মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:০৭ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

রাজাকার ও ইসলাম এবং রাজনৈতিক দল

মোস্তাফিজ বাবু

রাজাকার কারা?
এক কথায় বলতে গেলে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা পাকিস্তান বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের ও দেশের লোকদের জান ও মাল-এর ক্ষতি করেছে তারাই রাজাকার। এই কারণ ছাড়াও আরো দু’টি কারণে অনেক লোক পাক-বাহিনীর সাথে এক হয়ে কাজ করেছে কিন্তু তারা দেশ ও দেশের লোকদের ক্ষতি চায়নি। তবে এরা কি চেয়েছে? এরা চেয়েছিলেন দু'টি জিনিসের যেন কোন একটি কিংবা উভয়টি। এই দু'টি জিনিসের কারণগুলো হলোঃ

প্রথম কারণঃ
এরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুরোপুরি চাননি। এরা চেয়েছে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে শোষণমুক্ত একটি স্বাধীন স্বায়ত্বশাসন। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবে দু’টি ভূ-খন্ড এক থাকবে। অর্থাৎ একটি দেশের দু’টি স্বাধীন ষ্টেট-এর মতো। যা আছে আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়াসহ পৃথিবীর বহু দেশে। আর এটার গুরুত্ব যে কত তা ‘ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন’ দেখলে বোঝা যায়। এরা বুঝতে পেরেছিল পরিপূর্ণ স্বাধীন হলে আমাদের শক্তি ক্ষয় হবে আর আমরা চলে যাব ভারতের আগ্রাসনে। এটা কার্যকরী হলে ভারতের পক্ষে বাংলাদেশকে শোষণ এত সহজ হতো না এবং বাংলাদেশে পানির হাহাকার থাকত না। আওয়ামী লীগ-এর জাতির পিতাও এই স্বায়ত্বশাসন চেয়েছিলেন; পরিপূর্ণ স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি। যদিও ২৫শে মার্চের পাক-বাহিনীর অতর্কিত বর্বরোচিত হামলায় এ চাওয়া থেকে অনেকেই সরে গিয়েছিল।

দ্বিতীয় কারণঃ
এরা অনেকেই দাড়ি রেখে, টুপী লাগিয়ে পাক-বাহিনীর সাথে মিল রেখে নিজ এলাকার মা-বোন আর যুবকদের রক্ষা করেছিলেন আর মুক্তিযোদ্ধাদের আড়াল করে রেখেছিলেন। জনাব হুমায়ুন আহমেদ ও জনাব জাফর ইকবাল-এর মা- জনাবা আয়শা ফয়েজ-এর লেখা বইটি পড়লে এ রকম একটি চরিত্রের চিত্র পাওয়া যায়। যে লোকটির চিত্র পাওয়া যায় উনি হলেন জনাব হুমায়ুন আহমেদ ও জনাব জাফর ইকবাল-এর শ্রদ্ধেয় নানাজান।

যারা ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সত্যিকার রাজাকার হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের সাথে বেঈমানী করেছিল তাদের বিচার আমরা সবাই চাই। কিন্তু অন্য দু’টি কারণে যারা রাজাকার-এর ভূমিকায় অভিনয় করে দেশ ও জাতির কল্যাণ চেয়েছিল তাদেরকে কি রাজাকার বলা যুক্তিযুক্ত হবে? তাদেরও কি শাস্তি হওয়া উচিত??

রাজাকাররা আজ কোথায়??
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে সত্যিকার রাজাকাররা যার যার সুবিধামতো বিভিন্ন অবস্থানে অবস্থান নেয় এবং পরে সময়ের প্রয়োজনে কখনো মুখে দাড়ি রেখে বা কামিয়ে কিংবা মাথার টুপী খুলে বা সযতনে রেখে বিভিন্ন দলের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে। রাজাকার আছে বি.এন.পি-তে, রাজাকার আছে আওয়ামী লীগ-এ, রাজাকার আছে জামাত-এ, রাজাকার আছে জাতীয় পার্টিতে, রাজাকার আছে অন্যান্য দলেও। এর প্রমাণ মেলে বিভিন্ন তথ্য থেকে ইতিহাস জানলে ও বিশ্লেষণ করলে। আমাদের বড় সমস্যা এই যে বাংলাদেশী বাঙালীরা হুজুগের পিছনে দৌঁড়ায়; দলের প্রতি অন্ধ সাপোর্ট কিংবা ব্যক্তি স্বার্থ কিংবা জ্ঞানের অভাবে। এতে তারা বিভ্রান্তি হয়, অন্যকে বিভ্রান্তি করে এবং পরস্পরের ভিতর শত্রু তা তৈরী করে।

তবে মানুষ কেন জামাত ইসলামকে শুধু রাজাকার বলে!!??
বাংলাদেশের কোন দলই পরিপূর্ণ ভালো নয়। তবে কেউ কম ভালো আবার কেউ একটু বেশী ভালো। কিংবা অন্যভাবে বলা যায় কেউ কম খারাপ আবার কেউ প্রচন্ড খারাপ। জামাত ইসলাম খারাপ না ভালো দল সেটার প্রমাণ মেলে ক্ষমতার কারণে কখনো বি.এন.পি আবার কখনো আওয়ামী লীগ-এর সাথে সুন্দর সহাবস্থান দেখে। ইসলামে সুদ পরিপূর্ণভাবে ‘হারাম’ হবার পরেও এরা বি.এন.পি জোট সরকারের সাথে শিল্প ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্ব নিয়ে সেই সুদ-যুক্ত ঋণই বিতরণ করেছেন। তখন তাদের মাথায় সুদ-মুক্ত ইসলামী ঋণের চিন্তা ছিল না। আবার সংসদে যখন লাল পাসপোর্ট আর শুল্কমুক্ত গাড়ীর জন্য বিল আনে তখন এরা কিন্তু অন্যান্য সবার মতো এর পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। উল্লেখ্য এর বিপক্ষে একটি ভোটও পরেনি। একটি ইসলামী দল হিসেবে এদের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। কিন্তু এরা প্রতিবাদ তো করেনইনি বরং ফতোয়া দিয়েছেন এগুলো ব্যবহার হবে ইসলাম প্রচার আর দাওয়াতের কাজে। এটা সবার জানা যে আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাহে ওয়াসাল্লাম এর জীবন যাপন কত সাধারণ ছিল।

তারপরেও বড় দলগুলোর মধ্যে একমাত্র জামাতই প্রকাশ্যভাবে নামাজের কথা বলে, ধর্মের কথা বলে। দেশে নিদেনপক্ষে নামাজ ও ধর্ম প্রতিষ্ঠা হলে সঙ্গতঃ কারণেই দাদাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো থাকলেও মাখামাখি থাকবে না। সেই সাথে আমরা অবাধ সংস্কৃতির নামে মুসলমান হয়ে মাথায় সিঁদুর পরতে পারব না, মুখে উলুধ্বনি দিতে পারব না, পর্দা ছাড়া নারীরা বাইরে বেরুতে পারবে না, হরতাল চলাকালে মেয়েদের রাস্তায় গড়াগড়ি দেয়া যাবে না কিংবা বুকের কাপড় ফেলা যাবে না, নামাজের সময়গুলিতে কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না, মেয়েদের পণ্য বানানো যাবে না, শরীরের ভাজগুলো প্রদর্শন করা যাবে না ইত্যাদি। তাই মূলতঃ যারা ইসলামিক এই বিষয়গুলো মেনে নিতে চায় না তারাই জামায়াত ইসলামকে সামনে রেখে পক্ষান্তরে ‘ইসলাম নিধন’ চালাচ্ছে। ‘রাজাকার’ শব্দটা ব্যবহার করছে মূলতঃ ইসলাম নিধনে; জামাত ইসলাম নামক দলটি নিধনে নয়।

আওয়ামী লীগ ও বি.এন.পি কি রাজাকার নয়????
যদি শুধু জামাত ইসলামী ‘রাজাকার’ হয় তবে ১৯৯০ সালে বি.এন.পি. জামাতের সাথে হাত মিলিয়েছিল সুতরাং বি.এন.পি. রাজাকার। আবার ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ জামাতের সাথে হাত মিলিয়েছিল সূতরাং আওয়ামী লীগ রাজাকার। সুতরাং সূত্রটা দাঁড়ায়ঃ

রাজাকার = জামাত ইসলামী
জামাত ইসলামী = বি.এন.পি; সুতরাং বি.এন.পি = রাজাকার
জামাত ইসলামী = আওয়ামী লীগ; সুতরাং আওয়ামী লীগ = রাজাকার
সেই অর্থে মূলতঃ রাজাকার হলো
আওয়ামী লীগ = জামাত ইসলামী = বি.এন.পি

তবে সবচেয়ে বড় সত্যিটা হলো সব দলেই কিছু রাজাকার আছে। তাই কোন দলকে এককভাবে রাজাকার বলা যুক্তিযুক্ত নয়। যে মুসলিম লোকগুলো পবিত্র কোর'আন ও সহীহ হাদিসের আলোকে না মেনে ধর্মকে নিজের মতো করে মানতে চাচ্ছে; তারাই দাড়ি-টুপিওয়ালা সত্যিকার ইসলামমনা লোকগুলোকে ঢালাওভাবে একটি দলের প্রমাণ করে রাজাকার বলছে। প্রশ্ন হলো কেন তারা বলছে?
উত্তর একটাই - যারা ইসলামের কারণে নিজেদের ভোগ-বিলাস-নেতৃত্ব আর ক্ষমতা হারাতে চায় না।

এরা কারা??
যাদের ভিতর নীচের কোন একটি বা একাধিক বৈশিষ্ট্য পাবেন তারাই হলেন সেই দলেরঃ
১. যারা ধর্ম পরিবর্তন না করে বিয়ে করেন।
২. যারা মেয়ের বান্ধবী, বন্ধুর বৌ, মেয়ে কলিগ, পুরানো প্রেমিকাদের কাছে পেতে চান।
৩. যারা অবৈধ টাকায় গাড়ী, বাড়ী, ঘর তৈরী করেন।
৪. যারা সুদের ব্যবসায় বড় বড় দামী লোক হোন।
৫. যারা পুরুষ-নারীর অবাধ মেলামেশা, লিভিং টুগেদার ও অবাধ-এ বিশ্বাসী।
৬. যারা স্ত্রী-কন্যাদের পণ্য বানিয়ে রাস্তায় নামাতে পছন্দ করেন।
৭. যারা শরীরের ভাজ দেখে কিংবা অন্যদের কাছে উপস্থাপন করে মজা পান।
৮. যারা রাতের আধাঁরে নিজেদের নেশার রাজ্যে ডুবিয়ে রাখেন আর দিনে সাজেন সাধু বা সাধ্বী।
৯. যারা ইসলামকে কোরাণ ও সহীহ হাদিস অনুসারে না মেনে নিজের মতো মানতে চান।
১০. যারা মুক্ত সংস্কৃতির নামে কুরুচিপূর্ণ সংস্কৃতি উপহার দিচ্ছেন আমাদের আমাদের কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী আর প্রোঢ়-প্রোঢ়া সমাজকে।
১১. আর যারা রূপালী পর্দায় নায়ক-নায়িকা হতে না পেরে ইন্টারনেটকে বেছে নেন অ-ইসলামিকভাবে নিজেদের চেহারা বা শরীরের বিভিন্ন খাঁজ প্রদর্শনে। আর ‘ফেইসবুক’ হলো এর অনন্য উদাহরণ।

বর্তমানের রাজাকার কারা???
যারা দেশ ও জাতির সাথে বেঈমানী করেছে তারা নিঃসন্দেহে রাজাকার কিন্তু যারা ইসলামের সাথে সুকৌশলে বেঈমানী করছে, দেশের মানুষের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশকে উন্নয়নের পথে না নিয়ে পিছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে, ইসলামের সাথে অন্য ধর্মের বিরোধ তৈরী করছে, রাজাকার ও ইসলামের আধুনিকতা নিয়ে যারা প্রকৃত ইসলামকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছে তারা রাজাকারদের চেয়ে কি বেশী খারাপ নয়? তাদেরকে কি বলা উচিত??

তাহলে কি কেউ কোন রাজনৈকি দল সাপোর্ট করবে না?
স্বাধীন দেশের একজন নাগরিক হিসাবে কোন রাজনৈতিক দলকে সাপোর্ট করা কোন অন্যায় নয়। তবে প্রতিটি মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকে, দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। তাই কেউ আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট করে, কেউ বি.এন.পি. কে, কেউ জামাত ইসলামকে, কেউ জার্তীয় পার্টীকে আবার কেউ অন্যান্য দলকে আবার কেউ কোন দলকেই সাপোর্ট করে না। যখন কোন ভালো জিনিস একেবারেই না থাকে কিন্তু আমাকে কোন একটা বেছে নিতে হবে সে ক্ষেত্রে আমি কোনটা নিব? সে ক্ষেত্রে এভাবে চিন্তা করা যেতে পারে, ‘গু-র চেয়ে গোবর ভালো’।

আল্লামা দেলোয়ার হোসেইন সাঈদী কি রাজাকার!!!
মিডিয়া তো তিল কে তাল আর তালকে হাওয়ায় মিলিয়ে দিতে পারে। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলোঃ ফিলিস্তান-ইসরাইল। ইসরাইল জোর করে ফিলিস্তানীদের বের করে দিচ্ছে, হত্যা করছে আর ফিলিস্তানীরা প্রতিবাদ করলে হয়ে যাচ্ছে টেরোরিষ্ট। আল্লামা দেলোয়ার হোসেইন সাঈদী জামায়াত ইসলামে যোগ দিয়েছেন দেশ স্বাধীনের পর। তার এলাকায় তিনি প্রচুর জনপ্রিয়। এটা সাধারণ জ্ঞাণ যে তিনি কিন্তু আওয়ামী লীগ বা বি.এন.পি.র টিকেটে এম.পি. হননি। তিনি ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তায় জামাত ইসলাম থেকে এম.পি. হয়েছেন। তারপরেও তাঁকে কেন রাজাকার বলা হয়?

উত্তর খুব সহজ। তিনি কথা বলেন ইসলামের পক্ষে। যে যত কম ইসলাম অনুসরণ করে সঙ্গতঃ কারণেই তার কর্মকান্ড ইসলামের বিরুদ্ধে বেশী চলে যায়। আর দলের হিসাব করলে নিঃসন্দেহে কমিউনিস্ট পার্টীর পর আওয়ামী লীগই-ইসলামের সবচেয়ে বেশী বিরুদ্ধে। তাই নয় কি? ইসলামের পক্ষে বলার জন্য তো জনাব সাঈদীকে জেলে পাঠানো বাংলাদেশে সম্ভব নয়। আবার তাঁর মুখ বন্ধ করতে হবে নতুবা ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে ধরা পরে যাচ্ছে কারা ইসলাম বিরোধী। তাই সুকৌশলে মিডিয়ার প্রচারের মাধ্যমে তাকে ‘রাজাকার’ হিসাবে পরিচিত করাতে পারলে তাকে জেলে পাঠানো যাবে, ফাঁসি দেয়া যাবে আর সর্বোপরি তার মুখ থেকে ইসলামের বাণীকে স্তব্ধ করা যাবে চিরতরে।

কিন্তু ইসলামকে যারা স্তব্ধ করতে চায় তার/তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তবে এটাও সত্য যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এটাও দেখতে চান ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো ইসলামকে টিকিয়ে রাখতে কতটুকু কাজ করছে। কতটুকু ত্যাগ করছেন তার জান-মাল-সময়ের। উহুদের যুদ্ধে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাহে সাল্লামের দন্ত মুবারক শহীদ হয়েছে। তাঁর শরীর থেকে রক্ত ঝরেছে। তাঁকে নিজ জন্মভূমি ছাড়তে হয়েছে। হাজার হাজার সাহাবা প্রাণ দিয়েছেন। এই অগণিত কষ্ট আর প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা ইসলাম। সেই ইসলামকে টিকিয়ে রাখার জন্যও আমাদের ত্যাগের প্রয়োজন আছে বৈকি। ত্যাগ মানে এই নয় যে 'সুইসাইড স্কোয়াড' তৈরী করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করব। ত্যাগ মানে ইসলামকে সত্যিকারভাবে অনুসরণ করতে গেলে অনেক সাধ-আহ্লাদকে বাদ দিতে হবে। মানুষকে ভালবাসতে হবে। অন্যায় থেকে বিরত থাকতে হবে এবং অন্যকেও রাখতে হবে। প্রয়োজনে জীবন দিতে হবে; যদিও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সেই সময় এখনো প্রয়োজন হয়নি। যার যার সাধ্যমতো যদি এই ত্যাগ আমরা না করি তবে আমরা কি জবাব দিব রোজ হাশরের মাঠে???
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MostafizBabu
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
লন্ডন থেকে আফজাল লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৫:১০
আসসালামু আলাইকুম জনাব।
মুঠামুঠি সুন্দর যুক্তির মাধ্যমে আপনার প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। কথায় আছে "চুরে না শুনে ধর্মের কাহিনি---- নাকি এরকম কিছু"। তার পরেও আশা করি অনেক বিবেকবান পাঠকগন এই প্রবন্ধের সঠিক মুল্যায়ন করিবেন।আর প্রিন্স সাহেবের মত কিছু পাঠকদের হজম হবেনা, বমি করিবেন।
কিন্তু সরকার যাদের চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী সাজিয়েছে (বেয়াইকে বাদ দিয়ে), তাদের পক্ষে সাফাই গাওয়ায় আপনার উপর মামলা হামলার সম্ভাবনা আছে। ওয়াচ আউট
46487
আমেরিকা থেকে বিশ্বাস লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৩:০৩
আলহামদলিল্লাহ। খুব সুন্দর বিশ্লেষণ করেছেন। মুসলিম যদি ইসলামের প্রকৃত বিরোধিদের চিনতে ভুল করে তাহলে তাদের দুর্দশা ছাড়া আর কি হতে পারে।
আমরা আওয়ামিলীগের মত মুনাফিক দলকে নিজের বন্ধু ভেবে যদি মনে করি তবুও আমরা মুসলমান (নিজের চোখে ইসলামের বিরোধীতা করতে দেখেও এই দল থেকে সম্পর্ক ছিন্ন না করে বরং এদের সাথেই নিজের পরকাল জুড়ে দিচ্ছে যারা) তবে আল্লাহর আজাবের জন্য অপেক্ষা ছাড়া আর কি করার আছে?
আল্লাহ আমাদের এইসব মুর্খদের হাতা থেকে রক্ষা করুন, আমিন।
46699
Sydney, Australia থেকে Mehedi Al Razan লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৭:৩০
Aslkm, explanatory article with good title. But I have some different opinion. The reasons are:

Razakar: In simple word, who helps the Pakistani army in 1971 for not to give our right to our own country and language and also helps them for doing other non-human act like raping, killing women, Childs and civilians. And in my opinion they are the people who are Razakar. Besides, this title “Razakar” should not be used for other purpose because it has totally different view.

I agree of your one point here. We know in 1971, some people help them for saving our people (as you stated). Besides also they help your fighter people for destruction of Pakistani army. In my opinion they are not Razakar and also the people of that time they knew it and they are not so called Razakar.

So who are Razakar they have to be punished beyond any political party. And NO EXCUSE of it.

Where is Razakar: I agree that Razakar has in every political party. So it is not right to say Jamat Islami as a Razakar. But may be the people say it because the amir of Jamat Islami (Moulana Motur Rahman Nizami) was a Razakar and it is proven truth. And Because the root of them was Razakar and may be that is reason why the people says it (like the son of a thief also called thief), though it is not right. Anyway how many people of Jamat Islami are known as a Razakar, not many, isn’t it? So don’t worry. And In addition, the people (the knowledgable people) know who the Razakar are.

Are Awami League and BNP Razakar? Not true. Though may be they have some people (I don’t know) who were Razakar but that doesn’t mean that the whole party is Razakar. In my opinion, the people who were Razakar, doesn’t matter belonging any political party, have to be punished. NO EXCUSE.

In your article you have given very cheap example. Jamat Islami=Awami league=BNP= Razakar. It is like the example where Cow eats grass means peoples eat grass.

So what political party you should support? It is a very complex question now because every political party is worst now. But firstly if we follow Quran and Hadith, it is written that women’s power in political party is “HARAM”. Anyway we need to find out the better than worst people for voting. And I would like to include one more thing that some people may think that because the party people are corrupted so you won’t vote. But it is not right. We have to find out the right people and it is the obligation.

Jamat Islami: Though the amir was Razakar, but it doesn’t mean that their view is wrong. Though the overall view is not correct (as in your example) but most of them are correct. Besides, they are the people who talks about Islam and its rules and regulation and that are absolutely right and we should support it if we believe that we are Muslim. So may Allah give us toufiq and hidath so that we can choose the right people in right political party, Ameen.

If my opinion is wrong, please justify it and also forgive me. Nothing is personal.
46707
কানাডা থেকে মামুনুর রশিদ লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:২৩
আমেরিকা থেকে বিশ্বাস@২,

তারমানে যারা জামাতি পার্টি করে তারাই একমাত্র বেহেস্তে যাবে! আর অন্য সবাই কাফের!! ভাই, ধর্ম নিয়ে সস্তা ব্যবসা আর কত কাল চলবে??
46735
Sydney, Australia থেকে Mehedi Al Razan লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫৩
To Mamunur Rasid:

Who did say that only Jamat Party will go to Heaven? who have the knowledge that he/she can go to heaven, nobody. do you know even the shabi of Rasulluh (sa , they even didn't know whether they will go or not. so whatever you said not right. But the people who talks about Islam, they have the better chance to go Heaven, don't you think so? And the meaning of Kafer is very simple and explanatory . so before make any comment on kafer have a look the meaning first. besides, what did you say about Islam? Do you know the meaning of "Eman"; means belief. So in first stage you should belief then by having a look you can justify. Without having a look how can you justify. And i want to say that the religion and business can't go together. So you should justify in every aspect. sorry for any mistaken i have done. Nothing is personal
46760
কানাডা থেকে মামুনুর রশিদ লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৪৯
Sydney, Australia থেকে Mehedi Al Razan

১৯৭১ সালে পাকিসেনা/জামাতিরা ইসলামের কথা বলেছে!! সে বিবেচনায় তাদের বেহেস্তে যাওয়ার সম্ববনা সবচেয়ে বেশি!!!!!! ধন্যবাদ।
46787
এমেরিকা থেকে আবদুল হাই লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৫:৩৫
@৫/Mehedi Al Razan ..............কে,

ব্লগার@২ জনাব বিশ্বাসের মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন @৪মামুনুর রশিদ। কিন্তু মাঝখান দিয়ে আপনি হাস্যকর ভাবে ধর্মের সবক দিলেন জনাব মামুন সাহেবকে।

ব্লগার@২ জনাব বিশ্বাসের মত ধর্মের ধাপ্পাবাজ টাইপের লোকেরাই সবচেয়ে বেশি ধর্মের কথা বলে। উনি আওয়ামি লীগের সাথে মানুষে ইহকাল/পরকাল যুক্ত করে দোজখ, বেহেস্ত একাকার করেছেন। আবার টান পড়লে, এরাই ১৯৭১ এর মত নারী ধর্ষনকেও ইসলামের নামে হালাল করে।

জনাব Razan, আমি নিশ্চিত আপনি ওদেরই একজন।
46803
usa থেকে mostafizur rahman লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:০৭
This is the wonderful example and truth element. I am sporting this true opinion
46811
সিডনি,অস্ট্রলিয়া থেকে মেহেদি আল রাজন লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:৪৫
আবদুল হাই ভাইকে

আসসালামু আলাইকুম। ভাইজান ভালো আেছন? আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমি মন্তব্যে করেছিলাম কারন সে কিছু সস্তা কথা বলেছিল এবং আমি লক্ষ
46824
১০
সিডনি,অষ্ট্রেলিয়া থেকে মেহেদি আল রাজন লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:১৩
আবদুল হাই ভাইকে,

আসসালামু আলাইকুম। ভাইজান ভালো আেছন? আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আমি মন্তব্যে করেছিলাম কারন সে কিছু সস্তা কথা বলেছিল যেটা ঠিক না। কারন:
১। এটা কেও বলতে পারেনা যে কে কে বেহেস্তে যাবে।
২। "কাফের" শব্দটার অনেক গভির অথ আছে। এটা যেন তেন ভাবে ব্যবহার করা ঠিক না। আপনি হ্য়তবা জানেন কাউকে ঠিক ভাবে না জেনে কাফের বলা ঠিক না। আিম আসলে এটার জন্য মন্তব্য করেছিলাম এবং আমি লক্ষ্য করিনি যে এটা অন্য কারও জন্য। এবং আমি দু্ঃখিত সেজন্য।

এবার আসি আমাকে নিয়ে আপনার মন্তব্যের দিকে। আমার প্রথম মন্তব্যে আমি লিখেছিলাম যে, ১৯৭১ সালে যারাই পাকিস্তানি সেনাদের সাহায্য করেছে (ল্ুটতরাজ, ধষন,....) করেছে, তারাই রাজাকার এবং তাদের বিচার হওয়া জরুরি তা সে যে দলেরই হোক না কেন। আপনি বেধহয় আমার আগের মন্তব্যটি পড়েননি। আমি দু্ঃখিত সেজন্য। কিন্তু আপনার মন্তব্যটি তো ভাই ঠিক হয়নি। আপনি সমালোচনা করতে পারেন কিন্তু আপনি personal attack করতে পারেন না। আপনি কি জানেন এজন্য গঠনমুলক আলোচনা হয়না এবং যেটা কিনা আপনি করলেন। একটা প্রবন্ধ পড়ে আমরা গঠনমুলক আলোচনা সমালোচনা করতে পারি কিন্তু কেও কাউকে আঘাত করে নয়। আপনি একজন শিক্ষিত লোক, বাইরে থাকেন আশা করি আমার কথাগুলো বুঝবেন। ভালো থাকবেন।

শেষ কথা: কাউকে না যেনে, শুনে, বুঝে তাকে নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক না যদিওবা সে কিছু ভুল করে।
46825
১১
From - Doha Qatar থেকে শিহাব লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:৪৮
কানাডা (মামুন) ৪- কে...
ইসলামের কথা শুনলে আপনাদের শরীর রি..রি... করে উঠে । আপনাদের জন্য ভাল সেই কূখ্যাত ধর্মনিরপেহ্ম আদর্শ । কিন্তু প্রকৃত আদর্শ হওয়া উচিত ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনীতির জন্মদাতা ও রাষ্ট্রপতি প্রিয়নবী (সঃ)এর এবং তার অনুসারীদের । তবে মনে রাখবেন ইসলামকে যারা স্তব্ধ করতে চায় তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তবে এটাও সত্য যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এটাও দেখতে চান ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো ইসলামকে টিকিয়ে রাখতে কতটুকু কাজ করছে। কতটুকু ত্যাগ করছেন তার জান-মাল-এবং সময়। উহুদের যুদ্ধে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাহে সাল্লামের দন্ত মুবারক শহীদ হয়েছে। তাঁর শরীর থেকে রক্ত ঝরেছে। তাঁকে নিজ জন্মভূমি ছাড়তে হয়েছে। হাজার হাজার সাহাবা প্রাণ দিয়েছেন। এই অগণিত কষ্ট আর প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা ইসলাম। সেই ইসলামকে টিকিয়ে রাখার জন্যও আমাদের ত্যাগের প্রয়োজন আছে বৈকি। ত্যাগ মানে এই নয় যে 'সুইসাইড স্কোয়াড' তৈরী করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করব। ত্যাগ মানে ইসলামকে সত্যিকারভাবে অনুসরণ করতে গেলে অনেক সাধ-আহ্লাদকে বাদ দিতে হবে। মানুষকে ভালবাসতে হবে। অন্যায় থেকে বিরত থাকতে হবে এবং অন্যকেও রাখতে হবে। প্রয়োজনে জীবন দিতে হবে।
46826
১২
ঢাকা থেকে আস্তিক/নাস্তিক লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৪২
Doha Qatar থেকে শিহাব,

ধর্মের ঢাল তারওয়াল সবই আল্লাহ আপনার হাতে তুলে দিয়েছে। এখন এই ব্লগে বগবগ না করে আলকায়দা বাহিনীতে ঢুকে পড়েন। আপনার ভবিস্যত উজ্জল। কিতু সাবধান, আধুনিক সভ্য লোকের কাছ থেকে দুরে থাকেন। ধরা পড়লে ওরা আপনাকে অকালে বেহেস্তে পাঠিয়ে দিবে।
46832
১৩
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:৩৫
রাজাকার ও ইসলাম এবং রাজনৈতিক দল
মোস্তাফিজ বাবু কে ধন্যবাদ আশা করি বিভ্রান্তি দূর হবে এই কলমের মাধ্যেমে। রাজাকার, যুদ্ধঅপরাধি, আলবদর, আশসামশ, আরো অন্যআন্য বিষয় যেই গুলো আওয়ামীলিগ র্মাকেটে চালু করতে চাই, এই গুলোর মাধ্যেমে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাই, দ্বীতিয় বিশ্ব যুদ্ধর সময় এমেরিকা জাপানের দুই জায়গায় এটম বোমা মেরে লক্ষ লক্ষ জাপানি মানুষ কে হত্যা করেছে তাই বলে বর্তমানে জাপান এমেরিকার মাধ্যে পুরানো দ্বন্দ লেগে থাকে নাই বরং তারা এক অপরের প্রধান মিত্র।

কানাডা থেকে মামুনুর রশিদ কে র্ধম ব্যাবসার বড় দৃষ্টান্ত দেখুন নিচের ছবিতে।
http://sonarbangladesh.com/blog/sadi_ctg/11254
যারা ভোটের জন্য মাথায় হিজাব পড়ে মক্কা মদিনায় দৌড়া দৌড়ি করে, আর সংস্কৃতির জন্য গইয়াখাশিতে দৌড়া দৌড়ি করে তারাই হল নিতকৃষ্টতম ধর্ম ব্যাবসায়িক।
46947
১৪
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৩:৫২
১২
ঢাকা থেকে আস্তিক/নাস্তিক কে আলকায়দা বাহিনীকে আপনি সভ্য সমাজ থেকে দূরে বলতে চান ? আলকায়দার প্রতিষ্টাতা ড. আব্দুল্লাহ আজ্জাম আরবের প্রসিদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিল।
http://www.youtube.com/watch?v=v7d1eV1j-b8
বর্তমান যিনি প্রধান আছে বিন লাদেন ওনি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার যার ত্বত্তবধানে মক্কা শরীফের অনেক কাজ হয়েছে, আলকায়দার দ্বীতিয় স্থানে যিনি আছে ডা: আল জাওয়াহেরি ওনি এবং পরিবারের প্রায় সদস্য মিসরের বিশিষ্ট ডাকতার, আল কায়দার প্রায় সব সদস্য উচ্ছতর ডিগ্রীধারি ব্যক্তি, আপনার মত আস্তিক নাস্তিক কে দশ, বিশ বিছর শিক্ষা দিতে পারবে সেই রকম ব্যক্তিরা এই দলে আছে, তাই সব জঙ্গল কে বাঘ মুক্ত মনে করিয়েন না।
ইরাক আফগানিস্তানে যারা যুদ্ধ করতেছে তারা শত্রু থেকে নিজের দেশ কে মুক্ত করার জন্য লড়াই করতেছে, ওরা শুধু অকালে শহিদ হইতেছে না, আপনাদের নাস্তিক সৈন্যদের কেও অকালে জাহান্নামে পৌঁছাইয়ে দিতেছে।
http://www.youtube.com/watch?v=-QEUbbaFHKc&p=25CC133FA8A05385&index=26&playnext=20
46952
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
লেখক পরিচিতিঃ
নটর ডেম কলেজ, ঢাকা থেকে এইচ.এস.সি আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপণন-এ মাষ্টারস শেষ করে কিছুদিন ঢাকার একটি স্বনামধন্য প্রাইভেট কলেজে অধ্যাপনা দিয়ে ১৯৯৭ সালে কর্মজীবন শুরু। ২০০১-এ উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য অষ্ট্রেলিয়াতে আগমন এবং এম.আই.এস. ডিগ্রী অর্জন। তারপর থেকে এখানে থেকে যাওয়া। বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ার একটি য়্যুনিতে গবেষণাধর্মী পড়াশোনার সাথে যুক্ত। উদ্দেশ্য ও স্বপ্ন সেই সাথে যদি পি-এইচ.ডি. ডিগ্রীটা করা যায়। এরপরের স্বপ্ন স্থায়ীভাবে সোনার বাংলাদেশে ফিরে আসা এবং বাংলাদেশের অবহেলিত মানুষদের সাথে কাজ করে যাওয়া। 'প্রতিবাদী পথিক' ছদ্মনামেই লেখার জগতে তার আত্মপ্রকাশ।

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy