মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; বিকেল ০৫:৪৮ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

১৫ আগষ্ট ইসলামী শিক্ষা দিবসঃ লক্ষ প্রাণে শহীদ মালেক

মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত

ক্যালেন্ডারের পাতায় ১৫ আগষ্ট ঐতিহাসিক একটি দিন। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকালের সেরা মেধাবী ছাত্র আবদুল মালেকের শাহাদাৎ দিবস। এ বছর ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী হিসেবে ইসলামী শিক্ষা দিবস নামে দিনটিকে উদযাপন করবে এদেশের অপামার তৌহিদী জনতা। ৪ দশকেরও বেশী সময় পেরিয়ে আজও আমাদের চেতনায় নাড়া দিয়ে যায় মেধাবী ছাত্র আবদুল মালেকের শাহাদাৎ। আবদুল মালেকের শাহাদাতে শুধুমাত্র এদেশের জনগনের হৃদয়ে রক্তরণ হয়নি বরং বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তর থেকে বিবেকবান মানুষের কান্নার ধ্বনি শোকের আবহ তৈরি করেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকালের সেরা মেধাবী ছাত্র আবদুল মালেকের নির্মম ভাবে শহীদ হওয়াকে কেউ সহজে মেনে নিতে পারেনি। শহীদ আবদুল মালেকের শাহাদাতের ঘটনাটি ছিল বাম এবং ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্রের ফসল।

১৯৬৯ সালে আব্দুল মালেক সহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী এয়ার মর্শাল নুর কানের সাথে সাক।সাত করে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর দাবি করেন। তারই ফলশ্র“তিতে অল্প কিছু দিনের মধ্যে সরকার একটি শিক্ষানীতি ঘোষনা করে। এতে কিছু ক্রুটি বিচ্যুতি থাকলেও এতে ইসলামী আদর্শের প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু তাতে বাধসাদে সমাজতন্ত্রী ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদিরা। তারা এ শিক্ষা নীতি বাতিলের দাবি জানায়। এটি ছিল পাকিস্তান আমলের সর্বশেষ শিক্ষা কমিশন। এরই প্রেক্ষাপটে শিক্ষা ব্যবস্থার আদর্শিক ভিত্তি কি হবে তা নিয়ে জনমতে জরিপের আয়োজন করা হয়। জনমত জরিপের অংশ হিসেবে ২রা আগষ্ট ১৯৬৯, ন্যাশনালইনষ্টিটিউট অব পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন (নিপা) ভবনে (বর্তমান ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ) এ শিক্ষানীতির উপর ১ টি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনা সভায় বামপন্থীদের বিরোধীতামুলক বক্তব্যের মধ্যে শহীদ আব্দুল মালেক মাত্র ৫ মিনিট বক্তব্য রাখার সুযোগ পান । অসাধারন মেধাবী বাগ্মী আব্দুল মালেকের সেই ৫ মিনিটের যৌক্তিক বক্তব্যে সভার মোটিভ পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়ে যায় । তিনি স্পষ্ট করে সেদিন বলেছিলেন,
, "Pakistan must aim at ideological unity, not at ideological vacuum- it must impart a unique and integrated system of educatiuon which can impart a common set of cultural values based on the precepts of Islam. We need Common set of cultural values, not one set of cultural values”-

তার বক্তব্যের এ ধারণাটিকে তিনি যুক্তি সহকারে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছিলেন। উপস্থিত শ্রোতা,সুধীমন্ডলী এবং নীতি নির্ধারকরা আব্দুল মালেকের বক্তব্যের সাথে ঐক্যমত্য পোষণ করে ইসলামী শিক্ষার পক্ষে মত দেন। আব্দুল মালেকের ত্বত্ত্ব ও যুক্তিপূর্ণ সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ক্ষিপ্ত করে দেয় ইতোপূর্বে বক্তব্য রাখা বাম, ধর্মনিরপেক্ষ ইসলাম বিরোধী বক্তাদের। সকল বক্তার বক্তব্যের মাঝ থেকে নীতি নির্ধারক এবং উপস্থিত শ্রোতা-সুধীমন্ডলী যখন আবদুল মালেকের বক্তব্যকে পুর্ণ সাপোর্ট দেয় তখন আদর্শের লড়াইয়ে পরাজিত বাম ও ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর সকল ক্ষোভ গিয়ে পরে আব্দুল মালেকের উপর। নিপার আলোচনা সভায় বাম ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদিরা ব্যর্থ হওয়ার পর তাদের হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ডাকসু-র নামে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার পক্ষে প্রস্তাব পাশ করানোর উদ্দেশ্যে ১২ ই আগষ্ট ১৯৬৯ ঢাবির ছাত্র শিক্ষক মিলনায়তনে( টিএসসি)এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। ছাত্রদের পক্ষ থেকে আব্দুল মালেক সহ কয়েকজন ইসলামী শিক্ষার উপর কথা বলতে চাইলে তাদের সুযোগ দেয়া হয়নি।সভার এক পর্যয়ে জৈনক ছাত্র নেতা ইসলামী শিক্ষার প্রতি কটাক্ষ করে, শ্রোতারা এর তীব্র বিরোধীতা করে ইসলামী শিক্ষার পক্ষে স্লোগান দেয়। সাথে সাথে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদিরা হায়েনার মতো ঝাপিয়ে পড়ে । সন্ত্রাসীদের ছোবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আব্দুল মালেক তার সাথীদের স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেন। এসময় সকল সংগীকে নিরাপদে বিদায় দিয়ে শহীদ আব্দুল মালেক ২/৩ জন সাথীকে সাথে নিয়ে টিএসসির পাশ দিয়ে তার হলে ফিরছিলেন। হলে ফেরার পথে লোহার রড-হকিষ্টিক নিয়ে ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তাকে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) নিয়ে মাথার নিচে ইট দিয়ে, ইটের উপর মাথা রেখে উপরে ইট ও লোহার রড- হকিষ্টিক দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে রক্তাক্ত ও অর্ধমৃত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। মারাতœক আহত হন তার সঙ্গী গাজী ইদ্রীসও। আব্দুল মালেককে আহত এবং সংগাহীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার তিনদিন পর ১৫ আগষ্ট শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পক্ষে যুক্তিপুর্ণ বক্তব্য দেয়া ইসলামের এই সুমহান বক্তা । এভাবেই আব্দুল মালেকের আদর্শ ও ক্ষুরধার যুক্তির কাছে পরাজিত হয়ে সেকুল্যারপন্থীরা তাকে চিরতরে থামিয়ে দেওয়ার প্রয়াস চালায়। কিন্তু তার এই আতœত্যাগ বৃথা যায়নি। আজ লক্ষ প্রানে জোয়ার জাগায় শহীদ আবদুল মালেক।

আজ হাজারো তরুণ যুবকের কন্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে শহীদ আবদুল মালেকের বক্তব্যে উঠে আসা সেই শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়। যার বক্তব্যে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ঝরে, যার ক্ষুরধার বক্তব্যে বাতিলের প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় সেই শহীদ আবদুল মালেক শুধুমাত্র শ্রেষ্ঠ বক্তাই ছিলেননা। বরং তিনি তার শিক্ষা জীবনের প্রতিটি ধাপে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তার আলোকোজ্জল শিক্ষাজীবন ছিলো এরকম- তিনি জুনিয়র স্কলারশীপ লাভ করেন। এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে মেধা তালিকায় একাদশ স্থান অর্জন করেন। এইচএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ৪র্থ স্খান নিয়ে পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন। শাহাদাত বরণ কালে তিনি ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে ১২২ নং রুমে থাকতেন। ১৯৪৭ সালের মে মাসে বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার খোকসাবাড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত- মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করা অসাধারণ মেধার অধিকারি শহীদ আবদুল মালেকের মধ্যে বিস্ময়করভাবে অনুকরণীয় সব গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। তিনি ছিলেন প্রখর মেধাবী, নিরহংকার, বিনয়ী, মিষ্টভাষী, সঠিক নেতৃত্ব দানের দূর্লভ যোগ্যতার অধিকারী, ভালোবাসা, ত্যাগ ও কুরবানীর উজ্জ্বল ও অনুপম দৃষ্টান্ত। ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে প্রথম শহীদ। শহীদ আব্দুল মালেক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগের সেরা ছাত্র । শুধু সেরা ছাত্রই নয় তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ছাত্র। ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার স্বপক্ষে বক্তব্য রাখার 'অপরাধে' তার শাহাদাতের এই দিনটিকে তথা ১৫ আগষ্টকে ৪১ বছর যাবৎ 'ইসলামী শিক্ষাদিবস' হিসেবে পালন পালন করে আসছে এ দেশের আপমার তৌহিদী জনতা। “জানিনা আর ফুটবে কিনা এই বাগানে মালেকের মত কোন ফুল” “তোমরা ভুলে গেছ মালেক ভাইয়ের নাম যে মালেক জীবন দিয়ে দ্বীনের পথে করেছে সংগ্রাম” এ ধরনের চেতনায় নাড়া দেয়া অনেক গান আজ হাজারো তরুণ যুবককে আন্দোলিত করছে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখার জন্য। শহীদ আবদুল মালেক প্রেরণার মিনারের এক সুউজ্জল আলোকরাশি। ইসলামী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মীর মনে চির-ভাস্বর হয়ে থাকবেন প্রেরণার এক সুউজ্জ্বল বাতিঘর হয়ে।

লেখক: শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
E-mail: yasinarafath.du@gmail.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MohammadYasinArafath
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
জেদ্দা,সৌদী আরব থেকে আবু ওবায়েদ লিখেছেন, ১৪ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৩১
ধন্যবাদ মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাতকে ।জনাব শহীদ আবদুল মালেক ভাই ছিলেন প্রখর মেধাবী, নিরহংকার, বিনয়ী, মিষ্টভাষী, সঠিক নেতৃত্ব দানের দূর্লভ যোগ্যতার অধিকারী, ভালোবাসা, ত্যাগ ও কুরবানীর উজ্জ্বল ও অনুপম দৃষ্টান্ত। ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে প্রথম শহীদ।হে আল্লাহ আবদুল মালেক ভাইকে দান কর বেহেস্তের সুউচচ মর্যাদা ।বেচে আছি যারা মালেক ভাইয়ের অসম্পূর্ণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার তাওফিক দান করুন ।আমীন
65427
ঠাকুরগাঁও থেকে আবুল বাসার লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১১; দুপুর ০৩:৫৮
ইসলামী আন্দোলনের প্রতিটি কর্মীর মনে চির-ভাস্বর হয়ে থাকবেন শহীদ আবদুল মালেকের ।
65491
ঢাকা থেকে মোহাম্মদ মাসুদ রানা লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১১; বিকেল ০৫:২৯
শহীদ আব্দুল মালেক ছিলেন একজন জীবন্ত শহীদ। তিনি যে জন্য শাহাদাত বরণ করেছেন তার পথ অনুশরণ করে আজ লক্ষ লক্ষ যুবক এই পথে জীবন দেবার জন্য প্রস্তুত আছে। শুধু জীবন দেবার জন্য প্রস্তুত নয় তা বাস্তবায়ন করার জন্য অবিরাম চেষ্টা করে যচ্ছে।
65502
চট্রগ্রাম থেকে শিহাব লিখেছেন, ১৫ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৪
১৫ আগষ্ট শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পক্ষে যুক্তিপুর্ণ বক্তব্য দেয়া ইসলামের এই সুমহান বক্তা । আব্দুল মালেকের আদর্শ ও ক্ষুরধার যুক্তির কাছে পরাজিত হয়ে সেকুল্যারপন্থীরা তাকে চিরতরে থামিয়ে দেওয়ার প্রয়াস চালায়। কিন্তু তার এই আত্বত্যাগ বৃথা যায়নি। আজ লক্ষ প্রানে জোয়ার জাগায় শহীদ আবদুল মালেক।
65508
ইউএসএ থেকে দ্রাবির রহমান লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১১; সকাল ০৯:৩৭
১৯৬৯ সালে এসব মালেকের দল পাকি শিক্ষানীতির পক্ষে দালালী করেছে। সাধারন ছাত্রসমাজ রুখে দিয়েছে এসব ধর্মান্ধ জামাতী দের।
65558
London থেকে Muhammad Sakhawat Hussan লিখেছেন, ১৬ অগাস্ট ২০১১; রাত ১১:১৯
@ Dravir Rahman, many people of Bangladesh are like you who always try to insult Islam anyway. Malek who wanted to see a educaional system where we the muslim student can have Isalamic as well as other common education. That system could make us proper human being which our prophet(PBUH) promoted. If pakistan give that education or India give that eduction, we have no problem to follow. But you are scolding Mr.Malek because you could not come out from the shell of communist and sociolists who always strive to establish anarchy in Bangladesh in the name of progress. If I am muslim I don't get Islamic educaion how can I understand the teaching of Islam? সাধারন ছাত্রসমাজ what do you mean by that? Who are seen as smoking Gnaja, drinking alcohol openly and thier ladies group looking like man those are common scene in Dhaka University. In future they will be the man of Civil Society of Bangladesh. The people like you always nutral minded to all religions, it is proved false, actually you are all against Islam. Without Islam you feel very happy. Hinduism, Chrisitianity,Buddism not make trouble ot you.
No problem you are religious or not its up to you. But problem is Bangldesh is the country where 90% muslim and they deserve such educational system where Isalmaic and common education are being ensured. Please, don't be obstacle to the way of truth. We are now Bangladeshi and this is our identity. Islam not only for Pakistan it is also for Bangladesh.
65619
ঢাকাদক্ষিন, সিলেট থেকে সাইদূর লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১১; রাত ০২:২৮
জনাব দ্রাবির সাহেব, ইসলামী শিক্ষা নীতি পাকিদের নয় মুসলিমের।
আপনার নাম দেখে বুঝতে ভীষন কষ্ট হচ্চে এই নামটি কি কোন মুসলিমের? নাকি কোনো বাজিকরের! আসলে দুনিয়াতে কিছু বাজিকর লোক নিজেকে অতি চালাক ভেবে, যে সংখ্যাগরিষ্ট সমাজে বাস করে তাদের ধোকা দেয়ার জন্য বলে বেড়ায় আমরাও তোমাদেরমত মুসলিম, কিন্তূ আসলে এরা কি মুসলিম? তাদের নাম গুলো দেখে, বাংলাভাষা জানেন এমন কোন মানুষ নেই যে বলবেন এই নাম গুলি কোন মুসলিম লোকের, যেমনঃ দ্রাবির, শুকান্তবাবু, মনি, দীপু, পুতুল, জয়, ট্রিউলিপ, লাল। তাই সকল পাঠকদের বলছি বাজিকর এবং ধর্মের দুশমন থেকে সাবধান। ধর্মনিরপেক্ষরাই হচ্চে ধর্মের সবচাইতে বড় দুশমন।
65631
সাভার থেকে রিয়াজুল ইসলাম লিখেছেন, ১৭ অগাস্ট ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৫
ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠার দাবি অনেক আগ থেকে হয়ে আসছিল কিন্তু এপথে জীবন খুব কম লোকই দিতে পেরেছে। শহীদ আব্দুল মালেক সেই ভাগ্যবানদের মধ্যে একজন। আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুক।
65693
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে এম এ শহীদ লিখেছেন, ১৮ অগাস্ট ২০১১; রাত ০৮:২৫
আল্লাহ যেন শহীদ আব্দুল মালেক কে জান্নাতের সর্বউচছ স্হানে রাখেন। সাইদুর ভাই ঠিকই বলে ছেন ইসলামি শিক্কা কারো বাবার সন্পদ নয় ,তাহা সমুস্ত মুসল মানদের। তা হলে ঐ দ্রাবির বেঠ আবার পাকিস্তানীর দালালীর গন্দ পাইল কোথা থেকে? আসলে সে যেহেতু জামাতী বলে অপবাদ দিতে চাইছে, তাতে বুজা যাচেছ তিনি কুর আন সুন্নাহ ইসলাম যারা পছন্দ করে না তাদের দলের। এবং দেশ বিদেশে যারা ইতর প্রানীরমত সমান তালে ধর্ষণ চালায় ,তাদের সমর্তক।
লিখক কে ধন্যবাদ । ১৫ই অগষ্ট ইসলামী শিক্কা দিবস পালন করার উদ্দেঘ সারা দেশ ব্য পি নিতে হবে ।
65782
১০
London থেকে Victoria লিখেছেন, ২৫ অগাস্ট ২০১১; রাত ০৯:০৪
66403
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy