মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; বিকেল ০৪:৪৭ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

রুনা-রত্নার বিয়েঃ অভিনন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে

মাওলানা বাকীবিল্লাহ আনজুম

অভিনন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ও জামায়াতে ইসলামীকে। পাঠক হয়ত চমকে উঠতে পারেন উত্তর আর দক্ষিণ মেরুর দুটো দলের নাম পাশাপাশি দেখে। চমকে ওঠাই স্বাভাবিক। চলমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এদুটো নাম পাশাপাশি দেখতে, লিখতে বা পড়তে আমরা অভ্যস্ত নই। শুধু আমরা কেন দু দলের নেতৃবৃন্দ বা কর্মীবৃন্দও পরস্পরকে দেখতে এমনকি পরস্পরের ছায়া মারাতেও প্রস্তত নন। যদিও মানবতার প্রতি তাদের আছে সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতি আর শ্রদ্ধাবোধ। পরস্পরকে এড়িয়ে চলার বা ঘৃণা করার পিছনে দল দুটোর হয়ত অনেক যুক্তিও আছে। কিন্তু সব যুক্তিই মানবতাকে ব্রাকেট বন্দী করার চেষ্টা মাত্র। সবাই নিজ ধর্মীয়, সাম্প্রদায়িক, আদর্শিক বা দলীয় সুবিধামত মানবতাকে ব্রাকেটবন্দী করলে তা আর মানবিক হয় না। মানবাধিকার বা মানবতা এক সামষ্টিক অনুভূতি। যা ধর্ম, বর্ণ, দেশ, ভাষা, দল ও মত সহ সকল বিভেদের উর্ধ্বে উঠে সব মানুষকে মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করতে শেখায়। আমাদের রাজনৈতিক কালচারে মানবতার এই সামষ্টিক অনুভুতির নিদর্শন খুবই বিরল। তবে মাঝে মাঝে আমাদের মত অতি আশাবাদীদের মনে ছোট ছোট কিছু ঘটনা পরিবর্তণের নতুন আশা জাগায় । সে আশা ক্ষণস্থায়ী হলেও স্মৃতির পাতায় রয়ে যায়। বিগত সরকারের আমলে বিরোধী দলীয় নেত্রীর সম্মানে সরকার দলীয় এক তরুণ এম,পি'র তোরণ নির্মাণ, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর স্বামীর মৃত্যুতে বিরোধী দলীয় নেত্রীর সুধাসদনে গমন, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক তাকে আলিংগন এবং নববর্ষ উপলক্ষে পরস্পর শুভেচ্ছা কার্ড বিনিময় এসবই আমাদের স্মৃতির কৃষ্ণ পাতায় কিছুটা ব্যতিক্রমী আলোর ঝলকানি দেয়।

পরস্পরের বিরুদ্ধে গাল -মন্দ আর হুমকি -ধামকীতে ভরা আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে ভাল কাজের প্রতিযোগিতার দৃষ্টান্ত খুবই কম। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য ভাল কাজের প্রতিযোগিতা না করে প্রতিপক্ষকে ঠেংগিয়ে নিজ শক্তি বৃদ্ধি করার অপচেষ্টাই আমাদের রাজনৈতিক কালচার। নিমতলীর ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের পরে অবশ্য ভাল কাজের ছোট্ট একটি প্রতিযোগিতা সাধারণ পাঠককে অনেক আনন্দ দিয়েছে। সাধারণ পাঠক বলতে যারা কোন ক্ষুদ্র দলীয় শৃংখলে নিজেকে বন্দী না করে মুক্ত চিন্তায় ভর করে সব দলের ভালোকে ভালো আর মন্দকে মন্দ বলতে পারেন তাদেরকে বোঝাতে চাচ্ছি।

নিমতলীতে অগ্নিকান্ডে স্বজন হারিয়ে অসহায় হয়ে পরে রত্না ও রুনা। যাদের পানচিনির অনুষ্ঠানের দিনই আগুনের লেলিহান শিখা এসে সব স্বপ্ন দুমরে মুচরে দেয়। প্রথমে পাশে দাঁড়ায়নি কেউ। যা বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশ পায়। একটি দৈনিকের কিছু অংশ উদ্বৃত হল:

“নিমতলীর বাসিন্দা সুমন গতকাল জানান, ‘আমাদের এত ক্ষতি হল, বেঁচে থাকা ভাগনি রত্না ও রুনাকে কোনো ওয়ার্ড কমিশনারও দেখতে আসেনি? সরকারী ঘোষণার আর্থিক সহায়তাও পেলাম না। উল্টো মিডফোর্ড হাসপাতালের মর্গে থেকে লাশ আনতে গিয়ে গতকাল সকালে সাত হাজার টাকা দিতে হলো মর্গের ডোম হায়দার ও সোহাগকে। ঘটনার সময় নিমতলীতে রত্নাদের বাড়িতে ছোট বোন রুনার পানচিনির অনুষ্ঠান চলছিল। সুমন রত্না-রুনার মামা। (আমাদের সময় ০৬/০৬/১০)

পত্রিকায় এ খবর প্রকাশের পরের দিন দৈনিক আমাদের সময় সহ কয়েকটি দৈনিকের একটি খবর সাধারণ পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। খবরটি ছিল জামায়াতে ইসলামী রত্না ও রুণার বিয়ের দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং রত্না ও রুনার মামা জামিলকে বিষয়টি জানিয়েও দিয়েছে।

জামাতের এ ঘোষণার পরেই আরো চমকপ্রদ ঘোষণা আসে সরকার প্রধান হিসেবে দেশের প্রতিটি মানুষের অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে। তিনিও রত্না ও রুণার বিয়ের যাবতীয় দায়িত্ব নেয়ার কথা জানিয়ে দেন । খুলে যায় রত্না ও রুণার ভাগ্য। সাথে আসমা নামের আরো এক মেয়ের। প্রধানমন্ত্রীর মাতৃত্বসুলভ স্নেহের পরশে গনভবনেই ওদের বিয়ে ও সম্পন্ন হয়।

পাঠকদের হয়ত মনে আছে পাবনায় আগুন লেগে অনেক দোকান পুড়ে গেলে মতিউর রহমান নিজামী সেখানে গিয়ে সংখালঘু সহ বেশ কিছু ব্যবসায়ীদের প্রত্যেককে দশ হাজার করে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন। তিনি সেটা কেন করেছিলেন- মানবিক কারণে, ধর্মীয় কারণে নাকি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে, একমাত্র অন্তর্যামীই তা বিচার করতে পারবেন। আমাদের যেহেতু মনের খবর জানার উপায় নেই তাই দৃশ্যমান ভাল কাজকে ভাল বলাই মানবতা আর নৈতিকতার দাবি। কিন্তু কয়েকদিন পরে আমাদের এক প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে টিন বিতরণকালে বললেন- ''নিজামীরা টাকা দিয়ে মানুষের করুনা কিনতে চায়''। আসলে যাকে দেখতে নারি তার চলন বাকা প্রতিপক্ষের ভালকাজের দিকে বাকা চোখে তাকিয়ে টিপ্পনী কাটাই আমাদের রাজনীতি। জামাত যখন রুনা রত্নার বিয়ের দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দেয় তখন চলমান রাজনৈতিক কালচারের কারণে মনে হয়েছিল দ্রুতই কোন মহল থেকে এটাকে জামাতের পলিটিক্যাল স্ট্যান্ডবাজি বলে বিবৃতি দেয়া হবে। কিন্তু তা হল না বরং প্রধানমন্ত্রী নিজেই রুনা ও রত্নার বিয়ের দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দিলেন। ভাল কাজের এ প্রতিযোগিতা দেখে আমাদের মত রাজনীতি বিমুখ পাঠকদের মনে কিছুটা হলেও আনন্দ অনুভুত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর মনে হয়েছিল জামাত হয়ত চলমান ধারায় এটাকে রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি বলে সমালোচনা করবে। কিন্তু না, তারা বরং প্রধানমন্ত্রীকে এ কাজের জন্য সাধুবাদ জানালো।

যা একটি দৈনিক এভাবে রিপোর্ট করেছিল প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানিয়েছে জামায়াত

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা বলেছেন, আমারাই গত ৫ জুন রুনার হবু বর জামিলকে আমাদের কার্যালয়ে ডেকে তাদের বিয়ের সব দায়িত্ব গ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। যা পরের দিন জাতীয় দৈনিকগুলোত প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আমাদের সেই ক্রেডিট পরদিনই ছিনতাই করা হয়েছে। তবে এ নিয়ে আমরা ব্যথিত নই। ক্রেডিট ছিনতাই করা হলেও ভালো কাজের জন্য শেখ হাসিনাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। (আমাদের সময় ১০.০৬.২০১০)

এভাবে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যদি কাদা ছোড়াছুড়ির নেতিবাচক পথ ছেড়ে ভাল কাজের প্রতিযোগিতা শুরু করে আর প্রতিপক্ষের ভালকাজকে স্বীকৃতি দিতে শিখে তাহলেই রাজনীতির গুনগত পরিবর্তন আসবে। যার সুফল পাবে দেশ ও জাতি।

সবশেষে অভিন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বজন হারানো মেয়েদের বিয়ে দেয়ার মত ভালকাজ ভালভাবে সম্পন্ন করার জন্য। জামায়াতে ইসলামীকে অভিনন্দন ভাল কাজের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও প্রতিপক্ষের ভাল কাজের স্বীকৃতি দানের জন্য।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MawlanaBakibillahAnzum
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
bangladeshi থেকে abu hassan লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১০; বিকেল ০৪:২২
জামাত বলেই ছেড়ে দিয়েছে। কোন দন্দে জেতে চায়নি (টাকা দিয়ে মানুষের করুনা কিনতে চায় না এবং করুনা দিয়ে রাজনিতি করেনা এটা প্রমান করেছে ১০০ ভাগ)
কিন্তু দুক্কজনক যে জামাতের কৃতিত্ত কেও শিকার করেনা।
লেখকে ধন্নবাদ শিকার করার জন্য।
23392
লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম থেকে আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব লিখেছেন, ২০ জুন ২০১০; বিকেল ০৫:৪৩
শ্রদ্ধেয় লেখক, সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। অনেকদিন থেকে মনের গভীরে সুপ্ত একটি ভাবনার প্রতিফলন পেলাম আপনার আর্টিকল এ। আমরাও সে বাংলাদেশের অপেক্ষায়। প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির বৃত্ত থেকে কোন এক দিন নিশ্চয়ই আমাদের নেতৃবৃন্দ বেরিয়ে আসবেন। আপনার সাথে আমিও একমত, একটি ভাল কাজ করার জন্য ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে, আর প্রথম উদ্যোগ নেওয়ার পরও জামায়াতে ইসলামী যে তাদের এ কাজকে স্বীকৃতি দিল এবং কোন হৈ চৈ করলনা; নিঃসন্দেহে এ আমাদের জন্য সু-সংবাদই বটে। এটাই ইসলামের আদর্শ যে, আমরা যে কোন ভাবে হোক মহৎ কর্মকান্ডের পক্ষে। সমাজ সেবামূলক কাজগুলো কোন লোক দেখানো আর নিজস্ব মত প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করাই ভাল। রাজনীতির ইতিবাচক ধারা প্রতিষ্ঠা করতে সব দলই যদি এ মানসিকতা সম্পন্ন হত! বদলে যেত বাংলাদেশ। সবচেয়ে ভাল লাগল আপনার সে ক'টি লাইন-
"এভাবে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো যদি কাদা ছোড়াছুড়ির নেতিবাচক পথ ছেড়ে ভাল কাজের প্রতিযোগিতা শুরু করে আর প্রতিপক্ষের ভালকাজকে স্বীকৃতি দিতে শিখে তাহলেই রাজনীতির গুনগত পরিবর্তন আসবে। যার সুফল পাবে দেশ ও জাতি। সবশেষে অভিন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বজন হারানো মেয়েদের বিয়ে দেয়ার মত ভালকাজ ভালভাবে সম্পন্ন করার জন্য। জামায়াতে ইসলামীকে অভিনন্দন ভাল কাজের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও প্রতিপক্ষের ভাল কাজের স্বীকৃতি দানের জন্য।"

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। প্রবাস জীবনে আপনি ভাল থাকুন, আরও লিখুন।
23559
ঢাকা থেকে রিনা ইদ্রিস লিখেছেন, ২১ জুন ২০১০; রাত ১১:১৬
''জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা বলেছেন, আমারাই গত ৫ জুন রুনার হবু বর জামিলকে আমাদের কার্যালয়ে ডেকে তাদের বিয়ের সব দায়িত্ব গ্রহণ করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। যা পরের দিন জাতীয় দৈনিকগুলোত প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু আমাদের সেই ক্রেডিট পরদিনই ছিনতাই করা হয়েছে। তবে এ নিয়ে আমরা ব্যথিত নই। ক্রেডিট ছিনতাই করা হলেও ভালো কাজের জন্য শেখ হাসিনাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। (আমাদের সময় ১০.০৬.২০১০)''। এই খবরটা নিয়ে কিন্তু প্রথম শ্রেনীর কোনো দৈনিক তেমন কোনো হৈচৈ করলোনা । অথচ শেখ হাসিনার কোনো ক্রেডিট যদি জামায়েত বা বিএনপি এভাবে ছিনতাই করতো তাহলে শেখ হাসিনাকে খুশী করার জন্য জনকন্ঠ, কালের কন্ঠ,ইনকিলাব,সমকাল, ইত্তেফাক,যায় যায় দিন,প্রথম আলো সেটাকে নিয়ে হৈচৈ ফেলে দিতো।
23685
montreal,canada থেকে mm.zaman লিখেছেন, ২২ জুন ২০১০; রাত ০৪:১২
My special thanks to Prime Minister in this regards.Whole world was watching the wedding ceremony of Rathna, Runa and Ashma. How smart was our Prime Minister at that time? My question to our Prime Minister why she don't show her smartness at the BDR tragedy? Who was working behind this scene? It can be solved within 3 hrs and save all lives. This answer you must give as a Prime Mininster today or tomorrow and the real culprits must for firing scott.
23694
Dallas, USA থেকে M.Mohiuddin লিখেছেন, ২২ জুন ২০১০; সকাল ১০:০১
Article writen by Mowlana Bakibillah Anjum is good.
Many people will be motivated to do good works.
Arranging marriage ceremony of those family
Prime Minister Shaikh Hasina did something
very special.

During her regime in democratic Bangladesh some
meetings of opposition party was postponed. She
did not open her mouth against it. People of New
generation of Bangladesh are very smart. Honest
Awami league workers do not support this kind
of malpractice. It is difficult for her to repair
the damage done by her party workers.
23713
চট্টগ্রাম থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১০; বিকেল ০৪:৫৭
জামাতের আরেকটা দালাল পাওয়া গেল।
23905
ইউ কে থেকে জামিল লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৪৫
মি. আনোয়ার
জামাতের দালাল হলে না সমস্যা আওয়ামী লীগের দালাল হলে কোন সমস্যা নেই তো ভাই !
23913
সৌদী কুয়েত থেকে হামিম হুসেন লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১০; রাত ০৮:৫০
আনোয়ার,
আর পাওয়া গেলো তোমার মতো ধর্ষ* লীগের একটা দালাল!
23916
boston,usa থেকে ss.hawlader লিখেছেন, ২৫ জুন ২০১০; রাত ০৪:১০
How can i thanks the widow lady, power greedy conspires with india- usa to capture prime minister"s office? it is clear now 100% this lady brings indian spy and makes thing happen BDR tragedy. Why she was absent fron the BDR meeting?this evidence is more than enough. just matter of time she and her awami league must go for trial and awani league will be band for forever and stop establish hinduism in 90%muslim land.i don"t fight for to make this land indian state.
23936
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy