মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:১৪ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতির অবসান চাই (০৩/০৫/২০১২)
তাঁকেই সব বিষয়ে কথা বলতে হবে কেন? (২৫/০৪/২০১২)
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন ও নির্দল ছাত্রছাত্রীরা (০১/০৪/২০১২)
জনসভার সম্প্রচারে বাধা ও র‌্যাবের আপত্তি নিয়ে কথা (১৯/০৩/২০১২)
‘খুনিরা নয়, কাঠগড়ায় গণমাধ্যম’ (০৫/০৩/২০১২)
অমর একুশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাদুঘর ও লাইব্রেরি (২২/০২/২০১২)
‘মানি না’ সংস্কৃতি থেকে বিএনপিকে বেরোতে হবে (১৯/০২/২০১২)
মিডিয়া ভাবনা টিভিতে বিশেষজ্ঞদের প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান (০২/০২/২০১২)
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কিছু চিন্তা (২১/০১/২০১২)
সংবাদপত্রের প্রথম সংস্করণ ও টিভির টক শো (২৮/১২/২০১১)
রদবদলের প্রক্রিয়া কতটা গণতান্ত্রিক? (০৯/১২/২০১১)
সার্ক মিডিয়া দিবস ও আঞ্চলিক সম্মেলন (০২/১২/২০১১)
ভাগ নয়, সংস্কার জরুরি (২৫/১১/২০১১)
ভোটের রাজনীতিতে আইভী মডেল (১৪/১১/২০১১)
যুবশক্তিই হোক তৃতীয় শক্তি (০১/১১/২০১১)
এবার চাই দুজন প্রধানমন্ত্রী! (২০/১০/২০১১)
সংবাদপত্রে মিথ্যাচার: প্রতিকার কী (১৪/১০/২০১১)
মূল জায়গায় হাত দিতে হবে (১১/০৯/২০১১)
একটি জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তাব (২৫/০৮/২০১১)
এভাবে আর চলতে পারে না (১৭/০৮/২০১১)
দলীয়করণের কবলে রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম (১৯/০৭/২০১১)
মিডিয়া নিয়ে মতামত জরিপ (১৪/০৬/২০১১)
প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে হবে (২০/০৫/২০১১)
প্রেস কাউন্সিলের এই রায় যথেষ্ট নয় (২৫/০৪/২০১১)
বাণিজ্যমন্ত্রী ১০০ ভাগ অসত্য বলেননি (১৪/০৪/২০১১)
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় দিবস (০১/০৪/২০১১)
মিডিয়ায় ভুল তথ্যের প্রচার থামাতে হবে (১৪/০৩/২০১১)
ব্যবসায়ী, রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ (০৪/০৩/২০১১)
বিশ্বকাপের উদ্বোধন : কিছু পর্যবেক্ষণ (২৩/০২/২০১১)
প্রেস কাউন্সিলকে কার্যকর করতে হবে (১৩/০২/২০১১)
আগের লেখা
247


দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতির অবসান চাই

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে এখন সাধারণ মানুষ খুবই উদ্বিগ্ন। বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলীর অপহরণ, তাঁকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে পর পর হরতাল, হরতাল উপলক্ষে নানা ধরনের সন্ত্রাস, বিভিন্ন স্থানে অপঘাতে কয়েকজন নিরপরাধ মানুষের মৃত্যু ইত্যাদি ঘটনায় বর্তমান রাজনীতি মানুষকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।

বিএনপি আহূত টানা হরতালে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন আয়-রোজগার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সমগ্র দেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সামনে আরও কী সংকট অপেক্ষা করছে, তা ভেবে সাধারণ মানুষ আরও উত্কণ্ঠিত।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির এই যে একটা রূপরেখা কয়েকটি বাক্যে তুলে ধরা হলো, তা কি খুবই নতুন ঘটনা? নতুন কোনো চিত্র? ইলিয়াস আলীর মতো আরও অনেক নেতা ও ব্যবসায়ী অতীতে গুম হয়েছেন। হয়তো তাঁদের ফিরে পাওয়ার দাবিতে টানা এত দিন হরতাল হয়নি। কিন্তু অন্য নানা উপলক্ষে কি বাংলাদেশে টানা হরতাল হয়নি? বাস পোড়ানো হয়নি? বাসের মধ্যে পুড়ে মানুষ মারা যায়নি? কোন কাজটা এখন নতুন হচ্ছে, পাঠক কি চিহ্নিত করতে পারবেন?

একটাও নতুন ঘটনা নয়। বাংলাদেশের রাজনীতি ১৯৯১ সাল থেকে একই বৃত্তে আবর্তিত হচ্ছে। সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলে দীর্ঘদিন ধরে একই ভাষায় এই অপরাজনীতির সমালোচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরেকজন ইলিয়াস আলী যদি গুম হন, তাহলে মিডিয়া প্রায় একই ভাষায় সমালোচনা করবে।

তাহলে কী দাঁড়াচ্ছে? আমরা কুড়ি বছর ধরে গণতান্ত্রিক রাজনীতির নামে একধরনের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি করে যাচ্ছি। পাঁচ বছর পর পর সংসদ নির্বাচন করে আমরা গণতন্ত্রের পতাকা ওড়াই। সরকার পরিবর্তন করি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। আমাদের রাজনীতির বাকি সব কাজ দুর্বৃত্তায়নের নীলনকশায় পরিচালিত। তারই ফল রাজনৈতিক নেতা বা ব্যবসায়ী গুম হয়ে যাওয়া, দিনের পর দিন হরতাল হওয়া, বাস পোড়ানো, গাড়ি ভাঙা, বোমা ফাটানো—আরও কত কী! সবই ধ্বংসাত্মক কাজ, কিন্তু গণতন্ত্রের নামে, রাজনীতির নামে।

কিছুদিন পর পরই এসব ঘটনা ঘটে। এ ধরনের ঘটনা ঘটার পর অনেকে খুবই বিস্ময় ও ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘এভাবে চলা যায় না।’ যাঁরা বিস্ময় বা ক্ষোভ প্রকাশ করেন, তাঁদের কি ধারণা, বর্তমান মেইনস্ট্রিম রাজনীতিতে (বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াত) অন্য রকম কিছু হওয়ার কথা? এই দলগুলো কি গণতান্ত্রিক আদর্শ দ্বারা পরিচালিত? এই দলগুলোর ভেতরে কি গণতন্ত্রের চর্চা আছে? এই দলগুলো কি সুস্থ, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী? তাদের দল কীভাবে চলে? তাদের দলের নেতা-নেত্রীরা কীভাবে দলনেতা হয়েছেন? প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন? প্রধানমন্ত্রীরা কাদের মন্ত্রী বানান? কী যোগ্যতায় তাঁরা মন্ত্রী হন? কারা মন্ত্রী হতে পারেন না? প্রশাসনকে তাঁরা কীভাবে পরিচালনা করছেন?

এসব প্রশ্নের উত্তর পাঠক যদি খুঁজে পান, তাহলে বুঝতে পারবেন আমাদের প্রধান দলগুলো কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সন্ত্রাস ও দুর্বৃত্তায়নই এসব দলের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ক্ষমতায় থাকার সময় এবং ক্ষমতার বাইরে থাকার সময়েও প্রধান দলগুলো দুর্বৃত্তায়ন ও সন্ত্রাসের ওপরই নির্ভরশীল।

কাজেই হঠাৎইলিয়াস আলী ইস্যু, টানা হরতাল, গাড়ি ভাঙচুর, বুয়েট ও জাহাঙ্গীরনগরে অচলাবস্থার কারণে আমাদের রাজনীতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, বিষয়টা তা নয়। এগুলোই আমাদের রাজনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই সত্য বিস্মৃত হওয়া উচিত হবে না।

পাঠকদের মধ্যে যদি কেউ আশা করেন যে ইলিয়াস আলী ইস্যুটা এত জটিল হওয়া উচিত হয়নি বা টানা হরতাল দেওয়া উচিত হয়নি বা জাহাঙ্গীরনগরে শিক্ষকদের ভিসির বিরুদ্ধে এ রকম আন্দোলন করা উচিত হয়নি, তাঁরা পরিস্থিতির সাময়িক ‘রোগমুক্তির’ বিষয়েই শুধু আগ্রহী। রাজনীতির আসল রোগ সম্পর্কে তাঁরা মাথা ঘামাচ্ছেন না। আমাদের মেইনস্ট্রিম রাজনীতি আসলে জটিল রোগে আক্রান্ত। এর চিকিত্সা খুব সহজ নয়।

ইলিয়াস আলীকে আজ না হোক কাল হয়তো পাওয়া যাবে (আমরা আশাবাদী), কিন্তু আমাদের রাজনীতিতে নেতা বা ব্যবসায়ীকে গুম করে ফেলার যে প্রবণতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা দূর হবে কি না বা কবে দূর হবে, তা কে বলতে পারেন? এ ব্যাপারে আমরা সাধারণ মানুষ কি কিছু করছি? আমরা কি রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারছি? আমরা কি তাদের গণতান্ত্রিক পথে চলতে প্রভাবিত করতে পারছি?

বাস্তব সত্য হলো, তা আমরা পারিনি। এমনকি এ ব্যাপারে খুব চেষ্টাও করা হয়নি। বরং একটা উল্টো ঘটনা ঘটেছে এবং তা ঘটাচ্ছি আমরা, সাধারণ মানুষই। তা হলো, এত দুর্বৃত্তায়ন ও সন্ত্রাসী রাজনীতি সত্ত্বেও আমরা সাধারণ মানুষ পাঁচ বছর অন্তর তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করছি। বড় দুই দল কিন্তু সন্ত্রাসী পদ্ধতিতে কখনো ক্ষমতায় যায়নি। তারা জনগণের ভোট পেয়ে ক্ষমতায় গেছে। কাজেই বড় দুই দলের মধ্যে যদি এমন ধারণা জন্মে, জনগণ তাদের দুর্বৃত্তায়ন, সন্ত্রাস, টেন্ডার-বাণিজ্য, দলীয়করণ, পরিবারতন্ত্র, দলের ভেতরে একনায়কত্ব ইত্যাদি উপসর্গ ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন করেছে, তাহলে বড় দুই দলকে কি দোষ দেওয়া যাবে?

কাজেই বাংলাদেশের রাজনীতিকে গণতান্ত্রিক ও পরিচ্ছন্ন করতে হলে সাধারণ মানুষকে সক্রিয় হতে হবে। সাধারণ মানুষ যদি পাঁচ বছর অন্তর পালা করে দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতিকেই ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনে; তাহলে সারা বছর গুম, হত্যা, সন্ত্রাস, হরতাল, দলীয়করণ, পরিবারতন্ত্র, একনায়কত্ব, সংসদ বর্জন ইত্যাদি নিয়ে হা-হুতাশ করে লাভ হবে কি? জনগণ তো ভোট দিয়ে তাদের অপকর্মকে অনুমোদন দিচ্ছে। যারা সুস্থ রাজনীতি করে, গণতান্ত্রিক রাজনীতি করে, জনগণ তো তাদের ভোট দেয় না। ভোট দেয় যারা দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি করে, তাদের।

এখন জনগণকে স্থির করতে হবে, তারা কী রকম দেশ চায়, কী রকম রাজনীতি চায়। সবই কিন্তু জনগণের হাতে। দেশে এখন সামরিক শাসন চলছে না। কোনো শক্তি বন্দুকের জোরে দেশ শাসন করছে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত দল বা জোট দেশ শাসন করছে।
আমাদের জনগণ দেশে ইতিবাচক বহু ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি ও সন্ত্রাসের রাজনীতিকে তারাই প্রতিষ্ঠিত করেছে ভোটের মাধ্যমে। কাজেই ইলিয়াস আলী গুম, টানা হরতাল, হরতালকে কেন্দ্র করে নানা রকম সন্ত্রাস ইত্যাদি নিয়ে জনগণ এখন হা-হুতাশ করলে খুব লাভ হবে না। কারণ, যে রাজনীতিকে তারা সমর্থন দিয়েছে, তাদের হাতে এ রকম ঘটনাই তো ঘটবে। বাগানে গাঁদা ফুলের গাছ লাগিয়ে গোলাপ ফুলের সৌরভ আশা করা জনগণের উচিত হবে না। জনগণকে গাঁদা ফুলের গন্ধই মেনে নিতে হবে। জনগণ যে রকম নেতৃত্ব নির্বাচন করেছে, সেই নেতৃত্বের কাছে জনগণকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। অন্তত পাঁচ বছরের জন্য সেই নেতৃত্বের কাছে জনগণ জিম্মি। এটাও আমাদের গণতন্ত্রের একটা বড় দুর্বলতা।

আমাদের সাধারণ মানুষ, নাগরিক সমাজ, মিডিয়া—সবাইকে বিষয়টা ভাবার জন্য অনুরোধ করি। আমরা হঠাৎএকজন ইলিয়াস আলী নিয়ে উদ্বিগ্ন হব, হঠাৎটানা হরতাল নিয়ে উদ্বিগ্ন হব, নাকি দুর্বৃত্তায়নের সামগ্রিক রাজনীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হব?

কোনো পাঠক কি বলতে পারবেন, ইলিয়াস আলীকে পাওয়া গেলে আর কোনো নেতা বা ব্যবসায়ী কখনো গুম হবেন না? দেশে আর কোনো দিন টানা তিন ও চার দিনের হরতাল হবে না? হরতালকে কেন্দ্র করে বাস বা গাড়ি পোড়ানো হবে না? কেউ আগুনে পুড়ে মারা যাবে না?
যদি পাঠকের উত্তর হয় ‘না, এই নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না’, তাহলে আমরা সাময়িক ব্যথা উপশমের জন্য টিভিতে এত গলা ফাটাচ্ছি কেন? এত লেখালেখি করছি কেন? সাময়িক ব্যথা উপশম গুরুত্বপূর্ণ, সন্দেহ নেই। ইলিয়াস আলীকে খুঁজে পেতে হবে। হরতালও বন্ধ করতে হবে। কিন্তু পাশাপাশি সবাইকে ভাবতে হবে, আমাদের রাজনীতিকে কীভাবে দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করা যায়। কীভাবে সন্ত্রাসমুক্ত করা যায়। কীভাবে পরিবারতন্ত্র থেকে মুক্ত করা যায়। কীভাবে দলীয় একনায়কত্ব থেকে মুক্ত করা যায়।

এই পথের সন্ধান যদি আমরা করতে না পারি, তাহলে কিছুদিন পর পরই ইলিয়াস আলীর মতো ইস্যু, হরতাল, সন্ত্রাস, গাড়ি-বাস পোড়ানো, দলীয়করণ, পরিবারতন্ত্র, সংসদ বর্জনসহ নানা অপরাজনীতি দ্বারা আমরা আক্রান্ত হতে থাকব।

আমাদের দেশ কি এই অপরাজনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে? কখনো কি আমরা প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও সুস্থ রাজনীতির স্বাদ গ্রহণ করতে পারব না?
প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও সুস্থ রাজনীতির জন্য আমাদের একটা পথ খুঁজে বের করতেই হবে।

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী।
[সূত্রঃ প্রথম আলো, ০৩/০৫/১২]
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MuhammadJahangir
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
বাংলাবাজার, ঢাকা থেকে নাঈম লিখেছেন, ০৩ মে ২০১২; বিকেল ০৪:২১
First They Came - Pastor Martin Niemoller

First they came for the Communists
And I did not speak out
Because I was not a Communist
Then they came for the Socialists
And I did not speak out
Because I was not a Socialist
Then they came for the trade unionists
And I did not speak out
Because I was not a trade unionist
Then they came for the Jews
And I did not speak out
Because I was not a Jew
Then they came for me
And there was no one left
To speak out for me

(প্রথমে ওরা ইহুদীদের ধরতে এলো, আমি কোনো কথা বলিনি; কারণ আমি ইহুদী ছিলাম না।
এরপর তারা এলো কমিউনিস্টদের ধরতে, তখনও আমি কথা বলিনি; কারণ আমি কমিউনিস্ট ছিলাম না।
অতপর তারা শ্রমিক ইউনিয়নের লোকদের ধরতে এলো, তবুও আমি কিছু বলিনি; কারণ আমি শ্রমিক ইউনিয়নের কেউ ছিলাম না।
এরপর যখন তারা আমাকে ধরতে এলো, তখন আমার পক্ষে কথা বলার জন্য কেউ আর অবশিষ্ট ছিল না।)
83733
'সমগ্র বাংলাদেশ' থেকে আমজনতা লিখেছেন, ০৩ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:১১
''ইলিয়াস আলীর মতো আরও অনেক নেতা ও ব্যবসায়ী অতীতে গুম হয়েছেন। হয়তো তাঁদের ফিরে পাওয়ার দাবিতে টানা এত দিন হরতাল হয়নি।'' -
ধরা যাক ড.ইউনূস গুম হয়েছেন, প্রতিক্রিয়া টা কেমন হবে, সেইটা কি আপনাকে 'বইলা' দিতে হবে? আপনার মতো দুই তরীতে দুই পা দিয়া থাকা সুবিধাবাদীরা জনগন কে যত কম 'ছবক' দিবেন, দেশের জন্য ততই মঙ্গল।
83742
ডিটিনি, লন্ডন থেকে আবুল কালাম আজাদ রুবেল লিখেছেন, ০৩ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৩৪
আপনাকে যে কি বলে ধন্যবাদ জনাবো সেই ভাষা আমার জানা নেই। তবে এটুকু বলতে পারি এরকম মনের মানুষের অধিকারী যার মনে মনণে একই ধরনের বাসনা আছে এরকম মানুষই আমরা চাই। কিন্তু আমাদের সমাজের মানুষ অন্তরে বিষ ও বাহিরে মধু মাখা কথা বলে । আমি যদি কোন রাজনীতি সম্পর্কে লেখা পড়ে খুশি হয়ে থাকি । এইটাই আমার জীবনে প্রথম জানিনা শেষটা কেমন হয়। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
83749
শাইখের চর থেকে 'র'' মুন্সী১২° লিখেছেন, ০৩ মে ২০১২; রাত ০৯:০৫
পাঠকবৃন্দ কে আপনি কি দেখাতে চান ?
আর যাই দেখাতে চান ,ভাববেন না সবাই আপনাদের মত নির্লজ্জ ও এক চোখা ।
83753
USA থেকে Afzal khan লিখেছেন, ০৪ মে ২০১২; রাত ০৪:০৪
Dear writer,
With due respect, I do support your article. I am producing the obstacles related to your article in my comment.
এখন জনগণকে স্থির করতে হবে, তারা কী রকম দেশ চায়, কী রকম রাজনীতি চায়। সবই কিন্তু জনগণের হাতে।---- For your kind attention, the slogan "We the People or By the people or For the people" sounds great and gives super energy to sacrifice, but in reality very few people decides every thing not by "We the people"? If we can not help the people, let us not deceive the people any more in the name of we the people? I think time has come to rescue the slogan "We the people" from those, those who are (very few people) using for their own purpose. Time has come to show our honesty and sincerity. We have to die one day and we have to answer for our own corrupt thinking in the day of judgement. To be honest with you, in our ruling power, members do not decide, PM decides every thing even there a big disagreement? In the parliament, party of the majority decides every thing? If there is a disagreement in the party of majority, decision of PM is final? In the opposition , final decision also comes from high command. My dear where you see the role of "We the people"? After watching all kind of abuse on, "We the people" by very few people, still if you think we the people has the power to change then you have thinking problem? If you think our political parties are working for We the people , then you are kidding? If you think our leaders are free from outside influence then your result will be superficial? If you think our ruler cares about our national interest then you have vision problem? Bottom line is, majority people are busy for their survival. So who decides? Ruler, Elites, bankers, business syndicates, and foreign Murubbis. Who pay the price? WE THE PEOPLE (Bolir Patha)!
দেশে এখন সামরিক শাসন চলছে না। কোনো শক্তি বন্দুকের জোরে দেশ শাসন করছে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত দল বা জোট দেশ শাসন করছে।
Officially by the peoples vote. Under cover appointed by the very few. With the flavor of Moha Joot.
আমাদের দেশ কি এই অপরাজনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে? কখনো কি আমরা প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও সুস্থ রাজনীতির স্বাদ গ্রহণ করতে পারব না? As long as ignorant and arrogant leadership will remain.
প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও সুস্থ রাজনীতির জন্য আমাদের একটা পথ খুঁজে বের করতেই হবে। Very encouraging question? I do support 100%. There must be a national unity government free from corrupt politicians at least for 10 years. Unity government has to be based on merits, experience, honesty and free from existing political party affiliation including back ground checking. Let us think deeply. Let us free our mind from leader image.
83778
ডিটিনি, লন্ডন থেকে আবুল কালাম আজাদ রুবেল লিখেছেন, ০৬ মে ২০১২; দুপুর ০৩:২৭
৪ নাম্বার ভাই কে বলতে চাই আপনাদের হৃদয় মনে হয় ইট পাথর দিয়ে গড়া তাই এক চোখা মনে হয়।
83872
ঢাকা থেকে শিকদার দস্তগীর লিখেছেন, ১৮ মে ২০১২; সকাল ০৯:৩৮
আপনি বললেন, "আমরা কুড়ি বছর ধরে গণতান্ত্রিক রাজনীতির নামে একধরনের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি করে যাচ্ছি। পাঁচ বছর পর পর সংসদ নির্বাচন করে আমরা গণতন্ত্রের পতাকা ওড়াই। সরকার পরিবর্তন করি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। আমাদের রাজনীতির বাকি সব কাজ দুর্বৃত্তায়নের নীলনকশায় পরিচালিত।"
৪০ বছর হল দেশ স্বাধীন হয়েছে । বাকী ২০ বছরের শাসন ব্যবস্থা নিয়ে কিছু বললেন নাতো ? আসলে জনাব, এসব থিওরি লিখে কি হবে ? শাসকরা কারা ? এর সহজ উত্তর আমার , আপনার নিজেরই প্রতিমুর্তী । তারা কেউ আসমান থেকে নাজিল হয়নাই। আমি , আপনি যেমন, আমাদের শাসক ঠিক তেমন। আমাদের চরিত্র ঠিক না হলে আগামী দিনে দেশের অবস্থা আরো ভয়াবহ রূপ নিতে বাধ্য। এর জন্য দায়ি দেশের সবচেয়ে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। যারা নিজেদেরকে সভ্য বলে দাবী করেন। কিন্তু বড়ই হিপোক্র্যাট। সুশাসন চাই, তবে নিজের চুরি -দারী, আখের গোছানো, স্বার্থপরতা, দুনিয়ার ভোগ বিলাসে মত্ত থাকার ( অন্যের হক নষ্ট করে হলেও ) স্থায়ী ব্যবস্থা ঠিক রেখে। আল্লাহ এমনটি হতে দিতে পারেন না। ফলাফল সবাইকেই ভোগ করতে হবে। দেখুন না, খুব বেশী দূরে নেই- আমরা জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটা কংকাল জাতি হিসেবে পরিচিতি পেতে যাচ্ছি।
84450
UK থেকে mansoor লিখেছেন, ১৮ মে ২০১২; বিকেল ০৪:৫৩
" কিছুদিন পর পরই এসব ঘটনা ঘটে। এ ধরনের ঘটনা ঘটার পর অনেকে খুবই বিস্ময় ও ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘এভাবে চলা যায় না।’ যাঁরা বিস্ময় বা ক্ষোভ প্রকাশ করেন, তাঁদের কি ধারণা, বর্তমান মেইনস্ট্রিম রাজনীতিতে (বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াত) অন্য রকম কিছু হওয়ার কথা? এই দলগুলো কি গণতান্ত্রিক আদর্শ দ্বারা পরিচালিত? এই দলগুলোর ভেতরে কি গণতন্ত্রের চর্চা আছে? "এই দলগুলো কি সুস্থ, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী? তাদের দল কীভাবে চলে? তাদের দলের নেতা-নেত্রীরা কীভাবে দলনেতা হয়েছেন? প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন? প্রধানমন্ত্রীরা কাদের মন্ত্রী বানান? কী যোগ্যতায় তাঁরা মন্ত্রী হন? কারা মন্ত্রী হতে পারেন না? প্রশাসনকে তাঁরা কীভাবে পরিচালনা করছেন?'
Dear writer ,

You have generalised all the political party with the Jamat. But justice can't be done if it is not specialised. Because Jamat's constitution, it's procedure of election, it's financial sources, it's leadership and membership stair are more different than all other political parties. We always hear Political parties of Bangladesh have no democracy in their own and they underline Jamat also with bigger 3 , but it is not true for Jamat. So far we know they have election regularly (there is no candidate system, one is to vote for as per his/her judgment), they have retirement system. Financial system is examplery for other. They(if employee) contribute a portion of salary or (if businessman) gives a portion of his profit.
84453
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy