|
রাজাকার ও ইসলাম এবং রাজনৈতিক দল
মোস্তাফিজ বাবু |
|
রাজাকার কারা?
এক কথায় বলতে গেলে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা পাকিস্তান বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের ও দেশের লোকদের জান ও মাল-এর ক্ষতি করেছে তারাই রাজাকার। এই কারণ ছাড়াও আরো দু’টি কারণে অনেক লোক পাক-বাহিনীর সাথে এক হয়ে কাজ করেছে কিন্তু তারা দেশ ও দেশের লোকদের ক্ষতি চায়নি। তবে এরা কি চেয়েছে? এরা চেয়েছিলেন দু'টি জিনিসের যেন কোন একটি কিংবা উভয়টি। এই দু'টি জিনিসের কারণগুলো হলোঃ
প্রথম কারণঃ
এরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুরোপুরি চাননি। এরা চেয়েছে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে শোষণমুক্ত একটি স্বাধীন স্বায়ত্বশাসন। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবে দু’টি ভূ-খন্ড এক থাকবে। অর্থাৎ একটি দেশের দু’টি স্বাধীন ষ্টেট-এর মতো। যা আছে আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়াসহ পৃথিবীর বহু দেশে। আর এটার গুরুত্ব যে কত তা ‘ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন’ দেখলে বোঝা যায়। এরা বুঝতে পেরেছিল পরিপূর্ণ স্বাধীন হলে আমাদের শক্তি ক্ষয় হবে আর আমরা চলে যাব ভারতের আগ্রাসনে। এটা কার্যকরী হলে ভারতের পক্ষে বাংলাদেশকে শোষণ এত সহজ হতো না এবং বাংলাদেশে পানির হাহাকার থাকত না। আওয়ামী লীগ-এর জাতির পিতাও এই স্বায়ত্বশাসন চেয়েছিলেন; পরিপূর্ণ স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি। যদিও ২৫শে মার্চের পাক-বাহিনীর অতর্কিত বর্বরোচিত হামলায় এ চাওয়া থেকে অনেকেই সরে গিয়েছিল।
দ্বিতীয় কারণঃ
এরা অনেকেই দাড়ি রেখে, টুপী লাগিয়ে পাক-বাহিনীর সাথে মিল রেখে নিজ এলাকার মা-বোন আর যুবকদের রক্ষা করেছিলেন আর মুক্তিযোদ্ধাদের আড়াল করে রেখেছিলেন। জনাব হুমায়ুন আহমেদ ও জনাব জাফর ইকবাল-এর মা- জনাবা আয়শা ফয়েজ-এর লেখা বইটি পড়লে এ রকম একটি চরিত্রের চিত্র পাওয়া যায়। যে লোকটির চিত্র পাওয়া যায় উনি হলেন জনাব হুমায়ুন আহমেদ ও জনাব জাফর ইকবাল-এর শ্রদ্ধেয় নানাজান।
যারা ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য সত্যিকার রাজাকার হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের সাথে বেঈমানী করেছিল তাদের বিচার আমরা সবাই চাই। কিন্তু অন্য দু’টি কারণে যারা রাজাকার-এর ভূমিকায় অভিনয় করে দেশ ও জাতির কল্যাণ চেয়েছিল তাদেরকে কি রাজাকার বলা যুক্তিযুক্ত হবে? তাদেরও কি শাস্তি হওয়া উচিত??
রাজাকাররা আজ কোথায়??
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে সত্যিকার রাজাকাররা যার যার সুবিধামতো বিভিন্ন অবস্থানে অবস্থান নেয় এবং পরে সময়ের প্রয়োজনে কখনো মুখে দাড়ি রেখে বা কামিয়ে কিংবা মাথার টুপী খুলে বা সযতনে রেখে বিভিন্ন দলের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে। রাজাকার আছে বি.এন.পি-তে, রাজাকার আছে আওয়ামী লীগ-এ, রাজাকার আছে জামাত-এ, রাজাকার আছে জাতীয় পার্টিতে, রাজাকার আছে অন্যান্য দলেও। এর প্রমাণ মেলে বিভিন্ন তথ্য থেকে ইতিহাস জানলে ও বিশ্লেষণ করলে। আমাদের বড় সমস্যা এই যে বাংলাদেশী বাঙালীরা হুজুগের পিছনে দৌঁড়ায়; দলের প্রতি অন্ধ সাপোর্ট কিংবা ব্যক্তি স্বার্থ কিংবা জ্ঞানের অভাবে। এতে তারা বিভ্রান্তি হয়, অন্যকে বিভ্রান্তি করে এবং পরস্পরের ভিতর শত্রু তা তৈরী করে।
তবে মানুষ কেন জামাত ইসলামকে শুধু রাজাকার বলে!!??
বাংলাদেশের কোন দলই পরিপূর্ণ ভালো নয়। তবে কেউ কম ভালো আবার কেউ একটু বেশী ভালো। কিংবা অন্যভাবে বলা যায় কেউ কম খারাপ আবার কেউ প্রচন্ড খারাপ। জামাত ইসলাম খারাপ না ভালো দল সেটার প্রমাণ মেলে ক্ষমতার কারণে কখনো বি.এন.পি আবার কখনো আওয়ামী লীগ-এর সাথে সুন্দর সহাবস্থান দেখে। ইসলামে সুদ পরিপূর্ণভাবে ‘হারাম’ হবার পরেও এরা বি.এন.পি জোট সরকারের সাথে শিল্প ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের দ্বায়িত্ব নিয়ে সেই সুদ-যুক্ত ঋণই বিতরণ করেছেন। তখন তাদের মাথায় সুদ-মুক্ত ইসলামী ঋণের চিন্তা ছিল না। আবার সংসদে যখন লাল পাসপোর্ট আর শুল্কমুক্ত গাড়ীর জন্য বিল আনে তখন এরা কিন্তু অন্যান্য সবার মতো এর পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। উল্লেখ্য এর বিপক্ষে একটি ভোটও পরেনি। একটি ইসলামী দল হিসেবে এদের প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। কিন্তু এরা প্রতিবাদ তো করেনইনি বরং ফতোয়া দিয়েছেন এগুলো ব্যবহার হবে ইসলাম প্রচার আর দাওয়াতের কাজে। এটা সবার জানা যে আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাহে ওয়াসাল্লাম এর জীবন যাপন কত সাধারণ ছিল।
তারপরেও বড় দলগুলোর মধ্যে একমাত্র জামাতই প্রকাশ্যভাবে নামাজের কথা বলে, ধর্মের কথা বলে। দেশে নিদেনপক্ষে নামাজ ও ধর্ম প্রতিষ্ঠা হলে সঙ্গতঃ কারণেই দাদাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো থাকলেও মাখামাখি থাকবে না। সেই সাথে আমরা অবাধ সংস্কৃতির নামে মুসলমান হয়ে মাথায় সিঁদুর পরতে পারব না, মুখে উলুধ্বনি দিতে পারব না, পর্দা ছাড়া নারীরা বাইরে বেরুতে পারবে না, হরতাল চলাকালে মেয়েদের রাস্তায় গড়াগড়ি দেয়া যাবে না কিংবা বুকের কাপড় ফেলা যাবে না, নামাজের সময়গুলিতে কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না, মেয়েদের পণ্য বানানো যাবে না, শরীরের ভাজগুলো প্রদর্শন করা যাবে না ইত্যাদি। তাই মূলতঃ যারা ইসলামিক এই বিষয়গুলো মেনে নিতে চায় না তারাই জামায়াত ইসলামকে সামনে রেখে পক্ষান্তরে ‘ইসলাম নিধন’ চালাচ্ছে। ‘রাজাকার’ শব্দটা ব্যবহার করছে মূলতঃ ইসলাম নিধনে; জামাত ইসলাম নামক দলটি নিধনে নয়।
আওয়ামী লীগ ও বি.এন.পি কি রাজাকার নয়????
যদি শুধু জামাত ইসলামী ‘রাজাকার’ হয় তবে ১৯৯০ সালে বি.এন.পি. জামাতের সাথে হাত মিলিয়েছিল সুতরাং বি.এন.পি. রাজাকার। আবার ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ জামাতের সাথে হাত মিলিয়েছিল সূতরাং আওয়ামী লীগ রাজাকার। সুতরাং সূত্রটা দাঁড়ায়ঃ
রাজাকার = জামাত ইসলামী
জামাত ইসলামী = বি.এন.পি; সুতরাং বি.এন.পি = রাজাকার
জামাত ইসলামী = আওয়ামী লীগ; সুতরাং আওয়ামী লীগ = রাজাকার
সেই অর্থে মূলতঃ রাজাকার হলো
আওয়ামী লীগ = জামাত ইসলামী = বি.এন.পি
তবে সবচেয়ে বড় সত্যিটা হলো সব দলেই কিছু রাজাকার আছে। তাই কোন দলকে এককভাবে রাজাকার বলা যুক্তিযুক্ত নয়। যে মুসলিম লোকগুলো পবিত্র কোর'আন ও সহীহ হাদিসের আলোকে না মেনে ধর্মকে নিজের মতো করে মানতে চাচ্ছে; তারাই দাড়ি-টুপিওয়ালা সত্যিকার ইসলামমনা লোকগুলোকে ঢালাওভাবে একটি দলের প্রমাণ করে রাজাকার বলছে। প্রশ্ন হলো কেন তারা বলছে?
উত্তর একটাই - যারা ইসলামের কারণে নিজেদের ভোগ-বিলাস-নেতৃত্ব আর ক্ষমতা হারাতে চায় না।
এরা কারা??
যাদের ভিতর নীচের কোন একটি বা একাধিক বৈশিষ্ট্য পাবেন তারাই হলেন সেই দলেরঃ
১. যারা ধর্ম পরিবর্তন না করে বিয়ে করেন।
২. যারা মেয়ের বান্ধবী, বন্ধুর বৌ, মেয়ে কলিগ, পুরানো প্রেমিকাদের কাছে পেতে চান।
৩. যারা অবৈধ টাকায় গাড়ী, বাড়ী, ঘর তৈরী করেন।
৪. যারা সুদের ব্যবসায় বড় বড় দামী লোক হোন।
৫. যারা পুরুষ-নারীর অবাধ মেলামেশা, লিভিং টুগেদার ও অবাধ-এ বিশ্বাসী।
৬. যারা স্ত্রী-কন্যাদের পণ্য বানিয়ে রাস্তায় নামাতে পছন্দ করেন।
৭. যারা শরীরের ভাজ দেখে কিংবা অন্যদের কাছে উপস্থাপন করে মজা পান।
৮. যারা রাতের আধাঁরে নিজেদের নেশার রাজ্যে ডুবিয়ে রাখেন আর দিনে সাজেন সাধু বা সাধ্বী।
৯. যারা ইসলামকে কোরাণ ও সহীহ হাদিস অনুসারে না মেনে নিজের মতো মানতে চান।
১০. যারা মুক্ত সংস্কৃতির নামে কুরুচিপূর্ণ সংস্কৃতি উপহার দিচ্ছেন আমাদের আমাদের কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতী আর প্রোঢ়-প্রোঢ়া সমাজকে।
১১. আর যারা রূপালী পর্দায় নায়ক-নায়িকা হতে না পেরে ইন্টারনেটকে বেছে নেন অ-ইসলামিকভাবে নিজেদের চেহারা বা শরীরের বিভিন্ন খাঁজ প্রদর্শনে। আর ‘ফেইসবুক’ হলো এর অনন্য উদাহরণ।
বর্তমানের রাজাকার কারা???
যারা দেশ ও জাতির সাথে বেঈমানী করেছে তারা নিঃসন্দেহে রাজাকার কিন্তু যারা ইসলামের সাথে সুকৌশলে বেঈমানী করছে, দেশের মানুষের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশকে উন্নয়নের পথে না নিয়ে পিছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে, ইসলামের সাথে অন্য ধর্মের বিরোধ তৈরী করছে, রাজাকার ও ইসলামের আধুনিকতা নিয়ে যারা প্রকৃত ইসলামকে দূরে সরানোর চেষ্টা করছে তারা রাজাকারদের চেয়ে কি বেশী খারাপ নয়? তাদেরকে কি বলা উচিত??
তাহলে কি কেউ কোন রাজনৈকি দল সাপোর্ট করবে না?
স্বাধীন দেশের একজন নাগরিক হিসাবে কোন রাজনৈতিক দলকে সাপোর্ট করা কোন অন্যায় নয়। তবে প্রতিটি মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকে, দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। তাই কেউ আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট করে, কেউ বি.এন.পি. কে, কেউ জামাত ইসলামকে, কেউ জার্তীয় পার্টীকে আবার কেউ অন্যান্য দলকে আবার কেউ কোন দলকেই সাপোর্ট করে না। যখন কোন ভালো জিনিস একেবারেই না থাকে কিন্তু আমাকে কোন একটা বেছে নিতে হবে সে ক্ষেত্রে আমি কোনটা নিব? সে ক্ষেত্রে এভাবে চিন্তা করা যেতে পারে, ‘গু-র চেয়ে গোবর ভালো’।
আল্লামা দেলোয়ার হোসেইন সাঈদী কি রাজাকার!!!
মিডিয়া তো তিল কে তাল আর তালকে হাওয়ায় মিলিয়ে দিতে পারে। যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলোঃ ফিলিস্তান-ইসরাইল। ইসরাইল জোর করে ফিলিস্তানীদের বের করে দিচ্ছে, হত্যা করছে আর ফিলিস্তানীরা প্রতিবাদ করলে হয়ে যাচ্ছে টেরোরিষ্ট। আল্লামা দেলোয়ার হোসেইন সাঈদী জামায়াত ইসলামে যোগ দিয়েছেন দেশ স্বাধীনের পর। তার এলাকায় তিনি প্রচুর জনপ্রিয়। এটা সাধারণ জ্ঞাণ যে তিনি কিন্তু আওয়ামী লীগ বা বি.এন.পি.র টিকেটে এম.পি. হননি। তিনি ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তায় জামাত ইসলাম থেকে এম.পি. হয়েছেন। তারপরেও তাঁকে কেন রাজাকার বলা হয়?
উত্তর খুব সহজ। তিনি কথা বলেন ইসলামের পক্ষে। যে যত কম ইসলাম অনুসরণ করে সঙ্গতঃ কারণেই তার কর্মকান্ড ইসলামের বিরুদ্ধে বেশী চলে যায়। আর দলের হিসাব করলে নিঃসন্দেহে কমিউনিস্ট পার্টীর পর আওয়ামী লীগই-ইসলামের সবচেয়ে বেশী বিরুদ্ধে। তাই নয় কি? ইসলামের পক্ষে বলার জন্য তো জনাব সাঈদীকে জেলে পাঠানো বাংলাদেশে সম্ভব নয়। আবার তাঁর মুখ বন্ধ করতে হবে নতুবা ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে ধরা পরে যাচ্ছে কারা ইসলাম বিরোধী। তাই সুকৌশলে মিডিয়ার প্রচারের মাধ্যমে তাকে ‘রাজাকার’ হিসাবে পরিচিত করাতে পারলে তাকে জেলে পাঠানো যাবে, ফাঁসি দেয়া যাবে আর সর্বোপরি তার মুখ থেকে ইসলামের বাণীকে স্তব্ধ করা যাবে চিরতরে।
কিন্তু ইসলামকে যারা স্তব্ধ করতে চায় তার/তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তবে এটাও সত্য যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এটাও দেখতে চান ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো ইসলামকে টিকিয়ে রাখতে কতটুকু কাজ করছে। কতটুকু ত্যাগ করছেন তার জান-মাল-সময়ের। উহুদের যুদ্ধে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লেল্লাহু আলাহে সাল্লামের দন্ত মুবারক শহীদ হয়েছে। তাঁর শরীর থেকে রক্ত ঝরেছে। তাঁকে নিজ জন্মভূমি ছাড়তে হয়েছে। হাজার হাজার সাহাবা প্রাণ দিয়েছেন। এই অগণিত কষ্ট আর প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা ইসলাম। সেই ইসলামকে টিকিয়ে রাখার জন্যও আমাদের ত্যাগের প্রয়োজন আছে বৈকি। ত্যাগ মানে এই নয় যে 'সুইসাইড স্কোয়াড' তৈরী করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করব। ত্যাগ মানে ইসলামকে সত্যিকারভাবে অনুসরণ করতে গেলে অনেক সাধ-আহ্লাদকে বাদ দিতে হবে। মানুষকে ভালবাসতে হবে। অন্যায় থেকে বিরত থাকতে হবে এবং অন্যকেও রাখতে হবে। প্রয়োজনে জীবন দিতে হবে; যদিও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সেই সময় এখনো প্রয়োজন হয়নি। যার যার সাধ্যমতো যদি এই ত্যাগ আমরা না করি তবে আমরা কি জবাব দিব রোজ হাশরের মাঠে??? |
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/MostafizBabu |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
| লেখক পরিচিতি |
| |
|
| |
লেখক পরিচিতিঃ
নটর ডেম কলেজ, ঢাকা থেকে এইচ.এস.সি আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপণন-এ মাষ্টারস শেষ করে কিছুদিন ঢাকার একটি স্বনামধন্য প্রাইভেট কলেজে অধ্যাপনা দিয়ে ১৯৯৭ সালে কর্মজীবন শুরু। ২০০১-এ উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য অষ্ট্রেলিয়াতে আগমন এবং এম.আই.এস. ডিগ্রী অর্জন। তারপর থেকে এখানে থেকে যাওয়া। বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ার একটি য়্যুনিতে গবেষণাধর্মী পড়াশোনার সাথে যুক্ত। উদ্দেশ্য ও স্বপ্ন সেই সাথে যদি পি-এইচ.ডি. ডিগ্রীটা করা যায়। এরপরের স্বপ্ন স্থায়ীভাবে সোনার বাংলাদেশে ফিরে আসা এবং বাংলাদেশের অবহেলিত মানুষদের সাথে কাজ করে যাওয়া। 'প্রতিবাদী পথিক' ছদ্মনামেই লেখার জগতে তার আত্মপ্রকাশ।
|
|
মুঠামুঠি সুন্দর যুক্তির মাধ্যমে আপনার প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। কথায় আছে "চুরে না শুনে ধর্মের কাহিনি---- নাকি এরকম কিছু"। তার পরেও আশা করি অনেক বিবেকবান পাঠকগন এই প্রবন্ধের সঠিক মুল্যায়ন করিবেন।আর প্রিন্স সাহেবের মত কিছু পাঠকদের হজম হবেনা, বমি করিবেন।
কিন্তু সরকার যাদের চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী সাজিয়েছে (বেয়াইকে বাদ দিয়ে), তাদের পক্ষে সাফাই গাওয়ায় আপনার উপর মামলা হামলার সম্ভাবনা আছে। ওয়াচ আউট