুন অবনতি ডেকে এনেছিলোই, সাথে সাথে ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানে গুনে সমৃদ্ধ মুসলিম দুনিয়ার গুরুত্বপূর্ন দেশ ইরাক এর ভাই বোনদের ওপর নেমে এসেছে কাফের মার্কিন ইয়াহুদিবাদি লবি নিয়ন্ত্রিত সমাজের চরম অবমাননাকর, বেদনাদায়ক অত্যাচার, হত্যা রাহাজানি আরো অনেক অকল্পনীয় অবর্ননীয় দুঃখ কষ্ট।
বাংলাদেশের তেমন মালু্দাদাদের পা্চাটা গোলাম যারা আছেন তারা যে শুধু নিজেদের জন্যি বিপদ ডেকে আনছেন তাই নয়। বরং পুরো মুমিন ঈমানদার তৌহিদি জনতার জন্যই এক বিপদ সন্কেত হয়ে দেখা দিয়েছেন। তেমন পশ্চিমা ও হিন্দুস্তানী (দু দল'ই ইয়াহুদিবাদীদের বড় প্রানের দোস্ত) তাঁবেদারদের মাঝে আছে যেমন আওয়ামী লীগ, কমিউনিষ্ট পার্টি আরো প্রভৃতি বেঈমান নিমকহারাম জগত শেঠ রায় চাঁদরা। তেমনি রয়েছে তথাকথিত সুশিল সমাজ, বুদ্ধিজীবি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষনা কেন্দ্রে, সাংস্কৃতিক সংগঠনে বিভিন্ন অনুচর যারা এদেশকে হিন্দুস্তানের প্রদেশ করার অপচেষ্টায় ব্যাস্ত।
র', মোসাদ, সি.আই.এ, প্রভৃতি ইয়াহুদিবাদি নিয়ন্ত্রিত সমর্থিত সন্ত্রাসী সংগঠন এর কুনজর পড়েছে বাংলাদেশের ওপর। তাই এখন সমাজে যত রকমের অনৈতিক কর্মকান্ড, আচরন কুফরি কর্মকান্ড তারা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন মিডিয়া তাদেরই নিয়ন্ত্রনে। ইত্তেফাক, প্রথম আলো, জনকন্ঠ, ডেইলী স্টার, একুশে টিভি তার মাঝে অগ্রগন্য।
এমনো শোনা যায় একুশে টিভি সংখ্যালঘু কোনো এক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বই শুধু করে থাকে।
তাছাড়া হিন্দুস্তানের নির্লজ্জ তাঁবেদারের তালিকায় আপনি পাবেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মী, ওয়ালিউর রহমান নামক প্রাক্তন সচিব ও আরো অনেকে।
তাই বাংলাদেশীদের সচেষ্ট হতে হবে নিজেদের শুধু ঈমানে বলীয়ান করে মজবুত বুনিয়াদে এগিয়ে যাওয়া নয়, বরং আরো বিস্তৃতভাবে মুমিন মুজাহিদ মুজাদ্দেদদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য তাবত দুনিয়ার বিশেষ করে ভ্রাতৃস্থানীয় দেশসমুহের সাথে সুদৃড় সম্পর্ক স্থাপন করে দুনিয়ার বুকে মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ মতন ইজতেহাদ করার দিকে এগিয়ে যাওয়াতে। ইজতেহাদ হতে হবে মুমিন মুসলিম দেশের সাথে দ্বীন এর ইলম বাড়ানো নিয়ে। হতে হবে জ্ঞান বিজ্ঞান নিয়ে, হতে হবে সাংস্কৃতিক সামাজিক অর্থনৈতিক ধার্মিক সামরিক বিনোদন বিভিন্ন খাতে।
শুধু মাত্র মুসলিম দুনিয়া ঐক্যবদ্ধ ভাবে অভিষ্ট নিশানায় পৌঁছতে পারে, বিচ্ছিন্ন খাপ ছাড়া ভাবে নয়।
26319
১৫
সৌদি আরব রিয়াদ থেকে জাহেদ লিখেছেন,
১১ জুলাই ২০১০; সকাল ০৭:০৯
দিল্লি চাই বাংলাদেশের সরকার তাদের মূখ্য মন্ত্রী হয়ে যায় কিন্তু বাংলার স্বাধীন প্রীয় মানুষ তা কোন দিন বাস্তবায়ন হইতে দিবে না। এবং চিনের সাথে যদি মিয়ানমার হয়ে রাস্তা হয়ে যায় বাংলাদেশের সাথে আশা করি ভারতের দাদাগিরি অনেক কমে যাবে।
kuwait থেকে hussain লিখেছেন,
হোছায় ভাই আপনি যদি বাংলাদেশের মানুষ হন তা হলে মাতিৃ ভাষা কে ভালবেসে বাংলা বাসায় মন্তব্য লিখুন।
আরবিতে একটা কথা আছে ( খয়রুল কালামে মা ডল্লা ও কল্লা ) অর্থাত ঃ সবচেয়ে ভাল কথা হল যা ছোট হবে এবং অনেক অর্থ বুঝাবে আপনি দেখি মন্তব্য লিখার সময় অনেক লম্বা করেন এবং মন্তব্য কয়েক বার লিখেন, এই কলমে দেখি আপনি ৫ বার মন্তব্য লিখেছেন।
আমার জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতেছি কোন জায়গায় যদি ১০ জন মানুষ থাকে এবং সেইখানে যদি ২ জন AL দলের মানুষ থাকে আর বাকি ৮ জন যদি অন্য দলের মানুষ থাকে তাহলে ঐ দুইজন এমন হইহোল্লা করে বাকি ৮ জন তাদের সাথে কথা বন্ধ করতে বাধ্য হয় তাদের সাথে ৮ জনও কথায় পারে না, ভ্যাগিস সোনার বাংলায় অন্য মন্তব্যকারীদের জন্য ও জায়গা রেখেছে, জায়গা যদি নিধধারিত করে দিত তা হলে মনে হয় আপনি সব জায়গা নিয়ে নিতেন আপনার জ্বালায় কেও মন্তব্য করতে পারত না।
ধন্যবাদ সোনার বাংলার সম্পাদককে ।
26371
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: