প্রায় প্রতিদিন তাদের অপকর্মের ফিরিস্তি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, হত্যা, নারী নির্যাতন, শিক্ষক লাঞ্চনা, প্রতিপক্ষ ছাত্রদের হয়রানি, আভ্যন্তরীণ কোন্দলসহ তেমন কোন অপকর্ম নেই যা তাদের দৈনন্দিন রুটিন থেকে বাদ পড়েছে। বরং এই তালিকা দিনকে দিন আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং নতুন নতুন ডাইমেনশন সংযোজিত হচ্ছে। নতুন ডাইমেনশন এজন্য বললাম যে, আগে সরকার প্রতিপক্ষকে মিছিল মিটিং, লাঠি চার্জ করে রাজপথ থেকে দমন করার চেষ্টা করত, এখন আর তার প্রয়োজন পড়ে না। কারণ, এজন্য নিজের গৃহপালিত ছাত্র সংগঠনই যথেষ্ট। বিরোধী দল মাঠে নামলে আমাদের সোনার ছেলেরাতো বসে থাকবে না। সংবাদ সম্মেলনে এরকম ঘোষণা দিয়েই যেনো তাদের প্রস্তুত করে মাঠে নামানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে তারা প্রতিপক্ষকে দমন করে মাঠে বেশ সফলতাই দেখিয়েছে বটে। তবে সবসময়তো আর প্রতিপক্ষকে মাঠে পাওয়া যায় না। সেজন্য চলে নিজেদের মধ্যে প্র্যাক্টিস। আর এই প্র্যাক্টিসটা এতোটাই সাস্টেইনেবল হয়েছে যে, তা থেকে পিছু হটার আর কোন সম্ভাবনাই দেখা যাচ্ছে না।
এতক্ষণ আমি যাদের গুণকীর্তন করলাম তারা কারা তার পরিচয়টুকু যে অন্ধ অথচ শ্রবণশক্তি সম্পন্ন সে ব্যাক্তিই জানে। কারণ, সে শুনতে পায় প্রতিনিয়ত তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানি। যে বধির সেও দেখতে পাচ্ছে, তবে কিছু বলতে পারছে না। কারণ, মন্ত্রী-এমপিদের মতো তার বাগ্মিতা নেই। যে খোড়া তারতো অভিজ্ঞতা আরো বেশি, কারণ, সে প্রতিদিন রাস্তায় বসে বসে তা দেখে এবং মনে মনে ভাবে, ভাগ্যিস আমি কোন সংবাদকর্মী নই। নয়তো কবে তাদের রোষানলে পড়ে জীবন যেতো। আর পাগল সেতো বলে বেশতো, আমার নামের প্রতি যে অবমাননা তাতো কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে। আর সুস্থ বিজ্ঞজনের কথা না-ই বললাম। সবার জানা যে, এরা হচ্ছে আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশে ধারক ও বাহক। আমাদের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিমানের শিকার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
আজ ছাত্রলীগ এমন বেপোরোয়া হয়েছে যে, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের দাপট মন্ত্রী-এমপিদের চেয়েও বেশি। মন্ত্রী-এমপিদের চেয়ে বেশি বললাম এজন্য যে, তারাতো সংসদের কলিগদের শালি-শালা মার্কা কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে থাকেন। তবে হাতাহাতির পর্যায়ে গিয়েও ক্ষান্ত হয়ে যান। কারণ, তারা যে মাছ বাজারে (সংসদ) আছেন তাতো বিশ্ববাসী দেখছে। তার চেয়ে বড় কথা তারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। তাদের জনগণ যে, তাদের প্রত্যাখ্যান করবে এখানে তাদের সীমাবদ্ধতা। তবে সেই কাজটা যতই দেশের দামাল ছেলেদের দিয়ে করানো যায় তাহলেতো নিজের কাজের ভার একটু হলেও হালকা হয়। তাই ছাত্রলীগ আজ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ত্রাস হিসাবে আবিভূত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজ তারা নিজেরা নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বি। আজ তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানি প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে ছাত্রছত্রীরা থাকে ভয়ে আর নিরাপত্তাহীনতায়। শুধু ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষের কারণে রাজনীতি না করেও বলির পাঠা হন ঢাবি'র মেধাবী ছাত্র আবু বকর। তবে সেটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উড়িয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ইদানিং যাকে কেউ কেউ সন্ত্রাসী মন্ত্রী বলে আনন্দ পান)। ঢাবি'র একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র এভাবে ঝড়ে পড়লে সেদিন সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা এর প্রতিবাদ করেছিল। তবে তা স্তমিত হয়ে যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্যাম্পাস বাহিনী তথা ছাত্রলীগের হুমকি-ধামকির কারণে। আবু বকরের ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন- আমরা এখন ছাত্রলীরে বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেই সেটাই দেখার বিষয়। সেই ব্যবস্থা যে কি আজও দেশবাসী জানতে পারেনি যদিও এরপরে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। তবে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে ব্যবস্থা নিতে পারেন তা দেখিয়ে দিলেন ৮ই ফেব্রুয়ারী।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ ও ভিন্ন মতের একটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষের পর। সেই সংঘর্ষে একজন ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়েছিল। সুতরাং সময় এসে গেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কারিশমা দেখানোর। মন্ত্রী-এমপিসহ সেখানে হেলিকপ্টারে করে কালবিলম্ব না করে চলে গেলেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী সেখানে গিয়ে সেই সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সারা দেশব্যাপী চিরুনি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিলেন। যদিও দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তখন এরকম আর কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি তথাপি তিনি পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিলেন আমার কথা যারা শুনবেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ তার চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী যথারীতি সাড়া দিয়ে দেশব্যাপী চিরুনি অভিযানের মহাদায়িত্ব পালনে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। রাজশাহীতেতো বটেই, সারা দেশে চললো সেই সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়। শত শত নেতাকর্মীদের বিনা কারণে স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মেস, বাড়ি সব জায়গা থেকে তাদের জাঁকে জাঁকে, সারিতে সারিতে কোমরে রশি বেঁধে চুর-ডাকাতের মতো (যদিও তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র) জেলে পাঠানো হলো এবং সেই অভিযানের মেয়াদ কিন্তু এখনও শেষ হয়নি, চলছে. . . । যদিও এর আগে সেই সংগঠনের একজন উর্দ্ধতন নেতা সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান নোমানীকে ছাত্রলীগ পুলিশ ও প্রশাসনের ছত্রচ্ছায়ায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছিল, যা দেশের প্রতিটি মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করেছিল। তখনও কিন্তু দেশে একই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই জীবিত ছিলেন। তখন তার মুখ থেকে ছাত্রলীগকে শাসানোর জন্য কোন চিরুনী অভিযানের কথা শুনা যায়নি, শুনা যায়নি কোন ব্যবস্থা গ্রহণের কথা। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোন ব্যবস্থা না নিলেও এর মাধ্যমে যে তিনি ছাত্রলীগকে তার কর্মকান্ডের বৈধতা দিয়েছেন তা আজ প্রমাণিত। কেননা, আজ প্রতিনিয়ত দেশের কোন না কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ তার চিরাচরিত কায়দায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে।
সর্বশেষ ৪ঠা মে বরিশাল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ছাত্রলীগ যে অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন পূর্বক নিজেদের মধ্যে যে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নৃশংস রূপ প্রদর্শন করল তার তুলনা বিরল। সেই ঘটনার ভয়াল চিত্র পরের দিন পত্র-পত্রিকায় ফলাও করে প্রচারিত হয়েছিল এমনকি একটি জাতিয় দৈনিক পত্রিকা এমনভাবে তাদের শিরোনাম করেছিল যে, 'ছাত্রলীগ একাই যথেষ্ট' (৫ই মে দৈনিক যুগান্তর)। এমন ঘটনার পরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কোন চিরুণী অভিযানের নির্দেশ দেননি বা তার প্রয়োজন মনে করেননি। কারণ, এরাই যে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কর্ণধার। এর পরের দিন দেখা গেল যে, সরকার বরিশাল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড স্থগিত করলেন। তবে আগের ঘটনায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী অভিমানে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক পদ থেকে সরে গেলেও এবার তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তার সেই অভিমানের রেশ এখনও কমেনি। তিনি মা দিবসে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া গ্রহণ করেননি। ব্যাস, এতটুকুই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে, এরকম মান অভিমানে মৌখিক বক্তৃতা দিয়ে ছাত্রলীগকে কি তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখছে বা আদৌ রাখতে পারবে? আর যদি না-ই পারে তবে সরকার কেন তাদের বিরুদ্ধে কোন কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তবে কি জনগণ মনে করবে যে, সরকার ছাত্রলীগের কাছে অসহায়। না আমরা তা বিশ্বাস করতে চাই না। আমরা চাই সরকার প্রতিপক্ষের ছাত্র সংগঠনকে যেভাবে চিরুনী অভিযান দিয়ে শায়েস্তা করছে সেভাবে না করুক (কারণ, সেটা তাদের জন্য জায়েজ হবে না)। অন্তত পক্ষে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু পরিবেশ ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে যেন কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং সেটা যেন লোক দেখানোর মাধ্যমে সীমাবদ্ধ না থাকে। তবে ইদানিং পত্র-পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে যে, ছাত্রলীগের নেতৃত্ব খোঁজার জন্য না কি গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যদি সত্যি এরকম হয়ে থাকে তবে আমাদের কাছে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগে যে, গোয়েন্দা দিয়ে যদি ছাত্রলীগের নেতৃত্ব খুঁজে বের করা যায় তবে যারা আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, ক্যাম্পাসে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, তারা কারা বা তাদের পিছনে কারা ইন্ধন যোগাচ্ছে- এসব বিষয় অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে না কেন? নাকি সরকার প্রতিপক্ষকে মাঠ থেকে সরিয়ে তার তথাকথিত ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের দ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিকিকরণ ও নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তা আজ ভেবে দেখার সময় এসেছে। তা যদি না করা যায় তবে ছাত্ররাজনীতি নামে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাস ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কালো ছায়া পড়ছে তার বলি হবে কেবল সাধারণ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরাই।
পরিশেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলবো,
'যে শাস্তি পারো না দিতে নিজের ছেলেকে
তা দিওনা অন্য কাউকে
সেই সন্তানেরও পিতা আছে
সে জিজ্ঞাসিলে তুমি উত্তর দিবে কিসে?
লেখক: শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। বর্তমান সরকার দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্ব্যদরবারে পরিচিত করাতে চাইতেছে।এরা যখনি ক্ষমতায় আসে তখনি দেশের জন্য একটি অপবাদ নিয়ে আসে। তাদের কথামতে ধরে নিলাম ছাত্রশিবির সন্ত্রাসি, রাজশাহীর সন্ত্রাসি ঘটনার জন্য সারা দেশের শিবির নেতা কর্মীরা দায়িনা। একটি সন্ত্রাসি ঘটনার জন্য সারাদেশে চিরুনী অভিজান হয়, অথচ ছাত্রলীগ দেশের এমন কোন জায়গা বাকীনাই যেখানে তারা সন্ত্রাস করতেছেনা,টেন্ডারবাজী করতেছেনা, চাঁঁদাবাজী করতেছেনা, ধর্ষণ করতেছেনা, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিজান হয়না। কখনো হবেওনা। কারন তারা আওয়ামীলীগের নেতাদের কথামত কাজ করিতেছে। যদি তাইনাহত তাহলে বহুপূর্বে ছাত্রলীগের যেসমস্ত সন্ত্রাসি নেতা কর্মী আছে তাদেরকে র্যাবের হাতে তুলে দিতেন।
17957
৫
LONDON.UK থেকে E ALI লিখেছেন,
১৬ মে ২০১০; রাত ০৩:১৬
সম্মানিত ভাই লেখক আপনার লেখা পড়ে আনন্দিত হলাম এই ভেবে, যে বর্তমানে বাংলাদেশে সত্য কথা বলার মত সাহস যে আপনি দেখিয়েছেন। জালিম সরকার বা তাহাদের সনত্রাশী, দুস্ট ছেলেরা যেন আপনার কোন ক্ষিত করতে না পারে সে জন্য দোয়া রহিল।আপনার সর্ব শেষ লাইনের উত্তরে স্বরাস্ট্র মন্ত্রীর উত্তর হবে ঃ আমি আওয়ামিলীগ।
17965
৬
টরোন্টো,কানাডা থেকে আব্দুস সামাদ লিখেছেন,
১৬ মে ২০১০; রাত ০৮:৫০
শরীফ উদ্দীন সাহেব,
আপনার শেষের ছড়াটি কার্যকর হলে,আর কিছু লাগে না।ছড়াটা দারুন।লেখাটাও
দারুন। প্রশাশনের যত চিরুনী ছিল তা রাজশাহীতে খরচ হয়েগেছে।তাই মন্ত্রী কি আর করবেন।
যখন কাজী সাহেবের ষাঁড়,অন্যের ষাঁড়ে মেরে ফেললো,কাজী সাহেব ফতোয়া
দিলেন-ষাঁড়কে বদলে ষাঁড়,শও রুপিয়া দাঁড়(জরিমানা)।আবার যেদিন কাজী সাহেবের ষাঁড়,অন্যের ষাঁড় মেরে ফললো,জনগন ভাবল,এই বার কাজী সাহেব
ধরা খাইছেন,জরিমানা নাদিয়ে যাবেন কোথায়?
কাজী সাহেব ফতোয়া দিলেন,-লাল কিতাব মে লিক্ষা হ্যায় ইঁউ,ষাঁড় কে বগল(পাশে)মে ষাঁড় বাঁধা হ্যায় কিঁউ।অতএব আইন বলে জরিমানা মাফ।
18056
৭
ITALY থেকে ROWSHAN লিখেছেন,
১৬ মে ২০১০; রাত ১০:৫৪
ওদের জন্য চিরুনী অভিযান কেন হবে? ওদের জন্য চিরুনী দিয়ে চুলকে পরিপাটি করে দিবে,রুপ সৌন্দর্য বাড়াবে।ওড়াতো আদরের ঘরের দূলাল যেন? মানুষ নামের হিংস্র প্রাণী বৈকি? তাদের চারিত্রিক বৈশিস্ট্য কি মানুষের মতো মনে হয়??? তাদের চাত্রিক বহিঃপ্রকাশ যেন বাংলার মাটি কলন্কিত হচ্ছে। তাদেরকে সরকার দিয়ে রেখেছে শক্তির ভান্ডার। তারা হচ্ছে সরকারে লাল বাহিনী। সরকারের পতন যেন হবে এদের হাতেই। আমরা থাকবো অপেক্ষায় সেদিনের।।।
18078
৮
দোহা কাতার থেকে মোঃ ইসমাঈল পাভেল লিখেছেন,
১৬ মে ২০১০; রাত ১১:০৯
লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ । ভাই পশুর কাছে মনুষত্যের দাবি করে লাভ নেই । এরা হচ্ছে মানুষ রুপি পশু , এরা হচ্ছে শয়তান , এরা হচ্ছে স্বার্থপর , এরা নিজ স্বার্থ হসিল করার জন্য যে কোন কিছু করতে পারে , এরা মানব জাতির শত্রু , এদের ধংশ অনির্বাঝ , এরা মুসলমানের শত্রু এরা ইসলামের শত্রু । আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন ঃ বলেছেন শত্রু দলের পশ্চাদ্ধবনে তোমরা দুর্বলতা দেখাবেনা । তোমরা যদি কষ্ট ভোগ করে থাক , তারাও তোমাদের মতোই কষ্ট ভোগ করেছে । তোমরা আল্লাহর কাছে এমন জিনিস আশা কর , যা তারা করেনা । আল্লাহ আরও এরশদ করেছেন ঃ আর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাক । নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল,দয়াবান ।
18080
৯
Frankfurt/Germany থেকে S.Kohl লিখেছেন,
১৭ মে ২০১০; সকাল ০৫:২৯
I acknowledged sir. Thank you.
18121
১০
Dhaka থেকে saifur লিখেছেন,
১৭ মে ২০১০; দুপুর ০২:০৪
Thank you .........
18158
১১
ওমৃন থেকে আবুজাবের লিখেছেন,
১৮ মে ২০১০; দুপুর ০১:৩৩
ধন্যবাদ
18289
১২
Chittagong university থেকে Chanchal লিখেছেন,
২৬ মে ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:০৬
A true story
19824
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: