|
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় পারমাণবিক শক্তিসাম্য
মোঃ রুহুল আমীন |
|
পর পর দুটি বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পরে সম্মিলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুদ্ধোত্তর পৃথিবীতে ক্ষণিকের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই শান্তি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে লিগ অব নেশন্স প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু যুদ্ধের পর দু’দশকেরও কম সময়ের মধ্যে সম্মিলিত শান্তি প্রয়াস ব্যর্থ হয় এবং মানবজাতিকে ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্নক যুদ্ধ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হয়। অনেকে তাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সম্প্রসারণ হিসেবে অভিহিত করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু দিন দিন জাতিসংঘ বিশ্ববাসীর কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায় এবং ছকতাত্ত্বিকরা (স্ট্রাকচারালিস্ট) জাতিসংঘ ব্যবস্থাকে সাম্রাজ্যবাদী পুঁজিবাদের অন্যতম শোষণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তরকালে বিশ্বব্যাপী পরাশক্তিদ্বয়ের মধ্যে ক্ষমতার যে নিরন্তর লড়াই শুরু হয় তা দমনে জাতিসংঘ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। পরাশক্তিদ্বয় কেবল নিজেদের স্বার্থে পৃথিবীর সর্বত্র আন্তঃরাষ্ট্রিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও যুদ্ধের বীজ বপন করে রাখে। সেই রণদামামা থেকে বিশ্বকে কিছুটা রক্ষা করতে সক্ষম হয় পরাশক্তিদ্বয়ের মধ্যে বিরাজমান শক্তিসাম্য।
বিশ্বশান্তি রক্ষায় এ শক্তিসাম্যের ধারণা আজও রাষ্ট্রিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হয়ে আসছে। যেসব দেশে এক ব্যক্তি বা বংশ বা পরিবার একচ্ছত্র ক্ষমতার মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থেকেছে, সেখানে কয়েক বছর স্থিতিশীলতা বিরাজ করলেও এক সময় ক্ষমতাসীনরা শোচনীয় পরাজয়ের শিকার হয়। উদাহরণস্বরূপ, আরব রাষ্ট্রগুলো যেমন মিসরের হোসনি মোবারক, ইয়েমেনের সালেহ, তিউনিসিয়ার বেন আলী, লিবিয়ার গাদ্দাফির মতো স্বৈরশাসকরা দীর্ঘদিন অসাধারণ শক্তি নিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকলেও এক সময় তাদের পতন হয়। আরব বসন্তোত্তর রাষ্ট্রগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে যে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছিল, তা ব্যষ্টিক বা সামষ্টিক শক্তিসাম্যের মাধ্যমে প্রশমিত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষিত হয়েছে মূলত ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার শক্তিসাম্যের কারণে। দক্ষিণ এশীয় বৃহৎ দুই রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান তাদের পারমাণবিক শক্তিসাম্য দ্বারা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করে আসছে।
আগেই যেমনটা বলেছি, যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে শক্তিসাম্যের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। তারা উন্নতমানের পারমাণবিক স্থাপনার মাধ্যমে একে অন্যকে প্রথম আক্রমণের সম্ভাবনা থেকে বিরত রাখতে সচেষ্ট থেকেছে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে পারমাণবিক অস্ত্রের বদৌলতে পরাশক্তিদ্বয় বিশ্বব্যাপী প্রতিপক্ষের স্বার্থ ও লক্ষ্যের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা থেকে নিজেদের নিবৃত্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে। অর্থাৎ পারমাণবিক অস্ত্র তাদের মধ্যে শক্তিসাম্য সৃষ্টি করে তাদের সর্বাত্নক যুদ্ধ থেকে বিরত রেখেছে।
লক্ষণীয়, পরাশক্তিদ্বয় বিশ্বব্যাপী আগ্রাসী তৎপরতা চালাতে এবং স্বীয় স্বার্থ রক্ষা করতে মনোজাগতিক ও কার্যকারণের দিক থেকে এক ধরনের অলিখিত, আধা-লিখিত বা লিখিত চুক্তি করেছে। গোটা পৃথিবীটাই যেন তাদের; পৃথিবীর রাষ্ট্রগুলোর ভূখণ্ডে তাদের অবাধ প্রবেশ; পৃথিবীর মানবকুল তাদের ইচ্ছা বা নির্দেশের অসহায় আজ্ঞাবহ! যেন ঈশ্বরের আধ্যাত্নিক সন্তান তারা আর সবাই তাদের ক্রীতদাস! এ কারণে অন্য রাষ্ট্রগুলোকে কোনভাবেই তারা পারমাণবিক শক্তি অর্জনের সুযোগ দিতে রাজি ছিল না। ফলে পারমাণবিক অস্ত্রসংবরণ চুক্তি এবং পরমাণু ধ্বংসকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও বস্তুত পরাশক্তিদ্বয় তাদের পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংসের নামে পুরনো, জরাজীর্ণ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ বা ধ্বংস করেছে এবং নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে আরও উন্নততর পারমাণবিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের উদীয়মান রাষ্ট্রগুলোকে পারমাণবিক উচ্চাভিলাষ অর্জনে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। চুক্তির ফাঁদে আটকে দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রিক, ব্যক্তিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষার সার্বজনীন অধিকারকে। এ লক্ষ্যে আইএইএসহ কিছু প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি কাঠামো তৈরির ফাঁদ পাতা হয়েছে, যার মাধ্যমে আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর পারমাণবিক স্থাপনার পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অসম, অনৈতিক ও অবিচারমূলক আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধের আওতায়।
এসব চুক্তিগত, কাঠামোগত ও নীতিগত আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ সত্ত্বেও কতিপয় রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা ও শান্তির লক্ষ্যে শক্তিসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে চাচ্ছে এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব বাস্তবতায় সেই পারমাণবিক উচ্চাভিলাষ তাদের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। সম্ভাব্য পারমাণবিক শক্তিধর ইরান এমন এক বিপদসংকুল ও গ্যাঁড়াকলে আটকে পড়া উদীয়মান আঞ্চলিক বৃহৎশক্তি।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী ইউরোপ আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রিক কাঠামো ও ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্র প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এক সময় ইউরোপে বলশেভিকীয় কমিউনিজমের ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিপ্লবী রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন পার্শ্ববর্তী ইউরোপীয় ও এশীয় রাষ্ট্রগুলোয় কমিউনিস্ট সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তি কাঠামোর স্থাপনা গড়ে তোলে। এভাবে পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র এবং কমিউনিস্ট সাম্রাজ্যবাদী পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্ধশতাব্দীব্যাপী স্নায়ুযুদ্ধের উত্তপ্ত রণাঙ্গনে পরিণত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলো। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপের সমর্থনপুষ্ট অবৈধ রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলের অভিযাত্রা শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তরকালে মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোর পরাজয়ের সুযোগে। সোভিয়েত ইউনিয়ন শত চেষ্টা করেও আরব জাতীয়তাবাদীদের মাধ্যমে ইসরাইলের প্রতিপক্ষ হিসেবে কোন সমশক্তিসম্পন্ন রাষ্ট্র সৃষ্টি করে আঞ্চলিক শক্তিসাম্য বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়। সেই সুযোগে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের নবগঠিত একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলকে গোপনে ও প্রকাশ্যে পারমাণবিক অস্ত্রসহ অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র দিয়ে সুসজ্জিত করে এবং ওই অঞ্চলে সাম্রাজ্যবাদীর গ্রান্ড স্ট্র্যাটেজি বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে থাকে।
সাম্রাজ্যবাদের একচ্ছত্র শক্তির প্রতি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় পারসিক সভ্যতার চারণকেন্দ্র জাতীয়তাবাদী জাত্যাভিমানী আধুনিক ইরানের দেশপ্রেমিক রাষ্ট্র নেতারা। আইএই এ প্রণীত সব নিয়ম-কানুন মেনেই পারমাণবিক সামর্থ্য অর্জনের মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের পথে অগ্রসর হচ্ছে বলে ইরান দাবি করে আসছে।
একচ্ছত্র ক্ষমতার মসনদ গড়ার যে স্বপ্ন সাম্রাজ্যবাদীরা এতদিন লালন করে আসছিল, তা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির আঘাতে দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে থাকে। ইরানে ক্রিসমাস আক্রমণ, বসন্ত আক্রমণ, শৈত্য আক্রমণ, চকিত শল্য আক্রমণ, হঠাৎ বিমান আক্রমণ প্রভৃতি নানা রকমের হামলার হুমকি দিতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও তাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো।
সব রকম হুমকির মোকাবেলায় ইরান অত্যন্ত সন্তর্পণে তার পারমাণবিক কর্মসূচি অধিকতর বেগবান করে। জানি না, ইরান ইতিমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ বা নির্মাণের কাছাকাছি পৌঁছেছে কিনা কিংবা পারমাণবিক অস্ত্রায়নের ইচ্ছে ইরানের আছে কিনা। তবে আমি নিশ্চিত, মধ্যপ্রাচ্যে বসন্তোত্তর আঞ্চলিক রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে মিসর, তিউনিসিয়া ও তুরস্কের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির নতুন মেরুকরণে ইসরাইলকে মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক শক্তিসাম্যের অপরিহার্যতা তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের কোন রাষ্ট্রে ইসরাইলের সামরিক শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ তৈরি হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোর অস্তিত্ব, স্থিতিশীলতা, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রয়োজনে অবিলম্বে পারমাণবিক নিবারণ (নিউক্লিয়ার ডেটারেন্ট) কৌশল অবলম্বন করা প্রয়োজন।
পশ্চিমা বিশ্বকে অনুধাবন করতে হবে, মধ্যপ্রাচ্যের নব-উত্থিত বৃহৎ রাষ্ট্রগুলো প্রচণ্ড ইসরাইল বিরোধী। এ রাষ্ট্রগুলোকে ইসরাইলি অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে দমন করে রাখার কৌশল ক্ষমতার বিশ্বায়নের যুগে বেমানান, অপ্রয়োগযোগ্য এবং অকার্যকর নীতি হিসেবে ব্যর্থ হতে বাধ্য। আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর যৌথ নিরাপত্তা বলয় তৈরি হতে আর মাত্র কয়েক বছর সময় লাগবে এবং সে সময়ে ইরানও হয়তো পারমাণবিক শক্তির মর্যাদা অর্জন করবে। এ মুহূর্তে প্রয়োজন আঞ্চলিক পারমাণবিক শক্তিসাম্যের বৈশ্বিক স্বীকৃতি, যা আঞ্চলিক শত্র“তাকে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় প্রতিস্থাপিত করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যকে সম্ভাব্য যুদ্ধ থেকে রক্ষা করবে।
এ পর্যন্ত কোন হুমকি-ধমকি ইরানকে এতটুকু বিচলিত, ভীত বা বিপর্যস্ত করেছে বলে মনে হয় না। পাশ্চাত্যের বাণিজ্যবিরোধ, মুদ্রা-অবরোধ, ব্যাংক নিষেধাজ্ঞা সবকিছুর প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ইরান আগের চেয়ে আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে। ইরানে সাম্প্রতিক এক নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদের অপেক্ষাকৃত উদার-ইসলামী দলের ভরাডুবি হয়েছে এবং কট্টরপন্থী ইসলামী দল জয়লাভ করেছে। যদি কট্টরপন্থীরা ক্ষমতায় আসে, তাহলে ভবিষ্যতে ইরানকে আর কোনভাবে নিবৃত্ত করা যাবে না। আহমাদিনেজাদকে তুষ্ট রাখতে হবে, প্রয়োজনে তোষণনীতি অনুসরণ করা যেতে পারে সতর্কভাবে। কিন্তু কোনভাবেই তাকে রুষ্ট করা যাবে না, তাতে কট্টরপন্থীদের শক্তিবলয়ে পতিত হবে ইরান।
পরিশেষে বলব, ইরানকে পারমাণবিক অভিলাষ পূরণে ভয় দেখানোর নীতি কার্যকর হবে না, বরং পারমাণবিক সক্ষমতার শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। ইরানকে আক্রমণ করার পরিবেশ, শক্তি, জনসমর্থন এর কোনটাই নেই পাশ্চাত্যের। তাই মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক শক্তিসাম্য গড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরিতে অন্তরায় সৃষ্টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কোন কল্যাণ বয়ে আনবে না।
মুহাম্মদ রুহুল আমীন
: সহযোগী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চেয়ারম্যান, সিআইডিএস
(সূত্র: যুগান্তর,০৩/০৫/১২) |
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/MdRuhulAmin |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
| লেখক পরিচিতি |
| |
|
| |
| |
|