মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; বিকেল ০৫:২৯ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
বুজুর্গানে সংবিধান এবং হাত-পা বাঁধা এক সাঁতারুর আরামদায়ক সাঁতার (১৮/০৬/২০১১)
তুলনাহীনার তুলনা এবং ভাবজগতে নতুন এক স্রষ্টার পদচারণা (১৯/০৫/২০১১)
মালিক যে কারণে নিজের হোটেলের খাবার খান না (১৬/০৫/২০১১)
নারী ও ধর্মসেবা পরস্পর বিপরীত স্রোতের দুই পক্ষ (০৭/০৫/২০১১)
৭ মার্চের ভাষণ থেকে উধাও হওয়া দুটি শব্দ এবং বিবেকের একটি রায় (২৭/০৪/২০১১)
ভূমিপুত্র ও তাদের শাণিত তীর-ধনুক (২৫/০৩/২০১১)
নষ্ট প্রজন্ম বনাম শুদ্ধ প্রজন্ম (১৯/০৩/২০১১)
বিষের বদলে মিঠাই (২৩/০২/২০১১)
বন্দর থেকে বন্দরে, অন্তর থেকে অন্তরে (১৯/০২/২০১১)
কান-কাটা রাজা, গলা-কাটা ইতিহাস ও উইকিলিকসের তথ্য ফাঁস (১৪/০১/২০১১)
শত্রু র আক্রোশের কামান এবং নিরাশার নাগরদোলায় আমাদের বোধ (৩০/১২/২০১০)
‘নরাধম’ হওয়ার পথে দেবতুল্য ‘শেলী ভাই’ (০৬/১১/২০১০)
বড়র পীরিতি ছোটর দুর্গতি (০৮/১০/২০১০)
রিমান্ডে ইতিহাস আর টাইম মেশিনে সংবিধান সংশোধনী কমিটি (০৪/০৯/২০১০)
সামনে বিপদ পেছনে আপদ (১২/০৮/২০০৯)
নদীতে বাঁধ দেয়ার আগে পিনাকরা আমাদের মুখে বাঁধ দেয়ার চেষ্টা করছে (১৪/০৭/২০০৯)
প্যারালাইজড রাজনীতির ইনটেনসিভ কেয়ার ও সর্বশেষ ফিজিওথেরাপি (১৭/০৬/২০০৯)
ডিজিটাল বধূর লজ্জা ও সরকারের ডিজিটাল তামাশা (১৩/০৫/২০০৯)
সুইজারল্যান্ড বনাম আমাদের ফাদারল্যান্ড (২২/০৪/২০০৯)
দুর্বল বিএনপি রাষ্ট্রের জন্যে চরম ক্ষতিকর হতে পারে (১৮/০৪/২০০৯)
একজন রাজিবের মৃত্যু ও গুটিকয় বোধ বা চেতনার জন্ম (০৯/০৪/২০০৯)
দিন বদলের শ্লোগান ও একটি ইনডিসেন্ট অনুরোধ (২৮/০৩/২০০৯)
কোন দলের চকোলেট নয় - তাদের প্রাপ্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সম্মাননা (১৭/০৩/২০০৯)
প্রতিশ্রতি দেয়া আর ভাঙা - প্রেম আর রাজনীতিতে (২৪/০২/২০০৯)
নির্বাচনী মা টি নয় - লেভেল করা হয়েছে একটি দলের খেলোয়াড়দেরকে (১৫/১১/২০০৮)
একটি ভাস্কর্য ও তাকে ঘিরে কয়েকটি প্রশ্ন (০১/১১/২০০৮)
জরুরি এই সরকার আসলেই কার? (২৭/১০/২০০৮)
সব ইভিলের শিরোমণি যখন মিডিয়া (১৫/০৯/২০০৮)
'জাতির পিতা' ও বাংলাদেশের বাস্তবতা (২৬/০৮/২০০৮)
ওরা এখন সরব কেন? (১৯/০৮/২০০৮)
আগের লেখা
5136


বুজুর্গানে সংবিধান এবং হাত-পা বাঁধা এক সাঁতারুর আরামদায়ক সাঁতার

মিনার রশীদ

বুজুর্গ হওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধাটি হলো ‘ওনাদের’ কাজকর্ম নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করে না। এমনই এক বুজুর্গ যার কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন করার হিম্মত আশপাশে কারো নেই। তবে মিছরির ছুরি হুজুরের ছোট বিবি কিছুটা ‘আশকারা’ পেয়ে মাঝে মধ্যে দুয়েকটি প্রশ্ন করে বসেন।
বিবির প্রথম প্রশ্ন, আচ্ছা হুজুর, আমরা আপনার কিতাবগুলোতে হাত রাখলেই লাফিয়ে ওঠেন। অজু-গোসল ঠিক আছে কি না জিজ্ঞাসা করেন। কিন্তু আপনি নিজে দিব্যি আপনার পাছা (শব্দটি শুনে হুজুর চোখ গরম করলে সংশোধনী টানে) গোস্তাকি মাফ করবেন, বলতে চাচ্ছি, ইয়ে মানে, আপনার পাছা-মোবারক কিতাবের ওপর রেখে বসে পড়েন।

হুজুরের উত্তর, বেয়াদব মাইয়া মানুষ। আমি হলাম গিয়ে জ্ঞানের এক কিতাব। কাজেই এক কিতাবের ওপর অন্য কিতাব বসলে অসুবিধা কোথায়?
দ্বিতীয় প্রশ্ন, আচ্ছা হুজুর, আপনি আমাদের কেবলামুখী হয়ে প্রস্রাব-পায়খানা করতে নিষেধ করেন। কিন্তু ওইদিন সন্ধ্যায় দেখলাম, আপনি নিজেই পশ্চিমমুখী হয়ে প্রস্রাব করতে বসে পড়লেন। গরজে পড়লে দেখি আপনার সব কিছু হালাল হয়ে যায়। আর সব কিছু হারাম থাকে শুধু আমাদের বেলায়।

হুজুরের উত্তর, এই ব্যাপারে পুরুষদের কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। কম-আক্কেল মাইয়া মানুষ, তা তোমরা বুঝতে পারবে না। কাজেই বেয়াদব ও কম আক্কেল সম্পন্ন জনগণ বুজুর্গদের ব্যাপার-স্যাপার কখনোই ধরতে পারে না। বুজুর্গরা ভেতর থেকে অনেক কিছু ঘুরাইয়া দেয়ার কেরামতি জানেন।

এক বুজুর্গ ১৯৭২ সালের সংবিধানের প্রতি অনাস্থা দেখিয়ে দস্তখত করেননি। তিনি এখন ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনরুদ্ধার কমিটির মস্ত বড় বুজুর্গ। অর্থাৎ তিনি এখন বুজুর্গানে সংবিধান। ১৯৭২ সালের সংবিধানের নিরিখে এই বুজুর্গের মুখটি ঘুরানো ছিল স্পষ্টভাবে হারামদিকে। এখন কোনো কব্জা নাড়িয়ে হালালমুখী করে ফেললেন সেটাও ট্রিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন হয়ে গেথে রয়েছে জনগণের মনে।

একই কথা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে। ১৯৯৪-৯৫ সালে এই সুরঞ্জিত চিবিয়ে চিবিয়ে অনেক কথা বলেছেন। জনগণকে বোঝানো হয়েছিল বৃহত্তর কল্যাণের জন্য লাগাতার হরতালের কিছু যন্ত্রণা সহ্য করা দরকার। তখন তাদের অন্যতম সঙ্গী ছিল জামায়াতে ইসলামী। দেখা গেল, জামায়াত এই বুজুর্গদের সঙ্গে রাজনীতি করলে হালাল হয়ে যায়। কিন্তু অন্যের সঙ্গে একই রাজনীতি করলে তা হারাম হয়ে পড়ে। এভাবে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি আনা হলো। এখন এই বুজুর্গ-দের মুখ পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরানো। তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন পুরো হারাম হয়ে পড়েছে! হায় সেলুকাস! কি বিচিত্র এই দেশ।

সত্য কথা বলতে কি, সংবিধানের প্রতি সাধারণ মানুষের যে সমীহ ও সম্মান রয়েছে, এই বুজুর্গদের তার কানাকড়িও নেই। এই সংবিধান, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে দেশের মানুষ সামান্য ভুল করলে বা ভুলভাবে কখনো হাতটি রাখলে এই বুজুর্গরা লাফিয়ে ওঠেন। কিন্তু বুজুর্গান সংবিধানের ওপর তাদের ‘পাছা-মোবারক’ রেখে অবলীলায় বসে পড়তে পারেন। সংবিধানকে চূর্ণ-বিচূর্ণ, দলিত-মথিত করতে তাদের কঠিন অন্তরটি একটুও কাপে না। সংবিধানকে নিয়ে এমনভাবে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার ধারাটির শুরু সর্বনাশা ১/১১ থেকে। ডকট্রিন অব নেসেসিটির তত্ত্ব দিয়ে এই সর্বনাশা প্রবণতাটি শুরু। শেষটি কোথায় এখনো জানা নেই।

সংবিধান সংশোধন নিয়ে দেশের মানুষের মতামত নেওয়ার কৌশলটিও চমকপ্রদ। তারা সাবেক বিচারপতি, আইনজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী, পত্রিকা সম্পাদকদের মতামত নিয়ে ফেলেছেন। অর্থাৎ তারা বিয়ের ব্যাপারে কনের বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, মামা-মামি, চাচা-চাচিসহ আশপাশের সকলের কবুল আদায় করে ফেলেছেন। তবে এই কবুলের মূল মালিক যে কনে তার অর্থাৎ বৃহত্তর জনগোষ্ঠির প্রতিনিধিত্বকারী বিরোধী দলের মতামতের তোয়াক্কা করা হয় নাই। সংবিধানের এমন বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য গণভোটের বাধ্যবাধকতাটিও বিশেষ কৌশলে তুলে দেয়া হয়েছে। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার পরও প্রথমে আদালতের কাঁধে বন্দুকটি রাখা হয়েছে সম্ভবত এই মতলবে। জনগণের জন্যই যে সংবিধান তার সংশোধনী নিয়ে জনগণের কাছে যেতেই এই বুজুর্গদের যতো ভয়।

বিশেষ বিবেচনায় বাছাইকৃত এই কনের চাচা-মামা, দাদা-নানা হিসেবে যাদের ডাকা হয়েছিল তাদের মতামতেরও বিশেষ তোয়াক্কা করা হয়নি। তাদের অধিকাংশ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিটি অটুট রাখার কথা বললেও তা না রাখার দিকেই অগ্রসর হচ্ছে সরকার।

আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, বর্তমান বিরোধী দলটি এই জাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা কমপক্ষে আরো দুই-দুবার পেয়েছে। ধারনা করতে অসুবিধা নেই, এই ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বর্তমান বিরোধী দলগুলো ভবিষ্যতে আরো অনেকবার পাবে। কাজেই স্বাধীনতার ৪০ বছর পর সরকার একতরফা ভাবে সংবিধান সংশোধনের নামে বানরের তৈলাক্ত বাশে উঠার যে মারাত্মক খেলা শুরু করতে যাচ্ছে তাতে সামনের ৪০ দুগুণে ৮০ বছর একই চক্রে এ জাতিকে ঘুরপাক খেতে হবে। এই আত্মঘাতী প্রবণতা রোধ করতে জাতির বিবেকদের এগিয়ে আসা উচিত ছিল, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে তা দেখা যায়নি।

আমরা সংবিধান সংশোধনের বিরোধী নই। সংবিধান কোনো ধর্মগ্রন্থ নয় যে তা পরিবর্তন করা যাবে না। অবশ্যি করা যাবে। কিন্তু তা করতে হবে জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতি রক্ষা করে। বর্তমানের এই সংশোধনীতে জাতির কোনো কল্যাণ নেই। শুধু আওয়ামী লীগকে কিভাবে আজীবন ক্ষমতায় রাখা যায় তার নিমিত্তেই মূলত এই সংশোধনী।

এ জন্য ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বড় অবদানটি রেখেছেন সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক। সম্প্রতি বিশ্বে দুটি গায়েবানা আয়োজন আলোচনায় এসেছে। একটি লাদেনের গায়েবানা জানাজা, অন্যটি বার অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক বিচারপতি খায়রুল হকের গায়েবানা সংবর্ধনা। কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিতে পারিয়াছিল যে সে আগে মরে নাই। কিন্তু লাদেন মরিয়াও প্রমাণ করিতে পারিল না যে সে মরেছে। আর বিচারপতি খায়রুল হক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য ভঙ্গ করে সংবর্ধনা থেকে নিজের জিন্দা লাশটি গায়েব করেও নিজের সকল আমলনামা গায়েব রাখতে পারলেন না।

বিদায়লগ্নে আইনমন্ত্রীর সাথে তার প্রীতি-বাহাসটিও ছিল লক্ষ্য করার মতো। টক দইগুলো জনগণকে গেলানোর অনেক পর আইনের গোয়ালা আইনমন্ত্রীর ওপর এক প্রস্থ গোস্বা ঝাড়লেন শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ (!) এই বিচারপতি। অন্যান্য সুশীলের মতো কথা দিয়েই চিড়া ভিজিয়ে গিয়েছেন। আইনমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, হাত-পা বেঁধে তাদের সাঁতার কাটার জন্য ছাড়া হয়েছিল। তবে সাঁতার কাটতে এই সাঁতারুর যে খুব বেশি কষ্ট হচ্ছিল এমন কখনোই মনে হয় নাই। শেখ হাসিনা কিংবা তার বোন শেখ রেহানাকে প্রধান বিচারপতির আসনটিতে বসিয়ে দিলে এমনভাবে দুই কান বন্ধ করে আওয়ামী লীগের পক্ষে এসব রায় লিখতে পারতো কি না সন্দেহ রয়েছে।

হাত পা-বাঁধা এই জাদুকরী সাঁতারুর আরামদায়ক সাঁতার জাতিকে মহা সর্বনাশের দিকে টেনে নিয়েছে। তার রায়ে জাতির প্রায় সব কিছু অবৈধ হয়ে পড়েছে। আগে জানা ছিল যে শুধু রাজনৈতিক রজ্জু দিয়ে এই সাঁতারুর হাতপাটি বাঁধা হয়েছিল। এখন জানা গেল, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের দশ লাখ টাকার মতো অর্থনৈতিক রজ্জুও এই বাঁধনের কাজটিতে ব্যবহৃত হয়েছিল। বিচারপতি কেএম হাসান, বিচারপতি এমএ আজিজের পেশাগত জীবনে নিরপেক্ষতা কিংবা নৈতিকতা ভঙ্গের এমন কোনো রেকর্ড ছিল না। তবে তাদের মনের কোণে বিএনপির প্রতি দরদ টের পেয়ে জমের মতো লেগেছিল সুশীল সমাজ। অতীতের কোনো অপরাধের জন্য নয়, ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অপরাধের কারণে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছিল স্বল্পবাক এই দুজন বিচারপতিকে। কিন্তু বিচারপতি খায়রুল হক আদালতের নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকালেও সেই সুশীল সমাজ আশ্চর্যজনক ভাবে চুপ মেরে রয়েছেন।

পঞ্চম, সপ্তম ও ত্রয়োদশ সংশোধনী নিয়ে তিনি অনেক কথা বললেও বাকশাল সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত চতুর্থ সংশোধনী নিয়ে একটা কথাও বলেননি। দুজন সিনিয়রকে ডিঙিয়ে তাকে প্রধান বিচারপতি করা হয়। আবার পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে তার নিয়োগ ঠিক রাখতে গিয়ে বিচারপতি শাহ নঈমকে ডিঙিয়ে বেশ জুনিয়র একজন বিচারপতিকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। কারণ বিচারপতি নঈম আগামী নভেম্বরে স্বাভাবিক নিয়মে অবসরে গেলে তিনিই হতেন পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান।

জাতি হিসেবে আমরা সত্যি দুর্ভাগা। বিভিন্ন জগতে এ রকম অনেক বুজুর্গ সৃষ্টি করলেও জাতির অভিভাবক বা বিবেক সৃষ্টি করতে পারিনি। নিজের একটি ভুল কথা বা মতামতের জন্যে যদি একটি ক্ষতিকর পদ্ধতি বা ধারা টিকে যায় বা জাতি অশুভ চক্রে ঘুরপাক খেতে থাকে তাহলে তার দায় তো নিজের ওপরও পড়বে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জাতির অভিশাপ নিজের আত্মার ওপর বর্ষিত হতে থাকবে। জাতির বিবেক হিসেবে যাদের হাজির করানো হচ্ছে তাদের বিবেকের এই দংশন নামক ফাংশনটি আদৌ কার্যকর রয়েছে কি না তা নিয়ে সত্যিই সংশয় দেখা দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ আজ আওয়ামী লীগারদের হাতে নেই। যাদের হাতে পড়েছে তাদের নিয়ে জাতির অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। স্বাধীনতার পর পর গণবাহিনী সৃষ্টি করে তখনকার সরকার ও সেনাবাহিনীকে তছনছ করে তুলে এই বামদের এক অংশ। অন্য অংশ সরকারের মাথায় চড়াও হয়ে বাকশাল সৃষ্টিতে অনুপ্রেরণা জোগায় অর্থাৎ একদল সাজে সাপ আর অন্য দল সাজে ওঝা। ফল আমরা সবাই জানি। দেশের দুই-দুজন প্রেসিডেন্টের নির্মম হত্যাকান্ডে মদদ দেয়ার জন্য পেছনের ব্রেইনটি ছিল মূলত এরাই। আওয়ামী লীগ নিজে সমাজতন্ত্রকে ডিভোর্স দিলেও এই বুজুর্গদের চাপে জাতিকে সেই ভ্রষ্টা নারীটিকেই ঘরে তুলতে হচ্ছে। মস্কো ও পিকিংয়ের দিকে ফেরানো বুজুর্গদের মুখটি আজ কি করে ওয়াশিংটনের দিকে ঘুরে গেল সেটাও আজ বড় প্রশ্ন।

এক বৃটিশ মেম বাঙালি সিপাহিকে সঙ্গে নিয়ে ঘোড়া চালানোর প্র্যাকটিসে যায়। আচমকা বাতাসে মেমসাহেবার স্কার্টটি উল্টে যায়। লজ্জা কাটাতে মেমসাহেব তড়িঘড়ি বলে ফেলে, দেখলে তো, কেমন আমার এজিলিটি (ক্ষীপ্রতা)? সিপাহি মাথা চুলকায়, সে তো দেখেছে অন্য কিছু। কিন্তু মেম যে বলছেন এজিলিটি! মেমের এজিলিটি নিয়ে এই সুশীল (ভদ্র) সিপাহি আর বাংলাদেশের সেকুলারিটি নিয়ে সুশীল সমাজ পড়েছে একই চক্করে। দেখে বা বুঝে একটা, বলতে হয় অন্যটা।

বাংলা বুঝতে অক্ষম পশ্চিমা সেকুলারদের বোঝানো হয় তারাই হলো মূল সেকুলার শক্তি। এভাবে ধর্মনিরপেক্ষতার পুরো অবয়বটিতে প্রতারণা আর স্ববিরোধীতায় পরিপূর্ণ। মুখে বলা হয়, সকল ধর্ম পালনের অবাধ অধিকার নিশ্চিত। কিন্তু বাস্তব চর্চাটি হলো ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে দাড়ি-টুপি-হেজাব দেখলেই ধুমছে পেটানো। ধর্মনিরপেক্ষ এই পিটুনির ন্যায্য শেয়ার কখনোই অন্যরা পায় না। নাটক, সিনেমায় দাড়ি-টুপিওয়ালা ভিলেইনই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষতার ন্যায্য শেয়ার হিসেবে গেরুয়া রঙের ভিলেইন তেমন দেখা যায় না। কার্টুনে রাক্ষসের মাথায় টুপি ও কপালে ক্রিসেন্টই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। কুকুরের মাথায় টুপি দিয়ে ছবি তোলার নামই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। অর্থাৎ এই সিপাহির মতো আমরা দেখি অন্য কিছু। মেমসাহেবের শেখানো কথা মতো বলি এজিলিটি।

দেশের গণতন্ত্র ও আমাদের অস্তিত্বের সকল শেকড়গুলো আবারও সেই বাকশালের কব্জায় পড়েছে। পৃথিবীর প্রতিটি গণতান্ত্রিক সমাজেই ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যাগরিষ্ঠরা কিছু বিশেষ সুবিধা ভোগ করে। আর্কিটেকচারাল স্থাপত্যে বা মেকানিকেল ডিজাইনে সুযোগ পেলেই ক্রসটি একে ফেলা হয়। জাহাজের নেভিগেশন লাইট তুলে ধরার স্থাপনাটির নাম দেয়া হয়েছে কৃসমাস ট্রি। সারা পৃথিবী কৃশ্চিয়ান জগতের টেকনোলজিকেল আধিপত্যের এ চিহ্নটিকে সহজভাবে মেনে নিয়েছে। অধর্মের এই সেক্টরে অনেক বড় কমান্ডার অবস্থান করলেও ধর্মের এই চিহ্ন তাদের গায়ে জ্বালা সৃষ্টি করে না। পৃথিবীকে যে বৃটেন বর্তমান সভ্যতা উপহার দিয়েছে সেই দেশের রাজতন্ত্র হলো সেখানকার প্রটেস্ট্যান্ট ধর্মের বড় রক্ষক। ব্লাসফেমি আইনটি করা হয়েছে শুধু জেসাস বা কৃশ্চিয়ান ধর্মকে প্রটেকশন দেয়ার জন্য। আমেরিকার ডলারে যে গডের ওপর আস্থার কথা বলা হয়েছে তার স্পষ্ট খৃস্টীয় গন্ধ রয়েছে। কৃশ্চিয়ান সেই গড-কে ধর্মনিরপেক্ষ ‘ক্রিয়েটর’ দিয়ে প্রতিস্থাপনের দাবি উঠছে না। এ জন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মনের পীড়ায় ভুগছে না। নিজেদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক মনে করছে না।

পৃথিবীর মধ্যে আমরা হলাম সবচেয়ে হতভাগা সংখ্যাগরিষ্ঠ-এর জাতি। সভ্য দুনিয়ায় ধার্যকৃত সংখ্যা গরিষ্ঠের স্বাচ্ছন্দটুকুও আমাদের জন্য সংকুচিত হয়ে পড়েছে। আমাদের এই বোধ ও চাওয়াটিকে বিভিন্ন ভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলে। সেকুলার স্পিরিটে আমাদের বোধ বিশ্বাসের গোড়াটি কাটা হয়। আবার ধর্মনিরপেক্ষতা নাম দিয়ে তার আগায় পানি ঢালা হয়।

আওয়ামী লীগের মধ্যেও এ জাতীয় পীড়নে পীড়িত মানুষের অভাব নেই। সারা জীবন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ করলেও শেষ জীবনে তাবলিগ না করে অনেকেই কবরে পা রাখতে চান না। এরা সবাই শেকড় ছিন্ন হাই ব্রীড এ নেতাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। আগের ভুলের জন্য ২১ বছর পর ক্ষমা চেয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসে। এখন আবারও সেই একই ভুলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তারা শুধু আওয়ামী লীগকেই নয়, দেশকেও চরম সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

কাজেই আমাদের সজাগ হওয়া দরকার। ইস্পাত সদৃশ্য ঐক্য দরকার। যে যেখানে আছি সেখান থেকেই কাজে লেগে যেতে হবে। বিভিন্ন খুদকুড়া ছিটিয়ে এরা মিডিয়ার ওপর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। বিশেষ মতলবে জাতি নামে কনের মনের কথাগুলি বলার জন্যে দাদা-দাদি, মামা-মামি, নানা-নানিদের সৃষ্টি করেছে। এদের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোর মধ্যে অনৈক্য এবং ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন হতাশা ছড়িয়েছে।

কাজেই সেই একই প্রক্রিয়ায় তাদের মোকাবেলা সম্ভব নয়। বরং নতুন কিছু কৌশলে এগোতে হবে। সত্যের একটা নিজস্ব শক্তি রয়েছে। এখানে ফর্মুলাটি হলো E = mc2. c হলো সত্যের বেগ আর m হলো কতোটুকু ভর নিয়ে প্রকাশ করা হলো তা। প্রপাগান্ডার ভর বেশি, বেগ কম। তাই সত্যকে নিয়ে সামান্য প্রচেষ্টা মিথ্যাকে নিয়ে বড় বড় পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে পারে। মধ্য প্রাচ্যে সেই প্রমাণ আমরা দেখেছি।

পুরো জাতিকে আহ্বান জানানোর নৈতিক অথরিটি বা ক্যাপাসিটি কোনোটিই এই অধমের নেই। তারপরও চুপ থাকা সম্ভব হচ্ছে না। যে কোনো জায়গায় থাকুন না কেন, সকল জড়তা কাটিয়ে মুখ খুলুন। প্রতিটি স্তরে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক প্রতিরোধ সৃষ্টি করুন। যতো পটুই হোক না কেন, নৈতিক ভাবে দুর্বল কোনো বিষয় নিয়ে কেউ বেশি দূর এগোতে পারে না।

একপেশে বক্তব্যের জন্য কিংবা যেখানে সরব হওয়া দরকার সেখানে নীরবতার জন্যে সাংবাদিক, টক শো সঞ্চালক, কলামিস্ট, সম্পাদকদের ফোন করুন, চিঠি লিখুন, এসএমএস পাঠান, ইমেইল পাঠান। কোনো একটি লেখা বা বক্তব্য পছন্দ হলে তা বিভিন্ন ব্লগে ছড়িয়ে দিন। ফেসবুক, টুইটার, এসএমএস প্রভৃতি মাধ্যমগুলো যথাসম্ভব কাজে লাগান। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের তা দেখতে ও পড়তে উৎসাহিত করুন। পকেটের কিছু টাকা খরচ করে গুরুত্বপূর্ণ লেখা কপি করে ছড়িয়ে দিন। এই খাতে খরচ হওয়া আপনার ৫০টি টাকা অশুভ শক্তির ৫০০ কোটি টাকার পরিকল্পনাকে ভন্ডুল করে দিতে পারে।

কারন কোনো দলের পক্ষে নয়। আপনি দাড়াচ্ছেন আপনার প্রিয় দেশটির গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন, আপনার বাপ-দাদার বোধ ও বিশ্বাসের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন ১৬ কোটি মানুষ এবং আগত সকল প্রজন্মের জীবন, মান ও সম্পদ রক্ষার জন্য। কাজেই আপনার বেগ অগণনীয়, অপ্রতিরোধ্য। এর সামনে অন্য কিছু টিকতে পারবে না।

এখন দরকার শুধু নিজের এই শক্তিটুকুর সম্যক উপলব্ধি।
minarrashid@yahoo.com
[সূত্র: মাসিক ধানের শীষ, মে ২০১১ সংখ্যা]
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MinarRashid
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
ইউ কে থেকে এস আলম লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ০৮:৩৪
"অতীতের কোনো অপরাধের জন্য নয়, ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অপরাধের কারণে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছিল স্বল্পবাক এই দুজন বিচারপতিকে। কিন্তু বিচারপতি খায়রুল হক আদালতের নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকালেও সেই সুশীল সমাজ আশ্চর্যজনক ভাবে চুপ মেরে রয়েছেন।"
চুপ থাকবে না কেন? খায়রুল হক যেমন জিয়াউর রহমানের ক্ষমতাগ্রহন অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেওয়ার কিছুদিন পরই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল হতে ১০লাখ টাকা বখশিস পেয়েছে, এই তথাকথিত সুশীল সমাজের সদস্যরাও তেমনি দেশের ভিতর-বাহির দুদিক হতেই এরকম বখশিস পেয়ে বেঁচে বর্তে আছে। এদের আয়ের উৎস কি যে এত হাঁক-ডাক করে গোলটেবিল (করে চারকোনা টেবিল বৈঠক, নাম দেয় গোল টেবিল বৈঠক) বৈঠক করে?
59832
Australia থেকে Md. Nur Uddin লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ০৮:৫০
Excellent.
59834
Nepal থেকে Good লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ০৯:৩৮
সাবাস
59835
ঢাকা থেকে নাজনীন ইলিয়াস লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ০৯:৪১
ধন্যবাদ মিনার রশীদ। আপনি যথার্থই লিখেছেন, ''যে কোনো জায়গায় থাকুন না কেন, সকল জড়তা কাটিয়ে মুখ খুলুন। প্রতিটি স্তরে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক প্রতিরোধ সৃষ্টি করুন''। কথায় আছে HIT THE ROD WHEN IT IS RED.
59836
চিটাগাং থেকে শফিকুর রহমান লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ০৯:৪১
সাবাস মিনার ভাই,
আপনার সাহসী লেখা চালিয়ে যান,আমরা আছি আপনার পাশে।জনতার জয় হবে আমাদের শেষ লক্ষ্য।সামনে লড়ায়ের দিন। আপনার কলমের শান আরো শানিত হবে আশা করি।ভালো থাকুন।
59837
Pacific Island থেকে Abu Mazhar Bowal লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ১০:৩৩
Excellent article to stimulate patriotism-
"কাজেই আমাদের সজাগ হওয়া দরকার। ইস্পাত সদৃশ্য ঐক্য দরকার। যে যেখানে আছি সেখান থেকেই কাজে লেগে যেতে হবে।"
"একপেশে বক্তব্যের জন্য কিংবা যেখানে সরব হওয়া দরকার সেখানে নীরবতার জন্যে সাংবাদিক, টক শো সঞ্চালক, কলামিস্ট, সম্পাদকদের ফোন করুন, চিঠি লিখুন, এসএমএস পাঠান, ইমেইল পাঠান। কোনো একটি লেখা বা বক্তব্য পছন্দ হলে তা বিভিন্ন ব্লগে ছড়িয়ে দিন। ফেসবুক, টুইটার, এসএমএস প্রভৃতি মাধ্যমগুলো যথাসম্ভব কাজে লাগান। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের তা দেখতে ও পড়তে উৎসাহিত করুন। পকেটের কিছু টাকা খরচ করে গুরুত্বপূর্ণ লেখা কপি করে ছড়িয়ে দিন। এই খাতে খরচ হওয়া আপনার ৫০টি টাকা অশুভ শক্তির ৫০০ কোটি টাকার পরিকল্পনাকে ভন্ডুল করে দিতে পারে।"
Salute to you minar bhai- for making such daring article against the ruling power that is destroying our rights as citizen, destroying our nation/ our future.
59841
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ১১:৪৬
To S Alam from UK comment 1
Could you people tell us how many koti bride has taken by Justice Khairul Haque to give verdict in favour of fotua ? If this Justice is so cheap and only for 10 lac taka sells every thing then why why BNP Jamat never try to purchase him. 10 lac taka is very cheap so they can offer 10 koti because they have that much money. 10 lac taka is very small money so any body can give him then why gov openly give him that amount from relief fund to be caught in the red handed?
As he gives verdict in favour of fotua so he has taken 10 koti taka from taleban Jamat for that reason why all BNP Jamats are quiet???
59847
ইউ এস এ থেকে ম ম রহমান লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সকাল ১১:৪৯
এরকম পাঁচ জন কলাম লেখক বাংলাদেশে থাকলে ; শত সহস্র দালাল, বিবেক বর্জিত, তোষামোদ কারী কলাম লেখকরা জাতিকে বিভ্রান্ত করতে পারত না।
59848
Jeddah থেকে Shapan লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ১২:৪৫
Excellent Article, please continue, we need more Minar.
59850
১০
ঢাকা থেকে বাদল লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ১২:৪৯
পৃথিবীর মধ্যে আমরা হলাম সবচেয়ে হতভাগা সংখ্যাগরিষ্ঠ-এর জাতি। সভ্য দুনিয়ায় ধার্যকৃত সংখ্যা গরিষ্ঠের স্বাচ্ছন্দটুকুও আমাদের জন্য সংকুচিত হয়ে পড়েছে। আমাদের এই বোধ ও চাওয়াটিকে বিভিন্ন ভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলে। সেকুলার স্পিরিটে আমাদের বোধ বিশ্বাসের গোড়াটি কাটা হয়। আবার ধর্মনিরপেক্ষতা নাম দিয়ে তার আগায় পানি ঢালা হয়।
59851
১১
জেদ্দা থেকে আবু জুবাইর লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ১২:৫৩
"কারন কোনো দলের পক্ষে নয়। আপনি দাড়াচ্ছেন আপনার প্রিয় দেশটির গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন, আপনার বাপ-দাদার বোধ ও বিশ্বাসের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন ১৬ কোটি মানুষ এবং আগত সকল প্রজন্মের জীবন, মান ও সম্পদ রক্ষার জন্য। কাজেই আপনার বেগ অগণনীয়, অপ্রতিরোধ্য। এর সামনে অন্য কিছু টিকতে পারবে না
এই খাতে খরচ হওয়া আপনার ৫০টি টাকা অশুভ শক্তির ৫০০ কোটি টাকার পরিকল্পনাকে ভন্ডুল করে দিতে পারে"।
Excellent, মিনার ভাই। ধন্যবাদ।
59853
১২
saudi arabia থেকে cosmos লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ১২:৫৯
a wonderful article indeed.
request Minar Rashid to keep on presenting such valuable gifts for the nation.
59855
১৩
Australia থেকে Nargis Banu লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০১:০৩
Thanks for your nice article. You have raised all current important issues in logical manner. It would be good if you can manage to deliver those arguments to our general public. As I said before, talk show in TV is the perfect platform to discuss the issues. Is there any TV channels will allow you to talk like this?? I afraid, none would invite you because you will tell the truth. Who likes “truth” in Bangladesh?

However, please keep writing your thoughts.
59857
১৪
চট্টগ্রাম থেকে আইয়ুব আনসারী লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৪৬
লিখতেই থাকুন। জনগনের ঘুম আবশ্য ভাঙবে।
59859
১৫
ঢাকা থেকে ্আনোয়ার লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৪৮
আসলে বাংলাদেশে রাজনীতিতে কোন নির্মোহ নেতৃত্ব নাই, সৎ লোকেরা রাজনীতিতে আসছে না বা আসলেও কোণঠাসা হয়ে পড়ে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের কারণে। কাজেই যা হবার তাই হচ্ছে। এখন আমাদের দরকার একজন সঠিক আদর্শবান নেতা যে শেখ ণ মত চাটুকার দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকবেনা, দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক হবে না। ধন্যবাদ মিনার রশীদ।
59860
১৬
Cox's Bazar থেকে Dr. Farooque লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৪৮
“একপেশে বক্তব্যের জন্য কিংবা যেখানে সরব হওয়া দরকার সেখানে নীরবতার জন্যে সাংবাদিক, টক শো সঞ্চালক, কলামিস্ট, সম্পাদকদের ফোন করুন, চিঠি লিখুন, এসএমএস পাঠান, ইমেইল পাঠান। কোনো একটি লেখা বা বক্তব্য পছন্দ হলে তা বিভিন্ন ব্লগে ছড়িয়ে দিন। ফেসবুক, টুইটার, এসএমএস প্রভৃতি মাধ্যমগুলো যথাসম্ভব কাজে লাগান। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের তা দেখতে ও পড়তে উৎসাহিত করুন। পকেটের কিছু টাকা খরচ করে গুরুত্বপূর্ণ লেখা কপি করে ছড়িয়ে দিন। এই খাতে খরচ হওয়া আপনার ৫০টি টাকা অশুভ শক্তির ৫০০ কোটি টাকার পরিকল্পনাকে ভন্ডুল করে দিতে পারে।”
ধন্যবাদ মিনার রশীদ।

পলাশী ট্র্যাজেডি-র পরে জগৎশেঠ, সু-রঞ্জিত শেয়ান বাবুদেরকে changdola করে Remmand-এ এনে চিবিয়ে চিবিয়ে কেউ interrogate করে নি। সিরাজউদ্দৌলা-মোহনলাল -ফেলানিরা এ রকম আশায় আশায়………
বুজুর্গানে সংবিধান-বাটপারে সেকুলার-বিচারপতি লীগের Cadre-রা ভবিষ্যৎ BNP আমলে হয়তো মউজেই টকশো-কলাম-বিবৃতি চালিয়ে যাবে ।
যেগুলার গরম ডিম পাওয়া দরকার, পায় নি একদম পায় নি।
কবে যে আবার Sher-e-Bangla, Bhashani-রা আসবে !!!
59861
১৭
Deraiya, Riyadh. থেকে Habib লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০২:১২
Excellent article...........go ahead Mr. Minar ...আওয়ামী লীগ আজ আওয়ামী লীগারদের হাতে নেই। যাদের হাতে পড়েছে তাদের নিয়ে জাতির অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। আওয়ামী লীগ নিজে সমাজতন্ত্রকে ডিভোর্স দিলেও এই বুজুর্গদের চাপে জাতিকে সেই ভ্রষ্টা নারীটিকেই ঘরে তুলতে হচ্ছে। মস্কো ও পিকিংয়ের দিকে ফেরানো বুজুর্গদের মুখটি আজ কি করে ওয়াশিংটনের দিকে ঘুরে গেল সেটাও আজ বড় প্রশ্ন।
59864
১৮
কাতার থেকে শামীম লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০২:২৮
সুন্দর লেখার জন্য
59866
১৯
জেদ্দা থেকে আবু সাইফ লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০২:৩৩
যে কোনো জায়গায় থাকুন না কেন, সকল জড়তা কাটিয়ে মুখ খুলুন। প্রতিটি স্তরে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক প্রতিরোধ সৃষ্টি করুন।

59867
২০
Sweden থেকে Shaheen লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০২:৫৫
Dear Minar Rashid,
After having gone through your article I could not help laughing myself and thought if every sensible of Bangladeshi does have the same thoughts the Bangladesh would have saved from BAKSALISM.That 3rd rat( selected and superseded) by Hasina has destructed the whole judicial system and hence the country is now deadly facing ´both judicial and political crisis.I have a lot of comments but will not make while I wish you a long life health and happiness so that you can continue your strong voices against such nefarious criminal activities are daily being committed by BAKSALIST who is having their dream to have the next parliamentarian election so that they can exterminate the opposition.
59869
২১
ঢাকা থেকে খালিদ সাইফুল্লাহ লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০৩:০৬
জনাব মিনার রশীদ, সালাম নিবেন। আপনার লেখার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে পেলাম এবং উিদ্বপ্ত হলাম। সত্যিই অসাধারন। আপনার সাথে আমিও একমত যে আমরা যে যেখানে আছি সেখান থেকেই কাজ করতে হবে। আমি মাঝে মাঝে জনগনের মনের হাবভাব বোঝার জন্য বাসে উঠে লীগারদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে খোচা মাির এবং আশাব্যঞ্জক সাড়া পায় লীগারদের বিরুদ্ধে। সুতরাং সাধারন জনগন লীগারদের পাশে নেই। আমি আপনাকে একান্ত অনুরোধ করবো অন্তত প্রতি সপ্তাহে একটি লেখা লিখতে কারন আমি মনে করি এখন স্বাভাবিক সময় নয় অস্বভাবিক সময় তাই মাসে একটি নয় সপ্তাহে একটি লেখা দরকার । আশা করি আমার অনুরোধটি রাখবেন। আল্লাহ আপনাকে হায়াত বাড়িয়ে দিন। আমীন।
59871
২২
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আল্ মামুন লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; দুপুর ০৩:৫৫
জাতিকে জাগ্রত করার অভিপ্রায়কে শ্রদ্ধার চোখেই দেখা হয়।
59881
২৩
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আল্ মামুন লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; বিকেল ০৪:৪৬
জাতির এ ক্রান্তিকালে আরো অনেক কলম সৈনিকের অভাব অনুভুত হচ্ছে।
59889
২৪
Oman থেকে Abdul Malek লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; বিকেল ০৪:৪৬
Dear Minar Rashid sb. Thanks a lot for your important article which can create energy to the nation in this critical situation of our country. I wish your long life with good health and please keep continue writing against this pro-leftist government. Definitely the nation will be united to through out this government very soon. Again thanks to you.
59891
২৫
london থেকে Saifur rahman লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; বিকেল ০৫:২৫
go ahead minar bai
59895
২৬
Belgium থেকে Duronto লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:০১
I was eagerly waiting for your writing and finished reading it without taking a breath ! What an article ! outstanding ! May Allah bless you !
59897
২৭
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১৮
Your comment like this-- কিন্তু বাস্তব চর্চাটি হলো ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে দাড়ি-টুপি-হেজাব দেখলেই ধুমছে পেটানো। ধর্মনিরপেক্ষ এই পিটুনির ন্যায্য শেয়ার কখনোই অন্যরা পায় না। নাটক, সিনেমায় দাড়ি-টুপিওয়ালা ভিলেইনই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষতার ন্যায্য শেয়ার হিসেবে গেরুয়া রঙের ভিলেইন তেমন দেখা যায় না। কার্টুনে রাক্ষসের মাথায় টুপি ও কপালে ক্রিসেন্টই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা।--------- Oh you after long time you understand what is called secularism. The people who are enemy of secularism so they are beaten by student in the Dhaka University. This is classic example to protect secularism. Look how every body is active to protect secularism. This intention reveal that gov promise to implement secularism in all level. If any talebani element available any where then up root this. So beating talenban is good sign and that will improve the image of the country to the west. They will understand how taleban are beaten in the country. These stupid creatures are enemy of religious harmony so they must be beaten. For that reason devil of the cartoon wear tupi and crescent on the forehead . My question your party never participate in the discuss willingly then why gov will care their opinion. The opinion they are giving from out side if they put those in the meeting then that have more impact because people will eagerly mentally involve in this process to listen the out come. Definitely gov don’t take their opinion but the political culture will change. So don’t blame gov for dis caring the opinion of the opposition. You party has chance to change the political culture but avoid this. In my comment no 7 I give the answer of 10 lacs taka case for justice Khairul Haque. Kindly read that. Your question why justice Khairul Haque never ban Bakshal ? Are you alright? For what reason 5th amendment was forfeited ? Is that reason applicable for 1972 to 1975 AL gov. The main reason is after 1975 the gov come up all are unconstitutional up to 1990 and any amendment by unconstitutional gov is illegal. In that context 5th amendment is forfeited. If 1972 to 75 gov is constitutional then why 4th amendment is unconstitutional? It is never against the constitution because Socialism is the one of the principles in the constitution like democracy, nationalism and secularism. If gov switch from democratic system to socialistic system or vice versa then it can’t be unconstitutional. You people may don’t like Bakshal but it is implemented by a legal constitutional gov in the spirit of principle socialism of the constitution. So in the legal point of view there is no way to say 4th amendment is unconstitutional but in the legal view 5th amendment is unconstitutional and against the constitution. I just ask you to provide evidence that 4th amendment is unconstitutional in the legal point of view. I already explain why gov after 1975 are unconstitutional. The court verdict also say gov from 1975 to 1990 are illegal as well as unconstitutional. In that way all amendment by Zia and Ershad are forfeited by the court. So I give you open challenge to prove that the gov of 1972-75 is unconstitutional and any amendment of that gov are unconstitutional as well as explain in which category 4th amendment is unconstitutional if socialism is acknowledge with democracy in the constitution.
59899
২৮
Dhaka থেকে Moni লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৬
Thank you Minar vai!
59904
২৯
রিয়াদ, সৌদি আরব থেকে বি এম কামাল পারভেজ লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:২০
আপনি দাড়াচ্ছেন আপনার প্রিয় দেশটির গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন, আপনার বাপ-দাদার বোধ ও বিশ্বাসের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন ১৬ কোটি মানুষ এবং আগত সকল প্রজন্মের জীবন, মান ও সম্পদ রক্ষার জন্য। কাজেই আপনার বেগ অগণনীয়, অপ্রতিরোধ্য। এর সামনে অন্য কিছু টিকতে পারবে না। Very Excellent.
59905
৩০
london থেকে rashed লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৪৫
নিজের দেশ, ধর্ম বোধ ও শেকড়কে উপড়ে ফেলার উন্মাদনায় মেতেছি আমরা।...
59907
৩১
Bangladesh থেকে Mirash লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৫৫
Things are proceeding under this BAL Govt., as it was planned from the beginning, I mean from the Agortala Conspiracy before our liberation. We wanted liberation but for that matter India & her puppets did not mean that. What they wanted is now being implemented gradually. Mr. Minar Rashid, we are now too late but still when we see people like you are still there, we see a silver linning at the end of the tunnel. However, much time, much blood, much sacrifice will be needed to get out of this hell........... May Allah help us all!
59908
৩২
DOHA QATAR থেকে ৃABU TAHER লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ০৮:০২
"কারন কোনো দলের পক্ষে নয়। আপনি দাড়াচ্ছেন আপনার প্রিয় দেশটির গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন, আপনার বাপ-দাদার বোধ ও বিশ্বাসের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন ১৬ কোটি মানুষ এবং আগত সকল প্রজন্মের জীবন, মান ও সম্পদ রক্ষার জন্য। কাজেই আপনার বেগ অগণনীয়, অপ্রতিরোধ্য। এর সামনে অন্য কিছু টিকতে পারবে না
এই খাতে খরচ হওয়া আপনার ৫০টি টাকা অশুভ শক্তির ৫০০ কোটি টাকার পরিকল্পনাকে ভন্ডুল করে দিতে পারে"।
Excellent, মিনার ভাই। ধন্যবাদ।
59909
৩৩
ঢাকা থেকে মাহবুব লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ০৮:৩১
এক অনবদ্য সুন্দর লিখা। আমার ধারনা, বিবেক সম্পন্ন ও দেশ প্রেমিক প্রতিটি মানুষের জন্য এটি অসাধারণ এক প্রেরণার উৎস হিসাবে কাজ করবে।
আপনার সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
59916
৩৪
COXS BAZAR থেকে বেরসিক লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ০৯:১৩
"কাজেই সেই একই প্রক্রিয়ায় তাদের মোকাবেলা সম্ভব নয়। বরং নতুন কিছু কৌশলে এগোতে হবে। সত্যের একটা নিজস্ব শক্তি রয়েছে। এখানে ফর্মুলাটি হলো E = mc2. c হলো সত্যের বেগ আর m হলো কতোটুকু ভর নিয়ে প্রকাশ করা হলো তা। প্রপাগান্ডার ভর বেশি, বেগ কম। তাই সত্যকে নিয়ে সামান্য প্রচেষ্টা মিথ্যাকে নিয়ে বড় বড় পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে পারে। মধ্য প্রাচ্যে সেই প্রমাণ আমরা দেখেছি।

পুরো জাতিকে আহ্বান জানানোর নৈতিক অথরিটি বা ক্যাপাসিটি কোনোটিই এই অধমের নেই। তারপরও চুপ থাকা সম্ভব হচ্ছে না। যে কোনো জায়গায় থাকুন না কেন, সকল জড়তা কাটিয়ে মুখ খুলুন। প্রতিটি স্তরে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক প্রতিরোধ সৃষ্টি করুন। যতো পটুই হোক না কেন, নৈতিক ভাবে দুর্বল কোনো বিষয় নিয়ে কেউ বেশি দূর এগোতে পারে না। "

Excellent Article ,.....go ahead
59924
৩৫
বাংলাদেশ থেকে বাঙালী লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ০৯:১৫
জনাব মিনার রশীদ,
আপনার লেখা আকারে 'বড়' হওয়ায় প্রায়শ: সম্পুর্ণ পড়ার মত সময় করতে পারিনা। আজকের লেখাটা মোটামুটি সবটা-ই পড়ে ফেললাম। খুব-ই গুরুত্বপুর্ণ মনে হওয়ায় আমার মত পাঠকদের সুবিধার্থে শেষাংশ উদ্ধৃত করলামঃ

"আওয়ামী লীগের মধ্যেও এ জাতীয় পীড়নে পীড়িত মানুষের অভাব নেই। সারা জীবন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ করলেও শেষ জীবনে তাবলিগ না করে অনেকেই কবরে পা রাখতে চান না। এরা সবাই শেকড় ছিন্ন হাই ব্রীড এ নেতাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। আগের ভুলের জন্য ২১ বছর পর ক্ষমা চেয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসে। এখন আবারও সেই একই ভুলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তারা শুধু আওয়ামী লীগকেই নয়, দেশকেও চরম সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

কাজেই আমাদের সজাগ হওয়া দরকার। ইস্পাত সদৃশ্য ঐক্য দরকার। যে যেখানে আছি সেখান থেকেই কাজে লেগে যেতে হবে। বিভিন্ন খুদকুড়া ছিটিয়ে এরা মিডিয়ার ওপর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। বিশেষ মতলবে জাতি নামে কনের মনের কথাগুলি বলার জন্যে দাদা-দাদি, মামা-মামি, নানা-নানিদের সৃষ্টি করেছে। এদের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী ও দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোর মধ্যে অনৈক্য এবং ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন হতাশা ছড়িয়েছে।

কাজেই সেই একই প্রক্রিয়ায় তাদের মোকাবেলা সম্ভব নয়। বরং নতুন কিছু কৌশলে এগোতে হবে। সত্যের একটা নিজস্ব শক্তি রয়েছে। এখানে ফর্মুলাটি হলো E = mc2. c হলো সত্যের বেগ আর m হলো কতোটুকু ভর নিয়ে প্রকাশ করা হলো তা। প্রপাগান্ডার ভর বেশি, বেগ কম। তাই সত্যকে নিয়ে সামান্য প্রচেষ্টা মিথ্যাকে নিয়ে বড় বড় পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিতে পারে। মধ্য প্রাচ্যে সেই প্রমাণ আমরা দেখেছি।

পুরো জাতিকে আহ্বান জানানোর নৈতিক অথরিটি বা ক্যাপাসিটি কোনোটিই এই অধমের নেই। তারপরও চুপ থাকা সম্ভব হচ্ছে না। যে কোনো জায়গায় থাকুন না কেন, সকল জড়তা কাটিয়ে মুখ খুলুন। প্রতিটি স্তরে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক প্রতিরোধ সৃষ্টি করুন। যতো পটুই হোক না কেন, নৈতিক ভাবে দুর্বল কোনো বিষয় নিয়ে কেউ বেশি দূর এগোতে পারে না।

একপেশে বক্তব্যের জন্য কিংবা যেখানে সরব হওয়া দরকার সেখানে নীরবতার জন্যে সাংবাদিক, টক শো সঞ্চালক, কলামিস্ট, সম্পাদকদের ফোন করুন, চিঠি লিখুন, এসএমএস পাঠান, ইমেইল পাঠান। কোনো একটি লেখা বা বক্তব্য পছন্দ হলে তা বিভিন্ন ব্লগে ছড়িয়ে দিন। ফেসবুক, টুইটার, এসএমএস প্রভৃতি মাধ্যমগুলো যথাসম্ভব কাজে লাগান। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের তা দেখতে ও পড়তে উৎসাহিত করুন। পকেটের কিছু টাকা খরচ করে গুরুত্বপূর্ণ লেখা কপি করে ছড়িয়ে দিন। এই খাতে খরচ হওয়া আপনার ৫০টি টাকা অশুভ শক্তির ৫০০ কোটি টাকার পরিকল্পনাকে ভন্ডুল করে দিতে পারে।

কারন কোনো দলের পক্ষে নয়। আপনি দাড়াচ্ছেন আপনার প্রিয় দেশটির গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন, আপনার বাপ-দাদার বোধ ও বিশ্বাসের পক্ষে। আপনি দাঁড়াচ্ছেন ১৬ কোটি মানুষ এবং আগত সকল প্রজন্মের জীবন, মান ও সম্পদ রক্ষার জন্য। কাজেই আপনার বেগ অগণনীয়, অপ্রতিরোধ্য। এর সামনে অন্য কিছু টিকতে পারবে না।

এখন দরকার শুধু নিজের এই শক্তিটুকুর সম্যক উপলব্ধি।"
59925
৩৬
ইটালি থেকে আমিন লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ০৯:২২
be be honest, ur article touched my heart. we love our country. we love people of our country. this gov. is appointed to destroy out all achievements and to divide our nation.
but, inshallah, they wont be successful, as far as there are writers like MH and MR.

thank u all and God bless u.
59926
৩৭
জার্মানী থেকে ত্রস,কোল লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ০৯:৩৭
যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের কথা ত্রবং কর্ম বাস্তবতা পরস্পর বিপরীতমুখী তাহাদেরকে কি কখনও আদর্শবান বলা চলে ? । নিশ্চয় না । ঐ সমস্ত ব্যক্তিদেরকে টাউট ও বাটপার বলা সঠিক কিন্তু নীতি-আদর্শবান বলা যায়না। নীতিগত ভাবে জনগণকে সকল বাটপার-টাউটদের বিরুদ্বে, নৈতিক সংগ্রাম চালাতে হবে । বাটপারদের ভুল গণ-সর্মথনকে বিপ্লবের স্বার্থে,পজেটিভ ভাবে ত্রগিয়ে নেওয়ার আমাদের কৌশলগত ভুমিকা থাকিতে হবে।যাহারা জানেন না তাহারা জেনেনিন যে,বাটপার ত্রবং বাটপারী কর্ম-কান্ডকে সমর্থন দেওয়াকে বিপ্লবী কর্ম-কান্ড বলা হয়না।
59931
৩৮
Canada থেকে Ullah Habib লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ১০:৪৬
"বাংলা বুঝতে অক্ষম পশ্চিমা সেকুলারদের বোঝানো হয় তারাই হলো মূল সেকুলার শক্তি। এভাবে ধর্মনিরপেক্ষতার পুরো অবয়বটিতে প্রতারণা আর স্ববিরোধীতায় পরিপূর্ণ। মুখে বলা হয়, সকল ধর্ম পালনের অবাধ অধিকার নিশ্চিত। কিন্তু বাস্তব চর্চাটি হলো ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে দাড়ি-টুপি-হেজাব দেখলেই ধুমছে পেটানো। ধর্মনিরপেক্ষ এই পিটুনির ন্যায্য শেয়ার কখনোই অন্যরা পায় না। নাটক, সিনেমায় দাড়ি-টুপিওয়ালা ভিলেইনই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষতার ন্যায্য শেয়ার হিসেবে গেরুয়া রঙের ভিলেইন তেমন দেখা যায় না। কার্টুনে রাক্ষসের মাথায় টুপি ও কপালে ক্রিসেন্টই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। কুকুরের মাথায় টুপি দিয়ে ছবি তোলার নামই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। অর্থাৎ এই সিপাহির মতো আমরা দেখি অন্য কিছু। মেমসাহেবের শেখানো কথা মতো বলি এজিলিটি।" Excellent! You hit on the right spot.
59941
৩৯
কলপাড়া,বাংলাদেশ থেকে ফকরুদ্দীন লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ১০:৫৫
মিনার!মিনার!! পেয়েছি কীনার
ঝঞ্ঝা পাড়ের তরি,
আগাও!আগাও!! মানুষ জাগাও
টুটে যাক শর্বরি।
জাতির ললাটে যে নাশা আঁটেঁ
ভীম গদা হানো তাতে,
জনতার দল বুকে নিয়ে বল
থাকবে তোমারি সাথে।
তুমি আছ বলে আশাদ্বীপ জ্বলে
এখনও পূর্বাকাশে
চেয়ে দেখ ঐ,নাচছে মাভৈ
ভ্যথাতুর সবে হাসে।
59944
৪০
us থেকে abdul haq লিখেছেন, ১৮ জুন ২০১১; রাত ১১:১৮
এখন বাকি আছে ** মেরে দেয়া ... হায়রে সংবিধান ......।
59948
৪১
dhaka থেকে human লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ১২:৩৯
i find no word to thank u for nakedly unveiling truth by your bullet-like piercing writing.
59952
৪২
usa থেকে jajabor লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ১২:৫১
first thing first. before anything else, we have to get rid of jerks like Country থেকে Anisur Rahman. his logic, presentation, knowledge, grammar, literacy and everything else stinks and truly reflects his party and his goddess. come on everybody, let's push !
59955
৪৩
জামার্নী থেকে ত্রস,কোল লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ০২:৫৬
যখন বির্ধমী কোরায়েশগণ বল্লেন, হে মোহাম্মদ আপনি আমাদের ধর্মকে পালন করুন ত্রবং আমরাও আপনার ধর্মকে পালন করব ? তথাকথিত সেক্যুলার- ধর্মনিরপেহ্ম পন্হীদের কথার জবাবে নবী করিম মোহাম্মদ মোস্তফা (স ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছিলেন, তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম ত্রবং আমার জন্য আমার ধর্ম।
আজকের আওয়ামী জঙ্গল লীগারগন তত্কালীন কোরায়েশদের চেয়েও নীচুতর, ধর্মহীন ত্রবং তাই ধর্ম-অধর্মের ব্যবধান বুজার শক্তি ত্রদের মোটেও নেই !
59965
৪৪
USA থেকে Sumon লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ০৩:০১
অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে এখনো আমাদের কোন কোন ভাই খায়রুল হকের ঘুষগ্রহণ পর্বটাকে হাস্যকরভাবে ধামাচাপা দেবার অপপ্রয়াশ চালাচ্ছেন। তাঁদের কাছে দশ লাখ টাকা কোন টাকাই না। তাহলে সরকার দশ লাখ টাকা রিলিফ ফান্ড থেকে দিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়বে কেন !
দশ লাখ টাকায় যদি তাকে কেনা যায় তাহলে বিরোধী দলগুলো তাকে দশ কোটি টাকায় কেন কিনলোনা ?

আসলে ঘুষ দশ টাকা হলেও ঘুষ আর দশ কোটি টাকা হলেও ঘুষ। বিরোধী দলগুলো ঘুষের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয় বলেই এই অপপ্রচেষ্টার কথা তাঁদের চিন্তায় আসেনি। জনগনের ত্রানের দশ লাখ টাকা তো ঘুষের একটা অংশ মাত্র। সব থেকে বড় যে ঘুষ তা হল তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের পদটি। এর মূল্য কি দশ লাখ বা দশ কোটি টাকার সঙ্গে তুলনীয় ?
59966
৪৫
ইতালী থেকে ডাঃ আবুল হাসেম লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ০৩:০৯
একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক মানুষের মনের অভিব্যক্তিটিই লেখক লিখেছেন, সত্যি প্রতিটি দেশ প্রেমিক নাগরিকই আজ এই অশুভ শক্তির তান্ডবে কিংকত্যর্ব বিমুঢ় হয়ে পরেছে। লেখকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের প্রেরণার জন্যঃ
59967
৪৬
Los Angeles,USA থেকে Billal লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ০৩:২০
Excellent.Carry on.
59968
৪৭
রোম, ইতালি থেকে বখতিয়ার খান লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ০৩:২৫
আবারও অনেক ধন্যবাদ মিনার ভাই। আমাদের কথাই তুলে ধরলেন চমৎকার ভাবে।
এইবার বিডিআর হত্যা কান্ড থেকেই আমরা লক্ষ্য করছি, আওয়ামী লীগ সব ব্যপারেই খুবই কনফিডেন্ট, ৫৭ জন তরতাজা দেশপ্রেমিক সেনা অফিসারদের দিনে দুপুরে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হোল...প্রধানমন্ত্রী নির্বিকার....জাতিকে পরাধীন করার খেলা শুরু সেদিন থেকে নয়, ১/১১ থেকে। জাতি হিসাবে আমরা কি আবার গোলামীর জিন্জির গলায় পরতে যাচ্ছি????? লক্ষন আর বাকী রিল কোনটা ?????
ভুলে গেলে চলবে না বাংলাদেশের মাটি...হাজার গাউস-কুতুবের মাটি, ১২ আউলিয়ার মাটি!!!!!! এ মাটিতে মীরজাফরদের কবরও হবে না ইনশাল্লাহ, মীরজাফরদের স্হান বাংলাদেশে হবে না ইনশাল্লাহ!!!!!
59969
৪৮
Sydney থেকে Coat Hanger লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ০৩:৪৯
The writer mixed truths with lies, allegations with facts, blacks with whites, he even used vulgar jokes which I heard 20 years ago in a Village in Gabtoli, Bogra, the holly land, my birthplace. Readers are excited and ecstatic reading the article which has many ill intended lies and wrong information. For example: 10 lac taken by former chief justice. Have we heard anything from his side? Why BNP lawyers are not going to Supreme Court or High Court about it? Poet is silent here. The intention here is to get some piece of information and then use it as your wish! There is never an intention to prove such bad karma by him to take 10 lac and be bought.
59975
৪৯
dhaka থেকে digital leak লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সকাল ০৫:০১
ব্যবসায়ীরা বেজাল খাওয়াইলে অসুবিধা নাই, ডাক্তাররা ভুল চিকিৎসা করলে দোষ নাই, বাস ভাড়া বাড়াইলে দোষ নাই, চোর ডাকাতের দোষ নাই, সুধু আমরা ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইলেই দোষ।
59979
৫০
uk থেকে Panditji লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সকাল ০৫:০২
Bangalee-der a-rokom Chabuk na marle jag-roto hobe na.

Jago Bangalee, Jago...
59980
৫১
london থেকে Bilati লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সকাল ০৫:৩০
খুব সুন্দর লিখেছেন " বুজুর্গানে সংবিধান"। গন্ডারের মোটা চামড়া তো, তাই গায়ে কাঠা ঢুকবেনা।
59981
৫২
New York থেকে Probashi লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সকাল ০৮:২৮
মিনার রশিদকে ধন্যবাদ অতি তাতপর্য্য পূর্ণ এ লেখাটির জন্য । খায়রুল হক উচচ আদালতে "বিচার বাণিজ্য" আরমভ করে ইতিহাস সৃষঠি করে গেছেন। সেখ হাসিনার "এজিলিটি" আমরা দেখেফেলেছি কিনতু কিছু বলিনা । আমরা বিভ্রান্ত ।
59983
৫৩
দক্ষিন কোরিয়া থেকে থেকে এমরান হোসেন লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সকাল ০৯:১১
চালিয়ে জান ভাই বিজয় আসতে বাধ্য ইন-সা আল্লাহ.
59988
৫৪
জাহানাবাদ থেকে মালাকার লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সকাল ০৯:৪২
একটা তাত্ত্বিক প্রশ্ন - দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের অনেক নেতা, অনেক কর্মী, অনেক সমর্থক, অনেক শুভাকাঙ্খী। এ বিরাট সংখ্যক লোকজন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের মত অপশক্তি দ্বারা কিভাবে এত দীর্ঘদিন ধরে চালিত হতে পারে!
59991
৫৫
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সকাল ০৯:৫৬
To Sumon from USA comment 44

What kind of evidence you have that prove gov takes 10 lacs from relief fund to give Justice Khairul Haque. Is Gov such stupid to be caught like this ? So don't make such stupid story to the people. If the amount is 10 koti or more that has taken from any fund of gov then that will some impact because very few people have that amount. 10 lac is very small figure and any body can give him or buy him with this small amount. Ok show us evidence about 10 lacs taka from the relief fund. The fact and figure of the amount explain that this is the fake story and can't be possible because higher level corruption's minimum figure always in couple of koti and that always has done in such a way so no body can't find out the fact and never be caught in red handed like this. I ask another question but you people never answer that how much you people give him so he gives verdict in favour of fotua. If he gives other verdict for very small amount of money then he must gives verdict in favour of fotua in lieu of money. Then how much you people give him for the verdict of fotua ?
The verdict of supreme court anout Care Taker Gov consists of three part such as Care Taker Gov system is forfeited as well as amendment no 13 is against the constitution, Advise for next 2 time elections under Care Taker Gov and advise for not to include justice or judicial system in the chief Adviser or other position to keep apart judicial system from the pollution. To apart judicial system from CTG is also advised from the verdict. By this part of the verdict justice Khairul Haque already expresses his position about chief adviser position for next care taker gov. Then explain us about the intention of justice Khairul Haque who like to be cheif adviser of CTG? If he like to be chief adviser then he never advises to apart judicial system from CTG. So what kind of comment you are making about the Chief adviser position!!!
59992
৫৬
ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে মাসুদ ইকবাল লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; দুপুর ১২:৫২
জনাব মিনার রশীদ, ধন্যবাদ আপনার স্পষ্ট এবং যুগোপযোগী লিখনীর জন্য! জনজাগরণের যে ফরমুলাটি আপনি দিয়েছেন তা' যথার্থ যার প্রমাণ আমরা মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীর মাঝে পেয়েছি। কিন্ত্ত আমার মনে হয়, শুধু জনজাগরণই যথেষ্ট নয়! বর্তমান অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসতে হলে আমাদের প্রয়োজন যোগ্য নেতৃত্বের! কিন্ত্ত কে সে জন যিনি আমাদের নেতৃত্ব দিবেন? রাজেনৈতিক নেতাদের বাদ দিলে আমাদের সামনে সুশীল সমাজের কাউকে ছাড়া আর কাকে আমরা সাধারণ মানুষ মন্দের ভাল হিসাবে নির্বাচন করতে পারি?
60012
৫৭
জামার্নী থেকে ত্রস,কোল লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; দুপুর ০১:২০
আওয়ামী-বাকশালী মিথ্যা,প্রচার মাধ্যমগুলো বিকল করে দেওয়া হোক ! ওদের সর্পমুখি কন্ঠ,মিথ্যা অভিনয়ের বাজ-বাজনা, অপ-বিবৃতিগুলো ধ্বংস করা হোক !!
পূর্ব বাংলা'র মহান জনগণের মুক্তি ও স্বাধীনতাকে সুদৃঢ় করে তোলা হোক । আওয়ামী রাষ্ট্র সন্ত্রাসকে রুখুন ! সাম্রাজ্যবাদের মদন দান গ্রহনকারী তথাকথিত ধর্মনিরপেহ্ম কৌশলকে স্তবদ্ব করুন ! দেশের স্বাধীনমূল্যবোধের স্বার্থে, ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলুন। বিদেশী স্বার্থের দালাল কুকুরদের রুখুন !
60014
৫৮
Malaysia থেকে Dr M. S. Khan লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৪৬
Dea Minar,
Assalam'alaikum. Thank you dear Minar for such an excellent column. May Allah SWT reward you for the service to the nation. Your logic, rationale and explanation of events are as sharp as double edged sword and its presentation truely crafted in masterly fashion. These are indeed second to none. You are young, energetic, gifted and talented to this nation.

Young student of engineering must learn the equation of energy in the form of ethical standards that you mentioned, thanks to your agility of creating a 'Perfect Analogy'.

Every word you have written is a passionate expression of how much you love the country and how much you being disturbed and hurt by the ugly political turns and twists created by the stinky, the dirtiest of all, evil and satanic pro-Indian leaders of the country.

We equally care and share your pain and concern. We would appeal to all beloved citizen to rise up to the occasion as we pass through the most grim and the darkest phase of the nation, a situation we have had never been through. We are in real danger of being wipped off as a free and independent nation. Dear bloggers, make no mistakes, this struggle of survival will be the toughest and bloodiest of all as conspiracy against us by their master is at its peak.

India's economic interest in BD is huge and unimaginable and it will never unleash its ugly grab as month by month, day by day, hour by hour, it is taking away everything of us via its trusted offshoot AL.

Today AL's policy is shaped by India and its parasitic leftist Shushil in BD. It doesnt not matter at all to the interest of AL itself or BD for that matter.

I am in 50s now and can clealy observe the same thing unfolding that accelerated Mujib's assassination in 1975. So long as these parasitic Shoshils are not forced to exile in their motherlands in Delhi or Moscow, nobody in BD can rest in peace and prosperity. Sadly so, AL has not learnt anything of history of 1975.

Let us be united and steadfast this time and fight to the last either win or eliminated as it is the only way out for the oppressed, truthful and just.

Please remember brothers we shall prevail in the end as the AL, however and whatever being cruel, are bound to be weak morally and ethically in their resolve and destined to fall apart.
60018
৫৯
ঢাকা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; বিকেল ০৫:০৬
Country থেকে Anisur Rahman, comment 55

What kind of evidence you want from an individual of this bribery? What kind of evidence one can keep in this matter? Our evidence is that the story was published in a newspaper and so far, neither Govt. nor Khairul Hoque has protested it. No AL worker/supporter or even you didn't go to the court to lodge defame suite against the newspaper. So we can believe, it was a proven fact.
60041
৬০
প্রবাস থেকে হতবাক লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫১
এই আনিসের লেখা ও যুক্তি থেকেই আওয়ামী মানসিকতা স্পষ্ট হয়ে উঠে। আগাচৌ থেকে শুরু এই সব ব্লগার আনিস সবার গঠন একই ধরনের। ভাষাজ্ঞান যতই ভোতা হোক , সেই ভোতা অস্ত্র নিয়েই ঝাপিয়ে পড়ে। সত্য সব সময়েই তাদের বিপক্ষে থাকে। তারপরেও এই বাল সৈনিকদের কোন ক্লান্তি নেই।
60057
৬১
ওমান থেকে আবুজাবের লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ০৯:০৪
সারা জীবন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ করলেও শেষ জীবনে তাবলিগ না করে অনেকেই কবরে পা রাখতে চান না। তাবলিগ করে মরলে কোন কাজ হবেনা যদি জনগনের হক জনগনকে ফেরত দেয়া না-হয়। তাবলিগের মুরুব্বিদের অনুরুদ করব ফজিলত বয়ান করার সময় একটু খিয়াল রাখেন যে আসে পাসে কারা আছেন যেমন ফজিলত বয়ান করার সময় বলা হয় একবার কলেমা পড়লেই জিবনের সব গোনাহ খাতা মাফ হয়ে যাবে তাহলে মানুষের হকের কি- হবে ? সারা জিবন জুলুম নির্যাতন এবং লগি বৈটা দিয়ে মানুষ হত্তা করে একবার কলেমা পড়লেই যদি সব সেষ হয়ে যাই তাহলে আর সম্স্সা কোথায় এক দিন হজরত ওমর হজরত আবু হোরইরা কে তাপ্পর দিয়ে রাসুলুল্লাহর দরবারে নিয়ে এসেছিলেন আপরাদ ছিল আবু হোরাইরা রাস্তাই রাস্তাই উচ্ছ কন্টে বলতে ছিলেন من قال لااله الا الله دخل الجنة যে ব্যকতি এই কালিমা পড়িবে সে সোজা জান্নাতে চলে যাবে রাসুলুল্লাহ সল্লল্লাহু আলাইহিস্ষালাম আবু হোরাইরা কে পাটাইছিলেন এভাবে বলার জন্য কিন্তু হজরত ওমর আদবের সহিত বল্লেন ইয়া রাসুলুল্লাহ সল্লল্লাহু এখন যদি এভোবে বলা হয় তাহলে মুসলমানেরা সব কিছু ত্যগ করে কালিমা পড়েই বসে তাকবে তখন আল্লাহর রাসুল হজরত ওমরের পরামর্শকে পছন্দ করেছিলেন মনে প্রানে বিশ্বাস করে কালিমা পড়নে ওয়ালা একদিন অবস্বয় জান্নাতে যাবেন তাতে কোন সন্দেহ নাই কিন্তু এর আগে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতালা ইনসাফ করবেন বিছার করবেন এবংকি একটা সিং ওয়ালা গরু যদি আর একটা সিং ছাড়া গরুর উপর আক্রমন করে কিয়ামতের দিন দুনিয়াতে যে গরুটির সিং ছিলনা সে গরুর মাটাই সিং লাগাই দিয়ে বলবেন যে ভাবে দুনিয়াতে তোমাকে আক্রমন করেছিল আজ তুমিও সে ভাবে অক্রমন কর এর পর আল্লাহ বলবেন তোমরা এখন মাটি হয়ে যাও যেখানে হাইওয়নাতের প্রতি আল্লাহ এভাবে ইনসাফ করবেন তাহলে আশ্রফুল মাখলুকাত মানুষের প্রতি আল্লাহ ইনসাফ করবেননা এটা কল্পনা করাও আরএকটা জুলুম আজ মজলুম মানবতার আহাজারিতে পৃথিবীর বাতাস ভারি হয়ে গেছে আজ মানুষ কোর্টে গেলে ইনসাফ পাচ্ছেনা এজন্যই মানুষ আল্লাহর আদালতের দিকে ছেয়ে আছেন আল্লাহ অবস্বয় ইনসাফ করবেন ولا تحسبن الله غافلا عما يعمل الظالمون হে জালিমরা আল্লাহকে তোমরা গাফেল মনে করনা আল্লাহ তোমাদের সময় দিয়েছেন পিরে আসার জন্য যদি পিরে না-আস সুনে রাখ إن بطش ربك لشديد আল্লাহর ধরা কুভয় শক্ত নমরুদ ফেরাউন আবু জেহেল আবু লাহাবের দিকে তাকাও আজকে আর বসে থাকার সময় নাই মিনার ভাই সঠিক কথাটিই বলেছেন। আবু জেহেল আবু লাহাবের উত্থানের এই সময় একটি বদরের কুভই প্রয়জন যে ময়দানে আল্লাহ জিব্রাইলের নেতিৃত্থে আছমানের ফিরিস্তা অবতির্ন করে ছিলেন আজকেউ যদি আমরা ঈমানের বলে বলিয়ান হয়ে ময়দানে জাফিয়ে পড়ি আল্লাহর সাহাজ্জ আবস্বয় আসবে দরকার সুদু ঈমানি শক্তি نصر من الله وفتح قريب
60073
৬২
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ১৯ জুন ২০১১; রাত ১০:১২
anwar saheb
amar chutto bhatiza taa amaar cheler chutto khaleer proshner motoamake motoo amake jiggasha koriachilo baba kawaa ka ka kore keno . ami dosh bar na hoy shoto baar eki uttor dewaar por ooo eki proshnoy koriachilo. aponader khairul haquer sahajjo newar khota temon. jonab uni aan onushare niachilo er aage bnp sorkar hannan sahar bhai saha mominurrahman saheb ke 28 lokker odhik diachilo. aar aponader speaker aar deputi speaker oboidho bhabe newaar joinno too mamola hoiyachilo. ar khair saheb tooo khomotay naai bnp ponthira high courte mamola koritee pareee.khaledar barir joinno parilee jono goner joinno bnp er jogonno berister sahebera ki mamola korite parenaa?
60084
৬৩
USA থেকে Sumon লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; রাত ১২:৫৫
Anisur Rahman comment # 55,

For your information this stupid story of taking 10 lakh from Prime minister’s relief fund was published in ‘Stupid Daily’ (may be appropriate word for you). And that was not challenged by any stupid people to protect their ex Chief Justice by taking action against the news paper. While taking an interview, newsman asked this ex Chief Justice about the money but he simply skipped the question in a very cunning way. When he was asked that whether he would be the Chief Adviser for the next CTG, he did not express his unwillingness to accept it and replied in a tactful way that, time will speak about this. However story of this 10 lakh is now an open truth to the sensible people. I do not have evidence to make you believe about this. But I am happy that out of 62 comments from 57 commentators here, all believe this stupid story except 3 . Verdict of Fatowa cannot cover or justify of taking money from poor people’s fund.
60101
৬৪
Vancouver, Canada থেকে A Salam লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; রাত ০১:৩৫
Rashid
Another excellent column. I'm afraid BD people would realise your article.
60103
৬৫
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; রাত ০৩:৪৪
To Anwar from Dhaka comment 59

Could you tell me in which news paper and in which date such news was published. What is the reference source of that news. Is it like from Bissatha sutro like that ? There is some solid reason to ignore the news. If they care the news then it will become important issue so they ignore it. We can see lot of news come up in the media against Tareq, Khaleda, Koko, Hasina, Joy, X, Y, Z etc but they always ignore those news. So it can be say all those news are correct.
60106
৬৬
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; সকাল ০৮:৪৬
To Sumon from USA comment 63

You are happy 57 commentators support in your favour--- are you alright?? If your thinking is like this then the person like you can believe this childish story. This forum is pro BNP Jamat forum and 98% readers or commentators are supporters of BNP Jamat then no reason to be happy for 57 comments in favour of you. If you don't have that sense then you will believe this childish story. He doesn't give answer whether he will take chief adviser position but that show you his interest for Chief adviser position where as he writes verdict to apart judiciary system from care taker gov but that doesn't express his interest according to you. As he already express his interest in the verdict and what gov will do about Care Taker gov he doesn't know either it will valid or not then it doesn't matter if he answer it or not. Could you tell me in which news paper and in which date such news was published about 10 lacs taka story. What is the reference source of that news. Is it like from Bissatha sutro like that ? There is some solid reason to ignore the news. If they care the news then it will become important issue so they ignore it. We can see lot of news come up in the media against Tareq, Khaleda, Koko, Hasina, Joy, X, Y, Z etc but they always ignore those news. So it can be say all those news are correct.

Your understanding is such so you can say-- Verdict of Fatowa cannot cover or justify of taking money from poor people’s fund.--- Am I asking money has taken from poor people's fund? My question is how much money paid by Jamat BNP to him for the verdict for fotua. If verdict goes in favour of gov then you people argue gov gives him money from relief fund so BNP Jamat give him money and he gives verdict about fotua according to BNP Jamat choice. My question how much BNP Jamat pay to him but you answer-- Verdict of Fatowa cannot cover or justify of taking money from poor people’s fund.-- BNP Jamat give him money from their pocket not from poor fund. So give me answer how much BNP Jamat pay him for verdict of fotua???
60116
৬৭
Riyadh থেকে Morur Pathic লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; দুপুর ১২:০১
Dear Mr. Monir,
Thanks.Very exellent, un-paralal. Plesae write something, why Mr. Gupto did not sign the constitution in 1972. It will clear "U turn" of Gupto to the new generation. Thanks again.
60133
৬৮
chandpur থেকে taifur লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; দুপুর ০১:১৮
excellent
60141
৬৯
আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৫৬
আনিস সাহেব, যে আওয়ামী সরকার ও আওয়ামী ক্যাঙারু কোর্ট চুন থেকে পান খসলেই আদালত অবমাননার মামলা ঠুকে তারা এই বিষয়টি হজম করছে তা ভাবনার বিষয় বৈকি ? এই দশ লাখ টাকা ছিল তার প্রতি আওয়ামী ‌ 'টোকেন অব লাভ ।'
এই ফোরামটি বিএনপি -জামায়াতের হলেও সকল মতের সকল পথের কলামিস্টদের লেখা ছাপানো হচেছ। আপনি কি আওয়ামী ব্লকে এমন কোন ফোরাম দেখাতে পারেন যেখানে সকল কলামিস্টের লেখা ছাপানো হয়। এখানেই পার্থক্য।
60143
৭০
গাজীপুর থেকে আলী হাসান লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; দুপুর ০২:২০
'তারা সাবেক বিচারপতি, আইনজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী, পত্রিকা সম্পাদকদের মতামত নিয়ে ফেলেছেন। অর্থাৎ তারা বিয়ের ব্যাপারে কনের বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, মামা-মামি, চাচা-চাচিসহ আশপাশের সকলের কবুল আদায় করে ফেলেছেন। তবে এই কবুলের মূল মালিক যে কনে তার অর্থাৎ বৃহত্তর জনগোষ্ঠির প্রতিনিধিত্বকারী বিরোধী দলের মতামতের তোয়াক্কা করা হয় নাই।' অসাধারণ উপমা!
60145
৭১
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; দুপুর ০৩:৩৭
To আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক Comment 69
What an idea about defamation of court. Is 10 lacs taka story related with any verdict of court? Then how this is defamation of court. This is just allegation against a person that can't be defamation of court. I ask you lot of time to give me detail news reference from the news paper with date but nobody can give it but giving false lecture about this. I need to read that news. Without reading that news I can't find any credibility of the news. If news has given like bissostro sutro or owakbihal sutro without any authentic reference then according to publication rule can't make any case against this or it will rejected in the court. May be news has given like this- - it was heard from reliable source gov give him 10 lacs from relief fund. If it is reliable source then that news has no merit. According to publication right such news can't be filed as case. This privilege has given to the media. So no case files against this. No body give any care to any false allegation to make it important. If he cases against this then it will be big issue to blame himself debatable because media will give 100% concentration about this for that reason he avoid that trap. My question why you people can't give me the name of the news paper as well as date of the news ? I can read that but why you people can't give me just 2 information --name of the news paper and date? In this forum only one or two pro AL columnist article are publishing but AL doesn't have such kind of forum like Sonar Bangladesh then how you can see pro BNP jamat columnist articles will publish there. There is some personal forum which only control by some one's own choice and those forum isn't like sonar Bangladesh forum. There is number of forum they publish all important articles from all side columnists but they don't have any option for putting readers opinion.
What is you opinion when AL Kangaroo court as well as justice Khairul Haque gives verdict in favour of fotua? How much BNP Jamat pay him for this? Why you people never reject verdict of AL Kangaroo court?
60152
৭২
ঢাকা থেকে কামাল লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; বিকেল ০৪:০৫
আনিসদের অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছায় অন্ধ হয়ে যাওয়া অানিসরা নেকড়ে আর হায়েনাদের খরগোশ শাবক ঠাওরাইতেন চান।

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে দশ লাখ টাকার কিছু বেশি গ্রহন করেন। টাকাটা তার নিজস্ব একাউন্টে জমা হয় শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার কয়দিন পর।

সংবাদটি অামার দেশে প্রধান শিরোণাম হয়। প্রতিবেদক এ বিষয়ে জানতে চাইলে খায়রুল হক বলেন, আমাকে একটু শান্তিতে থাকতে দিন। তিনি কিন্তু বলেন নি প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে কোনো অর্থ গ্রহন করিনি।

অামার দেশ যদি খায়রুল হকের সঙ্গে কথা না বলে এই প্রতিবেদন ছাপাতো তাহলে এত দিনে মাহমুদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে জেলে যেতে হতো।

এর আগে আরেকটি সত্য রিপোর্টের জন্য মাহমুদুর রহমান এবং প্রতিবেদক অলিউল্রাহ নোমানকে আদালত অবমাননার মামালায় আদালত নজিরবিহীন শাস্তি দেয়। সেই মামলার (চেম্বার জজ মানে স্টে) শুনানীতে বিচারক কিন্তু বলেন নি প্রতি্বেদনটি মিথ্যা ছিল। কিন্তু সেই সত্য কথনটি আদালতের সম্মানহানি হয়েছে কেবল সেজন্যই তাদের শাস্তি দিয়েছে কোর্ট। কথাগুলো েসসময়কার আদালতে বিচারকদেরই।

খায়রল হকের দশ লাখ টাকার সংবাদটি যদি মিথ্যা হয় তাহলে পাঠক ভেবে দেখুন মাহমুদুর রহমানের কি হতো।

আনিস সাব জাগিয়া জাগিয়া ঘুমাইয়া আসলে কি লাভ? একটু খোলাসা করিয়া কইবেন কি?
60158
৭৩
প্রবাস থেকে হতবাক লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৭
আওয়ামী লীগ শায়খুল হাদীসের সাথে ফতোয়া নিয়ে চুক্তি করেছিল। আর সেই ফতোয়ার পক্ষে রায় দিয়ে খায়রুল হক বিএনপি জামায়াতের উপকার করে ফেলেছেন। বিএনপি জামায়াতের প্রতি কৃত এই উপকারের সাথে তুলনা চলে একই ভাবে আওয়ামীলীগের জন্য এই খায়রুল যে যে উপকার করেছেন সেই গুলির সঙ্গে । হায়রে যুক্তি ! এই কারনে যেহেতু তারা ঘুষ দেয় নাই। কাজেই প্রধানমন্ত্রীর দুঃস্থ ফান্ড থেকে টাকা দেওয়ার কাহিনীও সত্য বলে গ্রহন করা যায় না। এটাই হলো আনিসদের যুক্তি। কুকুরের বাকা লেজ সোজা করা সম্ভব কিন্তু আওয়ামীলীগারদের কোন যুক্তিপূর্ণ কথা বুঝানো সম্ভব হবে না। এরা বোবা বধির ও দুই কানে সিল মারা।
60166
৭৪
Dhanmondi থেকে Kanon লিখেছেন, ২০ জুন ২০১১; রাত ০৮:০৭
Good writing, I wish you dream will success and you will gain from Allah for your moral duty.
60173
৭৫
Bangladesh থেকে Faruque Alamgir লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; রাত ০১:০৯
Let the heroic sacrifice of the Martyrs remain ever glowing in the "Akash Batash Nodi Prantor" of BANGLADESH n the Lal Sabuj Pataka to fly high with right dignity n honour forever n ever.
BANGLADESH ZINDABAD
ZINDABAD BANGLADESH ZINDABAD
60184
৭৬
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; রাত ০২:৩৫
To Kamal comment 72

What is the date of that news in Amardesh? Kindly give me the date or give me the link of that news from Amardesh.
60191
৭৭
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; সকাল ১০:৪০
mr anis
is liar can give any evidence? they are the people of those read " puuti" lakee lakee soinno moree khatare khatar hishab koriaa dekhi matro aardai hazar.
60223
৭৮
ঢাকা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; বিকেল ০৫:১০
kuwait থেকে hussain (77)

"is liar can give any evidence?" Excellent English you have written, Mr. Kuwaiti Hussain.
60247
৭৯
ঢাকা থেকে কামাল লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; বিকেল ০৫:৩৫
আনিস ভাই আপনি মে মাসের লাস্ট উইক এর আমার দেশ দেখুন।

খবরটি পত্রিকাটির প্রধান শিরোণাম হয়েছিল।

এই মুহুর্তে সেই পত্রিকাটি আমার হাতে নেই। তবে আমি প্রতিবেদনটি পড়েছি।

জাগিয়া ঘুমিয়ে থাকার ব্যাপারে তো কিছু কইলেন না। আশা করি সামনে কিছু কইবেন। কারন মানুষের বিবেক বলিয়া একটা জিনিস তো আছে।
60248
৮০
DHAKA থেকে ANGEL লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৯
21-06-11
excellent writing against the contemporary political issue of Bangladesh
60263
৮১
দ.কোরিয়া থেকে নোমান লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; রাত ০৯:৩২
বিবেক আর আওয়ামীলীগ দুইটা দুই জিনিস। যে বিবেকবান সে কখনও আওয়মীলীগ কে সমর্থন করেনা, আর যে আওয়ামীলীগ তার কোন বিবেক নেই এটাই স্বাভাবিক। এ জাতীয় লোকগুলো ডান্ডা ছাড়া ঠান্ডা হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। রাস্তা রেখে খাল দিয়ে হাঁটা এদের অভ্যাস, এদেরকে রাস্তা দিয়ে হাঁটা শিখানোর জন্য ডান্ডার কোন বিকল্প নেই।
60283
৮২
south korea থেকে mohammed ali লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; রাত ১০:৫০
menar bhai donnobad, apnar lekha pore amra ojzbeto. kento ojzbeto hoea gore bose takle hobena amder onk kaj korte hobe, ason amra sobai mele akta noto bagladesh gore.
60289
৮৩
চিটাগাং থেকে মাহবুব লিখেছেন, ২১ জুন ২০১১; রাত ১০:৫৫
(আমার দেশ, ৩০শে মে) প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ১০ লাখ টাকা নেন বিচারপতি খায়রুল হক
অলিউল্লাহ নোমান
আমরা তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন — জবাবে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক বললেন, আমি এ বিষয়ে কিছু বলব না। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর অফিসকেই জিজ্ঞাসা করুন। আমি রিটায়ার করেছি। প্লিজ ফর গডস সেক, লিভ মি অ্যালোন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন সদ্য সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। ২০০৯ সালের ২৭ জুলাই সোনালী ব্যাংকের সুপ্রিমকোর্ট শাখায় বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে এ টাকা জমা হয়। তখন বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ছিলেন। অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার দিনেই তিনি আবার ৯ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ২১ জুন শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে রায় দেন বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। রায়ে বলা হয়—জিয়া নয়, শেখ মুজিবুর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক। এই রায়ের কয়েক দিন পর একজন তরুণ সংসদ সদস্য ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী চেকটি বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের কাছে তার দফতরে পৌঁছে দেন বলে জানা গেছে। চেকটি পাওয়ার পর তিনি নিজের অ্যাকাউন্টে জমা দেয়ার জন্য দিলে সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের চেকের মাধ্যমে টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে জমা দিলে ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে।
এ বিষয়ে জানার জন্য গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের চেক নেয়ার বিষয়টি স্বীকারও করেননি, আবার অস্বীকারও করেননি। কৌশলে জবাব দিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিসকেই জিজ্ঞাসা করুন। আমাকে অ্যাম্বারাস করছেন কেন।’গতকাল প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পরিচালক (ত্রাণ) মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। অ্যাসাইনমেন্ট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’ অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার মনোজ কান্তি বড়ালের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় আমার দেশ-এর পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, আমাদের এখানে একটা রিপোর্ট এসেছে ২০০৯ সালে আপনার কাছে ১০ লাখ ৩৭ হাজার টাকার একটি চেক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে এসেছিল। জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনি প্রধানমন্ত্রীর ওখানেই জিজ্ঞাসা করেন, আমাকে কেন খামোখা অ্যাম্বারাস করছেন।’ তখন বলা হয়েছিল, অভিযোগ তো মিথ্যাও হতে পারে স্যার, আপনার কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে নিতে চাচ্ছি। জবাবে আবারও তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ওনাদের ওখানেই জিজ্ঞাসা করেন, ডোন্ট অ্যাম্বারাস মি।’ আমরা তো ওনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবো স্যার, আপনার এখানে যেহেতু নাম এসেছে, এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য জানতে চাচ্ছিলাম। জবাবে তখনও তিনি বলেন, ‘ওনাদের ওখানেই বরং জিজ্ঞাসা করেন, আমি রিটায়ার করে গেছি, প্লিজ ফর গড সেভ, লিভ মি এলোন।।’ ঠিক আছে স্যার, এরকম কোনো টাকা ২০০৯ সালের জুলাই মাসে আপনি নিয়েছিলেন কিনা। তখন জবাব না দিয়ে শুধু, ‘আমি ছাড়ি ভাই’ বলে টেলিফোন রেখে দেন।অনুসন্ধানে সোনালী ব্যাংক সুপ্রিমকোর্ট শাখায় বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের হিসাবে দেখা যায়, ২০০৯ সালের ২৭ জুলাই অ্যাকাউন্ট পে চেকের ১০ লাখ ৩৭ হাজার ২৫০ টাকা ট্রান্সপারের মাধ্যমে জমা হয়েছে। সেদিনই আবার নগদ উত্তোলন করা হয়েছে ৯ লাখ টাকা। এর পরের দিন অর্থাত্ ২৮ জুলাই নগদ ২০ হাজার টাকা নগদ উঠানো হয়েছে। এবং একই দিন অপর একটি অ্যাকাউন্ট পে চেকের মাধ্যমে ৩৮ হাজার ৬০০ টাকা তার হিসাব থেকে বিয়োগ হয়েছে।গতকাল আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহফিল থেকে আদৌ কোনো টাকা নিয়েছেন কিনা বা নিয়ে থাকলেও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সচিব, বিচারক ও বিচারপতি অসুস্থতার কারণে এবং ব্যক্তিগত সমস্যায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান নেয়ার রেওয়াজ রয়েছে।’বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক হাইকোর্ট বিভাগে ও আপিল বিভাগে থাকাকালীন অনেক রায় দিয়ে আলোচিত হয়েছেন। পুরনো ঢাকার ওয়াইজঘাটে মুন সিনেমা হলের মালিকানার দাবি নিয়ে দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তিনি পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। সামরিক ফরমানের মাধ্যমে সংশোধিত সংবিধানকে তিনি অবৈধ ঘোষণা করেন। আবার পঞ্চম সংশোধনীর নিজের পছন্দমত কিছু ধারাকে বৈধতাও দেন। এছাড়াও তিনি হাইকোর্ট বিভাগে থাকাকালীন শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে রায় দিয়ে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছেন। অনেক রাজনৈতিক বিষয়কে আদালতের ঘাড়ে টেনে নেয়া হয়।আপিল বিভাগেও তিনি অনেক রায় দিয়েছেন। এর মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি নিয়ে দায়ের করা লিভ টু আপিল না শুনেই তিনি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন। প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর তিনিই সর্বপ্রথম সুপ্রিমকোর্টে প্রধান বিচারপতির দফতরে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি স্থাপন করেন। এর আগে সুপ্রিমকোর্টে প্রধান বিচারপতির দফতরে কখনও কোনো রাজনৈতিক নেতার ছবি টাঙানো হয়নি।সর্বশেষ বিদায়ের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে তার রায়ের পর দেশে আবার রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
60290
৮৪
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; রাত ০৩:১৪
To Mahbub from Chittagonj comment 83

If there is a ruling like this-- তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সচিব, বিচারক ও বিচারপতি অসুস্থতার কারণে এবং ব্যক্তিগত সমস্যায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান নেয়ার রেওয়াজ রয়েছে।’
----- If this thing is a practice then how you can accuse this. Just remember Jomir Uddin Sarker as a speaker of parliament spend couple of koti taka as medical treatment. If comment of law minister is true then this is a practice for that reason justice Khairul Haque willingly put this check in his account otherwise he will put this in the different account. So according to প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান নেয়ার রেওয়াজ রয়েছে।’ he has taken and put his own account openly. Now if this practice or রেওয়াজ is correct then no way to accuse him or gov.
60307
৮৫
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; রাত ০৪:৪০
Thanks every body to give me the link reference and the news which publish in Amardesh in 30/5/2011. After reading this every thing is clear to me. It also give me the answer why check has given openly from PM's relief fund as well as why justice Khairul Haque openly put that check in his Bank account. This check has given after the verdict not before the verdict. Any illegal transaction can't be done such openly like this because check has issued from PM office signed by 2 officers as well as this check directly deposited in Justice personal account in both cases every things are well documented--- Any illegal transaction can't happen like this. When question ask to Justice Khairul Haque then he answers -- Ask PM office.. Now PM has authority to give allowance or donate or gift some thing from this fund. In here first thing is this money has given after the verdict not before so it can't be say for this money he has given this. This is totally choice of PM to whom she can give gift or allowance. According to law minister-- অনেক সচিব, বিচারক ও বিচারপতি অসুস্থতার কারণে এবং ব্যক্তিগত সমস্যায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান নেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ---- If PM become so happy for the verdict and for that reason she gives this money to Justice as allowance or gift then that legal authority has held by PM. As this is a tradition of practice so Justice takes it and openly put it in his account. In BNP comes back in power then they can't do any thing in this case or can't prove it as illegal transaction. If Bangladesh Football team become champion or runner up in Asian Foot Ball competition then if PM gifts each player 10 lac taka from PM's fund then it can't be corruption. PM has 100% authority to choice some one to give money from this fund. Most of all this money has given after the verdict not before and no body doesn't conceal any thing--- if it is an illegal transaction then it can't be like that. The justice Khairul Haque or PM don't challenge the news because in this news they mention underneath in just two lines for safety measure that--- অনেক সচিব, বিচারক ও বিচারপতি অসুস্থতার কারণে এবং ব্যক্তিগত সমস্যায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান নেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ---- The whole news is highlighted in such a way which give belief to BNP Jamat supporters that this is an illegal corruption as well as all BNP Jamat columnist playing tune in this way like Minar Rashid--- This is the intention of this news but for safety issue only mention underneath অনেক সচিব, বিচারক ও বিচারপতি অসুস্থতার কারণে এবং ব্যক্তিগত সমস্যায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে অনুদান নেয়ার রেওয়াজ রয়েছে। ----- to avoid legal allegation. If we check then can see thousand of Justice or bureaucrat or official have taken such kind of allowance from PM's fund in last 40 years. It is matter of common sense -- if this transaction is illegal then it can't be held openly like this as well as high level corruption's minimum figure is number of koti which held in dark not openly without any evidence. 10 lac taka is very silly amount which amount's briberies are held in gov's clerk level not officer's level but not openly like this.
60311
৮৬
USA থেকে Sumon লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; সকাল ০৮:১৮
চিটাগাং থেকে মাহবুব; মন্তব্য ৮৩

আপনি যে সংবাদের উদ্ধৃতি দিয়েছেন তা বানোয়াট। এগুলো যে আপনার নিজের লেখা নয় তা প্রমান করুন। এই খবরটি শুধুমাত্র আপনার পঠিত সংবাদপত্রের ঐ একটি মাত্র কপিতে মুদ্রিত ছিল বলে আমার বিশ্বাস। আর হ্যাঁ, যদি এই খবর সংবাদপত্রের অনলাইন আর্কাইভ -এ পাওয়া যায় তবে তা হ্যাকার কর্তৃক যে বিকৃত করা হয় নাই তা প্রমান করুন। যদি তিনি একটি রায়ে Token of Love গ্রহণ করে থাকেন তাহলে আমার সূক্ষ্ম বুদ্ধি বলে যে তিনি প্রতিটি রায়েই এধরনের token গ্রহণ করতে আইনত বাধ্য। সেক্ষেত্রে তিনি ফতওয়া সংক্রান্ত রায়ে যে দশ কোটি টাকা নিয়েছেন তা কোন ব্যাংক এ কত নম্বর অ্যাকাউন্ট এ জমা হয়েছে উপযুক্ত দলিল সহ প্রমান করুন।
60320
৮৭
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; সকাল ০৯:১৮
amar desh ooi likha likhar aage bola uchit chilo prodhan montrir ooi fund ki kajee bebohar hoy? aar bnp amole onek bicahrprotider ooi fund hoyte taka diachilo. er moiddhe saha muminur raham 28 lac 60 hazar taka ooo chilo. khaleda unake ki joinno diachilo?
60325
৮৮
Riyadh থেকে Morur Pathic লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৫৩
To Anis : The case of Jamir uddin can not be considered as evidence for Chief Justice. What is sin, that is sin for all. You should understand this.
60342
৮৯
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; দুপুর ০২:০৬
To Hussain from Kuwait comment 87

Thank you very much for your information. If your information is true then Khaleda had given Justice Shah Mominur Rahman 28 lac 60 thousands taka from PM's fund. That mean we don't know this tradition of practice about PM's fund is giving money to Justice or Bureaucrat or others. Peoples don't know such kind of support of PM's fund to civil servants and this advantage has taken by Amardesh news paper by concealing actual fact. They only write 2 lines about traditional practice to save themselves but their intention to confuse people and in this way all BNP supporters columnist are tuning their voice. For that reason I am thinking from the beginning why this transaction has done openly like this and why Justice Khairul Haque openly deposits money in his account. If it is corruption case then all transaction will be in cash and money will deposit in bank in different name that every body uses to do or money will deposits outside the country as well as money will be not in lac that will be in koti. This is the job of Mahmudur Rahman the corrupted lair. Every body do these job in such a way so no body can prove any thing but in this case every thing is open. For that reason I advise BNP Jamat supporters to give me the link of the news. When I read the news then every thing is clear to me. Thank you very much about your information about Khaleda who gave justice Shah Mominur Rahman 286000 taka from this fund. Now what is your answer Mr Minar Rashid????
60343
৯০
আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; দুপুর ০৩:২৬
শাহ মমিন ২৮ লাখ নিয়েছে বলেই বিচারপতি খায়রুলের নেয়া টাকা পবিত্র হয়ে যাবে না। সেও অন্যায় করেছে। খালেদার ভুলের কারনেই হাসিনা ক্ষমতায় এসেছে। দিন বদলের কথা বলা হলেও দিনটির বদল হলো কোথায় ? ত্রাণ তহবিলের এই টাকা নেওয়া বেআইনী না হলেও নিঃসন্দেহে অনৈতিক। এই ত্রাণখোর বিচারপতি কিভাবে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বিচারপতি হয় ? খায়রুলের মূল সমালোচনাটি হচেছ তার রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত রায়গুলি নিয়ে। ত্রাণ তহবিল থেকে নেয়া তার এই দশ লাখ টাকা তার চরিত্রের দুর্বলতা আরো প্রকট করেছে।
60345
৯১
বৃন্দাবন থেকে পদ্মলোচন লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; দুপুর ০৩:৩৫
''নৌকার মালিক তুমি আল্লাহ্‌
টয়ফেলের নতুন রুপ খায়রুইল্লা ।''
60348
৯২
ঢাকা থেকে হায়দার লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; বিকেল ০৫:১৩
চমৎকার ও সমযোপযোগী লেখার জন্য ধন্যবাদ। ৫০০ টাকা থাকলেই খরচ করা যায়না। খরচ করার মানসিকতা থাকতে হয়। এজন্য দরকার খাঁটি দেশপ্রেম। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার জন্য আবারো ধন্যবাদ।
60356
৯৩
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১৬
To Dhogdho Nagorik comment 90

The name of this fund is PM's relief fund and it is used for multipurpose expense or donation etc. It is similar concept of petty cash but in big figure. For any purpose PM can expend this money. If our football team become champion in Asia Cup for that reason if PM like to give each player 10 lac then PM can give it from this fund. This fund is actually multipurpose fund. Not only Justice Khairul or Shah Mominur lot of bureaucrat or other get money from this fund.
60359
৯৪
সৌদি আরব জেদ্দা থেকে এস,এ,এইচ, লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; রাত ০৯:৪৪
এই কলামের সমস্ত মন্তব্যকারী ভাইদের মন্তব্যগুলি পাঠ করে আমি অভিভুত হলাম! অলিক, অবান্তর বিষয় বস্তুর পিছনে ছুটতে গিয়ে শুধু মিথ্যার আবর্তে নিজ আমলনা ভারী করেছেন? আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ?
60372
৯৫
USA থেকে হক-কথা লিখেছেন, ২২ জুন ২০১১; রাত ১০:৫২
সর্ব প্রথম শুকরীয়া জানাই মহান আল্লাহ তা'আলার।
ধন্যবাদ জানাই জনাব মিনার রশিদ ভাই কে এত সুন্দর এবং সময়োপযগী চমত্কার একটি লিখা উপহার দেওয়ার জন্য। কিছু লোক থাকবে যারা সব সময় সত্যের বিরোধীতা করবেই। আল্লাহ এদের অন্তরে সীল মোহর করে দিয়েছেন। এখন একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ এদের বোঝাতে পারবেনা। তাই আমরা এদের শুধু ingore করা উচিত্।

কলপাড়া,বাংলাদেশ থেকে ফকরুদ্দীন ভাইকে,

ভাই আপনি একটি অতি চমত্কার কবিতা লেখছেন। অন্তত আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। আপনার মধ্যে অনেকটা কবি নজরুলের গন্ধ পেলাম। চালিয়ে যান। আল্লাহ চাইলে আপনিও একজন নামকরা কবি হতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ।
আপনার কবিতা টি আবার উঠিয়ে দিলাম:

মিনার!মিনার!! পেয়েছি কীনার
ঝঞ্ঝা পাড়ের তরি,
আগাও!আগাও!! মানুষ জাগাও
টুটে যাক শর্বরি।
জাতির ললাটে যে নাশা আঁটেঁ
ভীম গদা হানো তাতে,
জনতার দল বুকে নিয়ে বল
থাকবে তোমারি সাথে।
তুমি আছ বলে আশাদ্বীপ জ্বলে
এখনও পূর্বাকাশে
চেয়ে দেখ ঐ,নাচছে মাভৈ
ভ্যথাতুর সবে হাসে।
60374
৯৬
্মন্ট্রিয়াল, কানাডা থেকে নুর মোহাম্মদ কাজী লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; রাত ১২:৫৫
রাষ্ট্র-ধর্ম ইসলাম সংবিধানের অন্তর্গত হবার সাথে সাথে আমাদের জাতীয় পরিচিতির পরিবর্তন হয়ে যায়। আমাদের জাতীয় পরিচিতি আর বাংগালি থাকে না। বাংলাদেশের সকল নাগরিক (এমন কি হিন্দু , বৌদ্ধ, খৃষ্টান) যৌক্তিকভাবে মুসলমান বলে গন্য হয়ে যান। এ জন্য অদুর ভবিষ্যতে সংবিধানে একদিন পরিবর্তন এনে লিখতে হবে " বাংলাদেশের সকল নাগরিক মুসলমান বলিয়া গন্য হইবেন"।
60379
৯৭
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; সকাল ০৯:১৩
Excellent analysis including the exposure of fake Bujurgo. No doubt writer needs our support. Analysis is crystal clear. Just we need right mind to understand his points. Let us pray to Almighty to increase his knowledge and his sound health. We need quality not quantity. We need Shushil Samoj based on quality not full of Bujurgoes. We need talk show guest based on quality not full of Bujurgoes. We need columnist based on quality not full of Bujurgoes. Writer please except my salutation.
If we believe in Almighty, then “God helps those who help themselves”. Time has come to free our motherland from the ownership of this ruler. To do that we must unite. To unite we need to free our intellect from the influence of Jatir Pita and a specific party. An intellectual freedom is the right of every individual to both Seek and receives information from all points of view without restriction. –“According to American Library Association” . Let us give a try and free our intellect. Sometimes it is very difficult to make understand somebody with alternate ideas or criticism when his salary depends upon his not understanding. So, my honest conviction is, not to spend too much time on those individuals. We adopted the idea of secularism and divorce God from our every day life affairs for better life. We refuse to adopt the law of the Creator in our public life because law of the Creator is back dated. Time has come to think deeply are we better and happy with the law of secularism?? If secularism and democracy is our societal cure then why election under CTG is not acceptable to our secularist ruler?? Before homosexuality was limited in the private domain only, now it is officially legalized and any opposition is punishable. Original definition of family was husband, wife and children now in addition to that another definition is added, male husband, male wife and adopted children is also a family now. Why I am mentioning this thing??Because our ruler is very confused with our constitution. If they want to make constitution 100% secular then they will have to face big obstacle from their leftist Guru. Leader knows very well about the consciences of upsetting leftist guru. Our PM thinks every thing is in her control of what she is doing but it is not. It is just her presumption and that presumption is leading to her party downfall. It seems to me that everything is not under our PM control. What is happening internally it is very hard to find and we are going to hear all kinds of explanations from all kinds of people. But if we pay attention to her party crew’s statement regarding any national issue then we will notice they are not in the same page. The truth is we have remote controlled ruler. Power behind the curtains is running our affairs not them. The face we see every day as our ruler is not the real one. The real one we can not see and we do not know them; it does not mean they are not present. The irony here is that the power that controls our present ruler controls most of our news media, intellectuals, banks, teachers, shusil somaj, talk show guests, NGOs and untouchable BUJURGO. In fact this special Bujurgo receives revelation from out side our border. We must not concentrate on this Bujurgo only rather we must find out all the Bujurgoes those who receive revelation out side the country. They are the real enemy of our nation. It does not matter which party they belongs, they are the trouble maker. Let us make it clear. BAL party is not our problem. Only Bujurgoes inside BAL party is the problem. We have to keep in our mind these types of Bujurgoes are also inside BNP too.
SOLUTION-----We have to expose all the Bujurgoes . It does not matter which party they belongs. We have to expose all the medias those who are dividing us in the name of leftist. I do agree 100% with the idea of writer’s how to create awareness among us regarding these Bujurgoes. But we have to keep in our mind our problem is not with BAL party or any other parties. We respect most of BAL member’s political views. Our national problem is with the Bujurgoes and so called leftist those who are hiding in side all the parties. These under cover Mirzafoors misguided Jatir Pita and destroying party of Jatir Pita. They are also very active now. If they have the correct idea and if their idea is so popular then why they do not form their own party?? BAL is not a leftist party?? Jatir Pita was 100% rightist. We have to unite against these Bujurgoes and let them have their own party. Taking shelter under popular party
does mean people will not going to find you out. So time has come to expose them in front of the nation.
60394
৯৮
জামালপুর থেকে সফিকুল হাসান তুষার লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; দুপুর ০১:১৮
মিনার রশিদ আপনাকে Thanks....
60409
৯৯
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; বিকেল ০৪:২২
৯৪
সৌদি আরব জেদ্দা থেকে এস,এ,এইচ, কে
দাজ্জাল, ইমাম মেহেদী, এক দল দাজ্জালের সার্পোট হবে যেমন ইহুদীরা, আর এক দল ইমাম মেহেদীর সার্পোট হবে ঈমাদ্বার মুসলমানরা, কিছু কিছু খৃষ্টানরাও ঈসা (আ অবর্তিণ হওয়ার পরে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিবে।
বর্তমান আওয়ামী লীগ হলো দাজ্জালের ছোট ভাই, যারা এখনো আওয়ামী লীগ কে অনুসরণ করে তাদের হাশর দাজ্জালের সাথে হবে, আমি আওয়ামী লীগ কে দাজ্জালের ছোট ভাই কেন বলেছি ? উত্তর আওয়ামী লীগ সদস্যরা আল্লাহর উপর র্পূণ আস্খা এবং বিশ্বাস করে না, তাই তারা সংবিধান থেকে এই ধারা রহিত করেছে। এই পরেও আপনারা আওয়ামী লীগ কে সার্পোট করে নিজের আমলনামা ভারী করতেছেন ?
ফেরাউনিবাদ নিপাত যাক
60419
১০০
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৪৯
কিন্তু বাস্তব চর্চাটি হলো ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে দাড়ি-টুপি-হেজাব দেখলেই ধুমছে পেটানো। ধর্মনিরপেক্ষ এই পিটুনির ন্যায্য শেয়ার কখনোই অন্যরা পায় না। নাটক, সিনেমায় দাড়ি-টুপিওয়ালা ভিলেইনই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মনিরপেক্ষতার ন্যায্য শেয়ার হিসেবে গেরুয়া রঙের ভিলেইন তেমন দেখা যায় না। কার্টুনে রাক্ষসের মাথায় টুপি ও কপালে ক্রিসেন্টই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা।
জনাব মিনার রশীদ,
ওপরের মতো আরো কিছু মিথ্যে লিখুন। দেখবেন দলে দলে লোক আপনার হাতে বায়্যাত নিতে তৈরি হয়ে যাবে। যায়যায়দিনে আপনার কিছু রাবিশ ছাপা হতে দেখেছি। যায়যায়দিন থেকে বুড়ো ভাম উৎখাত হওয়ার পর আপনাকেও দেখলাম লেজ গোটাতে। এখন দেখছি এখানে এসে ঘাঁটি গেড়েছেন। তো যাক আগে কিন্তু এত "ভক্ত" পাননি। এখন দেখছি অনেক। বেশ বেশ চালিয়ে যান। Go ahead, তবে একটা কথা বলতে হয় আপনার বাংলা খুবই চমৎকার। পড়ে আরাম পাচ্ছি।
60431
১০১
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; রাত ০৮:০৬
জাতীয়তা বাদী স্বর্গের অতিষ্ট যাত্রী.
আপনি কি জানেন না মাছি ময়লার উপর বসিতে বেশি ভালবাসে. আর যাই যাই দিন ছাড়িয়া ওই মাছিগুলি ময়লার সাথেই স্তানান্থরিত হইয়াছে. বুড়া এক্স বাম বর্তমানের ডান এইখানেই আশ্রয় নিয়াছে . সঙ্গে উনার ভাব শিষ্য মিনারের ও আগমন. উনার লাভ একটাই হইয়াছে . যাই যাই দিনে পাঠক মতামত দিবার সিস্টেম না থাকার কারণে হাত তালি পেতনা .এখানে রেডিমেড হাত তালি দেয়ার অভাব নাই . কেননা এইটাতো একজাতীয় লোক গুলার শেষ ভরসা .
60443
১০২
সৌদি আরব জেদ্দা থেকে এস, এ, এইচ, লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; রাত ১০:২৪
৯৯নং রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদকে,
দাজ্জাল, আর ঈমাম মেহেদীর উত্তর দিতে গেলে তোমার সাথে আমার তুমুল তর্কযুদ্ধ লেগে যাবে? যে ভাবে ঈঙ্গিত করা হয়েছে আমার কাছে তার সঠিক উত্তর আছে? কিন্তু আমি তা এড়িয়ে গেলাম কারন আমি ভাল ভাবে অবগত আছি যে, তমি একজন বড় ফেৎনাবাজ? তাই তোমাকে আমি সর্বদা উদ্দিশ্যে সালাম করি? আমি কোন ফ্যাৎনাবাজের সহিত আলোচনায় জড়াতে চাইনা? কারন ফেৎনা জর্ঘন্য অপরাধ? তুম সর্বদা আমার পিছনে শয়তানের প্রতিনীধিস্বরূপ লেগে থাক তা আমি ফলো করেছি?
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসীনা, আমার অনুরোধ আর সাজেসন মতই জাতিয় সংবিধানে "বিছমিল্লাহ" এবং "রাস্ট্রধর্ম ইসলাম" ও "ধর্মনিরপেক্ষতা" রেখেছে, এই জন্য তাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আওয়ামীলিগ ও মহাজোটের অনেকেই চেষ্টা করেছিল যে বিছমিল্লাহ এবং রাস্ট্রধর্ম ইসলামকে বাদ দেবার জন্য? কিন্তু কেউ তাকে আমার উপদেশ থেকে লক্ষ্যচূত করতে পারেনি ইনসাহ আল্লাহ। তবে সেখানে "আল্লাহ উপর আস্থা" বিষয়ে কোন মতামত ছিল না? কারন আল্লাহ উপর পূর্ণ আস্থা বিষয় বস্তু সম্পূর্ণ আলাদা? এটি সংবিধানের সাথে কোনই সম্পর্ক নেই? এটি ব্যক্তিগত বিষয়? কারন আল্লাহর উপর পূর্ণ আষ্থা না থাকলে কেহই ঈমানদারই হতে পারে না? এটি ঈমানের বিষয়? সংবিধানের বিষয় নয়? হাতে সময় হলনা। সমায় পেলে এবিষয় আলোচনার আসা রাখি? সবাইকে সালাম।
60457
১০৩
আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক লিখেছেন, ২৩ জুন ২০১১; রাত ১০:৫৭
#১০০
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন
আপনার কষ্টটি আমি অন্তত ভালো বুঝি। বুড়ো ভাম শফিক রেহমান এবং মিনার রশীদরা আপনাদের একচেটিয়া রাজত্বে সত্যিই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। দেশের সত্তর পচাত্তর ভাগ মানুষই এদের সঙ্গে। শুনতে যত কষ্টই লাগুক। এটাই আসল কথা। এই ব্লগের ব্লগারদের মানটিও লক্ষ্য করুন। আপনাদের সামনে এরকম অগণিত লোক চ্যালেঞ্জ হয়ে আসছে। একজন দুজন শ.রে. বা মি.র. এর মুখ বন্ধ করলেও শত শত দাড়িয়ে যাবে। মাহমুদুর রহমানকে জিরো বানাতে গিয়ে আরো হিরো বানিয়ে দিয়েছেন। সামনে আরো আসবে। প্রস্তুত থাকুন।
60461
১০৪
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; রাত ১২:৪৭
doghdo nagorik
70 75 bhager hishab ki jatiyotabadi hishab naki? aponader mohan netri thoo oonke 26 payachilo. unar moto abosta naki aponader sobaar? 75 hoyte 70 gele joto baki thake aponader shte geyani aar sikkito lokerotto parcent aache. baki jeeivot ghuli paan tahaa garu sagoller demak dharon karider. jahader nijeeri bujibar khomota nai je uni manush naa manusher cheharay oinno kichu? ghaalekto khom mareen kichu din por manusher kaache jaooarobosta takhibena aaj ek choorer saja hoyloo oinneraa ooolaine aache.
60465
১০৫
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; দুপুর ০৩:৫৭
দগ্ধ নাগরিক
আপনি দগ্ধ ঠিকই আছেন, কিন্তু বিদগ্ধ নন। আপনি বললেন দেশের ৭০-৭৫ ভাগ মানুষ এদেরই সঙ্গে। কোন মাপকাঠি থেকে বললেন আমার জানা নেই। তবে এই ব্লগে ৭০-৭৫ ভাগ বললে অবশ্য বিনা প্রতিবাদে মেনে নিতাম। কারণ এই লেখার সাপোর্টার দেখছি প্রায় ৯৯ ভাগ। কিন্তু এই ব্লগটাকেই যদি দেশের মান বলে ভেবে থাকেন, তবে আপনাকে বিদগ্ধ হওয়ার জন্য আপনার ভাষা অনুযায়ী আওয়ামী দোজখে আরো অনেক বছর জ্বলে পুড়ে মরতে হবে। আপনি "শরে-মির"র ওপর দারুণ আশাবাদী। বলছেন তাদের মুখ বন্ধ করলে আরো শত শত এগিয়ে আসবে। আরে দূর! তাদের আবার মুখ বন্ধ করতে হবে নাকি? আপনার "শরে"র ৮০ দশকের ইমেজ নিয়ে এই চ্যালেঞ্জ করতেন, তাহলে ভয়ের কারণ ছিল। কিন্তু এখন তো তিনি প্রায় বাতিল মাল। পত্রিকার সাংবাদিকদের টাকা মারতে গিয়ে বিমান বন্দরের টানা হ্যাঁচড়ার নিশ্চয় আপনার দারুণ আশার স্থল "শরে"র মনে আছে? সম্ভবত নেই। থাকলে এমন লম্বাচওড়া বক্তৃতা তার মুখ দিয়ে বেরোত না। আর "মির" ? কে বটেন তিনি? "শরে"র যায়যায়দিন আর এখানে ছাড়া তো তাকে আর কোথাও দেখেছি বলে মনে হচ্ছে না?
আর প্রস্তুত থাকতে বলছেন? বেশ তো! দেখি আপনাদের জিহ্বা আর কতটা লম্বা হতে পারে? তবে ৭১, ৯৬, ২০০৮ তো আপনাদের এসব প্রগলভতারই জবাব। আবার চান? পাবেন।
60555
১০৬
আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; বিকেল ০৪:৫৬
শ.রে. কে বাতিল মাল হিসাবে ঘোষণা করেছেন। আর তার ভয়ে আগাচৌ সিরিজ বদনাম লেখা শুরু করেছে। তার লেখার উপর পাঠক কেমন ঝাপিয়ে পড়ে পাঠক মন্তব্যগুলি দেখলেই অনুমান করে নিতে পারেন। তবে ক্ষেপেছে বাকশালীরা। আওয়ামী ব্লকে তার সমর্থন কমেছে তাতে সন্দেহ নাই। আওয়ামী চশমা খুলে দেখুন। তাহলে অন্য কিছু দেখতে পাবেন।
মিনার রশীদ শত শত দেশপ্রেমিক প্রফেশনালদের একজন । দেশের প্রতি মমত্ববোধ থেকেই কলম ধরেছেন। সত্য কথা সুন্দরভাবে বলতে গিয়ে আপনাদের চোখে তিনিও বিএনপি-জামায়াত ব্লকে পড়ে গেছে। প্রফেশনাল সাংবাদিক নন। তিনি নয়াদিগন্তেও লিখেন।
60561
১০৭
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৩৭
শরে-র জনপ্রিয়তা (!) রাজাকারী ব্লকে অবশ্যই বেড়েছে। হ্যাঁ, মি.র নয়াদিগন্তেও লেখেন। আর? নেই? রাবিশগুলো তো আর কেউ গ্রহণ করবে না, তাই।
60576
১০৮
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৬
দগ্ধ নাগরিক,
আগাচৌর ওপর আপনাদের ঘৃণার বহর থেকেই বোঝা যায়, তিনি ঠিক পথেই আছেন। শ.রে-কে আর কেউ নাহোক আগাচৌ ভালোই চেনেন। সুতরাং তার সত্যি কথাগুলোকে বদনাম কেবল আপনারাই বলবেন। সেটা ছাড়া তো আর উপায় নেই। কার লেখার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা বললেন? শ.রের? হতে পারে। মাছি তো বসে পচা কাঁঠালেই।
বলেছেন, মিনার রশীদ শত শত দেশপ্রেমিক প্রফেশনালদের একজন । আচ্ছা বটে! দেশপ্রেমিক তাহলে প্রফেশনালই হয়। আর মাত্র শত শত লোকই বুঝি দেশপ্রেমিক। বাংলাদেশের বাকি ১৫ কোটি মানুষ অদেশপ্রেমিক (নাকি দেশঅপ্রেমিক?)। তা প্রফেশনাল দেশপ্রেমিক দেশপ্রেম বেচে কত টাকা পান বললেন না?
"সত্য কথা সুন্দরভাবে বলতে গিয়ে আপনাদের চোখে তিনিও বিএনপি-জামায়াত ব্লকে পড়ে গেছে।" আপনি তো দেখছি দারুণ চালাক্! চামে কেমন নিজেদের ঢোলটা বাজিয়ে নিলেন? সত্য কথা কথা সুন্দরভাবে কেবল ওই ব্লকের লোকেরাই বলে নাকি? কিন্তু অতীত তো তা বলে না। তিন-চারটা জন্মদিনঅলারাই যদিসত্যি কথা বলে, তাহলে মিথ্যা কথা বলে কারা? আওলিয়ারা?
60582
১০৯
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৭
dhogdho miaa.
noya digonte likhe jei lok uni koon bloger ? aar noya digonto koon digonter moiddhe pore?
60587
১১০
আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; রাত ০৮:২৯
হুসন মিয়া, নয়া দিগন্তে লিখলেই বিএনপি-জামায়্ত হয়ে পড়ে। আর ভোরের কাগজ, সমকাল, কালের কন্ঠ , জনকন্ঠ প্রভৃতিতে লিখলে সবাই নিরপেক্ষ লেখক। আমাদের এই হুসন মিয়াও নিরপেক্ষ পাঠক। আঠার মতো লেগে থাকে । এই হুসন মিয়া এত সময় পায় কিভাবে ? নাকি ‌ 'র ' এই লেবেলেও কিছু খুদ কুড়া ছিটায় ? হুম ।
60593
১১১
আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১১; রাত ১০:০৯
মাসের প্রথম দিনে কিংবা বছরের প্রথম দিনে জন্ম নিয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা এই দেশে অসংখ্য। অর্থাৎ শার্টিফিকেটে যে জন্ম দিন লেখা থাকে তা প্রকৃত জন্মদিন থেকে ভিন্ন। এই অপরাধটি শুধু খালেদা জিয়ার বাবা মাই করেন নাই। সমসাময়িক প্রায় ৯৫ ভাগ বাবামাই তাই করেছে। যুক্তিহীন বাকশালীদের এই কথাটি বুঝানো যাবে না। আব্দুল্লাহ আবু সাইদ স্যার তার নিজের এরকম দুটি জন্মদিনের কথা স্বীকার করেছেন। বাকশালীদের সন্ত্রাশ সর্বত্র। নিজেদের মতামত অন্যের উপর জোড় করে চাপাতে চায়। ভিন্ন মতের মানুষ বা ইন্টেলেকচুয়েলদের সম্মান করতে জানে না। নিজের মতের বাইরের সবাইকে দুর্বৃত্ত ,পচা কাঠাল প্রভৃতি ভাবে। দেশের সম্পদ লুন্ঠনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আনু মুহাম্মদও এখন পচা কাঠাল হয়ে গেছে। শফিক রেহমান, মিনার রশীদ, মাহমুদুর রহমান প্রমুখ কোন কথাটি অসত্য লিখেছেন তা বলার চেয়ে এই সব লেখকদের ব্যক্তিগত আক্রমন কিংবা পচা কাঠাল ধরনের শব্দ বলতেই এরা স্বস্তি পায়। এটাই হলো আওয়ামী চীজ।
60602
১১২
বি,বাড়ীয়া থেকে হোসাইন লিখেছেন, ২৫ জুন ২০১১; দুপুর ০১:৩৬
ভাই আপনার লিখা আমার কাছে অনেক ভাল লাগে তার কারণ আপনি সব সময় সত্য কথা গুলো খুব সুন্দর করে লিখেন। ধন্যবাদ আপনাকে
60665
১১৩
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৫ জুন ২০১১; বিকেল ০৫:০৪
দগ্ধ. আর আপনি এমন কোন যুক্তিবাদী হয়ে গেলেন যে, যে বাকশাল কায়েমই হতে পারল না, তা নিয়ে খোঁটা (?) দিচ্ছেন? জাতীয়তা বাদী বাজাদল তো জন্মের পর থেকেই "বাকশাল বাকশাল" বলে চেঁচিয়ে গেল। মনে করে এটা এক দারুণ গালাগাল। কিন্তু বাজাদল-এর সেয়ানা প্রতিষ্ঠাতা যে নিজেই বর্তমানে গালাগাল হিসেবে মুখরোচক শব্দ "বাকশাল" দলটিতে যোগ দেয়ার জন্য হত্যা দিয়ে পড়েছিলেন, সেটা বুঝি ভাবছেন আর সবাই ভুলে গেছে?
আর জন্মদিন? আপনার নেত্রীর তো ক্ষমতায় একটা জন্মদিন। না, অপরাধটি খালেদা জিয়ার বাবা-মা করেননি। চালাকিটা (অপরাধ বলছি না) করেছেন আপনার "আপোষহীন" নেত্রী। তাও নিজের বুদ্ধিতে নয়, চেলা চামুণ্ডাদের বুদ্ধিতে। আর আনু মোহাম্মদ? কড়া বামও যে বাজাদলঅলাদের কাছে প্রয়োজনে জমজম কুয়ার পানি হয়ে যায়, সেটা তো পুরনো কাহিনী।
60689
১১৪
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৫ জুন ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৪৩
দগ্ধ. আর আপনি এমন কোন যুক্তিবাদী হয়ে গেলেন যে, যে বাকশাল কায়েমই হতে পারল না, তা নিয়ে খোঁটা (?) দিচ্ছেন? জাতীয়তা বাদী বাজাদল তো জন্মের পর থেকেই "বাকশাল বাকশাল" বলে চেঁচিয়ে গেল। মনে করে এটা এক দারুণ গালাগাল। কিন্তু বাজাদল-এর সেয়ানা প্রতিষ্ঠাতা যে নিজেই বর্তমানে গালাগাল হিসেবে মুখরোচক শব্দে পরিণত হওয়া "বাকশাল" দলটিতে যোগ দেয়ার জন্য হত্যা দিয়ে পড়েছিলেন, সেটা বুঝি ভাবছেন আর সবাই ভুলে গেছে?
আর জন্মদিন? আপনার নেত্রীর তো ক্ষমতায় একটা জন্মদিন। আর ক্ষমতা হারালে আরেকটা জন্মদিন। এটা কিন্তু বাংলাদেশের ট্র্যাডিশনাল অভ্যাসের কারণে হয়নি। এটা হলো "প্রতীকী" পরিবর্তন। ৯৬-এর আগে কখনো শোনা যাযনি যে, ম্যাডামের জন্মদিন ১৬ আগস্ট। বাহ, "ফেরাউন" মরেছে আর মহিমাময়ী ম্যাডাম আমাদের উদ্ধার করতে ওই তারিখে পৃথিবীতে তশরিফ এনেছেন। ধন্য হয়ে গেলাম। ধর্মকেও যারার রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে, তাদের জন্য এটা কোনো ব্যাপারই নয়। অপরাধটি খালেদা জিয়ার বাবা-মা করেননি। চালাকিটা (অপরাধ বলছি না) করেছেন আপনার "আপোষহীন" নেত্রী। তাও নিজের বুদ্ধিতে নয়, চেলা চামুণ্ডাদের বুদ্ধিতে। আর আনু মোহাম্মদ? নাস্তিক বামও যে বিসমিল্লাহঅলা বাজাদলের কাছে প্রয়োজনে জমজম কুয়ার পানি হয়ে যায়, সেটা তো পুরনো কাহিনী।
60705
১১৫
আওয়ামী দোযখ থেকে দগ্ধ নাগরিক লিখেছেন, ২৫ জুন ২০১১; রাত ১০:৫৮
ভাই খোটা দিচিছ না। আপনাদের মনের গঠনটি জানিয়েছি। দেশের মানুষ আপনাদেরকে সেই সুযোগটি দেয় নাই। আপনারা সুযোগ পেলেই বাকশাল কায়েম করতে চান। আপনাদের হাইব্রিড নেতা হানিফ মনের সেই ইচছাটি জানিয়ে দিয়েছে। নাস্তিক বাম , সুদখোর ( ইউনুস) এই শব্দগুলি আপনারাই বেশী ব্যবহার করেন। বিএনপির ধারন ক্ষমতা অনেক বেশী। ডান থেকে অনেক বাম অনেককেই ধারন করতে পারে। এটা আর নতুন কি ? জন্ম, মৃতু্র উপর কারো হাত নেই। নিজের মায়ের মৃত্যুদিবসে অনেকের জন্ম দিন পড়ে। এটাকে সহজভাবে গ্রহন করুন।
60723
১১৬
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৬ জুন ২০১১; দুপুর ০৩:৪৪
দগ্ধ ভাইজান (বিএনপি চিকিৎসা কেমন চালাচ্ছে?)
মিথ্যা জন্মদিনটাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আপনি এমন উঠে পড়ে লাগলেন কেন? আমরা বাংলাদেশের মানুষরা হাসিনা বা খালেদা কারো বাপের কাছ থেকে দাদন নিইনি যে, তাদের নষ্টামিকেও সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য বাধ্য থাকব। নিজের মায়ের মৃত্যুদিবসে অনেকের জন্ম দিন পড়ে_ঠিক আছে। কিন্তু সেটা পড়েই। সেটাকে বানানো হয় না। আর বিএনপির ধারন ক্ষমতা অনেক বেশী বলছেন? দগ্ধ সাহেব, প্লিজ হাসাবেন না। আওয়ামী দোজখ থেকে তবু তো দগ্ধ হয়েও বেঁচে এসেছেন, ওই খিচুড়ি দলটার খপ্পর থেকে নিজের অরিজিন্যালটি নিয়েও ফিরতে পারবেন না। অবশ্য যদি অরিজিনালিটি বোঝার মতো শক্তি আপনার থাকে। নাস্তিক বাম , সুদখোর এসব শব্দ কিন্তু আপনাদেরই ব্যবহার করার কথা ছিল। কারণ আপনারা সংবিধানে বিসমিল্লাহ লাগিয়েছেন (যেন এটা লাগানোটা খুব জরুরি ছিল। যেন এটা না লাগালে গণদাবির তোড়ে জিয়াউর রহমানের গদি উল্টে যেত), আল্লাহর ওপর আস্থা আপনারা লাগিয়েছেন ( যেন এর আগে আল্লাহর ওপর আস্থা ছিল না আমাদের। তাই সংবিধিবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে।)। হারাম হালাল এসব তো আপনাদেরই বেশি চেনার কথা।কিন্তু তার বদলে দেখছি, নাস্তিক বাম আর সুদখোর (ইউনুস)দের প্রতি আপনাদের প্রেমেরও শেষ নেই। একধরনের সাপের নাকি দুই মাথা। আপনাদের মাথা কয়টি বলুন তো?
60807
১১৭
জাতীয়তাবাদী বেহেশত থেকে অতিষ্ঠ একজন লিখেছেন, ২৬ জুন ২০১১; বিকেল ০৫:৫২
দগ্ধ ভাইজান (বিএনপি চিকিৎসা কেমন চালাচ্ছে?)
মিথ্যা জন্মদিনটাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আপনি এমন উঠে পড়ে লাগলেন কেন? আমরা বাংলাদেশের মানুষরা হাসিনা বা খালেদা কারো বাপের কাছ থেকে দাদন নিইনি যে, তাদের নষ্টামিকেও সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য বাধ্য থাকব। নিজের মায়ের মৃত্যুদিবসে অনেকের জন্ম দিন পড়ে_ঠিক আছে। কিন্তু সেটা পড়েই। সেটাকে বানানো হয় না। আর বিএনপির ধারন ক্ষমতা অনেক বেশী বলছেন? দগ্ধ সাহেব, প্লিজ হাসাবেন না। আওয়ামী দোজখ থেকে তবু তো দগ্ধ হয়েও বেঁচে এসেছেন, ওই খিচুড়ি দলটার খপ্পর থেকে নিজের অরিজিন্যালটি নিয়েও ফিরতে পারবেন না। অবশ্য যদি অরিজিনালিটি বোঝার মতো শক্তি আপনার থাকে। নাস্তিক বাম , সুদখোর এসব শব্দ কিন্তু আপনাদেরই ব্যবহার করার কথা ছিল। কারণ আপনারা সংবিধানে বিসমিল্লাহ লাগিয়েছেন (যেন এটা লাগানোটা খুব জরুরি ছিল। যেন এটা না লাগালে গণদাবির তোড়ে জিয়াউর রহমানের গদি উল্টে যেত), আল্লাহর ওপর আস্থা আপনারা লাগিয়েছেন ( যেন এর আগে আল্লাহর ওপর আস্থা ছিল না আমাদের। তাই সংবিধিবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে।)। হারাম হালাল এসব তো আপনাদেরই বেশি চেনার কথা।কিন্তু তার বদলে দেখছি, নাস্তিক বাম আর সুদখোর (ইউনুস)দের প্রতি আপনাদের প্রেমেরও শেষ নেই। একধরনের সাপের নাকি দুই মাথা। আপনাদের মাথা কয়টি বলুন তো?
60825
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy