মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:০৩ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

যে ঘটনায় আমার ভুল ভাঙল-শুনুন সে লিটন চেয়াম্যানের কাহিনী

মনিরুল ইসলাম মনির

আজ থেকে ১৬ বছরের আগের কথা ,আমার আব্বা দুটি জমি কেনেন আমাদেরই গ্রামের পশ্চিম পাড়ার আব্দুস সোবহানের ছেলে রফিক ও শহিদের কাছ থেকে। জমির কাগজপত্র সোবহানের নামে থাকায় সোবহানই রেজিষ্ট্রি অফিসে গিয়ে রেজিষ্ট্রি দেয় । কিছু দিন পর আব্দুস সোবহানের ছোট ছেলে সৈনিক আব্দুর রশিদ অবসর নিয়ে গ্রামে এসে জমি-জমার ভাগাভাগিতে তার ভাইদের প্রতারণার কারণে চরম বিরোধে জড়িয়ে পড়ে । আব্দুর রশিদ জানায়, আমাদের কাছে তার ভাই যে জমি বিক্রি করেছে তা তার কাছে পূর্বেই বিক্রি করা হয়েছে। আমরা তখন দলিলপত্র ঘাটাঘাটি করে দেখলাম, ঐ দলিলের ৩৬ শতাংশ জমির এক শতাংশও টিকছে না। এর আগে রশিদের ভাই রফিক আমাদের ৪০ মন ধানের টাকা আত্মসাৎ করেছে , তার ব্যবসার টাকা মার গেছে এই অজুহাতে । আমার মনে পড়ে, আমি তখন পড়ার টেবিলে পড়ছিলাম, রফিক এসে বলল চাচা আপনার কাছে আমার একটা মিনতি আছে।
আব্বা বললেন, কী বলতে চাও বলো।

রফিক বলল, ‘জমিটা আমার অনেক শখের জমি । জমিটা আমি বিক্রি করেছি মনে হলেই আমার কান্না আসে। আমার বুকটা ফেটে যায়। তাই আপনি যদি দয়া করে কয়েক বছরের জন্য আমাকে জমিটা লিজ দিতেন তাহলে কষ্টটা আমার লাঘব হতো। আমি প্রতি বছর হিসেব করে আপনার পাওনা দিয়ে দেবো। আর জমি বিক্রির কথাটা আপাতত কাউকে জানাবেন না ,আমার ভাইরা শুনলে রাগ করবে।’
আব্বা সরল মনে তার কথা বিশ্বাস করলো এবং রাজি হলো।
কিন্তু সে যে ছল-চাতুরি করে আমাদের ঠকানোর আয়োজন পাকা-পোক্ত করেছে আব্বা তা বুঝতে পারেন নি।

আব্বা হজ্জ থেকে ফিরে আসার পর এঘটনা জানতে পেরে, মানসিকভাবে মারাত্মক আঘাত পেলেন। স্বল্প বেতনে প্রাইমারী স্কুলে চাকরি করে সে টাকা থেকে অল্প অল্প করে সঞ্চয় করে কষ্টার্জিত অর্থে যে জমি কিনেছেন তা হারানো বেদনা , প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের কষ্টে তিনি মুষড়ে পড়লেন।

আমরা গ্রামের মাতব্বরদের দুয়ারে ঘুরে ঘুরে পায়ের জুতা ক্ষয় করতে লাগলাম। মিটিং ডাকা হয় কিন্তু ঠকবাজ রফিক হাজির হয় না। অনেক ধরাধরির পর একদিন সে হাজির হলো। মাতব্বররা রায় দিলেন,৩০ শতাংশ জমি রফিক আমাদের রেজিস্ট্রি করে দেবে। ৬ শতাংশ জমি ও লিজের টাকা মাতব্বররা নিজ ক্ষমতায় মাপ করে দিলেন।
কিন্তু মাতব্বরদের সালিসের রায় অনুযায়ী সে জমি রেজিস্ট্রি দিলো না । নানা রকম টাল বাহানা করতে লাগলো। আবারও শালিশ ডাকা হলো । সে বলল রেজিষ্টি দেওয়ার মতো জমি তার নেই। কয়েক দফা শালিসের পর মাতব্বররা রায় দিলেন ২০ শতাংশ জমির রেজিষ্ট্রি দিতে। বুঝলাম, মাতব্বররাও এ ছলচাতুরির সঙ্গে জড়িত।
কিন্তু তা মানতেও তার অনেক গড়িমসি । কয়েক মাস ধরে ঘুরাঘুরির পর ২০ শতাংশ জমির রেজিষ্ট্রি আমরা পেলাম। ২০০৫ সালের দিকে রশিদ ঐ ২০ শতাংশ জমি আমাদের কাছ থেকে ক্রয় করে যার রেজিষ্ট্রি এখনো দেয়া হয় নি।

কয়েক বছর আগে তাদের কাছ থেকে কেনা অন্য দাগের ৪৬ শতাংশ জমি আমিন নিয়ে মাফতে গিয়ে দেখলাম, আমাদের দখলে ৩৩ শতাংশের বেশি জমি নেই। রফিক শহিদ ও রশিদ তিন ভাইকে ডেকে বিষটি জানালাম। তারা বললো, নতুন মেপ বের হলে জমি ও দলিলের হেরফের ঠিক হয়ে যাবে । ভাই গোঁ ধরলেন এজমি বিক্রি করে দেবেন। ক্রেতা ঠিক করে ৩৩ শতাংশ জমির বায়না নেয়া হলো।
গত বছর নতুন মেপ বের হলো। অবস্থা আরো খারাপ। আমাদের ২০ শতাংশ জমিও টেকছেনা। আবার দলিলপত্র পরখ করে দেখলাম, এদাগে আমাদের জমি আছে মাত্র ১৯ শতাংশ। বিষয়টি আবার রফিক,শহিদ ও রশিদকে জানালাম। কিন্তু তারা এবিষয়ে কোন দায় নিতে নারাজ। আমাদের আব্বা জমি বিক্রি করেছে তার কাছ থেকে বুঝে নাও, আমরা কিছু জানি না। জমি বিক্রি করলো তারা, তারা টাকা নিলো অথচ তারা কোন দায় নেবে না।

আমরা বললাম, এ জমির সূরাহা যদি করে দেয়া না হয় তাহলে ঐ ২০ শতাংশ জমির রেজিস্ট্রি আমরা দেবো না -যা রশিদ আমাদের কাছ থেকে ক্রয় করেছে।
কিন্তু তারা বললো, যে ফাঁদ পেতোছো এতো কোন কাজ হবে না।
অবশেষে আমরা শরনাপন্ন হলাম সে লিটন চেয়াম্যানের। যার জন্য আমার বড় ভাই নির্বাচনে নিঃস্বার্থ ভাবে দিনরাত কাজ করেছেন । নাওয়া খাওয়া হারাম করেছেন। লিটন চেয়ারম্যান বলল, তোর এ বিষয়টার সূরাহা আমি করে দেবো।
কয়েক মাস ঘুরার পরে ইউনিয়ন পরিষদের বোর্ড অফিস থেকে মিটিং কল করা হলো। চেয়াম্যান বললো, পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জকে দিয়ে ওদের ডাকা হবে -যাতে ওরা মিটিংএ হাজির হতে বাধ্য হয়। এস আইকে হাজার দ’ুয়েক টাকা দাও।
বিষয়টি আমি জানার পর ভাইকে নিষেধ করলাম এর মধ্যে পুলিশকে জড়ানোর জন্য। কারণ আইনগতভাবে এখানে পুলিশের কিছু করার নেই,তাই পুলিশকে ঘুষ দিয়ে বোকামি করা হবে। কিন্তু ভাই আমার উপর আস্থা রাখতে পারলেন না। তিনি চেয়াম্যানের কথাই শুনলেন।

মিটিং কল করে আবার তা স্থগিতও করা হলো।
ভাই আমাকে ফোনে জানালেন, চেয়াম্যান মিটিং সাকসেসফুল করার জন্য টাকা চায়। রফিক-রশিদ নাকি পুলিশকে ম্যানেজ করতে মোটা অংকের টাকা দিয়েছে। তাই এসআইকে হাজার বিশেক টাকা দিয়ে ঐ টাকা ফেরত দিতে হবে।

আমার মেজাজ বিগড়ে গেলো, পুলিশকে টাকা দিতে হবে কেন? এখানে পুলিশ কী করতে পারে?
আমি বললাম, আসলে আপনার বক ধার্মিক চেয়াম্যানই ঘুষ চাচ্ছে ।
আমি বললাম, আপনি গিয়ে চেয়াম্যানকে বলেন পুলিশ যদি বাড়াবাড়ি করে তাহলে তাকে এখান থেকে সড়ানোর ব্যবস্থা আমরা করবো।
প্রয়োজনে আমি চেয়াম্যান-এর সঙ্গে কথা বলবো। কিন্তু ভাই আমাকে না জানিয়ে পুলিশ ও চেয়াম্যানকে ম্যানেজ করলো। ১৩ ই সেপ্টেম্বর আকস্মিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদে মিটিং কল করা হলো। আমি অনেক ব্যস্ততার মাঝে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে দু’জন সাংবাদিক নিয়ে গ্রামে গেলাম।
ঝিনাইদহের স্থানীয় সাংবাদিকরা আমাকে জানিয়েছিলো, পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মতিয়ার সম্পর্কে। সে চরম ঘুষখোর । বিশেষ করে নারী-ঘটিত ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আছে।
তার প্রমাণও আমি পেলাম যখন তার সঙ্গে দেখা করতে ক্যাম্পে গেলাম। এসআই মতিয়ারের রুমের চকিতে বসে আছে আমাদেরই বিবাদী রশিদের স্তী। সে নাকি এখন নিয়মিত ক্যাম্পে যাতায়াত করে।
আমাদের পরিচয় পেয়ে এসআই মতিয়ার কিছুটা ভরকে গেলো। সে কাচু মাচু হয়ে বললো কাদের ভাইকে (আমার বড় ভাই) তো আমি বলেছি , তার বিষয়টি মিটিয়ে দেবো।
আমি বললাম, অন্যায় অযৌক্তিক কিছু করার দরকার নেই, যা ন্যায্য তাই করবেন।

বোর্ড অফিসে গেলাম। চেয়াম্যান অনেক কথা বললো, সে কী করছে , এলাকার জন্য কী করবে ইত্যাদি ইত্যাদি..।
মিটিং শুরু হলো, এসআই চেয়াম্যানের সঙ্গে পীড়াপীড়ি করতে লাগলো এখানে সাংবাদিক আছে , গ্রাম্য শালিশ মিটিং করা আমাদের কাজ নয়, সে তথ্য রেকর্ড করে রাখলে আমি ঝামেলায় পড়বো ইত্যাদি ইত্যাদি।
চেয়াম্যানের অনুরোধে আমি বেড়িয়ে এলাম।
বাসায় ফিরে আসার পর বিকালে পরিষদের শালিসের রায় শুনলাম, ১৫ শতাংশ জমি রশিদ আমাদের কাছ থেকে কিনে নেবে নতুবা রশিদের কাছে বিক্রিত ২০ শতাংশ জমি আমরা অন্যত্র বিক্রি করে দেবো। অর্থাৎ ১৯ এবং ১৫ মোট ৩৪ শতাংশ জমি আমরা পাচ্ছি ৪৬ শতাংশ জমির স্থলে।

ক’দিন পর শুনলাম, আমাদের ১৯ শতাংশ জমিও ঠিক নেই। ১৯৯৪ সালে এজমি আমাদের কাছে বিক্রির একদিন আগে আর একজনের কাছে বিক্রি করা হয়েছে -যা এতো দিন গোপন রাখা হয়েছে।
অর্থাৎ ৪৬ শতাংশ জমির ১ শতাংশ জমিও আইনগতভাবে আমাদের নেই।
এতো বড় শুভংকরের ফাঁকি! বারংবার পুকুর চুরির মতো জালিয়াতি মানুষ কীভাবে করতে পারে? এ প্রতারণা ও শঠতার বিচার আমরা কোথায় পাবো?

ওদিকে ইউনিয়নের পরিষদের বোর্ডের রায় কার্যকরের বিষয়ে চেয়াম্যানের কোন উদ্যোগ নেই। বোর্ড অফিসে মিটিং হলো অথচ রায়ের বিষয়ে লিখিত কোন ডকুমেন্ট রাখা হলো না। পরিষদের এ কেমন রায়?
আমি ফোন করে করে চেয়াম্যানকে পাই না।
একদিন ভাই আমাকে জানালেন, চেয়ারম্যান বোর্ড অফিসের রায় কার্যকর করার জন্য ৫০ হাজার টাকা চায়। ক্যাম্পের দারোগাকে রশিদ নাকি এক লক্ষ টাকা দিয়েছে। আমি বুঝলাম, চেয়াম্যান ও দারোগা মিলে এলাকাটা লুটেপুটে খাচ্ছে।কেউ নেই তাদের বাধা দেয়।
আমি ঝিনাইদহের স্থানীয় সাংবাদিকদের তার পিছু লাগালাম। তাতে কাজ হলো। সে ভয় পেয়ে গেলো-পাছে মিডিয়ায় সব ফাঁস হয়ে পড়ে । আমার বড় ভাইকে ডেকে তড়িঘড়ি করে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিলো। এরপর আমাকে একদিন ফোন দিলো চেয়াম্যান কিন্তু আমি তার কল আর রিসিভ করিনি।

চেয়াম্যান এখন সামনে যা পাচ্ছে তাই গিলছে। ভোটের আগে বস্তা বস্তা অর্থ ব্যয়ের এ ক্ষুধা সারা দুুনিয়া খেলেও বুঝি মিটবে না। তাই তো গ্রামের সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে রক্ত চুষে খাচ্ছে। তার একান্ত শুভাকাঙ্খী মানুষগুলো -যারা নিঃস্বার্থভাবে ভোটের সময় দিনরাত তার জন্য কাজ করেছে তাদের শরীরের রক্ত খেতেও তার দ্বিধা নেই। অথচ এ লোকটি কি-না ঈদগাহের মাঠে ঘোষণা দিয়েছিলো, আমি খলিফা ওমরের দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো। আমি আমার চেয়াম্যান পদের সম্মানীর টাকাটাও মানুষের কল্যাণে ব্যয় করবো। যে ভোটের আগে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ছুটে গেছে তাদের সেবা করতে। তাদের সমস্যার সমাধান করতে, অসুস্থকে চিকিৎসা দিতে। অথচ নির্বাচনে পাশের মাত্র দু’মাসের ব্যবধানে পাল্টে গেলো তার চেহারা । খসে পড়লো মানুষরূপী পশুর মুখোশ। গ্রামের মানুষের মুখে মুখে এখন লিটন চেয়ারম্যানের প্রতি অভিশাপের দীর্ঘশ্বাস।
মানুষের বিশ্বাস ও আস্থার সঙ্গে এতো বড় গাদ্দারী কীভাবে একজন জনপ্রতিনিধি করতে পারে?
ঠকবাজ শহীদ-রফিকের সঙ্গে এচেয়ারম্যানের পার্থক্য কোথায়?
অথচ নির্বাচনের পূর্বে তার জন-সেবার মহান কীর্তি নিয়ে আমি লিখেছি-যা অণুকরণীয় সবার জন্য।
সম্প্রতি শুনছি,লিটন বিশ্বাস আওয়ামীলীগের হোমড়া চোমড়াদের সঙ্গে যোগ দিয়ে বেপরোয়াভাবে সব কুকর্ম সাধন করে চলেছে। অথচ সে নির্বাচন করেছিলো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। নষ্ট রাজনীতি থেকে ,নৈতিকভাবে সে স্বাতন্ত্র্য- পাবলিককে এটা বুঝাতে তার এই স্বতন্ত্র নির্বাচন।

প্রকৃত অর্থে প্রচলিত নষ্ট রাজনীতির নর্দমার একটি কীট ছাড়া সে আলাদা কিছু নয়। মাত্র দু’মাসের ব্যবধানে তার প্রমাণ সে নিজেই দিয়েছে। আমাদের জাতীয় রাজনীতিরও একই অবস্থা। যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ। আওয়ামীলীগ,বিএনপি ও জাতীয় পাটির কোন নেতৃত্বই এথেকে আলাদা কিছু নয়। চারদিক শুধু নৈতিক ভাঙনের প্রতিধ্বনি। মানুষের প্রতি জবাবদিহিতা সম্পন্ন আদর্শ নেতৃত্ব আর নেই। কারণ যার প্রতি জবাবদিহী করা হবে সেও অধঃপতিত।
উলু খাগরা জনতা তাহলে কাকে ভোট দেবে?

এ বাস্তবতায় একটি উপলব্ধিই আমার চোখ খুলে দিয়েছে তাহলো- আল¬াহর প্রতি জবাবদিহিতাসম্পন্ন নেতৃত্বই কেবল পারে এ জাতীকে উদ্ধার করতে। সে নেতৃত্ব আমরা কবে পাবো? কবেই-বা জাতি তাদের খুজেঁ নেবে?

লেখকঃ সাবেক সভাপতি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি
কুষ্টিয়া
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MonirulIslamMonir
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম লিখেছেন, ১৪ নভেম্বর ২০১১; রাত ০১:৩৬
সমাজের এসব নরকের কীটতুল্য প্রাণীগুলোর মুখোশ উন্মোচনের জন্য আমাদের সবারই এগিয়ে আসা দরকার। দিক-নির্দেশনামূলক সমাপ্তির জন্য লেখককে ধন্যবাদ।
71637
বাংলাবাজার, ঢাকা থেকে নাঈম লিখেছেন, ১৪ নভেম্বর ২০১১; দুপুর ১২:৪১
আসুন সবাই মিলে সমাজটাকে এসব অপদার্থদের হাত থেকে রক্ষা করতে দলমত নির্বিশেষে ঝাঁপিয়ে পরি। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য জন্মভুমি উপহার দিতে দুর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত এসব জঞ্জালকে সরিয়ে একটি আদর্শ সমাজ গঠনে আত্মনিয়োগ করি।
71668
ঢাকা থেকে শামীম লিখেছেন, ১৮ নভেম্বর ২০১১; রাত ১২:১১
ঠিক তাই....
71865
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy