মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; বিকেল ০৪:৫৭ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

নরসিংদীর মেয়র হত্যা- শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা

মো. একরামুল হক লিটন

নরসিংদী জেলায় আমার বাড়ি না হলেও লঞ্চ কিংবা ট্রলারে এক ঘণ্টা সময় মেঘনা পাড়ি দিয়ে আমার গ্রামের বাড়ি যেতে হয়। ছোট বেলা থেকেই ঢাকার সাথে বাড়ির যোগাযোগের অদ্যবধি এটি প্রচলিত পথ। আত্মীয়স্বজনের অবস্থান নরসিংদিতে অনেক। সেই সুবাদে নরসিংদীর মেয়র লোকমান হোসেন হত্যার খবরটি অতি স্বল্প সময়েই পেয়ে যাই। শুনে স্তম্ভিত হই। বাড়ি যাওয়া আসার পথে পোস্টার, ব্যানারে লোকমান হোসেন নামটি বেশ চোখে পড়তো এমনিতেই। দীর্ঘ দিনের চেনা অবহেলিত নরসিংদির ব্যাপক পরিবর্তন আর একটি অন্যতম কারণ। সর্বশেষ গত তিন মাস আগে নরসিংদি সরকারি কলেজের পাশ দিয়ে রেল স্টেশনে যাওয়ার পথে লোকমান হোসেনের নাম ফলক সম্বলিত শিক্ষা চত্ত্বরটি মনোযোগ কেড়েছিল। কিন্তু উন্নয়ন, ইতিবাচক পরিবর্তন কিংবা জনপ্রিয়তা কোনটাই জনপ্রতিনিধি লোকমানের মৃত্যুকে রোধ করতে পারেনি। আমাদের দুর্ভাগ্য একজন গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারিনি। এতে বিস্মিত হয়েছি।

লোকমানের মৃত্যু কোনা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। স্রেফ হত্যাকাণ্ড এবং কারণটি রাজনৈতিক। রাজনৈতিক কোন নেতা যখন কোন ব্যক্তি বা চক্রের হাতে নিহত হন, তখন সেই ঘটনাকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলা হয়। অতীতেও এমনটি ঘটেছে। গত বছরের ৮ অক্টোবর নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা সানাউল্লাহ নূরকে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। ঘটনার নৃশংসতা দেশের মানুষের মনকে প্রচণ্ডভাবে নাড়া দিয়েছিল। এক বছর পেরিয়ে মাত্র কয়েক দিনের মাথায় ১ নভেম্বর নিহত হন নরসিংদি পৌর সভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন। ইতোমধ্যে খুলনা যশোরসহ কয়েকটি স্থানে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সরকারের দায়িত্বহীনতাকে বার বার প্রশ্নবিদ্ধ করছে। নাগরিকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কত ভঙ্গুর।

যে কোন খুনের বেলায় বড় প্রশ্ন, কে করল এবং কেন করলো? নরসিংদির পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেনের হত্যার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন নিহতে ছোট ভাই, যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান কামরুল। মামলার এজাহারে বিএনপির একজন (নরসিংদি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা তারেক আহমেদ) ছাড়া অভিযুক্ত সকলেই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ডাক ও তার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজিউদ্দিন রাজুর ঘনিষ্টজন হিসেবে পরিচিত। তাদের মধ্যে একজন মন্ত্রীর আপন সহোদর এবং অন্যজন তার সহকারি একান্ত সচিব। অন্যান্য আসামীদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মতিন সরকার গত পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে লোকমানের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে পরাজিত হন। অন্যজন মামুন হলেন সাবেক পৌর কমিশনার নিহত মানিকের ছেলে। আর হিরণ মিয়া ও আমির হোসেন মানিকের ভাই। সাবেক কমিশনার মানিক হত্যার আসামী ছিলেন নিহত লোকমান হোসেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা মেয়র লোকমানের উত্থানে ঈর্ষান্বিত হয়ে হত্যার পরিপকল্পনা করে। এতে দলীয় অর্ন্তকলহের বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়ে পড়ে।
নরসিংদি জেলা আওয়ামী লীগের কোন্দল কলহ দীর্ঘ দিনের-মন্ত্রী গ্রুপ বনাম মেয়র গ্রুপ। নিহত লোকমান ছিলেন পর পর দুবার ভোটে নির্বাচিত পৌর মেয়র। নরসিংদি জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদ এবং ভবিষ্যতে সংসদ সদস্যপদে দলীয় টিকিট পেতে আগ্রহী ছিলেন। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন তার প্রতিপক্ষরা এমন কথাও শোনা যায়। চলে নানামুখী আলোচনা।

গত ১৫ অক্টোবর ছাত্রলীগের দুপরে সংঘর্ষে ও মামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কমিটি গঠনের কোন্দলে মন্ত্রীর সমর্থকদের সঙ্গে মেয়র সমর্থকরা বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার দু’সপ্তাহ পূর্বে উভয় গ্রুপের মধ্যে মারামারি ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে ছাত্রলীগ। এ সংগঠনের শীর্ষ নেতা লোকমানের ছোটভাই শামীম নেওয়াজ। বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারেনি মন্ত্রী ও তার ভাই এজাহারভুক্ত আসামী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া আগামী ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগের আসন্ন জেলা সম্মেলনকে কেন্দ্র করে লোকমান সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছিলেন। একই পদের জন্য প্রচার চালাচ্ছিলেন মন্ত্রীর ভাই সালাহউদ্দিন আহমেদও।

লোকমান হত্যার পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক ও ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তারের লড়াই, একে পাশ কাটানোর কোন সুযোগ নেই। তারপরও এ ধরনের বর্বরোচিত হত্যা অবশ্যই নিন্দনীয়। জনসম্মুখে একজন জনপ্রতিনিধির নৃশংস হত্যা প্রমাণ করে নাগরিকদের নিরাপত্ত ব্যবস্থা কত ভঙ্গুর। প্রতিটি হত্যাই ঘৃণ্য অপরাধ। জনগণ আশা করে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীরা সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হোক এবং উপযুক্ত শাস্তির মুখোমুখী হোক। কিন্তু বাস্তবে দেখছি নেপথ্যচারী পুতুল নাচিয়ের সুতার টানে প্রকৃত ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহের সেই পুরনো দৃশ্য। এ হত্যাকাণ্ডকেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের প্রবণতা।

ঘটনার দুসপ্তাহ অতিক্রম করার পরও এখনো গ্রেফতার হয়নি সুনির্দিষ্ট অভিযুক্তদের কেউ। এজাহারভূক্ত আসামীদের খুঁজে পাচ্ছে না বা ধরতে পারছে না বা ধরা হচ্ছে না। অথচ ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা থেকে গ্রেফতার হন ৯০ এর অন্যতম ক্লিন ইমেজধারী ছাত্রনেতা, বিএনপি নরসিংদি জেলা শাখার বর্তমান সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহি কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, ঐতিহাসিক ঢাকসুর সর্বশেষ নির্বাচিত জিএস এবং সাবেক সাংসদ খায়রুল কবির খোকন। এর অর্থ তিনি সন্দেহভাজন। অথচ, হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর প্রয়াত মেয়রের ভাইয়ের দায়েরকৃত মামলায় তার নামই নেই। তারপরও কার, কোন অভিযোগে খোকন গ্রেফতার হলেন?

খোকনকে এভাবে গ্রেফতারের ভিত্তি কী? ভিত্তি উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা, এক ঢিলে দুই পাখি মেরে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার আওয়ামী রাজনীতির চিরাচরিত স্টাইল বাস্তবায়ন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সাইজ করার অপকৌশল। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের লোকমান হোসেন খুনের ঘটনায় সরকারের তৎপরতাকে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার সাথে তুলনা করেছেন। ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি ও ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনি নরসিংদীর ঘটনাকে আজব তামাশা বলে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, খুন করে কে, আর সরকার ধরে কাকে!

নিজেদের গৃহবিবাদের দায় বিএনপির ওপর চাপানোর ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যেই খোকনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকার দেশ পরিচালনায় জনস্বার্থের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন, গুম, খুন ও অপহরণের নির্ভর করার কারণেই সমাজ্যে ভয়ঙ্কর নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী দুঃশাসনের ফলে মানুষের প্রাণ আজ ওষ্ঠাগত। সরকারের গণবিরোধী নীতির ফলে জনদুর্ভোগ সীমাহীন আকার ধারণ করেছে বলেই জনদৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে বানোয়াট অজুহাত খাড়া করে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। খায়রুল কবির খোকনকে শুধু গ্রেফতার করেই ক্ষান্ত হয়নি পুলিশ। আদালতে রিমান্ডও প্রার্থনা করেছে। রিমাণ্ড না মঞ্জুর হওয়ায় পূর্বের দিন গ্রেফতার হওয়া খোকনকে পরের দিন সার্কিট হাউস রেলস্টেশন ভাংচুর ও ট্রেনে অগ্নিসংযোগ মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়। এসব ক্ষেত্রে পুলিশের তৎপরতায় কোন ঘাটতি ছিল না। ঘাটতি ছিল জন নিরাপত্তায়।

আমাদের পুলিশ বাহিনীর দৃষ্টিমতা এমনিতেই চল্লিশ বা তদোর্ধ্ব চালসে রোগীদের মতো। তারা দূরদৃষ্টির অধিকারী, কিন্তু ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন। অভিযুক্ত কাছের জনকে না দেখে অভিযোগহীন দূরের জনকে সন্দেহের দূরবীণ দিয়ে খুঁজে উপরের নির্দেশে। উপরের নির্দেশই তাদের আশা-ভরসা। সেই অপেক্ষায়ই তারা দিন গুণে। প্রতিবাদের নামে ট্রেনে অগ্নিসংযোগ, মহাসড়ক অবরোধ, চলাচলে প্রতিবন্ধকতা, শহরের ভাংচুরের ঘটনা জনগণকে শংকিত, আতঙ্কিত করেছে। ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের ঘরে ফেরা অনিশ্চিত করা হয়েছে, জন দুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ছিল নিষ্ক্রিয়, ছিল উপরের নির্দেশের অপেক্ষায়, কাকে ধরতে হবে, কাকে ছাড়তে হবে, কাকে ফাঁসাতে হবে। উপরের নির্দেশে পুলিশ যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছে এবং করছে। তাই তারা কাউকে গ্রেফতার করেনি বা করতে পারেনি।

আমাদের দেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর ঘটনা বিরল। ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলজনিত হলে তা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। চাঞ্চল্যকর অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার ঘটনা অতীতে বহুবার ঘটেছে, যেমনটি ঘটেছিল সাংসদ শাওনের গাড়ীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবলীগ নেতা ইব্রাহিমের নিহত হওয়ার ঘটনাটি। ভবিষ্যতেও ঘটবে এমনটিই মনে হচ্ছে।

নরসিংদীর মেয়র হত্যা ঘটনাটিও ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একাধিক মিশন কাজ করছে। অন্যতম হচ্ছে নরসিংদির নির্বাচিত সাংসদদের মিশনটি। নরসিংদি জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংসদ নজরুল ইসলামের সাফাই বক্তব্য তার প্রমাণ। সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতাকর্মী বেষ্টিত অবস্থায় লোকমানকে গুলি করে হত্যা করেছে। পুলিশের তদন্তের পূর্বেই সাংসদ কর্তৃক এজাহারভুক্ত আসামীগণ নির্দোষ দাবী করে তাদের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তিপ্রমাণ উপস্থাপন করা কিসের আলামত? তবে এটা কি পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তাদের জন্য প্রচ্ছন্ন ঈঙ্গিত- কাকে রেখে কাকে ধরতে হবে? তার বক্তব্যে পুরানো দিনের সেই গানের কলিটি মনে করিয়ে দেয়-

হাকিম হয়ে হুকুম কর, পুলিশ হয়ে ধর
সর্প হয়ে দংশন কর ওঝা হয়ে ঝার।

অর্থাৎ, তারাই মারবে, তারাই ধরবে, তারাই ছাড়বে। এতে খায়রুল কবির খোকনের মত প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার সাময়িক ফায়দা হয়তো লুটা যাবে, কিন্তু ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা যাবে না। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া প্রকৃত অপরাধীদের বিচার কিংবা শাস্তি না হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের দণ্ড মওকুফের অতীত ধারাবাহিকতা নতুন অপরাধ সংঘটনের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা যোগাবে। অপেক্ষায় থাকতে হবে আগামী দিনের জন্য কোন জন প্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তির নিষ্ঠুর বলীর অপেক্ষায়।

লেখকঃ শিক্ষাবিদ ও লেখক
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MdEkramulHauqeLiton
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
south korea থেকে ুুুৃৃৃৃৃshahajahanali লিখেছেন, ২৬ নভেম্বর ২০১১; দুপুর ০৩:২০
good writing about present govt.
72320
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy