মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; বিকেল ০৫:০২ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে কি বাংলাদেশ? (০৯/০৭/২০১১)
ইভটিজিং প্রতিরোধ: নারীবাদ বনাম রমজানের শিক্ষা (০৪/০৯/২০১০)
আশা নিরাশার দোলাচলে প্রমিজ ল্যান্ড (০১/০৪/২০১০)
বাংলাদেশে দিন বদলের সনদ এবং বর্তমান বাস্তবতা (১৩/০২/২০০৯)
গণতন্ত্রের পথে বাংলাদেশ: মহাজোট ও চারদলীয় জোটের জয়-পরাজয় (১৫/০১/২০০৯)
আগের লেখা
330


সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে কি বাংলাদেশ?

মো. ইসমাইল হোসেন

দুই বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কারসাজিতে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসলেও জাতি স্বপ্ন দেখেছিল এ সরকার অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে শুধু নিজেদের কল্যাণে ব্যস্ত না থেকে নাগরিক কল্যাণে কাজ করবে, প্রতিহিংসাপরায়ন রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই জাতির সামনে আওয়ামী সরকারের আসল চেহারা উন্মোচিত হতে শুরু করল। বিরোধী মতাদর্শের লোকজনকে বিদেশ গমনে বাঁধা দেয়া, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা, ফ্যাসিবাদি কায়দায় সংবাদ পত্রের কন্ঠরোধ করা, সত্য প্রকাশের দায়ে সম্পাদককে জেলে নিয়ে নির্মম ও পাশবিক নির্যাতন করা, প্রশাসনে দলীয়করণসহ সকল জনকল্যাণ ও নাগরিক অধিকার হরণকারী কার্যকলাপ শুরু করল। যার ফলে ভিশন টুয়েটি টুয়েটি ঘোষণার পর পরই অনেকে শংকা প্রকাশ করেছিল এ সরকার যেভাবেই হোক আগামী নির্বাচনে জয়লাভের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করেই তবে ক্ষান্ত হবে। সে শংকাটিই আজ বাস্তবে রূপ লাভ করলো। মইন-ফখরুদ্দীনের অবৈধ সরকারের মত নিরঙ্কুশ আজ্ঞাবাহী একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে আগামী নির্বাচনে জয়লাভ যে সম্ভব হবে না আওয়ামী সরকার সে হিসাবটি অনেক আগেই করে ফেলেছে, যদিও বিএনপিসহ চার দলীয়জোট নেতৃবৃন্দ জয় অবশ্যম্ভাবী ধরে নিয়ে এখনি মনে মনে দপ্তর বন্টন করা শুরু করেছে। দলীয় সরকারের অধীনে ও ইলেক্ট্রনিক ভোটিং পদ্ধতি চালু করতে পারলে বিএনপিসহ চার দলীয়জোট যতই স্বপ্ন দেখুক ক্ষমতায় যাওয়া মোটেও যে সহজ হবে না এ হিসাবটি বিএনপি নেতৃবৃন্দ এখনও বুঝতে সক্ষম হয়নি। ঐতিহাসিকভাবেই আওয়ামী রাজনীতি বুদ্ধীজীবী পরিবেষ্টিত হওয়ায় এ সহজ হিসাবটি করতে তাঁরা মোটেও দেরি করেনি। আর সে কারণে জোট সরকার মরিয়া হয়ে বিচার বিভাগকে পর্যন্ত দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেছে যার শেষ অস্ত্রটি প্রয়োগ করেছে সংবিধান সংশোধন করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের রায় সংযোজনের মধ্য দিয়ে।

মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান যেমনভাবে একদলীয় বাকশাল সরকার গঠন করেছিলেন ঠিক একই কায়দায় আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার বিরোধী দলগুলোর কোন মতামত ছাড়াই সংবিধান থেকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিধান সংযুক্ত করলো। মহাজোট সরকারের প্রধান শরিক শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগই ১৯৯৬ সালে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীকে সাথে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছিল। তাদের আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সংযুক্ত করে সংসদ ভেঙ্গে দেয় এবং সে অনুযায়ীই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আওয়ামীলীগ নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। গত পনের বছরে আওয়ামীলীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোন টু-শব্দ করেনি। তাহলে আজ হঠাত করে তত্ত্বাধায়ক বাতিলের জন্য এত মরিয়া কেন? এটাতো সর্বজন স্বীকৃত যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ভাল না হলেও দলীয় সরকারের চেয়ে অনেক ভাল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ক্ষতিকর হলে সেটা সকল দলের জন্য প্রযোজ্য কিন্তু শুধু আওয়ামীলীগের এত বিরোধিতা কেন? এ প্রশ্নের উত্তর খুবই সহজ তা হলো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে প্রভাব খাটিয়ে বিজয় নিশ্চিত করা যাবে। যে কারণে ক্ষমতায় থাকলেই কেবল এ ব্যবস্থার বিরোধীতা করে এবং বিরোধী দলে থাকলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প নাই বলে শ্লোগান দিতে থাকে। আওয়ামীলীগ সরকার খুব ভালভাবে অনুধাবন করেছে লগি বৈঠা দিয়ে জীবজন্তুর মত পিটিয়ে মানুষ হত্যা করার পরও মহাজোট সরকারের ক্ষমতায় এসেছে। এটা কোনভাবেই সম্ভব ছিল না যদি না মইন-ফখরুদ্দীনের তাবেদারী সরকার ক্ষমতায় না থাকত। এমন তাবেদারী তত্ত্বাবধায়ক সরকার পাওয়া সম্ভব হবে না বলেই যেভাবেই হোক দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই-ই-চাই!

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিধান সংযোজনের কাজটি অনেকটা সহজ করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি খাইরুল হক। শেখ হাসিনার সরকার খাইরুল হককে দিয়ে এ কাজটি করিয়ে নিয়েছে যাতে আদালতের ঘাড়ে বন্দুকটা রেখে সংবিধান সংশোধনের কাজটি অতি সহজে সেরে নেয়া যায়। যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরে জন্ম হয়েছিল দীর্ঘ ১০ বছরের স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতনের জন্য, দেশে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য, যার জন্য রাজপথে বিসর্জন দিতে হয়েছিল অগণিত মানুষের জীবন, তা আজ ষোল কোটি মানুষের কাছে প্রাণের দাবীতে পরিণত হলেও আওয়ামী সরকার ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার জন্য সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে উঠিয়ে দিল। বিরোধী দলের দাবীকে পায়ে ঠেলে একক সিদ্ধান্তে সংবিধান সংশোধনের নামে নিজেদের ক্ষমতায় টিকে থাকার পথকে পাকাপোক্ত করলো, যা জাতিকে একটি বিরাট সংকটের মধ্য ফেলে দিল। রাজনীতি বিশেষজ্ঞসহ সমাজ বিশ্লেষকরা অনেকেই দেশ একটি অনিবার্য সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। ইতিমধ্যে প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অনেক রাজনৈতিক দল দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে এবং এ দাবীতে হরতালসহ নানমুখী কর্মসুচি গ্রহণের কথা বলেছেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বিরোধী দল কোনভাবেই দলীয় সরকারের অধীনে পাতানো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে আওয়ামীলীগ কি বিরোধী দলকে বাদ দিয়ে এককভাবে নির্বাচন করবে? যদি এককভাবে নির্বাচন করে তাহলে বিরোধী দল কি সহজেই মেনে নিবে? আর যদি বিরোধী দল সে নির্বাচন মেনে না নেয় তাহলে দেশের অবস্থা কি হবে? এ রকম নানামুখী প্রশ্ন সবার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। পরবর্তি অংশে এ কয়েকটি বিষয়ের অবতারণা করেই লেখাটি সমাপ্ত করব।

এক, পরবর্তী সংসদ নির্বাচন দলীয় সরকারের অধীনে হবে কিনা তা নির্ভর করছে বিরোধী দল সরকারকে বাধ্য করতে পারবে কিনা। বিরোধী দল যদি সরকারকে বাধ্য করতে পারে তাহলে আদালতের রায়ের বরাত দিয়ে পরবর্তী দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার ব্যাপারে একমত হবে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ডঃ আসিফ নজরুল বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন (প্রথম আলো, ১৩ই মে, ২০১১)। কাজেই আমি এ বিষয়ে আর বিশদ ব্যাখ্যায় যাব না। তবে যে বিষয়টি আমি উল্লেখ করতে চাই সেটি হলো বিরোধী দলের জন্য রাজপথে আন্দোলন ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। বিএনপিসহ বিরোধী দলকে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবী মানতে বাধ্য করতে হবে। বিরোধী দল যদি বাধ্য করতে পারে তাহলে সরকার ভবিষ্যত চিন্তা করে সংঘাতের পথ আগেই পরিহার করবে।তবে শুধু রাজপথে আন্দোলন নিয়ে ব্যস্ত থাকলে হবে না, বিদেশী প্রভুদের সাথে যোগাযোগটাও অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশী প্রভুদের হাত কতটুকু প্রসারিত তা আমাদের সবার কম বেশী জানা আছে।

দুই, বিরোধী দল যদি সরকারকে এ দাবী মানতে বাধ্য করাতে না পারে তাহলে অনায়াসে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্পন্ন হবে এবং এরশাদের জাতীয় পার্টিকে বিরোধী দল বানিয়ে আওয়ামীলীগ আবার সরকার গঠন করবে। বিরোধী দল খুব সহজেই এ সরকারকে যে মেনে নেবে না এটা দিবালোকের মত সত্য। যদি মেনে না নেয় তাহলে তারা রাজপথের আন্দোলনকে অব্যাহত রাখবে। সরকারী দল হয়ত আরও স্বৈরাচারী কায়দায় বিরোধী দলকে দমনের চেষ্টা করবে এবং বিরোধী দল তাদের আন্দোলন আরও বেগবান করবে। কাজেই পরবর্তী পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ। ফলশ্রুতিতে অসীম জানমালের ক্ষতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার নামে মইন-ফকরুদ্দীনের মত আবার কোন তাবেদারী সরকারের আবির্ভাব ঘটবে, যেখানে সকল নাগরিক অধিকার ক্ষুন্ন হবে, রাজনৈতিক দলগুলো জুলুম নির্যাতনের শিকার হবে। আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকার তো কেবল মাত্র দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার চালিয়েছে, কিন্তু তাবেদারী সরকারের আবির্ভাব ঘটলেও সে অত্যাচার থেকে কেও যে রক্ষা পাবে না সে অভীজ্ঞতা বিগত অবৈধ মইন-ফকরুদ্দীনের শাসনে আমরা সবাই দেখেছি। শেখ হাসিনা হয়ত তাতে খুব বেশী বিচলিত নয়, কারন খুব বেশী অসুবিধা হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ধনাঢ্য ব্যবসায়ী (কিভাবে ধর্নাঢ্য ব্যবসায়ী হলেন সে বিষয়ে সুশীল পত্রিকাগুলো এখন কিছু না বললেও ভবিষ্যতে হয়ত লিখবে!)জয়ের কাছে পাড়ি জমাবেন! হয়তঃ খালেদা জিয়াও কোন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবেন। কিন্তু আমাদের মত যারা দেশের সাধারণ নাগরিক, আমরা যারা দেশকে ভালবাসি, দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিলে যাদের অন্তরটা হু হু করে কেঁদে উঠবে তারাতো আর চুপ করে ঘরে বসে থাকতে পারবে না, মুখ বুজে হত্যা জুলুম নির্যাতন মেনে নিতে পারবে না। বরং অন্যায় আর অবিচারের বিরুদ্ধে কথা বলবেন। আর অত্যাচারী সরকার তা দমনে নির্যাতনের খড়্‌গ হস্তে মাঠে নামবে। গতকালের জাতীয় সম্পদ, তেল গ্যাস রক্ষা কমিটির ডাকা হরতালে আমরা নির্যাতনের সে চিত্র কিছুটা হলেও প্রত্যক্ষ করেছি। অনেকে হয়ত প্রশ্ন করবেন দলীয় সরকারের আমলেও যদি সে নির্যাতনই সহ্য করতে হয় তাহলে দলীয় সরকারের বদলে অন্য সরকার এলে কি-বা-আর ক্ষতি হবে? পাঠক যদি সে প্রশ্ন করেই বসে তাহলে আমার কাছে খুব ভাল উত্তর নেই, কারণ এ সরকার স্বৈরাচারীর সকল সীমা ইতোমধ্যে অতিক্রম করে ফেলেছে। তবে অন্তত এতটুকু বলতে পারি দলীয় সরকার না থাকলে একথাগুলোও হয়ত বলতে পারব না। সামরিক শাসনের কবলে যে সকল দেশ আছে সে সকল দেশের জনগণের দুঃখ দুর্দশা দেখলে তা আমরা সহজেই আঁচ করতে পারব।

কাজেই এটা সহজে অনুমেয় যে সরকার ও বিরোধী দল যদি তাদের দাবীতে অনড় অবস্থানে থাকে তাহলে দেশে একটা বড় ধরনের রাজনৈতিক সংঘাত অনিবার্য যার পথ ধরে আসবে একটা অগণতান্ত্রিক তাবেদারী সরকার, এবং দেশ মইন-ফকরুদ্দীন বা এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনের চেয়ে আরও ভয়ংকর কোন দুঃশাসনের কবলে পড়বে যে ব্যবস্থা থেকে উত্তরণ ছাড়া কারো স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব হবে না। তখন জনগণ বাধ্য হয়েই আবার রাজপথে নামবে, যেমন নেমেছিল নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে। রাজনৈতিক দলগুলোকেও অনেক বেশী ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। সে পথ মোটেও মসৃণ নয়, অনেক বন্ধুর। কাজেই আমরা যারা সাধারণ নাগরিক তাঁরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে সংঘাতের পথ পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু সমাধানে পৌঁছানোর আহবান জানাতে চাই।

লেখকঃ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। বর্তমানে ইতালীতে পিইএচডি গবেষণারত।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MdIsmailHossain
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
বাড্‌ডা থেকে মাহফুজ লিখেছেন, ১১ জুলাই ২০১১; রাত ০৮:৫৯
শেখ হাসিনার বিদেশে শক্ত ঘাটি আছে । দেশের অকল্যানে তার কোন ক্ষতি নেই। হাজার হাজার কুটি টাকা পাচার করে সে টাকা বিদেশে বিনিয়োগ করার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো শেখ হাসিনার আছে । বিদেশে খালেদা জিয়ার কিছু নেই । তিনি কিছুতেই দেশ ছেড়ে বিদেশ যাবেননা ।
62509
sust থেকে kazi sayed লিখেছেন, ২৫ জুলাই ২০১১; সকাল ০৭:২৯
apner moto lokera desh a thakle desher barota bazbe
63850
sylhet থেকে ovi লিখেছেন, ০১ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৬
yes sayed i heard ismail is not good.but boro boro khota.manus k respect kore o khota bolte jane na.
64470
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy